সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শনব্রহ্মরাজপুরে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে জরিমানা – ৬ মাসের কারাদণ্ড

বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই, জেল হতে পারে পিকের

খেলার খবর: বার্সেলোনার স্প্যানিশ মহাতারকা জেরার্ড পিকেরও নাকি বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই! আর এজন্য তাকে পড়তে হয়েছে পুলিশী ঝামেলায়। পিকের জন্য অবশ্য এসব ঝামেলা নতুন নয়। এর অাগেও বেশ কয়েকবার এসব ঝামেলায় জড়িয়েছেন তিনি।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, পিকের গাড়ি চালানোর লাইসেন্স মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে। সম্প্রতি তার গাড়ি থামিয়ে নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁর কাগজপত্র দেখতে চান। বার্সেলোনা তারকা তার লাইসেন্স দেখালে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তা যাচাই করতে গিয়ে গড়বড় খুঁজে পান। পিকের লাইসেন্সে কোনো পয়েন্ট নেই! এই কারণে বার্সেলোনার নগর কর্তৃপক্ষ তার বিপক্ষে মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স নিয়ে গাড়ি চালানোর অভিযোগ গঠন করেছেন।
বাংলাদেশে এসব নিয়ম কেউ না মানলেও স্পেনে কঠোর ট্রাফিক আইন আছে। সেখানকার গাড়িচালকদের লাইসেন্সে ১২ পয়েন্ট থাকে। ট্রাফিক আইন অমান্য করলে অপরাধের মাত্রার ভিত্তিতে পয়েন্টও কাটা পড়ে। অতীতে পিকে আইনভঙ্গ করায় তার লাইসেন্সও সব পয়েন্ট হারিয়েছে।
স্প্যানিশ আইন অনুযায়ী, লাইসেন্সে পয়েন্ট না থাকলে সেটি মেয়াদোত্তীর্ণ এবং এই লাইসেন্স নিয়ে গাড়ি চালানো অপরাধ। এই অপরাধের শাস্তি হিসেবে পিকের ছয় হাজার ইউরো জরিমানা অথবা ৬ মাসের জেল হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘৯২ শতাংশ জনগণ বিদ্যুতের আওতায় চলে এসেছে’

দেশের খবর: বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, ‘সাশ্রয়ী মূল্যে ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রধান চ্যালেঞ্জ। আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম ২০২১ সালে সবার ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিবো। সেই লক্ষ্যমাত্রার অনেক কাছে পৌঁছে গেছি আমরা। এখন ৯২ শতাংশ জনগণ বিদ্যুতের আওতায় চলে এসেছে। আশা করছি ঘোষিত সময়ের আগেই সবার ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে যাবে।’
শনিবার ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের (ইডব্লিউএমডিজিএল) কনফারেন্স রুমে ডেইলি সান আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পিক আওয়ার, অফ পিক আওয়ারের মধ্যে ব্যবধান অনেক বেশি। বিদেশে পিক আওয়ারে (সন্ধ্যা ৬ থেকে রাত ৯টা) বিদ্যুৎ ব্যবহার কম। তারা সন্ধ্যার পর শপিংমল বন্ধ করে দেয়। কিন্তু আমাদের সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। ব্যবধান প্রায় ১০ হাজারের মতো। এ ব্যবধান ম্যানেজ করা খুবই জটিল। আমাদের অফিস টাইম এগিয়ে আনা যায় কি না সেটা ভেবে দেখার সময় হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সেমিনারে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস বলেন, আমরা অনেক এগিয়ে আছি এ কথা বলতে পারি। এক সময় বলা হতো কুইক রেন্টাল দেশকে দেউলিয়া করবে। কিন্তু না কিছুই হয়নি। দেশ বরং এগিয়ে গেছে।
আলোচনায় আসা লোডশেডিংয়ের জবাবে সচিব বলেন, রংপুর-রাজশাহী অঞ্চলে একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ থাকায় কিছুটা লোডশেডিং হচ্ছে। এটা আমরা স্বীকার করছি। অন্য কোথাও লোডশেডিং নেই। তবে কোথাও কোথায় বিতরণ ত্রুটির কারণে বিঘ্ন হচ্ছে। অনেকে এটাকে লোডশেডিং বলে, আমরা এটাকে লোডশেডিং বলতে পারছি না।
পাওয়ার সেলের ডিজি মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, ২০২১ সালের যে রূপকল্প ঘোষণা করা হয় তার অনেক কাছে পৌঁছে গেছি। আমরা এখন ২০৪১ সালের নতুন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ শুরু করেছি। ২০৪১ সালে ৪৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হলেও আমরা ৬০ হাজারের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছি। এতে প্রায় ৮২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে। আমরা মনে করছি এটা পারবো। আমাদের এখন চ্যালেঞ্জ সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন। আমরা সে বিষয়ে কাজ শুরু করেছি। এতে কিছুটা সময় লাগছে বলে মন্তব্য করে মোহাম্মদ হোসেন।
পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মঈন উদ্দিন বলেন, আমরা ৯০ শতাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্বে রয়েছি। ২০১৯ সালের মধ্যে শতভাগ বিদ্যুতায়নে সক্ষম হবো। হবে মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহে আরও কিছুটা সময় দিতে হবে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম. তামিম বলেন, এক সময় ৮৫ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন হতো গ্যাসে। এখন মাত্র ৪৯ শতাংশ গ্যাসে উৎপাদন হচ্ছে। এখন এলএনজি আনা হচ্ছে। এতে বিদ্যুতের দাম বেড়ে যাবে। এখন ৬টাকার মতো দাম, আমার মনে হচ্ছে তিন-চার বছরের মধ্যে ৮ টাকায় চলে যাবে। এটা কিভাবে সামাল দিবে এখনই ভাবা দরকার।
ম. তামিম বলেন, খারাপ ওয়েদারের কারণে অনেক সময়ে ভাসমান এলএনজি স্টেশন থেকে সরবরাহ বিঘ্ন হতে পারে। অবশ্যই ল্যান্ডবেজড এলএনজি স্টেশনের দিকে যেতে হবে। না হলে ঝুঁকি থেকেই যাবে। বড় বড় কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে। কিন্তু সে তুলনায় দক্ষ প্রকৌশলী রেডি হচ্ছে বলেও সমালোচনা করেন ম. তামিম।
প্রফেসর ইজাজ হোসেন বলেন, আমরা মেগাওয়ার্ট গেমে অনেক সফল। এখন গেমস শিফট করতে হবে। এখানে অনেক ঘাটতি রয়েছে। লোডশেডিং হচ্ছে কিন্তু কেনো স্বীকার করা হয় না। এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ইজাজ হোসেন।
ডেইলি সানের সম্পাদক এনামুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে গোলটেবিল আলোচনায় অন্যদের মধ্যে অংশ নেন, বাংলাদেশ প্রতিদিন’র নির্বাহী সম্পাদক পীর হাবিবুর রহমান, নিউজটোয়েন্টিফোরের নির্বাহী সম্পাদক হাসনাইন খোরশেদ, কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির এমডি গোলাম কিবরিয়া, বিজিএমইএ’র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফারুক হাসান, সামিট পাওয়ারের এমডি আব্দুল ওয়াহেদ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৬ মাস নিষিদ্ধ সাব্বির

খেলার খবর: শাস্তি যে বড় হতে চলেছে তা অনুমিতই ছিল। বিসিবির বিভিন্ন সূত্রেও জানা যাচ্ছিল, এবার আর পার পাবেন না সাব্বির রহমান। একের পর এক অঘটন ঘটানো এই ক্রিকেটারকে এবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৬ মাস নিষিদ্ধ করার সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আজ শনিবার বিসিবির শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এই সুপারিশ করা হয়। বোর্ড মিটিংয়ে তা অনুমোদন পেলে শাস্তি কার্যকর হবে।
বিসিবির ডিসিপ্লিনারি কমিটির এই শুনানিতে আসা আরেক ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে সতর্ক করা হয়েছে। সৈকতের বিরুদ্ধে সম্প্রতি যৌতুক এবং নির্যাতনের মামলা করেছেন তার স্ত্রী সামিয়া। মোসাদ্দেক স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়েছেন দাবি করলেও সামিয়ার পরিবার এটা অস্বীকার করেছে।
বাংলাদেশের ক্রিকেটে একের পর এক কেলেঙ্কারি ঘটিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় সাব্বির রহমান। গত ডিসেম্বরে রাজশাহীতে জাতীয় লিগের ম্যাচ চলাকালে এক কিশোরকে পিটিয়েছিলেন তিনি। সতীর্থ মেহেদী মিরাজের সঙ্গেও তিনি অসাদচরণ করেছেন। ক্যারিয়ারে বিভিন্ন সময়ে শৃঙ্খলাভঙ্গ করা সাব্বির সম্প্রতি বিতর্ক ছড়ান ফেসবুকে এক ভক্তকে গালাগাল করে। তাছাড়া উশৃঙ্খল জীবনযাপনের অসংখ্য অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। আসন্ন এশিয়া কাপের দল থেকেও বাদ পড়েছেন তিনি।
শুনানি শেষে সংবাদমাধ্যমের সামনে শৃঙ্খলা কমিটির অন্যতম সদস্য এবং বিসিবি পরিচালক ইসমাইল হায়দার মল্লিক বলেছেন, আজ দুটি শুনানি ছিল। সিদ্ধান্ত বলব না, আমাদের সুপারিশ, যেটা বোর্ড সভাপতি বরাবর দেব। সাব্বিরের শুনানিতে যেটা হয়েছে, ওকে আমরা ৬ মাস আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করার সুপারিশ করেছি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এশিয়া কাপের ভারতীয় দলে নেই কোহলি

খেলার খবর: শেষ পর্যন্ত গুঞ্জনটাই সত্যি হয়েছে। এশিয়া কাপের ভারতীয় দলে নেই বিরাট কোহলি। আসন্ন এই টুর্নামেন্টের ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। এই আসরে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে দলটির সবচেয়ে বড় তারকাকে।
কোহলির অনুপস্থিতিতে এই দলের নেতৃত্বের ভার থাকছে ওপেনার রোহিত শর্মার হাতে। এর আগেও শ্রীলঙ্কায় তিনি একটি সিরিজে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, জিতিয়েছিলেন শিরোপাও।
সামনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ খেলবে ভারত। এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিরিজের কথা ভেবেই কোহলিকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া ছোটখাটো কিছু চোট রয়েছে এই ভারতীয় তারকার। ঘাড়ের চোট কাটিয়ে ওঠার পর চলমান ইংল্যান্ড সিরিজেও পিঠের ব্যথায় ভুগেছেন ভারতীয় অধিনায়ক।
এশিয়া কাপের ভারতীয় দলে একজন নতুন মুখ, খলিল আহমেদ। তবে দলে জায়গা হয়নি সুরেশ রায়না, উমেশ যাদব ও সিদ্ধার্থ কৌলের। আর দলে ফিরেছেন মাণীষ পান্ডে, আমবাতি রাইডু ও কেদার যাদব।
আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার ম্যাচ দিয়ে মাঠে গড়াবে এবারের এশিয়া কাপ। আর ভারত প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে ১৮ সেপ্টেম্বর। ৩০ সেপ্টেম্বর আসরটি শেষ হবে।
এশিয়া কাপের ভারতীয় দল : রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শিখর ধাওয়ান (সহ-অধিনায়ক), কেএল রাহুল, আমবাতি রাইডু, মাণীষ পাণ্ডে, কেদার যাদব, মহেন্দ্র সিং ধোনি, দীনেশ কার্তিক, হার্দিক পাণ্ডিয়া, কুলদ্বীপ যাদব, যুজবেন্দ্র চাহাল, অক্ষর প্যাটেল, ভুবেনশ্বর কুমার, জসপ্রীত বুমরাহ, শার্দুল ঠাকুর ও খলিল আহমেদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বকে বশে আনতে ভোল পাল্টাচ্ছে মিয়ানমার

বিদেশের খবর: রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘের রিপোর্ট ও মিয়ানমার সেনাপ্রধানের ফেসবুক পেজসহ বেশ কয়েকটি অ্যাকাউন্ট বন্ধের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। রোহিঙ্গা গণহত্যায় বিশ্ব সম্প্রদায়ের ক্ষোভ প্রকাশ ও দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বানে অনেকটা নরম সুরে কথা বলছে মিয়ানমারের বৌদ্ধরা। রিপোর্ট প্রকাশের পর হতবুদ্ধি হয়ে পড়েছে তারা। হঠাৎ জাতিসংঘের হুংকার রাতারাতি রোহিঙ্গা-দরদী হয়ে উঠেছে বৌদ্ধরা।
বছরের পর বছর রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতন করে আসছে মিয়ানমারের বৌদ্ধ অধিবাসীরা। ২০১৬ সালের অক্টোবরে এবং এরপর ২০১৭ সালের আগস্টে গণহত্যার উদ্দেশ্য নিয়ে রোহিঙ্গাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে সেনাবাহিনী। আর সেনাবাহিনীকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে বৌদ্ধ সংখ্যাগুরু দেশটির সর্বস্তরের জনগণ।
সেনাদের সঙ্গে সঙ্গে রোহিঙ্গাদের বাড়ি-ঘরে আগুন দেয়া, রোহিঙ্গা নারীদের গণধর্ষণ, শিশুদের জীবন্ত পুড়িয়ে-জবাই করে হত্যা করেছে তারা। রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের অপব্যবহার করেছে। তাদের এই নিপীড়নের জাঁতাকল থেকে প্রাণে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা।
গত বছরের আগস্টে সেই রোহিঙ্গা নিধন অভিযানের এক বছর পর গত সোমবার প্রথমবারের মতো এটাকে গণহত্যা বলে অভিহিত করে জাতিসংঘের একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন। এর জন্য দায়ী মিয়ারমার সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইংসহ সেনাবাহিনীর শীর্ষ ছয় জেনারেলকে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতে বিচারের অনুমোদন করে তদন্তকারীরা।
একই সময় রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ও ঘৃণা ছড়ানোর অভিযোগে সেনাপ্রধানসহ বেশ কয়েকজনের ফেসবুক পেজ বন্ধ করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। জাতিসংঘ রিপোর্ট প্রকাশের নড়েচড়ে বসেছে বিশ্ব। এখন মিয়ানমার জেনারেলদের বিচারের পথেই এগোচ্ছে। বিশ্বের ক্ষোভের মুখে রোহিঙ্গাদের প্রতি হঠাৎ দরদী হয়ে উঠেছে দেশটির বৌদ্ধরা। শুক্রবার এএফপিকে দেয়া দেশটির কয়েকজন ব্যক্তির সাক্ষাৎকারে দেশটির সামষ্টিক মনোভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
ইয়াঙ্গুনে একটি চায়ের দোকানে ৪৭ বছর বয়সী কিয়ো কিয়ো বলেন, সেনাবাহিনী নয়, এখনও সুচিই আমাদের নেত্রী। তার নেতৃত্বে আমরা গণতন্ত্রের জন্য সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করছি। তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য আমার মায়া হয়। আমরা সন্ত্রাস পছন্দ করি না। তাই তাদের ব্যাপারে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে আমরা লড়তেও চাই না। আমরা সেনাবাহিনীর রাখাইন কাণ্ডও সমর্থন করি না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মালদ্বীপ এখন ভারতের গলার কাঁটা

বিদেশের খবর: ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র মালদ্বীপ। নিকটবর্তী দেশ হিসেবে ভারত ও মালদ্বীপের মধ্যে সুসম্পর্ক ছিল দীর্ঘ দিনের। কিন্তু অতি ঘনিষ্ঠ সেই মালদ্বীপই এখন ভারতের গলার কাঁটা!
এদিকে সম্প্রতি ভিয়েতনাম সফরে গিয়ে ভারত মহাসাগর সংলগ্ন রাষ্ট্রগুলির মধ্যে নিরাপত্তার দুর্গ গড়ার ডাক দিয়েছেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। বিমসটেক সম্মেলনেও সমুদ্র নিরাপত্তা এবং বাণিজ্য সম্পর্ক চাঙ্গা করার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু সহযোগিতা দূরস্থান, এই সমুদ্র পথেরই একটি দ্বীপরাষ্ট্র কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বসে রয়েছে ভারতকে।
পরিস্থিতি এমনই যে, মালদ্বীপের বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ে বেইজিং সামরিক ঘাঁটি তৈরির প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে। আর তা অনেকটাই এগিয়ে যাওয়ার পথে বলে মনে করা হচ্ছে। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ক্ষেত্রে আর বিশেষ কিছু করারও থাকবে না নয়াদিল্লির।
এদিকে মালদ্বীপ থেকে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর দু’টি কপ্টার ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য তাড়া দিচ্ছে দেশটি। শুধু হেলিকপ্টার নয়, সেখানে উপস্থিত ৫০ জন ভারতীয় সেনাকর্মীকেও যাতে ভারত ফিরিয়ে নেয়, সে জন্যও চাপ বাড়াচ্ছে তারা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রের খবর, এই চাপের কাছে নতিস্বীকার করে এখনই হেলিকপ্টার এবং সেনা ফেরাতে চাইছে না নয়াদিল্লি।
কূটনৈতিক শিবিরের মতে, ভারত মহাসাগরে নিজেদের প্রভাব বজায় রাখার জন্য মরিশাস, সিসিলিস ও মালদ্বীপের মতো দেশগুলিকে হেলিকপ্টার, টহলদারি বোট ও আরও অনেক কিছু দিয়ে সাহায্য করে ভারত-চীন। সাহায্যের মোড়কে নিজেদের কৌশলগত নজরদারি এবং ঘাঁটি তৈরিই প্রকৃত উদ্দেশ্য। কিন্তু এই কাজে মালদ্বীপে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে চীন। যে মালদ্বীপে ২০১১ সাল পর্যন্ত চীনের দূতাবাসও ছিল না, আজ সেখানকার রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক প্রতিটি পদক্ষেপে জড়িত বেইজিং। গত ডিসেম্বরে সাউথ ব্লকের রক্তচাপ দ্বিগুণ করে মালদ্বীপের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করেছে চীন। মালদ্বীপও চীনের ওবর প্রকল্পে সবুজ সংকেত দিয়েছে। সে দেশের বিভিন্ন প্রকল্পে ভারতীয় সংস্থাগুলিকে হটিয়ে চীনা সংস্থাগুলি জায়গা করে নিয়েছে। ওই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিটির মাধ্যমে চীন মেগা-পরিকাঠামো প্রকল্প, আবাসন প্রকল্প, হোটেল এবং পরিবহণ প্রকল্পে একচেটিয়া লগ্নির অধিকার পেয়েছে।
মালদ্বীপের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আব্দুল গাইয়ুমের সমর্থক ছিল ভারত। তাঁকে বন্দী করে ক্ষমতায় এসেছেন আবদুল্লাহ ইয়ামিন। তাঁর আমলে দু’দেশের সম্পর্ক তিক্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে মালদ্বীপকে আরও কাছে টানছে বেইজিং, এটাই আপাতত শঙ্কা ভারতের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশের এসআই গ্রেফতার

দেশের খবর: র‌্যাবের হাতে ফার্নিচার বোঝাই মিনি ট্রাকে ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. বদরুদ্দৌজা মাহমুদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইয়াবা পাচারের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শনিবার তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরসরাই থানার এসআই আবুল হাসেম শনিবার দুপুরে এসআই মো. বদরুদ্দৌজা মাহমুদকে গ্রেফতার দেখান। খুলশী থানা পুলিশের হেফাজত থেকে এসআই মো. বদরুদ্দৌজা মাহমুদকে গ্রেফতার করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইরুল ইসলাম বলেন, এসআই মো. বদরুদ্দৌজা মাহমুদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার ভোরে মিরসরাই থানার রেদোয়ান পেট্রল পাম্প সংলগ্ন এলাকা থেকে একটি মিনি ট্রাকসহ (ঢাকামেট্রো-ন ১৪-১৮২৯) ট্রাকচালক মো. মোক্তার ও সহকারী মো. সবুজকে আটক করে র‌্যাব। পরে মিনি ট্রাকে থাকা ফার্নিচারের ভেতর তালাবদ্ধ করে লুকানো ২৯ হাজার ২৮৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় মিরসরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয় র‌্যাবের পক্ষ থেকে। ট্রাকচালক ও সহকারী ইয়াবাগুলো নিয়ে চট্টগ্রাম নগরের লালখানবাজার হাইলেভেল রোডের এসআই মো. বদরুদ্দৌজা মাহমুদের বাসা থেকে ঢাকার মোহাম্মদপুরে নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২৯ আগস্ট ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে এসআই বদরুদ্দৌজার ফার্নিচার ও মালামাল চট্টগ্রামের লালখানবাজার হাইলেভেল রোডে নিয়ে আসেন ট্রাকচালক মো. মোক্তার ও সহকারী মো. সবুজ। পরদিন ৩০ আগস্ট রাতে সেই ট্রাক ঢাকায় ফেরত যাওয়ার সময় এসআই বদরুদ্দৌজা ট্রাকে একটি স্টিলের ফাইল কেবিনেট তালাবদ্ধ করে তুলে দেন মোহাম্মদপুরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য।
ইয়াবা উদ্ধারের পর দুইজনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী র‌্যাব এসআই বদরুদ্দৌজাকে আটক করে খুলশী থানা পুলিশের হেফাজতে তুলে দেন। এসআই বদরুদ্দৌজাকে একমাস আগে সাময়িক বরখাস্ত করে ঢাকা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা থেকে শাস্তিমূলক বদলি করে সিএমপিতে পাঠানো হয়। তিনি সিএমপির পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় মামলাও রয়েছে।
সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান বলেন, এসআই বদরুদ্দৌজার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা। প্রত্যেকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৫ যাত্রী নিহত

অনলাইন ডেস্ক: নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মধ্যে সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ সময় আরো দুজন আহত হয়।
আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নেত্রকোনা-কেন্দুয়া-আঠারবাড়ী সড়কের মাসকা কাঁঠালতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমারত হোসেন গাজী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তাৎক্ষণিভাবে হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। আহত দুজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, যাত্রীবাহী বাসটি কেন্দুয়ার দিকে যাচ্ছিল আর অটোরিকশাটি ময়মনসিংহের দিকে যাচ্ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest