সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শনব্রহ্মরাজপুরে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে জরিমানা – ৬ মাসের কারাদণ্ড

টানা বসে কাজ করলে শরীরে জটিল সব রোগ হতে পারে

স্বাস্থ্য কণিকা: আমাদের শরীরে এক জায়গয়া বসে থাকার জন্য তৈরি হয়নি। সে সব সময় সচল থাকবে এমনই হওয়া উচিত। কিন্তু এমনটা না করে আমরা কাজের জন্য হলেও বহুক্ষণ একভাবে কম্পিউটারের সামনে বসে থাকি। ফলে শরীরের স্বাভাবিক ছন্দ বিগড়ে যেতে শুরু করে। ফলে একে একে মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে একাধিক মারণ রোগ।
প্রসঙ্গত, একাধিক কেস স্ট্যাডি করে দেখা গেছে কেউ যদি দিনে মোট ১০ ঘণ্টা বসে থাকেন, তাহলে শরীরের যা ক্ষতি হয় তা ১ ঘণ্টা শরীরচর্চা করেও মেটানো যায় না। কিন্তু আজকালকার দিনে যে বেশিরভাগ মানুষকেই বসে কাজ করতে হয়। তাহলে কি তারা চাকরি ছেড়ে বাড়ি বসে থাকবেন? একদমই না। শুধু একটা কথা মাথায় রাখবেন। টানা বসে কাজ করবেন না। ২-৩ ঘন্টা কাজ করার পর কম করে ১০ মিনিট হেঁটে আসবেন। এমনটা নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর করতে থাকলেই দেখবেন আর কোনও সমস্যা হবে না। আর যদি এমনটা করতে না পারেন তাহলেই দেখা দেবে জটিল সব রোগ। যেমন…

১. হার্ট:
বসে থাকার সময় আমাদের শরীরে রক্তচলাচল খুব কমে যায়। ফলে দেহে জমে থাকা ফ্যাটের গলন কম পরিমাণে হতে থাকে। এতে ফ্যাটি অ্যাসিডের কারণে হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণে বেড়ে যায়। প্রসঙ্গত, আমেরিকান কলেজ অব কার্ডিওলজিতে প্রকাশিত এক গবেষণা পত্র অনুসারে যারা দিনে ১০ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় বসে কাজ করেন, তাদের হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা, যারা ৫ ঘণ্টার কম সময় বসে থাকেন, তাদের থেকে বেশি হয়। এর থেকে একটা কথাই প্রমাণ হয়ে যায় যে, বসে থাকা মানেই হার্টের ক্ষতি কিন্তু!

২. প্যানক্রিয়াস:
মাত্র একদিন বেশি সময় বসে থাকলেই ইনসুলিন ঠিক মতো কাজ করতে পারে না। তাহলে ভাবুন দিনের পর দিন দীর্ঘ সময় বসে কাজ করলে শরীরের কতটা ক্ষতি হয়। প্রসঙ্গত, একথা তো সকলেই জানেন যে ইনসুলিন যখন ঠিক মতো কাজ করতে পারে না, তখন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই তো বসে কাজ করলে এমন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। সম্প্রতি ডায়াবেটিলোজিয়াতে প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুসারে যারা দৈনিক ৮ ঘণ্টার বেশি সময় বসে কাজ করেন, তাদের ৯০ শতাংশেরই টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৩. কোলোন ক্যান্সার:
দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে কোলোন, ব্রেস্ট এবং এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। আসলে বেশি সময় বসে থাকলে শরীরে ইনসুলিনের উৎপাদন বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে বৃদ্ধি পায় কোষেদের জন্মহারও। ফলে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। এখানেই শেয নয়, দেহ সচল না থাকলে শরীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের মাত্রা কমে যায়। সেই কারণেও কিন্তু ক্যান্সার রোগের প্রকোপ বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকে। কারণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এই মারণ রোগকে আটকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৪. বদ হজম:
খাওয়ার পর পরই যদি বসে পরেন, তাহলে খাবার ঠিক মতো হজম হতে পারে না। ফলে বদ হজম এবং গ্যাস-অম্বল সহ একাধিক পেটের রোগ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়।

৫. মস্তিষ্কের ক্ষতি হয়:
বহুক্ষণ বসে কাজ করলে ব্রেন ফাংশনও ধিমে তালে হতে থাকে। সেই সঙ্গে মস্তিষ্কে কম পরিমাণ অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছানোর কারণে ব্রেন পাওয়ারও কমতে শুরু করে। ফলে এক সময়ে গিয়ে বুদ্ধি এবং স্মৃতিশক্তি উভয়ই কমে যায়।

৬. ঘাড়ে এবং কাঁধে যন্ত্রণা:
কম্পিউটারে কাজ করার সময় আমরা একটু সামনের দিকে ঝুঁকে যাই। ফলে শরীরের উপরিঅংশ, বিশেষত ঘাড় এবং কাঁধ, শরীরের নিচের অংশের থেকে এগিয়ে যায়। এমন পসচারে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে সেরিব্রাল ভাটিব্রার উপর মারাত্মক চাপ পরে। ফলে ঘাড়ে এবং কাঁধে যন্ত্রণা হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়।

৭. পিঠে ব্যথা:
বসে থাকার সময় শিরদাঁড়ার উপর মারাত্মক চাপ পরে। ফলে দীর্ঘ সময় বসে থাকলে পিঠে ব্যথা হওয়ার মতো রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। একাধিক কেস স্টাডি করে দেখা গেছে পিঠে ব্যথার কারণে যারা কষ্ট পাচ্ছেন, তাদের মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশেরই দীর্ঘ সময় বসে কাজ করার অভ্যাস রয়েছে। কী কী নিয়ম মানলে বসে কাজ করলেও কোনও রোগ হবে না? এক্ষেত্রে কতগুলি নিয়ম মেনে চললে দারুন উপকার পেতে পারেন। যেমন-
১. কাজের ফাঁক মাঝে মধ্যেই একটু হেঁটে নিন। একভাবে ২-৩ ঘণ্টার বেশি কাজ করা চলবে না।
২. লিফ্টের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার করুন।
৩. প্রতিদিন কিছুটা সময় হাঁটার চেষ্টা করুন।
৪. রিভলভিং চেয়ারের পরিবর্তে কাঠের চেয়ার ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। এমনটা করলে শরীরের ক্ষতি কম হয়।
৫. শরীরকে সার্বিকভাবে সুস্থ রাখতে প্রতিদিন নিয়ম করে শরীরচর্চা করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আফগানিস্তান স্মরণীয় করতে পারলো না শততম ওয়ানডে

খেলার খবর: তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে স্বাগতিক আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে এগিয়ে থাকা আফগানিস্তান দ্বিতীয় ম্যাচেই সিরিজ নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিজেদের শততম ওয়ানডে স্মরণীয় করে রাখার স্বপ্ন দেখছিল। কিন্তু দারুণ বোলিংয়ে আফগানিস্তানের সেই স্বপ্ন গুড়িয়ে দিয়েছেন টিম মারটাঘ।
বুধবার বেলফাস্টে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আফগানিস্তানকে ৩ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে ১-১ সমতা এনেছে উইলিয়াম পোর্টারফিল্ডের দল। ৩৭ বল বাকি থাকতে ১৮৩ রানের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় আয়ারল্যান্ড।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে মারটাঘের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে আফগানিস্তান। রহমত শাহ ও অধিনায়ক আসগর আফগানের ব্যাটে প্রতিরোধ গড়ে অতিথিরা। দুই ব্যাটসম্যানই থিতু হয়ে বিদায় নিলে আবার বিপদে পড়ে আফগানিস্তান। ১০০ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলা দলকে দুইশ রানের কাছে নিয়ে যান নাজিবুল্লাহ জাদরান। দুই চার ও এক ছক্কায় তিনি ফিরেন ৪২ রান করে।
ছোট লক্ষ্য তাড়ায় শূন্য রানে পোর্টারফিল্ডকে হারায় আয়ারল্যান্ড। তবে পল স্টার্লিংয়ের সঙ্গে ৬৯ রানের জুটিতে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন অ্যান্ডি বালবার্নি। ৩৯ রান করা স্টার্লিংয়ের বিদায়ের পর দুই ও’ব্রায়েন নায়াল ও কেভিনকে হারিয়ে বিপদে পড়ে স্বাগতিকরা।
সিমি সিংয়ের সঙ্গে ৪৭ রানের জুটিতে দলকে আবার কক্ষপথে ফেরান বালবার্নি। ৫ চারে ৬০ রান করা এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তুলেন রশিদ খান।
তবে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন সিমি। একটি করে ছক্কা-চারে ৩৬ রানে অপরাজিত থাকেন এই অলরাউন্ডার।
৩৭ রানে ৩ উইকেট নেন লেগ স্পিনার রশিদ। নিজের শততম ওয়ানডেতে অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবি ২ উইকেট নেন ৩৮ রানে।
আগামী শুক্রবার একই ভেন্যুতে হবে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক সুবর্ণা হত্যায় সাবেক শ্বশুর গ্রেপ্তার

দেশের খবর: পাবনার সাংবাদিক সুবর্ণা আক্তার নদীকে পারিবারিক বিরোধের জেরে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এ ঘটনায় সুবর্ণার সাবেক শ্বশুর আবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলা করেছে নিহতের পরিবার।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, “আমরা ইতোমধ্যেই নিশ্চিত হয়েছি যে পারিবারিক ও ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। সংবাদ সংক্রান্ত কোনো বিষয় এখানে নেই।”

বেসরকারি টেলিভিশন আনন্দ টিভির পাবনা প্রতিনিধি সুবর্ণাকে (৩২) মঙ্গলবার রাতে শহরের মজুমদারপাড়ায় তার বাড়িতে গিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে একদল দুর্বৃত্ত।

পুলিশ কর্মকর্তা গৌতম বলেন, হত্যার ঘটনায় সুবর্ণার মা মর্জিনা খাতুন সদর থানায় মামলা করেছেন। সুবর্ণার সাবেক স্বামী রাজিব হোসেন ও সাবেক শ্বশুর আবুল হোসেনসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করার পাশাপাশি অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

“আবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পুলিশের সব ইউনিট ঘটনার পর থেকেই মাঠে কাজ করছে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের জন্য। ইতোমধ্যেই আমরা কিছু চমকপ্রদ তথ্য পেয়েছি। তা তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে প্রকাশ করা হচ্ছে না।”

আবুল হোসেন ‘ইদ্রাল ফার্মাসিউটিক্যাল’ নামে স্থানীয় একটি আয়ুর্বেদি ওষুধ কারখানার মালিক। তাছাড়া শহরে তার ‘শিমলা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড হাসপাতাল’ নামে ১০ তালা একটি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
রাজিব হোসেন বাবার প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন।
মামলার বাদী মর্জিনা খাতুন অভিযোগ করেন, “সুবর্ণাকে তার সাবেক শ্বশুর আবুল হোসেন ও সাবেক স্বামী রাজিব হোসেন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছেন।”

রাজীবের সঙ্গে সুবর্ণার বছর দুয়েক আগে বিয়ে হয় জানিয়ে সুবর্ণার বোন চম্পা খাতুন বলেন, বছর দেড়েক আগে ছাড়াছাড়ি হলে সুবর্ণা পাবনার নারী ও শিশুনির্যাতন দমন আইনে আদালতে মামলা করেন। এ মামলার আসামি রাজিব ও তার বাবা আবুল হোসেনসহ তিনজন।

“মঙ্গলবার এ মামলায় সাক্ষ্য দেন সুবর্ণা। মামলায় ফেঁসে যাওয়ার আশঙ্কায় আসামিরা পরিকল্পিতভাবে সুবর্ণাকে হত্যা করেছেন। তাকে তারা বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিলেন।”

রাজিব ছিলেন সুবর্ণার দ্বিতীয় স্বামী। সুবর্ণা শহরের মজুমদারপাড়ায় ভাড়া বাসায় তার প্রথম পক্ষের মেয়ে (৯) ও মাকে নিয়ে থাকতেন।

সুবর্ণা টিভি সাংবাদিকতার পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে ‘দৈনিক জাগ্রত বাংলা’ নামে অনলাইন সংবাদ প্রকাশক ও সম্পাদক ছিলেন।

হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ ও বিচার দাবিতে পাবনার গণমাধ্যমকর্মীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।

বুধবার দুপুর ১২টায় পাবনা প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে শতাধিক সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রীর নিন্দা
সাংবাদিক সুবর্ণা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “আমি এ মর্মান্তিক ঘটনায় অত্যন্ত ব্যথিত এবং ক্ষুব্ধ। হত্যাকারীদের অতিদ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য আমি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বোচ্চ তৎপরতার আহ্বান জানাই।”

হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটন এবং দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার বিষয়ে পাবনার জেলা প্রশাসক ও পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতির সঙ্গেও টেলিফোনে কথা বলেছেন তথ্যমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আসছে পুলিশের নতুন ব্যাংক

দেশের খবর: ‘কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ’ নামে আসছে পুলিশের ব্যাংক। ব্যাংকটির অনুমোদন দিতে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়মিত পর্ষদ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গভর্নর ফজলে কবিরের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া বৈঠকে ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ বোনাস ও আয়ব্যয় নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলেও জানা গেছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ট্রাস্ট্র ব্যাংকের আদলে পুলিশ বাহিনীর জন্য একটি স্বতন্ত্র ব্যাংকের অনুমোদন চেয়ে গত মার্চে বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করে পুলিশ সদর দপ্তরের কল্যাণ ট্রাস্ট। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকটি দেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিল।

এবিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, পর্ষদ বৈঠকে অন্যতম আলোচ্য বিষয় ছিল কমিউনিটি ব্যাংকের অনুমোদন। পর্ষদ বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে ব্যাংকটির অনুমোদন দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরপর ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের কাছে কিছু ক্রাইটেরিয়ার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে। সেসব পূরণ হলে চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে। এরপর তারা কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন পাবে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ পুলিশ বাণিজ্যিকভাবে এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করতে ২০১৭ সাল থেকে কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে মূলধনের ৪০০ কোটি টাকা সংগ্রহ শুরু করে। পুলিশ সদস্যদের কাছ থেকে গত ফেব্রুয়ারিতে মূলধন সংগ্রহ শেষ হয়। গুলশানে পুলিশ প্লাজা কনকর্ডে করা হয়েছে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়। এরই মধ্যে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে মিডল্যান্ড ব্যাংকের সাবেক ডিএমডি মশিউহুল হক চৌধুরীকে।

পুলিশ সদর দপ্তরের কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুরুতে ঢাকাসহ সারা দেশে ছয়টি শাখায় ব্যাংকের কার্যক্রম চলবে। পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের মালিকানায় ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠিত হলেও প্রচলিত অন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকের মতোই এর কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সব ধরনের গ্রাহক লেনদেন করতে পারবেন এই ব্যাংকে। তবে পুলিশ সদস্যরা স্বল্পসুদে ঋণ নেওয়ার সুবিধা পাবেন।

সারা দেশে পুলিশের এক লাখ ৬৬ হাজার সদস্য মূলধনের পুরো টাকা জোগান দিয়েছেন। তবে যারা তিন বছরের মধ্যে অবসরে যাবেন তাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়নি। অবশ্য তারাও ব্যাংকের সব সুবিধা পাবেন। ব্যাংক লাভজনক হলে তিন বছর পর মূলধন যোগানের ওপর প্রত্যেকে নির্ধারিত হারে লভ্যাংশ পাবেন। তা ছাড়া আরো বেশ কিছু সুবিধা পাবেন পুলিশ সদস্যরা। জমি কেনা, বাড়ি নির্মাণ, ব্যবসা উদ্যোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সদস্যরা স্বল্পসুদে ঋণ সুবিধা পাবেন।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, গত ২৪ জানুয়ারি পুলিশের কল্যাণ ট্রাস্টের বোর্ডসভায় নতুন ব্যাংকটির নাম ‘কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড’ করার সিদ্ধান্ত হয়। এর আগে প্রাথমিকভাবে নাম করা ছিল বাংলাদেশ পুলিশ ব্যাংক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সন্তানদের সামনে মাকে পিটিয়ে গণধোলাই খেল ডিবি পুলিশ

দেশের খবর: দুই সন্তানের সামনে মাকে মেঝেতে ফেলে কিল, ঘুষি ও লাথি মারছে ডিবি পুলিশের দুই পুরুষ কর্মকর্তা। হাউমাউ করে চিৎকার করছেন মা। সন্তান কি আর বসে থাকতে পারে! মাকে বাঁচাতে ডিবি কর্মকর্তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে দুই ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় এমনই দৃশ্যের অবতারণা হয়েছে নারায়ণগঞ্জ শহরের খানপুর এলাকায়।
এদিকে, ন্যক্কারজনক এ ঘটনায় পুরো নারায়ণগঞ্জ পুলিশ প্রশাসন বিব্রত। মহিলার সারা শরীরে আর মুখে শুধু আঘাতের চিহ্ন। প্রশ্ন উঠেছে, ডিবির দুই পুরুষ কর্মকর্তা কীভাবে একজন মহিলাকে পেটাল!
ঘটনার সূত্রপাত হয় নারায়ণগঞ্জ ডিবির দুই কর্মকর্তা এএসআই আমিনুল ও এএসআই বকুল একটি ফাস্টফুডে খাবার খেয়ে বিল দিতে অপারগতা প্রকাশ করায়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে খানপুর বরফকল খেয়াঘাট-সংলগ্ন চৌরঙ্গি ফ্যান্টাসি পার্কের সামনে মাইলাইফ কেয়ার ফাস্টফুড নামের একটি দোকানে পরিবার-পরিজন নিয়ে খেতে যান ডিবির দুই সদস্য এএসআই আমিনুল ও এএসআই বকুল। মিল্কশেইক খাওয়ার পর তা ভালো হয়নি দাবি করে বিল দিতে রাজি হননি এএসআই আমিনুল ও এএসআই বকুল। এ সময় তাদের সঙ্গে ফাস্টফুডটির মালিক ১১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সহ-সভাপতি জালালের ছেলে আলামিন ও রবিন বাগিবতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। বাগিবতণ্ডার সময় তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। এ সময় যুবলীগ নেতা জালাল ও তার স্ত্রী রিনা ইসলাম ঘটনাস্থলে এলে ডিবির দুই এএসআই মিলে তাদের মারধর করেন। রিনাকে কিল-ঘুষি মারতে মারতে মেঝেতে ফেলে দেয় দুই এএসআই। দুই কর্মকর্তার সঙ্গে ছিল আগ্নেয়াস্ত্র। ভয়ে দুই ছেলে তাদের মাকে বাঁচাতে এগোতেও পারছিল না। একপর্যায়ে মায়ের চিৎকার আর সহ্য করতে পারেনি দুই ছেলে। আলামিন ও রবিন ঝাঁপিয়ে পড়ে ডিবির দুই কর্মকর্তার ওপর। বসে থাকেননি প্রত্যক্ষদর্শীরাও। আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ওই দুই এএসআইকে বেধড়ক পিটুনি দেয়। এ সময় খবর পেয়ে ডিবির পরিদর্শক মাসুদ, এসআই মিজান ও এসআই সায়েম ঘটনাস্থলে এলে দ্বিতীয় দফা রিনাসহ পুরো পরিবারকে লাঠিপেটা করে। উত্তেজিত ডিবির সদস্যদের লাঠিপেটা থেকে রক্ষা পায়নি সাধারণ পথচারীরাও। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিরোধ গড়ে তুললে শুরু হয় ডিবি পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। ওই সময় সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে ডিবির এসআই মিজান ও এসআই সায়েম এবং যুবলীগ নেতা জালাল, ছেলে আলামিন ও রবিনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহত ডিবির পরিদর্শক মাসুদ, এএসআই আমিনুল ও এএসআই বকুলসহ বাকিদের নগরীর ১০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ও ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রিনা বলেন, ‘আমার শরীরে শুধু আঘাতের চিহ্ন। দুজন ডিবির পুুরুষ সদস্য কীভাবে একজন মেয়েলোকের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। সারা শরীরে আমার ব্যথা। বিভিন্ন স্থান থেকে হুমকি আসছে আবার দেখে নেওয়া হবে। শুধু চুপ থাকতে বলা হচ্ছে।’ এদিকে এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন দোকানটির মালিক জালাল উদ্দিন। ওই মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে চৌরঙ্গি ফ্যান্টাসি পার্কের মালিক আবদুস সাত্তারকে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন ডিবির এএসআই আমিনুল (৪৮), বকুল (৫০), এসআই মিজান (৪৮) ও এসআই সায়েম (৪২)। মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালতে মামলাটি করা হয়। এর আগে সোমবার ভোরে এএসআই আমিনুল মূল ঘটনা আড়াল করে জালাল উদ্দিন, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে আসামি করে সদর মডেল থানায় পৃথক দুটি মামলা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বুধহাটা এবিসি কেজি স্কুলের অভিভাবক ছাউনির উদ্বোধন

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনির বুধহাটা এবিসি কেজি স্কুলের অভিভাবক ছাউনির উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টায় স্কুল হল রুম এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ আলমিন হোসেন ছট্টুর পরিচালনায় এবং স্কুল পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি এ. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বুধহাটা কলেজিয়েট স্কুলের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু দাউদ হোসেন।

এসময় প্রধান অতিথি বলেন এবিসি কেজি স্কুল প্রতিষ্ঠার পর থেকে আমাদের ছেলে মেয়েদের আর ভালো মানের স্বুলে ভর্তির জন্য সাতক্ষীরায় যাওয়ার প্রয়োজন হচ্ছে না। শিশু শিক্ষার জন্য এবিসি কেজি স্কুল আশাশুনি একটি ব্যতিক্রম ধর্মী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পরিচালনা পর্ষদের সহ-সভাপতি, আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান। আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি ফিতা কেটে অভিভাবক ছাউনির উদ্বোধন করেন। এসময় স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেক্সপিয়ারের গল্পের নায়িকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

বিনোদনের খবর: বেশ কয়েক বছর বলিউডে অনুপস্থিত প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। হলিউডে তাকে দেখা গেলেও, ‘‌বাজিরাও মাস্তানি’‌ ছবির পর আর কেউ তাকে কোনও বলিউডের ছবিতে দেখেননি। তবে বর্তমানে ফের বলিউডে ক্যামব্যাকের জন্য বেশ ভালো সময় যাচ্ছে প্রিয়াঙ্কার। শোনা যাচ্ছে, পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের আগামী ছবিতেই দেখা যাবে এই অভিনেত্রীকে।
এক সাক্ষাৎকারে পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজ জানিয়েছেন, প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে একটি সিনেমার বিষয়ে কথা চলছে তার। আগামী বছর থেকেই তার কাজ শুরু হয়ে যাওয়ার কথা। গত বছরই শোনা গিয়েছিল বলিউডে কাজ শুরুর জন্য অনেক স্ক্রিপ্টের মধ্যে থেকে বিশাল ভরদ্বাজের কাজটিই বেছে নিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।
এই বিষয়ে বিশাল ভরদ্বাজ বলেন, ‘‌প্রিয়াঙ্কাও আমার সঙ্গে কাজ করতে চায় এবং আমরা একে অপরের সঙ্গে আগেও কাজ করেছি। আশা করছি আগামী বছরেই সিনেমার কাজ শুরু হয়ে যাবে।’‌ এর আগে দু’বার বিশাল ভরদ্বাজের পরিচালনায় কাজ করেছেন প্রিয়াঙ্কা। ২০০৯ সালের ‘‌কামিনে’‌ এবং ২০১১ সালের ‘‌সাত খুন মাফ’‌ সিনেমায় দেখা গিয়েছিল প্রিয়াঙ্কাকে। দুটি সিনেমাই সমালোচকদের দ্বারা প্রশংসিত এবং সমালোচিতও হয়েছিল।
বিশাল ভরদ্বাজ অবশ্য এখনই তার ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি। তবে শেক্সপিয়ারের ‘টুয়েলফথ নাইট’-এর গল্প অবলম্বনেই এই সিনেমার চিত্রনাট্য লেখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে শোক দিবসের আলোচনা সভা

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি)’র আয়োজনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় সাতক্ষীরা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি)’র নিজস্ব ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু। এসময় উপস্থিত ছিলেন, লাবসা ইউনিয়নের সভাপতি এড. মোস্তাফিজুর রহমান শাহনেওয়াজ, সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান সজল, ইউপি মেম্বর আব্দুল হান্নান, তাঁতীলীগ নেতা এনামুজ্জামান নিপ্পন প্রমুখ। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ নামক ভূখন্ড পেতাম না। যে নেতার জন্য লাল সবুজের পতাকা পেলাম সেই নেতাকে যারা নির্মমভাবে হত্যা করেছিলো তাদের উদ্দেশ্য কখনও সফল হবেনা। বঙ্গবন্ধু নেই কিন্তু তার স্বপ্নের দেশ আজ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছে। আগামী নির্বাচনে আবারো নৌকাকে বিজয়ী করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest