ঢাকাতে আবারও বাসচাপায় প্রাণ গেল যুবকের

দেশের খবর: রাজধানীর গুলিস্তানে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। আজ রোববার বিকেল ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই যুবকের পরিচয় জানা যায়নি। তাঁর বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। ওই যুবকের পরনে ছিল চেক লুঙ্গি, কোমরে লাল গামছা ও হাফ হাতা শার্ট।
পল্টন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওয়ালিউর রহমান জানান, গুলিস্তান জিরো পয়েন্টের কাছে হোটেল ইম্পেরিয়ালের সামনে খাজা পরিবহন নামের একটি বাসের চাপায় গুরুতর আহত হন ওই যুবক। দ্রুত তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই বাসটি জব্দ করা গেলেও এর চালক পলাতক।
এদিকে ধানমণ্ডি ১৫ নম্বরে একটি বাসায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তাঁর নাম জানা যায়নি। তাঁর বয়স আনুমানিক ৫০ বছর। আজ বিকেল ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
বাসার তত্ত্বাবধায়ক শেখ মিলাদ জানান, ধানমণ্ডির ১৫ নম্বর রোডের একটি বাসার দ্বিতীয় তলায় বাইরের এসির ময়লা পরিষ্কার করছিলেন ওই ব্যক্তি। এ সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হন তিনি। এরপর তাঁকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শেখ মিলাদ জানান, সকালে দুই ব্যক্তিকে দিনমজুর হিসেবে কাজের জন্য আনা হয়। এরমধ্যে নিহত ব্যক্তি একজন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া জানান, মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুই শিক্ষার্থীর পরিবারকে ১০ লাখ টাকা দেবে জাবালে নূর

দেশের খবর: রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থীর প্রাণহানির ঘটনায় প্রত্যেকের পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা করে দেবে জাবালে নূর পরিবহন কর্তৃপক্ষ।
রোববার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) দাখিল করা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পরে আদালত এ বিষয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য ৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন।
আদালতে জাবালে নূরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী পঙ্কজ কুমার কুণ্ডু। রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন আবেদনকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
পরে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকদের বলেন, বিআরটিএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাবালে নূর দুই পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা করে দেবে। এ জন্য তারা সময় চেয়েছিল। কিন্তু আদালত সময় দেননি।
এদিকে, চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স কোন যোগ্যতার ভিত্তিতে দেওয়া হয় এবং সড়কে চলাচলকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিআরটিএর নেওয়া পদক্ষেপের প্রতিবেদন নিয়ে শুনানির জন্য ৭ অক্টোবর দিন ঠিক করেছেন আদালত।
এর আগে গত ৩০ জুলাই এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট দুই পরিবারকে এই টাকা দেওয়ার ব্যাপারে আদেশ দেন।
রিট আবেদনের পর ওই দিন ব্যারিস্টার কাজল বলেছিলেন, বিদ্যমান যে ট্রাফিক আইন আছে, তার যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না এবং শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের নিহত দুই শিক্ষার্থীর প্রত্যেকের পরিবারকে ব্যাংক ইন্টারেস্টসহ দুই কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
আদালত দুই পরিবারের তাৎক্ষণিক চাহিদা মেটানোর জন্য জাবালে নূর পরিবহনকে এক সপ্তাহের মধ্যে পাঁচ লাখ টাকা করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আহত হয়ে যেসব শিক্ষার্থী হাসপাতালে আছে, তাদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে চিকিৎসা খরচ বহন করতে ওই পরিবহনকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

গত ২৯ জুলাই দুপুরে হোটেল র‍্যাডিসনের সামনে জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভার ঘেঁষে রাস্তার বাঁ পাশে দাঁড়ানো শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের একদল শিক্ষার্থীর ওপর উঠে যায় জাবালে নূর পরিবহনের একটি বেপরোয়া বাস। এতে দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়। আহত হয় কয়েকজন শিক্ষার্থী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সড়কে আদায় জরিমানার ভাগ পাবেন ট্রাফিক পুলিশ

দেশের খবর: রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা আর অনিয়ম রোধে ট্রাফিক ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে আনফিট যানবাহন আর লাইসেন্সবিহীন চালকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখতে চায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। এক্ষেত্রে যান চলাচলকারী যানবাহনকে বিভিন্ন ত্রুটির কারণে করা জরিমানার ৩০ শতাংশ অর্থ ট্রাফিক পুলিশকে দেওয়ার সুপারিশ করেছেন ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব বরাবর একটি চিঠিও পাঠিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। ওই চিঠিতে তিনি উল্লেখ হয়, বিশ্বের ব্যস্ততম শহরগুলোর অন্যতম রাজধানী ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করতে দিন-রাত নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন পুলিশের প্রায় চার হাজার সদস্য। বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ এ মহানগরীতে আয়তনের তুলনায় রাস্তাঘাট অপ্রতুল। ফলে যানজট এখানকার একটি নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্মাণাধীন আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনগুলো থেকে নিঃসৃত ধুলাবালি এবং যানবাহন ও কল-কারখানা সৃষ্ট বায়ু ও শব্দ দূষণের মধ্যে স্বাভাবিকভাবে ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব পালন করার বিষয়টি অত্যন্ত দুরূহ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া একজন ট্রাফিক পুলিশকে ঝড়, বৃষ্টি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেও তার দায়িত্ব পালন করে যেতে হচ্ছে।
চিঠিতে আরো বলা হয়, ঢাকায় প্রতিনিয়ত গাড়ির সংখ্যা বাড়ছে। ফলে ট্রাফিক সদস্যদের প্রত্যেক পালায় (শিফটে) নির্ধারিত ৮ ঘণ্টার ডিউটি শেষেও অতিরিক্ত ডিউটি করতে হচ্ছে। আগে ট্রাফিক সদস্যদের দুই পালায় ডিউটি করতে হলেও বর্তমানে কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের তিন পালায় ডিউটি করতে হচ্ছে। দিন-রাত তীব্র শব্দ ও সার্বক্ষণিক মানসিক চাপের মধ্যে কাজ করার কারণে এ বিভাগের সদস্যদের অনেকেই মানসিক বৈকল্য, বধিরতা, ক্যান্সার, যক্ষ্মা, অপুষ্টিসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। এ বিভাগের সদস্যদের জন্য নিয়মিত চিকিৎসা বাবদ ব্যয় পরিশোধ করে সন্তানদের পড়াশোনার খরচ ও পারিবারিক প্রয়োজন মেটানো অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়েছে।

এই শহরের প্রাত্যহিক যান চলাচল নিশ্চিত করা, ট্রাফিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্য যথাযথ আইনের প্রয়োগসহ ভিভিআইপি গমনাগমন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইভেন্ট আয়োজনে ঢাকা মহানগর ট্রাফিক পুলিশ আস্থার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। ঢাকা মহানগরীর ট্রাফিক বিভাগের সদস্যদের এই কর্মতৎপরতা প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রশংসিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল কমিটি ফর ইন্টেলিজেন্স কো-অর্ডিনেশনের (এনসিআইসি) সভায় ট্রাফিক পুলিশদের এসব সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়েছিল। সে সময় ট্রাফিক প্রসিকিউশনের মাধ্যমে আদায় হওয়া মোট জরিমানার একটি অংশ প্রতি মাসে বিভাগীয় সদস্যদের বরাদ্দ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

এই বরাদ্দ দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের অন্য কোনও আর্থিক খাত হতে অর্থ সংগ্রহের প্রয়োজন পড়বে না বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেন ডিএমপি কমিশনার।

ডিএমপি কমিশনার আরো উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নির্দেশিত ট্রাফিক বিভাগের প্রসিকিউশনের মাধ্যমে প্রতিমাসের আদায় করা জরিমানার ৩০ শতাংশ এই বিভাগে কর্মরত সদস্যদের অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

এদিকে অনুমোদন না হলেও মাঠপর্যায়ে ট্রাফিক সদস্যরা এরইমধ্যে বিষয়টি জেনেছেন। এমন সিদ্ধান্তের বিষয়ে সন্তুষ্টিও প্রকাশ করেছেন তারা।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ডিএমপি কমিশনারের এই আবেদনটি বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে মন্ত্রণালয়। এটি বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগে ২০ কোটি টাকার টেন্ডার দুর্নীতি!

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ২০ কোটি টাকার টেন্ডার দুর্নীতির অভিযোগ এনেছেন ঠিকাদাররা। তার ও তার অফিসের কয়েকজনের দুর্নীতির কারণে ঠিকাদাররা কর্ম বঞ্চিত হয়েছেন দাবি করে অবিলম্বে নির্বাহী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম, সহকারি প্রকৌশলী সরোয়ার হোসেন, এস্টিমেটর অমল রায় এবং কমপিউটার অপারেটর ইমরানের প্রত্যাহার দাবি করেছেন তারা।
রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা বলেন সাতক্ষীরার ঠিকাদাররা। তাদের পক্ষে ঠিকাদার খন্দকার আলি হায়দার লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান । এ সময় ঠিকাদার মো. রুহুল আমিন, সৈয়দ হারিজ হোসেন, মো. শাহেদুজ্জামান, অসীম কুমার দাস, বাদল, আবদুল হালিম, কাজল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ঠিকাদাররা জানান সম্প্রতি খুলনা সাতক্ষীরা বাগেরহাট প্রকল্পের তিনটি আইডি এবং অগ্রাধিকারমূলক পানি সরবরাহ প্রকল্পের ৮টি টেন্ডার আহবান করা হয়। তারা বলেন ঠিকাদার হিসাবে এসব আইডির মূল্য রেট জানতে চাইলে নির্বাহী প্রকৌশলী তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে খুলনায় প্রকল্প পরিচালক ( পিডি) অফিসে যোগাযোগ করার কথা বলেন। যোগাযোগ করা হলে সেখান থেকেও একই কথা বলা হয়। তারা বলেন মূল্য রেট না পেয়ে তারা নিজেদের মতো করে দরপত্র জমা দেন। টেন্ডার ওপেনিংয়ের পর দেখা যায় নির্বাহী প্রকৌশলী তার খয়ের খা দুই তিনজন ঠিকাদারের রেট ১০% নিম্নদরে মিলিয়ে দিয়েছেন। প্রশ্ন রেখে তারা বলেন সাতক্ষীরার ঠিকাদাররা রেট না পেলেও নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রিয়ভাজন লোকজন কিভাবে তা পেলেন। এ কাজে মোটা টাকার লেনদেন হয়েছে অভিযোগ করে তারা বলেন এর সাথে জড়িত রয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম ছাড়াও সরোয়ার হোসেন, অমল রায় ,ইমরানসহ অফিসের কয়েকজন। তারা অভিযোগ করে বলেন কমপিউটার অপারেটর ইমরানের মাধ্যমে দুনর্ীীতিবাজ কর্মকর্তারা শতকরা ১০ টাকা হিসাবে অবৈধ টাকা নিয়ে কার্যাদেশ দিয়ে আসছেন। অভিযোগে তারা আরও বলেন গত ৫ ফেব্রুয়ারি খুলনা সাতক্ষীরা বাগেরহাট প্রকল্পে পাঁচটি টেন্ডার আইডিতে ১২ জন ঠিকাদার অংশ গ্রহন করেন। ওই পাঁচটি টেন্ডারের বিপরীতে ত্রিশ লাখ টাকা ঘুষ আদায় করে দুই তিনজন ঠিকাদারকে সাত কোটি টাকার কার্যাদেশ দিয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী। এর মধ্যে চারটি আইডির কাজ তার নিজের মনোনীত ঠিকাদারকে দিয়েছেন। অভিযোগ করে ঠিকাদাররা বলেন প্রিয়ভাজন ঠিকাদারদের সাথে নির্বাহী প্রকৌশলীর গোপন ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে। আরেকটি টেন্ডারের পাইপ লাইন কাজ মোটা টাকার বিনিময়ে তিনি ইউনুস অ্যান্ড ব্রাদার্স লাইসেন্সে কাজ দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রেও মোটা টাকা ঘুষ নিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী কার্যাদেশ দিয়েছেন বলে জানান কারা।
ঠিকাদাররা আরও বলেন টেন্ডার ওপেন করা হলেও তিনি তা সর্বসাধারনের অগোচরে রাখার চেষ্টা করে থাকেন। এর ফলে বঞ্চিত ঠিকাদারা কে কত রেট দিলেন কিংবা কে কাজ পাচ্ছেন না পাচ্ছেন তা জানতে পারেন না সাধারন ঠিকাদাররা।
অবিলম্বে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম , সহকারি মো. সরোয়ার হোসেন, এস্টিমেটর অমল রায় ও কমপিউটার অপারেটর ইমরানকে দুর্নীতির দায়ে সাসপেন্ড এবং তাদের প্রত্যাহারের দাবি জানান ঠিকাদাররা।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নির্বাহী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম বলেন যা কিছু হয়েছে সবই বিধি মোতাবেক হয়েছে। দুর্নীতির অভিযাগে অস্বীকার করে তিনি বলেন ছোট ছোট ঠিকাদাররা অনেক সময় কাজ পান না। এতেই তারা সংক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন । পিডবলিউডিএর সিডিউল মোতাবেক বাজার অনুযায়ী দরপত্র আহবানের নিয়ম রয়েছে। ফলে কোন ঠিকাদার কোন দর দেবেন না দেবেন তা তার নিজস্ব বিষয়। তিনি আরও বলেন ‘ আমি কাজের অনুমোদন দিতে পারি না। সুপারিশ করি, অন্রমোদন দেন ঢাকার প্রকল্প পরিচালক’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইন্দোনেশিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত; নিহত ৮, এক কিশোর জীবিত উদ্ধার

বিদেশের খবর: ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়া প্রদেশে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে আট জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে মাত্র একজন কিশোরকে (১২) জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। পাপুয়ার সামরিক মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল ডাক্স সিয়ানটুরি এ তথ্য জানিয়েছেন।

শনিবার বিমানের ট্রাফ্রিক কন্ট্রোলের সঙ্গে সংযোগ হারিয়ে ফেলে বিমানটি। রবিবার সকালে বিমানের ধ্বংসাবশেষ পার্বত্য এলাকার গভীর জঙ্গলে পাওয়া গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গরিবের রান্নাঘরে দুপুরের খাবার খেলেন এমপি জগলুল

আব্দুল আলিম: রবিবার দুপুরে শ্যামনগর উপজেলার বাদঘাটা গ্রামে গণসংযোগকালে হতদরিদ্র সখিনা খাতুনের বাড়িতে হঠাৎ যান সাতক্ষীরা – ৪ আসনের সংসদ সদস্য এস, এম জগলুল হায়দার। তখন তাদের বাড়ির রান্নাঘরে দুপুরের রান্না চলছিল। তিনি সরাসরি তাদের রান্নাঘরে যান। সাংসদকে সাধারণভাবে সেখানে পেয়ে তারা আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান। তারা তাকে দুপুরের খাবার খাওয়ার অনুরোধ করলে খাবার খাওয়ার জন্য রান্নাঘরে মাটিতে বসে পরেন জগলুল হায়দার এমপি। তারা পরম মমতায় এমপিকে খাবার খেতে দেন। একসাথে তাদের পাশে বসে দুপুরের খাবার খান সংসদ সদস্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুলিশের হাতে উদ্ধার বাক প্রতিবন্ধী শিশু মামুন কে?

আসাদুজ্জামান: হাসিতে সব সময় ভরে থাকে মুখটি। নির্বাক শিশুটি কেবলমাত্র নিজের নাম ‘মামুন’সহ মা বাবা ও জেলার নামটি আড়ষ্ট ভাষায় প্রকাশ করতে পারে। একমাসেরও বেশি সময় যাবত শিশুটি রয়েছে যশোরের একটি বেসরকারি সংস্থার হেফাজতে।
গত জুলাইয়ের ৪ তারিখে বছর পাঁচেকের এই ছোট্ট শিশুটিকে উদ্ধার করে যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশ। পরদিন এ খবর পেয়ে বেসরকারি সংস্থা রাইটস শিশুটিকে তাদের জিম্মায় নিয়ে আসে। পরে শিশুটিকে রাখা হয় ঢাকা আহসানিয়া মিশনের যশোরস্থ ভেকুটিয়া শেল্টারহোমে। শিশুটি বাকপ্রতিবন্ধী , একই সাথে সে মানসিক প্রতিবন্ধী।
শিশুটি তার নাম ‘মামুন’ বলতে পারে। তার মার নাম একবার বলেছে সুখজান , আরেকবার শাহিদা। বাবার নাম আবু জাফর। বাড়ি কোথায় ? সাতক্ষীরায়। অষ্পস্ট ভাঙ্গা ভাঙ্গা স্বরে এই শব্দগুলিই বলতে পারে মামুন।
রোববার সকালে রাইটস যশোরের ডিস্ট্রিক্ট ফ্যাসিলিটেটর রুহুল কুদ্দুস শিশুটিকে নিয়ে এসেছিলেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে। তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করেন সাংবাদিকরা। কিন্তু মামুন কেবলমাত্র মা বাবা জেলা আর নিজের নাম খন্ডিতভাবে বলতে পারে।
শিশুটির অভিভাবক কে। কোথায় তার বাড়ি। এসব কিছু জানতে বিভিন্ন স্থানে খবর পাঠানো হয়েছে। ফেসবুকেও চলছে মামুন পরিচিতি জানার আহবান।
তার পরিচয় জানানোর জন্য রাইটস যশোর এর ০১৭৩৫৩৫০৯০০ অথবা সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নম্বর ০১৭১১১৭০১২৩ এ যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি হাজরাখালীতে নদীর বেঁড়িবাধ ভেঙে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরার আশাশুনির হাজরাখালীতে খোলপেটুয়া নদীর প্রবল জোয়ারের তোড়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বেঁড়িবাধ ভেঙ্গে তিনটি গ্রামের নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে শতাধিক মৎস্য ঘের। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে অর্ধ শতাধিক পরিবার।
রবিবার দুপুরে সাতক্ষীরা পাউবো বিভাগ-২ এর আওতাধীন ৪ নং পোল্ডারের কাছাকাছি হাজরাখালী নামক স্থানে প্রায় ৬০/৭০ ফুট এলাকা জুড়ে বেঁড়িবাধ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। দ্রুত বেড়িবাঁধটি সংস্কার করা না গেলে পরবর্তী জোয়ারে আরো নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হবে আশংকা করছেন স্থানীয এলাকাবাসী।
স্থানীয় শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা শাকিল জানান, আগে থেকেই বাঁধটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। বিষয়টি পাউবো কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানোর পরও তারা তেমন কোন গুরুত্ব দেয়নি। চলতি অমাবস্যার কারনে নদীতে জোয়ার তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় দুপুরের হঠাৎ করেই বাঁধটি নদী গর্ভে ধ্বসে পড়ে। প্রায় ৬০/৭০ ফুট এলাকা দিয়ে নদীর পানি প্রবল বেগে লোকালয়ে ঢুকছে। ইতিমধ্যে মাড়িয়ালা, থানাঘাটা ও বকচর গ্রামের নি¤œাঞ্চল পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। তলিয়ে গেছে শতাধিক মৎস্য ঘের। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে অর্ধ শতাধিক পরিবার। বেড়িবাঁধটি দ্রুত সংস্কার করা না গেলে পরবর্তী জোয়ারে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়বে।
তিনি আরো জানান, বাঁধটি মারাতœক ঝুকিপূর্ণ হওয়ায় গতকাল শুক্রবার থেকে সেখানে স্থানীয়দের নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে বাধ সংস্কারের প্রাণপন চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি। হঠাৎ দুপুেেরর প্রবল জোয়ারে তা ভেঙ্গে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কেউ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়নি বলে তিনি আরো জানান। তবে, বাঁধটি সংষ্কারের জন্য একজন ঠিকাদার ইতিমধ্যে নিয়োগ করা হয়েছে যে চলতি আমাবস্যা গণের পরে কাজ শুরু করার কথা রয়েছে।
এ ব্যাপারে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাফফারা তাসনীন জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ সংস্কারের জন্য ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসনের কাছে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, দ্রুত বাঁধ সংস্কারে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest