সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় মে দিবসে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালি  অধিকার বঞ্চিত বাংলাদেশের চা শ্রমিকরাসাতক্ষীরার উপকূলে এখনো বৈষম্যের শিকার নারী শ্রমিকরাসুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিমকে তাড়াতে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে  হয়রানির অভিযোগকালীগঞ্জের নলতায় সড়ক ও জনপদ থেকে উচ্ছেদের পরেও পুনরায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িকসাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনসারা দেশে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

বড়দলে শোক দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা

 

বড়দল প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসাদের উদ্যোগে ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সকালে বড়দল ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসাদ কার্যালয়ে এ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আকের আলী গাজীর সভাপতিত্বে ও বীরমুক্তিযোদ্ধা আকবর আলীর পরিচালনায় এসময় আশাশুনি উপজেলার সাবেক সহকারী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোহাম্মাদ আলী, বড়দলের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মুনছুর আলী, বীরমুক্তিযোদ্ধা বেলাল হোসেন, সিরাজুল ইসলাম, আঃ ছাত্তার গাজী, সোহরাব হোসেন, শেখ আব্দুল হান্নান, আতিয়ার রহমান গাজী, আফছার আলী গাজী, কওছার আলী গাজী, সাবুদ আলি গাজী, ইউসুফ আলী খাঁ, ডা. আব্দুল খালেক সহ বড়দলের সকল মুক্তিযোদ্ধা বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাশিমাড়ী আ.লীগের শোক দিবস’র প্রস্তুতি সভা

শ্যামনগর প্রতিনিধি : ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে শ্যামনগর উপজেলার ০২ নং কাশিমাড়ী ইউনিয়নের ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাশিমাড়ী নতুন বাজারে আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে ০৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আশরাফ হোসেন মিন্টুর সভাপতিত্বে এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এস.এম আবুল হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম কারিকর, ইউনিয়ন আ.লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক এস.এম শাহাবুদ্দিন, ০৫ নং ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি সানাউল্লাহ সরদার, ০৭ নং ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি আব্দুল হক তরফদার, ০৭ নং ওয়ার্ড আ.লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইয়াহিয়ার রহমান খোকন, সাবেক সেনাসদস্য সমাজসেবক এস.এম সাহজাহান, ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্য তৈয়বুর রহমান, ইউনিয়ন স্বাধীনতা প্রজন্মলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমাম তাজ মেহেদী সহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।
এসময় স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আগামী ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহন করা হয়।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ০৮ নং ওয়ার্ড আ.লীগের প্রচার সম্পাদক জাকির হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যেসব খাবার হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়

স্বাস্থ্য কণিকা: রক্তে কোলেস্টেরল পরিমাণ বেড়ে গেলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের আশঙ্কা বেড়ে যায়। খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে পারলে হৃদরোগের আশঙ্কা কমে।

কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এগুলো রক্ত সঞ্চালনকে ব্যাহত করে এবং জটিল শারীরিক সমস্যা তৈরি করে।

আসুন জেনে নেই যেসব খাবার হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

ক্যানড সবজি

টিনজাত খাবারে থাকে প্রচুর সোডিয়াম। ছোটো টুকরা করে কাটা অর্ধেক কাপ টমেটোয় থাকে ছয় মিলিগ্রাম সোডিয়াম। কিন্তু টিনজাত সমপরিমাণ টমেটোতে আছে ২৫০ মিলিগ্রাম। অতিরিক্ত লবণ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

পাস্তা

সাদা পাস্তায় আছে কার্বোহাইড্রেট, সাধারণ চিনি। এতে যে চিনি থাকে তা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এতে ধমনীর দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটায় ইনফ্লামেশন। এই চিনি রক্তবাহী নালীগুলোকে সরু করে তোলে।

বরফে জমাট খাবার

ব্যস্ত জীবনে ফ্রিজে রাখা খাবার আমাদের নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। মাছ, মাংস কিংবা সবজি সবই বরফে জমিয়ে রাখি আমরা। আবার কিছু খাবার ফ্রিজেই রাখা হয়। ফ্রিজে থাকা খাবারে থাকে ফ্যাট আর সোডিয়াম। এগুলো হৃদস্বাস্থ্যের জন্যে ঝুঁকিপূর্ণ।

ডিম

এটা দারুণ স্বাস্থ্যকর এক খাবার। একটি ডিম থেকে মেলে ৭ দশমিক ৫ গ্রাম প্রোটিন আর মাত্র ৭৬ ক্যালরি। কিন্তু যাদের দেহে কোলেস্টেরল বেশি তাদের জন্যে একটি খবর আছে। তা হলো, প্রতিদিন যে পরিমাণ কোলেস্টেরল গ্রহণ করা দরকার, তার ৬২ শতাংশই চলে আসে মাত্র একটি ডিম থেকে।

বিস্কুট

ভালো বেকারির মজার বিস্কুটের লোভ সামলানো কঠিন। কিন্তু সাধারণ সাইজের একটি বিস্কুটে ৪৬০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম থাকে। এর সঙ্গে বিস্কুট তৈরিতে আরো যোগ হয় ২ দশমিক ৫ গ্রাম সম্পৃক্ত ফ্যাট। এ ধরনের ফ্যাট রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

সাদা চাল

এ ধরনের চাল এক ধরনের স্টার্চ। আর এটা প্রক্রিয়াজাত খাদ্যশস্য। ফলে এর পুষ্টি উপাদান এবং ফাইবারের বেশির ভাগই চলে যায়। আমাদের দেহ শস্যদানার চেয়ে অনেক দ্রুত স্টার্চ ভেঙে ফেলে। ফলে রক্তে হঠাৎ করেই গ্লুকোজ বেড়ে যায়। এটা হৃদরোগের ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

পনির

গবেষণায় বলা হয়, প্রতিদিন ৪০ গ্রাম পনির খেলে হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। আমাদের দেশে ঘরে ঘরে না থাকলেও অনেকেই পনিরকে নিয়মিত খাবার বানিয়ে নিয়েছে। তাদের জন্যে খারাপ খবর আছে। পনিরে প্রচুর পরিমাণে সম্পৃক্ত ফ্যাট আর সোডিয়াম থাকে। এটা হৃদযন্ত্রের ক্ষতির কারণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়া কলেজ পাড়া ঈদগাহের প্রবেশদার উম্মোচন করলেন জেলা প্রশাসক
হোসেন আলী (কাকডাঙ্গা) :
শুক্রবার জুম্মাবাদ কলারোয়ার বোয়ালিয়া কলেজ পাড়া ঈদগাহের প্রবেশদার উম্মোচন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় মাওলানা শাহাদত হোসেনের উপস্থাপনায় সভাপতিত্ব করেন উক্ত ঈদগাহ কমিটির সভাপতি আফজাল হোসেন হাবিল, চেয়ারম্যান কেড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদ।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ ইফতেখার হোসেন,জেলা প্রশাসক সাতক্ষীরা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া নির্বাহী অফিসার, মনিরা পারভিন, অধ্যাপক এম এ ফারুক,সভাপতি কলারোয়া বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজ। উপাধ্যক্ষ মাওলানা গজনফর, সভাপতি জমঈয়াতে আহলেহাদীস সাতক্ষীরা। ডাঃ আব্দুল বারী অধ্যক্ষ কলারোয়া হোমিও প্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। শাহিদুল ইসলাম, সহকারি শিক্ষা অফিসার কেশবপুর। আবুল খায়ের, সহকারি অধ্যক্ষ বোয়ালিয়া মুক্তিযোদ্ধা ডিগ্রী কলেজ। শাহিনুর রহমান, প্রদর্শক বোয়ালিয়া মুক্তিযোদ্ধা ডিগ্রী কলেজ। বদরুর রহমান, প্রধান শিক্ষক বোয়ালিয়া ইউনাইটেড হাই-স্কুল। এ্যাডভোকেট আবুল বাশার সাতক্ষীরা জজকোর্ট।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম, একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের দায়িত্ব কর্তব্য ভুলে যাওয়া চলবে না। আপনাদের শিক্ষার্থী ছেলে মেয়েদের উপর দৃষ্টি রাখবেন, তারা যেন কোন ভাবে জঙ্গী কর্মকান্ড ও মাদকের সাথে জড়িয়ে না পড়ে। এছাড়াও তিনি উক্ত ঈদগাহের সকল উন্নয়ন কল্পে সর্বচ্চ সহযোগীতা করার আশ্বাস দেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকায় পথচারীদের ট্রাফিক আইন মানানো সহজ নয়

দেশের খবর: শনিবার ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রতিবারের মত এবারও লক্ষ্য করা যায় রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশের ব্যাপক তৎপরতা।
প্রতিবছরের মত এবারও বাংলাদেশে ট্রাফিক সপ্তাহে পুলিশের পাশাপাশি রোভার ও স্কাউটদের রাস্তায় দেখা যায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে।
স্কুল কলেজে পড়া এই রোভার ও স্কাউটদের দেখা যায় গণপরিবহনগুলোকে রাস্তায় নিয়মমাফিকভাবে যাত্রী তোলা ও থামানোর বিষয়ে নির্দেশনা দিতে। পাশাপাশি পথচারীরা যেন রাস্তায় চলাচলের নিয়ম মানে সেবিষয়েও নির্দেশনা দিচ্ছিলেন স্কাউটরা।
পথচারীদের নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত কয়েকজন স্কাউট মনে করেন যে শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ হয়ে সাধারণ মানুষ আগের চেয়ে ট্রাফিক আইন মানতে বেশী অনুপ্রাণিত হচ্ছে।
তবে এবিষয়ে স্কাউটদের অধিকাংশেরই মত ছিল ভিন্ন।
তারা বলছেন সাধারণ মানুষের মধ্যে ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতা প্রবল। পথচারীদের আইন না মানার প্রধান কারণ সময় বাঁচানোর চেষ্টা এবং অলসতা বলে মন্তব্য করেন স্কাউটরা।
মমিনুর নামের একজন স্কাউট বলেন, “নিয়ম মেনে একটু বেশী হেঁটে গিয়ে কিছুটা বেশী দূরত্ব অতিক্রম করতে রাজী হন না অধিকাংশ পথচারীই।”
যারা ট্রাফিক আইন ভাঙে তাদের অনুসরণ করার প্রবণতা মানুষের মধ্যে থাকলেও নিয়ম মেনে চলা মানুষদের খুব কম সংখ্যক লোকই অনুসরণ করে বলে মন্তব্য করেন মি. মমিনুর।
নিরাপদ সড়কের দাবীতে শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক আন্দোলন মানুষের মধ্যে কিছুটা সচেতনতা তৈরী করলেও সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তা যথেষ্ট নয় বলে মনে করেন স্কাউটদের অধিকাংশই।
সুহার্তো নামের একজন রোভার বলেন, “আজ সারাদিন যতজনকে ফুট ওভারব্রিজ দিয়ে রাস্তা পার হতে অনুরোধ করেছি বা নির্দিষ্ট জায়গায় বাসের জন্য অপেক্ষা করতে বলেছি, তাদের বেশীরভাগই আমাদের কথা শোনেনি।”
আরেকজন রোভার জানান, শাস্তির ভয় দেখানোর আগ পর্যন্ত প্রায় কেউই আইনের পরোয়া করেন না।
সবচেয়ে বেশী হতাশা ছিল থিওটোনিয়াস নামের একজন রোভারের কন্ঠে। তিনি বলেন, “আমরা এখানে আছি, মানুষজনকে অনুরোধ করছি বলে মানুষ তাও কিছুটা আইন মানছে। দুই মিনিট আমরা না থাকলে দেখেন কি অবস্থা হয়। আবার আগের মত অবস্থা হবে।”
ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে পুলিশের সহায়তা করতে রাস্তায় নামা কিশোর স্কাউটদের মতে, সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাধারণ মানুষের নিজেদের মধ্যে সচেতনতা তৈরীর বিকল্প নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তান ভারতের কাছে পাচ্ছে ৫৯১ কোটি টাকা!

খেলার খবর: আইনি লড়াইয়ে বিসিসিআইকে হারানোর সুবাস পাচ্ছে পিসিবি। এই লড়াই জিতলে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৭০ মিলিয়ন ডলার পাবে পিসিবি। ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেটীয় দ্বৈরথ এখন কালেভদ্রে দেখা যায়। তারপরও সাম্প্রতিক বছরগুলোয় আইসিসির বিভিন্ন টুর্নামেন্টে যে কয়েকবার দেখা হয়েছে দুই দলের অধিকাংশ ম্যাচে শক্তিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের ছাপিয়ে গেছে ভারত। তবে আইনি লড়াইয়ে হয়তো না। ক্রিকেটীয় ময়দানের বাইরে আদালতে দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের যে লড়াই চলছে সেখানে পিসিবি জয় তুলে নেওয়ার দ্বারপ্রান্তে।

ক্রিকেটে ‘তিন মোড়ল’-এর রাজত্বকালে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক চুক্তি (এমওইউ) সই করেছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। সেই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ২০১৫-২০২৩ সময়ের মধ্যে ছয়টি দ্বিপক্ষীয় সিরিজে মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল ভারত-পাকিস্তানের। এর মধ্যে চারটি সিরিজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানের মাটিতে। কিন্তু বিসিসিআইয়ের অসম্মতির কারণে একটি সিরিজও মাঠে গড়ায়নি।

রাজনৈতিক জটিলতার জন্য সরকারের অনুমতি নেই—সিরিজ না খেলার কারণ হিসেবে এই অজুহাত দেখিয়েছিল বিসিসিআই। এতেই জটিলতার সৃষ্টি হয় এবং সিরিজ মাঠে না গড়ানোর ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করে পিসিবি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আইনি এ লড়াইয়ে জয়ী হয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বোর্ডের কাছ থেকে ৭০ মিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫৯১ কোটি টাকা) পাওয়ার সুবাস পাচ্ছে পিসিবি।

কারণ, পিসিবির অভিযোগের জবাবে বিসিসিআই কোনো শক্ত কারণ দেখাতে পারেনি। আইসিসি এবং এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) আয়োজিত টুর্নামেন্টে ঠিকই পাকিস্তানের মুখোমুখি হচ্ছে ভারত। তখন সরকারের আপত্তি না ওঠায় দ্বিপক্ষীয় সিরিজে রাজনৈতিক বৈরিতার অজুহাত ধোপে টিকছে না। অক্টোবরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে তিন দিনের শুনানিতে এই আইনি সমস্যার রায় দেবে আইসিসির বিরোধ নিরসন কমিটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঐশ্বরিয়াকে সালমানের ‘না’

বিনোদনের খবর: অনেক প্রত্যাশা তৈরি হলেও ‘ফ্যানে খান’ ছবি বক্স অফিসে সেভাবে সাড়া পায়নি। তবে ছবির নায়িকা ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ছবির প্রচারণায় কোনো ত্রুটি রাখেননি। এই ছবিতে ঐশ্বরিয়া ছাড়া আরও আছেন অনিল কাপুর, রাজকুমার রাও এবং দিব্যা দত্ত। ‘ফ্যানে খান’ ছবির প্রচারণার সময় সাবেক এই বিশ্ব সুন্দরী তাঁর ক্যারিয়ারের সঙ্গে জড়িত নানা তথ্য প্রকাশ করেন।

সম্প্রতি মুম্বাইয়ে ‘ফ্যানে খান’ ছবির প্রচারণার এক অনুষ্ঠানে ঐশ্বরিয়া তাঁর ক্যারিয়ারের নানা কথা জানান সাংবাদিকদের। উঠে আসে তাঁর ক্যারিয়ারের গোড়ার দিকের ছবি ‘জোশ’-এর কথা। এই ছবিতে শাহরুখ খান ছিলেন ঐশ্বরিয়ার ভাই। আর তাঁর প্রেমিক ছিলেন চন্দ্রচূড় সিং। এই বলিউড সুন্দরী ‘জোশ’ ছবির প্রসঙ্গে বলেন, ‘ছবিটা প্রথমে সালমান খান এবং পরে আমির খানকে করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু সালমান আর আমির দুজনই না করে দেন। এরপর ছবিটা শাহরুখ করেছেন।’
‘জোশ’ ছবিতে প্রথম ঐশ্বরিয়া ও শাহরুখ একসঙ্গে পর্দায় আসেন। যদিও ‘জোশ’ ছবিটা বক্স অফিসে সেভাবে সাফল্য পায়নি। তবে এই ছবির চরিত্রগুলো আজও দর্শক মনে রেখেছে। এরপর ‘মোহব্বতেঁ’ ছবিতে কিং খানের প্রেমিকা হিসেবে দেখা যায় অ্যাশকে।
সালমান এবং ঐশ্বরিয়ার প্রেমের কথা একসময় বলিউডের আকাশে-বাতাসে উড়ে বেড়াত। সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ ছবির সেটে তাঁরা একে অপরকে দিল (হৃদয়) দিয়ে বসেন। তবে ভাইজান এবং বিশ্ব সুন্দরীর সম্পর্কের ভাঙনের পর তাঁরা একসঙ্গে আর সিনেমা করেননি।

সেদিন ‘জোশ’ ছাড়া আরও তথ্য ফাঁস করেন ঐশ্বরিয়া। সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘বাজিরাও মাস্তানি’ এবং ‘পদ্মাবত’ ছবির জন্য প্রথম পছন্দ ছিলেন অ্যাশই। কিন্তু সাবেক বিশ্ব সুন্দরীর সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার মতো ‘বাজিরাও’ আর ‘আলাউদ্দিন’ খুঁজে পাননি পরিচালক। তাই পরে এই দুটি ছবিতে ঐশ্বরিয়ার বদলে দীপিকা পাড়ুকোনকে নেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপি নেতারা গাড়িচালকের মতো বেপরোয়া হয়ে পড়েছেন

দেশের খবর: মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপি নেতারা গাড়িচালকের মতো বেপরোয়া হয়ে পড়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেছেন, বিএনপি গত ৯ বছরে ৯ মিনিটের আন্দোলন করতে পারেনি। তারা কোটা সংস্কার আন্দোলন ও ছাত্র আন্দোলনের ওপর ভর করেও ব্যর্থ হয়েছেন। সবশেষ নিরাপদ সড়কের আন্দোলনেও ব্যর্থ হয়েছেন তারা। তাই আন্দোলনে হতাশ বিএনপি নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছে। কিন্তু সরকার এতে ভীত নয়।

শুক্রবার (১০ আগস্ট) বিকেলে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও চালকদের গাড়ির কাগজপত্র পরীক্ষার অভিযান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ করছিলেন কাদের।

মন্ত্রী বলেন, নতুন লাইসেন্স ও লাইসেন্স নবায়নসহ বিভিন্ন সেবার জন্য বিআরটিএতে (বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি) মানুষের ভিড় বেড়েছে। দুর্ভোগ কমাতে বিআরটিএ’র সেবা গ্রহীতাদের সুবিধার্থে টাকা জমা দেওয়ার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা বিভাগীয় সড়ক ও জনপথের (সওজ) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খান, সাসেক প্রকল্পের পরিচালক মো. ইসহাকসহ সড়ক বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest