সর্বশেষ সংবাদ-
কালীগঞ্জের নলতায় সড়ক ও জনপদ থেকে উচ্ছেদের পরেও পুনরায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িকসাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনসারা দেশে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্ক সংকেতUnderstanding Mr Fortune Login: Easy Access to Your Favorite Casino GamesWie Avia Masters traditionelle Casino-Spiele in den Schatten stelltUnlocking the Full Potential of Betmaze Casino’s Loyalty and Rewards Programতরুণদের শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক বিকাশে ঘটাবে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’- সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসকসাতক্ষীরায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ পানি এবং স্যানিটেশন নিশ্চিতে জনসচেতনতামূলক পটগান সাতক্ষীরায় মহিলা দোকানীকে হত্যাসাতক্ষীরায় আইনজীবীর জমি দখলচেষ্টা : হামলায় আহত ৩

সেই চুমুর দৃশ্য নিয়ে এবার ওয়াশিংটন পোস্টে প্রতিবেদন

ভিন্ন স্বাদের খবর: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে এক কপোত-কপোতির চুমুর যে ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, সেটি নিয়ে প্রতিবেদন হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্টে। পত্রিকাটির ভারত ব্যুরো চিফ অ্যানি গোয়েনের করা এই প্রতিবেদনের শিরোনাম ‘প্রেমিক-জুটির চুমুর ভাইরাল ছবি নিয়ে বাংলাদেশে অনেকের আপত্তি। যিনি ছবি তুলেছেন তিনি মার খেয়েছেন, চাকরিচ্যুত হয়েছেন।’

এতে বলা হয়, মৌসুমি বৃষ্টিতে দুই প্রেমিক-প্রেমিকার চুমুর স্বপ্নিল ছবিটি ফটোসাংবাদিক জীবন আহমেদ সোমবার নিজের প্রোফাইলে পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশে ভাইরাল হয়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে ওই জুটির এমন সপ্রতিভ মুহূর্ত নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে ছবিটি তোলা হয়েছিল, সেখানে এ ধরনের ঘটনা বেশ বিরল। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এই ক্যাম্পাস বিক্ষোভ ও সহিংস ঘটনা নিয়ে উত্তপ্ত ছিল।

এতে আরো বলা হয়, হাত ধরে থাকার দায়ে দুই শিক্ষার্থীকে পেটানোর অভিযোগে এই মাসেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তিন ‘রক্ষণশীল’ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে। তবে, প্রকৃতপক্ষে এই তিন শিক্ষার্থী ছিলেন ছাত্রলীগ কর্মী।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ, যেই দেশটিতে চরমপন্থা ক্রমেই গভীরে পৌঁছাচ্ছে, সেখানে অনেকে মনে করেন, ওই ছবিটি আপত্তিকর ছিল। ভারতের নিউজ ১৮ ওয়েবসাইটে এক রক্ষণশীল ব্লগার লিখেছেন, ‘প্রেমিক যুগল দিনে দিনে দুঃসাহসী হয়ে উঠছেন। আগে এ ধরনের ঘটনা গোপনে হতো। এখন এসব দিনে দুপুরে হচ্ছে। সেই দিন আর বেশি দূরে নেই যেদিন তারা প্রকাশ্যেই ভালোবাসাবাসি করবে।’

ফটোগ্রাফার জীবন আহমেদ অবশ্য বলছেন, ছবি তোলায় ওই যুগলের কোনো আপত্তি ছিল না। তিনি এ-ও বলেছেন যে, নৈতিকতা ‘পুলিশিং’-এর ভুক্তভোগী হওয়া মেনে নেবেন না তিনি। তার ভাষ্য, ‘নৈতিকতার বিকৃত চেতনা একজন শিল্পীর কাজকে প্রভাবিত করতে পারে না।’

সেদিনের কাহিনী বর্ণনা করে তিনি ওয়াশিংটন পোস্টকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসএসিতে তিনি যখন ছবি তোলার মতো মুহূর্ত খুঁজছিলেন, তখনই তিনি দেখতে পান বৃষ্টিতে ওই যুগল ‘লিপ-কিসিং’-এ মত্ত। এরপর এক ক্লিকেই তিনি নিজের ক্যামেরায় ধারণ করেন ওই ছবি। এরপর তিনি নিজের বার্তাকক্ষে পাঠান। তবে সেখানকার সম্পাদকরা এই ছবি প্রকাশে রাজি হননি, কেননা এ থেকে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া আসতে পারে। জীবনের ভাষ্য, ‘আমি তাদেরকে বললাম, না, আপনি এই ছবিকে নেতিবাচক হিসেবে দেখাতে পারেন না। কারণ, আমার কাছে এটি ছিল বিশুদ্ধ ভালোবাসার প্রতীক।’ পরে তিনি ছবিটি নিজের ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রাম প্রোফাইলে আপলোড করেন। আর এক ঘণ্টার মধ্যেই ৫ হাজার বার শেয়ার হয় ওই পোস্ট।

পরের দিন তারই কিছু ফটোসাংবাদিক সহকর্মী তাকে পেটান। আর একদিন পর বুধবার তারই বস তার কাছ থেকে আইডি ও ল্যাপটপ নিয়ে নেন। কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই।

জীবন বলছিলেন, ‘ওই যুগল অবিরাম চুমুতে ছিল। আমি এতে কোনো ভুল খুঁজে পাইনি। অশ্লীলতা খুঁজে পাইনি। অবশ্যই আজ আমি হতাশ। আমার ছবির অন্তর্নিহিত মর্মার্থ বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন তারা। আমি নিজের ব্যাপারেও কিছুটা চিন্তিত।’

খবরে আরো বলা হয়, এই ঘটনা এমন সময় ঘটলো, যখন বাংলাদেশে সাংবাদিকরা নানামুখী হুমকির সম্মুখীন। এ বছর কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্ট-এর এশিয়া প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর স্টিভেন বাটলার এক ব্লগ পোস্টে লিখেছেন, এই হুমকির মধ্যে রয়েছে জঙ্গি হামলা, যেগুলো বাংলাদেশের এক সময়কার সক্রিয় ব্লগার সম্প্রদায়কে ধ্বংস করে দিয়েছে। আছে কঠোর মানহানি আইন ও ভিন্নমতের প্রতি শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতা।

ঢাকার ইংরেজি পত্রিকা ঢাকা ট্রিবিউনের বিশেষ প্রতিবেদক তানিম আহমেদের ‘কিসিং লিবার্টি গুডবাই?’ (চুমুর স্বাধীনতা বিদায়?) শীর্ষক একটি মতামত কলামকে উদ্ধৃত করা হয়। তিনি লিখেছেন, এ ধরনের ‘শ্বাসরোধী’ পরিস্থিতিতে এ ধরনের কুণ্ঠাহীন নিষ্কলুষতার ছবি আশার সঞ্চার করে, যা এখন নাই বললেই চলে। তিনি আরো লিখেন, ‘এই যুগেও এ ধরনের কিছু মানুষের অস্তিত্ব আছে যারা জীবন, ভালোবাসা কিংবা তারুণ্য নিয়ে হাল ছাড়েননি, এমন ভাবনাটা মনকে সজীব করে দেয়। উষ্ণ করে দেয় হৃদয়কে।’ সূত্র: মানবজমিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একনজরে বাংলাদেশের যত সিরিজ জয়

খেলার খবর: ওয়ার্নার পার্কে মুস্তাফিজের শেষ বলটি যখন অ্যাশলি নার্সের ব্যাটে লাগল তখনই উল্লাসে ফেটে পড়লেন মাশরাফি, মিরাজ-মাহমুদুল্লাহরা। কারণ গেইল-আন্দ্রে রাসেলদের তাদের মাটিতে হারানো তো চাট্টিখানি কথা না। তবে এ জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ ঘরে তুললো টাইগাররা। সেই সঙ্গে ৯ বছর পর বিদেশের মাটিতে সিরিজ জয়ের আক্ষেপ ঘোচালো তারা।

সব মিলিয়ে এটি ২২তম ওয়ানডে সিরিজ জয় বাংলাদেশের। এর মধ্যে দেশের বাইরে ৫টি এবং ঘরের মাঠে ১৭টি। ২০০৫ সালে দেশের মাটিতে জিম্বাবুয়েকে ৫ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে ৩-২ ব্যবধানে হারায় স্বাগতিকরা। সেটিই ছিল টাইগারদের প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয়। এরপর সাফল্যের মুকুটে যোগ হয়েছে একের পর এক পালক।

দেশের বাইরে বাংলাদেশ প্রথম সিরিজ জিতে ২০০৬ সালে। কেনিয়াকে তাদের মাটিতে ৩-০ ব্যবধানে হারায় সফরকারীরা। আর বিদেশে সবশেষ সিরিজ জেতে ২০০৯ সালে। সেবার ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩-০তে ধোলাই করে সাকিব বাহিনী। অবশ্য বোর্ডের সঙ্গে দ্বন্দ্বে সেই সিরিজে ছিলেন না ক্যারিবীয়দের মূল ক্রিকেটাররা। এবারো সেই সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে ৪৮ রানের দাপুটে জয়ের পর দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও একই হাতছানি ছিল। তবে নাটকীয়ভাবে ৩ রানে হেরে যাওয়ায় তা হলো না। অন্যদিকে বাংলাদেশ ঘরের মাঠে সবশেষ সিরিজ জেতে ২০১৬ সালে। ওই বছরের অক্টোবরে আফগানিস্তানকে ২-১ ব্যবধানে হারায় ম্যাশ বাহিনী।

একনজরে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ২২টি সিরিজ জয়

প্রতিপক্ষ – সাল – ব্যবধান – স্বাগতিক দেশ

জিম্বাবুয়ে – ২০০৫/০৫ – (৩-২) – বাংলাদেশ

কেনিয়া – ২০০৫/০৬ – (৪-০) – বাংলাদেশ

কেনিয়া – ২০০৬ – (৩-০) – কেনিয়া

জিম্বাবুয়ে – ২০০৬/০৭ – (৫-০) – বাংলাদেশ

স্কটল্যান্ড – ২০০৬/০৭ – (২-০) – বাংলাদেশে

জিম্বাবুয়ে – ২০০৬/০৭ – (৩-১) – জিম্বাবুয়ে

আয়ারল্যান্ড – ২০০৭/০৮ – (৩-০) – বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়ে – ২০০৮/০৯ – (২-১) – বাংলাদেশ

ওয়েস্ট ইন্ডিজ – ২০০৯ – (৩-০) – ওয়েস্ট ইন্ডিজ

জিম্বাবুয়ে – ২০০৯ – (৪-১) – জিম্বাবুয়ে

জিম্বাবুয়ে – ২০০৯/১০ – (৪-১) – বাংলাদেশ

নিউজিল্যান্ড – ২০১১/১২ – (৪-০) – বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়ে – ২০১১/১২ – (৩-১) – বাংলাদেশ

ওয়েস্ট ইন্ডিজ – ২০১২/১৩ – (৩-২) – বাংলাদেশ

নিউজিল্যান্ড – ২০১৩/১৪ – (৩-০) – বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়ে – ২০১৪ – (৩-০) – বাংলাদেশ

পাকিস্তান – ২০১৫ – (৩-০) – বাংলাদেশ

ভারত – ২০১৫ – (২-১) – বাংলাদেশ

দক্ষিণ আফ্রিকা – ২০১৫ – (২-১) – বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়ে – ২০১৫ – (৩-০) – বাংলাদেশ

আফগানিস্তান – ২০১৬ – (২-১) – বাংলাদেশ

ওয়েস্ট ইন্ডিজ – ২০১৮ – (২-১) – ওয়েস্ট ইন্ডিজ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুলিশের অভিযানে আটক ৫৭, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ১১ মাদক মামলার আসামী ও দুই জামায়াত নেতাসহ ৫৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যা থেকে রোববার সকাল পযর্ন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয়েছে একটি শুটার গান, এক রাউন্ড গুলিসহ বেশ কিছু মাদক দ্রব্য। এসময় বিভিন্ন অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ৫ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৮ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৯ জন, তালা থানা ৪ জন, কালিগঞ্জ থানা ৭ জন, শ্যামনগর থানা ৭ জন, আশাশুনি থানা ৬ জন, দেবহাটা থানা ৪ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ২ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশের টেলিছবিতে কলকাতার শ্রীলেখা মিত্র

বিনোদন সংবাদ: বাংলাদেশের একটি টেলিছবিতে অভিনয় করতে যাচ্ছেন ভারতের কলকাতার জনপ্রিয় ও আলোচিত অভিনয়শিল্পী শ্রীলেখা মিত্র। ‘দার্জিলিংয়ের ভালোবাসা’ নামের টেলিছবিতে অভিনয়ের জন্য তাঁর সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানালেন পরিচালক রাশেদ রাহা। ভারতের কলকাতার ছোটপর্দা ও বড়পর্দা দুই মাধ্যমে সমানতালে কাজ করেন তিনি।

‘দার্জিলিংয়ের ভালোবাসা’ আগামী ঈদে বাংলাভিশনে প্রচারের জন্য তৈরি হবে। সময় যেহেতু কম, তাই আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে শুটিং শুরুর পরিকল্পনা করছেন পরিচালক।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে শ্রীলেখা মিত্র ঠিকই অভিনয় করেছেন কিন্তু নাটক কিংবা টেলিছবিতে এবারই প্রথম। তবে কলকাতায়ও ৯ বছর ধরে নাটকে কাজ করা হচ্ছে না এই অভিনেত্রীর। কলকাতার নাটক কিংবা টেলিছবিতে কাজ করার ক্ষেত্রে একটা অনীহাও আছে বলা যেতে পারে। কিন্তু সেখানে বাংলাদেশের টেলিছবিতে অভিনয় করতে রাজি হওয়ার কারণটা বললেন এভাবেই, ‘গল্পটা একটু আধুনিক মনে হয়েছে। বাংলাদেশে অসংখ্য ভক্ত-অনুসারী আছেন, যাঁরা আমার কাজ পছন্দ করেন, নিয়মিত মীরাক্কেল দেখেন। আমি টেলিভিশনে কাজ করছি না অনেক দিন। বাংলা ছবিও ওখানে মুক্তি দেওয়া হয় না, বলতে পারেন কৌশলগত কারণেও হ্যাঁ করা। আমি চাইছিলাম, বাংলাদেশের দর্শক একটু আমাকে দেখুক।’

শ্রীলেখা মিত্রের বাবার বাড়ি বাংলাদেশের মাদারীপুর। সময় পেলেই পরিবার নিয়ে বেড়িয়ে যান তিনি। জানালেন, গত বছর বাবাকে নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিলেন তিনি। মাদারীপুর গিয়েছিলেন। ঢাকায় এসে উঠেছিলেন আলমগীর ও রুনা লায়লার বাড়িতে। চিত্রনায়ক আলমগীরকে বড় ভাই মনে করেন বলেও জানালেন এই অভিনয়শিল্পী।

‘দার্জিলিংয়ের ভালোবাসা’ টেলিছবিতে কোন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করবেন জানতে চাইলে শ্রীলেখা মিত্র বলেন, ‘এটা একজন দম্পতির গল্প। এই দম্পতির দাম্পত্যজীবনে মিষ্টি একটা ঘটনা ঘটে, স্থিতিশীলতা আসে-সেখান থেকে গল্পটার মোড় নেয়। বাকিটা দেখে নিতে হবে।’

শ্রীলেখা মিত্র এই গল্পের সঙ্গে কতটা প্রাসঙ্গিক? পরিচালক রাশেদ রাহা বলেন, ‘আমার গল্পের ধরনটা যেমন, সেখানে শ্রীলেখা মিত্রের মতো একজন অভিনয়শিল্পীর প্রয়োজন মনে করেছি। এরপর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তিনি গল্প শুনে পছন্দ করেছেন। তা ছাড়া আমাদের দেশে শ্রীলেখা মিত্রের দর্শক আছে। তাই তাঁকে আমার টেলিছবির জন্য চূড়ান্ত করলাম।’

রাশেদ রাহা পরিচালিত ‘দার্জিলিংয়ের ভালোবাসা’ টেলিছবির গল্প লিখেছেন খায়রুল বাসার। এতে আরও অভিনয় করবেন ইমন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তামিমের শতকে শেষ ম্যাচ জিতে সিরিজ বাংলাদেশের

খেলার খবর: তামিম ইকবালের সেঞ্চুরিতে আবার দারুণ জয় পেল বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ১৮ রানে জিতল তারা। এতে ২-১ এ সিরিজও নিশ্চিত করলেন মাশরাফি মুর্তজারা।

৩০২ রানের লক্ষ্যে নেমে শুরু থেকে সতর্ক ছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু মাশরাফি মুর্তজার বলে টানা তৃতীয় ম্যাচে উইকেট হারান এভিন লুইস। ১০.১ ওভারে ৫৩ রানের জুটি গড়ে গেইলকে রেখে মাঠ ছেড়ে যান তিনি। তবে গেইল বড় বাধা হয়ে দাঁড়ান বাংলাদেশের জন্য। লুইসের সঙ্গে পঞ্চাশ ছাড়ানো জুটির পর শাই হোপকে নিয়ে ৫২ রানের জুটি গড়েন তিনি। ২২তম ওভারের পঞ্চম বলে গেইলকে মেহেদী হাসান মিরাজের ক্যাচ বানান রুবেল হোসেন।

তার আগে বড় লক্ষ্যে নেমে তৃতীয় ওভারে ১ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন লুইস। মাশরাফির পঞ্চম বলে একটি রান নিয়ে ৩৫তম ম্যাচে এই কীর্তি গড়েন তিনি। তবে ১১তম ওভারের প্রথম বলে ১৩ রানে মুশফিকুর রহিমের ক্যাচ হন এই ওপেনার। তিনি ফেরেন ৩৩ বল খেলে।

তবে গেইলের ঝড়ো হাফসেঞ্চুরিতে প্রতিরোধ গড়ে ক্যারিবিয়ানরা। ৪০ বলে ৫ চার ও ৩ ছয়ে ৪৯তম হাফসেঞ্চুরি করেন তিনি। আগের দুই ম্যাচে স্বরূপে দেখা যায়নি তাকে। সিরিজের শেষ ম্যাচে চেনা রূপে ফিরলেও রুবেল হোসেন নিজের দ্বিতীয় ওভারে থামান গেইল ঝড়। ৬৬ বলে ৬ চার ও ৫ ছয়ে ৭৩ রান করেন উইন্ডিজ ওপেনার।

১০৫ রানে ক্যারিবিয়ানরা দ্বিতীয় উইকেট হারালে হেটমায়ারকে নিয়ে দাঁড়িয়ে যান হোপ। তাদের ৬৭ রানের জুটি ভাঙেন মিরাজ। হেটমায়ারকে ৩০ রানে বোল্ড করেন তিনি। মিরাজ তার পরের ওভারে কিয়েরন পাওয়েলের উইকেট পেতে পারতেন। কিন্তু সাব্বির রহমান ক্যাচ ফেলে জীবন দেন ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যানকে। পরের বলে ফিফটি পূর্ণ করেন হোপ। যদিও ওই ওভারের পঞ্চম বলে মাশরাফির থ্রো থেকে মিরাজ রান আউট করেন পাওয়েলকে (৪)।

তবে যতক্ষণ হোপ ছিলেন, বাংলাদেশের জন্য অস্বস্তির সময় কেটেছে। মাশরাফি তার নবম ওভারের প্রথম বলে তাকে ডিপ মিড উইকেটে সাকিব আল হাসানের ক্যাচ বানান। ৯৪ বলে ৫ চারে ৬৪ রান করেন হোপ। ৪৮তম ওভারের প্রথম বলে হোল্ডারকে (৯) রুবেলের ক্যাচ বানান মোস্তাফিজ।

সেন্ট কিটসে টস জিতে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। তামিমের সঙ্গে ৩৫ রানের জুটিতে মাত্র ১০ রান করে এনামুল হক আউট হন। তবে দ্বিতীয় জুটিতে ৮১ রান করে দারুণ অবদান রাখেন তামিম ও সাকিব। ৩৭ রান করে সাকিব আউট হলে তামিমের ১০৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস বাংলাদেশকে এনে দেয় ৬ উইকেটে ৩০১ রান। তাছাড়া মাহমুদউল্লাহ ৪৯ বলে ৫ চার ও ৩ ছয়ে ৬৭ রানে অপরাজিত ছিলেন।

মাশরাফি মুর্তজা করেন ২৫ বলে ৩৬ রান। ৪টি চার ও ১টি ছয় রয়েছে তার ইনিংসে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন জেসন হোল্ডার ও অ্যাশলে নার্স। ক্রিকইনফো

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাইফকে চুমু খেতে দিচ্ছে না করিনা!

বিনোদন সংবাদ: সদ্য লন্ডনে ছুটি কাটিয়ে দেশে ফিরেছেন সাইফ আলি খান। সঙ্গে ছিলেন করিনা কপূর এবং ছোট্ট তৈমুর। তার পরই সাংবাদিকদের সামনে এক ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করেছেন সাইফ। তার দাবি, করিনা নাকি তাকে চুমু খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন! শুধু করিনাই নন, এই তালিকায় রয়েছে তৈমুরও।

হঠাৎ কী এমন হল যে, এমন ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ্যে শেয়ার করলেন সাইফ? তা হলে কি করিনার সঙ্গে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়েছে তার?

না! এর মধ্যে গসিপের কোনও উপকরণ নেই। করিনা এবং তৈমুরের চুমু না খাওয়ার কারণও প্রকাশ্যে বলেছেন সাইফ।

সাইফের কথায়, ‘আমি নভদীপের পরের ছবিতে এক নাগা সাধুর ভূমিকায় অভিনয় করছি। ফলে দাড়ি, গোঁফ বড় রাখছি। করিনা বলেছে ও এটা পছন্দ করে। কিন্তু নিজেও আমাকে চুমু খাচ্ছে না। আর তৈমুরকেও চুমু খেতে দিচ্ছে না।’ হাসতে হাসতে সাইফ জানিয়েছেন, তৈমুর হাতে চুমু খাচ্ছে। কিন্তু গালে চুমু খেতে বললেই নাকি এড়িয়ে গিয়ে সাইফের কপালে চুমু খাচ্ছে!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হঠাৎ থমকে গেলেন অপু বিশ্বাস!

বিনোদন সংবাদ: সংগীত জগতে একসঙ্গে ৫টি গান প্রকাশ করে যাত্রা শুরু করেছে ‘এসএস মিউজিক ক্লাব’। রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্টুরেন্টে শুক্রবার উন্মোচন হয়েছে এর ইউটিউব চ্যানেল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার আফরোজা সুলতানা পপি, উপদেষ্টা ও গীতিকার বিলিয়ান বিপু,সংগীত পরিচালক আবিদ রনি,নির্মাতা ওসমান মিরাজ, বিভিন্ন প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, শোবিজ অঙ্গনের মানুষ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হয়ে এসেছিলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস!

এসএস মিউজিক ক্লাব-এর পাঁচটি মিউজিক ভিডিও সবার জন্য যখন লঞ্চ করা হবে। তখন স্বাভাবিকভাবেই স্পিকারে পুরো ভলিউমে চলছে গান। এসময় মিউজিকের তালে তালে সুর মেলাতে ও মাথা নাড়াতে দেখা গেছে অনককেই। এমনকি অপু বিশ্বাসও তখন মিউজিকের সাথে সাথে মাথা দোলাচ্ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ থমকে গেলেন অপু!

কারণ, গানের শেষ অংশতে শোনা গেলো ‘ও বন্ধু আমি সেই অপু বিশ্বাস’! সবাই কিছু বোঝার আগেই স্টেজে বসেই রীতিমতো চিৎকার করে উঠলেন অপু বিশ্বাস! বলে উঠলেন, আমাকে নিয়ে গান! হোয়াট অ্যা সারপ্রাইজ! এরপর নিজেই মাইক্রোফোন নিলেন অপু।

এসএস মিউজিক ক্লাব-এর এমন সারপ্রাইজে তিনি বললেন, অনেকদিন পর এতো বড় একটা সারপ্রাইজ পেলাম। আমি আগে ভাবতেও পারিনি যে আমার জন্য এতো বড় একটি সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে। সত্যি অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না!

অপুকে নিয়ে করা গানটি ছাড়াও অনুষ্ঠানে একসঙ্গে পাঁচটি মিউজিক ভিডিও দিয়ে এসএস মিউজিক ক্লাবের ইউটিউব চ্যানেলের উদ্বোধন করা হয়। সবগুলো গানের মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করেছেন তরুণ নির্মাতা ওসমান মিরাজ। এই চ্যানেল থেকেই আগামীতে দেশের বরেণ্য ও জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীদের গান ও মিউজিক ভিডিও নিয়মিত প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়।

প্রতিষ্ঠানটির উপদেষ্টা বিলিয়ান বিপু বলেন, ছোটবেলা থেকেই সঙ্গীতের প্রতি আমার ভালোবাসা রয়েছে। সঙ্গীতকে আমি নিজের মধ্যে ধারণ করি। সে ভালোবাসা থেকেই আজ এসএস মিউজিক ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত হওয়া। আমার বিশ্বাস প্রতিষ্ঠানটি থেকে ভালো মানের গান ও মিউজিক ভিডিও সবাইকে উপহার দিতে পারবো।

পাঁচটি মিউজিক ভিডিওর সংগীত আয়োজন: বিলিয়ান বিপুর কথায় ‘মনকে খুঁজেছি’ গানে কণ্ঠ দিয়েছেন সোহান ও রেশমি। এই গানটির সুর ও সংগীত করেছেন সুষমিত মণ্ডল। আবিদ রনির সুর, সংগীত ও কথায় ‘অস্থির সময়’ গানে কণ্ঠ দিয়েছেন আতিক সামস। ‘মন শুধু চায়’ গানে কণ্ঠ দিয়েছেন ন্যানসি ও আতিক সামস। এই গানটিরও সুর, সংগীত ও কথা আবিদ রনির।

কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি ‘দূরে তুমি’ গানটিরও সুর, সংগীত ও কথা মাহমুদ সানির। নিজের সুর ও সংগীতে ‘হারিয়েছি তোর প্রেমে’ গানে কণ্ঠ দিয়েছেন সুষমিত মণ্ডল। কথা লিখেছেন বিলিয়ান বিপু।

গানগুলোতে মডেল হিসেবে দেখা যাবে-আমান রেজা, আশফাক রানা, লিয়ানা লিয়া, তারেক, রিও, ঝরা, তৃষ্ণা, সূচি, মাহামুদ সানি ও জেরিন। অনুষ্ঠানে সবগুলো মিউজিক ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডায়াবেটিস রোগীদের ফলমূল খেতে পারা না পারা

স্বাস্থ্য কণিকা: ডায়াবেটিস রোগীদের মনে ফল খাওয়া না খাওয়া নিয়ে অপরিসীম দ্বিধা-দ্বন্দ্ব কাজ করে। আবার তাজা ফলমূল আস্ত খাবেন নাকি ফলের রস খাবেন। এ নিয়েও বহু প্রশ্ন আছে অনেকের মনে। আস্ত ফলমূল খাওয়া ফলের রস পানের চেয়ে অনেকটাই ভালো ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে। তাজা ফলমূল বা ফলের রস প্রায় সব মানুষের জন্যই ভালো। আর সে ফল যত রঙিন হয় ততই ভালো, বিশেষ করে সবুজ হলে। ডায়াবেটিসের রোগীর ক্ষেত্রেও কিছুদিন আগ পর্যন্ত এরকম ভাবা হতো। কিন্তু বেশিরভাগ ফলের রসই ডায়াবেটিস রোগীর রক্তের গ্লুকোজ বৃদ্ধির কারণ হবে। আবার সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু কিছু ফলের রস দীর্ঘদিন নিয়মিত পান করলে টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক বৃহৎ আকারে গবেষণার ফলাফল শুধু ডায়াবেটিসের রোগী নয়, ডায়াবেটিসের ঝুঁকিতে আছে এমন সবাই তাজা ফলমূল খেলে লাভবান হবেন। লন্ডনভিত্তিক এই গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত তাজা ফল খান তাদের ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি ১২ শতাংশ কমে যেতে পারে এবং পুরুষ-মহিলা যে কোনো বয়স, অঞ্চল, মৌসুম, ধূমপান, মদপান, শারীরিক শ্রম বা শ্রমহীনতা দৈহিক সু্থলতা এবং ডায়াবেটিসের পারিবারিক- এর কোনোটিই এই ঝুঁকি কমানোর উপরে প্রভাব ফেলতে পারে না। আবার যারা প্রতিদিন ১০০ গ্রাম করে তাজা ফল নিয়মিত খেয়ে যাচ্ছেন, তাদের ডায়াবেটিস সংক্রান্ত মারাত্মক জটিলতাসমূহ : ডায়াবেটিসজনিত কিডনি রোগ, হৃদরোগ, স্ট্রোক ও ডায়াবেটিস সংক্রান্ত যে কোনো রোগ হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস পায়। নিয়মিত ফল খাওয়া বলতে প্রতিদিন এক থেকে তিনটি তাজা ফল খাওয়া বুঝাচ্ছে।

তাজা ফলে প্রচুর আঁশ, খনিজ পদার্থ এন্টি অক্সিডেন্ট থাকে, যা একই সঙ্গে শক্তিদায়ক, প্রদাহনাশক, উচ্চ রক্তচাপ নিরোধক, রক্তের বৃদ্ধি বা হ্রাসকরণের সহায়ক এবং রক্তনালিতে ব্লক তৈরিতে বাধা প্রদান করতে পারে। ফলমূলের উপাদানসমূহ মাইক্রোবায়োবা সমূহকে প্রভাবিত করে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়।

-ডা . শাহজাদা সেলিম, সহকারী অধ্যাপক, এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest