সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন উদ্বোধন করলেন ডা: রুহুল হক এমপি

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নব-নির্মিত একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে। সকাল সাড়ে ৯টায় নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে নব নির্মিত ভবনের উদ্বোধন করেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রানালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য, সাবেক সফল স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলহাজ¦ অধ্যাপক ডা: আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি। উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসার এস.এম আব্দুল্লাহ আল মামুন, কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) নূর আহমেদ মাসুম, কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান হাফিজুর রহমান,নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে। দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চল এখন বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হয়েছে। গ্রামের মানুষ এখন বাড়ি বসেই ডিজিটাল সেবা পাচ্ছে। বিনা চিকিৎসায় এখন আর মানুষ মারা যায় না। স্বাস্থ্য ও শিক্ষাক্ষেত্রেও অভাবনীয় উন্নয়ন ঘটিয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনা। দেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে। এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তিনি সকলকে নৌকায় আস্থা রাখার আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ নারীরা স্বাবলম্বী — ডা: রুহুল হক এমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ১০ টায় নলতা অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত মা সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসার এস.এম আব্দুল্লাহ আল মামুন। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রানালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলহাজ¦ অধ্যাপক ডা: আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত), নুর আহমেদ মাসুম, কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান হাফিজুর রহমানসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কালিগঞ্জ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম।
এসময় প্রধান অতিথি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ নারীরাও স্বাবলম্বী হতে শুরু করেছে। এক সময়ে ধর্মের দোহাই দিয়ে নারীদের ঘরে বন্দি করে রাখা হতো। শেখ হাসিনা নারীদের সেই বন্দি দশা থেকে মুক্ত করে নিজের পায়ে দাড়ানোর পথ দেখিয়েছেন। এখন শিক্ষার্থীরা বছরের প্রথম দিনে নতুন বই পায়। বর্তমানে শিক্ষিতের হার বেড়ে গেছে। তার পেছনে জননেত্রীর অবদান রয়েছে। তিনি মা’দের দৃষ্টি আকর্ষন করে বলেন, আপনার সন্তানকে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। আপনার সন্তান যেন মাদক,জঙ্গি ও সন্ত্রাসের সাথে জড়িয়ে না পড়ে সে বিষয়ে সরকার এবং প্রশাসনের পাশাপাশি আপনাদেরও ভূমিকা রাখতে হবে। তাহলেই বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন মাদক,জঙ্গি ও সন্ত্রাস মুক্ত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে।
বর্তমান সরকারের সময়ে সারাদেশে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করা হয়েছে। ম্যাটসহ জেলায় জেলায় সরকারি হাসপাতালগুলো উন্নতিকরণ করা হয়েছে। যার অবদান একমাত্র জননেত্রী শেখ হাসিনার। তিনি জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করার জন্য আবারো নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিতের ঘটনায় জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

শহর প্রতিনিধি : আশাশুনিতে বিদ্যালয়ের সভাপতি কর্তৃক প্রধান শিক্ষককে মারপিট ও লাঞ্ছিতের ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।
রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোঃ ইফতেখার হোসেনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি চিত্তরঞ্জন ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক শফিউদ্দীন, সহ-সভাপতি এনামুল হক, আশাশুনি উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি এ এস এম মোস্তাফিজুর রহমান, সাবেক সভাপতি নীলকন্ঠ সোম, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, সহ:সভাপতি অরুন কুমার গাইন, সরাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া, খাজরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান ও ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষক অজয় কুমার ঢালী প্রমুখ।
স্মারকলিপি সূত্রে জানাগেছে, আশাশুনি উপজেলার ফকরাবাদ জে,বি নি¤œমাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি সুব্রত কুমার মন্ডল বিগত কয়েকদিন পূর্বে আকস্মিক বিদ্যালয়ে যান। শিক্ষক-কর্মচারীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকদের উপস্থিতিতে তিনি বিদ্যালয়ের রেজুলেশন খাতা, নোটিশ খাতা, ক্যাশখাতাসহ অন্যান্য খাতা দলিলপত্র, চুক্তিপত্র নিয়ে বিদ্যালয় হতে চলে যান। পরবর্তীতে উক্ত খাতাপত্র প্রধান শিক্ষক অজয় কুমার ঢালী সভাপতি সাহেবের কাছে চাইতে গেলে তিনি সেগুলো না দিয়ে তাল বাহানা করতে থাকে। একপর্যায়ে প্রধান শিক্ষক আবারো বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উক্ত খাতাপত্র গুলো ফেরত দেওয়ার জন্য সভাপতিকে অনুরোধ জানালে তিনি গত ০১আগস্ট২০১৮ তারিখে বেলা অনুমান ১২ টার দিকে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষক অজয় কুমার ঢালীর সাথে কথাকাটাকাটি করতে থাকেন। একপর্যায়ে সভাপতি সুব্রত কুমার মন্ডল প্রধান শিক্ষককে কিল,ঘুষি মেরে আহত করেন এবং লাঞ্ছিত করেন। এঘটনা দ্রুত বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়লে আশাশুনি উপজেলাসহ জেলা সকল শিক্ষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। শিক্ষক নেতৃবৃন্দ একজন জাতি গড়ার কারিগরকে মারপিট ও লাঞ্ছিতকারী ওই সভাপতিকে অপসারণ পূর্বক আইনের আওতার আনার দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোনালদো নেই, রিয়ালের কাছে বিধ্বস্ত জুভেন্টাস

খেলার খবর: সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে ইতালির ক্লাব জুভেন্টাসে যোগ দিয়েছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। আর এবার সেই জুভিদেরই প্রাক মৌসুম টুর্নামেন্টে ৩-১ গোলে বিধ্বস্ত করলো রিয়াল। যদিও এখনও দলের হয়ে মাঠে নামেননি বিশ্বসেরা স্ট্রাইকার রোনালদো।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডএক্স ফিল্ডে রিয়ালের হয়ে জোড়া গোল করেন মার্কো অ্যাসেনসিও। এছাড়া চমৎকার পারফরম্যান্স করে গোল আদায় করেন গ্যারেথ বেল। তবে জুভিদের একমাত্র গোলটিও এসেছে রিয়ালের শিবিরের দানিয়েল কারবাহালের আত্মঘাতি থেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অভিনেত্রী নওশাবার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

দেশের খবর: রাজধানীর জিগাতলার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে আটক অভিনেত্রী ও মডেল কাজী নওশাবা আহমেদের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ রোববার ঢাকার মহানগর হাকিম মাজহারুল হক এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ নওশাবাকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে হাজির করে সাত দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে। শুনানি শেষে বিচারক চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ঢাকার অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার আনিসুর রহমান এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন।

গতকাল রাতে নওশাবার বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে মামলা করেছে র‍্যাব।

র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি মিজানুর রহমান আজ রোববার দুপুরে এ তথ্য জানান।

জিগাতলায় গতকাল শনিবার নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় দুই ছাত্রের মৃত্যু এবং একজনের চোখ তুলে ফেলা হয়েছে দাবি করে ফেসবুকে লাইভ করেন কাজী নওশাবা আহমেদ। পরে তাঁর দাবির সত্যতা পাওয়া যায়নি। ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে গতকাল শনিবার রাতে রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে তাঁকে আটক করে র‍্যাব-১-এর কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

রাত ১২টার দিকে র‍্যাব-১-এর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে উসকানি দেওয়ার জন্যই ফেসবুক লাইভে আসেন অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এটা স্বীকার করেছেন।

র‍্যাব পরিচালক জানান, নওশাবা ঘটনাস্থলে না থেকেই লাইভে এসে গুজব রটান। উসকানি ছড়ানোই ছিল উদ্দেশ্য।

এর আগে শনিবার বিকেলে ফেসবুক লাইভে এসে জিগাতলায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় দুই ছাত্রের মৃত্যু এবং একজনের চোখ তুলে ফেলার খবর জানান কাজী নওশাবা আহমেদ।

শনিবার দুপুরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ের কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে শিক্ষার্থীদের মৃত্যুর ‘গুজব’ ছড়িয়ে পড়লে অভিনেত্রী নওশাবা বিকেল ৪টার দিকে ফেসবুক লাইভে আসেন।

পরে নওশাবার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি একজনের কাছ থেকে শুনেছি, সেখানে ঝামেলা হচ্ছে। তারপরে আমি লাইভে এসেছিলাম। এসব যদি সত্য না হয়, তাহলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।’ এরপরেই তিনি লাইনটা কেটে দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মঙ্গলে প্রথম মানব হিসেবে পা রাখবেন কিশোরী অ্যালিসা

ভিন্ন স্বাদের সংবাদ: অ্যালিসা কারসন। ২০৩৩ সালে মঙ্গল গ্রহে পাঠানো মানবদের একজন হিসেবে মঙ্গলে পা দেবেন। ৩ বছর বয়সে কার্টুন সিরিজে মঙ্গল গ্রহের বিষয়ে জানার পর বাবাকে বলেছিলেন, ‘আমি মহাকাশচারী হতে চাই এবং এসব মানুষদের মতো মঙ্গলে যেতে চাই।’

বর্তমানে ১৭ অ্যালিসা সেই ইচ্ছাপূরণের পথে প্রতিনিয়ত এগিয়ে চলেছেন। এ বয়সে মহাকাশচারী হয়ে উঠতে যতটুকু প্রশিক্ষণ নেয়া যায় তার সবই নিয়েছেন অ্যালিসা। তিনি বলেন, অন্যদের মতোই আমি সবকিছু করেছি, ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তা করেছি। শিশুরা শিক্ষক, প্রেসিডেন্ট হতে চায়। আমি সবসময় ভেবেছি আমি মহাকাশচারী হব, মঙ্গলে যাবো। সেখান থেকে ফিরে এসে শিক্ষক কিংবা প্রেসিডেন্ট হব।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা অ্যালিসাকে বেছে নিয়েছিল অনেক দিন আগেই। ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে নাসাতে আবেদন করতে পারবেন যুক্তরাষ্ট্রের লুজিয়ানার বাসিন্দা অ্যালিসা।

মঙ্গলের মহাকাশযানের ভিডিও ইউটিউবে দেখা ছিল অ্যালিসার নেশা। ঘরের দেওয়াল জুড়ে মঙ্গলের এক বিশাল ম্যাপ। আমেরিকার অ্যাডভান্সড স্পেস অ্যাকাডেমি থেকে সবচেয়ে কম বয়সে ডিগ্রি নিয়েছেন। নাসার সব স্পেস ক্যাম্প সম্পন্ন করে রেকর্ড করেছে অ্যালিসা। এছাড়া অ্যালিসাই একমাত্র যে নাসার পাসপোর্ট প্রোগ্রাম শেষ করেছে। অর্থাৎ, নাসার সব ভিজিটর সেন্টার পরিদর্শন করেছে। সারা আমেরিকার ন’টি অঙ্গরাজ্যে নাসার ১৪টি ভিজিটর সেন্টার রয়েছে।

ইংলিশ, চাইনিজ, ফ্রেঞ্চ, এবং স্প্যানিশ অনর্গল কথা বলে যাচ্ছে অ্যালিসা। এছাড়া বায়োলজি, মাইক্রো বায়োলজি নিয়ে করতে হচ্ছে পড়াশোনা। মঙ্গলের মাটি আর পৃথিবীর মাটির তফাৎটা বুঝতে হচ্ছে। সেখানে কি গাছ ফলানো সম্ভব? সেই গবেষণাতেও মন দিয়েছে অ্যালিসা।

২০৩৩ সালে যান প্রযুক্তি তৈরি হয়ে যাবে তখন অ্যালিসার বয়স হবে ৩২, মহাকাশচারী হিসেবে সেটাই আদর্শ বয়স। যখন সে ফিরে আসবে তখন তার বয়স হবে ৩৬। ততদিন পর্যন্ত প্রেমে পড়াও মানা। তার কথায়, এটা একটা বিপজ্জনক মিশন, তাই কারও প্রতি বিশেষ আকর্ষণ থাকলে, অভিযান থেকে মনোযোগ সরে যেতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধানমণ্ডিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ

দেশের খবর: নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বেঁধেছে ঢাকার ধানমণ্ডিতে।

রোববার দুপুর থেকে দফায় দফায় এই সংঘর্ষ চলার মধ্যে হেলমেট পরা একদল যুবক লাঠি ও কিরিচ নিয়ে হামলা চালায় কর্তব্যরত সাংবাদিকদের উপর।

সংঘর্ষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে; তাদের পাশে পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিতে দেখা গেছে।

নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনের সপ্তম দিন শনিবার জিগাতলায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বেঁধেছিল ধানমণ্ডির আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে থাকা কর্মীদের। তখন হেলমেট পরা একদল যুবক হামলা চালিয়েছিল শিক্ষার্থীদের উপর।

রোববার দুপুরে শাহবাগে শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়ে ধানমণ্ডির দিকে মিছিল নিয়ে গেলে পুলিশের বাধা পায়, তারপরই বেঁধে যায় সংঘর্ষ।

এই বিক্ষোভে অংশ নেওয়া অধিকাংশ শিক্ষার্থীই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের; তারা বলছে, আগের দিন হামলায় আহত শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানাতে জিগাতলায় যাচ্ছিলেন তারা।

তবে ডিএমপির রমনা বিভাগের সহকারী কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার সাংবাদিকদের বলেন, এই শিক্ষার্থীদের শাহবাগ থেকে মিছিল নিয়ে যেতে বাধা দেওয়া হয়নি।

“কিন্তু তারা ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের দিকে এগোতে চাইলে তাদের বারণ করা হয়েছিল; কিন্তু তারা শোনেনি, এজন্য কাঁদুনে গ্যাস ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়েছে।”

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ধানমণ্ডি দুই নম্বর সড়কে পুলিশ আটকে দেওয়ার পরপরই শুরু হয় সংঘর্ষ; এসময় পুলিশ মুহুর্মুহু কাঁদুনে গ্যাস ছুড়তে থাকে, তাদের সাঁজোয়া যানগুলোও ছিল সচল।

কাঁদুনে গ্যাসের জবাবে শিক্ষার্থীরাও ইট ছুড়তে থাকে। ঘণ্টা দুয়েক ধরে উভয় পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে দুই নম্বর সড়কে। এক পর্যায়ে সংঘর্ষ এক নম্বর সড়কেও ছড়িয়ে পড়ে।

এরই মধ্যে মধ্যে দুপুর ২টার দিকে কর্তব্যরত সাংবাদিকদের উপর চড়াও হয় হেলমেট পরা একদল যুবক। তাদের হাতে ছিল কিরিচ, লাঠিসোঁটা।

এপির আলোকচিত্র সাংবাদিক এ এম আহাদকে মারধর করে তারা। ভাংচুর হয় তার ক্যামেরা। অন্য সাংবাদিকদের ধাওয়া করে তারা। সেখানে নাগরিক টেলিভিশনের গাড়িও ভাংচুর হয়।

এসময় পুলিশ থাকলেও তারা আটকায়নি এই যুবকদের।

এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে পুলিশ কর্মকর্তা মারুফ বলেন, “তারা তো পুলিশের উপর হামলা চালায়নি। আর তারা কারা, আমরা তাদের চিনি না।”

সকালে সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায় একদল যুবককে মোটর সাইকেল নিয়ে মহড়া দিতে দেখা গিয়েছিল। তখন পরিস্থিতি ছিল শান্ত, শিক্ষার্থীদের অবস্থানও ছিল না সেখানে।

এদিকে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ৪০ থেকে ৫০ জন শিক্ষার্থী পরীবাগ থেকে শাহবাগের দিকে অবস্থানের জন্য যেতে চাইলে পুলিশ কাঁদুনে গ্যাস ছোড়ে। ওই শিক্ষার্থীরা তখন ব্যাংক এশিয়ার পাশের গলিতে ঢুকে পড়ে।

শিক্ষার্থীদের এক সপ্তাহের আন্দোলনের মধ্যে নাশকতাকারীরা ঢুকেছে দাবি করে রোববার বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ সমর্থকরাও সড়কে অবস্থান নিয়েছে।

রামপুরায় বেলা পৌনে ১টার দিকে শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি অবস্থান নেয় একদল যুবক। মেরুল বাড্ডা থেকে রামপুরা ব্রিজের দিকে লাঠিসোঁটা নিয়ে এগোতে থাকে তারা।

রামপুরা ব্রিজের কাছে তখন স্টেট ইউনিভার্সিটি, ইমপেরিয়াল কলেজ, খিলগাঁও ওমেন্স স্কুল ও কলেজসহ বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী সড়কে অবস্থান করছিল।

ওই যুবকদের দেখে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এসময় স্টেট ইউনিভার্সিটির সামনের গাছ ও দোকান ভেঙে লাঠি ও বাঁশ নিয়ে শিক্ষার্থীরাও অবস্থান নেয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রামপুরা সেতুর উপর পুলিশ অবস্থান নেয়।

রামপুরা থানার ওসি প্রলয় কুমার সাহাবলেন, “শিক্ষার্থীদের একজন আহত হয়েছে এমন গুজবে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। গতকাল চারজন নিহত হওয়ার গুজবের কথাও বলছে তারা। আমরা তাদের লাঠিসোঁটা ফেলে রাস্তার এক প্রান্তে অবস্থান নিতে বলেছি।”

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “কেউ মারা যায়নি, যদি কেউ নিহত হয়ে থাকে, তাহলে আমি নিজের পোশাক খুলে তোমাদের সাথে অবস্থান নেব।”

রামপুরায় ইউনিফর্ম ও আইডি কার্ড ছাড়া কিছু তরুণকে এ্যাম্বুলেন্সসহ বিভিন্ন গাড়ি ঘুরিয়ে দিতে দেখা গেছে। তারা রিকশা থেকেও যাত্রীদের নামিয়ে দিচ্ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা বাইপাস সড়কের দুধারে বৃক্ষ রোপন করছে জেলা পুলিশ

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরার বাইপাস সড়কের দুই ধারে ১০ হাজার বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের আয়োজনে রবিবার সকালে শহরের অদূরে মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন বাঁকাল এলাকায় নির্মনাধীন বাইপাস সড়কের দুই ধারে এ বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোঃ সাজ্জাদুর রহমান নিজ হাতে এ বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়াটার) হুয়ামায়ন কবীর, সহকারী পুলিশ সুপার (তালা-পাটকেলঘাটা সার্কেল) অপু সরোয়ার, সহকারী পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেল) শেখ ইয়াছিন আলী, জেলা বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমার প্রমুখ।
প্রধান অতিথি পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান বলেন, ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে এ দেশ স্বাধীন হয়েছে। আর তাই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত ৩০ লক্ষ শহীদের স্মরনে সারা বাংলাদেশে ত্রিশ লক্ষ বৃক্ষ রোপনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের উদ্যোগে জেলার বিভিন্ন স্থানে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের ত্রিশ হাজার চারা রোপন করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, পুলিশ জনগনের বন্ধু। তাই জনগণকে সাথে নিয়েই এই বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest