সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণসাতক্ষীরায় নির্যাতিত মোটর শ্রমিক একতা ঐক্যের পরিচিতি সভাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটস এর ঈদ সামগ্রী বিতরণ

সু চিকে ক্ষমতাচ্যুত করার হুমকি মিয়ানমার সেনাপ্রধানের!

বিদেশের খবর: মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিকে ক্ষমতাচ্যুত করার হুমকি দিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান মিন অং হ্লেইং। ব্যাংকক পোস্টসহ আরো কয়েকটি সংবাদমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করেছে। এদিকে, সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবতি জানিয়েছে, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে ওই খবর অস্বীকার করে বুধবার এক বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।

চলতি মাসের শুরুতে অং সান সু চি, প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সেনাবাহিনীর উপ-প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন সেনাপ্রধান মিন অং হ্লেইং। ওই বৈঠকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিপরীতমুখী অবস্থান নেওয়ার পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান। সিদ্ধান্ত পছন্দ না হলে সু চির কাছ থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে নেওয়ারও হুমকি দেন তিনি।

এদিকে, সেনাপ্রধানের অভ্যুত্থানের হুমকির ওই খবর বুধবার অস্বীকার করেছেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের মহাপরিচালক জেনারেল ইউ জ্য হতে।

জ্য হতে বলেন, এ ধরনের কোনো হুমকি দেননি সেনাপ্রধান।

জানা গেছে, অং সান সুচি ও সেনাপ্রধানের মধ্যে রেষারেষি প্রশমনে কাজ করেছেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সার্বিয়াকে হারিয়ে গ্রুপ সেরা ব্রাজিল, আছে সুইসরাও

খেলার খবর: রাশিয়া বিশ্বকাপ যত এগোচ্ছে তত নিজেদের গুছিয়ে নিচ্ছে ব্রাজিল। আগের ম্যাচে যোগ করা সময়ের গোলে জেতা পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা এবার জিতল অনায়াসে। সার্বিয়াকে দুই অর্ধের দুই গোলে হারিয়ে গ্রুপ সেরা হয়ে গেল শেষ ষোলোতে।

অন্য ম্যাচে কোস্টা রিকার সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করার সুইজারল্যান্ড রানার্সআপ হিসেবে নকআউট পর্বে উঠেছে।

মস্কোর স্পার্তাক স্টেডিয়ামে বুধবার রাতে শুরুতেই বড় একটা ধাক্কা খায় ব্রাজিল। চোট পেয়ে দশম মিনিটে মাঠ ছাড়েন নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার মার্সেলো। তার জায়গায় এবারের আসরে প্রথমবারের মতো মাঠে নামেন আতলেতিকো মাদ্রিদের ফিলিপে লুইস।

চোটের জন্য বিশ্বকাপেই নেই দানি আলভেস। প্রথম ম্যাচ খেলার পর চোটে পড়েন দানিলো। এবার মাঠের বাইরে চলে গেলেন মার্সেলো। রক্ষণ গুছিয়ে নিতে একটু সময় নেয় পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

গাব্রিয়েল জেসুস, ফিলিপে কৌতিনিয়ো আর নেইমার দ্রুত গতিতে আক্রমণে গিয়ে ভীতি ছড়ান সার্বিয়ার রক্ষণে।

জেসুস, নেইমারের কারিকুরিতে ২৫তম মিনিটে ম্যাচের প্রথম ভালো সুযোগ পায় ব্রাজিল। ডি-বক্স থেকে পিএসজি ফরোয়ার্ডের শট হাত বাড়িয়ে ব্যর্থ করে দেন গোলরক্ষক ভ্লাদিমির স্তয়কোভিচ।

৩৬তম মিনিটে ব্রাজিলকে এগিয়ে নেন পাওলিনিয়ো। মাঝমাঠ থেকে বার্সেলোনা সতীর্থ ফিলিপে কৌতিনিয়োর বাড়ানো বল প্রথম স্পর্শেই আগুয়ান গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে জালে পাঠান এই মিডফিল্ডার।

শুরু থেকে রক্ষণে মনোযোগ দেওয়া সার্বিয়া পিছিয়ে পড়ার পর একটু আক্রমণাত্মক খেলে। তবে ব্রাজিলের জমাটরক্ষণ ভেঙে আলিসনের পরীক্ষা নিতে পারেনি একবারের জন্যও। প্রথমার্ধে ম্লাদেন ক্রাস্তাইচের শিষ্যরা লক্ষ্যে রাখতে পারেনি কোনো শট।

৫৬তম মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর দারুণ সুযোগ এসে যায় নেইমারের সামনে। কৌতিনিয়োর বাড়ানো বল যখন তাকে খুঁজে সামনে ছিলেন কেবল গোলরক্ষক। নেইমারের শট পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন স্তয়কোভিচ।

পরের কয়েক মিনিট ব্রাজিলের রক্ষণকে ভীষণ চাপে রাখে সার্বিয়া। ৬১তম মিনিটে একটি ক্রস ঠিকমতো পাঞ্চ করে বিপদমুক্ত করতে পারেননি, বল পেয়ে যান আলেকসান্দার মিত্রোভিচ। এই ফরোয়ার্ডের হেড চিয়গো সিলভার হাঁটুতে লেগে ফিরে।

চার মিনিট পর আবার সুযোগ আসে মিত্রোভিচের সামনে। তবে আলিসন বরাবর হেড করে দলকে হতাশ করেন এই ফরোয়ার্ড।

৬৮তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন চিয়াগো সিলভা। পিএসজি সতীর্থ নেইমারের কর্নারে লাফিয়ে হেডে বল জালে পাঠান এই ডিফেন্ডার।

৮৬তম মিনিটে গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় বাড়েনি ব্যবধান। সার্বিয়ার এক খেলোয়াড়ের পায়ে লাগার পর বল পেয়ে যান নেইমার। গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে তুলে দিয়েছিলেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। কিন্তু হাত বাড়িয়ে কোনোরকমে বলের নাগাল পেয়ে যান স্তয়কোভিচ। আরেকবার অল্পের জন্য গোল থেকে বঞ্চিত হন নেইমার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২০০২ বিশ্বকাপ থেকেই চ্যাম্পিয়নদের ধারাবাহিক বিদায়!

খেলার খবর: ১৯৯৮ বিশ্বকাপের পর থেকেই প্রতি বিশ্বকাপে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা দুর্ভাগ্যজনকভাবে প্রথম রাউন্ডে বিদায় নিচ্ছে। ব্যতিক্রম কেবল ২০০২ এর চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল।

১৯৯৮ বিশ্বকাপ। ফাইনালে জিদানের জোড়া হেডে ব্রাজিলকে হারিয়ে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপ ঘরে তুলেছিল ফ্রান্স। ২০০২ সালে কী হয়েছিল? ফ্রান্স বাদ পড়ে গেল গ্রুপ পর্ব থেকেই। প্রথম ম্যাচে সেনেগালের সঙ্গে ১ গোলে হার, দ্বিতীয় ম্যাচে উরুগুয়ের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র, আর শেষ ম্যাচে ডেনমার্কের সঙ্গে ২ গোলের হারে বিদায় নিয়েছিল বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দলটি।

২০০৬ সালের বিশ্বকাপের কথা। ফাইনালে মাতেরাজ্জিকে ঢুস দিয়ে জিদান দেখলেন লাল কার্ড। আর টাইব্রেকারে ফ্রান্সকে হারিয়ে ইতালি জিতে নিল নিজেদের চতুর্থ শিরোপা। কিন্তু পরের বিশ্বকাপ ২০১০ এ ইতালি পায়নি একটি জয়ও। দুই ম্যাচে ড্র আর এক ম্যাচে হার, ২ পয়েন্ট নিয়ে বিদায় নেয় প্রথম রাউন্ড থেকেই।

২০১০ বিশ্বকাপ। টিকিটাকা ছন্দে ফুটবলবিশ্বকে মুগ্ধ করে স্পেন জিতেছিল নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপ। ইউরো-বিশ্বকাপ-ইউরো জিতে তাদের ফুটবল বৃহস্পতি তখন তুঙ্গে। কিন্তু ২০১৪ সালে স্পেনও অনুসরণ করল নিজের মহাদেশের পূর্বসূরিদের। প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের কাছে হেরে যায় দলটি। ৫-১ গোলের ব্যবধানে। নেদারল্যান্ডস ২০১০ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালের প্রতিশোধ পরের বিশ্বকাপে যেভাবে নিয়েছিল, তা অনেক বছর মনে রাখবে স্প্যানিশ ফুটবল। চিলির সঙ্গে হারের পর অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সান্ত্বনার জয়ও এড়াতে পারেনি স্পেনের বিদায়।

ফ্রান্স, ইতালি, স্পেনরা যে পথে এগিয়েছে, সেই পথে হাঁটল জার্মানি। এ নিয়ে টানা তিনবার ইউরোপের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নরা গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিল। গ্রুপ চ্যাম্পিয়নদের প্রথম পর্ব থেকে বিদায় অবশ্য একেবারেই নতুন কিছু নয়। তা চলে আসছে অনেক আগে থেকে। ১৯৩০ বিশ্বকাপজয়ী উরুগুয়ে খেলেনি পরের বিশ্বকাপে। ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ বিশ্বকাপের জয়ী দল ইতালি নিজেদের ১৯৫০ বিশ্বকাপ শুরু করেছিল সুইডেনের কাছে হেরে। ১৯৫০ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সুইডেনের কাছে ৩-২ গোলে হেরে প্রথম পর্ব থেকেই বিদায়ের পথ চিনে নিতে হয়েছিল ইতালিকে।

এবার জার্মানি সেই পথ অনুসরণ করল। জার্মানি প্রথম পর্বে বাদ! বিশ্বকাপে এ এক অনন্য ঘটনা। জার্মানি কখনোই গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ যায়নি। ১৯৩৮ বিশ্বকাপে প্রথম পর্বে বাদ পড়েছিলেন জার্মানরা। কিন্তু সেবার বিশ্বকাপ শুরুই হয়েছিল এখনকার ফরম্যাট অনুযায়ী শেষ ষোলো দিয়ে। প্রথম থেকেই নকআউট। তা হিসাবে না–ও নিতে পারেন। সেটা তো আর গ্রুপ পর্ব ছিল না। গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ এক অর্থে এবারই প্রথম অভিজ্ঞতা হলো সাতবার ফাইনাল খেলা দলটির জন্য।

অথচ জার্মানি এবারও ছিল বিশ্বকাপের সেরা ফেবারিট। গ্রুপ এফ জার্মানির জন্য হিসাবমতো খুব কঠিন কিছু ছিলও না। কিন্তু জার্মানি শুরু থেকেই পথ হারিয়েছে। যে মেক্সিকোকে কনফেডারেশনস কাপে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে, তাদের কাছে নাস্তানাবুদ হয়েছে প্রথম ম্যাচে। ১-০ গোলের হার দিয়ে শুরু হয়েছিল। পরের ম্যাচে জার্মানিকে বাঁচিয়েছে টনি ক্রুসের সেই অবিশ্বাস্য ফ্রিকিক। কিন্তু আজ দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে তারা হেরে গেল ২-০ গোলে! এই প্রথম বিশ্বকাপে কোনো এশিয়ান দল জার্মানিকে হারাল। আর তাতেই বেজে গেল বিদায়ঘণ্টা।

জার্মানি প্রথম পর্বে বাদ পড়েছে, এ যেন এখনো অনেকের কাছে অবিশ্বাস্য ঘটনা। জার্মানি কমপক্ষে শেষ চারে গেছে ১৩ বার। ধারাবাহিকতার দিক দিয়ে তারা ব্রাজিলের চেয়েও কোথাও না কোথাও এগিয়ে। বিশ্বকাপ মানে জার্মানির জন্য অন্তত শেষ চারের নিশ্চয়তা। ১৯৫৪ বিশ্বকাপ থেকে ২০১৪, আগের ষোলোটি আসরে একবারই কমপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে পারেনি তারা। মাঝে আগের পনেরোটি আসরে কমপক্ষে শেষ আটে উঠেছে জার্মানি। তারাই এবার প্রথম রাউন্ডে বাদ! সেই জার্মানিকে এশিয়ার একটি দল বিদায় করে দিল! চোখ কচলে তাকালেও যে বিশ্বাস হতে চায় না!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্রাজিল-সুইজারল্যান্ড-সার্বিয়ার আজকের সমীকরণ

খেলার খবর: ব্রাজিল ড্র করলেই শেষ ষোলোতে যাবে। হারলে আছে নানা সমীকরণ। শেষ ষোলোতে যাওয়ার লড়াইয়ে আছে সুইজারল্যান্ড ও সার্বিয়া। গ্রুপ চ্যাম্পিয়নও হতে পারে যে কোনো দল।

ম্যাচ: ব্রাজিল-সার্বিয়া ও সুইজারল্যান্ড কোস্টারিকা

ব্রাজিল: সার্বিয়ার সঙ্গে ড্র করলেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত হবে ব্রাজিলের। হারলেও সুযোগ থাকবে যদি সুইজারল্যান্ডও হারে। তখন দেখা হবে গোল পার্থক্য বা সেটা সমান হলে মোট গোল অথবা সেটাও সমান হলে ডিসিপ্লিনারি রেকর্ড।

যেমন, ১. ব্রাজিল আর সুইজারল্যান্ড দুই দলই যদি ১-০ গোলে হারে তবে গোল পার্থক্যে এগিয়ে থেকে নকআউট পর্বে যাবে ব্রাজিল। ২. ব্রাজিল ২-০ আর আর সুইজারল্যান্ড ১-০ গোলে হারলে দুই দলের পয়েন্ট, গোল পার্থক্য আর মোট গোল হবে সমান। নিজেদের মধ্যে ম্যাচটিতেও সমতা (১-১ গোলে ড্র)। তাই তখন ডিসিপ্লিনারি রেকর্ডে ঠিক হবে কোন দল পরের ধাপে যাবে। সেটাও সমান হলে হবে লটারি। ৩. ব্রাজিল ২-০ আর সুইজারল্যান্ড ২-১ গোলে হারলে দুই দলের পয়েন্ট আর গোল পার্থক্যও সমান হবে। কিন্তু তখন বেশি গোল করায় শেষ ষোলোতে যাবে সুইজারল্যান্ড। তাই দুই দলই যদি হারে তবে ব্রাজিলের হার যদি ১ গোলের ব্যবধানের মধ্যে থাকে তবে সুইজারল্যান্ড যত গোল করেই হারুক না কেন নিরাপদ পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

ব্রাজিল আর সুইজারল্যান্ড উভয়েই যদি জেতে তবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন নির্ধারিত হবে গোল ব্যবধানে, সেটা সমান হলে মোট গোলে, সেটাও সমান হলে ডিসিমিপ্লনারি রেকর্ডে (এখন পর্যন্ত ব্রাজিল দেখেছে তিন হলুদ কার্ড, সুইজারল্যান্ড পেয়েছে চারটি)।

সুইজারল্যান্ড: কোস্টা রিকার সঙ্গে ড্র করতে পারলেই শেষ ষোলোয় উঠবে সুইজারল্যান্ড। হারলেও সুযোগ থাকবে যদি, ১. ব্রাজিলের কাছে সার্বিয়া হারে; ২ ব্রাজিল-সার্বিয়া ম্যাচ ড্র হওয়ার পর সার্বিয়া গোল পার্থক্যে, সেটা সমান হলে মোট গোলে সুইজারল্যান্ডের চেয়ে এগিয়ে না থাকে (গোল পার্থক্য আর মোট গোল সমান হলে সুইজারল্যান্ড এগিয়ে থাকবে দুই দলের মধ্যে ম্যাচে জেতায়); ৩. সার্বিয়ার কাছে ব্রাজিল হারলে ব্রাজিল গোল পার্থক্যে, সেটা সমান হলে মোট গোলে সুইজারল্যান্ডের চেয়ে এগিয়ে না থাকে (সমান হয়ে গেলে দেখা হবে ডিসিপ্লিনারি রেকর্ড দেখা হবে যেহেতু দুই দলের মধ্যে ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে)।

সার্বিয়া: ব্রাজিলকে হারালে নকআউট পর্বে উঠবে সার্বিয়া। ড্র করলেও সুযোগ থাকবে তাদের যদি কোস্টা রিকার কাছে সুইজারল্যান্ডের হারার পর সার্বিয়া গোল ব্যবধানে, সেটা সমান হলে মোট গোলে সুইজারল্যান্ডের চেয়ে এগিয়ে থাকে (গোল পার্থক্য আর মোট গোল সমান হলে সুইজারল্যান্ড উঠবে দুই দলের মধ্যে ম্যাচে জেতায়)।

যেমন, ১. ব্রাজিল-সার্বিয়া গোলশূন্য ড্র হলে আর সুইজারল্যান্ড ১-০ গোলে হারলে দুই দলের পয়েন্ট, গোল পার্থক্য সমান হবে তবে মোট গোল বেশি করায় সুইজারল্যান্ড শেষ ষোলোতে উঠবে। ২. ব্রাজিল-সার্বিয়া ১-১ গোলে ড্র হলে আর সুইজারল্যান্ড ১-০ গোলে হারলে দুই দলের পয়েন্ট, গোল পার্থক্য ও মোট গোলও সমান হবে; কিন্তু তখন সুইজারল্যান্ড শেষ ষোলোতে উঠবে দুই দলের মধ্যে ম্যাচে জেতায়। ৩. ব্রাজিল-সার্বিয়া ২-২ গোলে ড্র হলে আর সুইজারল্যান্ড ১-০ গোলে হারলে দুই দলের পয়েন্ট, গোল পার্থক্য সমান হবে তবে মোট গোলে এগিয়ে থেকে সার্বিয়া শেষ ষোলোতে উঠবে। ৪. ব্রাজিল-সার্বিয়া গোলশূন্য ড্র হলে আর সুইজারল্যান্ড ২-০ গোলে হারলে গোল পার্থক্যে এগিয়ে থেকে সার্বিয়া শেষ ষোলোতে উঠবে।

কোস্টা রিকা: আগেই বিদায় নিশ্চিত হয়েছে কোস্টা রিকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হেরেও সুইডেনের সঙ্গে শেষ ষোলোতে মেক্সিকো

খেলার খবর: ১২ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে আবারও শেষ ষোলোতে উঠল সুইডেন। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে কষ্টের জয়ের পর জার্মানির বিপক্ষে শেষ মুহূর্তের গোলে হেরে বিদায়ের শঙ্কায় ছিল তারা। কিন্তু গ্রুপের শেষ ম্যাচে মেক্সিকোকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ‘এফ’ গ্রুপের সেরা হয়ে নকআউটে জায়গা করে নিলো সুইডিশরা।

ইকাতেরিনবার্গে টানা দুটি জয়ে ফেভারিট হিসেবে সুইডেনের বিপক্ষে নেমেছিল মেক্সিকো। তারাই সুইডেনের কাছে উড়ে গেল। তবে আরেক ম্যাচে জার্মানি হেরে যাওয়ায় শেষ ষোলোতে উঠল মেক্সিকানরা। সুইডেনের সমান ৬ পয়েন্ট নিয়ে গোলব্যবধানে পিছিয়ে থেকে রানার্সআপ তারা।

আক্রমণ প্রতি আক্রমণে গেছে দুই দলই। প্রথমার্ধে দুই দলের বিনিময় হয়েছে ১৯টি শট, যেটা এই বিশ্বকাপের এক ম্যাচে সর্বোচ্চ।

এই ম্যাচে আরেকটি রেকর্ড হয়েছে, ১৩ সেকেন্ডে বিশ্বকাপের দ্রুততম হলুদ কার্ড দেখেছেন মেক্সিকোর ডিফেন্ডার জেসুস গায়ার্দো। ৪ মিনিটে বক্সের বাইরে মেক্সিকান গোলরক্ষক গিলের্মো ওচোয়ার হাতে বল লাগলে ফ্রি কিক পায় সুইডিশরা। ফোর্সবার্গের চমৎকার ফ্রি কিক দারুণ দক্ষতায় ঠেকান মেক্সিকোর গোলরক্ষক। ২৫ মিনিটে ওচোয়া ব্যর্থ করে দেন সুইডিশদের আরেকটি প্রচেষ্টা।

চার মিনিট পর আবার বিপদে পড়েছিল মেক্সিকো। হাভিয়ের এর্নেন্দেসের হ্যান্ডবলে পেনাল্টির আবেদন জানায় সুইডেন। কিন্তু ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি জানায় বক্সের মধ্যে ইচ্ছা করে বল হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করেননি তিনি।

৩১ মিনিটে আবারও দলকে গোল খাওয়া থেকে বাঁচান ওচোয়া। কর্নার থেকে বার্গের শক্তিশালী শট রুখে দেন মেক্সিকোর গোলরক্ষক। লক্ষ্যে সুইডেনের তিনটি শট ঠেকিয়ে ওচোয়া প্রথমার্ধে মেক্সিকোর নায়ক ছিলেন।

কিন্তু উজ্জীবিত সুইডেনকে বিরতির পর আটকাতে পারেননি তিনি। ৫০ মিনিটে ক্লাসেনের নিখুঁত পাসে অগাস্টিনসন গোলমুখ খোলেন। ফোর্সবার্গ ও বার্গকে আটকাতে ব্যস্ত মেক্সিকোর রক্ষণভাগের নজরের বাইরে থাকার ফায়দা নেন তিনি দারুণভাবে।

১২ মিনিটের ব্যবধানে আবার এগিয়ে যায় সুইডেন। মোরেনো ৬১ মিনিটে বক্সের মধ্যে ট্যাকল করে ফেলে দেন বার্গকে। পরের মিনিটে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন গ্র্যাঙ্কভিস্ত। ২০০২ সালে স্পেনের ফের্নান্দো হিয়েরোর পর প্রথম ডিফেন্ডার হিসেবে এক বিশ্বকাপে দুটি পেনাল্টি গোল করলেন সুইডেনের অধিনায়ক।

২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার চাপে মেক্সিকো আরও ভেঙে পড়ে। নিজেরাই নিজেদের শত্রু হয় তারা ৭৪ মিনিটে আত্মঘাতী গোল করে। মেক্সিকান ডিফেন্ডার এদসন আলভারেস বল বিপদমুক্ত করতে গিয়ে জালে জড়িয়ে দেন। এতেই বড় জয় নিশ্চিত হয় তাদের, টানা তৃতীয় আসরে শেষ ষোলোতে খেলাও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ বছর করার সুপারিশ

দেশের খবর: সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ বছর ও অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছর করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। কমিটি এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছে। বুধবার (২৭ জুন) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সরকারি চাকরিতে প্রবেশে বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়ে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি থাকলেও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে সরকারের কোনও উদ্যোগ নেই। প্রধানমন্ত্রীও এর আগে সংসদে প্রশ্নোত্তরে চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর দাবি নাকচ করে দিয়েছেন।

বৈঠকে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতি বাতিল করে আগের মতো স্থানীয়ভাবে ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

কমিটি বলেছে, এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ হলে দীর্ঘসূত্রতা ও অনিয়মের সুযোগ থাকে। সে কারণে এ পদ্ধতি বাতিল করার সুপারিশ করা হয়। কমিটি নিবন্ধনের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে মৌখিক পরীক্ষা বাতিল করার সুপারিশও করে।

এছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে উপজেলার আকার, ইউনিয়ন সংখ্যা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বিবেচনা করে বাস্তব অবস্থা বিবেচনার মাধ্যমে স্কুল-কলেজ সরকারিকরণের পরামর্শ দেওয়া হয়।

বৈঠকে জানানো হয়, বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/দফতরে ‘বিশেষ অনুরোধে’ ৪ জন সচিব, ৩৬ জন অতিরিক্ত সচিব, ১১১ জন যুগ্ম সচিব এবং ২০০ জন উপসচিব তিন বছরের বেশি সময় ধরে একই কর্মস্থলে রয়েছেন।

কমিটির সভাপতি এইচ এন আশিকুর রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, র আ ম উবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী, মো. আব্দুল্লাহ ও খোরশেদ আরা হক অংশ নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঘটে গেল রাশিয়া বিশ্বকাপের প্রথম বড় অঘটন

খেলার খবর: কী খেলাটাই না খেলল দক্ষিণ কোরিয়া! যেমন দুর্ভেদ্য ডিফেন্স, তেমনি শান দেওয়া দুর্দান্ত আক্রমণ! এই দলটি আগের দুই ম্যাচ হেরে নিজেদের বিদায় নিশ্চিত করেছে। আজ যেন কী হয়ে গেল তাদের, চোখ ধাঁধানো ফুটবল খেলে রাশিয়া বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় করে দিল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে! ২-০ ব্যবধানের এই জয়ে গোলদুটি এসেছে যোগ করা সময়ে। নিঃসন্দেহে এটি রাশিয়া বিশ্বকাপের প্রথম বড় অঘটন।

এশিয়ার দেশটির এই দুর্দান্ত জয়ে গোলকিপার চু হিয়ুং য়ুর অসামান্য অবদান ছিল। দুর্দান্ত কিছু শট প্রতিহত করে বেশ কয়েকবার নিশ্চিত গোল থেকে বঞ্চিত করেছেন জার্মানিকে। এই প্রথম বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিল চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এই ম্যাচে বেশ কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্ত দিয়েছেন রেফারি; যা জার্মানির পক্ষে গেছে। অন্তত একটি নিশ্চিত পেনাল্টি পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছে কোরিয়া।

কাজানে যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে জার্মানির জালে বল জড়ায় কোরিয়ার কিম ইয়ং গন। রেফারি প্রথমে এটাকে অফসাইড ঘোষণা করলেও রিভিউ নিয়ে গোল আদায় করে নেয় দক্ষিণ কোরিয়া। এরপর যোগকৃত সময়ের ৬ষ্ঠ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন সন। এবারও রিভিউ নিয়ে গোল আদায় করতে হয় কোরিয়াকে। রেফারি যথারীতি অফসাইড ঘোষণা করেছিলেন।

জার্মানির এই অবিশ্বাস্য বিদায়ে একটি ধারাবাহিকতা বজায় থাকল। ২০০২ বিশ্বকাপ থেকে ইউরোপের দলগুলো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরের টুর্নামেন্টেই বাদ পড়েছে প্রথম রাউন্ড থেকে। জার্মানি এবার সেই ধারাটাই বজায় রাখল। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের জন্য আরও একটি লজ্জার ব্যাপার হলো, সমান ৩ পয়েন্ট পেলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে গ্রুপের তৃতীয় দল হয়ে গেল দক্ষিণ কোরিয়া। গ্রুপ পর্ব থেকেই জমজমাট হয়ে ওঠা রাশিয়া বিশ্বকাপ আরও কত বিস্ময় উপহার দেবে তা দেখার বিষয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা ১৮৩৫৩ মেগাওয়াটে উন্নীত-প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্তমানে বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়ে ক্যাপটিভসহ ১৮ হাজার ৩৫৩ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আজ সংসদে তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের নূরুন্নবী চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। সরকার বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন ও ‘সবার জন্য বিদ্যুৎ’ সুবিধা নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিক, স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করে।

তিনি বলেন, এ পরিকল্পনার আওতায় উৎপাদন ক্ষমতা ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার কার্যক্রম চলছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসের স্থাপিত ক্ষমতার চেয়ে প্রায় চার গুণ বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ১৮ হাজার ৩৫৩ মেগাওয়াটে (ক্যাপটিভসহ) উন্নীত হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের মে পর্যন্ত মোট ১০ হাজার ৭৩৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৯৬টি নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাণিজ্যিকভাবে চালু হয়েছে।

তিনি বলেন, ভারত থেকে ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। বিদ্যুৎ সুবিধা প্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর সংখ্যা শতকরা ৪৭ ভাগ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে শতকরা ৯০ ভাগে উন্নীত হয়েছে (নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ)।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ ২২০ কিলোওয়াট ঘণ্টা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৪৩৩ কিলোওয়াট ঘন্টা দাঁড়িয়েছে (ক্যাপটিভসহ)। সঞ্চালন লাইন ৭ হাজার ৯৯১ সার্কিট কিলোমিটার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১১ হাজার ৬০ সার্কিট কিলোমিটারে উন্নীত হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, নতুন ১ লাখ ৮৯ হাজার ৬৩১ কিলোমিটার লাইন নির্মাণের মাধ্যমে বিতরণ লাইনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৫০ হাজার কিলোমিটার। নতুন ১ কোটি ৮৫ লাখ সংযোগের মাধ্যমে বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা ২ কোটি ৯৩ লাখে উন্নীত হয়েছে।

তিনি বলেন, বিদ্যুতের সামগ্রিক সিস্টেম লসের পরিমাণ শতকরা ১৬ দশমিক ৮৫ ভাগ থেকে হ্রাস পেয়ে শতকরা ১২ দশমিক ১৯ ভাগে দাঁড়িয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনের ক্ষমতা যথাক্রমে ২১ হাজার সার্কিট কিলোমিটার এবং ৪ লাখ ৭৮ হাজার কিলোমিটার উন্নীত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ২০২১ সাল নাগাদ ২ কোটি ২ লাখ প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণে স্মার্ট গ্রিড এবং আন্ডার গ্রাউন্ড বিতরণ নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হয়েছে। গ্রাহক সেবা নিশ্চিতকরণে আইসিটি ভিত্তিক সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণে এলএনজি টার্মিনাল, কোল টার্মিনালসহ ‘ফ্লুটিং স্টোরেজ এন্ড রিগ্যাসিফেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) নির্মাণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আঞ্চলিক সহযোগিতার ভিত্তিতে ভারত থেকে ২০১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে মোট ২ হাজার ৩৩৬ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎ আমদানির লক্ষ্যে কার্যক্রম চলছে। এ বছরই ভারত থেকে আরও ৫শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি শুরু হবে বলে আশা করা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest