সর্বশেষ সংবাদ-
Sommerliche Jackpot‑Demo‑Strategien: Wie Nv Casino Spieler unterstützt und Boni maximiertশ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণসাতক্ষীরায় নির্যাতিত মোটর শ্রমিক একতা ঐক্যের পরিচিতি সভা

ভারতে মাদার তেরেসা কেন্দ্রে শিশু বিক্রির ব্যবসা, আটক ৩

বিদেশের খবর: মাত্র ১৪ দিন বয়সী একটি শিশুকে বিক্রি করার অভিযোগে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ঝাড়খন্ডে মাদার তেরেসার মিশনারিজ অব চ্যারিটিতে কর্মরত এক মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই ঘটনায় কেন্দ্রের আরও দু’জন মহিলা কর্মীকেও আটক করা হয়েছে। শিশু বিক্রির আরও সম্ভাব্য অভিযোগ নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

ঝাড়খন্ডের শিশু কল্যাণ কমিটি (সি ডবলিউ সি) এই ব্যাপারে অভিযোগ জানানোর পরই পুলিশ এ ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নিয়েছে। এ ব্যাপারে মিশনারিজ অব চ্যারিটির প্রতিক্রিয়া জানতে তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু কোনও বক্তব্য জানা যায়নি।

ঝাড়খন্ডের একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আমরা জানতে পেরেছি যে, ওই কেন্দ্র থেকে এর আগেও অনেক শিশুকে অবৈধভাবে বিক্রি করা হয়েছে। পুলিশ এখন ওই বিক্রি হওয়া শিশুদের মায়েদের নামের তালিকা বের করে এই ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে।
ঝাড়খন্ডের রাজধানী রাঁচিতে অবস্থিত মিশনারিজ অব চ্যারিটির ওই সেন্টার থেকে পুলিশ ১ লক্ষ ৪০ হাজার ভারতীয় রুপিও উদ্ধার করেছে, যা শিশু বিক্রির অর্থ বলে তাদের সন্দেহ।

ঝাড়খন্ডে সরকারের শিশু কল্যাণ কমিটির প্রধান রূপা কুমারী জানান, মিশনারিজ অব চ্যারিটি থেকে কর্মীরা উত্তরপ্রদেশের এক দম্পতির কাছে সদ্যজাত একটি শিশুকে ১ লক্ষ ২০ হাজার রুপিতে বিক্রি করেছে – আমরা এখন এই অভিযোগের তদন্ত করছি।

তবে ওই দম্পতি তাদের বলেছেন, সেন্টারের হাসপাতালের উন্নয়নের জন্যই না কি ওই টাকা তারা দান করেছিলেন।

এর আগেও ভারতের বিভিন্ন শহরে নি:সন্তান দম্পতিদের কাছে ওই সেন্টার থেকে ৫০ থেকে ৭০ হাজার রুপির বিনিময়ে শিশুদের বিক্রি করা হয়েছে বলেও কমিটি জানতে পেরেছে।

১৯৯৭ সালে প্রয়াত মাদার তেরেসা আজ থেকে ৬৮ বছর আগে মিশনারিজ অব চ্যারিটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। নোবেল পুরস্কারজয়ী মাদারের প্রতিষ্ঠিত ওই সংস্থার বিশ্ব জুড়ে অজস্র কেন্দ্রে তিন হাজারেরও বেশি সন্ন্যাসিনী যুক্ত আছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বর্ণ পাচারের নিরাপদ রুট বেনাপোল সীমান্ত !

মোঃ রাসেল ইসলাম, বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল আন্তর্জাতিক সীমান্ত চেকপোষ্ট দিয়ে ভারতে পাচার হচ্ছে পায়ু পথে স্বর্ণ। পাচারকারী স্বর্ণমানবরা এখন এ সীমান্ত পথটি তারা নিরাপদ রুট হিসাবে ব্যবহার করছে। তবে পাচারকারীরা ইতোপূর্বে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে জুতার ভিতর, ব্যাগের ভিতর, পরনের প্যান্টের বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে স্বর্ণ পাচার করতো কিন্তু কাষ্টমস্ তল্লাশী কেন্দ্রের সদস্যরা এ সব কৌশল সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হওয়ায় এখন তারা লুকানো কৌশল পরিবর্তন করে স্বর্নেও বার পাচার করছে পায়ু পথে।
পায়ু পথ ব্যবহার ঐ পাচারকারী স্বর্ণ মানবের বেশ কষ্ট দায়ক হলেও এ পথটি তারা নিরাপদ মনে করছেন। একান্ত গোপনসুত্রে সংবাদ পাওয়া ছাড়া এ সব স্বর্ণ মানবদের আটক করা বেশ দুরুহ। ব্যাগেজ বা অন্যন্যা জায়গা যত সহজে তল্লাশী করে একজন পাসপোর্ট যাত্রীকে নিশ্চিত হওয়া যায় সে স্বর্ন পাচারকারী নয় কিন্তু একজন সন্দেহজনক স্বর্ণ মানবকে আটক করলে অতসহজে বোঝা যায় না সে স্বর্ণমানব কিনা। তাকে আটকের পর বেশ ঝুক্কি ঝামেলাও পোহাতে হয় কাষ্টমস্ কর্তৃপক্ষের। আটকের পর তাকে প্রথমে স্বীকার করনোর চেষ্টা করা হয়। তার পরেও যখন ঐ স্বর্ন মানব সব কিছু অস্বীকার করে তখন তাকে হাসপাতাল কিংবা ক্লিনিকে নিয়ে এক্সের করানোর পর কাষ্টমস্ কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হয় তার পেটের ভিতর অথবা পায়ু পথে স্বর্নের বার লুকানো আছে।
তখন তাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে খাওয়ানো হয় কলা, পাউরুটিসহ তরল খাবার। চেষ্টা করানো হয় পায়ু পথ দিয়ে এ সব স্বর্ন উদ্ধারের। তবে ২ থেকে ৬ ঘন্টা, ক্ষেত্র বিশেষ ৮ ঘন্টার মধ্যে পায়ু পথের স্বর্ণের বার উদ্ধার করা সম্ভব হয় এ সব স্বর্ণ মানবের শরীর থেকে। একজন স্বর্ণমানবের পায়ু পথ থেকে সর্বোচ্চ ১৭টি পর্যন্ত স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে বেনাপোল কাষ্টমস্ এবং শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেল কর্তৃপক্ষ। তবে বেনাপোল চেকপেষ্টে কর্মরত বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী সংস্থার কর্মকর্তারা জানান এখানে কর্মরত শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেলের কর্মতৎপরতা বৃদ্ধি পেলে এ পথে স্বর্ণ পাচার অনেকটা কমে যেত।
বেনাপোল কাষ্টম হাউসের জয়েন্ট কমিশনার এহসান খান জানান, ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোষ্ট এলাকা থেকে স্বর্নসহ ২৭জন স্বর্ন চোরাচালানীকে আটক করেছে কাষ্টমস্ ও শুল্ক গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ। যার মধ্যে রয়েছে ৬জন স্বর্ন মানব। এ সময় জব্দ করা হয়েছে ১৯ কেজি ৩০৪ গ্রাম স্বর্ন। যার বাজার মুল্যে ১৩ কোটি ৫১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানায় ও চুয়াডাঙ্গা থানায় মামলা হয়েছে ১৯টি। বেনাপেল চেকপোষ্ট থেকে সর্বশেষ ৭ই জুন-২০১৮ আটক স্বর্ন মানব শরিয়তপুর জেলার আব্দুল মান্নান ব্যাপারীর ছেলে লাভলু ব্যাপারী জানান এ সব স্বর্ন তার নয় সে বাহক মাত্র । ঢাকা থেকে প্রতি পিচ স্বর্নের বার কলকাতার নিদিষ্ট স্থানে পৌছে দিলে সে পাবেন পিচ প্রতি২ হাজার টাকা মাত্র। তবে এ স্বর্নের প্রকৃত মালিক কে তাও তার জানা নেই। তার এক বন্ধু তাকে এ সব স্বর্নের বার কলকাতায় পৌছে দিতে বলেছে। তবে এ পর্যন্ত বেনাপোল চেকপোষ্ট এলাকা থেকে যারা স্বর্ন সহ আটক হয়েছে তারা কেউ স্বর্নের মালিক নয় বাহক মাত্র। তবে প্রকৃত মালিক কে ? এমন জিঞাসা বিশিষ্ঠ জনদের।
স্বর্ণ পাচারকারী ধৃত আসামীরা আটক হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট থানা কর্তৃপক্ষের তেমন কোন অনুসন্ধ্যান অভিযানও দেখা যায় না প্রকৃত স্বর্ণের মালিকদের আটকের ব্যাপারে। বেনাপোলের একজন সাধারন ব্যবসায়ী জানান, দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে আসা ভারতীয় গরুর টাকা (ভারতীয় গরু ব্যবসায়ী মাহজনদের) সে দেশের মাহজনদের যোগান দিতে এ স্বর্ণ পাচার। গরু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের মাধমে ভারতীয় গরু ব্যবসায়ী মাহাজনদের বাংলাদেশে টাকা ছাড়াই পাঠনো গরু বিক্রির কোটি কোটি টাকা তারা পেয়ে থাকেন বাংলাদেশ থেকে পাঠানো এ সব স্বর্ণের মাধ্যমে। চোরা পথে ভারতে টাকা পাঠাতে নিরাপদ নয় এবং বহনেও অসুবিধার কারণে এ দেশ থেকে গরু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ভারতে স্বর্ণ পাঠিয়ে থাকেন। সে ক্ষেত্রে ভারত থেকে বাংলাদেশে চোরা পথে গরু আসা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত স্বর্ন পাচার অব্যহত থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্কটল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে দিল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল

খেলার খবর: ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল ৪৩ রানের লজ্জার ইতিহাস গড়লেও ব্যতিক্রম নারী ক্রিকেট দল।

সম্প্রতি ফর্মের তুঙ্গে রয়েছে সালমা খাতুনের নেতৃত্বাধীন দলটি। ঈদের ঠিক আগ মুহূর্তে অন্যতম ফেবারিট দল ভারতকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ নারী দল।

গত জুনে আয়ারল্যান্ড সফরে গিয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জিতে নেয় সালমা-জাহানারারা।

পারফরম্যান্সের তুঙ্গে থাকা বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের সামনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের খেলা। তার আগে প্রস্তুতি ম্যাচে বৃহস্পতিবার নেদারল্যান্ডের দ্বিতীয়-বৃহত্তম শহর রটার্ডামে স্কটল্যান্ডকে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।

এদিন টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নামা স্কটল্যান্ড, বাংলাদেশি বোলার ফাহিমা, রুমানা এবং লিলি রানীদের তোপের মুখে পড়ে ১৮.৫ ওভারে ৪৭ রানে অলআউট হয়ে যায় স্কটিশ নারীরা।

টার্গেট তাড়া করতে নেমে টি-টোয়েন্টির এই ম্যাচে ১০ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। ২৩ ও ১৮ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন আয়শা রহমান ও শারমিন সুলতানা।

আগামী শনিবার থেকে সালমাদের বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের খেলা শুরু। বাংলাদেশের প্রথম প্রতিপক্ষ পাপুয়া নিউগিনি। ঠিক পরের দিন সালমারা খেলবেন স্বাগতিক দল নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। ১০ জুলাই শেষ ম্যাচ আরব আমিরাতের সঙ্গে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপি আসবেই, আগামী নির্বাচন হবে অত্যন্ত কঠিন -প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর: আগামী নির্বাচনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যেভাবেই হোক বিএনপি নির্বাচনে আসবেই। আগামী নির্বাচন হবে অত্যন্ত কঠিন। ভবিষ্যতেও ক্ষমতায় আসার জন্য সবাইকে সেভাবেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে। দলীয় সংসদ সদস্যদের (এমপি) সতর্ক করে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ জুলাই) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনের নবম তলায় সরকারি দলের সভা কক্ষে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের বৈঠকে তিনি এ পরামর্শ দেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগকে টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসতে হবে। এ জন্য আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের মধ্যে কোনো ধরনের কোন্দল, দ্বন্দ্ব বা অনৈক্য দ্রুত মিটিয়ে ফেলতে হবে।

‘এসব আমি মেনে নেবো না, বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে কথা না বলে মন্ত্রী-এমপিদের বিরুদ্ধে দুর্নাম রটানো সহ্য করা হবে না।’

শেখ হাসিনা বলেন, প্রত্যেক মন্ত্রী-এমপির জরিপ রিপোর্ট আমার কাছে আছে। জরিপ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের মাধ্যমে যাকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে, তারপক্ষেই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

‘এলাকায় গিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ান। তাদের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে বিশ্বাস ও আস্থা অর্জন করেন। দলের নেতাকর্মীদের দূরত্ব থাকলে তা দ্রুতই মিটিয়ে ফেলেন,’ নির্দেশনা দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।

সভায় প্রধানমন্ত্রী আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে আবারও বিজয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসা জরুরি বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমরা সকল বাধা অতিক্রম করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করেছি, খুনিদের ফাঁসি দিয়েছি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছি। বিচারের রায়ও কার্যকর করেছি। আমাদের সরকারের সময় এই বিচার হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর খুনি চক্র ও যুদ্ধাপরাধীদের টাকা পয়সার অভাব নেই।

‘তারা টাকা ছড়ানো, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বিভিন্ন ধরনের চক্রান্ত, অনেক কিছুই করার চেষ্টা করতে পারে।তাই এই বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন তাদের তো আমরা বিপদে ফেলতে পারি না। আমাদের সবার জন্যই আগামীতে আবারও ক্ষমতায় আসতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী অক্টোবরেই নির্বাচন কমিশন জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে পারে বলে ধারণা করছি। সেজন্য আমাদের নির্বাচনের দ্রুত প্রস্তুতি নিতে হবে। আমার কাছে জরিপ রিপোর্ট আছে, আরও জরিপ হচ্ছে। আমরা দ্রুতই দলের নির্বাচনের মনোনয়ন প্রক্রিয়া শুরু করবো।

দলীয় কোন্দলের ব্যাপারে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বিশাল দল, একটি বিশাল পরিবার। এ দলে অনেক যোগ্য প্রার্থী রয়েছেন। কিন্তু প্রার্থিতার নামে অনেকেই রয়েছেন যারা নির্বাচনে আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি ও জামায়াতের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলেন না, উল্টো দলের মন্ত্রী-এমপির বিরুদ্ধে কথা বলে পার্টির দুর্নাম করছেন।

‘এমপিদের বিরুদ্ধে কথা বলা মানে দলের বিরুদ্ধে কথা বলা, সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলা। এটা সংরক্ষিত নারী আসনেরই হোক কিংবা দলের যে পর্যায়ের নেতাই হোন না কেন, এটা মেনে নেওয়া হবে না। দল যাকে মনোনয়ন দেবে তার পক্ষেই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে যাওয়া, দলের বিরুদ্ধে সহ্য করা হবে না।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, এমপি-মন্ত্রী হলে আশেপাশে অনেক সুবিধা ভোগী শ্রেণি তৈরি হয়। এতে দলের আসল নেতা-কর্মীরা বঞ্চিত হন। দলের তৃণমূলের কর্মীরাই আমার কাছে আসল। তৃণমূলের কর্মীরাই আমার কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। লক্ষ্য রাখতে হবে দলের তৃণমূল নেতাকর্মীরা যেনো উপেক্ষিত না হয়।

বৈঠকের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী আগামী ৮ জুলাই জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংরক্ষিত মহিলা আসনের মেয়াদ আরও ২৫ বছর বাড়ানোর বিষয়ে আনা সংশোধন বিল পাসের দিন সবাইকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেন।

মন্ত্রী-এমপিদের উদ্দেশ্যে করে তিনি বলেন, এখন থেকেই আপনারা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে দলকে শক্তিশালী করুন। অন্য দলগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলুন, যাতে আওয়ামী লীগ একা না হয়। তবে জামায়াত-বিএনপির সঙ্গে নয়। জাতীয় পার্টি, জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক রাখলে, সমর্থন নিলে বিগত ১৯৯১ সালেই আমরা ক্ষমতায় যেতে পারতাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নগরঘাটায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন

নিজস্ব প্রতিনিধি: মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে শাণিত করা ও জঙ্গিবাদ বিরোধী প্রচারণা জোরদার করার দৃপ্তপ্রত্যয়ে তালা উপজেলার নগরঘাটায় প্রদর্শিত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্য চিত্র। এসময় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের উপর নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র ও পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘গেরিলা’ প্রদর্শিত হয়।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় নগরঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান লিপুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পাটির পলিটব্যুরোর সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। এসময় বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সুভাষ সরকার, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সদস্য সচিব লায়লা পারভীন সেঁজুতি, ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক ও সাতক্ষীলা ফিল্ম সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম।

প্রদর্শীত ভিডিও চিত্রে ১৯৭২ সালে পুনর্গঠিত বাংলাদেশে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের অনুদানের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতায় প্রথম উদ্যোগ গ্রহণ করার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে ১৯৭২ সালে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ গঠন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু, সম্মানী ভাতা প্রদান, স্বাস্থ্য সেবা, সন্তান ও পোষ্যদের সরকার ঘোষিত সুবিধা, মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা, সরকার কর্তৃক মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ, সরকার কর্তৃক মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা প্রসঙ্গ, মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘর ইত্যাদি বিষয়ের উপরে ভিডিও চিত্র দেখানো হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ইনছার হেলাল, আরশাদ আলী, নূর আলী সরদার, আব্দুর সাত্তার, তোফাজ্জেল হোসেনসহ এলাকার সকল গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
পাটকেলঘাটার ২নং নগরঘাটা ইউনিয়নের পোড়ার বাজারে বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও প্রজন্ম সমন্বয় জাতীয় কমিটির উদ্যোগে এই ভিডিও চিত্র প্রদর্শিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কিংবদন্তি হয়েও যারা বিশ্বকাপ ফুটবল শিরোপা জিততে পারেননি

খেলার খবর: ফুটবলের সবচেয়ে বড় ইভেন্ট বিশ্বকাপ। সেই বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেতে চাননি এমন ফুটবলার বোধহয় কেউ নেই। কিন্তু চাইলেই তো আর হয় না! প্রতিভা, স্কিল এবং অনবদ্য ফুটবল খেলা সত্ত্বেও এমন অনেক ফুটবলারই রয়েছেন ভাগ্য যাদের বিশ্বকাপের গৌরব থেকে বঞ্চিত করে রেখেছেন। আসুন দেখে নেওয়া যাক কারা রয়েছেন এই তালিকায়।

তালিকার প্রথমেই থাকবে ফ্রেনস পুসকাসের নাম। ইতিহাসের সেরা ফুটবল দলের দলনেতা পুসকাসের হ্যাঙ্গেরি ছিল অপ্রতিরোধ্য, অপরাজেয়। ১৯৫০ থেকে ১৯৫৬ পর্যন্ত একটি মাত্র পরাজয়! সেটি ১৯৫৪’র বিশ্বকাপ ফাইনালে। এর আগে পরে ৬বছরে কেউ তাদেরকে হারাতে পারেনি।

এরপরেই যিনি রয়েছেন তিনি অবশ্য কিংবদন্তি গোলকিপার। সর্বকালের সেরা গোলকিপার বলেই একে মনে রেখেছে ফুটবলবিশ্ব। রাশিয়ার গোলকিপার লেভ ইয়াসিন। বিশ্বের একমাত্র গোলকিপার যিনি ১৯৬৩ সালে ব্যালন ডি’অর জিতেছেন।
স্পিডের জন্য ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’ (ব্ল্যাক স্পাইডার) নামে পরিচিত এই গোলকিপার ১৩ বছর দেশের হয়ে খেলেছেন।

গোলকিপার হিসেবে ফুটবলের প্রায় সব পুরস্কার দিয়ে নিজের ওয়ার্ড্রোব সাজালেও বঞ্চিত থেকেছেন বিশ্বকাপ থেকে।

কিংবদন্তি ফুটবলারদের তালিকায় অন্যতম বড় নাম উত্তর আয়ারল্যান্ডের জর্জ বেস্ট। ১৯৬৮ ব্যালন ডি’অর জেতেন এই কিংবদন্তি অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে ফুটবল বিশ্বকে একাধিক স্বপ্নের মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন এই ফুটবলার। কিন্তু দেশকে বিশ্বকাপ জেতাতে পারেননি বেস্ট।

তালিকায় আছেন ৬৬ বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা পর্তুগিজ লিজেন্ড ইউসোবিও। সেবার তৃতীয় স্থান নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় পর্তুগালকে। অথচ ক্লাব ফুটবলে ডি স্টেফানো ও পুসকাসের রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে তার নৈপূণ্যে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জেতে বেনফিকা। যদিও সর্বকালের সেরা পেলের সন্তোসের কাছে ইন্টারকিন্টনেন্টাল কাপে পরাজিত হন।

ফুটবলের জীবন্ত কিংবদন্তি দিয়াগো ম্যারাডোনার আগে ফুটবলবিশ্ব আলোড়ন তুলেছিলেন যে কিংবদন্তি ফুটবলার তার নাম জোহান ক্রুয়েফ। নেদারল্যান্ডসের সর্বকালের সেরা এই ফরোয়ার্ড ক্রুয়েফ তিনবার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। ‘ক্রুয়েফ টার্ন’ নামে ফুটবল সার্কিটে বিখ্যাত হয়ে রয়েছে এই কিংবদন্তি ফুটবলারের একটি মুভ। কিন্তু বিশ্বকাপের স্বাদ পাননি এই কিংবদন্তি ডাচ ফুটবলারও।

১৯৮৩, ১৯৮৪, ১৯৮৫ টানা তিনবার ব্যালন ডি’অর জয়ের হ্যাটট্রিকের রেকর্ড গড়েছিলেন ফরাসি কিংবদন্তি মিশেল প্লাতিনি। সর্বকালের সেরা আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডারদের একজন তিনি। ‘দ্য কিং’ নামে ফুটবল সার্কিটে পরিচিত এই কিংবদন্তিও কিন্তু বাদ থেকেছেন বিশ্বকাপ জয়ের গৌরব থেকে। ফ্রান্সের হয়ে প্রায় ২০ বছরের ফুটবল ক্যারিয়ারে অনেক চেষ্টা করেও ১৯৮২ এবং ১৯৮৬ সালে ফ্রান্সকে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল পর্যন্ত নিয়ে যেতে পেরেছিলেন।

প্লাতিনির সময়েই আরেক সর্বকালের সেরা ব্রাজিলিয়ান জিকো ফুটবল খেলেছেন তৎকালীন সেরা দলটিতে। কিন্তু ১৯৮২ ও ১৯৮৬-তে তারা শিরোপার মুখ দেখতে পারেননি।
তালিকার শেষ দুটি নাম যাদের তাদের নিয়ে বর্তমান ফুটবল বিশ্ব দ্বিধাবিভক্ত। এরা যদিও এখনও অবসর ঘোষণা করেননি। তবে ফুটবলবিশ্বে প্রায় সমস্ত রেকর্ড এবং পুরস্কার এদের সামনে মাথা নত করলেও বিশ্বকাপ এদের থেকে দূরে রয়েছে এখনও। আর্জেন্টিনার ফরোয়ার্ড লিওয়েন মেসি এবং পর্তুগাল ফরোয়ার্ড ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এই তালিকার শেষ দুটি নাম।

৩৩ বছর বয়সী পর্তুগাল ফরোয়ার্ড জিতেছেন পাঁচবার ব্যালন ডি’অর। পাঁচবার ইউরোপ সেরার খেতাবও রয়েছে সিআর সেভেনের ঝুলিতে। জাতীয় ও ক্লাব ফুটবল মিলে ৫০০-র বেশি গোল রয়েছে রোনালদোর ঝুলিতে কিন্তু বিশ্বকাপ এখনও অধরা এই কিংবদন্তির।

নক-আউটে উরুগুয়ের কাছে হেরে রাশিয়া বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে পর্তুগাল। সেই সঙ্গে এবারের মত শেষ হয়েছে রোনালদোর বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন। ২০১৮ আগে আরও তিনবার বিশ্বকাপের আসরে নেমেও খালি হাতেই ফিরেছেন সিআর সেভেন।

ভক্তদের চোখে তিনি ফুটবলের ‘ঈশ্বর’। ফুটবলবিশ্ব স্বীকৃতি দিয়েছে সেরা ফুটবল প্রতিভা বলে। রেকর্ড এবং পুরস্কারের উর্ধ্বে নিয়ে এসেছেন নিজেকে। পাঁচবার ব্যালন ডি’অর, গোল্ডেল বুট, গোল্ডন বলসহ বিশ্ব ফুটবলের প্রায় সমস্ত সম্মান তার ওয়াড্রোবে শোভা পায়। কিন্তু ২০০৬ থেকে আর্জেন্টিনার হয়ে চারবার বিশ্বকাপ মঞ্চে উপস্থিত হয়েও খালি হাতে ফিরতে হয়েছে মেসিকে।

রাশিয়া বিশ্বকাপে ফ্রান্সের কাছে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে হেরে বিশ্বকাপ থেক বিদায় নিয়েছে আর্জেন্টিনা। সেই সঙ্গেই মেসির বিশ্বকাপ স্পর্শ করার স্বপ্নের সলিল সমাধি ঘটেছে আরও একবার।

মেসি এবং রোনালদো দু’জনেই যদিও অবসর ঘোষণা করেননি। কিন্তু এই দুই কিংবদন্তি ফরোয়ার্ড ৩০ বছর পার করেছেন। তাই ২০২০ কাতার বিশ্বকাপে এই দুই ফুটবল জাদুকরের খেলা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। যদি সিআর সেভেন কিংবা এলএম টেন আর বিশ্বকাপের আসরে না-নামেন তাহলে পাকাপাকিভাবে এই তালিকায় নাম লেখাবেন এই দুই কিংবদন্তি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে বিজিবি’র অভিযানে ভারতীয় পাতার বিড়ি আটক

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি: কালিগঞ্জের বসন্তপুর সীমান্তে বিজিবি সদস্যরা বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পাতার বিড়ি আটক হয়েছে। তবে ঘটনার সাথে জড়িত চোরাকারবারীদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। বিজিবি সূত্র জানায়, ১৭ বিজিবি বসন্তপুর ক্যাম্প কমান্ডার নায়েব সুবেদার ইব্রাহিম হোসেনের নেতৃত্বে বিজিবি’র টহল দল বুধবার দিবাগত রাত ১০ টার দিকে দমদম এলাকায় কাঁকশিয়ালী নদী এবং সীমান্ত নদী কালিন্দী ও ইছামতির মোহনায় চোরকারবারীদের দেখে চ্যালেঞ্জ করেন। এসময় নদী পার করে অভিনব কায়দায় পলিথিনে মুড়িয়ে বিপুল পরিমাণ পাতার বিড়ি টিউবে ভাসিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নিয়ে আসছিল তারা। বিজিবি সদস্যদের উপস্থিত বুঝতে পেরে চোরকারবারীরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে ১৮ হাজার ৪০০ প্যাকেট ভারভীয় পাতার বিড়ি আটক করা হয়ে। আটককৃত বিড়ি বসন্তপুর কাস্টমসে জমা দেয়ার হয়েছে যার আনুমানিক মূল্য ৪ লক্ষ ৬০ হাজার ৮০ টাকা বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক : কলারোয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে বেকারি ও রেস্টুরেন্টকে ১২হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহষ্পতিবার বিকেলে পৌরসভাধীন মুরারীকাটি মোড়ে অবস্থিত খুলনা বেকারি এবং যুগিবাড়ী মোড়ে অবস্থিত বৈশাখী হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়।
নোংরা, অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ন তারিখ না থাকা, ট্রেড লাইসেন্স দেখাতে না পারা, কয়েকদিনের পুরোনো খাবার রাখাসহ অন্যান্য কারণে ওই প্রতিষ্ঠান দু’টিকে জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনিরা পারভীন।
ওই সময় খুলনা বেকারীকে ৭হাজার টাকা ও বৈশাখী হোটেলকে ৫হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি খুলনা বেকারির ম্যানেজার সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পাথরঘাটা গ্রামের মনোরঞ্জন ঘোষের পুত্র হিরন্ময় ঘোষ (১৯)কে ও বৈশাখী হোটেলের ম্যানেজার পাথরঘাটা গ্রামের আ.গফফার মোড়লের পুত্র মোখলেছুর রহমান (২৩)কে কঠোরভাবে সতর্ক করে দেয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা ভোক্তা অধিকার ফাউন্ডেশনের পরিদর্শক শেখ মো.মনিরুজ্জামান, কলারোয়া ইউএনও অফিসের বেঞ্চসহকারী আব্দুল মান্নান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest