বায়স্কোপে ফ্রি দেখা যাবে ‘ঢাকা অ্যাটাক’

বিনোদনের খবর: দেশে এবং বিদেশের প্রেক্ষাগৃহে সফলতার পর এবার অনলাইন প্লাটফর্মে দেখা যাবে নির্মাতা দীপংকর দীপন পরিচালিত গত বছরের আলোচিত বাংলা চলচ্চিত্র ‘ঢাকা অ্যাটাক’। চলচ্চিত্রটি গত বছরের ৬ অক্টোবর দেশের ১২৩টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। দর্শক প্রিয়তায় অন্যরকম পর্যায়ে যাওয়া ছবিটি টানা ১০০ দিন প্রেক্ষাগৃহে চলেছে। আর দেশের বাইরেও ছিল এর জয়জয়কার।
ভিডিওনির্ভর সাইট বায়স্কোপ-এ ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে আগামী ১২ আগস্ট। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এর পরিচালক দীপংকর দীপন ও চিত্রনাট্যকার সানী সানোয়ার।
তারা জানান, আগে থেকেই বায়স্কোপের সঙ্গে তাদের চুক্তি হয়েছিল। সে অনুযায়ী ছবিটি এবার মুক্তি পাচ্ছে সেখানে। যেখানে বাংলাদেশের দর্শকরা কোনও চার্জ (ফ্রি) ছাড়াই দেখতে পারবেন।
‘ঢাকা অ্যাটাক’ দেশের প্রথম পুলিশ অ্যাকশন থ্রিলার। বোম নিষ্ক্রিয় ইউনিটের সদস্য, পুলিশ কমিশনার, সোয়াত ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা, সাংবাদিক সব ধরনের চরিত্রই আছে ছবিটিতে। অ্যাকশন দৃশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে পুলিশের ব্যবহৃত ৪৫ পাউন্ড ওজনের বোমা স্কোয়াডের বিশেষ পোশাক ও পাঁচ কিলোগ্রাম ওজনের হেলমেট।
‘ঢাকা অ্যাটাক’ দীপংকর দীপনের প্রথম ছবি। একদল চৌকস পুলিশের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান নিয়ে বানানো হয়েছে সিনেমাটি।
সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ, মাহিয়া মাহি, এবিএম সুমন, শতাব্দী ওয়াদুদ, আলমগীর, আফজাল হোসেন, কাজী নওশাবা আহমেদ, সৈয়দ হাসান ইমাম, শিপন মিত্র এবং খল চরিত্রে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি তাসকিন রহমাআ
‘ঢাকা অ্যাটাক’ ছবির মূল ভাবনা ও কাহিনি রচনা করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি সানী সানোয়ার। ‘ঢাকা অ্যাটাক’ যৌথভাবে প্রযোজনা করেছে স্প্ল্যাশ মাল্টিমিডিয়া, ঢাকা পুলিশ পরিবার কল্যাণ সমিতি লি. ও থ্রি-হুইলারস লিমিটেডে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জনতা ব্যাংকের ৫ হাজার কোটি টাকা জালিয়াতিতে সাবেক এমডির হাত!

দেশের খবর: জনতা ব্যাংকের প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা জালিয়াতি করেছে ক্রিসেন্ট গ্রুপ। আর এ ঘটনায় যোগসাজশের জন্য ব্যাংকটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবদুস সালামকে দায়ী করেছে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ। শুধু তাই নয়, সাবেক এই এমডির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি দিয়েছে জনতা ব্যাংকের বর্তমান পর্ষদ। জনতা ব্যাংক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
ব্যাংকের এমডির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে সরকারি কোনও ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সুপারিশ ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানোর দৃষ্টান্ত এই প্রথম। অতীতে দেখা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংক এই ধরনের চিঠি পাঠিয়ে এমডিদের অপসারণ করতো। সর্বশেষ অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক এমডি সৈয়দ আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তার আগে বেসিক ব্যাংকের সাবেক এমডি কাজী ফকরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছিল।
জনতা ব্যাংক থেকে গত সপ্তাহে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে সাবেক এমডি ছাড়াও তিন ডিএমডির বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে ব্যাংকটির সাবেক এমডি আবদুস সালামকে কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন ধরেননি। তাকে মোবাইলে এসএমএস দেওয়ার পরও কোনও জবাব দেননি।
এদিকে, বুধবার (৮ আগস্ট) অনুষ্ঠিত ব্যাংকটির বোর্ডসভাতেও অনিয়ম ও জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে থাকার ঘোষণা দেওয়া হয়। ব্যাংকের চেয়ারম্যান লুনা শামসুদ্দোহার সভাপতিত্বে বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিষয়টি জানতে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান লুনা শামসুদ্দোহা ও বর্তমান এমডি আব্দুছ ছালাম আজাদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন ধরেননি। একইভাবে এসএমএস পাঠালেও তারা কোনও সাড়া দেননি। তবে ব্যাংকটির পর্ষদের কয়েকজন সদস্য জানিয়েছেন, দুপুরে শুরু হওয়া বোর্ডসভা রাত আটটা পর্যন্ত চলার কারণে তারা ফোন রিসিভ করেননি।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন,রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে ডোবানোর পেছনে অসৎ এমডিরাই অনেকাংশে জড়িত। তিনি বলেন,‘যেসব এমডির কারণে ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের কেবল অপসারণ করলে হবে না,তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তবেই ব্যাংকে অপরাধপ্রবণতা কমে আসবে।’
এর আগে ক্রিসেন্ট গ্রুপের পাঁচ হাজার কোটি টাকা জালিয়াতির ঘটনায় পরিচালনা পর্ষদ থেকে একটি তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করেছে। সেই তদন্ত প্রতিবেদনে সাবেক এমডি আবদুস সালাম ও তিনজন ডিএমডির বিরুদ্ধে চরম দায়িত্বহীনতার অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং রীতিনীতি লঙ্ঘন করে পর্ষদকে এড়িয়ে এই তিন কর্মকর্তা ক্রিসেন্ট গ্রুপকে বেআইনিভাবে ঋণ সুবিধা দিয়েছেন।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রিসেন্ট গ্রুপকে ঋণ হিসেবে দেওয়া অর্থের প্রায় সবই নগদ তুলে নেওয়া হয়েছে। ব্যাংকের ইমামগঞ্জ শাখার ভল্টে নগদ টাকার ধারণক্ষমতা তিন কোটি টাকা। এ কারণে গ্রাহককে ঋণের টাকা দিলকুশা স্থানীয় কার্যালয় শাখা ও মোহাম্মদপুর শাখা থেকে তোলার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। অথচ ব্যাংকের পর্ষদকে জানানো হয়নি। শুধু তাই নয়,সীমাতিরিক্ত ঋণ বিতরণ করলেও পর্ষদকে জানায়নি, এমনকি বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনও নেওয়া হয়নি।
এদিকে প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরিচালনা পর্ষদ ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবদুস সালাম, সাবেক উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) জাকির হোসেন ও ইসমাইল হোসেনের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে। অবশ্য পর্ষদের কাছে সাবেক এমডি আবদুস সালাম যে জবাব দিয়েছেন তা পর্ষদ গ্রহণ করেনি বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী ক্রিসেন্ট গ্রুপ ২০১৩ সাল থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে ঋণ নেওয়া শুরু করে। ২০১৪ সালে এসে ব্যাপকতা বাড়তে থাকে। ২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে গ্রাহককে সবচেয়ে বেশি ঋণ দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, আবদুস সালাম জনতা ব্যাংকের এমডি পদ থেকে গত বছরের ২৭ অক্টোবর অবসরে যান। ২০১৪ সালের ২৮ অক্টোবর এমডি পদে যোগ দিয়েছিলেন আবদুস সালাম।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,চামড়া খাতের কোম্পানি ক্রিসেন্ট লেদারের রফতানির অর্থ দেশে না আসলেও নিয়ম-নীতি লঙ্ঘন করে একের পর এক বিল কিনেছে জনতা ব্যাংক। ভুয়া রফতানি বিল কিনে গ্রুপটির হাতে নগদে টাকা দিয়েছে জনতা ব্যাংক। এখন রফতানির টাকা ফেরত আসছে না। এর বাইরে সরকারের নগদ সহায়তা তহবিল থেকেও ক্রিসেন্ট গ্রুপ নিয়েছে এক হাজার ৭৫ কোটি টাকা। বিদেশে রফতানির একহাজার ২৯৫ কোটি টাকা আটকা রয়েছে। সব মিলিয়ে গ্রুপটি সরকারি ব্যাংক ও সরকারের তহবিল থেকে ২০১৩ সাল থেকে এ বছরের মার্চ পর্যন্ত পাঁচ বছরে নিয়ে নিয়েছে পাঁচ হাজার ১৩০ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির রফতানির বিপরীতে সৃষ্ট ৫৭০টি বৈদেশিক বিনিময় বিল ক্রয় (এফডিবিপি) করে গ্রাহককে এক হাজার ১৩৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়। আগের বিল মেয়াদোত্তীর্ণ থাকা অবস্থায় পরের বিল কেনার নিয়ম না থাকলেও তা কেনা হয়েছে।
বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারপ্রেস নেটওয়ার্কের (আইপিএন) এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ব্যাংকের অধিকাংশ অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের এমডির জ্ঞাতসারে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে এমডির প্রভাবেও শাখার কর্মকর্তারা অসৎ পন্থা অবলম্বন করেছেন। ২০১৬ সালে প্রতিবেদনটি তৈরি করে আইপিএন। রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের ৫ ব্যাংকসহ বেসরকারি খাতের খেলাপিতে শীর্ষে থাকা ১০ ব্যাংকের তথ্য-উপাত্ত নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়। এই গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংকের কোনও না কোনও কর্মকর্তার সম্পৃক্ততার কারণেই নাম সর্বস্ব বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ঋণ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংসদ ভবনের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে পরামর্শ

দেশের খবর: সংসদ সদস্য, সদস্য ভবন ও সংসদ ভবনের নিরাপত্তা রক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে জাতীয় সংসদের সংসদ কমিটির সভায় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সংসদ ভবনে বৃহস্পতিবার কমিটির সভাপতি চিফ হুইপ আ. স. ম ফিরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সার্জেন্ট অ্যাট আর্মসকে এ ব্যাপারে পরামর্শ দিয়ে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।
কমিটির সদস্য মো. তাজুল ইসলাম চৌধুরী, নূর-ই-আলম চৌধুরী, মোছা. মাহাবুব আরা বেগম গিনি, পঞ্চানন বিশ্বাস, তালুকদার মো. ইউনুস এবং নাজমুল হক প্রধান অংশগ্রহণ করেন।
সভার শুরুতেই শোকের মাস আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যবৃন্দ, যারা ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট স্বাধীনতার পরাজিত শত্রু ও তাদের দেশি- বিদেশি দোসরদের ষড়যন্ত্রে ঘাতকের বুলেটে নির্মমভাবে নিহত হয়েছেন তাঁদের সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
সভায় কমিটির ১২তম বৈঠকের সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় জাতীয় সংসদের সার্বিক নিরাপত্তা, সংসদ সদস্যদের নিরাপত্তা, সদস্য ভবনের নিরাপত্তা, সদস্যদের জন্য সুযোগ-সুবিধা, সংসদ ভবনের পরিচ্ছন্নতা, সংসদ ভবনের বিভিন্ন পয়েন্টে ট্রাফিক নিয়োগের বাস্তব অবস্থা এবং পিডাব্লিউডি থেকে সংসদে যে সব কাজকর্ম করা হয় তার সার্বিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় সংসদের আশেপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে পিডাব্লিউডিকে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়।
এ ছাড়া সভায় সংসদ সদস্যদের নিকট আগত অতিথিরা যাতে জনে জনে সংসদ সদস্যদের কাছে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে দেখা করার অনুমতি নিতে না হয় সেজন্য বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের পথ খুঁজে বের করার পাশাপাশি আগত অতিথিদের সঠিকভাবে চেক করে প্রবেশের অনুমতি প্রদানে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
পাশাপাশি নির্ধারিত ব্যক্তির সঙ্গে আগত অতিথি দেখা করছেন কি না, সে বিষয়টি নিরাপত্তাকর্মীদের মাধ্যমে নিশ্চিত করার ওপর জোর দিতে সার্জেন্ট অ্যাট আর্মসকে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।
সভায় সংসদ সদস্য ও আগত অতিথিদের সংসদে যাতায়াতের সুবিধার্থে চন্দ্রিমা উদ্যান ও বিজয় সরণির কর্নারের গেটটি খোলা রাখার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সার্জেন্ট অ্রাট আর্মসকে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।
সভায় আসাদ গেট, মানিক মিয়া এভিনিউ গেট এবং মনিপুরিপাড়া গেট দিয়ে সংসদে ঢোকার সময় যাতে সহজভাবে ঢোকা যায় সেজন্য সার্বক্ষণিক ট্রাফিক পুলিশ নিয়োজিত রাখার ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়।
এ ছাড়া পিডাব্লিউডির কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে যেকোনো কাজ শুরুর আগে কমিটির সদস্যদের অবহিত রেখে কাজ শুরু করার সুপারিশ করা হয়। সভায় সংসদ সচিবালয়, পিডাব্লিউডি এবং বাংলাদেশ পুলিশ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনের আগে আরও আন্দোলনের আশঙ্কা ১৪ দলের

দেশের খবর: একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে আরও একাধিক আন্দোলনের আশঙ্কা করছে ক্ষমতাসীন ১৪ দলীয় জোটের শরিকরা। এ জন্য তারা সরকারকে সচেতন থাকার পাশাপাশি এ ধরনের পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার আহ্বান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) তোপখানা রোডে ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ আহ্বান জানানো হয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন ছেড়ে ক্লাসরুমে ফিরে যাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানো হয়। তবে বৈঠকে শরিকরা মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত সড়ক পরিবহন আইন নিয়ে তাদের ক্ষোভের কথা জানায়। আইনে সর্বনিম্ন শাস্তি উল্লেখ না থাকাসহ বেশ কিছু বিষয়ে অস্পষ্টতা থাকার কথাও বলে শরিকরা। তারা আইনটি চূড়ান্ত করার আগে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেয়। বৈঠকে শিক্ষার্থীদের প্রতিশ্রুতি ৯ দফা দাবি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়েও আলোচনা হয়।
১৪ দলের আগের বৈঠকের মতো বৃহস্পতিবারের বৈঠকেও নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের কঠোর সমালোচনা করা হয়। গাড়ির চালকসহ পরিবহন শ্রমিকদের বেপরোয়া হওয়ার জন্য তারা পরোক্ষভাবে নৌমন্ত্রীকেই দায়ী করে। চালক হওয়ার জন্য ‘গরু-ছাগল-মানুষ আর রাস্তা চিনলেই হয়’ নৌমন্ত্রীর এই বক্তব্য উদ্ধৃত করে শরিক দলের এক সদস্য বৈঠকে বলেন, ‘এ ধরনের বক্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই পরিবহন শ্রমিকরা আশকারা পেয়ে যায়।’
সূত্র জানায়, বৈঠকে জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম, জাসদ সভাপতি শরিফ নুরুল আম্বিয়া ও কমিউনিস্ট কেন্দ্রের আহ্বায়ক ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান নির্বাচনের আগে আরও আন্দোলনের আশঙ্কা করেন। গার্মেন্ট শ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন কাঠামো, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি ও কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তারা বলেন, ‘গার্মেন্ট শ্রমিকদের বেতনের দাবি নিয়ে সরকারকে নির্লিপ্ত মনে হচ্ছে। সরকারের প্রতিশ্রুতিতে এমপিওভুক্তি ও কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা ঘরে ফিরে গেলেও তারা আউটপুট না পেলে, আবারও রাজপথে নামতে পারে। আর সুযোগ সন্ধানীরা এসব ইস্যু কাজে লাগাতে পারে। নির্বাচনের আগে সরকারকে এসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। কেবল প্রশাসনিক ভাবে না করে এইসব বিষয়গুলো রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে হবে।
বৈঠকের সভাপতি ও ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য আনিসুর রহমান মল্লিক বলেন, ‘বৈঠকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রস্তাবিত আইন নিয়ে শরিকরা কিছু অস্পষ্টতার কথা বলেছে।’
তিনি বলেন, ‘বৈঠকে গার্মেন্ট শ্রমিকদের বেতন, শিক্ষকদের এমপিওসহ বার্নিং ইস্যু দ্রুত সমাধান করার জন্য সরকারকে প্রস্তাব করা হয়েছে।
বৈঠকের পরে ১৪ দলীয় জোটের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম সড়কে আর নৈরাজ্য সহ্য করা হবে না ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে।বিআরটিএ’র অবহেলা আর দেখতে চায় না জাতি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে নাসিম বলেন, ‘লাইসেন্স আর ফিটনেস ছাড়া কোনও গাড়ি যেন সড়কে চলতে না পারে, ট্রাফিক পুলিশকে সেই নির্দেশ দিতে হবে।’ মন্ত্রী এমপি যে-ই হোক, গাড়ির কাগজ না থাকলে কাউকে ছাড় দেওয়া যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন নাসিম। তিনি বলেন, ‘বাস মালিক শ্রমিকদেরকে প্রয়োজনে জেলে ঢোকাতে হবে।’
আনিসুর রহমান মল্লিকের সভাপতিত্বে বৈঠকে অন্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, উপদফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া প্রমুখ অংশ নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় শিক্ষার্থীদের দাবী মেনে নেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে মিছিল

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো : নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা আইন মন্ত্রী সভায় পাশ করা এবং শিক্ষার্থীদের দাবী মেনে নেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে দেবহাটার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে বৃহষ্পতিবার সকালে মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১০ টায় সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আয়োজনে সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আঃলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসেন রতনের নেতৃত্বে একটি শুভেচ্ছা মিছিল সখিপুরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে। এসময় অন্যান্যের মধ্যে স্কুলের প্রধান শিক্ষক শেখ তহিরুজ্জামান, সহকারী প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন, সাংবাদিক কে.এম রেজাউল করিম, শিক্ষকদের মধ্যে ইয়াকুব আলী, মোসলেমা খাতুন, রেকসোনা তরফদার, অর্নব রায়, শাহনেওয়াজ আলী, আলমগীর কবির, আবু মুসা, ফারুক হোসেন, শেখ তহিদুজ্জামান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া দেবহাটা কলেজে অনুরুপ এক শুভেচ্ছা মিছিল দেবহাটার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে। এসময় অধ্যক্ষ আনিসুজ্জামান কালাম, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আনোয়ারুল হক, সহকারী অধ্যাপক ইয়াছিন আলী, সহকারী অধ্যাপক আকবর আলী, সহকারী অধ্যাপক নাসির উদ্দীন, সহকারী অধ্যাপক জাফর ইকবাল, সহকারী অধ্যাপক নাজিমউদ্দীন, সহকারী অধ্যাপক মির্জা মূহসীন আলী, সহকারী অধ্যাপক চঞ্চল দাশ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া দেবহাটা সরকারী বিবিএমপি ইনষ্টিটিউশন হাইস্কুলের আয়োজনে এক শুভেচ্ছা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল, সহকারী প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম, শিক্ষকদের মধ্যে সিদ্দিক আহমেদ মিঠু, ফজলু হোসেন, গৌৃর চন্দ্র পাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নাম ভাঙিয়ে কেউ যাতে কোনো সুবিধা নিতে না পারে

দেশের খবর: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের তার নাম ভাঙিয়ে কেউ যাতে কোথাও কোনো সুবিধা নিতে না পারে সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকার আহবান জানিয়েছেন।
আজ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহবান জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর আত্মীয়-স্বজন অথবা নিকটজন কিংবা পিএস, এপিএস ও দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিচয় দিয়ে এমনকি স্বাক্ষর নকল করে বিভিন্ন স্থানে আধাসরকারি পত্র (ডিও লেটার) প্রেরণ ও ভিজিটিং কার্ড ব্যবহার করে সচিবালয়/সরকারি অফিস বা অন্য কোথাও কোনো অনৈতিক বা অবৈধ সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনৈতিক ও অবৈধ সুবিধা প্রদান হতে বিরত থাকতে মন্ত্রী বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন।
এছাড়া আগামী ঈদ ও জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে কোন প্রকার উপঢৌকন বা উপহার পাঠিয়ে নিজেও বিব্রত না হওয়া এবং মন্ত্রীকে বিব্রত না করার জন্যও তিনি অনুরোধ জানান।
প্রকৃতপক্ষে, চাকরি প্রাপ্তি, বদলী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি সংক্রান্ত বিষয়ে মন্ত্রী কোনরূপ ডিওপত্র দেন না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এ সকল বিষয়ে কোনো ডিওপত্র পেলে তা মন্ত্রীর দপ্তর থেকে (টেলিফোন নম্বর: ০২-৯৫১৫৫৩৩) নিশ্চিত হওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এছাড়া এ অসাধু চক্রের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসমূহকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ইতোমধ্যে অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিসিএসসহ বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি, গ্রেপ্তার ৮

দেশের খবর: বিসিএস, ব্যাংকসহ বিভিন্ন ধরনের সরকারি চাকরির নিয়োগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে ডিজিটাল জালিয়াতির অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীতে সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানানো হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হচ্ছেন, গোপালগঞ্জের মো. ইব্রাহিম ও মো. হাসমত আলী সিকদার, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের মো. আইয়ুব আলী বাধন, সিরাজগঞ্জের সলঙ্গার মো. মোস্তফা কামাল, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের মো. মনোয়ার হোসেন, মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানের মো. নুরুল ইসলাম, ধানমণ্ডি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হোসনে আরা বেগম এবং অগ্রণী স্কুল ও কলেজ সহকারী শিক্ষক গোলাম মোহাম্মদ বাবুল।
সিআইডির ‘অর্গানাইজড ক্রাইমে’র বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মোল্যা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘একজনকে গ্রেপ্তার করেছি গত শুক্রবার। তাঁকে আমরা চার দিনের রিমান্ডে এনেছি। এই চক্রের নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছি। বাকি আটজনকে গতকাল গ্রেপ্তার করেছি বিভিন্ন সময়। আমরা জিজ্ঞাসাবাদে যেটা জানতে পেরেছি; বিসিএস কর্মকর্তা কয়েকজন পেয়েছি। আমরা ব্যাংক কর্মকর্তা কয়েকজন পেয়েছি। আমরা অন্যান্য সরকারি অফিসেও চাকরি করছেন এমন কয়েকজনকে পেয়েছি। আমরা গতকাল থেকে এ পর্যন্ত অনেক তথ্য জোগাড় করেছি। আমরা হয়তো আগামীতে তাঁদের রিমান্ডে এনে সুনির্দিষ্ট তথ্য আপনাদের দিতে পারব।’
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ভর্তি কিংবা নিয়োগ পরীক্ষায় মূলত দুভাবে জালিয়াতি হয়। একটি চক্র আগের রাতে প্রেস থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস করত। আরেকটি চক্র পরীক্ষা শুরুর কয়েক মিনিট আগে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে প্রশ্নপত্র নিয়ে দ্রুত তা সমাধান করে ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীকে সরবরাহ করত। আগের রাতে প্রেস থেকে প্রশ্নফাঁস চক্রের পুরো চক্র চিহ্নিত করা গেলেও ‘ডিভাইস চক্র’টি বাকি ছিল। এরপর ‘ডিভাইস চক্রে’র প্রধান বিকেএসপির সহকারী পরিচালক অলিপ কুমার বিশ্বাস গণমাধ্যমে নাম প্রকাশের পর গা ঢাকা দেয়।
প্রেস বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান যারা এনালগ পদ্ধতিতে প্রশ্নপ্রত্র ফাঁস করে থাকে তাদের আইনের আওতায় আনা যতটা সহজ ডিজিটাল পদ্ধতি অবলম্বনকারীদের আইনের আওতায় আনা ততটাই জটিল। এই চক্রটি গত কয়েক বছর ধরে লাখো তরুণের স্বপ্নের চাকরি বিসিএস পরীক্ষাতেও জালিয়াতি করে আসছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, পাঁচদিনের এক সাঁড়াশি অভিযানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ডিজিটাল ডিভাইস চক্রের ‘মাস্টার মাইন্ড’ বিকেএসপির সহকারী পরিচালক অলিপ কুমার বিশ্বাস, বিএডিসির সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল, ৩৬তম বিসিএসে নন ক্যাডার পদে সরকারি মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক হিসেবে সুপারিশ প্রাপ্ত ইব্রাহিম এবং ৩৮তম বিসিএসের প্রিলিতে উত্তীর্ণ আয়ুব আলী বাঁধনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি।
এ ছাড়া পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা শুরুর কয়েক মিনিট আগে প্রশ্নপত্র সরবরাহের অভিযোগে রাজধানীর অগ্রণী স্কুলের ইংরেজির শিক্ষক গোলাম মোহম্মদ বাবুল, অফিস সহায়ক (পিওন) আনোয়ার হোসেন মজুমদার এবং মো. নুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ছাড়া একই অভিযোগে ধানমণ্ডি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষক হোসনে আরা বেগম এবং পিওন হাসমত আলী শিকদারকে আটক করা হয়েছে। আটকের সময় হাসমতের কাছে ওই দিনের বিসিএস লিখিত পরীক্ষার কয়েক কপি প্রশ্নপত্র এবং ৬০ হাজার টাকা পাওয়া গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি

নিজস্ব প্রতিবেদক : বেতন-ভাতা না পাওয়ায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সদর হাসপাতালে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছে দ্বিতীয় ব্যাচের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। কর্মবিরতির দ্বিতীয় দিনে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে তারা মেডিকেল কলেজের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে। এদিকে তাদের কর্মবিরতিতে দূর্ভোগে পড়েছেন চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রুগীরা।
ইন্টার্ন চিকিৎসক নজরুল ইসলাম জানান, ইন্টার্ন চলাকালে তারা সরকারিভাবে ১৫ হাজার টাকা ভাতা পান। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অবহেলায় তারা দীর্ঘদিন বেতন না পেয়ে নিদারুণ অর্থকষ্টে রয়েছেন। বেতন-ভাতা না পাওয়া পর্যন্ত তারা কর্মবিরতি চালিয়ে যাবেন।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: ফরহাদ জামিল জানান, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতিতে স্বাস্থসেবায় সংকট আরো ঘনিভুত হয়েছে। তিনি সমস্যার সমাধানে কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বেতন না দেওয়ায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ থেকে ২০১৮ সালে পাশ করা ৪২ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest