সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় মে দিবসে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালি  অধিকার বঞ্চিত বাংলাদেশের চা শ্রমিকরাসাতক্ষীরার উপকূলে এখনো বৈষম্যের শিকার নারী শ্রমিকরাসুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিমকে তাড়াতে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে  হয়রানির অভিযোগকালীগঞ্জের নলতায় সড়ক ও জনপদ থেকে উচ্ছেদের পরেও পুনরায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িকসাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনসারা দেশে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

যাত্রীবাহী প্লেন ছিনতাই, সিয়াটল বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা

বিদেশের খবর: যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনের সিয়াটল বিমান বন্দর থেকে একটি যাত্রাবাহী (কিউ ৪০০) বিমান ছিনতাই হয়েছে। এর পর বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে সিয়াটল বিমানবন্দরটি। দেশটির কর্তৃপক্ষ বলছে, এয়ারলাইনসের একজন কর্মকর্তা যাত্রীশূন্য বিমানটি নিয়ে পালিয়েছে।
উড্ডয়নের পর বিমানটি সাগরে বিধ্বস্ত হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তারা। পাইলটের পরিচয় বা সবশেষ অবস্থা সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। তবে এটিকে সন্ত্রাসী ঘটনা মনে করছে না এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল রুম থেকে বারবার পাইলটের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা করা হলেও কোনও সাড়া মেলেনি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানটি খুব নিচ দিয়ে যাচ্ছিল। ওই বিমানের পেছনে একটি ফাইটার জেট ধাওয়া করে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দক্ষিণ ক্যাট্রন দ্বীপে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচন সুষ্ঠু করার উদ্যোগ নেই নির্বাচন কমিশনের

দেশের খবর: দৈনন্দিন কাজ ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য গত এক বছরে উল্লেখযোগ্য কোনো উদ্যোগ নেয়নি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। অথচ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিজেদের জন্য একটি আইনি কাঠামো প্রণয়ন এবং তা প্রয়োগ করে ভোটারদের নির্দ্বিধায় ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছিল প্রতিষ্ঠানটি।

এই লক্ষ্যে ইসি গত বছর অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ করেছিল। সংলাপের সুপারিশগুলোকে রাজনৈতিক, সাংবিধানিক এবং নির্বাচন কমিশনের নিজের এখতিয়ারভুক্ত কাজ হিসেবে চিহ্নিত করে তারা। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কোনো সুপারিশ বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
অংশীজনদের বেশির ভাগ বলছেন, কার্যত এক বছর আগে ইসি যে অবস্থানে ছিল, এখন পর্যন্ত সেই অবস্থানেই আছে। ৩১ অক্টোবর থেকে জাতীয় নির্বাচনের ক্ষণগণনা শুরু হবে। হাতে সময় তিন মাসও নেই। ফলে ইসির বহুল আলোচিত সংলাপের উদ্দেশ্য ও সফলতা এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন করার সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এরই মধ্যে গত ৭ আগস্ট প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনে কোথাও কোনো অনিয়ম হবে না-এমন নিশ্চয়তা দেওয়ার সুযোগ নেই। নির্বাচনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এ ধরনের বক্তব্য সাধারণ মানুষের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে আস্থাহীনতা তৈরি করবে। অনেকে মনে করছেন, সিইসির বক্তব্যে ইসির অসহায়ত্ব ও বাস্তবতা প্রকাশ পেয়েছে।

আবার সিইসির এই বক্তব্যের জেরে এই ইসির ভেতরে চলমান মতবিরোধ আরও প্রকাশ্যে এসেছে। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর ইসির কর্মকর্তাদের বদলি নিয়ে সিইসি ও নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছিল। এরপর জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েন, সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচারে সাংসদের অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার প্রশ্নে এই দুজনের মতবিরোধ সামনে এসেছিল। এবার মাহবুব তালুকদারসহ আরও তিন কমিশনার সিইসির মতের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

গত বছরের ১৬ জুলাই একাদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সাতটি কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল ইসি। এগুলো হচ্ছে আইনি কাঠামো পর্যালোচনা ও সংস্কার, নির্বাচনপ্রক্রিয়া সহজ ও যুগোপযোগী করার জন্য সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ গ্রহণ, সংসদীয় এলাকার সীমানা নির্ধারণ, নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও সরবরাহ, ভোটকেন্দ্র স্থাপন, নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন ও নিবন্ধিত দলের নিরীক্ষা এবং নির্বাচনসংশ্লিষ্ট সবার সক্ষমতা বাড়ানো।

এই সাতটি বিষয় সামনে রেখে সংলাপ করেছিল ইসি। ৩৯টি রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধি, পর্যবেক্ষক সংস্থা, নারীনেত্রী ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা সংলাপে অংশ নেন।

সংলাপের সুপারিশগুলো নিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে ইসি একটি বই প্রকাশ করে। তাতে সুপারিশগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। কিন্তু ইসি কী ভাবছে বা কী পদক্ষেপ নিচ্ছে, তার উল্লেখ নেই বইয়ে।

জাতীয় নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন, ইভিএম ব্যবহার, ‘না’ ভোটের বিধান চালু করাসহ কয়েকটি বিষয়ে পক্ষে-বিপক্ষে সুপারিশ এসেছিল সংলাপে। গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়গুলো ‘রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল’ হিসেবে চিহ্নিত করেই দায়িত্ব শেষ করে ইসি।

আর সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল, কিছু মন্ত্রণালয়কে নির্বাচনের সময় ইসির অধীনে নেওয়াসহ ছয়টি সুপারিশকে ‘সাংবিধানিক বিষয়’ হিসেবে চিহ্নিত করে। ইসি বলেছে, এ ক্ষেত্রে তাদের কিছু করার নেই।

নির্বাচনী আইনের সংস্কার, সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি করাসহ ৩৪টি প্রস্তাব ও সুপারিশকে ইসি নিজেদের এখতিয়ারভুক্ত বলেছে। কিন্তু এসব বিষয়েও কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি।

ইসির কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী গত বছরের ডিসেম্বরে আইন সংস্কারের খসড়া প্রস্তুত এবং এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়ার কথা। ইসির আইন ও বিধিমালা সংস্কারসংক্রান্ত কমিটি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) ৩৫টি সংশোধনী সুপারিশ করেছিল। গত এপ্রিলে ইসি এই সুপারিশ আরও পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নেয়। এখন ইসি বলছে, আগামী সংসদ নির্বাচনের আগে আরপিওতে কোনো সংশোধনী আনা হচ্ছে না।

তবে নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ, ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও প্রশিক্ষণ-এই মূল কাজগুলো হয়েছে। সক্ষমতা বাড়ানো, ইসির নিজস্ব পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এগুলো সংলাপের বিষয়বস্তু ছিল। কিছু সুপারিশ ছিল রাজনৈতিক সমঝোতা ও সাংবিধানিক বিষয়। এগুলো সরকারকে করতে হবে। তিনি বলেন, আইন সংশোধন একটি চলমান প্রক্রিয়া। নির্বাচনী আইনগুলো জটিল। তাই কিছুটা সময় নেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ইসির সংলাপে সবচেয়ে গুরুত্ব পেয়েছিল জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েন ও ইভিএমের ব্যবহার। এ দুটি বিষয়ে বড় দুই জোটের অবস্থান বিপরীতমুখী। কিন্তু ইসি কী চায়, তা তারা সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি।

সুশীল সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে ইসির সংলাপে অংশ নিয়েছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম হাফিজউদ্দিন খান। তিনি বলেন, যেসব সুপারিশ বা প্রস্তাব এসেছিল, সেগুলো ইসি বিবেচনার যোগ্য মনে করছে কি না, তা-ও জানা গেল না। ইসি যদি মনে করে, সংসদ বহাল থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচনে বাধা তৈরি হতে পারে, তাহলে তার উচিত এটি সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো। আওতাভুক্ত নয় বলে এড়িয়ে যাওয়া ঠিক নয়। তিনি বলেন, স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে ইসির ‘গা ছাড়া ভাব’ দেখা গেছে। জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু করতে বিশেষ কোনো উদ্যোগও দেখা যাচ্ছে না।

ইসি নিজের এখতিয়ারভুক্ত হিসেবে যেসব সুপারিশ চিহ্নিত করেছে, তার মধ্যে আছে নির্বাচনী আইনের সংস্কার, সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি, নির্বাচনকালীন ও পরবর্তী সন্ত্রাস দমন, কালোটাকা ও পেশিশক্তির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা, নির্বাচনী ব্যয় পর্যবেক্ষণ, নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, আচরণবিধি প্রতিপালনে পদক্ষেপ নেওয়া, নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও অনিয়ম করলে ব্যবস্থা নেওয়া ইত্যাদি।

নির্বাচনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এসব বিষয়েও ইসি এখন পর্যন্ত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো বিবেচনায় নিলে এর প্রমাণ মেলে। বিশেষ করে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত খুলনা, গাজীপুর, রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি ইসি। এসব নির্বাচনে ইসির চেয়ে পুলিশকেই বড় ভূমিকায় দেখা গেছে। পেশিশক্তির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, নির্বাচনী ব্যয় পর্যবেক্ষণ বা আচরণবিধি প্রতিপালনে কঠোর হতেও দেখা যায়নি।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সংলাপের পর এক বছরে কোনো অগ্রগতি হয়নি, বরং পশ্চাদ্গতি হয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সব কটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকার যেভাবে চেয়েছে, ইসি সেভাবে কাজ করেছে। তারা ভোটার ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা দিতে পারেনি। এ থেকেই বোঝা যায়, জাতীয় নির্বাচনেও ইসি সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হবে।

অবশ্য আওয়ামী লীগ মনে করে, জাতীয় নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করতে ইসি কাজ করে যাচ্ছে। দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খান বলেন, সংলাপ ছিল জাতীয় নির্বাচন নিয়ে, তবে সেখানে সব নির্বাচন আলোচনায় এসেছিল। আওয়ামী লীগ ইভিএম ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল। তা স্থানীয় নির্বাচনে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার হয়েছে। তিনি বলেন, ভোটার তালিকাসহ নির্বাচনের প্রয়োজনীয় সব ব্যাপারে ইসির কাজে অগ্রগতি আছে। কিছু সমালোচনা থাকলেও সেগুলো আমলে নিয়ে জাতীয় নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে ইসি।

ইসি সূত্র বলছে, আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে যেকোনো দিন ইসি চাইলে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে পারবে। ডিসেম্বরের শেষে অথবা জানুয়ারির শুরুতে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। সে লক্ষ্যে বিধিবদ্ধ কাজগুলো ইসি করে যাচ্ছে।

নির্বাচন বিশেষজ্ঞ হিসেবে ইসির সংলাপে যোগ দিয়েছিলেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, সংলাপে সুপারিশ ছিল মূলত আরপিওর কিছু জায়গা সংশোধন এবং ইসিকে শক্তিশালী করা। সংলাপের পর ইসি একটি ‘বুকলেট’ দিয়েছে। সেখানে শুধু কে কী বলেছে, সেটাই আছে; ইসি কী করবে, তা নেই। আইনি কাঠামো সংস্কারের প্রস্তাব এখনো না পাঠিয়ে থাকলে ইতিমধ্যে তারা দেরি করে ফেলেছে বলা যায়। তিনি বলেন, সংলাপের মাধ্যমে যা পাওয়ার কথা, তার অগ্রগতি চোখে পড়ে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চীনে মসজিদ ভাঙার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে মুসলিমরা

বিদেশের খবর: চীনের পশ্চিমাঞ্চলে একটি মসজিদকে ভেঙে দেবার হাত থেকে রক্ষা করতে শতশত মুসলমান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন, নিংজিয়া এলাকায় নবনির্মিত ওয়েইজু গ্র্যান্ড মসজিদ তৈরির সময় যথাযথ অনুমোদন নেয়া হয়নি।
কিন্তু কর্তৃপক্ষের এ ধরণের বক্তব্যে মুসল্লিরা পিছু হটতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। একজন মুসল্লি বলেন, তারা সরকারকে এ মসজিদ স্পর্শ করতে দেবেন না।
চীনে দুই কোটি ৩০ লাখ মুসলমানের বসবাস এবং পশ্চিমাঞ্চলের নিংজিয়া প্রদেশে গত কয়েকশ বছর ধরে মুসলিমরা উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় বসবাস করছে।
কিন্তু মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, চীনে মুসলমানদের বিরুদ্ধে সরকারের বিদ্বেষ ক্রমেই বাড়ছে। যে মসজিদটি সরকার গুড়িয়ে দেবার উদ্যোগ নিয়েছে সেটি মধ্যপ্রাচ্যের মসজিদগুলোর আদলে মিনার এবং গম্বুজ দিয়ে তৈরি।

আগস্ট মাসের তিন তারিখে সরকার একটি নোটিশ জারি করে। সেখানে বলা হয়েছে যে এ মসজিদ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা এবং নির্মাণের অনুমোদন দেয়া হয়নি।
সেজন্য এ মসজিদ ভেঙ্গে দেয়া হবে বলে জানানো হয় সে নোটিশে। সরকারের সে নোটিশটি হুই মুসলিমরা নিজেদের মধ্যে অনলাইনে শেয়ার করে।
হংকং ভিত্তিক সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট পত্রিকা বলেছে অনেকে প্রশ্ন তোলেন, দুই বছর ধরে মসজিদটি তৈরি করার সময় কর্তৃপক্ষ কেন প্রশ্ন তোলেনি?
বৃহস্পতিবার মসজিদের বাইরে মুসলমানরা বিক্ষোভ করেছে এবং সে বিক্ষোভ শুক্রবারও চলেছে। চীনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে বড় সাদা ভবনের বাইরে বহু মানুষ জড়ো হয়েছে।
একজন বাসিন্দা জানিয়েছেন, উই মুসলিম এবং সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যকার আলোচনা কোন সমাধান ছাড়াই শেষ হয়েছে।
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট পত্রিকায় দেয়া সাক্ষাৎকারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেছেন, আমরা এখন অচলাবস্থার মধ্যে আছি। সরকারকে এ মসজিদ স্পর্শ করতে দেবে না মানুষজন। কিন্তু সরকারও পিছু হটছে না।
তবে শুক্রবার এ মসজিদ ভেঙে দেবার কাজ শুরু হবে নাকি কোন সমঝোতা হয়েছে সেটি এখনো পরিষ্কার নয়।
স্থানীয় ইসলামিক এসোসিয়েশনের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন পুরো মসজিদ ভেঙে দেয়া হবে না। তিনি রয়টার্সকে বলেছেন, মসজিদের আকার কমিয়ে আনার জন্য এক কাঠামো সংস্কার করতে চেয়েছে সরকার।

চীনের সংবিধান অনুযায়ী সেখানে ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে ধর্মীয় কর্মকাণ্ড সরকার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।
উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, চীনের চার্চগুলো থেকে ক্রুশ চিহ্ন সরিয়ে নিতে বাধ্য করেছে সরকার। সরকার বলেছে এ চিহ্ন পরিকল্পনার নিয়ম ভেঙেছে।
চীনের কমিউনিস্ট সরকার সে দেশে-বিদেশি ধর্মের প্রভাব নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছে। এমন অবস্থায় তারা ধর্মের একটি চীন বৈশিষ্ট্য তৈরি করার চেষ্টা করছে।
হুই মুসলিমরা যদিও তাদের ধর্ম চর্চার ক্ষেত্রে স্বাধীন কিন্তু পশ্চিমাঞ্চলের জিনজিয়াং এলাকায় উইঘুর মুসলিমরা সরকারের দিক থেকে বেশ চাপের মধ্যে আছে।
মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, পশ্চিমাঞ্চলে জিনজিয়াং এ সরকারের কড়া নজরদারি রয়েছে এবং জনসমাগমের এলাকায় মুসলিম মহিলাদের নেকাব ব্যবহারে কারণে অনেকে শাস্তির মুখোমুখি হয়েছে।
মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, হাজার-হাজার উইঘুর মুসলিমকে চীন সরকার জোর করে ‘শিক্ষা কেন্দ্রে’ পাঠিয়েছে। সেখানে আটককৃতদের নিজের ধর্ম ত্যাগ করতেও বাধ্য করা হয়েছে।
মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, নিংজিয়া এলাকায় মসজিদ গুড়িয়ে দেবার যে উদ্যোগ চীন সরকার নিয়েছে তাতে মনে হচ্ছে এখন তারা সেদিকে নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে চাইছে।
গবেষক প্যাট্রিক পুন বলেছেন, এটা পরিষ্কার যে মুসলিমদের প্রতি চীন সরকারের যে বিদ্বেষ সেটি শুধু উইঘুরদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোরবানির ঈদে তৈরি করুন মাংসের আচার

রেসিপি: আম, বড়ই, চালতা সব কিছুর আচারই তো আমরা বানাই। একদম ভিন্নধর্মী আচারের রেসিপি হলো মাংসের আচার। কোরবানি ঈদের পর সাধারণত যারা হোস্টেলে চলে যায় তাদের জন্য এই রেসিপি আশা করি অনেক উপকারে আসবে। এভাবে ফ্রিজ ছাড়া মাংস অনেক দিন রাখা যায় এবং এই আচার খেতেও খুব মজার হয়।‌ কীভাবে বানাবেন মাংসের আচার-

উপকরণ

(১) মাংস দুই কাপ

(২) আদা বাটা এক চা চামচ

(৩) রসুন বাটা এক চা চামচ

(৪) মরিচ গুঁড়ো আধা চা চামচ

(৫) ধনে গুঁড়ো এক চা চামচ

(৬) হলুদ গুঁড়ো এক চিমটি

(৭) তেজপাতা দুইটা

(৮) পাঁচ ফোঁড়ন এক চা চামচ

(৯) সরিষা বাটা এক চা চামচ

(১০) ভিনেগার এক চা চামচ

(১১) গোটা রসুন আধা কাপ

(১২) গরম মসলা গুঁড়ো আধা চা চামচ

(১৩) শুকনা মরিচ পাঁচ-ছয়টা

(১৪) সরিষার তেল দুই কাপ

(১৫) লবণ স্বাদমত

যেভাবে তৈরি করবেন

একটি প্যানে মাংস নিয়ে তাতে হলুদ গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, আদা-রসুন বাটা ও লবণ দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিন। এবার পরিমাণমতো পানি দিয়ে মাংস সিদ্ধ করে নিতে হবে। এখন অন্য একটি প্যানে দুই কাপ সরিষার তেল গরম করে এতে তেজপাতা শুকনা মরিচ ও পাঁচ ফোঁড়ন দিয়ে নাড়তে থাকুন। এবার সরিষা বাটা, ভিনেগার ও গোটা রসুন দিয়ে নাড়তে থাকুন দুই মিনিটের মতো। এরপর, এর মধ্যে মাংস দিয়ে দিন এবং নাড়তে থাকুন। এখন এতে গরম মসলা গুঁড়ো দিন। এভাবে নাড়তে নাড়তে যখন মাংস ভাজা ভাজা হবে ও রসুনগুলো সিদ্ধ হবে তখন নামিয়ে নিন।

এবার আচার ঠান্ডা করে যে কোন কাচের পাত্রে রেখে দিতে পারেন তিন চার মাসের জন্য। খেয়াল রাখবেন তেল যেন মাংসের উপরে থাকে এবং মাঝে মাঝে রোদে দিতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘জাতীয় শিক্ষক শিক্ষা কাউন্সিল’ গঠন করবে সরকার’‌‌

দেশের খবর: শিক্ষার জাতীয় প্রমিতমান নির্ধারণে দেশের শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের নিয়ন্ত্রকারী সংস্থা হিসেবে ‘জাতীয় শিক্ষক শিক্ষা কাউন্সিল’ গঠন করবে সরকার। এ লক্ষ্যে আইনের খসড়া প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে শিক্ষক ও শিক্ষা কার্যক্রমের জাতীয় প্রমিতমান (ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড) নিশ্চিত করবে এ কাউন্সিল। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) জাবেদ আহমেদ বলেন, ‘মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হবে ‘জাতীয় শিক্ষক শিক্ষা কাউন্সিল’। প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের জাতীয় প্রমিতমান (ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড) ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ন্যূনতম মান প্রতিষ্ঠা করতে এই কমিশন গঠন করা হবে। এ লক্ষ্যে ‘জাতীয় শিক্ষক শিক্ষা কাউন্সিল’ আইনের খসড়া প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত করেছে মন্ত্রণালয়। শিগগিরই মতামতের জন্য তা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।’
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত এক বছর ধরে প্রস্তুত করা আইনের খসড়াটি গত ৮ আগস্ট প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত করা হয়। মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) জাবেদ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আলোচনার পর খসড়াটি প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত আইনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যে বলা হয়েছে, ‘মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ন্যূনতম মান প্রতিষ্ঠা ও মাধ্যমিক শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করবে এই সংস্থা। এছাড়া শিক্ষকদের ন্যূনতম প্রমিতমান অনুযায়ী নিবন্ধন দেওয়া হবে।’
কাউন্সিলের কাঠামো অনুযায়ী শিক্ষামন্ত্রী কাউন্সিলের সভাপতি ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সহসভাপতি হবেন। মোট ২৬ সদস্যবিশিষ্ট কাউন্সিলের সদস্যসচিব থাকবেন কাউন্সিল কার্যালয় সংগঠনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। এই কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক, কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক, মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান, কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান ও মাদরাসা শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইন্সস্টিটিউটের অধ্যক্ষ সদস্য থাকবেন।
এছাড়া সরকার মনোনীত সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের অধ্যক্ষ, বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের অধ্যক্ষ, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রয়েছে সরকার মনোনীত এমন দুই ব্যক্তি কাউন্সিলের সদস্য থাকবেন।
কর্মপরিধি অনুযায়ী, শিক্ষক শিক্ষা প্রশিক্ষণের গুণগতমান নিশ্চয়তায় পদ্ধতি উদ্ভাবন এবং জাতীয় প্রমিতমানের (ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড) লক্ষ্যে পর্যবেক্ষণ, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন করবে এই কাউন্সিল। শিক্ষক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গুণগতমান নিশ্চিত করতে যে রকম পদক্ষেপ নেওয়া দরকার বলে মনে করবে তা-ও করতে পারবে কাউন্সিল। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অংশীজনের মতামত নিয়ে আইনের খসড়া চূড়ান্ত করার পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদনের জন্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১০৭ রানে অলআউট, লজ্জায় ডুবল ভারত

খেলার খবর: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট হারের পর বৃষ্টিবিঘ্নিত দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিন প্রথম ইনিংসে মাত্র ১০৭ রানেই অলআউট হয়ে গেল ভারত। এদিন মাত্র ৩৫.২ ওভার ব্যাট করতে পারেন ভারতের ব্যাটসম্যানরা। সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান অধিনায়ক বিরাট কোহলির (২৩)। মাত্র পাঁচজন ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের রান করতে পারেন। ইংল্যান্ডের পেসার জেমস অ্যান্ডারসন মাত্র ২০ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন।
প্রথম দিনের খেলা বৃষ্টির জন্য মাঠেই গড়ায়নি। এরপর শুক্রবার স্থানীয় সময় অনুযায়ী সকাল এগারোটায় খেলা শুরু হবে বলে জানান আম্পায়াররা। টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক জো রুট। ভারতীয় দলে দুটি পরিবর্তন হয়। বাঁ হাতি ওপেনার শেখর ধাওয়ানের বদলে পূজারা এবং উমেশ যাদবের বদলে কুলদীপ যাদব দলে আসেন।
দিনের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলেই ফিরে যান মুরালী বিজয় (০)। সপ্তম ওভারের প্রথম বলে আউট হয়ে যান অপর ওপেনার লোকেশ রাহুল (৮)। দুটি উইকেটই নেন অ্যান্ডারসন। তিন নম্বরে নামা চেতশ্বর পূজারা (১) দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান আউট হয়ে যান। ১৫ রানে ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর অজিঙ্কা রাহানেকে (১৮) নিয়ে লড়াই চালাচ্ছিলেন বিরাট। কিন্তু তিনিও ক্রিস ওকসের বলে জোস বাটলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। দীনেশ কার্তিককে (১) ফেরান স্যাম কুরান। কুলদীপ রান করতে পারেননি। ইশান্ত শর্মাও শূন্য রানে ফিরে যান। মোহাম্মদ শামি ৩ বল খেলে দুটি বাউন্ডারির সাহায্যে ১০ রান করে অপরাজিত থাকেন।
এদিন কোহলি ব্যাট করতে নেমে দুবল খেলার পরেই বৃষ্টি নামে। বন্ধ হয়ে যায় খেলা। দুঘণ্টারও বেশি সময় পরে শুরু হয়ে খেলা। নবম ওভারের তৃতীয় বলে বিরাটের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে যান পূজারা। এরপরেই ফের বৃষ্টির জন্য বন্ধ হয়ে যায় খেলা। ফের খেলা শুরু হওয়ার পর লড়াই শুরু করেন বিরাট ও রাহানে। এই জুটির হাত ধরে ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় ছিল ভারত।
কিন্তু বিরাট ফিরে যাওয়ার পরেই ব্যাকফুটে চলে যায় ভারতীয় দল। পাণ্ডিয়া একদিনের ম্যাচের মেজাজে ব্যাটিং শুরু করে দ্রুত ফিরে যান। কার্তিক ফের ব্যর্থ হন। অশ্বিন কিছুটা লড়াই করেন। সব মিলে ১০৭ রানের লজ্জা পেতে হল ভারতকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কমলাপুরে ট্রেনের টিকিট বিক্রি বন্ধ

দেশের খবর: সার্ভার জনিত সমস্যার কারণে কমলাপুর রেলস্টেশনে সকাল ১০ থেকে ঈদের অগ্রীম টিকিট বিক্রি বন্ধ রয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার পর এই সমস্যায় অগ্রীম টিকিট প্রত্যাশীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
আজ শনিবার সকাল থেকে ঈদের আগাম টিকিট নিতে কমলাপুর রেলস্টেশনে ভিড় করে আছেন টিকিট প্রত্যাশীরা। গত চারদিন ধরে বিক্রি হচ্ছে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট। প্রতিদিনই টিকিটপ্রত্যাশীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল।
আজ সকাল ৮টায় কমলাপুর স্টেশনে ২৬টি কাউন্টারে টিকিট বিক্রি শুরু হয়। বিগত দিনগুলোর তুলনায় আজ টিকিট প্রত্যাশীদের উপস্থিতি অনেক বেশি দেখা গেছে। কাউন্টারের সামনে থেকে মানুষের লাইনে বাইরের রাস্তায় গিয়ে ঠেকেছে। গতরাত থেকে এই লাইনে দাঁড়িয়েও অনেকেই এসি টিকিট পাননি বলে অভিযোগ জানিয়েছেন।
আজ দেওয়া হচ্ছে ২০ আগস্টের টিকিট। টিকিট কালোবাজারি প্রতিহত করতে সেখানে মোতায়েন রয়েছে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গে কর্মসূচি দেওয়ার চিন্তা বিএনপি’র!

দেশের খবর: আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কর্মসূচি দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে বিএনপি। দলটির স্থায়ী কমিটিতে এ বিষয়ে একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এক্ষেত্রে ২০ দলীয় জোট ও সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর মনোভাবের ওপর এর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে। স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য এ তথ্য জানিয়েছেন।
তবে নির্ভরযোগ্য আরেকটি সূত্র বলছে, নির্বাচনকালীন সরকার গঠন হলেও কঠোর কোনও আন্দোলনে যাবে না বিএনপি। নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক না হলে দেশবাসীকে নির্বাচন প্রতিহত করার আহ্বান জানানোর চিন্তা রয়েছে তাদের।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ‘আন্দোলনের সময় নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা হবে। আর নির্বাচনকালীন সরকার গঠন হলে আমাদের প্রতিক্রিয়া কী হবে, তা প্রকাশ্যে বলার সময় আসেনি। এটা আপনি কীভাবে আশা করছেন?’
বিএনপির সূত্রগুলো বলছে, বিএনপি নির্বাচনকালীন সরকারের প্রস্তাব দেবে। এ প্রক্রিয়া সেপ্টেম্বর নাগাদ প্রকাশ্যে আনার প্রস্তুতি রয়েছে দলটির। এক্ষেত্রে সরকার পুরোপুরি প্রস্তাব এড়িয়ে গেলে কর্মসূচি দেওয়ার চিন্তা রাখছে বিএনপি। যদিও দলটির কোনও কোনও নেতার উষ্মা, কেন এখনও সহায়ক সরকারের প্রস্তাব পেশ করা হচ্ছে না। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, সম্ভবত আগামী অক্টোবরে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন হবে।
বিএনপির একজন ভাইস-চেয়ারম্যান বলেন, ‘সহায়ক সরকারের প্রস্তাব দেবে-দেবে করেও দিলো না। এখন আর সময় কই। এখন শেখ হাসিনা যা করবে, তাই মানতে হবে।’
স্থায়ী কমিটির দুজন সদস্য জানান, নির্বাচনকালীন সরকার গঠন প্রক্রিয়া ও ব্যক্তি নির্বাচন পছন্দমতো না হলে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোকেও আমন্ত্রণ জানানো হবে। এক্ষেত্রে অন্য দলগুলো সম্মত হলে ২০ দলীয় জোটকে নিয়ে কর্মসূচিতে যাবে বিএনপি, তা-ও শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ায় জমায়েত বা সমাবেশের মাধ্যমে।
আরেক সদস্য মনে করছেন, ‘আন্দোলনের ইচ্ছা বা পরিবেশ নেই’ ধরে নিয়েই এগুচ্ছে বিএনপির হাইকমান্ড। এক্ষেত্রে জনগণকে বিরক্ত করে এমন কর্মসূচি না দিয়ে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও প্রতিবাদ-বিক্ষোভের পথ খুঁজে নেবে দলটি। আর এই প্রতিবাদের ইস্যুগুলো ব্যবহার করতে অন্যান্য দলগুলোকে উৎসাহিত করা হবে।
এ বিষয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘বড় কোনও কর্মসূচিতে এখনই যাওয়ার পরিকল্পনা নেই বিএনপির। এটা হতে পারে, নির্বাচন এককভাবে করার চেষ্টা করবে সরকার।’ এক্ষেত্রে ভোটাধিকার বঞ্চিত মানুষেরাই প্রতিবাদ জানাবে বলে মনে করেন বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ এই নেতা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest