সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

আ’লীগ কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে সদর উপজেলা যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জামাত-শিবির ও বিএনপি দ্বারা হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় শহরের কামালনগর এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে নিউ মার্কেটস্থ শহীদ আলাউদ্দিন চত্বরে এক প্রতিবাদে সমাবেশের আয়োজন করেন। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজানের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান। সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ময়নুল ইসলামের পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, আগরদাড়ী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সামসুর রহমান, আলীপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মহিবুল্লাহ সরদার, সদর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক ইনজামুল হক, খোরশেদ আলম রিপন, সোহাগ হোসেন প্রমুখ। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশকে আবারো অশান্ত করার উদ্দেশ্যে কমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। আর ওই অসৎ উদ্দেশ্যে সফল করার জন্য তারা কমলমতি শিক্ষার্থীদের সামনে রেখে জামায়াত-বিএনপির ক্যাডাররা আওয়ামীলীগের অফিসে হামলা করেছিলো। কিন্তু বাংলাদেশে যতদিন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সংগঠন রয়েছে ততদিন ওই স্বাধীনতা বিরোধীরা তাদের অসৎ উদ্দেশ্যে সফল করতে পারবে না। অবিলম্বে ওই হামলাকারীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রমাণ না পাওয়ায় ছাড়া পেলেন ঢাবির তিন শিক্ষার্থী

দেশের খবর: ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনে অংশগ্রহণ ও ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে থানায় সোপর্দ করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) তিন শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।
অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ায় মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান।
এর আগে সোমবার দিবাগত রাতে ঢাবির ফজলুল হক মুসলিম হলে ছয় শিক্ষার্থীকে মারধর করেন হল শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
এঁদের মধ্যে রয়েছেন গণিত বিভাগের তারিকুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের মশিউর রহমান সাদিক, ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের সাদ্দাম হোসেন, তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের প্রথম বর্ষের ওমর ফারুক, প্রাণ রসায়ণ ও অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের জাহিদ এবং পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের জোবাইদুল হক রনি।
এর মধ্যে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার অভিযোগে তারিকুল, সাদ্দাম ও রনিকে পুলিশে দেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
ওসি আবুল হাসান বলেন, ‘ছাত্রলীগ তাদের আজ সকালে আমাদের থানায় তুলে দেয়। তবে আমরা তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ায় ছেড়ে দিয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগও ছিল না তেমন।’
মারধরকারী নেতাকর্মীরা হলেন ফজলুল হক মুসলিম হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিব, পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের সুফি, শামীম ও নাঈম। তাঁরা হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহরিয়ার সিদ্দিক সিসিমের অনুসারী বলে জানা যায়।
পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের প্রমাণ না পেয়ে ছেড়ে দিয়েছে। তাহলে ছাত্রলীগ কিসের ভিত্তিতে তাদের মারধর করল- এমন প্রশ্ন করা হলে ছাত্রলীগ নেতা শাহরিয়ার সিদ্দিক সিসিম বলেন, ‘আমি তো সেখানে ছিলাম না। তবে শুনেছি রাতের অন্ধকারে কার্জন হলের সব লাইট বন্ধ করে হল দখল করবে, এই খবর পাওয়ার পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তখন তাদের ম্যাসেঞ্জারে কার্জন হল দখলের পরিকল্পনার কথা দেখতে পাওয়া যায়। সেই সময় তাদের থানায় তুলে দেওয়া হয়। একটি হল দখলের খবরও যদি পুলিশের কাছে তেমন কিছু না মনে হয় তাহলে আর কি করার। তবে অন্যায়ভাবে তাদের মারা হলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এর আগে মারধরের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শাহরিয়ার সিদ্দিক সিসিম বলেছিলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর প্রমাণ পেয়েছি। তাই তাদের পুলিশে দেওয়া হয়েছে। গুজবের বিষয়টি তাঁরা স্বীকার না করায় তাদের মারধর করা হয়েছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘বয়ফ্রেন্ড’ এর মূল ভূমিকায় তাসকিন

বিনোদনের খবর: নিরঞ্জন বিশ্বাস পরিচালিত ‘বয়ফ্রেন্ড’ ছবির মূল ভূমিকায় অভিনয় করছেন ‘ঢাকা অ্যাটাক’ খ্যাত বাংলাদেশি অভিনেতা তাসকিন রহমান। তাঁর বিপরীতে অভিনয় করছেন নবাগত নায়িকা সেমন্তী সৌমি। সোমবার থেকে এফডিসিতে শুরু হয়েছে ছবির গানের শুটিং। এই ছবি দিয়ে তাসকিন পর্দায় আসছেন নায়ক হিসেবে।
নিরঞ্জন বিশ্বাস বলেন, ‘আমাদের ছবির কাজ শেষের পথে। সিক্যুয়েন্স এবং গানের কাজ এক সাথেই চালিয়ে যাচ্ছি। সৌমি ও তাসকিন দুজনই অনেক ভালো কাজ করছেন। আমি বিশ্বাস করি ছবিটি দর্শক পছন্দ করবে।’
তাসকিনকে এর আগে দর্শক খলচরিত্রে পছন্দ করেছে, নায়ক চরিত্রে কতটা পছন্দ করবে, এমন প্রশ্নের জবাবে নিরঞ্জন বিশ্বাস বলেন, ‘আমি আসলে চরিত্রের প্রয়োজনে শিল্পী নিয়ে কাজ করছি। একজন ভালো অভিনেতা সব সমসয়ই ভালো অভিনয় করেন। ঢাকা অ্যাটাক ছবিতে যেমন খল চরিত্রে সুন্দর অভিনয় করে সবার মন জয় করেছেন, তেমনি এই ছবিতে অভিনয় করে নায়ক হিসেবে নিজের অবস্থান করে নেবেন তাসকিন।’
ছবিতে তাসকিনের চরিত্র নিয়ে পরিচালক বলেন, ‘এই ছবিতে তাসকিনকে একজন ক্রিকেট প্লেয়ার হিসেবে দেখা যাবে। যে অনেক ভালো খেলে। তার উপর নির্ভর করে খেলায় অংশ নেয় এলাকার ক্লাবগুলো। কিন্তু একটা সময় দেখা যাবে সে আর আগের মতো খেলায় মন দিতে পারছে না। কারণ হিসেবে দেখা যায় সে নায়িকা সৌমির সাথে প্রেম করছে। এভাবেই এগিয়ে যায় ছবির গল্প। এখানেই ছবির গল্প শেষ নয়, বরং এখান থেকে গল্পের শুরু। একেবারেই ভিন্নধর্মী গল্প নিয়ে আমরা ছবিটি নির্মাণ করছি। আশা করি সবাই ছবিটি পছন্দ করবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না সাকিবের!

খেলার খবর: উত্তেজিত আচরণে ভাইরাল সাকিব   টি-টোয়েন্টিতে প্রথম ম্যাচে হেরে যাওয়ার পরে সাকিবের নেতৃত্ব কতটুকু উপযোগী তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এবার নতুন করে বিতর্কে এসেছেন এক সমর্থকের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ চলাকালে একজন ভক্তের সঙ্গে ক্ষুব্ধ আচরণ করছেন সাকিব, এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সিরিজ জিতে এবং ম্যান অব দ্য সিরিজ হয়ে অধিনায়কত্বের যথার্থতা প্রমাণ করলেও এ বিষয়টি নিয়ে এখন পর্যন্ত মুখ খোলেননি সাকিব।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যায়, প্ল্যাকার্ড হাতে থাকা একজন ভক্তের সঙ্গে ক্রোধান্বিত আচরণ করছেন সাকিব। সেখানে উপস্থিত থাকা ভক্তরা পরে সরিয়ে নিয়ে যেতে চায়। একটু পরে আবারও ফিরে আসেন সাকিব, ভক্তটির কথার জবাব দিতে গিয়ে আবারও উত্তেজিত আচরণ করেন তিনি।
সাকিবের এমন আচরণ নতুন নয়। বেশ কিছুদিন আগে তাঁর স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশিরকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করায় মাঠের দুজন দর্শকের উপর চড়াও হন। এর জন্য তাঁকে শাস্তিও পেতে হয়েছিল। অবশ্য এবারের ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু জানা যায়নি।কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ বলছেন, নিরাপদ সড়কের দাবির ব্যাপারে এক ভক্ত কিছু বলতে বললে, তাঁকে নাকি তেড়ে যান সাকিব। অবশ্য শেখ মিনহাজ হোসেন নামের ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিজেরে ফেসবুকে লিখেছেন, তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন এবং সাকিব আল হাসানকে মোটেও নিরাপদ সড়কের ব্যাপারে কিছু বলতে বলা হয়নি। সেই ভক্ত সাকিবের সঙ্গে ছবি তোলার পর ভিডিওতে অংশ নেওয়ার জন্য বললে ক্লান্ত সাকিব তাঁর প্রস্তাব নাকচ করে সামনে এগিয়ে যান। কিন্তু ভক্তটি নাকি সাকিবকে বাজে ভাষা ব্যবহার করে কথা বললে সাকিব রেগে তাঁর সঙ্গে কথা বলতে আসেন।
অবশ্য প্রকৃত ঘটনা কী, সেটা এখনো জানা যায়নি। বাংলাদেশ দল দেশে ফারার পরই সাকিবের মুখ থেকে শোনা যাবে আসলে কী ঘটেছিল সেদিন। আর তা জানার জন্য আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কূটনীতিকদের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক

দেশের খবর: ঢাকায় অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা।আজ মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ১৭ মিনিটে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়। বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে বৈঠক শেষ হয়।
বৈঠকে বিএনপি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, নজরুল ইসলাম খান ও ড. আবদুল মঈন খান, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা রিয়াজ রহমান, সাবিহ উদ্দিন, এ জে মোহাম্মদ আলী ও মীর হেলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য রুমিন ফারহানা, জেবা খান ও তাবিথ আওয়াল।
কূটনীতিকদের মধ্যে ছিলেন ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত, পাকিস্তানের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, স্পেন, কুয়েত, অস্ট্রেলিয়া, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, যুক্তরাজ্য ও জার্মান দূতাবাসের প্রতিনিধিরা।
বৈঠকে সদ্য শেষ হওয়া তিন সিটি করপোরেশনের নির্বাচন, খালেদা জিয়ার মুক্তি ও চিকিৎসা এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ছাত্র আন্দোলনের বিষয়ে কূটনীতিকদের অবহিত করেন বিএনপির নেতারা। দলীয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেএমবির শীর্ষ নেতা বোমারু মিজান ভারতে গ্রেফতার

বিদেশের খবর: নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির শীর্ষ নেতা মিজান ওরফে জাহিদুল ইসলাম ওরফে বোমারু মিজানকে ভারতে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সোমবার ভারতের বেঙ্গালুরু শহরের এক গোপন আস্তানা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা-এনআইএ।
এছাড়া সংস্থাটি কেরালা থেকে গত ৩ আগস্ট আব্দুল করিম ওরফে ছোটা (১৯), মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে শাহিন ওরফে তুহিনকে (৩৭) আটক করেছে।
গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে বোমা তৈরির সার্কিট, বিস্ফোরক, ডায়াগ্রাম, ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার এনআইএর এক বিবৃতির বরাতে এ খবর জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
২০১৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টার দিকে ময়মনসিংয়ের ত্রিশালে প্রিজন ভ্যানে বোমা মেরে ও গুলি করে আরও দুই জঙ্গির সঙ্গে বোমারু মিজানকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
বাকি দুই জঙ্গি ছিলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সালাউদ্দিন সালেহীন ওরফে সানি ও রাকিব ও রাকিবুল হাসান ওরফে হাফেজ মাহমুদ।
এর মধ্যে হাফেজ মাহমুদকে ওই দিন দুপুরেই টাঙ্গাইলে স্থানীয় জনতার সহায়তায় আটক করে পুলিশ। পরে গভীর রাতে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন তিনি। অন্যদিকে বোমারু মিজান ও সালেহীনের আর খুজেঁ পাওয়া যায়নি।
পরে ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বর্ধমান শহরের খাগড়াগড়ের একটি দোতলা বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দুই জঙ্গি নিহত এবং একজন আহত হন।
এই ঘটনার পর ভারতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ জানতে পারে, খাগড়াগড়ে জঙ্গি প্রশিক্ষণের অন্যতম হোতা বোমারু মিজান। তিনি পশ্চিমবঙ্গে অবস্থান নিয়ে জঙ্গি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
পরে খাগড়াগড় মামলার আসামি হিসেবে বোমারু মিজানকে ধরতে ১০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
এনআইএর দাবি, চলতি বছরের জানুয়ারিতে বিহার রাজ্যের বুদ্ধগয়ায় হামলার মূলহোতাও বোমা মিজান।
মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর উগ্র বৌদ্ধরা সংখ্যালঘুদের চালানো হত্যাযজ্ঞের প্রতিশোধ নিতেই জঙ্গিরা বৌদ্ধগয়ায় হামলা চালিয়ে ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এনআইএর তথ্যমতে, গত কয়েক দিনে গ্রেফতার হওয়া বোমা মিজান ও মোস্তাফিজুর রহমানের নিয়ন্ত্রণাধীন জেএমবির একদল জঙ্গি অভিযান চালিয়ে আসছে।
বোমা মিজান বিভিন্ন সময় বেঙ্গালুরুর মলাপ্পুরমের গিয়েছিলেন। সেখানে অন্যান্য অভিযুক্তদের জন্য থাকার ব্যবস্থা করতেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘সাংবাদিকরা রাস্তায় নামলে সামাল দিতে পারবেন না’

দেশের খবর: ‘যেখানে সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে কাজ করবে, সেখানে তাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হচ্ছেন। তাহলে আপনাদের কাজ কী? নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাস্তায় নামা আন্দোলনরত কোমলমতিদের সামাল দিতে পেরেছেন, সাংবাদিকদের সামাল দিতে পারবেন না।’ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার (৭ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন আয়োজিত মানববন্ধনে এসব কথা বলেছেন সাংবাদিক নেতারা। এছাড়া, রাজধানীর কাওরান বাজারে সার্ক ফোয়ারা চত্বরে আরেকটি মানববন্ধন করেন সাংবাদিকরা। তারা হামলাকারীদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া ৭২ ঘণ্টার মধ্যে শুরুর জন্য সরকারকে আল্টিমেটাম দিয়েছেন।
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি আবু জাফর সূর্য বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে— হামলাকারীদের চিহ্নিত করে দিতে। তাদের চিহ্নিত করা আমাদের কাজ নয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলতে চাই, আপনার বাহিনির কাজ কী? সাংবাদিকরা আহত হলো, আপনাদের কেউ একবার তাদের দেখতেও গেলেন না। আমরা দল কানা নই, আমাদের চোখ আছে। তিন দিনের মধ্যে হামলাকারীদের চিহ্নিত না করলে, আর বিচারের আওতায় না আনলে আমাদের পথ আমরা বেছে নেবো।’
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যখন নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাস্তায় নেমেছিল, তখন তাদের অভিভাবকরা, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা, প্রিন্সিপালরা কোথায় ছিলেন? এই আন্দোলনে কীভাবে অছাত্ররা প্রবেশ করলো? বারবার সাংবাদিকদের নির্যাতন করা হচ্ছে। এরপর সাংবাদিকরাও প্রয়োজনে লাঠি হাতে প্রতিহত করবে। আমি ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানাই। এছাড়া, সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলতে চাই— আপনারা যদি তথ্য যাচাই না করে সংবাদ পরিবেশন করেন, তার দায়িত্ব ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন নেবে না।’
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি মোল্লা জালাল বলেন, ‘আমরা ঢাকাসহ সারা দেশে আগামী ১১ আগস্ট বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবো। আমার ভাইকে রাস্তায় পেটানো হবে আর আপনারা নিরাপদে থাকবেন, তা হবে না। আমি সব স্তরের সাংবাদিকদের এই কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানাই।’
বিএফইউজে মহাসচিব শাবান মাহমুদ বলেন, ‘প্রতিটি বিভাগে, প্রতিটি জেলায়, প্রতিটি থানায় আন্দোলন দেখতে চাই। গুজব রটনাকারীরা আমাদের বিভ্রান্ত করছে। গুজবে কান দেবেন না। সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের যদি ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা না হয়,তাহলে বিক্ষোভ কর্মসূচিসহ কঠোর আন্দোলন করবো আমরা।’
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, ‘বাংলাদেশে সাংবাদিকদের ওপর যারা হামলা করে, তারা গুজবের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। আমাদের পেশাদারিত্বের জায়গা যারা বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তারা সাংবাদিকদের শত্রু। দুঃখজনক হলেও সত্য হামলার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাদের ধরতে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এমনকি সরকারের পক্ষের কেউ আহতদের হাসপাতালে দেখতে যায়নি। সাংবাদিক নির্যাতনের বিচার করতে না পারলে আপনারাও আমাদের সমালোচনার পাত্র হবেন।’
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘যেকোনও ন্যায্য আন্দোলনের সঙ্গে গণমাধ্যম কর্মীরা যুক্ত থাকেন। নিরাপদ সড়কের ন্যায্য আন্দোলনে দেখা গেছে— তৃতীয় পক্ষ ঢুকে গেছে। তারা সাংবাদিকদের বেছে বেছে হামলা করছে। সরকার, প্রশাসন ভালো করেই জানে এদের চিহ্নিত করা কোনও কঠিন কাজ নয়।’
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ বলেন, ‘যেকোনও পরিস্থিতিতে সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ হতে পারে। যেকোনও হামলা নির্যাতনের বিরুদ্ধেও সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করতে পারে। সাংবাদিকরা যখন ন্যায় নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছে, তখন স্বার্থান্বেষী মহল হামলা চালাচ্ছে। সাংবাদিকরা তাদের গুজবকে খবরে পরিণত করেছে না— এটাই তাদের ক্ষোভ। সাংবাদিকদের কাজ যারা বাধাগ্রস্ত করছে, তাদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘আমাদের দেশের বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে এই কোমলমতি বাচ্চারা রাস্তায় নেমেছে। প্রধানমন্ত্রী তাদের এই কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেছেন। তারা দেখিয়েছে কীভাবে চলতে পারে দেশ। কিন্তু এই আন্দোলনে ঢুকে পড়া এই তৃতীয় পক্ষ কারা? এই সরকার গণমাধ্যমবান্ধব, তাহলে সেখানে এরকম ঘটনা কেন ঘটছে?’
এসময় সাংবাদিকদের অন্যান্য সংগঠনের নেতাদের উপস্থিত ছিলেন— বিএফইউজের সভাপতি মোল্লা জালাল, সহ-সভাপতি সৈয়দ ইশতিয়াক রেজাসহ নির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্য এবং সাংবাদিকরা।
এদিকে মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর কাওরানবাজারের সার্ক ফোয়ারা চত্বরে আরেকটি মানববন্ধনেরে আয়োজন করেন সাংবাদিকরা। নিরাপদ সড়কের দাবিসহ নয় দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তারা।
পাশাপাশি হামলাকারীদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া ৭২ ঘণ্টার মধ্যে শুরুর জন্য সরকারকে আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। তা না-হলে ভবিষ্যতে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। মঙ্গলবার হামলায় আহত সারাবাংলা ডট নেটের রিপোর্টার উজ্জ্বল জিসান বলেন, ‘নিপীড়নের মাত্রা আমি নিজে মার খাওয়ায় বুঝা যায় কতটা ভয়াবহ। হামলাকারীরা গালি দিয়ে বলে, এই মিডিয়ার দরকার নাই। স্কুল-কলেজের পোশাক পড়া শিক্ষার্থীরাও কেউ এগিয়ে আসেনি। তারাও চায় আমরা মার খাই। হামলার শিকার হওয়া সাংবাদিকরা দীর্ঘদিন এক ধরনের মেন্টাল ট্রমার মধ্যে থাকে। পরিবার থেকেও নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে।’
মানববন্ধনে বিএফইউজে’র কোষাধ্যক্ষ দীপ আজাদ বলেন, ‘এখন পর্যন্ত হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কোনও উদ্যোগ দেখা যায়নি। বরং সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে— হামলাকারীদের তালিকা দিতে। এতগুলো পত্রিকায় ছবি প্রকাশের পরও যদি তাদের না পাওয়া যায়, তাহলে আমরা বুঝে নেবো সরকার মুক্ত গণমাধ্যমের বিপক্ষে। হামলাকারীদের সনাক্ত করে বিচারের আওতায় না আনা হলে ভবিষ্যতে হামলাকারী দলের সংবাদ বর্জনসহ আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো আমরা।’
বাংলা ভিশনের সাংবাদিক দীপন দেওয়ান বলেন, ‘আমরা যারা মাঠে কাজ করি, তাদের প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়। আমরা দেখেছি, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গুজবকারীদের কীভাবে চিহ্নিত করেছে। কিন্তু সাংবাদিকদের ওপরে হামলাকারীদের চিহ্নিত করার কোনও প্রক্রিয়া আমরা দেখতে পাচ্ছি না। আমরা সরকারকে বলতে চাই, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া শুরু না হলে, এরপর আমরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো।’
মানববন্ধনের পাশাপাশি ১০ মিনিট প্রতীকী কর্মবিরতিও পালন করা হয়। মানববন্ধনে বাংলা ট্রিবিউনের হেড অব নিউজ হারুন উর রশীদ, সাংবাদিক দীপু সরোয়ার, একুশে টেলিভিশনের প্রতিবেদক সাকেরা আরজু, একাত্তর টিভির নাদিরা শারমিন, নাগরিক টিভিররধান বার্তা সম্পাদক ও বিএফইউজের কোষাধ্যক্ষ দীপ আজাদসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট, অনলাইন পোর্টালের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চুয়েট বন্ধ ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ

দেশের খবর: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) আবাসিক হলগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ আগস্ট) চুয়েট কর্তৃপক্ষ এক নোটিশের মাধ্যমে এই ঘোষণা করেন।
ওই নোটিশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ছাত্রকে বিকেল ৫টা ও ছাত্রীদের বুধবার সকাল ১০টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে চুয়েট কর্তৃপক্ষ বৈঠকে বসে। বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে সব ডিন, পরিচালক, বিভাগীয় প্রধান, সেন্টারসমূহের চেয়ারম্যান, প্রভোস্ট ও রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
এদিকে চুয়েট শিক্ষার্থীরা ক্লাজ বর্জন করে মঙ্গলবারও মিছিল সমাবেশ করেছেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে পুলিশ মোতায়েন ছিল। মূল ফটকের বাইরে স্থানীয় কিছু যুবক সশস্ত্রভাবে অবস্থান করছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা জানান। এর আগে রোববার স্থানীয় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীদের সঙ্গে চুয়েট শিক্ষার্থীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এ প্রসঙ্গে চুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল আলম গণমাধ্যমকে জানান, নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাত্রদের আন্দোলনে আমরা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। এজন্য তাদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কিছুদিন আগেই ঈদুল আজহার ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest