সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শন

আ’লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত, বিএনপি মজেছে খালেদার মুক্তি নিয়ে

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী তালিকা প্রায় চূড়ান্ত করা হলেও বিএনপির নির্বাচনের অংশগ্রহণ নিয়ে চলছে দো’টানা। খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে এতে তারা অংশ নেবেন, নয়তো নয়।
তবে বর্তমানে নির্বাচন আর খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনায় মজেছেন দলের সিনিয়র নেতারা। বিএনপির পক্ষ থেকে সংলাপের কথা বলা হলেও ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বার বার বলা হচ্ছে সুযোগ নেই সংলাপের।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের কিছু সিনিয়র নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের বিভিন্ন তথ্য নিয়ে কয়েকটি সংস্থার রিপোর্ট জমা পড়েছে। রিপোর্টে বিতর্কিত এমপিদের আমলনামা এবং মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাদের ভালো-মন্দ দু’টায় ঠাঁই পেয়েছে। দলের কর্মকাণ্ড কিংবা জনপ্রিয়তার দিক থেকে কোন এমপির কি আমলনামা সবই লেখা রয়েছে সেই রিপোর্টগুলোতে।

আওয়ামী লীগের এক জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, প্রতিটি আসনে একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী রয়েছে। এ মুহূর্তে প্রকাশ্যে কারো নাম ঘোষণা করা যাবে না। নাম ঘোষণা করলে বিভিন্ন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে। সংঘাতও হতে পারে। নাম ঘোষণার সময় এখনো হয়নি। সময় বলে দেবে কে মনোনয়ন পাবে। যেই মনোনয়ন পাবে তার পক্ষ নিয়ে সবাইকে কাজ করতে হবে। যাদের ব্যক্তি ইমেজ ভালো। দলের সুনাম কুড়াবে। তাকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, আওয়ামী লীগ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। ইতোমধ্যে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকা থেকে তৃণমূলের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। দলের সভানেত্রী বিভিন্ন উইংস থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছেন। এসব তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেয়া হবে।
এই তালিকাও মোটামুটি প্রস্তুত, প্রার্থিতা প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলা হয়েছে। তবে তফসিল ঘোষণার পরই মনোনয়ন কারা পাচ্ছেন, তা চূড়ান্তভাবে বলা যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অন্য দিকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে বিএনপি। দলের কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি পাওয়া-না পাওয়ার ওপর নির্ভর করছে বিএনপির নির্বাচনী সমীকরণ। ইতোমধ্যে বিএনপি নেতারা ঘোষণা দিয়েছেন, খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচনে যাবেন না তারা। বিএনপির সমস্ত মনোযোগ এখন খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে। তারা কি করবে তা নিয়ে বিচার বিশ্লেষণ চলছে দলে। নেতারা বৈঠক করছেন, কথা বলছেন। খালেদা জিয়ার দিক-নির্দেশনাও পেয়েছেন।

দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকার খালেদা জিয়াকে নির্বাচনে অযোগ্য করার ষড়যন্ত্র করছে। এটা তারা পারবে না। সেই চ্যালেঞ্জই এখন আমরা মোকাবিলা করছি। শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমেই খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে। তবে সরকারের অসৎ উদ্দেশ্য থাকলে বিএনপি বসে থাকবে না।
তিনি বলেন, চেয়ারপারসনের মুক্তির পাশাপাশি এবার নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আদায় করে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারও বড় চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে যা যা করার সবই করবেন তারা।

দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, চার শর্ত পূরণ না হলে বিএনপি নির্বাচনে যাবে না। শর্তগুলো হচ্ছে- খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণ, নির্বাচন হতে হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক, শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে এবং নির্দলীয় সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ২০ দলের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম বলেন, অগণতান্ত্রিক প্রহসনের মধ্য দিয়ে আরেকটি নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে যাচ্ছে সরকার। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে সরকারকে বাধ্য করা। যাতে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা যায়। আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। মুক্ত খালেদা জিয়া ছাড়া বিএনপি বা ২০ দল কোনও নির্বাচনে যাবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফার্মের মুরগীর মাংস আমাদের দেহের জন্য ক্ষতিকর

স্বাস্থ্য কণিকা: ফার্মের মুরগীকে যে খাবার দেয় হয় তা হচ্ছে চামড়া শিল্পের বর্জ্য। এসব বর্জ্যে আছে বিষাক্ত ক্রমিয়াম। যা মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। মুরগি রান্না করলেও এই ক্রমিয়াম নষ্ট হয় না। কারণ এর তাপ সহনীয় ক্ষমতা হলো ২৯০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট। আর আমরা রান্না করি ১০০ -১৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেটে। ফলে এই বিষাক্ত ক্রমিয়াম মুরগির মাংস থেকে আমাদের দেহে প্রবেশ করে কিডনি, লিভার অকেজো করে দিতে পারে। এছাড়া এই বিষাক্ত ক্রমিয়াম দেহের কোষ নষ্ট করে দেয় যা পরবর্তীতে ক্যানসার সৃষ্টি করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক আবুল হোসেন তার গবেষণায় দেখতে পান প্রতি ১০০০ গ্রাম মুরগীর মাংসে ক্রমিয়াম আছে ৩৫০ মাইক্রোগ্রাম।
হাড়ে ক্রমিয়াম আছে ২০০০ মাইক্রো গ্রাম। কলিজায় ক্রমিয়াম আছে ৬১২ মাইক্রো গ্রাম। মগজে আছে ৪,৫২০ মাইক্রো গ্রাম। রক্তে আছে ৭৯০ মাইক্রো গ্রাম ক্রমিয়াম।

World Health Organization (WHO)-এর মতে, একজন মানুষের ৩৫ মাইক্রোগ্রাম ক্রমিয়াম গ্রহণ করতে পারে। এর বেশি হলে তা দেহের জন্যে ক্ষতিকর। আমরা যদি ২৫০গ্রাম ওজনের এক টুকরা মাংস খাই তবে আমদের দেহে প্রবেশ করছে ৮৭.৫ মাইক্রোগ্রাম ক্রমিয়াম যা অনেক বেশি।
আবার আমরা যদি ৬০ গ্রাম ওজনের একটা মাংসের টুকরো খাই তবে তা থেকে আমরা পাচ্ছি ২১.৮৮ মাইক্রো গ্রাম ক্রমিয়াম।
যা সহনীয় পর্যায়ে কিন্তু এই ক্ষতিকর এই ক্রমিয়াম ছাড়াও মুরগিকে দেয়া হয় নানা ধরনের এন্টিবায়োটিক।
কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মতে, মুরগির মাংসে এবং ডিমে এসব এন্টিবায়োটিক বর্তমান থাকে। আর এসমস্ত এন্টিবায়োটিক মুরগির মাংস ও ডিমের সঙ্গে আমাদের দেহে প্রবেশ করে এবং আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।
সর্বশেষে বলতে হয় আমাদের এই বিষাক্ত ফর্মের মুরগী খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।
আমরা অনেকেই আমাদের কোমলমতি বাচ্চাদের নিয়ে বাইরে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে খেতে যাই আর বাচ্চাদের পছন্দই থাকে চিকেন ফ্রাই , গ্রিল,তান্দুরি ইত্যাদি চিকেন আইটেম যা বেশিরভাগ সময় ফর্মের মুরগির হয়ে থাকে।
আমাদের এখনই সাবধান হতে হবে, বিষাক্ত এইসব ফর্মের মুরগি থেকে নয়তো আমরা এবং আমাদের অতি আদরের সন্তানরা পড়বে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে। যা আমাদের কারোই কাম্য নয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আলাদিনের জ্বিনের মত সবার ইচ্ছে পূর্ণ করেন বিল গ্রিফিন

অনলাইন ডেস্ক: সবার মনের ইচ্ছে পূরণ করেন এক ব্যক্তি। নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে করছে, তিনি কে এবং কী উপায়ে মানুষের ইচ্ছে পূরণ করেন তাই না? আসলে আরব্য রজনীর আলাদিনের প্রদীপের জ্বিনের মত মনে হলেও; বাস্তবে এই কাজটিই করেন বিল গ্রিফিন নামের এক মহৎ মানুষ। চলুন বিস্তারিত জানা যাক তার কর্মপ্রক্রিয়া সম্পর্কে।
বিল গ্রিফিন লন্ডনের অধিবাসী। তিন বছর আগে অন্যের ইচ্ছে পূরণের জন্য তিনি একটি ওয়েবসাইট খোলেন, যার নাম ‘ক্রাউড-উইশ ডটকম’। আগে তিনি কমেডি সেন্ট্রাল নামে এক প্রতিষ্ঠানে মার্কেটিং ডিরেকটর হিসেবে উচ্চ বেতনের চাকরি করতেন। কিন্তু তিনি সেই চাকরি ছেড়ে দেন শুধু মানুষের ইচ্ছে পূরণ করবেন বলে।
প্রতিদিন সাধারণ মানুষ তাদের ইচ্ছে প্রকাশ করেন। এরপর কয়েকজন সেগুলো মূল্যায়ন করেন এবং পরবর্তীতে গ্রিফিন দিনের সবচেয়ে জনপ্রিয় ইচ্ছেকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে পূরণ করে দেন। গ্রিফিন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এই ইচ্ছে পূরণের পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করে থাকেন।
যেখানে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীদেরকে আহ্বান করা হয় ইচ্ছে মতো কোনোকিছু চাইতে। এই সাইটে আপনার সেই ইচ্ছেটি ১০০ বা তার চেয়ে কম শব্দের মধ্যে লিখে আবেদন করতে হবে। সেই ইচ্ছে যা খুশি হতে পারে। তা যদি ওইদিন সবথেকে বেশি জনপ্রিয়তা পায় তবে তা তাৎক্ষণিকভাবে পূরণ করার ব্যবস্থা করা হয়।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানুষ বিভিন্ন পণ্য চেয়ে আবেদন করেন। বিল গ্রিফিন এ পর্যন্ত হাজারেরও বেশি ইচ্ছে পূরণ করেছেন। এ নিয়ে তিনি একটি বই লেখার কাজে হাত দিয়েছেন। যেখানে সবচেয়ে জনপ্রিয় ৯৯টি ইচ্ছের কথা তিনি জানাবেন।
তার এই নতুন বই লেখার আইডিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এটা আসলে কোনো বিশেষ গবেষণা নয় যে পৃথিবীর সবার ইচ্ছে, স্বপ্ন এবং ভবিষ্যতের আকাঙ্খা সেখানে প্রকাশ পাবে।’
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ তাদের ইচ্ছে প্রকাশ করছেন। এখানে সাধারণ মানুষেরা তাদের আনন্দ, হাসি, মন খারাপের কথা, মজার এবং হৃদয় ভাঙ্গা ইচ্ছের কথা জানাচ্ছেন। মজার ব্যাপার হলো, বেশিরভাব ক্ষেত্রেই মানুষ খুব সাধারণ কিছু চান, কেউ কেউ তো উড়তে আবার কেউ কেউ রায়ান গোসলিং বা অন্য কারো সাথে রাত কাটাতে ইচ্ছে পোষণ করে। কেউ চান কী করে বাবা-মার সাথে দ্রুত যোগাযোগ করা যায়, কেউ কেক খেতে চান, কেউ কেউ আবার তাদের বসের সাথে ফাইট করার সাহস চান। এমনই হাজারো ইচ্ছে। জানান গ্রিফিন।
এই ইচ্ছে পূরণ প্রজেক্ট পূর্ণ গতিতে এগিয়ে চলছে এবং প্রত্যেকের ইচ্ছে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অল্প সময়ে সুন্দরী হওয়ার উপায়

অনলাইন ডেস্ক: নারী মাত্রই সুন্দরী হওয়ার প্রবল আকাঙ্খা রয়েছে। সুন্দর মুখশ্রী, কোমল ত্বক আর আকর্ষণীয় অবয়বের জন্য মেয়েদের মাঝে রয়েছে তুমুল প্রতিযোগিতা। তবে হাতের কাছে থাকা একটি জিনিস দিয়ে অধরা এই সৌন্দর্য আয়ত্ব করতে পারবেন যে কোনো নারী; আর সেটি হল-মসুর ডাল।
এই ডালটিতে উপস্থিত প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, কার্বোহাইড্রেড, ডায়াটারি ফাইবার, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন এ, সি, ই, কে এবং থিয়েমিন নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে। সেই সঙ্গে ত্বকের অন্দরে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদানদের বের করে দিয়ে স্কিনকে সুন্দর করে তুলতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
প্রসঙ্গত, বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মিত মসুর ডাল দিয়ে বানানো নানাবিধ ফেস মাস্ক মুখে লাগাতে শুরু করলে ত্বকের অন্দরে প্রোটিনের ঘাটতি দূর হয়। ফলে ত্বকের বয়স কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠতেও সময় লাগে না।
তবে এখানেই শেষ নয়। মসুর ডাল আরও নানাভাবে ত্বকের উপকারে লেগে থাকে। যেমন-
ত্বককে উজ্জল করে তোলে: অল্প সময়ে ত্বক উজ্জ্বল এবং প্রাণবন্ত হয়ে উঠুক, এমনটা চান নাকি? তাহলে ত্বকের পরিচর্যায় মুসুর ডালকে কাজে লাগাতে ভুলবেন না যেন! এক্ষেত্রে ৫০ গ্রাম মুসুর ডালকে সারা রাত জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরদিন সকালে উঠে জলটা ছেঁকে নিয়ে ডালটা বেটে নিতে হবে। তারপর ডালের পেস্টটির সঙ্গে ১ চামচ কাঁচা দুধ এবং পরিমাণ মতো বাদাম তেল মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর পেস্টটি ভাল করে মুখে লাগিয়ে কম করে ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে উষ্ণ গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফলতে হবে মুখটা। এইভাবে প্রতিদিন ত্বকের পরিচর্যা করলে দেখবেন ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেতে সময় লাগবে না।
ত্বককে নিমেষে সুন্দর করে তোলে: ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে বেসন এবং দইয়ের কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। তার উপর যদি এই মিশ্রনে অল্প করে মসুর ডাল মিশিয়ে দিতে পারেন, তাহলে তে কথাই নেই! কারণ এই তিনটি উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে বানানো পেস্টটি এত মাত্রায় পুষ্টিকর উপাদানে ভরপুর হয় যে ত্বক সুন্দর হয়ে উঠতে সময়ই লাগে না।
এখন প্রশ্ন হল, কী মাত্রায় এই তিনটি উপাদানকে মেশাতে হবে? এই পেস্টটি বানাতে প্রথমে ১ চা চামচ মসুর ডাল পাউডারের সঙ্গে সম পরিমাণ বেসন এবং দই মেশাতে হবে। সঙ্গে যোগ করতে পারেন অল্প করে হলুদও। এবার সবকটি উপাদান ভাল করে মিশিয়ে মুখে লাগাতে হবে। কিছু সময় অপেক্ষা করার পর মুখ ধুয়ে নিতে হবে।
ফেস ওয়াশ হিসেবে কাজে লাগানে যায়: নানা কাজে সারা দিন আমাদের রাস্তায় কাটাতে হয়। ফলে পরিবেশ দূষণের কারণে ত্বকের বারোটা বেজে যেতে সময় লাগে না। এমন পরিস্থিতিতে দিনের শেষে মসুর ডালকে কাজে লাগিয়ে যদি ত্বককে পরিষ্কার করা যায়, তাহলে স্কিন টোনের উন্নতি তো ঘটেই, সেই সঙ্গে পরিবেশ দূষণের কারণে ত্বকের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও কমে।
প্রসঙ্গত, এক্ষেত্রে এক চামচ মুসুর ডালের পাউডারের সঙ্গে ২ চামচ দুধ, অল্প পরিমাণে হলুদ এবং ৩ ড্রপ নারকেল তেল মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। তারপর মিশ্রনটি সারা মুখে লাগিয়ে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে ভাল করে ধুয়ে ফলতে হবে মুখটা।
ত্বকের অন্দরে আদ্রতার ঘটতি দূর করে: আপনার ত্বক কি বেজায় ড্রাই। সেই সঙ্গে বলি রেখাও দেখা দিতে শুরু করেছে নাকি? তাহলে আর সময় নষ্ট না করে মসুর ডালের পাউডারের সঙ্গে পরিমাণ মতো মধু মিশিয়ে নিয়ে নিয়মিত মুখে লাগাতে শুরু করুন। তাহলেই দেখবেন ধীরে ধীরে বলি রেখা কমতে শুরু করেছে। সেই সঙ্গে ত্বকের ড্রাইনেসও কমে যাবে। এক্ষেত্রে প্রথমে ১ চা চামচ মসুর ডাল পাউডারের সঙ্গে ১ চা চামচ মধু মেশাতে হবে। এরপর ভাল করে দুটি উপাদান মিশিয়ে নিয়ে মিশ্রনটি মুখে লাগাতে হবে। ১৫ মিনিট পেস্টটি মুখে ঘষার পর হালকা গরম জল দিয়ে মুখটা দুয়ে নিলেই কেল্লাফতে!
ড্রাই স্কিনের সমস্যা দূর করে: পরিমাণ মতো মসুর ডাল পাউডারের সঙ্গে সম পরিমাণ গাঁদা ফুল মিশিয়ে ভাল করে বেটে নিয়ে এই পেস্টটি বানাতে হবে। তারপর সেটি কম করে ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখার পর ধুয়ে ফেলতে হবে।
প্রসঙ্গত, ড্রাই স্কিনের সমস্যা দূর করার পাশাপাশি ব্রণর প্রকোপ কমাতে এবং ত্বককে নরম তুলতুলে করে তুলতেও এই ফেস মাস্কটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
এছাড়া ফেস হেয়ার পরিষ্কার করা ও মৃত কোষের স্তর সরিয়ে ফেলার কাজেও মসুর ডাল হতে পারে আপনার মোক্ষম অস্ত্র।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ছোটবেলায় তোতলামির সমস্যা ছিল হৃত্বিকের’

বিনোদনের খবর: বলিউড তারকা হৃত্বিক রোশনের ছোটবেলায় তোতলামির সমস্যা ছিল। নিজেই চেষ্টার মধ্য দিয়ে সেই সমস্যা থেকে বেড়িয়ে এসেছেন বলিউডের এই সুপারস্টার। এমনটিই জানিয়েছেন তার বড় বোন সুনয়না।
সুনয়না তার নিজের ব্লগে লিখেছেন, আমার জীবনের সেরা বন্ধু, আমার জীবনের সুবর্ণ অর্থ। আমি আজীবন তোমাকে ভালোবাসি। আমি সব সময় পাশে আছি, চিরকাল থাকব। হৃত্বিক বয়সে তার চেয়ে দুই বছর কম হতে পারেন কিন্তু সুনয়নার কাছে সব সময়ই ‘বড় ভাই’ হৃত্বিক। স্কুল জীবনের লাজুক কিশোর থেকে বড় হয়ে ওঠা, নিজের কথা বলার সমস্যা কাটিয়ে তোলা, একগুঁয়ে যৌবন অবস্থা সবই ধরা পড়েছে সুননয়ার ব্লগ পোস্টে।
হৃত্বিক রোশন স্বাভাবিকভাবেই তার বোনের এই কাজে আপ্লুত। তিনি নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে সুনয়নার ব্লগ পোস্ট করেছেন এবং লিখেছেন, ‘আমার মিষ্টি বোন! আমাকে স্মৃতির পথ ধরে কোথায় নিয়ে চলে গেল। তোমাকে ভালোবাসি।’
সুনয়না আরও জানিয়েছেন, প্রথম প্রথম কথা বলতে সমস্যা হতো হৃত্বিকের। কথা বলতে গেলে আটকে যেত। ‘তোতলামির সমস্যাটা কমাতে ও যথেষ্ট লড়াই করেছে নিজের সঙ্গে। ওর ১৩ বছর বয়স পর্যন্ত দেখতাম ও বসে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়ছে। সকাল বিকেল বাথরুমে বসেও পড়তে দেখেছি ওকে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঐশ্বরিয়ার সামনেই অভিষেককে অপমান

বিনোদনের খবর: ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চন। সাবেক এই বিশ্ব সুন্দরী বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রীও। স্বাভাবিকভাবে সাংবাদিকদের একটু বেশি নজর থাকে তার দিকে। আর সেটাই এবার স্বামী অভিষেক বচ্চনের জন্য অপমানজনক হয়ে দাঁড়ালো।
ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর, গোটা পরিবার নিয়ে ক্যামেরার সামনে হাজির হয়েছিলেন অমিতাভ বচ্চন। জয়া বচ্চন, অভিষেক বচ্চন, শ্বেতা বচ্চন, ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চন, নিখিল নন্দা এবং নভ্যা নভেলি নন্দার সঙ্গে দেখা যায় বলিউড মেগাস্টারকে। সম্প্রতি একটি ফ্যাশন স্টোরের উদ্বোধনে প্রায় গোটা পরিবার নিয়ে এভাবে হাজির হন তিনি। আর সেখানেই বচ্চন পরিবারকে ক্যামেরাবন্দি করে সাংবাদিকরা।
বচ্চন পরিবারকে ক্যামেরাবন্দি করার পর একসঙ্গে পোজ দেন অভিষেক এবং ঐশ্বরিয়া। যেখানে ডিজাইনার আবু জানি এবং সন্দীপ খোসলার পোশাক পরে হাজির হন রাই সুন্দরী। আর অভিষেক, ঐশ্বরিয়াকে হাতের কাছে পেয়ে যখন তাঁদের বিভিন্ন মুডে ধরার চেষ্টা চালানো হয় সেই সময় সাংবাদিকদের দাবি মেনে পোজও দেন এই দম্পতি। বেশ কয়েক মুহূর্ত ক্যামেরার সামনে স্বামী-স্ত্রীর পোজ দেওয়ার পর ঐশ্বরিয়াকে আলাদা করে ফটোসেশন করার দাবি তোলেন সাংবাদিকরা। ঐশ্বরিয়া ‘সোলো’ ‘সোলো’ বলে চিৎকার করতে শুরু করেন তাঁরা। কিন্তু, সাংবাদিকদের কোনোভাবে আলাদা করে পোজ দেননি নায়িকা। তাঁদের ধন্যবাদ জানিয়ে সেখান থেকে সরে যান অভিষেকপত্মী।
প্রসঙ্গত, এই প্রথম নয় এর আগেও অনেকবার অভিষেকের পাশ থেকে সরে গিয়ে ঐশ্বরিয়ার ছবি তুলার আবদার করেন সাংবাদিকরা। আর তাতেই খেপে যান জুনিয়র বচ্চন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নাক ডাকা বন্ধ করার সহজ সমাধান

অনলাইন ডেস্ক: নাক ডাকার বদভ্যাসের কারণে নিজের যেমন গভীর ঘুম হয় না, তেমনই পাশে শুয়ে থাকা মানুষটিরও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। নাক ডাকা কমানোর জন্য পাশে ফিরে শোয়া, সাইলেন্সার লাগানোর মতো অনেক চেষ্টাই করে থাকি আমরা। কিন্তু নাক ডাকার অভ্যাস কমানো বেশ কঠিন কাজ। নাক ডাকার সমস্যা কমাতে গেলে আগে বুঝতে হবে নাক কেন ডাকে এবং কীভাবে সেই সমস্যা দূর করা যায়।
কেন নাক ডাকি আমরা:
ন্যাজাল প্যাসেজে অতিরিক্ত মিউকাস জমে যাওয়ার কারণে ঘুমের সময় নাক ডাকে। রাতে ঘুমনোর আগে তাই খেয়ে নিন এই পানীয়, যা ন্যাজাল প্যাসেজ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। ফলে ঘুমের সময় নাক ডাকবে না।
কী কী লাগবে: গাজর- ২টি, আপেল- ২টি, আদা- ১ টুকরো, লেবু- ১/৪ অংশ, পানি- আধ কাপ।
যেভাবে বানাবেন:
সব উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ডারে দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে নিন।
যখন খাবেন:
ঘুমোতে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে এই মিশ্রণ পান করুন। সেই সঙ্গেই এড়িয়ে চলতে হবে কিছু খাবার। রাতে ঘুমনোর আগে অ্যালকোহল, প্রসেসড ফুড, সোডা, চকোলেট বা ভাজাভুজি জাতীয় খাবর খেলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হার্ট অ্যার্টাকের সম্ভাবনা আগে থেকেই জানা যাবে

স্বাস্থ্য কণিকা: আরও একবার সামনে এল বিজ্ঞানের ইতিবাচক দিক৷ নতুন উদ্ভাবনের কথা জানালেন বিজ্ঞানীরা৷ জানা গেল, সেই উদ্ভাবনটির দৌলতে আগে থেকেই জানা যাবে হার্ট অ্যার্টাকের সম্ভাবনা৷
অতীতে বহুবার গবেষণা হয়েছে বিষয়টি নিয়ে। সামনে এসেছে অজানা তথ্য৷ সম্প্রতি,বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন এক উন্নত প্রযুক্তিতে তৈরি স্ক্যান৷ যেটিই সাধারণ মানুষকে এই আকস্মিক ব্যাধির প্রকোপ সর্ম্পকে সর্তক করবে৷
হার্ট অ্যার্টাকের বিভিন্ন কারণ উঠে এসেছে বিজ্ঞানীদের নতুন এই গবেষণায়৷ রক্ত চলাচলের পথে রক্ত জমাট বেঁধে স্বাভাবিক রক্ত চলাচলে বাধার সৃষ্টি করলে হতে পারে হার্ট অ্যার্টাক৷ পুরুষ এবং নারী বিশেষে হার্ট অ্যার্টাকের লক্ষণ আলাদা আলাদা রকমের হয়ে থাকে৷ তবে সাধারণ লক্ষণগুলি হল চেস্ট পেন, অস্বস্তি, ক্লান্তি, অস্বাভাবিক হার্টবিট, হাত গলা ঘাড়ে যন্ত্রণা ইত্যাদি৷ সঠিক কোন কারণটি হার্ট অ্যার্টাকের জন্য দায়ী, বিষয়টি নিয়ে এখনও দ্বিধায় বিশেষজ্ঞরা৷
গবেষকরা জানিয়েছেন, সাধারণ রিডিংযুক্ত মানুষের থেকে অস্বাভাবিক এফএআই রিডিং যুক্ত মানুষদের মারাত্মক হার্ট অ্যার্টাকে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে প্রায় নয় গুণ বেশি৷ নয়া এই উদ্ভাবনটি সর্বাধিক ঝুঁকিতে থাকা রোগীদেরকে চিহ্নিতকরণে সাহায্য করবে বিশেষজ্ঞদের৷
যার ফলে আরও বেশি কিছু প্রাণকে বাঁচানো সম্ভব হবে৷ সারা বিশ্বে বেশীরভাগ মৃত্যুর জন্য দায়ী দুটি রোগ, হার্ট অ্যার্টাক এবং স্ট্রোক৷ গবেষকরা আশা করছেন, নতুন এই প্রযুক্তি প্রাথমিকভাবে হার্ট অ্যার্টাকের প্রবণতাকে প্রতিরোধে সাহায্য করবে৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest