সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

আজ রমিজ উদ্দিন কলেজকে ৫ বাস হস্তান্তর

দেশের খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রমিজ উদ্দিন কলেজকে পাঁচটি বাস দেওয়া হচ্ছে। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা সিএমএইচের বিপরীতে বাস পাঁচটি হস্তান্তর করা হবে।
বাসচাপায় রমিজ উদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে শিক্ষার্থী পরিবহনের জন্য এ বাস পাঁচটি দেওয়া হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, দুই বাসের প্রতিযোগিতায় রবিবার কুর্মিটোলায় বাসচাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়। এ ঘটনায় আহত হয় আরো বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাসচাপায় নিহত দুই শিক্ষার্থী দিয়া খানম মীম ও আবদুল করিমের পরিবারকে ২০ লাখ টাকা করে অনুদান দেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী রমিজ উদ্দিন কলেজকে পাঁচটি বাস দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিক্ষার্থীদের ঘরে ফেরাতে চতুর্মূখি পদক্ষেপ

দেশের খবর: সড়কে নিরাপত্তার দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থামাতে সরকারের পক্ষ থেকে নানা আশ্বাস দেওয়ার পরও শিক্ষার্থীরা রাজপথ ছাড়েনি। সহসা তারা ঘরে ফিরছে না, এটা ধরে নিয়ে সরকার কঠোর হতে যাচ্ছে। শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি সরকারের অনুরোধ ছিল, তারা সব দাবি মেনে নিয়েছে, এখন শিক্ষার্থীদের ঘরে ফেরাতে হবে।
বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থীর নিহতের প্রতিবাদে ঘাতক চালকের ফাঁসি নৌমন্ত্রী শাজাহান খানের পদত্যাগ এবং সহ ৯ দফা দাবিতে শুক্রবারও রাজপথে ছিল শিক্ষার্থীরা।রাজধানীর শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশে। এখন আর শুধু রাজধানীর সড়ক নয়, শিক্ষার্থীরা সারাদেশে নিরাপদ সড়ক চাইছে।
শিক্ষার্থীদের টানা পাঁচদিনের আন্দোলনে গত বৃহস্পতিবার সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকার বন্ধ ঘোষণা করলেও ছাত্রছাত্রীদের ঘরে আটকে রাখতে পারেনি। সবাই রাস্তায় নেমে গেলে অচল হয়ে পড়ে রাজধানী। শুক্রবারও শিক্ষার্থীরা রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় নেমে বিক্ষোভ করেছে।আগের মতোই এদিন শিক্ষার্থীরা রাজপথে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, যানবাহনের চালকদের লাইসেন্স পরীক্ষা করে। অভিনেতা অভিনেত্রীরা একাত্মতা প্রকাশের পর মানববন্ধন করেন।
ঢাকার বাইরে বিভিন্ন শহরেও শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে। আন্দোলনকারীরা শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে স্লোগান দেয়। তারা জানায়, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। অভিভাবকরা পরিবহন খাতের অব্যবস্থাপনা দ্রুত বন্ধের দাবি জানান। এদিন পরিবহন শ্রমিকরাও রাস্তায় নামেন। তারা গণপরিবহন চলাচলে বাধা দেন। এছাড়া শনিবার সকাল থেকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির (পরীক্ষা-ক্লাস বর্জন) পাশাপাশি সড়ক অবরোধেরও ঘোষণা দেয় আন্দোলনকারীরা। গণস্বাক্ষর সংগ্রহের কর্মসূচি ঘোষণার কথা ভাবছে শিক্ষার্থীরা।
এদিকে রাজধানীসহ সারাদেশে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ আন্দোলন দমনে কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে সরকার। নিরাপদ সড়কের দাবিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণে রেখেছে সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি কোন দিকে যাচ্ছে তার প্রতিও নজর রাখছে তারা।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে কোনো ধরনের বলপ্রয়োগ না করতে এখন পর্যন্ত সরকারি সিদ্ধান্ত রয়েছে। তবে সার্বিক পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিলে হালকা বল প্রয়োগের পাশাপাশি বিকল্প পদক্ষেপের বিষয়টিও সরকার চিন্তায় রেখেছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলন পুঁজি করে বিরোধীপক্ষ বা যে কোনো ধরনের স্বার্থান্বেষীমহল অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি সৃষ্টি করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে পারে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ভেতর সরকারবিরোধী বহিরাগতরা ঢুকে স্যাবোটাজ করতে পারে বলে সরকারের কাছে গোপন রিপোর্ট রয়েছে। যে কারণে চলমান আন্দোলনের ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছে সরকার। পুলিশসহ একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার পাশাপাশি ক্ষমতাসীন দলের নেতাদেরও আন্দোলন-পরিস্থিতির দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে বলা হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, শিক্ষার্থীর রাস্তায় অবস্থান নিয়ে লাইসেন্সবিহীন পুলিশের গাড়ি, মন্ত্রীর গাড়ী এবং সরকারের উচ্চ পর্যায়ের আরো কয়েকজনের গাড়ি আটক করে। মন্ত্রীকে পর্যন্ত গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে যেতে হয়েছে। লাইসেন্স না থাকায় সাধারণ মানুষের গাড়িও আটকে দেয় শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে পড়ে রাস্তায় গাড়ি নামায়নি পরিবহন সংস্থাগুলো। ফলে ভোগান্তিতে পড়েন রাজধানীর মানুষ। তারপরও রাজধানীর মানুষের এই আন্দোলনে সমর্থনের অভাব হয়নি। অনেক পায়ে হেঁটে বা অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে রিকশায় চলাচল করলেও আন্দোলনে সমর্থন দিচ্ছেন।
সাধারণ লোকদের কাছে এই আন্দোলন জনপ্রিয় হলেও সরকারের জন্য সৃষ্টি করেছে বিব্রতকর পরিস্থিতি। ফলে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে কঠোর হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেন। এ সময় আন্দোলন দমন করতে কঠোর হওয়ার সিদ্ধান্তে পুলিশের কর্মকর্তারা মতামত দেন।
ওই বৈঠক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে, তাতে কঠোর হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। শেষ বারের মতো সবাইকে সতর্ক করা হলো। এরপরও যদি আন্দোলনকারীরা সতর্ক না হয়, তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা ছাড়া উপায় থাকবে না।
সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক সূত্র জানায়, আগামী রবি ও সোমবার পর্যন্ত সরকার আন্দোলন-পরিস্থিতি নজরে রাখবে। এরপরই পরিস্থিতি বিবেচনায় কঠোর হওয়ার চিন্তা মাথায় রয়েছে। সেক্ষেত্রে আন্দোলনকারীদের রাজপথ থেকে হটাতে মৃদু কঠোরতা দেখাতে পারে।
সূত্র আরো জানায়, শিক্ষার্থীরা গত কয়েকদিন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে, বড়রা যা পারেনি ছোটরা তা করতে পেরেছে। তারা নিরাপদ সড়কের দাবিতে যেসব দাবি তুলেছে তা মানতে ইতোমধ্যে সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এবার শিক্ষার্থীরা ঘরে ফিরে পড়ালেখায় মনোযোগী হোক, এটাই এখন সরকারের চাওয়া। এজন্য সরকার বিভিন্ন স্কুল-কলেজ পরিচালনা পর্ষদকেও অনুরোধ করছে শিক্ষার্থীদের ঘরে এবং ক্লাসে ফিরিয়ে নিতে। তারপরও শিক্ষার্থীরা না ফিরলে বিকল্প পদক্ষেপগুলো নিয়ে ভাবছে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহল।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ভেতর বহিরাগতদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ইতোমধ্যে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেশের সব জেলার পুলিশ সুপার ও মহানগর পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করতেও বলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরিস্থিতি বুঝে ‘নরম গরম’ পদক্ষেপ

দেশের খবর: রাজপথের শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি অসহনীয় মাত্রায় সহিংস হয়ে উঠলে পরিস্থিতি বুঝে সীমিত পর্যায়ে কঠোর হবে সরকার। তবে কোনোভাবেই এখনই চূড়ান্ত শক্তি প্রয়োগ করা হবে না। বর্তমান বাস্তবতায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এই বার্তা দিতে চায় যে, বয়স যাই হোক না কেন আইন হাতে তুলে নেওয়া কারও জন্য মঙ্গলজনক নয়। আইন ভঙ্গ করলে সব বয়সের নাগরিকের জন্য সাজার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে সরকার চায় না কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে কোনো শক্ত গ্রুপ রাস্তায় দাঁড়াক। এতে পরিস্থিতি সহিংস হয়ে উঠতে পারে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়ার শঙ্কা রয়েছে। এরই মধ্যে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দপ্তর ও ডিএমপি কার্যালয় ও র‌্যাবের শীর্ষ কর্মকর্তারা দফায় দফায় বৈঠক করেছেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্নিষ্টরা চলতি সপ্তাহ থেকে ‘নরম-গরম’ পদক্ষেপ নেবেন বলে জানা গেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, সরকার প্রথম থেকেই শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। তবে এখন কেউ ছাত্রছাত্রীদের ব্যবহার করে রাস্তায় বিশৃঙ্খলা তৈরি করলে আমাদের বুঝেশুনে শক্ত হতে হবে। এরই মধ্যে এ ধরনের বার্তা দেওয়া হয়েছে।
দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে ঘিরে চলমান কর্মসূচিতে সরকার নানা হিসাব-নিকাশ করে চুপচাপ ছিল। রাস্তা অবরোধ করে কর্মসূচি পালন করলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো বাধা দেওয়া হয়নি। মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের সংযত হয়ে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সরকারও শুরু থেকেই দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনাটি দুঃখজনক বলে মন্তব্য করে আসছে। তবে পরবর্তীতে শত শত গাড়ি ভাংচুর ও জ্বালাও-পোড়াওকে ‘অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত’ বলে মনে করছেন তারা। দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় সহপাঠীরা জড়িতদের বিচার দাবিতে রাস্তায় দাঁড়ালে সরকারও তাদের প্রতি নানাভাবে সহমর্মিতা জানায়। তবে সময় পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে ‘সুযোগ সন্ধানী’ গোষ্ঠী যুক্ত হয়েছে বলে দাবি করছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা। নীতিনির্ধারকদের ভাবিয়ে তুলেছে রাস্তায় ভাংচুর ও জ্বালাও-পোড়াও এবং সরকারি স্থাপনায় হামলা চেষ্টার বিষয়টি। তারা মনে করছে, শিক্ষার্থীদের উস্কে দিয়ে রাজপথে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরির অপচেষ্টা করা হচ্ছে। পুলিশ-র‌্যাবসহ সরকারি সংস্থাকে ক্ষেপিয়ে তুলছে চাচ্ছে কেউ কেউ, যাতে তারা বলপ্রয়োগ করতে বাধ্য হয়।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে খুব বেশি সময় বাকি নেই। তাই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ব্যাপারে সরকার শুরু থেকে চুপচাপ ছিল। কিন্তু কর্মসূচি নিয়ে চলমান পরিস্থিতির ওপর গভীর নজর রাখা হচ্ছে।
জানা গেছে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এখন থেকে সড়কে সড়কে আরও বেশি দৃশ্যমান হবে। কেউ আইন হাতে তুলে নিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিত্যদিনের খাবার-সামগ্রী চলাচলে যাতে কোনো ব্যাঘাত না হয় সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। এ ছাড়া অতীতে বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে যারা রাজপথে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে তাদের ওপর নজরদারি বাড়ানো হবে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সব স্থাপনায় রাখা হয়েছে বাড়তি সতর্কতা।
এদিকে অনেক শিক্ষার্থী জানিয়েছে, আজ শনিবারও তারা রাস্তায় নামতে পারে। তবে তারা ভাংচুর-জ্বালাও-পোড়াও করতে চায় না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সড়কে থামেনি মৃত্যু : একদিনেই নিহত ১২

দেশের খবর: নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনের মধ্যেই রাজধানীসহ আট জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে শুক্রবার রাতে ঢাকার ধামরাইয়ে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। বেলা দেড়টার দিকে ঢাকার মগবাজারে বাসের চাপায় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হন।
টাঙ্গাইলের সখীপুরে পিকআপের ধাক্কায় দশম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থী নিহত হন। এ সময় ওই পিকআপের ১২ বছর বয়সী চালক মেয়েটিকে ইভটিজিং করছিল। তাকে উত্ত্যক্ত করতে গিয়েই সে তার গায়ে গাড়ি তুলে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে দ্বিতীয় শ্রেণীর এক ছাত্রী সিএনজি অটোরিকশা চাপায় নিহত হয়।
এ ছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, শেরপুর, নাটোর ও নারায়ণগঞ্জে অন্যরা নিহত হয়েছেন।
সাভার : প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, শুক্রবার রাত পৌনে ৮টার দিকে প্রায় ৩৫ জন যাত্রী নিয়ে সূর্যমুখী নামের একটি যাত্রীবাহী বাস আরিচার দিকে যাচ্ছিল। বাসটি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের জয়পুরা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা সেতু পরিবহনের ৪৫ জন যাত্রী বোঝাই অপর একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে ঘটনাস্থলেই দুই যানবাহনের চারজন মারা যান। এ ছাড়াও দুই বাসের আরও প্রায় ৩৫ জন যাত্রী আহত হন। তাদের উদ্ধার করে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পাঁচজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে দু’জনের নাম জানা গেছে, তারা হলেন- তপন মিয়া (৩০) ও মামুন মিয়া। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ অন্যদের পরিচয় জানাতে পারেনি।
ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুলফিকার হায়দার দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ধামরাই ফায়ার সার্ভিসের ওয়ার হাউজ ইন্সপেক্টর সাহেব আলী বলেন, ধামরাই ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠায়। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি সড়ক থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুলফিকার হায়দার বলেন, বাস দুটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক ও হেলপারের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
সখীপুর (টাঙ্গাইল) : শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে সখীপুর-সাগরদিঘি সড়কে উপজেলার বড়চওনা গ্রামের বেলতলী বাজারের পাশে একটি পিকআপ (ঢাকা মেট্রো-ন-১১-৮৯৪২) এসএসসি পরীক্ষার্থী সাদিয়া আক্তারকে ধাক্কা দেয়। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কালিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বড়চওনা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি লালমিয়া বলেন, সে আমার স্কুলের ছাত্রী ছিল। একটি অল্প বয়সী ছেলে পিকআপ চালাচ্ছিল। সে মেয়েটিকে ইভটিজিং করতে গিয়ে তার গায়ে গাড়ি তুলে দেয়।
উপজেলা বাস, কোচ ও মিনিবাস শ্রমিক সমিতির সভাপতি আবদুল হালিম সরকার লাল বলেন, এটি সড়ক দুর্ঘটনা নয়। ১২-১৩ বছরের একজন চালকের সহকারী পিকআপ চালানোর নামে তার বন্ধুদের নিয়ে ইভটিজিং করতে গিয়ে মেয়েটিকে হত্যা করেছে।
এদিকে সাদিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে তার সহপাঠীসহ শত শত শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনতা। তারা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে। নিহত সাদিয়া বড়চওনা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী ছিল। সে বড়চওনা ধলীপাড়া গ্রামের আজাহারুল ইসলামের মেয়ে।
সখীপুর থানার ওসি এসএম তুহীন আলী জানান, পিকআপটি আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘাতক চালককেও গ্রেফতার করা হয়েছে।
শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) : শ্রীনগরে সিএনজি চাপায় এক স্কুলছাত্রী নিহত হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা-দোহার সড়কের উপজেলার দামলা এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় স্কুলছাত্রী আরিফা আক্তারকে (৯) বেপরোয়া গতির একটি সিএনজি চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
আরিফা দামলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ছিল। সে দামলা গ্রামের খান বাড়ির মো. মনির হোসেনের মেয়ে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এলাকাবাসী ঘাতক সিএনজি আটক করে ও চালককে গণধোলাই দেয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ : মহাসড়ক নয় শহরের গলি রাস্তায় অটোরিকশার ধাক্কায় নিহত হয়েছে চার বছরের এক শিশু। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে শিশু সানজিদ শহরের হরিমোহন গাবতলা এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় একটি অটোরিকশা তাকে ধাক্কা দেয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত সানজিদ পৌর এলাকার স্কুল-কলেজ রোড মহল্লার তহুরুল ইসলামের ছেলে।
সিরাজগঞ্জ : রায়গঞ্জ উপজেলায় ট্রাকের চাপায় বেলাল হোসেন (৫৮) নামে এক ভ্যানচালক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সকালে হাটিকুমরুল-বগুড়া মহাসড়কের ভূইয়াগাঁতী কামারপাড়া ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত বেলাল উপজেলার ঘুড়কা বাজার এলাকার বাসিন্দা।
শেরপুর ও শ্রীবরদী : শ্রীবরদীর কিয়ামতলী এলাকায় বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে মোটরসাইকেল ও ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ট্রলি চালক ও অপর দুই মোটরসাইকেল আরোহী আহত হয়েছে। নিহতের নাম রবিউল ইসলাম (২৫)। তিনি নয়ানী শ্রীবরদী গ্রামের মিস্টার আলীর ছেলে।
আহত দুই মোটরসাইকেল আরোহী শিশু দিনা (১০) ও শ্রীবরদী সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী (৫০)। তাদের শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ট্রলি চালক আশারুকে (২৫) শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
বড়াইগ্রাম (নাটোর) : বড়াইগ্রাম উপজেলার রামাগাড়ী শাহপাড়া গ্রামে ইজি বাইকের ধাক্কায় জহুরুল ইসলাম শাহ (৫৫) নামে এক মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। নিহত জহুরুল রামাগাড়ি শাহপাড়া গ্রামের মৃত আফসার শাহের ছেলে।
বন্দর (নারায়ণগঞ্জ) : বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে শ্রমিক সিদ্দিক মিয়া কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। মিল গেট থেকে বের হয়ে সড়কে আসার পর একটি ট্রাক তাকে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নিহত শ্রমিকের মেয়ে সীমা আক্তার বন্দর থানায় এসে বিনা ময়নাতদন্তে লাশ দাফনের আবেদন জানালে মৃতদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিক্ষার্থীদের অশ্লীল স্লোগানকে অশোভন বললেন ওবায়দুল কাদের

দেশের খবর: যদি প্রশ্ন করা হয়, ‘গত পাঁচদিনে ঢাকা শহরে আপনি কী দৃশ্য দেখেছেন?’ শতভাগ মানুষ বলবেন, শিক্ষার্থীদের অনন্য সাধারণ সব উদ্যোগের কথা। তারা সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সরকার এবং প্রশাসনের উপর মহল পর্যন্ত সকলের গাড়ির লাইসেন্স এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করছে। তারা সড়ক পরিস্কার করছে। সড়কে সারি বেঁধে সুশৃঙ্খলভাবে গাড়ি চালাতে বাধ্য করছে। প্রচণ্ড ক্ষোভে গাড়ি ভাঙচুর করে সেই ভাঙা কাঁচের টুকরা রাস্তা থেকে নিজেরাই পরিস্কার করছে।

এই ছেলেরা আবার গুরুতর অসুস্থ রোগিকে পৌঁছে দিচ্ছে হাসপাতালে। রাস্তার মাঝে অসুস্থ হয়ে পড়া রিকশাচালককে নিজেরাই রিকশা চালিয়ে পৌঁছে দিচ্ছে হাসপাতালে।

‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনে রাস্তার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও সোচ্চার শিক্ষার্থীরা। একদিকে ‘মামা, লাইসেন্স আছে?’ ভিডিও যেমন ভাইরাল হচ্ছে, অন্যদিকে ‘ইমার্জেন্সি লেন’ তৈরির দৃশ্যও ভাইরাল হচ্ছে।

শুধু ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ প্লাকার্ড ধরে রাস্তায় বসে থাকা নয়; শিক্ষার্থীরা ‘যদি তুমি ভয় পাও তবে তুমি শেষ, যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবেই তুমি বাংলাদেশ’ প্লাকার্ড নিয়েও রাস্তায় দাঁড়াচ্ছে।

আবার অনেকের হাতে কিছু অশ্লীল ভাষা সম্বলিত প্লাকার্ড এবং সরকারবিরোধী স্লোগানও দিতে দেখা গেছে যেটা শোভনীয় নয় বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার (৩ আগস্ট) আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সঙ্গে এক যৌথসভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা অশ্লীল ভাষায় যেভাবে সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়, তা শোভনীয় নয়। কোনো অশুভ মহল হয়তো তাদের ওপর ভর করছে। কোথা থেকে খাবার এসেছে, কারা খাবার সরবরাহ করছে, তা আমাদের জানা আছে। কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে বিএনপি ও সাম্প্রদায়িক শক্তি ব্যর্থ হয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর ভর করে আন্দোলনকে উস্কে দিতে চায়।’

‘রাস্তায় গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের কারণে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় জনগণের দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। আশা করি শিগগিরই এই দুর্ভোগের অবসান হবে।’

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘সরকার শিক্ষার্থীদের সব দাবি মেনে নিয়েছে। সড়কের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, পরিচালনা কমিটির সদস্য ও অভিভাবকদের সহযোগিতা কামনা করছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোর বিষয়ে মনিটরিং করছেন এবং আগামী সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা আনতে নতুন আইনের খসড়া চূড়ান্ত করে আগামী সংসদ অধিবেশনে তা পাস করার জন্য উত্থাপন করা হবে।’

রাজনীতিক অশুভ তৎপরতার মাধ্যমে যাতে কেউ অরাজকতা সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান সড়ক পরিবহনমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ইয়ামাহ মটরসের কেককাটা ও আলোচনাসভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ইয়ামাহ মটরসের পক্ষ থেকে সাতক্ষীরায় কেককাটা ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে ইটাগাছাস্থ ইয়ামাহ শোরুমে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জাপান থেকে আগত ইয়ামাহ মটরসের সিনিয়র সুপারভাইজার কুমামোটো খিজিছি, সাতক্ষীরা ডিলার আবু নাসের মোঃ আবু সাঈদ, এসিআই মটরসের সেলম জিএম মোঃ শামীম আহমেদ, টিএম নাজিম উদ্দীন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রয়াত শেখ ইয়াকুব আলী’র স্মরণে দোয়া ও শোক সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক : বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের সাতক্ষীরা জেলার সহ-সভাপতি পৌর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর অন্যতম সদস্য দরদী ও ত্যাগী আওয়ামীলীগ সংগঠক প্রবীণ কৃষকনেতা সদ্য প্রয়াত শেখ ইয়াকুব আলী’র স্মরণে বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে গত ৩রা আগষ্ট শুক্রবার বিকাল ৪টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে দোয়া অনুষ্ঠান ও শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক ও সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি এড. আল মাহমুদ পলাশের সভাপতিত্বে ও জেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুর রাজ্জাকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক পিপি এডভোকেট ওসমান গনি, পৌর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আজগর আলী সরদার ও সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের শ্র ম বিষয়ক সম্পাদক এস এম আবুল কালাম আজাদ।
বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের যুগ্নসাধারণ সম্পাদক মোজাফ্ফার হোসেন খোকন, কুঠির শিল্প সম্পাদক মোছাক সরদার, সহসাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন, পৌর ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ আহমেদ, মরহুমের ছেলে শেখ আল আমিন হোসেন, সদর উপজেলা আহবায়ক এস এম জাহাঙ্গীর আলম, পৌর সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম, প্রাতিষ্ঠানিক শাখার সভাপতি মনোরঞ্জন বন্দোপধ্যায়, পৌর ৮নং ওয়ার্ডের সভাপতি আজিজুল ইসলাম, ফিংড়ি ইউনিয়ন আহবায়ক আওছান হাবিব, গোলাম এজদান প্রমুখ।
দোয়া অনুষ্ঠান ও শোক সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের জেলা সহ-সভাপতি ডাঃ এম এ তাহের, প্রচার সম্পাদক জামাল উদ্দীন বাদল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাইফুল আযম খান মামুন, মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক খায়রুজ্জামান বাবু, নির্বাহী সদস্য আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান লাভলু, মোঃ হাফিজ,আব্দুল বারি, আবুল হোসেন মোড়ল, আনারুল ইসলাম, রনি খান, ফরমান হোসেন, ইউছুফ গাইন, খায়রুজ্জামান, শামীম আহমেদ প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন পুরাতন কোট মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওঃ শেখ ফিরোজ হোসেন। এর পূর্বে তার নেতৃত্বে একদল হাফিজী ছাত্র পবিত্র কোরআন খতম করেন। সভায় মরহুম শেখ ইয়াকুব আলীর আতœার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি নজরুল ইসলাম বলেন, ইয়াকুব আলীর বিয়োগে সাতক্ষীরায় আওয়ামীলীগের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। তিনি সারাজীবন নিঃস্বার্থে আওয়ামীলীগের রাজনীতি করে গেছেন। বর্তমান সময়ে আওয়ামীলীগে ইয়াকুব আলীর মত ত্যাগী নেতার বড়ই প্রয়োজন। এসময় তিনি ইয়াকুব আলীর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মধুমল্লার ডাঙ্গী জামে মসজিদের দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাতক্ষীরা পৌরসভার খুলনারোডের পশ্চিমে বাস টার্মিনালের সন্নিকটে মধুমল্লার ডাঙ্গী জামে মসজিদের দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার বাদ জুম্মা এ কাজের উদ্বোধন করা হয়। এসময় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন করেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ জেলা শাখার সভাপতি রাশেদুজ্জামান রাশি, সদর উপজেলা কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মনিরুল হোসেন, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের পৌর সভাপতি মোঃ নুরুল হক, মসজিদের সভাপতি আলহাজ্ব মহসিন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আলী, সিনিয়র সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সাতক্ষীরা জেলা সহকারী ইউনিট কমান্ডার আনছারুজ্জামান, যুগ্ম সম্পাদক আমিনুর ইসলাম সেলিম, ক্যাশিয়ার আ: রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আক্তারুজ্জামান খান, দপ্তর সম্পাদক সোহরাব আলী শিকদার, ৪নং ঘোনা ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কার সিদ্দিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা কামরুজ্জামান বাবু সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। দোয়া পরিচালনা করেন মসজিদের ইমাম এসএম মামুনুর রশিদ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, আমি জনগনের কল্যাণে কাজ করি। নিজের কল্যাণের জন্য নয়। ব্যক্তিগতভাবে আমি একা নই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ জনগনের কল্যাণে কাজ করে। বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার। দেশের প্রতিটি অলিগলি উন্নয়ন হয়েছে। এই এলাকায় রাস্তা, বিদ্যুৎ, পানি সরবরাহের ড্রেন সহ বিভিন্ন সমস্যা আছে। সেটা আমরা সমাধান করার চেষ্টা করবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest