সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় মে দিবসে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালি  অধিকার বঞ্চিত বাংলাদেশের চা শ্রমিকরাসাতক্ষীরার উপকূলে এখনো বৈষম্যের শিকার নারী শ্রমিকরাসুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিমকে তাড়াতে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে  হয়রানির অভিযোগকালীগঞ্জের নলতায় সড়ক ও জনপদ থেকে উচ্ছেদের পরেও পুনরায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িকসাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনসারা দেশে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

চায়না রানীর মৃত্যুতে শোক

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা জেলা মন্দির সমিতি, জয়মহাপ্রভূ সেবক সংঘ জেলা শাখা সাতক্ষীরা ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সহ-সভাপতি গোষ্ট বিহারী মন্ডলের সহধর্মিনী চায়না রাণী মন্ডল শুক্রবার ভোর ৩টা ৫৭ মিনিটে দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে পরলোক গমন করেছেন। (দিব্যান লোকান্ স্বগচ্ছতু।)
মৃত্যুকালে দুইপুত্র, ১কন্যা, নাতি, নাতনীসহ, অনেক গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর অকাল মৃত্যুতে,শোক সন্তপ্ত পরিবারের সহিত সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি দিয়েছেন, সাতক্ষীরা জেলা মন্দির সমিতির সভাপতি বিশ্বনাথ ঘোষ, সহ-সভাপতি এড. সোমনাথ ব্যানার্জী, সোনাতন দাশ, এড. অনিত মুখার্জী, সাধারণ সম্পাদক রঘুজিৎ গুহ, যুগ্ম সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন, সহ-সম্পাদক বিকাশ চন্দ্র দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রাণনাথ দাশ, অডিটর অসীম কুমার দাশ(সোনা), সঞ্জীব কুমার ব্যানার্জী, ডা: অসীম বিশ্বাস, রনজিৎ সরকার, অলোক কুমার তরফদার, কার্ত্তিক চন্দ্র বিশ্বাস, গঙ্গাধর দফাদার, বিশ্বনাথ দেবনাথ, নারায়ন অধিকারী ও জয় মহাপ্রভূ সেবক সংঘের কেন্দ্রীয় পরিষদের সহ-সভাপতি ডা: সুশান্ত ঘোষ, জেলার সহ-সভাপতি জীতেন্দ্র নাথ ঘোষ, গোবিন্দ প্রসাদ ঘোষ, উপদেষ্টা ধীরু ব্যানার্জী, বিল্লমঙ্গল দেবনাথ, বিনয় কৃষ্ণসাহা, কোষাধ্যক্ষ নারায়ন ভাস্কর শিকদার, কার্যনির্বাহী সদস্য নারায়ন অধিকারী, তাপস সরকার, কিরন্ময় সরকার, রবীন্দ্র নাথ রায়, যুব কমিটির রণজিৎ ঘোষ, সুমন অধিকারী, মিলন কুমার বিশ্বাস, সুমন সাহা, তন্ময় সাহা, সুজন বিশ্বাস, ধীমান, সুজয় প্রমুখ। বাংলাদেশ হিন্দু- বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু, সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল, প্রদ্যুৎ ঘোষ, নারায়ন মজুমদার প্রমুখ। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুভাষ চন্দ্র ঘোষ, সহ-সভাপতি মঙ্গল কুমার পাল, স্বপন কুমার শীল, এড. অনিত মুখার্জী, নয়ন কুমার সানা, কোষাধ্যক্ষ গৌর চন্দ্র দত্ত, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য তপন কুমার হালদার, অরুন কুমার ঘোষ, কার্যনির্বাহী সদস্য অপারেশ পাল, পলাশ দেবনাথ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘শহিদুলের মিথ্যে পোস্টেই শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে পড়ে’

দেশের খবর: নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং তার তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

তিনি বলেছেন, শহিদুল আলমের দেওয়া মিথ্যে পোস্ট ও অভিযোগের কারণেই শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং পুলিশের ওপর ও (আওয়ামী লীগের) পার্টি অফিসে হামলা চালায়।

শুক্রবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে জয় এ কথা বলেন।

গত ৫ আগস্ট রাতে দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা শহিদুলকে তারা ধানমন্ডির বাসা থেকে উঠিয়ে নেওয়া হয়। পরদিন ৬ আগস্ট (সোমবার) শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে মামলা দিয়ে তাকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ। এ মামলায় সাত দিনের রিমান্ডে রয়েছেন শহিদুল।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জয় তার পোস্টে বলেন, ‘ধরুন বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় ও সফল ব্যক্তি হিসেবে আন্দোলনের সময় আমি ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বলতাম, আন্দোলনরত তরুণরা আমাদের কর্মীদের একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে আক্রমণ করে হত্যা করেছে এবং সেই কথার প্রেক্ষিতেই আমাদের কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে সেই বিশ্ববিদ্যালয়টি আক্রমণ করতো। তাহলে কি বলা যেত আমি সহিংসতা উস্কে দিয়েছি? নাকি আমি বাকস্বাধীনতার অধিকার দ্বারা সুরক্ষিত থাকতাম?’

‘আমার কোনো সন্দেহ নেই আজ যেই সুশীল সমাজ, বিদেশি বন্ধু ও সাংবাদিকরা শহিদুল আলমের পক্ষে কথা বলছেন, তারা তখন ঠিকই বলতেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সহিংসতা উস্কে দিয়েছেন। শুধুমাত্র সফল ও জনপ্রিয় হওয়ার জন্যই কি আজ শহিদুল আলমকে আইনের ঊর্ধ্বে রাখার কথা বলা হচ্ছে? তাহলে কি আমিসহ সকল সফল ও জনপ্রিয় মানুষই আইনের ঊর্ধ্বে?’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি যেই উদাহরণ দিয়েছি, শহিদুল আলম ঠিক তাই করেছেন। তার দেওয়া মিথ্যে পোস্ট ও অভিযোগের কারণেই শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং পুলিশের উপর ও পার্টি অফিসে হামলা চালায়। একাধিক পুলিশ সদস্য ও আমাদের কর্মীরা আহত হন। আরাফাতুল ইসলাম বাপ্পি নামের আমাদের এক কর্মী তার দৃষ্টিশক্তি চিরতরে হারিয়েছেন।’

পোস্টের শেষে জয় প্রশ্ন ছুড়ে দেন, ‘বাপ্পি কি ন্যায়বিচার পাওয়ার যোগ্য না?’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে ব্যবসায়ী কালামের বাড়ি-ঘর ভাংচুরের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : আদালতের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ব্যবসায়ী আবুল কালামের ভিটেবাড়ি দখল করার জন্য বাড়ি-ঘর ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় হামলাকারীরা তাদের ঘরে থাকা নগদ দেড় লক্ষাধিক টাকা, ৫/৬ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। বাড়িতে থাকা টিভি, ফ্রিজসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাংচুর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার সময় স্কুল ছাত্রী ও মহিলাসহ উভয় পক্ষের ৮/১০ আহত হয়েছে। শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা সদরের বাধঘাটা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। বর্তমানে উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, গত ৩ মে ব্যবসায়ী আবুল কালাম বাধঘাটা গ্রামের আব্দুস সবুরের স্ত্রী সাবিনা ও ছেলে এমদাদুল হকের ২২ শতক জমির মধ্যে ৬ শতক জমি ক্রয় করেন। যার মধ্যে একটি ঘর ছিল। জমি ক্রয়ের পরপরই তারা দখলে যায়। সেখানে আবুল কালাম, তার ভাই নূর ইসলাম, আব্দুস ছালাম ও আব্দুস সাত্তার আরো ৫টি ঘর তৈরী করে বসবাস করে আসছিলেন। সাবিনার সাথে তার দেবর আব্দুল বারীর একটি বাটোয়ারা মামলা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। শুক্রবার হঠাৎ করে আব্দুল বারী তার ভাই ও লোকজন নিয়ে সাবিনার বিক্রি জমি দখল নিতে যায়। এ সময় তারা সীমানা প্রাচীর ভেঙে ঘর-বাড়ি ও আসবাব পত্র ভাংচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। ঘরে মধ্যে থাকা আবুল কালামের প্যারালাইসড বৃদ্ধ বাবা নূর আলী গাজী ও বৃদ্ধা মা জহুরা বেগমকে মারধর করে উঠানে ফেলে দেয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে আব্দুস সালামের স্ত্রী সাবিকুন নাহারের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারে। এতে সে রক্তাক্ত জখম হয়। এ ছাড়া নূর ইসলামের কলেজপড়–য়া মেয়ে সুমাইয়া ইয়াসমিন ও দশম শ্রেণীর ছাত্রী ফাতেমা খাতুন, আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী রাশিদা বেগম ও আবুল কালামের স্ত্রী পারভীন বেগম আহত হয়। আহতদেরকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঘটনার সময় শ্যামনগর থানার এসআই রাজ কিশোরসহ ৬/৭জন পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এতবড় ঘটনা ঘটলেও তারা নীরব দর্শকের ভুমিকা পালন করেন। এ সময় তারা হামলাকারীদের আটক না করে উপরন্ত সাবিনার স্কুল পড়–য়া ছেলে এমদাদুল, আব্দুস সালাম ও আবুল কালামকে থানায় নিয়ে যায়। একপর্যায়ে পুলিশ তাদেরকে মুচলেকা দিয়ে জুম্মার নামাজের আগে ছেড়ে দেয়। পরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীকে শান্ত করতে আব্দুল বারীর বাড়ির কাজের ছেলে মুজিবরকে থানায় নিয়ে যায়। কিছুক্ষন পর আবার তাকেও ছেড়ে দেয়। জুম্মার নামাজের পর হাসপাতালে আহতদের দেখতে গেলে আবুল কালামের ভাগ্নে জাবের হোসেনকে আটক করে। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত জাবের থানা হাজতে ছিল। এ ঘটনায় থানায় পৃথক দু’টি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।
মো. আব্দুস সালাম গাজী অভিযোগ করে বলেন, আবুল কাশেম তরফদারের ছেলে মো. আব্দুল বারী তরফদার, মো. আব্দুর রাজ্জাক তরফদার, মো. আব্দুল হাই, আব্দুল বারী তরফদারের স্ত্রী রেহানা বেগম, মেয়ে বিভা খাতুন, আব্দুল বারী, মো. মজু খাঁসহ আরো ৫০/৬০জন শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে তারা লাঠিসোটা, লোহার রড নিয়ে তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় তারা রান্না ঘরসহ আটটি ঘর ভাংচুর, লুটপাট করে আগুন ধরিয়ে দেয়। তাতে বাধা দিতে গেলে আমাদের সকলের রক্তাক্ত জখম করে। আমরা নিরূপায় হয়ে বিভিন্ন জায়গায় ছোটাছুটি করি। তবে আমাদের পাশে কেউ এগিয়ে আসেনি।
অপরদিকে মাস্টার আব্দুল বারী অভিযোগ করে বলেন, আমার ভাই আব্দুস সবুরের কাছ থেকে আবুল কালাম ৬ শতক জমি ক্রয় করে। এ নিয়ে বাটোয়ারা মামলা চলছিল।
শুক্রবার আমার বাড়ির সাথে দেয়া প্রাচীরটি ভেঙে দিতে বলি। এ সময় আমার বড় ভাই আব্দুস সবুরের ছেলে এমদাদুলসহ আবুল কালামের লোকজন আমাদের উপর হামলা করে। এতে আমার বৃদ্ধা আম্মা সায়েরা ও মেয়ে রিভা খাতুন, ভাই মাওলানা মো. আব্দুর রাজ্জাক ও মো. আব্দুল হাই আহত হয়েছে। আগতদেরকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত শ্যামনগর থানার এসআই রাজ কিশোর বলেন, ঘটনা শুনে আমি ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সেখান থেকে কয়েকজনকে থানায় নিয়ে আসা হয় এবং মিমাংসার জন্য চেষ্টা চলছে। আপনার উপস্থিতিতে একজন ব্যবসায়ীর বাড়ি-ঘর ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি অসম্ভব। আমি একজন প্রশাসনের লোক। জনগণের জানমালের নিরাপত্তার দেয়া আমার দায়িত্ব।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

১০-০৮-১৮

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতি বছরের ভোগান্তির সমাধান চান টিকেট প্রত্যাশীরা

দেশের খবর: ঈদে ঘরে ফেরার প্রস্তুতি অনেকটা আগে ভাগেই। কারণ এবারে ছুটি বেশি হওয়ায় এমন প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন অনেকেই। তাইতো ঘরে ফেরা মানুষের মূল টেনশন টিকেট। প্রিয়জনের সানিধ্য পেতে হলে সবার আগে টিকেট নিশ্চিত করা চাই। সবচেয়ে বড় অগ্রিম ঝক্কিই হল টিকেট পাওয়া। ট্রেন ও বাসের টিকেট সংগ্রহে রীতিমতো যুদ্ধ চলছে। ২৪ ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে কাঙ্খিত টিকেট না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন অনেকে। আবার বাসের টিকেটের জন্য ছুটির দিনে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে কল্যাণপুর ও গাবতলী এলাকায়।

কাউন্টার থেকে টিকেট বিক্রি শুরু হয় সকাল ৮টায়। কিন্তু সোনার হরিন টিকেট পেতে আগের দিন রাত থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন অনেকেই। রাত যত গভীর হয়, ততো লাইনের পরিধি বাড়ে। সকাল ১০টা পর্যন্ত লোকে লোকারণ্য কমলাপুর। প্ল্যাট ফরম ছাপিয়ে জন স্রোত ঠেকেছে রাস্তা পর্যন্ত। কোন লাইন কোথায় শেষ হয়েছে তা দেখার জন্যও বেগ পেতে হবে। পরিস্থিতি ঠিক এরকমই। টিকেট সংগ্রহে এত মানুষের ভীড় কমই হয়, খোদ এমন কথা বলছেন টিকেট বিক্রির সঙ্গে যুক্ত অনেকেই। কমলাপুরে ২৬টি কাউন্টার থেকে একযোগে চলেছে টিকেট বিক্রি। শুক্রবার তৃতীয় দিনে ১৯ আগস্টের টিকেট বিক্রি হয়েছে।

যারা সর্বোচ্চ ২৪ ঘন্টা পরিশ্রম করে টিকেট সংগ্রহ করতে পেরেছেন তারা তো প্রশান্তির হাসি মুখে নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। যারা পাননি তাদের ঘরে ফেরার দুঃশ্চিন্তা রয়েই গেছে। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো নারীদের দুটি কাউন্টারেও হাজার ছাপিয়ে মানুষের উপস্থিতি। তবে সবার অভিযোগ টিকেট পেতে ধীরগতি। আর প্রতি বছরে টিকেট পেতে ভোগান্তি নিরসনে করনীয় নিয়ে আলোচনা তো আছেই। অর্থাত বছরের পর বছর প্রায় নির্দিষ্ট কাউন্টার থেকেই টিকেট বিক্রি হচ্ছে। অথচ প্রতি বছরই টিকেটের জন্য লোক সমাগম বাড়ছে অনেক। সে তুলনায় কাউন্টার বাড়ানো হচ্ছে না। এরমধ্যে ৬৫ভাগ টিকেট সাধারণ যাত্রীদের জন্য অপ্রতুল বলা হচ্ছে গ্রাহকদের পক্ষ থেকে।

এ বিষয়ে রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আমজাদ হোসেনের বলেন, প্রতি বছর টিকেট প্রত্যাশীর সংখ্যা বাড়ছে। একারণে জনভোগান্তি বাড়ছে এটা সত্য। কিন্তু আমরা মানুষের কষ্ট কমাতে প্রতি বছরই সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করি। আগে নারীদের জন্য পৃথক কোন বুথ ছিল না। কয়েক বছর ধরে নারীদের জন্য পৃথক বুথ স্থাপন করা হয়েছে। জনভোগান্তি নিরসনে আরো ৫০টি বুথ বাড়ানোর দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বুথ বাড়াতে হলে কম্পিউটার, পৃথক জনবল, সার্ভার আপডেট সহ নানা প্রক্রিয়া রয়েছে। তবুও আমরা আগামী বছর আরো ভাল সেবা দেয়ার চেষ্টা করবো। যেন মানুষের ভোগান্তি কম হয়।

এদিকে সাধারণ যাত্রীরা বলছেন,ঈদ উপলক্ষে চার ভাগে টিকেট বিক্রি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার। এরমধ্যে পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চল। কমলাপুরে নারায়নঞ্জ রেল স্টেশন প্ল্যাট ফরমে অন্তত একটি অঞ্চলের টিকেট ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে মূল প্ল্যট ফরমে ভীড় কমবে। এছাড়াও ঈদকে কেন্দ্র করে বিশেষ ব্যবস্থায় আরো বুথ বাড়ানো সময়ের দাবি। অর্থাত চার অঞ্চলের টিকেট বুথ পৃথক করে বিক্রির দাবি টিকেট প্রত্যাশীদের।

শুক্রবার সবচেয়ে বেশি ভিড় ছিল উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনগুলোর কাউন্টারের সামনে। বারবার হইচই হয়েছে এসি চেয়ার ও কেবিনের টিকেট নিয়ে। অনেক কাউন্টার থেকে বেলা ১২টার আগেই জানানো হয়েছে এসি চেয়ার ও কেবিন না থাকার কথা। রাজশাহীর যাত্রী কাসেম জানালেন, রাত ১টায় এসেও কেবিন ও এসি চেয়ারের টিকেট পাইনি। আবার নারী কাউন্টারে ভোর পাঁচটায় দাড়িয়ে রাজশাহীর টিকেট সংগ্রহ করেছেন দিবানিতা। তাই কারো মাুখে হাসি আর কারো মুখে ছিল কষ্টের ছাপ।

বেলা সাড়ে ১০টার দিকে নারী কাউন্টারের সামনে গিয়ে দেখা গেছে, ১৭ এবং ১৮ নম্বর কাউন্টার থেকে নারীদের টিকেট দেয়ার কথা থাকলেও ১৮ নম্বর কাউন্টারটি বন্ধ। আর ১৭ নম্বর কাউন্টার খোলা থাকলেও সেখানে ধীরগতিতে টিকেট বিক্রির অভিযোগ করেন কয়েকজন। টিকেট বিক্রি শুরু হওয়ার পর সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ওই কাউন্টার থেকে ৭০ জনকে টিকেট দেয়া হয়। ততক্ষণে অপেক্ষায় থাকা নারীদের লাইন আরও দীর্ঘ হয়েছে। প্রায় দেড় ঘন্টার বেশি সময় কাউন্টার বন্ধ থাকায় এ নিয়ে কমলাপুর স্টেশনজুড়ে হইচই দেখা দেয়। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা করে। তারা কাউন্টার মাস্টারদের পক্ষ নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলায় বাক বিতন্ডার সৃষ্টি হয়।

এসিব বিষয়ে কমলাপুরের স্টেশন ম্যানেজার সিতাংশু চক্রবর্ত্তী বলেন, শুক্রবার ৩৫টি আন্তঃনগর ট্রেনের ২৬ হাজার ৮৯৫টি টিকেট ছাড়া হয়েছে। যাত্রীদের চাহিদা অনুযায়ী টিকেট দেয়ার চেষ্টা করছেন তারা। তিনি জানান, নারীদের জন্য মোট ৩টা কাউন্টার। একটা চলতি কাউন্টার থেকেও নারীদের টিকেট দেয়া হয়। এ কারণে অগ্রিম টিকেটের দুটো কাউন্টারের একটা বন্ধ রাখা হয়েছিল। চাহিদা বেশি থাকলে সেটা থেকেও টিকেট দেয়া হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো টিকেট কিনতে যখন শত-শত মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে তখন কেন কাউন্টার বন্ধ করে দেয়া হল। স্টেশন ম্যানেজার এ ব্যাপারে যে যুক্তি উপস্থাপন করলেন তার সঙ্গে বাস্তবতার কোন মিল ছিল না।

আজ পাওয়া যাবে ২০ আগস্টের টিকেট আর ১২ আগস্ট মিলবে ২১ আগস্টের টিকেট। এই দিনগুলোতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় সকাল ৮টা থেকে টিকেট বিক্রি হবে।

বরাবরের মত এবারও মোট টিকেটের ৬৫ শতাংশ দেয়া হচ্ছে কাউন্টার থেকে। বাকি ৩৫ শতাংশের ২৫ শতাংশ অনলাইন ও মোবাইলে। ৫ শতাংশ ভিআইপি ছাড়াও রেল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ৫ শতাংশ। এদিকে ১৫ আগস্ট থেকে শুরু হবে ঈদ ফেরত যাত্রীদের জন্য ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি। ঈদ ফেরত অগ্রিম টিকেট রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, দিনাজপুর ও লালমনিহাট স্টেশন থেকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় বিক্রি শুরু হবে। ফিরতি টিকেট ১৫ আগস্টে পাওয়া যাবে ২৪ আগস্টের টিকেট। একইভাবে ১৬,১৭, ১৮,১৯ আগস্ট যথাক্রমে পাওয়া যাবে ২৫,২৬,২৭,২৮ আগস্টের টিকেট। টিকেট বিক্রি শুরু হবে সকাল ৮টায়।

বাংলাদেশ রেলওয়েতে প্রতিদিন ২ লাখ ৬০ হাজার যাত্রী চলাচল করলেও ঈদুল আজহা উপলক্ষে দৈনিক ৩ লাখ যাত্রী চলাচল করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে সুষ্ঠু ও নিরাপদে ট্রেন চলাচলের সুবিধার্থে ট্রেন পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত রেলওয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সকল প্রকার ছুটি বাতিল করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আবারও ২ দিনের রিমান্ডে অভিনেত্রী নওশাবা

বিনোদনের খবর: নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে ফেসবুক লাইভে এসে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে অভিনেত্রী-মডেল কাজী নওশাবা আহমেদকে আরও দুই দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ। প্রথম দফায় চার দিনের রিমান্ডে শেষে আজ শুক্রবার তাঁকে আদালতে হাজির করে আরও ১০ দিন রিমান্ড চাইলে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
ঢাকা মহানগর হাকিম আমিরুল হায়দার চৌধুরী এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একই আদালত এর আগে নওশাবাকে ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে কাজী নওশাবার বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ। মামলাটি তদন্ত কর্মকর্তা হলেন মহানগর পুলিশের উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই বিকাশ কুমার পাল।
আবারও রিমান্ড চাওয়ার কারণ হিসেবে আদালতে বলা হয়, নওশাবার সঙ্গে আর কার কার যোগাযোগ আছে তাতের মেইল আইডি আর কিছু বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।
গত ৫ আগস্ট জিগাতলায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলার সময় ফেসবুকে লাইভে আসা প্রসঙ্গে নওশাবা রাবকে বলেছিলেন, একজনের কথা শুনে তিনি এটা করেছেন। ওই সময় তিনি উত্তরায় একটি শুটিং স্পটে ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শোক দিবসে বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা দেবে বিএসএমএমইউ

দেশের খবর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা রোগী দেখার উদ্যোগ নিয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) কর্তৃপক্ষ। এছাড়া ওই দিন বিনামূল্যে/অর্ধমূল্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
আগামী বুধবার (১৫ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের বহির্বিভাগে এ সেবা দেওয়া হবে বলে নিশ্চিত করেছেন বিএসএমএমইউ’র জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রশান্ত মজুমদার।
বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে এই প্রথমবারের মতো যেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষাসমূহ বিনামূল্যে দেওয়া হবে- CBC, Urine for R/M/E, Stool for R/M/E এবং অর্ধমূল্যে দেওয়া হবে- X-ray Chest (P/A view), Blood for C/S, Urine for C/S, Widal test, S. Creatinine, S. ALT. FCG, USG of Whole Abdomen।

বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসাসেবা প্রদানের কার্যক্রম সফল করতে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার জন্য বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও পরিচালককে (হাসপাতাল) নির্দেশ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকাল ৭টায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস হতে যাত্রা, সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের বি ব্লকে স্থাপিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ, সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বটতলায় স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি, দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে বাদ জোহর কোরানখানি, দোয়া মাহফিল ও তোবারক বিতরণ। এছাড়াও রয়েছে অন্যান্য ধর্মালম্বীদের জন্য প্রার্থনা অনুষ্ঠান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নতুন রূপেই ফিরছেন মিস জিনতা

বিনোদনের খবর: পর্দার প্রীতি জিনতাকে একরকম ভুলতেই বসেছেন দর্শক। সবার কাছে এখন তিনি আইপিএল আসরের পরিচিত মুখ। কিন্তু কত দিন আর নিজ সত্তাকে এড়িয়ে চলা যায়, ভুলে থাকা যায় আপন শিকড়! লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশন যাঁর রন্ধ্রে রন্ধ্রে, ব্যাট-বলের দুনিয়ায় তাঁকে কত দিন আটকে রাখা যায়!
প্রীতি-ভক্তদের জন্য সুখবর। লম্বা বিরতির পর পুরোদমে ফিল্মে ফিরছেন। এত দিন বাদে ফিরবেন আর চমক দেখাবেন না, তা কী করে হয়। নতুন রূপেই ফিরছেন মিস জিনতা। বরাবরের মতো পাশের বাড়ির মেয়ের চেহারায় নয়, রীতিমতো মারদাঙ্গারূপে। ছবির নাম ‘ভাইয়াজি সুপারহিট’।
সম্প্রতি প্রীতি তাঁর ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করেছেন সিনেমাটির পোস্টার। ছবির ক্যাপশনে প্রীতি লিখেছেন, ‘ব্যাক উইথ এ ব্যাং! ভাইয়াজি সুপারহিট ছবির স্বপ্না দুবের সঙ্গে পরিচিত হোন। ১৯ অক্টোবর দেখা হবে কাছের সিনেমা হলে।’
এদিকে ছবির পোস্টার দেখে তো প্রীতি-ভক্তদের আক্কেল গুড়ুম। এ কোন প্রীতি? তাঁর হাতে পিস্তল। তিনি কাকে গুলিতে এফোঁড়-ওফোঁড় করবেন?
নীরাজ পাঠক পরিচালিত ‘ভাইয়াজি সুপারহিট’ ছবিটি অ্যাকশন-কমেডি ঘরানার। ছবিতে প্রীতির সঙ্গে একজন গ্যাংস্টারের ভূমিকায় সানি দেওলকে দেখা যাবে বলে খবর দিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম। দেখা যাবে আরশাদ ওয়ারসি, আমিশা প্যাটেল, প্রকাশ রাজ আর মিঠুন চক্রবর্তীর মতো তারকাদের।
১৯৯৮ সালে বলিউডে পা রাখা প্রীতি জিনতা রাতারাতিই পেয়ে যান তারকা খ্যাতি। অভিনয় করেছেন ‘দিল সে’, ‘দিল চাহতা হ্যায়’, ‘বীর জারা’, ‘কোয়ি মিল গ্যায়া’র মতো সুপারহিট ছবিতে। সবশেষ মূল চরিত্রে তাঁকে দেখা গেছে ২০০৮ সালে, ‘হেভেন অন আর্থ’ ছবিতে। এরপর বিশেষ ভূমিকায় টুকটাক কিছু অভিনয় করেছেন তিনি। তবে এবার প্রীতিকে পুরোদস্তুর নায়িকার চরিত্রে দেখা যাবে।
আইপিএলের কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব দলের মালিকানায় অংশীদারত্ব আছে প্রীতির। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাঁকে আইপিএল নিয়েই ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে। তাই হয়তো চলচ্চিত্রে পুরোপুরি সময় দিতে পারেননি এই বলিউড ডিভা। আইপিএলের সুবাদে মাঠ আর গ্যালারি তো অনেক মাতানো হলো। এবার প্রীতির পর্দা কাঁপানোর পালা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কর্তৃক daily satkhira

খেলার খবর: দীর্ঘ সাড়ে চার বছর বিরতির পর আবারও পেশাদার ক্রিকেটে ফেরার ঘোষণা দিলেন ইমরান নাজির। মাংসপেশির তন্তুতে প্রদাহজনিত রোগের কারণে এত দিন পেশাদার ক্রিকেট থেকে দুরে ছিলেন তিনি।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আবির্ভাবেই সাড়া ফেলেছিলেন তিনি। উইকেটের চারপাশে বাহারি সব স্ট্রোক খেলতেন। বিশেষ করে পেসারদের বিপক্ষে বেশি করে ঝলসে উঠত তাঁর ব্যাট। পাকিস্তানের ওপেনার হিসেবে অনেকে তাঁকে স্থায়ী ভাবতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু ১৯ বছরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারে মাত্র ৮ টেস্ট এবং ৭৯ ওয়ানডে কি এই ভাবনার সার্থকতা বহন করে?
বলা হচ্ছে, ইমরান নাজিরের কথা। দীর্ঘ সাড়ে চার বছর বিরতির পর আবারও পেশাদার ক্রিকেটে ফেরার কথা জানালেন নাজির। টেস্ট ও ওয়ানডেতে ১৯৯৯ সালে অভিষেক ঘটে আমিরের। এর আট বছর পর অভিষিক্ত হন আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে। এ সংস্করণে সর্বশেষ খেলেছেন ২০১২ সালে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সেটাই ইমরান নাজিরের সর্বশেষ উপস্থিতি। এরপর পাকিস্তান দল থেকে ছিটকে পড়েছেন।
গত সাড়ে চার বছর বেশ জটিল এক রোগে ভুগেছেন ৩৬ বছর বয়সী এ ওপেনার। মাংসপেশির হাড়ের সঙ্গে যুক্ত থাকা তন্তুর (টেন্ডন) প্রদাহে ভুগেছেন নাজির। রোগটা ইংরেজি নাম ‘টেনডিনাইটিজ’। এ রোগ কাটিয়ে নিজেকে এখন পেশাদার ক্রিকেট খেলার মতোই ফিট বলে ঘোষণা করলেন নাজির।
লাহোরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমি এখন ফিট। দীর্ঘদিন পর আবারও ক্রিকেট খেলতে পারব। ভক্তরা প্রার্থনা করেছেন বলেই আজ এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারছি। অসুস্থতা কাটিয়ে ওঠার জন্য আমি পিসিবি ও শহীদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশনের কাছে কৃতজ্ঞ।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest