সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শনব্রহ্মরাজপুরে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে জরিমানা – ৬ মাসের কারাদণ্ড

পুলিশের ফার্নিচারে ২৯ হাজার ইয়াবা

দেশের খবর: চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) এক উপপরিদর্শকের বিরুদ্ধে ঢাকায় ফার্নিচার পাঠানোর আড়ালে ইয়াবা পাচার করছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার ভোরে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ওই ফার্নিচারবোঝাই একটি মিনিট্রাক থামিয়ে ২৯ হাজার ২৮৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে র‌্যাব। এ সময় ট্রাকটি জব্দ এবং এর চালক ও হেলপারকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন ট্রাকচালক মো. মোক্তার (২৪) ও তাঁর হেলপার মো. সবুজ ওরফে বাবু (১৯)। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সিএমপির উপপরিদর্শক মো. বদরুদ্দৌজা মাহমুদকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
র‌্যাব-৭-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিমতানুর রহমান বলেন, ফার্নিচারবোঝাই একটি মিনিট্রাকে করে ইয়াবা পাচারের সময় মিরসরাই উপজেলার রেদোয়ান পেট্রল পাম্পসংলগ্ন এলাকা থেকে মো. মোক্তার ও মো. সবুজ নামে দুজনকে আটক করে র‌্যাব। তাঁদের কাছ থেকে ফার্নিচারের (স্টিলের ফাইল কেবিনেট) ভেতর তালাবদ্ধ করে লুকানো ২৯ হাজার ২৮৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। ট্রাকচালক ও সহকারী ইয়াবাগুলো নিয়ে চট্টগ্রাম নগরের লালখানবাজার হাইলেভেল রোড থেকে ঢাকার মোহাম্মদপুরে নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে জানান মিমতানুর রহমান।
ইয়াবাগুলো সিএমপির এক উপপরিদর্শকের (এসআই) বলে জানা গেছে। এই উপপরিদর্শকের নাম মো. বদরুদ্দৌজা মাহমুদ। তিনি সিএমপির পুলিশ লাইনে সংযুক্ত আছেন। এক মাস আগে ডিএমপির গোয়েন্দা শাখা থেকে তাঁকে শাস্তিমূলক বদলি করে সিএমপিতে পাঠানো হয় বলে সিএমপি কর্মকর্তারা জানান।
ইয়াবা উদ্ধারের পর তাঁদের দুজনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী উপপরিদর্শক বদরুদ্দৌজাকে আটক করে খুলশী থানা পুলিশের হেফাজতে তুলে দেন সিএমপির পাবলিক অর্ডার ম্যানেজম্যান্ট বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার শাকিলা সুলতানা। উপপরিদর্শক বদরুদ্দৌজা বর্তমানে খুলশী থানা পুলিশের হেফাজতে আছেন।
এ ব্যাপারে অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার শাকিলা সুলতানা বলেন, উপপরিদর্শক বদরুদ্দৌজার বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় মামলা রয়েছে। সেই মামলা এখন তদন্তাধীন রয়েছে। আটক ট্রাকচালক মো. মোক্তার ও হেলপার মো. সবুজকে আসামি করে র‌্যাবের পক্ষ থেকে মিরসরাই থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। সেই মামলায় উপপরিদর্শক বদরুদ্দৌজাকে সরাসরি আসামি করা না হলেও তাঁর সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কার‌ণে অকার‌ণে এম‌পি‌দের ব্যয়বহুল বি‌দেশ ভ্রমণ

অনলাইন ডেস্ক: দেশে একটি রেলওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সুপারিশ করেছিল রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। সেই সুপারিশ চূড়ান্ত করতে এখন রেলওয়ে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে এমন দেশ সফরে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ওই কমিটির সদস্যরা। কমিটির পক্ষ থেকে ওই সফরের জন্য চীন ও যুক্তরাজ্যের নাম উল্লেখ করে মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। গত ২২ জুলাই জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী মুজিবুল হক।
বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করে সংসদ সদস্যদের এ ধরনের বিদেশ সফর বাস্তবে কতটা কাজে আসে তা নিয়ে নানা মহলের প্রশ্ন থাকলেও বিভিন্ন সংসদীয় কমিটির পক্ষ থেকে নানা সময়ে এমন সুপারিশ করা হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় উদ্যোগ নিয়ে সফল হয়েছে। আবার কখনো কখনো অর্থাভাবে আটকে গেছে বিদেশ সফর। তা নিয়ে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে তীব্র ক্ষোভও প্রকাশ করা হয় বলে জানা গেছে।
সংসদীয় কমিটির সভার কার্যবিবরণী থেকে জানা যায়, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে ওই দুটি দেশ সফর করার সুপারিশ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। কিন্তু মন্ত্রণালয় সে সফর আয়োজনে ব্যর্থ হওয়ায় সম্প্রতি এক বৈঠকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন কমিটির সদস্যরা। বৈঠকে উপস্থিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘প্রয়োজনীয় ব্যয় বরাদ্দ ও কতিপয় সীমাবদ্ধতার কারণে সফর আয়োজন সম্ভব হয়নি এবং ভবিষ্যতে হবে কি না তা বলতে পারছি না।’ এতেই চটে যান সংসদীয় কমিটির সদস্যরা। কমিটির সদস্য সামশুল হক চৌধুরী বৈঠকে বলেন, ‘অন্যান্য স্থায়ী কমিটি যথারীতি বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করছে। তাহলে আমরা পারব না কেন?’ তিনি যথাশিগগির সম্ভব অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের পূর্বনির্ধারিত সফর আয়োজনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। কমিটির সভাপতি মো. মোতাহার হোসেন সফর অনুষ্ঠানে বিলম্ব হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে নিয়মিত ও অব্যাহতভাবে বিভিন্ন পর্যায়ে বিদেশ ভ্রমণ কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে। অথচ স্থায়ী কমিটির পূর্বনির্ধারিত এ গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা সফর অনুষ্ঠানে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হওয়া দুঃখজনক।’ কমিটির আরেক সদস্য আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন যেভাবেই হোক ওই সফর আয়োজনের জন্য মন্ত্রণালয়ের কাছে দাবি জানান।
সভার কার্যবিবরণী থেকে আরো জানা যায়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ আর কমিটির সদস্যদের বিদেশে না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন কমিটির সদস্যরা। তাঁরা বলেন, অভিজ্ঞতা অর্জনের নামে কিছুদিন আগেও তিন সচিব অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণ করেছেন। রাজধানীর পূর্বাচলে ফুটবল ও ক্রিকেট খেলার জন্য স্টেডিয়াম নির্মাণের অভিজ্ঞতা অর্জনে ভেন্যু দেখতে গেলেও তাঁদের সঙ্গে দুই খেলার সংশ্লিষ্ট কাউকে রাখা হয়নি। ওই সফরে সরকারের অর্থ ব্যয় করে শুধু ভ্রমণবিলাসই হয়েছে। অথচ কমিটির পক্ষ থেকে বিদেশ সফরের কথা বলা হলেই আইন দেখানো হয়। অর্থসংকট দেখানো হয়।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র মতে, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারি (পিপিপি) আইন সম্পর্কে অভিজ্ঞতা নিতে গত অর্থবছরে সরকারি খরচে ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, ফিলিপাইন ও যুক্তরাজ্য সফর করে আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। সংসদ লাইব্রেরির আধুনিকায়ন ও ডিজিটাইজেশনের বিষয়ে ভারত সফর করে জাতীয় সংসদ লাইব্রেরি কমিটি। আরেক বিষয়ে সমৃদ্ধ হতে ভিয়েতনাম ও চীন সফর করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম দেখতে কঙ্গো ও আইভরি কোস্ট সফর করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। এভাবে প্রতি মাসেই কোনো না কোনো কমিটির সদস্যরা বিদেশ সফর করেন অভিজ্ঞতা অর্জন ও মতবিনিময়সহ নানা ইস্যুতে। সংসদীয় কমিটি ও সংসদ সদস্যদের বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে কোনো নীতিমালা নেই। যে কারণে এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিদেশ সফরের আগ্রহ বেশির ভাগ সংসদ সদস্যের।
সূত্র মতে, সংসদীয় কমিটিকে কাজে লাগিয়ে বিদেশ ভ্রমণের হিড়িক পড়ে নবম সংসদে। আর এতে আপত্তি জানান তৎকালীন স্পিকার (বর্তমান রাষ্ট্রপতি) মো. আবদুল হামিদ এবং অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। স্পিকার সংসদ সদস্যদের বিদেশ সফরের অনুমতি প্রদানে কড়াকড়ি আরোপ করেন। আর অর্থমন্ত্রী অনীহা প্রকাশ করেন ওই খাতে অর্থ ছাড় করতে। কিন্তু সংসদ সদস্যরা মন্ত্রণালয়কে ম্যানেজ করে বা বেসরকারি খাতের অর্থায়নে বিদেশ সফর অব্যাহত রাখলেও জটিলতা নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। মাঝেমধ্যে সংসদ সদস্যদের বিদেশ সফরের অর্থ ছাড়ের অনুমোদন মিললেও অনেক সময় নথি আটকে যায়। আবার বিদেশ সফর করে ফিরলেও বছরের পর বছর বিল আটকে থাকে। এই জটিলতা দ্রুত নিষ্পত্তি করার তাগিদ দেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এ ক্ষেত্রে সংসদ সচিবালয় থেকে সংসদীয় কমিটির বিদেশ সফরের অর্থায়ন করতে হলে আলাদা বরাদ্দেরও প্রস্তাব দেন তিনি। কিন্তু চলতি অর্থবছরের বাজেটে সেটা করা হয়নি। সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এবার বাজেটে জাতীয় সংসদের জন্য ৩৩২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হলেও সেখানে এসংক্রান্ত কোনো খাত নেই।

এ বিষয়ে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ), কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন (সিপিএ) এবং অন্যান্য সংসদীয় সংস্থার সম্মেলন, সেমিনার ও বৈঠকে অংশ নেওয়ার জন্য কোনো সংসদীয় দল বা প্রতিনিধি কোনো দেশে গেলে সেই ব্যয় সংসদ সচিবালয় বহন করে। আর সংসদীয় কমিটির বিদেশ সফরের ব্যয় মন্ত্রণালয় থেকে বহন করা হয়। সরকার চাইলে এটা সংসদ সচিবালয় থেকে করা যেতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদের বাজেটে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। আর এ জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা জরুরি। আগামী দিনে সেই উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্পিকার।
সংসদীয় কমিটির বিদেশ সফরের ব্যয় নিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে। ওই চিঠিতে অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিদেশ সফরের অর্থ ছাড়ের ক্ষেত্রে আর্থিক শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ একাধিক দেশের উদাহরণ তুলে ধরে চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়, সেসব দেশে সরকারি খরচে সংসদ সদস্যদের বিদেশ সফর নিরুৎসাহ করা হয়। বিষয়টি সংসদ সচিবালয়ের মাধ্যমে সমন্বয় করারও প্রস্তাব দেওয়া হয়। ওই চিঠিটি পাওয়ার পর স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বিষয়টি নিয়ে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে পরামর্শ করেন। এরপর স্পিকারের নির্দেশে সংসদ সচিবালয় ওই চিঠির জবাব দেয়। সেখানে সংসদীয় কমিটির সদস্যদের বিদেশ সফরের জন্য আলাদাভাবে অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়, যার ওপর ভিত্তি করে সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলো বিদেশ সফরের পরিকল্পনা তৈরি করবে। এ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়। কিন্তু এরপর দুটি জাতীয় বাজেট প্রণয়ন করা হলেও এসংক্রান্ত কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) ‘পার্লামেন্ট ওয়াচ’ শীর্ষক এক গবেষণায় সংসদীয় কমিটির অপ্রয়োজনীয় বিদেশ সফর নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয়ের কাজের তদারকি ও নজরদারি করাই সংসদীয় কমিটির প্রধান কাজ। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নের পাশাপাশি ভুল-ত্রুটিও শুধরে দিয়ে থাকে কমিটি। অনিয়ম-দুর্নীতি হলে তদন্ত করে সুপারিশ প্রণয়নসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। সেই কমিটি মন্ত্রণালয়ের টাকায় অপ্রয়োজনীয় বিদেশ সফর করলে কমিটির ব্যবস্থাপনা দুর্বল হয়ে পড়ে। মন্ত্রণালয় থেকে সুবিধা নেওয়ার পর কমিটির সদস্যদের নৈতিক জোর কমে যায় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে গবেষণা প্রতিবেদনে।
মন্ত্রণালয়ের অর্থে বিদেশ ভ্রমণকে স্বার্থের সংঘাত বলে মনে করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, সংসদ সদস্যরা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে দেশে-বিদেশে দায়িত্ব পালন করবেন, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সংসদ থেকে অর্থ সংস্থানের ব্যবস্থা থাকতে হবে। বিষয়টি বাজেট পাসের সময় বিবেচনা করা যেতে পারে। আর সংসদীয় কমিটির বিদেশ সফরের কর্মসূচি ওই কমিটির সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে হবে।
জানা গেছে, সব শেষ অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও তুরস্কের ওয়াক্ফ কার্যক্রম পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেয় ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। এ জন্য ওয়াক্ফ তহবিল থেকে দুই কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়। কিন্তু ওই তহবিলের অর্থ ব্যয়ের নির্ধারিত খাতের মধ্যে বিদেশ ভ্রমণ না থাকায় টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন ওয়াক্ফ প্রশাসক। ফলে ধর্ম মন্ত্রণালয় সফর আয়োজনে ব্যর্থ হয়। এ নিয়ে গত ২৮ মে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।

সংসদীয় কমিটির সভার কার্যপত্র থেকে জানা গেছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সদস্য ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ ১৮ জনের সফরের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে এক কোটি ৯২ লাখ ৭৭ হাজার ৫৫২ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছিল। ওই প্রতিনিধিদল বিদেশ সফর করলেও কত ব্যয় হয়েছিল সেই তথ্য কমিটিতে নেই।
প্রবীণ সংসদ সদস্য ও সাবেক ডেপুটি স্পিকার কর্নেল (অব.) শওকত আলী বলেন, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর বিভিন্ন প্রগ্রামে জাতীয় সংসদের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে থাকেন। এর বাইরেও সংসদ সদস্যরা বিভিন্ন ইস্যুতে অভিজ্ঞতা অর্জন ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করার জন্য বিদেশে যান। তবে কর্মসূচি গ্রহণের ক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থের বিষয়টি প্রাধান্য দেওয়া উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. রহমত আলী বলেন, ‘আমিও সংসদীয় কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। সেই সময়ে সংসদীয় দলের সদস্য হিসেবে বিদেশ গেলেও কোনো অপ্রয়োজনীয় বিদেশ সফর করিনি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রবাসী আ. লীগ নেতা খুন

প্রবাসী আ. লীগ নেতা খুন

কর্তৃক daily satkhira

দেশের খবর: সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারে এক প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতাকে ছুরি মেরে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে জিন্দাবাজারের তাঁতিপাড়া গলির মুখে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত এস এম আব্দুল আহাদ আওয়ামী লীগের কুয়েত শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সিলেট বিভাগীয় লেখক ফোরাম কুয়েত শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার করিমপুর মেদিনী মহলের নুর মিয়ার ছেলে।
আজ শনিবার সকালে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘মোটরইসাইকেলে করে একদল দুর্বৃত্ত এসে আব্দুল আহাদকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে তিনি মারা যান।’
গত বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সভায় যোগ দিতে সিলেটে এসেছিলেন আহাদ। শুক্রবার রাতে তাঁর বাড়ি ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। তার আগেই এ ঘটনা ঘটে।
ওসি মোশাররফ হোসেন আরো বলেন, কারা এবং কেন এই হামলা চালিয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি। খবর পেয়ে হাসপাতালে যান সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার পরিতোষ ঘোষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অ্যামাজনে নতুন নৃ-গোষ্ঠীর সন্ধান

অনলাইন ডেস্ক: অ্যামাজনের গহীন জঙ্গলে খোঁজ মিলেছে নতুন এক নৃ-গোষ্ঠীর। যাদের সাথে বহির্বিশ্বের কোনো যোগাযোগই ছিল না। এই বিচ্ছিন্ন জাতিটির সন্ধান দিয়েছে একটি ড্রোন। ড্রোনে ধারণ করা একটি ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে নতুন এ তথ্য পাওয়া গেছে।
ড্রোনে ধরা পড়া ওই জায়গাটি জাভারি নদীর উপত্যকা। এটি পেরু ও ব্রাজিল সীমান্তের খুব কাছাকাছি একটি জায়গা। ব্রাজিল সরকারের ইন্ডিজিনাস সংস্থা ‘ফুনাই’ ড্রোনের ভিডিওগুলো ধারণ করেছে।
ড্রোনের ভিডিওতে দেখা যায়, গাছ দিয়ে আচ্ছাদিত একটি জায়গা। সেখানে কয়েকজন মানুষ হাঁটাহাঁটি করছেন। হাঁটাহাঁটি করা মানুষদের মধ্যে একজন ঘুরছেন বর্শা নিয়ে। সেখানে পাম গাছ ও খেজুর গাছ দিয়ে তৈরি বাড়ি, পাথর দিয়ে তৈরি ধারালো অস্ত্র যার হাতল কাঠের, এছাড়াও কুঁড়েঘরের দৃশ্য দেখা গেছে। এ ছবিগুলোও প্রকাশ করেছে ‘ফুনাই’।
ড্রোন ক্যামেরায় ধারণ করা চিত্র ‘ফুনাই’ বলছে, এ অঞ্চলের আটটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সঙ্গে বহির্বিশ্বের যোগাযোগ রয়েছে। এছাড়াও কমপক্ষে ১১টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী রয়েছে যাদের সঙ্গে বহির্বিশ্বের কোনো যোগাযোগ নেই। তারা বিচ্ছিন্ন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমদানিতেই গেলো পাঁচ লাখ কোটি টাকা!

দেশের খবর: রেকর্ড পরিমাণ আমদানি হয়েছে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে। টাকার অঙ্কে এর পরিমাণ প্রায় পাঁচ লাখ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে বাংলাদেশের ব্যয় হয়েছে পাঁচ হাজার ৮৮৬ কোটি ৫৩ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় চার লাখ ৯৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি। প্রসঙ্গত, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে চার লাখ ২৬৬ কোটি টাকার জাতীয় বাজেট ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে সংশোধিত বাজেটের আকার নামিয়ে করা হয় তিন লাখ ৭১ হাজার কোটি টাকা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, অস্বাভাবিকভাবে আমদানি ব্যয় বাড়ায় বাংলাদেশকে বড় ধরনের চাপের মুখে পড়তে হতে পারে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে বৈদেশিক বাণিজ্যে ভারসাম্যহীন পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে এলসি খোলা হয়েছে ছয় হাজার ৯৪২ কোটি ২১ লাখ ডলারের (বা পাঁচ লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকার)।
বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর মনে করেন, অস্বাভাবিকভাবে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়া ও রফতানি আয় কমে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশকে বড় ধরনের চাপের মুখে পড়তে হবে।
তিনি বলেন, ‘এখনই এই চাপ সহ্য করতে হচ্ছে। আগামীতে এই চাপ আরও বাড়বে। এর ফলে ক্রমে বৈদেশিক বাণিজ্যে ভারসাম্যহীন পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে।’
আহসান এইচ মনসুরের মতে, আমদানি ব্যয় মেটাতে যে পরিমাণ টাকা লাগবে, সেই টাকা থাকলে সমস্যা হবে না। কিন্তু প্রশ্ন হলো— কতদিন এভাবে চলবে? সেটাই দেখার বিষয়।
তিনি বলেন, ‘অনেক সময়ই আমরা শুনি, এক পণ্য আমদানির নামে অন্য পণ্য আমদানি হচ্ছে। অনেক সময় শূন্য কন্টেইনারও আসে। আবার ওভার ইনভয়েসের (আমদানি করা পণ্যের বেশি মূল্য দেখিয়ে) মাধ্যমে অর্থ পাচার করছেন অনেকে।’
এদিকে আমদানি ব্যয় বাড়ায় গেলো অর্থবছরে বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবে বড় ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এর পরিমাণ ৯৭৮ কোটি ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে চলতি হিসাবে মাত্র ১৩৩ কোটি ডলারের মতো ঘাটতি ছিল। অন্যদিকে, গত অর্থবছরে বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতিও বেড়েছে রেকর্ড পরিমাণ। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে যেখানে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৯৪৭ কোটি ডলার, সেখানে গত অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে একহাজার ৮২৫ কোটি ডলারে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে ঋণপত্র (লেটার অব ক্রেডিট বা এলসি) খোলার ব্যয় বেড়েছে অস্বাভাবিক হারে। গত অর্থবছরে এলসি খোলায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৪৪ শতাংশ। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের একই সময়ে এ প্রবৃদ্ধির হার ছিল মাত্র ১১ শতাংশের মতো। এ হিসাবে এলসি খোলায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় চার গুণ। এই সময়ে খাদ্যপণ্য, মূলধনী যন্ত্রপাতি, শিল্পের কাঁচামাল ও জ্বালানি তেলের এলসি খোলার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে খাদ্যপণ্যের এলসি খোলার হার, প্রায় ১৪৪ শতাংশ।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে বাংলাদেশের ব্যয় হয়েছে পাঁচ হাজার ৮৮৬ কোটি ৫৩ লাখ ডলার। সেখানে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল চার হাজার ৩৪৯ কোটি ডলার।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে এলসি খোলা হয়েছে ছয় হাজার ৯৪২ কোটি ২১ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরে যা ছিল চার হাজার ৮১২ কোটি ৫৯ লাখ ডলার। অর্থাৎ এলসি খোলায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪৪ দশমিক ২৫ শতাংশ। অন্যদিকে, এ সময়ে বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে ঋণপত্র নিষ্পত্তি হয়েছে পাঁচ হাজার ১৫৩ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরে ছিল চার হাজার ৪২৭ কোটি ২৭ লাখ ডলার।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সময়ে খাদ্যপণ্যের মধ্যে চাল ও গমের আমদানি ঋণপত্র খোলা হয়েছে ৩৬০ কোটি ৯১ লাখ ডলারের, যা আগের অর্থবছরে ছিল মাত্র ১৪৭ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। সে হিসাবে খাদ্যপণ্য আমদানিতে ঋণপত্র খোলার হার বেড়েছে ১৪৪ দশমিক ১০ শতাংশ।
গেল অর্থবছরে মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানিতে ঋণপত্র খোলা হয়েছে ৬৪৭ কোটি ৩৪ লাখ ডলারের। আগের অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ৫৩০ কোটি ৮১ লাখ ডলার।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে শিল্পের কাঁচামাল আমদানি ঋণপত্র খোলা হয়েছে একহাজার ৯৮২ কোটি ৪৭ লাখ ডলারের, যা আগের অর্থবছরে ছিল একহাজার ৭৭২ কোটি ৫৮ লাখ ডলার।
অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক মহাপরিচালক ড. জায়েদ বখত বলেন, ‘যদি মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি বাড়ে, তাহলে সেটা অর্থনীতির জন্য অনেক ভালো খবর।’ তিনি বলেন, ‘বিনিয়োগকারীরা হয়তো এখন বিনিয়োগে মনোযোগ দিচ্ছে, পদ্মা সেতু প্রকল্পসহ বড় বড় প্রকল্প বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা এনে দিয়েছে, যা শিল্পায়নে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন দীপিকা

বিনোদনের খবর: রনবীর-দীপিকার রসায়ন সবারই কম-বেশি জানা। তবে বিয়ে নিয়ে কখনো মুখ খোলেননি দীপিকা। হঠাৎ চারিদিকে হইচই পড়ে গেছে তার বিয়ের খবরে। কিন্তু এখনও মুখে কুলুপ এটে রয়েছেন দীপিকা। তবে ভক্তদের খোলাসা করে কিছু না বললেও ইঙ্গিত দিয়েছেন। শুধু জানিয়েছেন, ‘খুব শিগগিরই তোমাদের সঙ্গে শেয়ার করব’।
প্রতিবারের মতো এবারও এড়িয়ে গেলেন তিনি। কিন্তু অস্বীকার করলেন না। আসলে মুখে না বললেও, বরাবর রণবীর সিংয়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের আভাস তিনি দিয়ে গেছেন। ইঙ্গিতের সেই সিঁড়ি বেয়ে আজ ছাদনাতলার পথে বলিউডের দুই লাভবার্ডস। শোনা যাচ্ছে আগামী ২০ নভেম্বর গাঁটছড়া বাঁধবেন তাঁরা।
জানা গেছে, অভিনেতা-অভিনেত্রীর অলওয়েজ ফেভারিট হলি-ডে ডেস্টিনেশন ইতালি। তাই এই জায়গাকে বিয়ের ভেন্যু হিসাবে বেছে নিয়েছেন এই লাভ বার্ডস। আসলে নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে চান না রণ ও দীপি। তাই ডেস্টিনেশন ওয়েডিং বেছে নিয়েছেন তাঁরা। এমনকি বিয়েতে নিমন্ত্রিত থাকবেন দুই পরিবারের আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা।
কিছুদিন আগে বাজিরাও মাস্তানির বিয়ের গুঞ্জনে শিলমোহর দিলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা কবীর বেদী। ট্যুইট করে রাম-লীলার বিয়ের খবর দেন তিনি। স্পষ্ট লিখেছেন, ইটালিতেই ডেস্টিনেশন ওয়েডিং সারবেন বলিউডের বাজিরাও-মাস্তানি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে জীবনের জন্য দুই তারকাকে প্রকাশ্যেই শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন মিস্টার বেদী।
বলিপাড়ার খবর, বিয়ের আগে দশ দিন ধরে মেয়ে জামাইয়ের মঙ্গলের জন্য পুজা রাখতে চান দীপিকার মা। মায়ের সেই ইচ্ছেকে সম্মান জানাতেই রন-দীপির বিয়ের সেলিব্রেশন শুরু হচ্ছে দশদিন আগে থেকেই।
জানা গেছে, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহতেই পরিবারের সঙ্গে বেঙ্গালুরুতে পৌঁছে যাবেন রনবীর সিং। সেখানেই করা হবে পুজার আয়োজন। তাছাড়া দীপিকার মা বেঙ্গালুরুর নন্দী মন্দিরের পুরোহিতদের সঙ্গে কথা বলে নিয়েছেন। পাত্র-পাত্রীকে নিয়ে সেখানেও নাকি পুজার আয়োজন করা হবে। আর তারপরই ম্যারেজ ডেস্টিনেশন ইতালিতে উড়ে যাবেন তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লাইসেন্স না থাকায় ফুটবলারদের নিয়ে গাড়ি থেকে নেমে গেলেন কোচ

খেলার খবর: ড্রাইভারের লাইসেন্স ও বাসের কাগজপত্র ঠিক না থাকায় লজ্জায় পড়তে হলো বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলকে। পুলিশের চেকিংয়ে বিষয়টা ধরা পড়ার পর ফুটবলারদের নিয়ে গাড়ি থেকে নেমে গেলেন জাতীয় দলের হেড কোচ জেমি ডে।
বাফুফে সূত্রে জানা গেছে, শ্রীলংকার বিপক্ষে ম্যাচ খেলে নীলফামারী থেকে বিমানে ঢাকায় ফেরার পর হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে যে বাসে উঠেছিলেন কোচসহ ফুটবলাররা, সেই বাসেরই কোনো কাগজপত্র ঠিক ছিল না। শুধু বাস বাস ও ড্রাইভারের লাইসেন্স নয়, ছিল না বাসের ফিটনেস সার্টিফিকেটও।
সূত্র জানায়, বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের চেকিংয়ে বিষয়টা ধরা। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে কোচ জেমি ডে অবৈধ গাড়িতে চড়তে অস্বীকৃতি জানান। পরে ফুটবলারদের নিয়ে বাস থেকে নেমে পড়েন। এরপর ট্যাক্সিতে চড়ে ফুটবল দল ফিরে আসে হোটেলে।
বিষয়টি স্বীকার করেছেন দলের ম্যানেজার সত্যজিৎ দাস রূপুও। যদিও তার দাবি, বাসের মূল কাগজপত্রের ফটোকপি অবশ্য ছিল। কিন্তু কিছু বুঝে উঠার আগেই কোচ দল নিয়ে বাস থেকে নেমে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাজধানীতে ‘নতুন ধরনের’ নেশাদ্রব্যের বড় চালান জব্দ

দেশের খবর: ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো গুদাম এবং শান্তিনগরের এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে আটশ কেজি নেশাদ্রব্য উদ্ধার করেছে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, যা বাংলাদেশে ‘নতুন’।
অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, কাথ শ্রেণিভুক্ত এক ধরনের উদ্ভিদ থেকে তৈরি এই নেশাদ্রব্য আফ্রিকার দেশগুলোতে বহু আগে থেকেই প্রচলিত। তবে ইদানিং বিভিন্ন দেশে হেরোইন বা ইয়াবার মত মাদকের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এই ভেষজ নেশার পাতা।
এ ধরনের বিকল্প নেশাদ্রব্যগুলোকে চিহ্নিত করা হচ্ছে ‘নিউ সাইকোট্রফিক সাবটেনসেস’ বা এনপিএস নামে।
মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (উত্তর) সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম জানান, ইথিওপিয়া থেকে বাংলাদেশের নওয়াহিন এন্টারপ্রাইজ নামের এক কোম্পানির ঠিকানায় গত ২৭ অগাস্ট একটি পার্সেল পাঠানো হয়। ওই পার্সেলে মাদক আসছে বলে বাংলাদেশকে আগেই সতর্ক করে দেয় আন্তর্জাতিক একটি মাদকবিরোধী সংস্থা।
মো. নাজিম (৪৭) নামের এক ব্যক্তি শুক্রবার দুপুরে ওই পার্সেল নিতে শাহজালালের কার্গো ভিলেজে এলে তাকে আটক করেন মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তারা। পরে পার্সেল থেকে পাওয়া যায় চারশ কেজি ‘এনপিএস’।
খোরশেদ আলম বলেন, নাজিমকে গ্রেপ্তারের পর তাকে নিয়ে শান্তিনগরের নওশীন এন্টারপ্রাইজে অভিযান চালান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। সেখানে পাওয়া যায় আরও সাড়ে চারশ কেজি একই ধরনের নেশাদ্রব্যের মজুদ।
অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা বলছেন, দেখতে চায়ের পাতার মত এই নেশাদ্রব্য আনা হয়েছে গ্রিন টির মত প্যাকেটে করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাজিম দাবি করেছেন, এগুলো চা বলেই তিনি জানতেন; মাদক হিসেবে ব্যবহারের বিষয়টি তার জানা ছিল না। ইথিওপিয়ার এক লোকের সঙ্গে তার চুক্তি ছিল, সেখান থেকে ঢাকায় পাঠানো চালান তিনি আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন। সেজন্য প্রতি ২০০ কেজিতে তিনি ৮০০ ডলার করে পাবেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কেমিকেল এক্সামিনার আবু হাসান বলেন, “বাংলাদেশে এই ধরনের নেশাদ্রব্য নতুন। এক সময় আফ্রিকার দেশগুলোতে ব্যবহৃত হলেও ইদানিং এ নেশা ইউরোপ, আমেরিকাতেও ছড়িয়ে পড়ছে।”
শুকনো ওই নেশার পাতা মুখে নিয়ে চিবিয়ে আবার কখনও পানির সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া হয়। ওই পাতায় থাকা ক্যাথিনোন ও ক্যাথিন অ্যালকালয়েড থাকে বলে ইয়াবার মতই নেশা হয় বলে আবু হাসান জানান।
তিনি বলেন, “এই নেশাদ্রব্য যৌন উদ্দীপনা বাড়াতে বা দীর্ঘ সময় জেগে থাকতে সাহায্য করে বলে ধারণা করা হয়। তবে এটি সেবনে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest