দেশের খবর: জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, আমি সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত নেতা। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি। আল্লাহ আমাকে রক্ষা করেছেন। মানুষের ভালোবাসা রয়েছে, আমরা বিজয়ী হবো। তোমরা প্রস্তুতি নাও।
শনিবার রাজধানীর আইইবিতে জাতীয় পার্টির যৌথ সভায় বক্তৃতায় একথা বলেন এরশাদ।
এসময় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে জানিয়ে এরশাদ নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেন।
রওশন এরশাদ বলেন, এবারের সংগ্রাম আমাদের ক্ষমতায় যাওয়ার সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের সংগ্রাম।
সকালে শুরু হওয়া এ সমাবেশে পার্টির কেন্দ্রীয় ও জেলা-উপজেলা পর্যায় থেকে কয়েক হাজার নেতাকর্মী যৌথসভায় অংশ নিয়েছেন।


জেলা জাসদের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা কাজী রিয়াজ, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ স্বপন, তালা উপজেলা চেয়ারম্যান ঘোষ সনদ কুমার, জজ কোর্টের পিপি এড. ওসমান গণি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ নিমাই মন্ডল, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক লায়লা পারভীন সেজুতি, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাসানুল ইসলাম, আশাশুনি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হান্নান, শ্যামনগর উপজেলা কমান্ডার দেবীরঞ্জন মন্ডল, তালা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মফিজউদ্দিন, এড. মুস্তফা নুরুল আলম,এড. অরুণ ব্যানার্জী, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, সাংস্কৃতিক পরিষদের হেনরি সরদার, কলেজ শিক্ষিক সমিতির নিত্যনন্দ, উদীচীশিল্পী গোষ্ঠীর সিদ্দিকুর রহমান, জাসদের কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক ওবায়দুস সুলতান বাবলু, জেলা বাসদের শেখ আজাদ হোসেন বেলাল, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক স্বপন কুমার শীল, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস আলী, জেলা সিপিবি’র সভাপতি আবুল হোসেন, নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের সদস্য সচিব আলীনুর খান বাবুল, প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা ইনামুল হকের পুত্র রুবেল, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক মোঃ রাশেদুজ্জামান রাশি। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, প্রফেসর আব্দুল হামিদ, সাবেক অধ্যক্ষ মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকার, জেলা ডেপুটি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবু বকর সিদ্দিক,বিশিষ্ট চিত্র শিল্পী এম এ জলিল প্রমুখ।
