সর্বশেষ সংবাদ-

হামলার প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

দেশের খবর: নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে রাজধানীর জিগাতলা ও সায়েন্স ল্যাব মোড়ে গত শনি ও রোববার সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন সাংবাদিকরা। সোমবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারায় অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে প্রায় ২০০ সাংবাদিক অংশ নেন।
এ সময় তাঁরা পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।
মানববন্ধনে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) একাংশের কোষাধ্যক্ষ দীপ আজাদ বলেন, গত কয়েকদিনের আন্দোলনে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় ১২ জন সাংবাদিককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। আমরা এসব ঘটনায় দায়ীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
দীপ আজাদ বলেন, আন্দোলনে গুজব ছড়িয়ে সহিংসতার দিকে ঠেলে দেওয়া ৩০ জনের নাম, পরিচয় ও ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। ঠিক তেমনিভাবে যারা সাংবাদিকদের ওপর হামলা করেছে তাদের নাম, পরিচয় ও ছবি প্রকাশ করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।
নাগরিক টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক দীপ আজাদ বলেন, হামলাকারীদের ছবি এরই মাঝে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়া আমাদের সাংবাদিকদের ক্যামেরা ও ভিডিও ফুটেজে আছে। তাই এদের চিহ্নিত করতে বেশি কষ্ট হবে না। আমরা চাই এসব হামলাকারীকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।
এই সাংবাদিক নেতা বলেন, আমরা আমাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করি। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ জনগণের কাছে তুলে ধরি। আমরা সরকার বা আন্দোলনকারী কারোই প্রতিপক্ষ নই। কিন্তু বারবারই আমাদের ওপর নগ্ন হামলা হচ্ছে। সরকারকে অবশ্যই এসব হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
মানববন্ধনে একাত্তর টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক শাকিল বলেন, বিশ্বের কোথাও যুদ্ধের ময়দানেও সাংবাদিকদের ওপর হামলা হয় না। কিন্তু ব্যতিক্রম বাংলাদেশ। এখানে যেকোনো পরিস্থিতিতে হামলার শিকার হয় সাংবাদিকরা। কিন্তু বারবারই এসব হামলাকারীরা পার পেয়ে যায়। আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই, অতি দ্রুত সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ আইন করা হোক। যাতে আর কেউ সাংবাদিকদের ওপর হামলার সাহস না করে। আর কখনো কেউ সাংবাদিকেদের ওপর হামলা করলে পুলিশ যেন নিজে বাদী হয়ে এর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে সেই বিধান রাখতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফটোসাংবাদিক শহিদুলকে রিমান্ডে চায় পুলিশ

দেশের খবর: আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে তথ্য-প্রযুক্তি আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে দশ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছে পুলিশ।
দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা শহিদুলকে সোমবার বিকালে ঢাকার হাকিম আদালতে হাজির করে গোয়েন্দা পরিদর্শক আরমান আলী রিমান্ডের এই আবেদন করেন।
এ বিষয়ে শুনানি হবে অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূরের আদালতে। বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে কড়া নিরাপত্তা ও পুলিশি পাহারার মধ্যে খালি পায়ে শহিদুলকে এজলাসের সামনে আনা হয়।
তার পক্ষে জামিন আবেদনের শুনানি করতে ব্যারিস্টার সারা হোসেন, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, অ্যাডভোকেট প্রকাশ রঞ্জন বিশ্বাস, জীবানন্দ চন্দ্র জয়ন্তসহ ১০-১২জন আইনজীবী আদালতে উপস্থিত আছেন।
পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা শহিদুল অধিকার আন্দোলনের সঙ্গেও যুক্ত। নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে গত শনি ও রোববার জিগাতলা এলাকায় সংঘর্ষের বিষয়ে কথা বলতে বেশ কয়েকবার ফেইসবুক লাইভে আসেন তিনি।
ওই আন্দোলনের বিষয়ে আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি সরকারের সমালোচনাও করেন। এরপর রোববার রাতে শহিদুল আলমকে তার ধানমণ্ডির বাসা থেকে উঠিয়ে নেওয়া হয় বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের জানানো হয়।
সোমবার সকালে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে ‘জিজ্ঞাসাবাদের জন্য’ তারা ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে গেছেন।
শহিদুলকে কেন আটক করা হয়েছে সে বিষয়ে পুলিশ শুরুতে স্পষ্ট কিছু না বললেও বিকালে মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান বলেন, তার বিরুদ্ধে রমনা থানায় একটি মামলা হয়েছে। ওই মামলায় তিনিই একমাত্র আসামি।
তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় করা এ মামলায় ‘কল্পনাপ্রসূত তথ্যের’ মাধ্যমে জনসাধারণের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে ‘মিথ্যা প্রচার’ চালানো, উসকানিমূলক তথ্য উপস্থাপন, সরকারকে ‘প্রশ্নবিদ্ধ ও অকার্যকর’ হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উপস্থাপন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ‘অবনতি ঘটিয়ে’ জনমনে ‘ভীতি ও সন্ত্রাস ছড়িয়ে’ দেওয়ার ষড়যন্ত্র এবং তা বাস্তবায়নে ইলেকট্রনিক বিন্যাসে ‘অপপ্রচারের’ অভিযোগ আনা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আইনে মামলা দীর্ঘায়িতের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী

দেশের খবর: সড়ক পরিবহন আইনের মামলা তদন্তে দুর্ঘটনা প্রমাণিত না হলে হত্যার উদ্দেশ্যে গাড়ি চালানো হয়েছে বলে মনে হলে ৩০২ ধারায় বিচার হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। আইনমন্ত্রী বলেন, এই আইনে মামলার বিচার দীর্ঘায়িত হওয়ার সুযোগ নেই, গুরুত্বপূর্ণ হলে তা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হবে। এছাড়া ৩০২ ধারায় মামলা হলে সর্বোচ্চ শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড। আর যদি তদন্তে মনে হয়, হত্যার উদ্দেশ্যে নয়, বেপরোয়া চালানোর কারণেই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তাহলে সড়ক পরিবহন আইনের ১০৩ ধারায় মামলা হবে। এই ধারায় সর্বোচ্চ ৫ বছর জেল, অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। এর আগে সর্বোচ্চ সাজা পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে সড়ক পরিবহন আইনের খসড়ায় অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা।
এছাড়া খসড়া সড়ক পরিবহন আইনে দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তি ও তার পরিবারকে সহায়তা দিতে একটি তহবিল গঠনের বিধান রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, কেউ যদি রেজিষ্ট্রেশন ছাড়া গাড়ি চালায়, তাহলে তাকে ৬ মাসের জেল ও ৫০ হাজার টাকা অথদণ্ড দেওয়া যাবে। অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে। ফিটনেস না থাকা মটরযান চালালে শাস্তি সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা করার প্রস্তাব করা হয়েছে এ আইনে। শাস্তি পাবে গাড়ির মালিক। গাড়ির চেচিচ বা আকার আকৃতির পরিবর্তন করলে ৩ বছরের কারাদণ্ড এবং ৩ লাখ টাকা অথদণ্ড কিংবা উভয দণ্ডে দণ্ডিত হবে। তবে কারাদণ্ড কখনই এক বছরের নিচে দেওয়া যাবে না।
সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ৷ বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম প্রেস ব্রিফিংয়ে এই অনুমোদনের কথা জানান। এরপর আইনটি সংসদের আগামী অধিবেশনে তোলা হবে পাসের জন্য৷ রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানী জুড়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে চূড়ান্ত অনুমোদন পেল আইনটি। দেড় বছর আগে খসড়াটি নীতিগত অনুমোদন দিয়েছিল মন্ত্রিসভা। এখন আইনটি পাসের জন্য সংসদের আগামী অধিবেশনে তোলা হবে৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই’

দেশের খবর: নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যারা এ আন্দোলনে ভয় পেয়েছেন, বিচলিত হয়েছেন তাদের দুর্বলচিত্তের লোক বলে অভিহিত করেছেন তিনি।
সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ‘সড়ক পরিবহন আইন’ অনুমোদন নিয়ে আলোচনার সময় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রসঙ্গটি উঠলে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে একাধিক মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়।
সূত্র জানায়, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়ক আন্দোলন নিয়ে কথা উঠলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এটা এমন কোনো আন্দোলন ছিল না যে এতো বিচলিত হতে হবে। আন্দোলন করতে গেলে রোদে পুড়তে হয়, বৃষ্টিতে ভিজতে হয়, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আন্দোলন করতে হয়। ঘাম ঝরাতে হয়। ওই রকম কোনো পরিস্থিতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে হয়নি। এতেই যারা বিচলিত হয়েছিলো তারা দুর্বল চিত্তের মানুষ। এতো দুর্বল চিত্তের মানুষ হলে চলে না। দুর্বল চিত্তের এই মানুষদের আমার সঙ্গে থাকার দরকার নেই, তারা না থাকাই ভালো।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এ আন্দোলনে অনেক বিভ্রান্তি ছাড়ানোর চেষ্টা হয়েছে। অনেকে ফেসবুকের মাধ্যমে নানা ধরনের মিথ্যা তথ্য ও বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। যাচাই না করেই কেউ কেউ এ ধরনের বিভ্রান্তিতে কান দিয়েছে। আসলে ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়িয়ে এ পরিস্থিতি করা হয়েছিল।এরকম প্রচারের জন্য ফেসবুকে এটা একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র আরও জানায়, সড়ক আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি ৫ বছর করা হয়েছে। এ সময় অনেকে সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছর করার পক্ষে মত দেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যেহেতু সবার সঙ্গে আলোচনা করে ৫ বছর সুপারিশ করা হয়েছে, ৫ বছরই থাক। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে এ আইনের অধীনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার বিধানও রাখা হয়েছে।
এদিকে সভায় ‘সুজন’ সম্পাদক বদিউল আলম মুজমদারের বাসায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতে মার্শা বার্নিকাটের গাড়িতে হামলার বিষয়টিও উঠে আসে। কেউ কেউ বিষয়টি নিয়ে কথা বললেও এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কোনও কথা বলেননি।
সূত্র আরও জানায়, সভায় সোমবার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিস্থিতি সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী সবাইকে অবহিত করেন। তিনি বলেন, আজ দেশের কোথাও ছাত্ররা রাস্তায় নামেনি। তবে শুনেছি রামপুরায় কিছু শিক্ষার্থী নেমেছে। অন্যত্র পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।
সভায় সড়ক পরিবহন বিভাগের সচিব নজরুল ইসলাম জানান, বিআরটিএ-তে রেজিস্ট্রেশনের সংখ্যা অধিক। কিন্তু লাইসেন্সের সংখ্যা কম। এ সময় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানানা, সরকার এক লাখ দক্ষ চালক তৈরি করছে। এডিবির সঙ্গে সরকার একটা চুক্তি করেছে। এ চুক্তির আওতায় এডিবি এক লাখ দক্ষ গাড়িচালক তৈরি করতে সহায়তা দেবে।
জানা যায়, সভায় গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এ প্রসঙ্গটি প্রথমে তোলেন। এ সময় তিনি বলেন, দেশে সড়কের কোনো রুটের হাইওয়েতে ওয়েট মেশিন নেই। শুধু আমাদের ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ওয়েট মেশিন বসানো হয়েছে। অন্য রুটগুলোতে ওয়েট মেশিন নেই কেন?
তখন সড়ক বিভাগের সচিব বলেছেন, সারা দেশে আরও ৪০টি হাইওয়েতে ওয়েট মেশিন বসানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছি।
সূত্র আরও জানায়, আলোচনার শেষ দিকে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর প্রশংসা করে বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা অনেক কমেছে। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী সড়ক তদারকি করায় এবং বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়ায় দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ, রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ

দেশের খবর: রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপের ঘটনা চলছে। সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা শুরু হয়। এরপর থেকে বসুন্ধরা এলাকার ভেতরে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এরমধ্যে বসুন্ধরা গেটের ভেতরে আটকে পড়া লোকজন সতর্কতার সঙ্গে বের হয়ে আসছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, বসুন্ধরা গেটের বাইরে বিভিন্ন জায়গায় তারা অবস্থান নিয়েছিল ছিল যেন কোনও বিশৃঙ্খলা না হয়। পরে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা করা হয়। পরে হামলাকারীরা বসুন্ধরার গেটের ভেতরে ঢুকে পড়লে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়। তবে কারা হামলা করেছে তা তারা এখনও জানেন না।
কিন্তু স্থানীয়দের ভাষ্য, নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটির ছাত্ররা ছোট ছোট মিছিল নিয়ে প্রথমে একত্রিত হয়। পরে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার গ্রামীণফোন অফিসের সামনে থেকে তারা পুলিশের ওপর প্রথমে হামলা চালায়। পরে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটির জনসংযোগ বিভাগের প্রধান বেলাল আহমেদ বলেন, ‘পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা ছাড়াও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও রয়েছে। আমাদের শিক্ষার্থীদের আমরা বোঝানোর চেষ্টা করছি। তারা কারও কথা মানছে না। এই ঘটনার কারণে আমরা নিজেরাও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘আন্দোলন সফল, ক্লাসে ফিরে যাচ্ছি’

দেশের খবর: টানা আটদিন রাজপথে অবস্থান কর্মসূচির অবসান ঘটিয়ে ক্লাসে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ৯ দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকার পদক্ষেপ নেওয়ায় আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেয়।
সোমবার (৬ আগস্ট) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আয়োজিত ‘নিরাপদ সড়ক ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনায় ঢাকার শীর্ষস্থানীয় সব স্কুল-কলেজসহ ৪২১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন। সেখান থেকে এ ঘোষণা আসে।
শিক্ষার্থীদের ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, তোমাদের যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নে আমাদের যতটুক করণীয় সেটা করবো, তোমরা ক্লাসে ফিরে যাও।
এসময় শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আজিমপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ঐশান্তি দাস ঐশী বলেন, আমরা নিরাপদ সড়ক চাই, এ জন্যই আমরা আন্দোলনে নেমেছিলাম। কিন্তু সেই দাবি আদায়ের আন্দোলন করতে গিয়ে দেখেছি পুলিশ তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে না। যাদের দায়িত্ব সড়ক শৃঙ্খলা ঠিক রাখা তারা যদি এটা না করেন কীভাবে নিরাপদ সড়ক হবে?
ওই শিক্ষার্থী আরও বলেন, আমাদের শিক্ষক ও অভিভাবকরা জানিয়েছেন, সরকার দাবি মেনে নিয়ে সেগুলো বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিয়েছেন। এক্ষেত্রে রাজপথে থাকার কোনো যৌক্তিকতা নেই, আমরা ক্লসে ফিরে যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিরাপদ সড়ক বিষয়ক আলাদা বিভাগ খোলার প্রস্তাব করছি। তাছাড়া নিরাপদ সড়কের জন্য আমাদের ব্যবহার করা যেতে পারে।
রাইফেলস পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী রুম্মান আহমেদ বলেন, আমাদের আন্দোলন সফল হয়েছে। সরকার আমাদের দাবি মেনে নিয়েছে। আমরা ক্লাসে ফিরে যাচ্ছি। সবাইকে ক্লাসে ফেরার জন্য আহ্বান জানাই। মেয়রের কাছে আমাদের অনুরোধ প্রত্যেক স্কুলের সামনে ট্রাফিক পুলিশের ব্যবস্থা করবেন।
স্কুল-কলেজের সামনে ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন জানিয়েঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন শিক্ষার্থীদের বলেন, তোমরা সফল। নিরাপদ সড়কের জন্য তোমার যা যা দাবি করেছে। সরকার প্রতিটি বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। এখন তোমাদের আবার পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফটোসাংবাদিক শহিদুল আলম ডিবি হেফাজতে

দেশের খবর: দৃক ফটোগ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা ও ফটো সাংবাদিক শহিদুল আলম ড. শহিদুল আলমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৬ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) ওবায়দুর রহমান জানান, শহিদুল আলমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

এর আগে রোববার (৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে তাকে ধানমন্ডির নিজ বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করে পরিবার ও দৃক গ্যালারি কর্তৃপক্ষ। ওই ঘটনায় তার পরিবার ধানমণ্ডি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।

ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়, রোববার রাতে শহিদুলের পরিবার সূত্রে জানা যায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা ধানমণ্ডির বাসা থেকে তাকে গাড়িতে করে তুলে নিয়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আর্জেন্টিনাকে ২-১ গোলে হারালো ভারত

খেলার খবর: অনুর্ধ্ব-২০ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে ভারতের তরুণরা। এর আগে ছয়বারের দেখায় প্রতিবারই পরাজিত হয় ভারত। অবশেষে তারা জয়ের দেখা পেল।

সোমবার খেলার শুরুতেই ভারতকে এগিয়ে দেন দিপক টাংরি। দ্বিতীয়ার্থের ৫০ মিনিটে ভারতকে ২-০ ব্যবধানের লিড এনে দেয় অনিকেত জাদভ। পরে একটি গোল পরিশোধ করে আর্জেন্টিনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest