সর্বশেষ সংবাদ-

ইমরানের শপথ অনুষ্ঠানে থাকতে পারেন মোদি

বিদেশের খবর: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) নেতা ইমরান খান দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর জোট সার্কের শীর্ষ নেতাদের আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছেন। তেমনটা হলে এ নেতাদের মধ্যে রাখা হতে পারে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও। নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পাওয়ায় ইমরানকে মোদি শুভেচ্ছা জানানোর পরদিন মঙ্গলবার পিটিআইপ্রধানের এ পরিকল্পনার কথা জানান দলের এক নেতা।
পাকিস্তানের গত বুধবারের সাধারণ নির্বাচনে ১১৫ আসন পেয়ে সবার চেয়ে এগিয়ে আছে ইমরানের পিটিআই। এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ১৩৭ আসন না পেলেও স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত রাজনীতিক ও অন্য সমর্থক দলগুলোকে নিয়ে সরকার গঠনের দিকে এগোচ্ছেন ইমরান। গত সোমবার এ নেতা জানান, আগামী ১১ আগস্ট তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন।
সোমবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি ফোন করে ইমরানকে শুভেচ্ছা জানান। এ ব্যাপারে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলে, ‘প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টির চেয়ারপারসন ইমরান খানের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাঁর দল সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে পাকিস্তানের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে আবির্ভূত হওয়ায় তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।’ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘পাকিস্তানের গণতন্ত্র আরো গভীরে শিকড় গেড়ে বসবে, এমন প্রত্যাশা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। গোটা অঞ্চলে শান্তি ও উন্নয়নের স্বপ্নের ওপরও জোর দেন প্রধানমন্ত্রী।’
মোদির শুভেচ্ছার জবাবে ধন্যবাদ দেন ইমরান। এ ছাড়া ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্বের সমাধান প্রসঙ্গে আলোচনার ওপরও জোর দেন পিটিআইপ্রধান। দুই দেশের সম্পর্ক প্রসঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথনের ব্যাপারে ইমরানকে উদ্ধৃত করে পিটিআইর বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।’ সেই সঙ্গে ‘দারিদ্র্যের ফাঁদ থেকে জনগণকে মুক্ত করতে যৌথ উদ্যোগের’ কথাও বলেন ইমরান। মোদিকে তিনি বলেন, ‘সংকট সমাধানের পরিবর্তে যুদ্ধ ও রক্তক্ষয় করতে থাকলে তাতে শোক নেমে আসবে।’
মোদির সঙ্গে ইমরানের ফোনালাপের পরদিন এক পিটিআই নেতা বলেন, ‘তেহরিক-ই-ইনসাফের কোর কমিটি মোদিসহ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) প্রধানদের আমন্ত্রণ জানানোর কথা ভাবছে এবং শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ পিটিআইর এ নেতা মোদির শুভেচ্ছাবার্তাকে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায় সূচনার ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।
এদিকে ইমরানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানোর সম্ভাবনায় না করেননি পিটিআইর মুখপাত্র ফাওয়াদ চৌধুরীও। তিনি বলেন, ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে কয়েক দিনের মধ্যেই দলের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনমুক্তির পর থেকে ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্ব অব্যাহত আছে। বিভিন্ন ইস্যুতে প্রায়ই এ দ্বন্দ্ব চরমে ওঠে। ২০১৬ সালেও এক ইস্যুর জেরে দুই দেশের সম্পর্কে উত্তেজনা বেড়ে যায়। ওই বছর ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরে পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসীদের হামলা এবং জবাবে পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ভারতের সেনাবাহিনীর ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের’ কারণে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পিটিআই নেতা ইমরানের সঙ্গে ভারতের সরকারপ্রধানের কথোপকথন সেই উত্তেজনা নিরসন করতে পারে বলে আশা করছেন রাজনীতিকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় তেলবাহী ট্রাকের ধাক্কায় রিপ্রেজেনটেটিভ নিহত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : জ্বালানী পণ্যবাহি ট্রাকের ধাক্কায় মোশরাফ হোসেন (৪০) নামে এক মোটর সাইকেল চালকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোলের সংগ্রাম মেডিেেকলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘাতক ট্যাঙ্কাটি পালিয়ে যায়।
নিহত মোশরাফ হোসেন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নওয়াবেকী এলাকার শেখ আবু ইউসুফের ছেলে ও তিব্বত কোম্পানীর জ্যেষ্ঠ রিপ্রেজেনটেটিভ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান মোশাররফ হোসেন পেশাগত কাজে বুধবার পৌনে ১০টার দিকে মোটর সাইকেলে সদর হাসপাতালের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় তিনি সংগ্রাম মেডিকেলের সামনে পৌঁছালে মজুমদার ফিলিং স্টেশনের একটি জ্বালানী পণ্যবাহি ট্রাকের তার মোটর সাইকেলের পিছন দিকে ধাক্কা মারে। এতে তিনি রাস্তার উপর পড়ে গেলে ওই ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে ঘাতক ট্রাকটি আটক করা যায়নি। নিহত মোশাররফ হোসেন তিববত কোম্পানীতে চাকুরি করেন বলে তিনি জেনেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে

দেশের খবর: বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তথা সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানোর পথ ধরে একদিন বাংলাদেশের চন্দ্রবিজয়ের স্বপ্নও বাস্তবে রূপ নেবে বলে মনে করেন তিনি।
মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের সফল উৎক্ষেপণ উদ্‌যাপন এবং ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গাজীপুর ও বেতবুনিয়ায় ‘সজীব ওয়াজেদ উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্রে’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
একই অনুষ্ঠানে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে বিশ্বের সামনে বাংলাদেশ আবারও মাথা উঁচু করে দাঁড়াল।
গত ১২ মে ভোররাতে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে সফলভাবে উেক্ষপিত হয় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট। এর দুটি গ্রাউন্ড স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে, যার একটি গাজীপুরের জয়দেবপুরে, অন্যটি রাঙামাটির বেতবুনিয়ায়। প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তাঁর তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নামে এই দুটি উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্রের নামকরণ করা হয়েছে।
ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৪ সালের ১৪ জুন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বেতবুনিয়ায় দেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। সে পদাঙ্ক অনুসরণ করে আমরা বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট মহাকাশে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করতে পেরেছি। মুজিব থেকে যাত্রা শুরু, সজীবের কাছে আমরা পৌঁছেছি। আমি বিশ্বাস করি, মহাকাশে আমরা পৌঁছে গেছি।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণ এর সুফল ভোগ করবে। বাংলাদেশের জনগণ এর সকল আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রাখবে। আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, এগিয়ে যাব। জাতির পিতা ৭ই মার্চের ভাষণে যে কথা বলেছিলেন, কেউ দাবায়ে রাখতে পারবা না। তাই কেউ আমাদের আর দাবায়ে রাখতে পারবে না।’
নতুন প্রজন্মের মধ্যে মহাকাশ নিয়ে আগ্রহের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সন্তানরা এখন স্পেস বিজ্ঞান সম্পর্কে আগ্রহী হবে।’
শেখ হাসিনা বলেন, দেশের উন্নয়নের স্বার্থে তাঁর সরকারের সময়ই প্রথম ডিজিটাল সিস্টেমের টেলিফোন প্রতিষ্ঠা, বেসরকারি খাতে মোবাইল ফোন, বিদ্যুৎ, টেলিভিশন, রেডিও, বিমান, হেলিকপ্টার উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এ ছাড়া সারা দেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন ও লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির কথাও তুলে ধরেন তিনি।
সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমাদের উন্নয়নটা সারা বাংলাদেশব্যাপী। সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দেশে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন—এটাই আমাদের লক্ষ্য।’
স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ ছাড়াও পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের মাধ্যমে পরমাণু ক্লাবে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের চাঁদে যাওয়ার স্বপ্নও একদিন বাস্তবায়ন হবে বলে মনে করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আমরাও একদিন চাঁদের দেশে চলে যেতে পারব। আগে চাঁদের দেশের স্বপ্ন দেখতাম। এখন চাঁদের দেশে পৌঁছানোর সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আমরা আরো একধাপ এগিয়ে গেলাম। আজ বিশ্বটা আমাদের হাতের মুঠোয়।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ আমরা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে মর্যাদা পেয়েছি বিশ্বে। এই মর্যাদা ধরে রেখে দেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই এবং আমরা তা পারব এ বিশ্বাস আমাদের আছে। বাংলাদেশ যে আজ এগিয়ে যাচ্ছে এই গতিধারাটা যেন অব্যাহত থাকে।’
সাবমেরিন কেবলে যুক্ত না হওয়ায় তখনকার বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এখন দুটি সাবমেরিন কেবল আছে। স্যাটেলাইট হয়ে গেল। আধুনিক প্রযুক্তি শিক্ষাটা আমরাই প্রথম শুরু করেছিলাম।’
সরকারের আশা, বর্তমানে বিদেশি স্যাটেলাইটের ভাড়া বাবদ যে ১৪ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়, এ উপগ্রহের মাধ্যমে সেই অর্থ সাশ্রয় হবে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে ৪০টি ট্রান্সপন্ডার রয়েছে, যার ২০টি বাংলাদেশের ব্যবহারের জন্য রাখা হবে এবং বাকিগুলো ভাড়া দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্যাটেলাইটের মাধ্যমে দেশের মানুষ শিক্ষা, স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে সব ধরনের উপকারিতা পাবে, যা মানুষের জীবনমানকে আরো উন্নত করবে। শিক্ষার দিকেও বিরাট সুযোগ সৃষ্টি হবে।’
অনুষ্ঠানে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের কথা উল্লেখ করে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘গর্বেরও তো একটা বিষয় আছে। সারা বিশ্বের সামনে আমরা আরেকটি কারণে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছি। আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর আমরা বিশ্বের সামনে বারবার বিভিন্ন কারণে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পেরেছি।’
বিএনপি-জামায়াতের শাসনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তখন বাংলাদেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বলা হতো, ‘জঙ্গিবাদী দেশ হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’ এবং ‘এটা পাকিস্তান হয়ে যাচ্ছে, একটা ব্যর্থ রাষ্ট্র হয়ে যাচ্ছে’ বলে পরিচিতি দেওয়া হতো।
জয় বলেন, ‘সেখান থেকে আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে একেকটি বিষয় নিয়ে—শিক্ষা, স্বাস্থ্য প্রতিটি ক্ষেত্রে পুরস্কার পেয়ে বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ায় অন্যতম অগ্রগামী দেশ হিসেবে পরিচয় পায়।’
জয় বলেন, আধুনিক দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের গ্রাম-শহরের সব মানুষের সংযোগ ঘটাতে হবে। আর এ ক্ষেত্রে স্যাটেলাইট ভূমিকা রাখবে।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকও বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে গাজীপুর গ্রাউন্ড স্টেশন থেকে জেলা প্রশাসক দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর যুক্ত হন। গাজীপুর প্রান্তে স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কে এম আলী আজম, পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল মামুন, গাজীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আখতারউজ্জামান, গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন সবুজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। উপগ্রহ কেন্দ্রের প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান রনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইমরানের গোপন কথা ফাঁস করবেন রেহাম

বিদেশের খবর: ফের বোমা ফাটালেন রেহাম খান। শিগগিরই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন প্রাক্তন ক্রিকেটার ইমরান খান। এর আগেই হবু প্রধানমন্ত্রীর গোপন কথা প্রকাশ করবেন রেহাম। তিনি জানিয়েছেন, শিগগিরই তিনি ইমরানের মোবাইলের কিছু ম্যাসেজ প্রকাশ করবেন।

পাকিস্তানি সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ইমরান ও তার দল তেহরিক-ই-ইনসাফের সমালোচনায় মুখর রেহাম খান। গত বুধবারের নির্বাচনের আগে থেকেই ইমরান এবং পিটিআইয়ের নানা ত্রুটি-বিচ্যুতি নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছেন তিনি। নির্বাচনের আগেই রেহাম নিজের লেখা বই প্রকাশ করেন। তাতেও ইমরানের বিরুদ্ধে নানা নেতিবাচক মন্তব্য রয়েছে।

পরপর সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রেহাম বলেন, এই নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ আছে। তার মতে, ইমরানের এই জয় আসলে ‘পাপেট শো’। ইমরান সেনার হাতের পুতুল ছাড়া আর কিছু নয়।

টুইটারে রেহাম খানের প্রায় ২০ লাখ ফলোয়ার রয়েছে মানুষ তাকে অনুসরণ করেন। সেখানেই অনেকে অভিযোগ তুলেছেন, রেহাম নাকি ইমরানের ফোন চুরি করেছেন। সেখান থেকেই ম্যাসেজ প্রকাশ করবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

‘দ্য হিন্দু’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রেহাম বলেন, ‘ফল কী হবে তা আমি আগেই জানতাম।’ তার মতে, নির্বাচন যদি অবাধ ও সুষ্ঠু হত, তাহলে ইমরানের জেতার কোনও প্রশ্নই উঠত না। খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশসহ কয়েকটি স্থানে পিটিআই এত ভালো করা অসম্ভব। কারণ, ওই সব স্থানে পিটিআইয়ের প্রাদেশিক সরকারের কোনো জনপ্রিয়তাই নেই।

ইমরান খানকে সেনাবাহিনীর প্রার্থী বলেও উল্লেখ করেন রেহাম খান। রেহাম ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, নওয়াজ শরিফ যখন ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে চেষ্টা করে যাচ্ছেন এবং চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের চালুর দিকে যাচ্ছিলেন, তখন সেনাবাহিনী হতাশ হয়েছে। তখনই নওয়াজ শরিফের বিদায়ের পথ তৈরি করতে থাকে সেনারা। আর এই সময়ে ইমরান হয়ে ওঠেন তাদের হাতের পুতুল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঠান্ডা থেকে সেরে ওঠার উপায়!

স্বাস্থ্য কণিকা: বিশেষ করে মৌসুম বদলানোর সময় আমাদের শরীরেও কিছু পরিবর্তন ঘটে যায়। মূলত মৌসুম আবহাওয়া বদলের সাথে সাথে পারিপার্শ্বিক উষ্ণতার হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে। ফলে কোন না কোনভাবে শরীরে এর প্রভাব পড়ে। দেখাযায় বাইরে তীব্র গরম আবার অফিসে এলেই পড়তে হয় এসির কনকনে ঠাণ্ডার মুখে। বর্ষার এই মৌসুমে আবার প্রায়ই বৃষ্টি হচ্ছে আবার আচমকাই তীব্র গরমে ঘেমে একাকার হয়ে যাচ্ছেন।

সব মিলিয়ে ঘাম আর বৃষ্টি মিলিয়ে হঠাৎ করে ব্যাপকভাবে সর্দিজ্বর, ঠাণ্ডালাগা, গলা ব্যথা ইত্যাদি রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে। আর একজনের এই রোগ হলে পরবর্তীতে তার থেকে অন্য ব্যক্তি- এভাবে রোগ একের থেকে অন্যে ছড়াতে থাকে।

রোগের লক্ষনঃ

* হঠাৎ করে নাকে ও গলায় সুড়সুড়ি লাগে, জ্বালা করে;
* হাঁচি হয়, নাক দিয়ে অনবরত পানি ঝরে, নাক বন্ধ হয়ে যায়;
* গা ম্যাজ ম্যাজ ও ব্যথা করে, গলা ব্যথা করে, সামান্য জ্বর থাকতে পারে;
* ব্যাকটেরিয়া দিয়ে ইনফেকশন হলে জ্বর, সর্দি, মাথাব্যথা, সাইনাসের ব্যথা, কানব্যথা, ফুসফুসের প্রদাহ হতে পারে;
* কিছু জটিলতা যেমন- সাইনোসাইটিস, মধ্যকর্ণের প্রদাহ, ফুসফুসের প্রদাহ দেখা দিতে পারে।

এই সমস্যাটির ভুক্তভোগী হয়েছেন অনেকেই। জেনে নিন এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কী কী খেতে হবে।

গোলমরিচ আর মধুর মিশ্রণ
দুই কাপ ফুটন্ত পানিতে এক চা চামচ অল্প থেঁতলে নেয়া গোলমরিচ দিয়ে ফোটান দশ মিনিট ধরে৷ তারপর এই জলটা ছেঁকে নিয়ে দুই টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে ধীরে ধীরে পান করুন৷ কাশি কমবে, বুকে সর্দি বসবে না৷

লেবু আর আদার মিশ্রণ
আধা ইঞ্চি মাপের আদা টুকরা করে কেটে নিন৷ সেটা গরম পানিতে ফোটাতে শুরু করুন৷ পাঁচ মিনিট পর নামিয়ে ছেঁকে নিন, তারপর একটা মাঝারি আকারের লেবুর রস আর এক বড় চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন৷

আদা-পুদিনা-মধু দিয়ে বানান নিজস্ব কাশির ওষুধ
এক ইঞ্চি মাপের আদা স্লাইস করে নিন৷ এক মুঠো পুদিনাপাতা ভালো করে ধুয়ে নিন৷ এক বোতল পরিমাণ পানির সাথে আদা আর পুদিনাপাতা মিশিয়ে একসঙ্গে ফুটাতে শুরু করুন। এক কাপের মতো পরিমাণ হলে গ্যাস বন্ধ করে আধা কাপ মধু মিশিয়ে নিন। একটু গরম থাকতে থাকতেই পান করুন। পুরোটা একেবারে খাওয়ার দরকার নেই কিন্তু যখনই খাবেন, তখন একটু গরম করে নেবেন। এতে আপনার কফটা পাতলা হয়ে যাবে।

খেতে পারেন চিকেন স্যুপ
চিকেন স্যুপ সর্দি-কাশির সমস্যায় খুব ভালো কাজে দেয়। গরম গরম চিকেন স্যুপ খেতেও ভালো লাগে আবার তা পুষ্টিগুণেও ভরপুর।

প্রচুর ফল আর দই
দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক হজমশক্তি বাড়ানোর সাথে সাথে বাড়ায় প্রতিরোধ ক্ষমতা। আপেল, লেবু, বাতাবিলেবু, আপেল সিডার ভিনেগার, কাঁচামরিচ রাখুন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায়। এই ফলগুলোতে থাকা ভিটামিন সি আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে, আপনি তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডার হাত থেকে রক্ষা পাবেন।

গরম পানি দিয়ে কুলি করুন
গরম পানিতে সামান্য লবণ আর হলুদ দিয়ে কুলি করুন। কয়েক ফোঁটা ইউক্যালিপটাস তেল পানিতে মিশিয়ে নাক দিয়ে ধোঁয়া টেনে নিন। ধোঁয়া টেনে নেয়ার সময় মাথার উপর থেকে তোয়ালে দিয়ে নেবেন। এতে কফ তাড়াতাড়ি পাতলা হয়ে যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাজধানীতে আজও রাস্তায় নেমেছে শিক্ষার্থীরা

দেশের খবর: ঢাকায় আজও রাস্তায় নেমেছে শিক্ষার্থীরা। ফার্মগেট এলাকায় সরকারি বিজ্ঞান কলেজের শিক্ষার্থীরা রাজপথে অবস্থান নিয়েছে। ফলে ওই রাস্তা নিয়ে কোনো গাড়ি চলাচল করতে পারছে না। মোহাম্মদপুরে শিক্ষার্থীরা সকাল ৯টার দিকে মিছিল বের করেছে। গতকালের মতো সারা ঢাকায় আজও বাস কম দেখা যাচ্ছে।
মোতাসিম বিল্লাহ বাসস্ট্যান্ডে এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে। কোনো বাস নেই। মিরপুর ১২ নম্বরের বাসা থেকে সকাল ৮টায় দিকে বের হয়েছেন। গুলিস্তান যাবেন। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে একটি দোকানের কর্মকর্তা তিনি। সময়মতো না গেলে দোকান খোলায় দেরি হয়ে যাবে। শুধু তিনিই নন, এমন আরও অনেকে কর্মস্থল বা গন্তব্যে যেতে বাসের অপেক্ষায় সময় গুনছেন।
আজ বুধবার সকালে পুরো ঢাকার মিরপুর ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেল। বাস নেই। দু-একটা বাস চলছে, তবে যাত্রীদের ভিড় অনেক বেশি। অফিসমুখী যাত্রী, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের পায়ে হেঁটে ও রিকশায় যেতে হচ্ছে। রাজপথের সড়ক ফাঁকা। তবে দূরপাল্লার বাস চলতে দেখা গেছে।
রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাসের চাপায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা গত দুদিন ধরে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সড়কে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। এতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পুরো ঢাকা প্রায় স্থবির। গতকাল মঙ্গলবার উত্তরা এলাকায় যাত্রীবাহী দুটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন জায়গায় বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
সকাল থেকে রাস্তায় বাস চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে কম। মিরপুর থেকে যেতে যেতে গাবতলী, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, মহাখালী সব জায়গাতেই বাসস্ট্যান্ডগুলোতে অসংখ্য মানুষকে বাসের জন্য অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে।
গাবতলীর ট্রাফিক সার্জেন্ট সোহেল রানা সকাল ৯টার দিকে বলেন, ‘অন্যান্য দিনের তুলনায় আজ বাসের সংখ্যা অনেক কম।’ জানা গেছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সকাল থেকে পুলিশ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলছে। ছাত্রদের ফেরত পাঠাতে সরকারি বিজ্ঞান কলেজের প্রিন্সিপাল ও শিক্ষককে নিয়ে আসতে গিয়েছে পুলিশ।
শাহবাগ এলাকায়ও অন্যান্য দিনের তুলনায় কম বাস চলতে দেখা গেছে। শাহবাগ জোনের ট্রাফিক বিভাগের সহকারী কমিশনার শাহেদ আহমেদও জানান, অন্যান্য দিনের তুলনায় আজ বাস চলাচল করছে খুব কম।
কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ বাস চলাচল কম হচ্ছে কেন, তাঁরা জানেন না। বাস শ্রমিক বা মালিক সংগঠনের পক্ষ থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি।
রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনের বিমানবন্দর সড়কে আবদুল্লাহপুর থেকে মোহাম্মদপুর রুটে চলাচলকারী জাবালে নূর পরিবহন লিমিটেডের একটি বাস সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের ওপর উঠে যায়। এতে ঘটনাস্থলে শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম ও একই কলেজের ছাত্রী দিয়া খানম নিহত হন। গুরুতর আহত এক শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তিন রুশ সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা

বিদেশের খবর: তিনজন রুশ সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে এ ঘটনা ঘটেছে। ওই সাংবাদিকরা অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের অতর্কিত হামলায় নিহত হয়েছেন। রাশিয়ান কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, নিহত তিন রুশ সাংবাদিকের নাম অরহান জেমাল, অ্যালেক্সান্ডার রাস্তোরগুয়েভ ও কিরিল রাদচেনকো। তাঁরা একটি অ্যাসাইনমেন্টে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে অবস্থান করছিলেন।
সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের সিবুট শহরের মেয়র হেনরি ডেপেলে জানিয়েছেন, সোমবার স্থানীয় সময় রাত ১০টার দিকে ওই সাংবাদিকদের হত্যা করা হয়। কিন্তু তাদের বহনকারী গাড়ির চালক অক্ষত রয়েছেন।
গাড়ির চালক জানিয়েছেন, যখন তারা সিবুট থেকে ২৩ কিলোমিটার দূরে ছিল তখন ঝোপের পেছন থেকে বেরিয়ে একদল বন্দুকধারী গুলি ছোড়ে। ওই তিন সাংবাদিক সাথে-সাথে মারা যান।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ওই তিনজনের মৃতদেহ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের রাজধানী বেনগুইয়ে নিয়ে আসা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিক্ষার্থীদের ক্ষোভে উত্তাল রাজধানী

দেশের খবর: বাসচাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থীকে হত্যার ঘটনায় তৃতীয় দিনের মতো শিক্ষার্থীরা মঙ্গলবার রাজপথ প্রায় অচল করে দেয়। রবি ও সোমবার বিক্ষোভের পর শহীদ রমিজ উদ্দিন কলেজ বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের বার্তা দেয়, শিক্ষার্থীদের যেন বের হতে না দেওয়া হয়। এ কারণে মঙ্গলবার ওই কলেজের শিক্ষার্থীরা আগের দুই দিনের মতো অবরোধে নামতে পারেনি। তবে থামানো যায়নি রাজধানীর অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের। ফার্মগেট, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, মিরপুর সনি সিনেমা হল, রামপুরা, নাবিস্কো, কাকরাইল, উত্তরা ও মতিঝিলসহ শহরের ১৫টি পয়েন্টে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিলসহ বাস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটায় শিক্ষার্থীরা। শিশু-কিশোরদের ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগানে স্তব্ধ হয়ে যায় ব্যস্ত রাজধানীর রাজপথ। মঙ্গলবারও জাবালে নূর পরিবহনের বাসচালকের শাস্তি, নৌমন্ত্রী শাজাহান খানের ক্ষমা প্রার্থনাসহ বাসচাপায় হত্যা প্রতিরোধে ৯ দফা দাবি তুলে ধরে তারা। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৩০টিরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে অংশ নিতে দেখা যায়। এই কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থীও যোগ দেয়। সকালে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচি দুপুরে গাড়ি ভাঙচুর ও হামলায় গড়ায়। সায়েন্স ল্যাব মোড়ে ও উত্তরায় শিক্ষার্থীরা তিনটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়। ভাঙচুর করা হয় শতাধিক বাস। অবরোধের সময় বিভিন্ন সড়কে তীব্র যানজট শুরু হয়। কোথাও যানজট, কোথাও সড়ক থেকে সব বাস উধাও—ফলে চরম দুর্ভোগে পড়ে নগরবাসী।
মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী র‌্যাডিসন হোটেলের সামনের রাস্তার এক পাশে অবস্থান নিয়ে আধাঘণ্টা বিক্ষোভ করে। একপর্যায়ে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। ট্রাফিক পুলিশের উত্তর বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার নাজমুল আলম জানান, তারা কিছু সময় থাকলেও বিমানবন্দর সড়ক বন্ধ হয়নি।
এরই মধ্যে মঙ্গলবার সকালে ‘প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট অ্যালায়েন্স’ নামের একটি ফেসবুক গ্রুপ থেকে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে সড়ক অবরোধের আহ্বান জানানো হয়। সকাল পৌনে ১১টার দিকে ওই পেজ থেকে বলা হয়, ‘সবাই যার যার প্রতিষ্ঠানের (শিক্ষা) সামনের সকল রাস্তা বন্ধ করে দিন। অ্যাম্বুল্যান্স ও হজযাত্রী ছাড়া কোনো পিঁপড়ার বাহনও যেন না চলে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest