সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার সুন্দরবন রেঞ্জের ৬৮টি খালে বিভিন্ন মাত্রায় বিষ প্রয়োগের তথ্য গবেষণায় উঠে এসেছেসাংবাদিক হাফিজুর রহমানের মায়ের ইন্তেকাল,প্রেসক্লাবের শোকঅসুস্থ ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আমিরুল ইসলামকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন জেলা কৃষক দল নেতা রবিতালার ধানদিয়ায় ত্রাস সৃষ্টি করে ২লক্ষ টাকা মূল্যের গাছ কাটার অভিযোগসাতক্ষীরা জেলা জাসদের আলোচনাসভা ও সম্মেলনসাতক্ষীরায় একই পরিবারের চার সদস্যকে অজ্ঞান করে সোনার গহনাসহ সাত লাখ টাকার মালামাল চুরিজাকারিয়া হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন: এক সপ্তাহের আলটিমেটামশনিবার নিউমার্কেট চত্বরে মানববন্ধন : জাকারিয়া হত্যার বিচার বাস্তবায়ন কমিটির সভাসব ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরসাতক্ষীরায় কলেজ ছাত্র জাকারিয়া হত্যায় গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ ও শিপন ৫ দিনের রিমাণ্ডে

খাবারের সঠিক পুষ্টি পেতে কয়েকটি পন্থা

অনলাইন ডেস্ক: রান্নার পদ্ধতির কারণে খাবার পুষ্টিগুণ হারায়। তাই খাবার থেকে সঠিক পুষ্টি পেতে কয়েকটি পন্থা জেনে রাখা প্রয়োজন।
পুষ্টিবিজ্ঞানে কাঁচা-খাবারকে সবচাইতে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কারণ প্রচলিত রান্নার পদ্ধতি যেমন- ভাজা বা বেইক করার কারণে খাদ্যের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়।
ভারতীয় রেস্তোরাঁ বিষয়ক অ্যাপ ‘আপলোড ফুডি’য়ের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা যোগেশ ঘোরপাড়ে এবং ভারতীয় চিকিৎসাকেন্দ্র ‘মমস্প্রেসো’র পুষ্টিবিদ আস্থা জেসিকা খাবারের পুষ্টিগুণ ধরে রাখার উপায়গুলো জানিয়েছেন।

* মাছ, মাংস ডিম এবং ফলের পুষ্টিগুণ ধরে রাখার ক্ষেত্রে পোচ করা একটি চমৎকার উপায়। চুলায় অল্প পানিতে খাবারটিকে এমনভাবে ছেড়ে দিতে হবে যেন তা আর্দ্রতা এবং পুষ্টিগুণ ধরে রাখতে পারে। যেহেতু পানি খাবারে কোনো বাড়তি চর্বি যোগ করতে পারে না, তাই এই উপায় বেশ স্বাস্থ্যকর।

* ফল কিংবা সবজির রস তৈরির সময় তা চিপে বের করা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করার চাইতে ভালো। কারণ চিপে রস বের করলে ফল বা সবজিটির সকল আঁশজাতীয় উপাদান ফেলে দিয়ে শুধু মিষ্টি রসটুকু রাখা হয়। তবে ব্লেন্ড করলে পুরো খাবারটাই আপনার পেটে যাবে।

* বেশিরভাগ ফল ও সবজির খোসাতেই পুষ্টি থাকে বেশি। তাই এগুলো যতটা সম্ভব খোসাসহ খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। আর রান্নার সময় এদের পুষ্টিগুণ ধরে রাখতে খোসাসহ সিদ্ধ, গ্রিল কিংবা পোচ করতে হবে। তবে আগে ফল কিংবা সবজি ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

* খাবার সবচাইতে কমমাত্রায় পুষ্টিগুণ হারায় গ্রিল করলে। সঙ্গে গলে যায় চর্বি। গ্রিলের প্রচণ্ড তাপ খাবারের তেল বা আর্দ্রতা খাবারেই আটকে রাখে। ফলে বাড়তি তেল বা মাখন দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। আবার সবজিও সবচাইতে বেশি পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ ধরে রাখতে পারে এই পদ্ধতিতেই।

* খাবার সিদ্ধ করার পর পানিটুকু ফেলে না দিয়ে পরে ব্যবহারের জন্য রেখে দিতে পারেন। কারণ সিদ্ধ করার সময় অনেকটা পুষ্টি উপাদান এই পানিতে মিশে যায়। আর সিদ্ধ করা উচিত ঢাকনাওয়ালা পাত্রে, প্রেশার কুকার হলে সবচাইতে ভালো হয়।

* ফল ও সবজি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ না করে যতটা সম্ভব তাজা থাকতেই খেয়ে ফেলা উচিত।

* যতটা সম্ভব টাটকা রান্না করা খাবার খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। পাশাপাশি খাবার পুনরায় গরম না করাই ভালো। কারণ এতে খাবারের পুষ্টিগুণের রাসায়নিক গঠন নষ্ট হয়ে যায়।

* ফল ও সবজি কাটার আগেই ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। কাটার পর ধুলে পুষ্টিগুণও অনেকটা ধুয়ে যায়।

* উচ্চ তাপমাত্রায় ক্ষতিকর জৈবরাসায়নিক পদার্থ কর্মক্ষম হয়। তাই ভালো উপায় হল আগে গরম করা পাত্রে কিংবা সিদ্ধ করার সময় ফুটন্ত পানিতে খাবার গরম করা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুস্বাদু পাম্পকিন স্যুপ

রেসিপি: পাম্পকিন বা মিষ্টিকুমড়ার গুণ অনেক। এতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’। এটি আমাদের চোখের জন্য উপকারী। পাম্পকিন স্যুপের সঙ্গে আমরা অনেকেই হয়তো পরিচিত নই। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যে এর প্রচলন বেশি। আমরা সাধারণত সবজি হিসেবেই মিষ্টিকুমড়া বেশি খেয়ে থাকি। তবে যাঁরা স্যুপ খেতে ভালোবাসেন, তাঁরা খেয়ে দেখতে পারেন। খেতে ভালো লাগবে।

উপকরণ
• মিষ্টিকুমড়া খোসা ছাড়ানো দুই কাপ
• দুধ হালকা গরম তিন কাপ
• মাখন এক টেবিল চামচ
• চিনি বা গুড় এক থেকে দুই টেবিল চামচ
• চিকেন/বিফ আধা কাপ
• জাফরান তিন থেকে চার রেণু
• দারুচিনি গুঁড়া
• জয়ফল গুঁড়া
• ক্রিম এক টেবিল চামচ
• লবণ পরিমাণমতো

প্রস্তুত প্রণালি
পাকা মিষ্টিকুমড়া খোসা ছাড়িয়ে অল্প পানিতে সিদ্ধ করে দুই কাপ নিন। দুধের সঙ্গে মাখন, স্বাদমতো চিনি, লবণ মেশান। মিষ্টিকুমড়া ও বাকি সব উপকরণ মিশিয়ে চুলায় দিয়ে নেড়ে নেড়ে গরম করুন। ফুটে ওঠার আগেই নামান। সঙ্গে সঙ্গে ক্রিম দিয়ে পরিবেশন করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনী প্রচারণার সময় প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে ছুরিকাঘাত

বিদেশের খবর: রাজিলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জায়ের বোলসোনারো নির্বাচনী প্রচারণাকালে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রিও ডি জেনিরো থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে জুইজ ডি ফোরা শহরে এ ঘটনা ঘটেছে।
বিবিসি জানায়, একটি ক্যানসার হাসপাতালে প্রচারণা চলাকালে হঠাৎ এক ব্যক্তি ছুরি দিয়ে কট্টরপন্থী দলের প্রার্থী বোলসোনারোর তলপেটে আঘাত করে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর কর্মী-সমর্থকরা তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নেন।
ব্রাজিলের পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তার পরিচয় জানা যায়নি।
এ নিয়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট দিলমা রৌসেফ বলেছেন, হামলাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হতে হবে, যাতে আর কোনো প্রার্থীর ওপর এমন হামলার ঘটনা না ঘটে।
সাবেক সেনা কর্মকর্তা বোলসোনারো এর আগে বেশ কিছু বক্তৃতার মাধ্যমে বিতর্কের জন্ম দেন। তিনি কিছুদিন আগে বলেন, নারী-পুরুষের সমান মজুরি পাওয়ার সুযোগ নেই, কারণ নারীরা গর্ভবতী হয়।
দেশটিতে আগামী ৭ অক্টোবর প্রথম দফায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করার কথা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জার্মানির বিপক্ষে স্বস্তির ড্র ফ্রান্সের

খেলার খবর: উয়েফা নেশন্স লিগের অভিষেক আসরের উদ্বোধনী দিনে গতবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানির বিপক্ষে স্বস্তির ড্রয়ে মাঠ ছেড়েছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। একের পর এক আক্রমণ সামলাতে কোণঠাসা হয়ে পড়া দিদিয়ে দেশমের দল গোলরক্ষক আলফুঁস আরিওলার অসাধারণ নৈপুণ্যে এই ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে বায়ার্ন মিউনিখের মাঠ আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় ম্যাচের শুরু থেকেই একচেটিয়া আধিপত্য ছিল জার্মানির। ৩৫তম মিনিটে প্রথম সুযোগটিও পায় তারা। কিন্তু টনি ক্রুসের কর্নারে অ্যান্টোনিও রুডিগার ফ্লিক করার পর ফাঁকায় বল পেয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেন বায়ার্ন মিউনিখ ডিফেন্ডার মাটস হুমেলস। পরে নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে বিরতির আগে কয়েক মিনিটের ব্যবধানে দুটি সুযোগ পায় ফ্রান্স। কিন্তু অলিভিয়ে জিরুদের পর কিলিয়ান এমবাপেও সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন।
দ্বিতীয়ার্ধের ৬৪তম মিনিটে অঁতোয়ান গ্রিজমানের বুলেট গতির শট ঝাঁপিয়ে ঠেকান মানুয়েল নয়ার। পরের মিনিটে মার্কো রয়েসের ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে নেওয়া শট ঠেকিয়ে ফ্রান্সের ত্রাতা গোলরক্ষক আরিওলা।
খানিক পর একের পর এক আক্রমণে অতিথিদের কোণঠাসা করে ফেলে জার্মানি। টানা কয়েক মিনিটে দারুণ কয়েকটি সুযোগও তৈরি করে তারা; কিন্তু তাদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ান আরিওলা।
৭৩তম মিনিটে হুমলেসর জোরালো শট গোলরক্ষক রুখে দেওয়ার পর লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেন ইলকাই গিনদোয়ান। আর টমাস মুলারের দূরপাল্লার শট কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন পিএসজি গোলরক্ষক আরিওলা। ৭৭তম মিনিটে আবারও গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় রক্ষা পায় ফ্রান্স। প্রতিপক্ষের আরেকটি প্রচেষ্টা ডানদিকে ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন তিনি। এতে স্বস্তির ১ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভূতের সাথে শারীরিক সম্পর্ক

অনলাইন ডেস্ক: মানুষের সাথে মানুষের প্রেম, বিয়ে বা যৌনতা তো স্বাভাবিক ঘটনা কিন্তু যদি এমন হয় যে, এক নারী ভূতের সাথে শারীরিকভাবে মিলিত হচ্ছেন, তাহলে কেমন লাগবে আপনার? নিশ্চয়ই কৌতুহল হচ্ছে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে জানার। চলুন, আর দেরি না করে জানা যাক বিস্তারিত ঘটনাটি।

এগারো বছর আগের ঘটনা। যুক্তরাজ্যে ‘অ্যামেথিস্ট রিয়াম’ নামের এক নারী তার ছেলে বন্ধুদের সাথে যাবতীয় সম্পর্কের ইতি টানলেন হঠাৎ করে! কারণ হিসেবে উল্লেখ করলেন, ‘তিনি বর্তমানে অদৃশ্য কিছুর সাথে সিরিয়াস রিলেশানে জড়িয়ে পড়েছেন; আর একসাথে পরিবার গঠনেরও চেষ্টা করছেন।’
অ্যামেথিস্ট ছিলেন মূলত পেশাদার কাউন্সেলিং এক্সপার্ট। তবে তিরিশ বছরের জীবনে, গত একদশকে অন্তত বিশবার ভূত-প্রেতের সাথে শারীরিকভাবে মিলিত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়া সফরেও নাকি সঙ্গী হিসেবে ছিলেন তার বহুদিনের অশরীরি প্রেমিক। অস্ট্রেলিয়া থেকে যুক্তরাজ্যে ফিরে আসার ছয় মাস পরও তার এই সম্পর্ক নাকি অক্ষুন্ন রয়েছে বলেও জানান অ্যামেথিস্ট। বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি উল্লেখ করেন, ‘একদিন প্রকৃতির রাজ্যে ঘুরে বেড়ানোর সময় আকস্মিকভাবে একটা কিছু আমার উপরে ভর করে। আমি বুঝতে পারি আগের চেয়ে আমার শক্তি বেড়ে গেছে। অর্থাৎ, নতুন এক প্রেমিকের উদ্ভব ঘটেছে জীবনে।
এরপর আমরা দু’জনে এ সম্পর্ক নিয়ে বেশ সিরিয়াস হয়ে পড়ি। এমনকি আমাদের ভৌতিক বাচ্চা কিভাবে আসবে তা নিয়েও ভাবতে শুরু করি। আমি জানি হয়তো এগুলো উদ্ভট শোনাচ্ছে; কিন্তু তারপরও আমি এটা নিয়ে আছি। হয়তো অনেক প্রশ্ন থাকতে পারে, তবে সে বিষয়ে আমার এ মুহুর্তে কিছু করার নেই।’

গত দশ বছরে এরকম যৌন মিলন ও ডেটিং এর বেশ কিছু অভিজ্ঞতা তার রয়েছে বলে জানান এই কাউন্সেলিং এক্সপার্ট। তবে এক্ষেত্রে সবাই প্রেগন্যান্ট হতে পারবে না। এরকম প্যারানরমাল সেক্সের ক্ষেত্রে প্রেগন্যান্ট হতে কিছু আলাদা বৈশিষ্ট্য অর্জন করতে হবে। তিনি সেই প্রক্রিয়াও নাকি চালিয়ে যাচ্ছেন তার ভৌতিক বাচ্চার জন্মদানের জন্য।
তো সবমিলিয়ে বেশ আজব এক ঘটনার জন্ম দিয়েছেন অ্যামেথিস্ট রিয়াম। ক্রিস্টোফার ফ্রেঞ্চ নামে এক মনোবিদ এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তার মতে, ‘ঘুমের মাধ্যমে মানুষের এরকম অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ আছে। সেসময় নিজের মনোদৈহিক অবস্থা এমন পর্যায়ে উন্নতি হয় যে অবদমিত কামনা, বাসনা এবং যৌনতা মিলিয়ে মস্তিষ্ক একটা বিচিত্র পরিবেশের মধ্যে থাকে। সেসময় মানুষ মনে করতে পারে যে, সে ভূতের সাথে যৌনতার সম্পর্ক স্থাপন করছে।’ অ্যামেথিস্ট রিয়ামের ক্ষেত্রে বিষয়টি তার ঘুমের মাধ্যমে বা মেডিটেশনের প্রক্রিয়ায় হতে পারে বলে যৌক্তিকতা দেখিয়েছেন সেই মনোবিদ। প্রকৃত সত্য কি, সেটা যাচাই করার মত উপায় অবশ্য আমাদের হাতে নেই। সূত্র: অডিটিসেন্ট্রাল ডটকম

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘নখকুনি’ সমস্যা নিরাময়ের উপায়

অনলাইন ডেস্ক: বেকায়দাভাবে যখন নখ বৃদ্ধি পায় এবং নখ নিচের মাংসের ভেতর ঢুকে যায় তখন নখের কোণায় প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হয়। এই সমস্যাকে ‘নখের কোনা ওঠা’ বলা হয়। হাতের নখের থেকে পায়ের নখে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। কারণ পায়ের নখে তুলনামূলকভাবে ধুলো, বালি, ময়লা, ঘাম, পানি বেশি লাগে। ফলে নখের কোনে ইনফেকশন দেখা দেয়। কখনো কখনো ব্যথার সঙ্গে হলুদ পুঁজও দেখা যায়।

নখের কোনা ওঠার প্রথম চিকিত্সা হলো নখের যে বাড়তি অংশের জন্য ব্যথা হচ্ছে সেই অংশটুকু কেটে ফেলতে হবে। তাহলে ব্যথা সঙ্গে সঙ্গে কমে যাবে। যদি নখের কোনায় পুঁজ জমে থাকে তাহলে টপিকাল এন্টিবায়োটিক লাগাতে হবে অথবা ওরাল এন্টিবায়োটিক সেবন করতে হবে। তবে ইনফেকশন হয়ে গেলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

এছাড়াও হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, এন্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান, জীবাণুনাশক দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। তবে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম উপায়। তাই নখ সব সময় সোজাভাবে কাটতে হবে, পায়ের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে, বাইরে থেকে আসার পর পা ও হাত ভালোভাবে পানি দিয়ে পরিষ্কার করে মুছে ফেলতে হবে, পরিষ্কার জুতা ও মুজা পড়তে হবে, আরামদায়ক ও পায়ের মাপ মতো জুতা পড়তে হবে, প্রতিদিন গোসলের সময় পায়ের নিচের শক্ত চামড়া পরিষ্কার করতে হবে। তবে দীর্ঘ দিন নখের কোনা ওঠা সমস্যায় ভুগে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আইসিসিতেই বিচার হবে মিয়ানমারের

বিদেশের খবর: আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতের (আইসিসি) ঐতিহাসিক এক সিদ্ধান্তে রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার বাহিনীর সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত ও বিচারের পথ খুলেছে। আইসিসির ‘প্রি-ট্রায়াল চেম্বার-১’ গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এক যুগান্তকারী রায়ে বলেছেন, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বহিষ্কার করে বাংলাদেশে পাঠানোসহ অন্যান্য অভিযোগ আইসিসি তদন্ত করতে পারবে। ওই রায়েই আইসিসি তার প্রসিকিউটরকে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
এর ফলে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের হস্তক্ষেপ ছাড়াই রোহিঙ্গাদের ওপর সংঘটিত ভয়াবহ সব অপরাধের ন্যায়বিচারের সুযোগ সৃষ্টি হলো। আদালত সরাসরি গণহত্যা বা যুদ্ধাপরাধের মতো অপরাধের কথা উল্লেখ না করলেও আইসিসির রোম সংবিধির আওতায় বর্ণিত সব অপরাধ তদন্তের সুযোগ গত রাতের রায়ে দিয়েছেন।
বিচারক পিটার কোভাক্স, মার্ক পেরিন ডি ব্রিচামবুট ও রেনি অ্যাডিলেড সোফি অ্যালপিনি-গ্যানসুর সমন্বয়ে গঠিত আইসিসির প্রি-ট্রায়াল চেম্বার-১ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে ওই রায় দেন। বাংলাদেশ আইসিসির সদস্য হলেও মিয়ানমার নয়। মিয়ানমার থেকে উৎখাত হয়ে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার প্রেক্ষাপট আইসিসি তদন্ত করতে পারে কি না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত চেয়ে গত এপ্রিল মাসে আইসিসির প্রসিকিউটর ফেতু বেনসুদা আবেদন করেছিলেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশসহ অ্যামিকাস কিউরি ও প্রসিকিউটদের অভিমত ও ‘স্ট্যাটাস কনফারেন্স’ (শুনানি) শেষে আইসিসি গত রাতে ওই রায় দেন।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ আইসিসিকে তার পর্যবেক্ষণে বলেছিল, এ দেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর আদালতের পূর্ণ এখতিয়ার আছে। গত রাতে আদালতের রায়েও এমন পর্যবেক্ষণ দেখা গেছে।

আইসিসির প্রি[-ট্রায়াল চেম্বার-১ পর্যবেক্ষণে দেখতে পেয়েছে, আইসিসির প্রসিকিউটর ফেতু বেনসুদার ওই আবেদন আন্তর্জাতিক আইনের সুপ্রতিষ্ঠিত নীতি ‘লা কম্পিটেন্স ডি লা কম্পিটেন্স’-এর সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ। ওই নীতির আওতায় কোনো আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল তাঁর নিজস্ব বিচারিক এখতিয়ার নির্ধারণ করতে পারেন।
আদালত পর্যবেক্ষণে আরো বলেছেন, মিয়ানমার আইসিসিবিষয়ক সংবিধির পক্ষ না হওয়া সত্ত্বেও আদালতের আন্তর্জাতিক আইনি উদ্দেশ্য আছে। সংবিধি অনুযায়ীই আদালতের এখতিয়ার নির্ধারিত হবে।
প্রসিকিউটরের মূল অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে আইসিসির প্রি-ট্রায়াল চেম্বার-১-এর সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, প্রথমত, আইসিসির ৭(১)(ঘ) অনুচ্ছেদে দুটি আলাদা অপরাধ হিসেবে ‘জোরপূর্বক স্থানচ্যুতি’ ও ‘বহিষ্কারের’ কথা উল্লেখ আছে। দ্বিতীয়ত আইসিসি সংবিধির ১২(২)(ক) অনুচ্ছেদের আওতায় এর সদস্য কোনো রাষ্ট্রে যদি আইসিসি সংবিধির পঞ্চম অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ বা সেই অপরাধের কোনো অংশ সংঘটিত হয় তবে আইসিসি সেখানে বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে বহিষ্কারের মাধ্যমে তাদের ওপর মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হওয়ার অভিযোগে আইসিসির তদন্ত করার এখতিয়ার আছে বলে চেম্বার আদালত রায় দিয়েছেন। এর কারণ হিসেবে চেম্বার আদালত বলেছেন, ওই অপরাধের একটি অংশ (সীমান্ত পাড়ি দেওয়া) সংঘটিত হয়েছে এমন একটি ভূখণ্ডে যেটি (বাংলাদেশ) আইসিসির রোম সংবিধির পক্ষ।

আদালত আরো বলেছেন, আইসিসি তার সংবিধির পঞ্চম অনুচ্ছেদে বর্ণিত অন্য যেকোনো অপরাধ যেমন নিপীড়ন বা অন্য যেকোনো অমানবিক আচরণের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধের ক্ষেত্রে বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে।
চেম্বার আদালত আরো বলেছেন, প্রসিকিউটর রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর সংঘটিত অপরাধের প্রাথমিক তদন্ত চালিয়ে যাবেন এবং অবশ্যই আদালতের এই নির্দেশনা বাধ্যতামূলকভাবে অনুসরণ করবেন। এ প্রেক্ষাপটে আদালত আরো বলেছেন, যৌক্তিক সময়ের মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত অবশ্যই শেষ করতে হবে।
বিচারক মার্ক পেরিন ডি ব্রিচামবুট প্রক্রিয়াগত বিষয়ে এই রায়ের সঙ্গে কিছুটা ভিন্নমত পোষণ করেছেন। তাঁর মতে, ‘লা কম্পিটেন্স ডি লা কম্পিটেন্স’ নীতির আলোকে চেম্বার আদালত রায় দিতে পারেন না। তিনি মনে করেন, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে বহিষ্কারের অভিযোগের এই পর্যায়ে আদালত তার নিজের এখতিয়ার নির্ধারণ করতে পারেন না। তবে প্রসিকিউটর সংবিধির পঞ্চদশ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তদন্তের অনুমতি চেয়ে প্রি-ট্রায়াল চেম্বারে আবেদন করতে পারেন।
কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ে প্রসিকিউটরকে তদন্ত চালাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রসিকিউটর গত এপ্রিল মাসে তাঁর আবেদনে আইসিসিকে বলেছিলেন, তিনি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তদন্ত শুরু করতে পারতেন। কিন্তু তদন্তের জন্য বরাদ্দ সীমিত সম্পদ তিনি নষ্ট করতে চান না। এ কারণে আইসিসির এখতিয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হয়েই তিনি তদন্তে নামতে চান।

গত ২৭ আগস্ট জাতিসংঘের সত্যানুসন্ধানী দল মিয়ানমারের সেনাপ্রধানসহ শীর্ষ ছয় সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধ তদন্তে কাঠামো সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছে। ওই দলটির প্রতিবেদন আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে ওঠার কথা। এর আগেই গত রাতে আইসিসির তদন্তের সুযোগ সৃষ্টি করল।

অন্যদিকে মিয়ানমার দাবি করে আসছে, তারা আইসিসির সদস্য নয় বলে বিচারের সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তদন্তে অপরাধ প্রমাণ হলে মিয়ানমারের বিচার থেকে রেহাই নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জুভেন্টাসকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতাতে পারে রোনালদো

খেলার খবর: ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়ার খবরে চমকে উঠেছিলেন তিনিও। সমগ্র ফুটবল বিশ্বের মতই চির প্রতিদ্বন্দ্বীর তুরিন পাড়ি দেওয়ার ঘটনা স্তম্ভিত করেছিল তাকে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এমনটাই জানালেন লিওনেল মেসি। তবে রোনালদোর উপস্থিতিতে জুভেন্টাস এবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিততে পারে বলেও মনে করেন তিনি।

১০০ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে নতুন মৌসুমে জুভেন্টাসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন সিআরসেভেন। কিন্তু প্রথম দিকে এই ঘটনা একেবারেই মেনে নিতে পারেননি লিও। এমনকি সেই ঐতিহাসিক চুক্তি সম্পর্কে বলতে গিয়ে বার্সেলোনা তারকা জানিয়েছেন, ‘রোনালদোর ট্রান্সফার মাদ্রিদের জন্য যেমন ক্ষতি, তেমনই তার অন্তর্ভুক্তিতে জুভেন্তাস এবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের অন্যতম দাবিদার। রোনালদোর প্রস্থানে রিয়াল মাদ্রিদ দলটার ভারসাম্য নষ্ট হবে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে যার ফল ভুগতে হবে তাদের।’

গত তিনবারের ইউরোপ সেরা রিয়াল মাদ্রিদকে অন্যতম শক্তিশালী দল হিসেবে মানলেও মেসির সাফ বক্তব্য, জুভেন্টাস দলে এমনিতেই প্রতিভার অভাব নেই। তার উপর রোনালদোর উপস্থিতি নিশ্চিতিভাবে দলের শক্তি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেবে। তাই আমার মতে এবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জুভেন্টাস অন্যতম ফেভারিট দল।

লা লিগায় চির প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে তার প্রতিযোগীতা মিস করছে ফুটবলবিশ্ব। তবে তা নিয়ে বিশেষ ভাবতে রাজি নন এলএমটেন। বরং নেসি অনেক বেশি চিন্তিত ক্লাবগুলির রেকর্ড অঙ্কের চুক্তি বিষয়ে। ইউরোপের ক্লাবগুলিতে রেকর্ড বাজেটের ফুতবলার ট্রান্সফারের তালিকায় নতুন নাম ক্রিশ্চিয়ানো। এর আগে নেইমার, এমবাপে, কুটিনহোর মত ফুটবলাররা প্রত্যেকেই ১০০ মিলিয়ন ইউরোরও বেশি অর্থে অন্য ক্লাবে গিয়েছেন।

এ বিষয়ে মেসি জানিয়েছেন, গত কয়েক বছরে বদলেছে পরিস্থিতি। ক্লাবের মালিকেরা আগের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি অর্থের মালিক। বিরাট অঙ্কের প্রস্তাব নিয়ে বসে থাকে তারা। আর ফুটবলাররাও সেই বিরাট অঙ্কেই আকৃষ্ট হচ্ছেন। এই প্রসঙ্গে মেসি আরও জানিয়েছেন, ‘আগে বার্সেলোনা অথবা রিয়াল মাদ্রিদের মত সেরা ক্লাবগুলোতে খেলার জন্য মুখিয়ে থাকতেন ফুটবলাররা। কিন্তু বর্তমানে বদলেছে পরিস্থিতি। এখন ম্যাঞ্চেষ্টার, পিএসজি,বার্সেলোনা, বায়ার্ন কিংবা ইতালির ক্লাবগুলোর মধ্যে খুব একটা ফারাক নেই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest