সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শন

মৃত্যু সম্পর্কে ৯টি বিস্ময়কর তথ্য

অনলাইন ডেস্ক: মৃত্যুর থেকে অনিবার্য সত্য আর কিছুই হয় না। এই দার্শনিক তত্ত্বকে মনে রেখেও আমরা মৃত্যুকে ঘিরে কেউ রচনা করি রোম্যান্স, কেউ বা মৃত্যুকে একটা ভয়ের ব্যাপার বলেই ধরে নেন। আর এসবের ঊর্ধ্বে উঠলে কেমন একটা বিভ্রান্ত চোখে তাকান মৃত্যুর প্রসঙ্গে উঠলে। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে মৃত্যু সম্পর্কে এমন কিছু সত্যের সন্ধান দেওয়া হল, যার অনেকটাই আমাদের দৈনন্দিনের ধারণার বাইরে।

১। পৃথিবীতে হৃদরোগেই বেশিরভাগ মানুষ মারা যান।

২। কমবয়সি পুরুষদের অধিকাংশই মারা যান দুর্ঘটনায়।

৩। অল্পবয়সী মহিলাদের অধিকাংশই মারা যান সন্তান প্রসব করতে গিয়ে।

৪। প্রতি সেকেন্ডে যতজন শিশু জন্ম নেয়, তার দ্বিগুণেরও বেশি মানুষ মারা যায়।

৫। মৃত্যুর চার ঘণ্টা পরে দেহের পেশিগুলিতে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে সংকোচন ঘটে। দেহ শক্ত হতে আরম্ভ করে। একে ‘রিগর মর্টিস’ বলে। কিন্তু ৩৬ ঘণ্টা পরে রিগর মর্টিস উধাও হতে শুরু করে।

৬। মৃত্যুর পরে অগ্ন্যাশয় ও পাচনতন্ত্রের অন্যান্য অংশ হজমের সহায়ক এনজাইমে পূর্ণ হয়ে যায়। এতে ওই অঙ্গগুলিই ‘হজম’ হয়ে যেতে শুরু করে। তার পরে পুরো দেহতেই এই প্রক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ে। এর নাম ‘অটোলাইসিস’।

৭। মৃত্যুর পরে নখের বৃদ্ধি ঘটে না।

৮। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা মৃতদেহে লেগে থাকা পোকার চরিত্র দেখে মোটামুটিভাবে বলতে পারেন মৃত্যু ঠিক কতক্ষণ বা কত দিন আগে হয়েছে।

৯। প্রতিদিনই ‘খানিকটা করে মারা যাচ্ছি’ আমরা সবাই। প্রতিদিন দেহে প্রায় ৫০ বিলিয়ন কোষের মৃত্যু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রকৌশলীসহ ৩ জন নিহত

দেশের খবর: ঢাকার সাভারে পিকআপ ও ট্রাকের সংঘর্ষের ঘটনায় প্রকৌশলীসহ ৩ জন নিহত হয়েছে। সোমবার ভোর ৪টার দিকে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের সাভারের বলিয়ারপুর এস এন সিএনজি পাম্পের সামনে এঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন আরও ২ জন।
পুলিশ জানায়, মীর আখতার গ্রুপের ডাবল পিকআপে করে সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকায় ফিরছিলেন সেই তিন জন। এসময় তাদের বহনকারী ডাবল পিকআপটি ঢাকা আরিচা মহাসড়কের সাভারের বলিয়ারপুর এস এন সিএনজি পাম্পের সামনে পৌঁছালে সামনে থাকা দ্রুত গতির একটি ট্রাকের পিছনে ধাক্কা দিয়ে দুমড়ে মুচড়ে যায় সেই ডাবল পিকআপটি। এসময় ঘটনাস্থলেই ডাবল পিকআপে থাকা মীর আখতার গ্রুপের ইঞ্জিনিয়ার জহুরুল ইসলাম (৫৫) ড্রাইভার খলিলুর রহমান (৬৫) ও নুরন্নবীসহ তিন জন মারা যায়।
পরে খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য শহীদ সোরওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এদিকে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবার আপনিও বাঁচতে পারবেন ১৫০ বছর

অনলাইন ডেস্ক: বিজ্ঞানের এক আজব আবিষ্কারে এক লাফে আপনার বয়স কমবে ৫০ বছর। শুনতে অবাক লাগছে তো? ভাবছেন সময়ের সাথে বয়সের ভারে নতজানু হয়ে যাওয়ার পরিবর্তে বয়স নাকি কমবে? কিন্তু আপনি অবাক হলেও হার্ভার্ডের প্রফেসর ও নিউ সাউথ ওয়েলস ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা যে পদ্ধতির আবিষ্কার করেছেন, তা শুনলে আপনি চমকে যেতে বাধ্য।
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই পদ্ধতি আপনার বয়স কমিয়ে দেবে পঞ্চাশ বছর। বিজ্ঞানীরা যে ওষুধটি তৈরি করেছেন, তা ইঁদুরের উপর প্রয়োগ করে দেখা গেছে তারা তাদের স্বাভাবিক জীবন সীমার তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশী সময় বেঁচে থাকতে পারছে।
আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই মানুষের হাতের মুঠোয় থাকবে এই ওষুধ। মানুষের উপর এই ওষুধের পরীক্ষা-নিরীক্ষা সফল হলেই তা সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে চলে আসবে। কিন্তু যদি এক ওষুধেই বয়স কমে পঞ্চাশ বছর, তাহলে? গবেষণা বলছে, এই নতুন পদ্ধতিতে মানুষ প্রায় ১৫০ বছর বাঁচতে পারবে। এবং ২০২০ সালের মধ্যে সমস্ত অঙ্গ-প্রতঙ্গকে নতুন প্রানশক্তিতে উজ্জীবিত করতে পারবে।
ডাঃ সিনক্লিয়ার জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের অঙ্গ-প্রতঙ্গকে পুনর্জীবিত করার পাশাপাশি পক্ষাঘাতে আক্রান্ত মানুষকে আবার নিজের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে সাহায্য করবে মাত্র দু’বছরের মধ্যে।
অন্যদিকে, বেশকিছু গবেষক তাদের গবেষণায় তুলে এনেছেন আরও এক তথ্য। শরীরে ভিটামিন বি সৃষ্টিকারী ওষুধ প্রয়োগের ফলে ইঁদুরের জীবনকাল বৃদ্ধি হয় স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ১০গুণ বেশী। পাশাপাশি মানুষের বার্ধক্য জনিত সমস্যা যার অন্যতম উদাহরণ চুল পড়া, তার হাত থেকেও রেহাই দেবে এই ওষুধ।
প্রফেসর সিনক্লিয়ার জানিয়েছেন, ‘পাঁচ বছরের মধ্যেই এক কাপ কফির দামে আপনি এই ওষুধ কিনতে পারবেন’। তবে হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের প্রজননস্বাস্থ্য বিভাগের অধ্যাপক মানুষকে সতর্ক করেছেন, এই গবেষণা সম্পূর্ণভাবে সফল বা প্রমাণিত না হওয়া এবং এর পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট সামনে না আসা পর্যন্ত এই ওষুধ ব্যবহার করা উচিত নয়’।
পারকিন্সনের চিকিৎসার জন্য এই রাসায়নিকটি বর্তমানে ব্যবহার করা হয়। প্রফেসর সিনক্লিয়ার যিনি নিজে এই ওষুধ ব্যবহার করেছেন তিনি জানিয়েছেন, তার জৈবিক বয়স প্রায় ২৪ বছর হয়ে গেছে। পাশাপাশি তার পরিবারের কয়েক জনের ওপর এই ওষুধ ব্যবহারের সুফল তুলে ধরেছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টানা দুই ম্যাচে হারের পর দশজনের দল নিয়ে দুর্দান্ত জয় ম্যানইউ’র

খেলার খবর: অবশেষে জয়ের দেখা পেল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। প্রথম ম্যাচে জয়ের পর টানা দুই ম্যাচে হারে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন ম্যানইউ কোচ হোসে মরিনহো। চাপ নিয়েই রবিবার বার্নলির মাঠে খেলতে যায় ম্যানইউ। তবে চাপকে জয় করে ২-০ ব্যবধানে বার্নলিকে হারিয়েছে রেড ডেভিলসরা।
এদিন ম্যাচের ২৭ মিনিটেই এগিয়ে যায় ম্যানইউ। এ সময় আলেক্সিস সানচেজের ক্রসে হেড দিয়ে বল জালে পাঠান লুকাকু। এরপর ৪৪ মিনিটে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন। তাতে ২-০ ব্যবধানের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় হোসে মরিনহোর শিষ্যরা।
বিরতির পর ম্যাচের ৭১ মিনিটে বার্নলির রক্ষণভাগের খেলোয়াড় ফিল বার্ডলেকে মাথা দিয়ে ঢুস দিয়ে সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ম্যানইউর স্ট্রাইকার মার্কাস রাশফোর্ড। এরপর বাকি সময় দশজন নিয়েই খেলে তারা। এই সময়ে অবশ্য আর কোনো গোল করতে পারেনি মরিনহোর শিষ্যরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেসি নৈপুন্যে ৮-২ ব্যবধানে হুয়েস্কাকে পরাজিত বার্সেলোনা

খেলার খবর: লা লিগায় নবাগত সোসিয়েদাদ দেপোর্তিভা হুয়েস্কাকে ৮ গোলের মালা পরিয়ে ন্যু ক্যাম্পে স্বাগত জানাল লিওনেল মেসির বার্সেলোনা৷ যদিও স্প্যানিশ লিগের এই নতুন দলের বিরুদ্ধে একজোড়া গোল হজম করতে হয় বার্সাকে৷
এই প্রথমবার লা লিগার আঙিনায় পা দেওয়া হুয়েস্কার বিরুদ্ধে তৃতীয় রাউন্ডের লড়াই ছিল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বার্সার সঙ্গে৷ স্বাভাবিকভাবেই এই প্রথমবার নবাগত দলটির মুখোমুখি হয় স্প্যানিশ জায়ান্টরা৷ ঘরের মাঠে আনকোরা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সতর্ক না থাকার মাশুলও দিতে হয় মেসিদের৷
ম্যাচের তিন মিনিটের মাথায় হার্নান্ডেজের গোলে এগিয়ে যায় হুয়েস্কা৷ তাকে গোলের পাস বাড়ান লোঙ্গো৷ যদিও ম্যাচে সমতা ফেরাতে বিশেষ সময় নষ্ট করেনি বার্সা৷ ১৬ মিনিটে ব়্যাকিটিচের পাস থেকে গোল করে ম্যাচের স্কোরলাইন ১-১ করেন মেসি৷
২৬ মিনিটে জর্জ পুলিদোর আত্মঘাতী গোলে ম্যাচে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা৷ ৩৯ মিনিটে জোর্ডি আলবার পাস থেকে গোল করেন সুয়ারেজ৷ প্রথমার্ধেই একটি গোল শোধ করেন হুয়েস্কার অ্যালেক্স গালার৷ ৪২ মিনিটে তিনি বার্সেলোনার জালে বল জড়িয়ে দেন৷
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে বার্সেলোনার একাধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়৷ প্রতিপক্ষের ছক বুঝে যাওয়ার পরেই বার বার আক্রমণে হুয়েস্কার রক্ষণ ভেঙে তছনছ করে দেয় বার্সা স্ট্রাইকাররা৷ দ্বিতীয়ার্ধে সুযোগ মতো পাঁচটি গোল করেন দেম্বেলে, ব়্যাকিটিচ, মেসি, জোর্জি আলবা ও সুয়ারেজ৷
৪৮ মিনিটে সুয়ারেজের পাস থেকে বার্সার হয়ে চতুর্থ গোল করেন দেম্বেলে৷ ৫২ মিনিটে মোসির পাস থেকে গোল করে যান ব়্যাকিটিচ৷ ৬১ মিনিটে কুটিনহোর ক্রস থেকে ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় ও দলের হয়ে ষষ্ঠ গোল করেন মেসি৷ বাকি দু’টি গোল আলবা ও সুয়ারেজের৷
৮১ মিনিটে মেসির কাছ থেকে বল ধরো হুয়েস্কার জালে জড়িয়ে দেন ব়্যাকিটিচ৷ সংযোজিত সময়ে বার্সেলোনা পেনাল্টি পেলে ৯৩ মিনিটে স্পট কিক থেকে গোল করেন সুয়ারেজ৷ ৮-২ ব্যবধানে হুয়েস্কাকে পরাজিত করার সুবাদে তিন ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে উঠে আসে বার্সেলোনা৷ গোলপার্থক্যের নিরিখে তারা পিছনে ফেলে দিল রিয়াল মাদ্রিদকে৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মহাসাগরে ভাসমান মসজিদ, ৩ মিনিট পরপর খুলে যায় ছাদ

অনলাইন ডেস্ক: অদ্ভুত সুন্দর একটি মসজিদ। এর অবস্থান মরক্কোয়। দূরের কোনো জাহাজ থেকে দেখলে মনে হয়, ঢেউয়ের বুকে যেন মসজিদটি দুলছে আর মুসল্লিরা যেন নামাজ পড়ছেন পানির ওপর। দৃষ্টিনন্দন পানিতে ভাসমান এ মসজিদটির নাম গ্র্যান্ড মস্ক হাসান–২ বা দ্বিতীয় হাসান মসজিদ।
বাদশাহ দ্বিতীয় হাসান কাসাব্লাঙ্কা শহরে এ মসজিদটি তৈরি করেছেন। মসজিদটির নির্মাণ কাজ করেছেন ফরাসি কোম্পানি বয়গিসের প্রকৌশলীরা। আর এর নকশা তৈরি করেছিলেন ফরাসি স্থপতি মিশেল পিনচিউ। একে ভাসমান মসজিদ বলার কারণ মসজিদটির তিনভাগের একভাগ আটলান্টিক মহাসাগরের ওপর অবস্থিত।
মসজিদটিতে প্রায় ১ লাখ মানুষ একসঙ্গে নামাজ পড়তে পারেন। এর মিনারের উচ্চতা ২০০ মিটার। আর মেঝে থেকে ছাদের উচ্চতা ৬৫ মিটার। মসজিদের ছাদটি প্রতি ৩ মিনিট পরপর যান্ত্রিকভাবে খুলে যায় বলে এর ভেতরে আলো-বাতাস প্রবেশ করতে পারে। তবে বৃষ্টির সময় ছাদটি খোলা হয় না।
২২.২৪ একর জায়গার ওপর অবস্থিত এ মসজিদের মূল ভবনের সঙ্গেই আছে লাইব্রেরি, কোরআন শিক্ষালয়, ওজুখানা এবং কনফারেন্স রুম। ২৫০০ পিলারের ওপর স্থাপিত এ মসজিদের ভেতরের পুরোটাই টাইলস বসানো। মসজিদ এলাকার আশপাশে সাজানো আছে ১২৪টি ঝরণা এবং ৫০টি ক্রিস্টালের ঝাড়বাতি।
মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৯৮৭ সালের আগস্ট মাসে। প্রায় ২৫ হাজার শ্রমিক ও কারুশিল্পীর পরিশ্রমে এটি প্রায় সাত বছরে নির্মিত হয়। ১৯৯৩ সালের ঈদে মিলাদুন্নবীর দিনে মসজিদটির উদ্বোধন করা হয়। সেসময় এটি নির্মাণ করতে ব্যয় হয়েছে ৮০ কোটি ডলার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চলে গেলেন ‘একাত্তরের জননী’ রমা চৌধুরী

দেশের খবর: সকল চেষ্টাকে ব্যর্থ করে দিয়ে না ফেরা দেশে চলে গেলেন একাত্তরের বীরাঙ্গনা রমা চৌধুরী। সোমবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোর ৪টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।

১৯৩৬ সালের ১৪ অক্টোবর চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন রমা চৌধুরী। ১৯৬১ সালে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। বলা হয়ে থাকে- তিনি দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রথম নারী স্নাতকোত্তর (এমএ) ডিগ্রিধারী।

চার ছেলে সাগর, টগর, জহর এবং দীপংকরকে নিয়ে ছিল তার সংসার। কিন্তু একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনীর হাতে দুই ছেলেকে হারানোর পাশাপাশি নিজের সম্ভ্রমও হারান তিনি। পুড়িয়ে দেওয়া হয় তার ঘর-বাড়ি। তবুও জীবনযুদ্ধে হার মানেননি এ বীরাঙ্গনা।

শুরু করেন নতুনভাবে পথচলা। লিখে ফেলেন একে একে ১৮টি বই। তার বিখ্যাত গ্রন্থ ‘একাত্তরের জননী’। এসব বই বিক্রি করেই চলত তার সংসার। কোমরের আঘাত, গলব্লাডার স্টোন, ডায়াবেটিস, অ্যাজমাসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি রমা চৌধুরী ভর্তি হন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

এরপর থেকে সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। রবিবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার দিকে শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটে। রাতেই তাকে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়। কিন্তু কোন চেষ্টায় কাজে আসেনি। সোমবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোর ৪টার দিকে তিনি মারা যান।

চট্টগ্রামে রমা চৌধুরীর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার জন্য শোক প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধার জন্য কিছুক্ষণের মধ্যে লাশ নেয়া হবে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে।

রমা চৌধুরী ১৯৬২ সালে কক্সবাজার বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ কর্মজীবন শুরু করেন। পরে দীর্ঘ ১৬ বছর তিনি বিভিন্ন উচ্চবিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব পালন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় জন্মাষ্টমী উৎসব পালিত

কলারোয়া ডেস্ক: কলারোয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীশ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব পালিত হয়েছে।
রবিবার (২সেপ্টেম্বর) উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ, সনাতন ধর্ম স্বেচ্ছাসেবক পরিষদ ও শ্রীকৃষ্ণের দাস সম্প্রদায়ের উদ্যোগে মহাবতার ভগবান শ্রীশ্রী কৃষ্ণের ৫৩৪৪ তম আবির্ভাব তিথি উপলক্ষ্যে জন্মাষ্টমী পালন করা হয়।

পৌরসভাধীন তুলসীডাঙ্গার গোয়ালঘাটা পূজামন্ডপ প্রাঙ্গণে সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে দিবসটির সূচনা করে শ্রীশ্রী কৃষ্ণের আবির্ভাব সম্পর্কিত আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ।

উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুনিল সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহম্মেদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আরাফাত হোসেন, জেলা পরিষদ সদস্য শেখ আমজাদ হোসেন, পৌরসভার প্যানেল মেয়র প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান বুলবুল, পাবলিক ইন্সটিটিউটের সাধারণ সম্পাদক এড.শেখ কামাল রেজা, শ্রীশ্রী ব্রহ্ম হরিদাস ঠাকুর জন্মভিটা আশ্রমের সভাপতি অধ্যাপক কার্তিক চন্দ্র মিত্র প্রমুখ।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনি, সুনিল সাহা, নিরঞ্জন পাল, হরেন্দ্র নাথ রায়, নিরঞ্জন ঘোষ, মাস্টার উত্তম কুমার পাল, নিখিল অধিকারী, জয় দাস, রামলাল দত্ত, নিত্যগোপাল রায়, সনাতনধর্ম সেচছাসেবক পরিষদের সভাপতি সন্দীপ রায়, সাধারণ সম্পাদক অর্জুন পাল, মাষ্টার উত্তম পাল, রবীন্দ্রনাথ ঘোষ মনু, আনন্দ ঘোষ, অধ্যাপক অসিম ঘোষ, অসিম পাল বটু, উজ্জল দাশ, জয় দাস, আনন্দ সরকার, দিলিপ অধিকারী চান্দু, কলারোয়া নিউজের স্টাফ রিপোর্টার মিলন দত্ত ও গোপাল ঘোষ বাবু, পুতুল রানী শিকদার, অর্জুন পাল প্রমুখ।

সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ পাল।

দুপুরে বর্ণাঢ্য মাঙ্গলিক শোভাযাত্রা কলারোয়া পৌরসদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় হাজার হাজার ভক্ত অংশগ্রহণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest