সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণসাতক্ষীরায় নির্যাতিত মোটর শ্রমিক একতা ঐক্যের পরিচিতি সভাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটস এর ঈদ সামগ্রী বিতরণ

শ্যামনগরে অস্ত্র সহ ডাকাত আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার শ্যামনগরে অস্ত্র সহ কিশোর শীল (৩৮) নামে এক ডাকাতকে আটক করেছে র‌্যাব-৬ সদস্যরা। বৃহস্পতিবার রাত ২ টার দিকে উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের কলবাড়ি গ্রাম থেকে তাকে আটক করে। এসময়ে তার কাছ থেকে ১ টি পাইপ গান ও ৫ রাউন্ড তাজা কার্তৃজ জব্দ করে। সে বাগেরহাট জেলার মংলা থানার দিঘরাজ গ্রামে কৃষ্ণপদ শীলের ছেলে।
র‌্যাব-৬ এর উপ-পরিচালক (ডিএডি) জয়নাল আবেদীন জানান, ডাকাতির উদ্দেশ্যে সুন্দরবনে প্রবেশের খবর গোপনে জানতে পেরে র‌্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র গুলি সহ তাকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে সুন্দরবনে বনদস্যুতার কথা স্বীকার করেছে কিশোর শীল। অস্ত্র সহ তাকে শ্যামনগর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। শ্যামনগর থানার ওসি সৈয়দ মান্নান আলী সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অস্ত্র আইনে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাকালে কিশোর শীল জানায়, প্রথম পর্যায়ে সে রামপাল এলাকায় শহিদুল বাহিনীর সক্রিয় সদস্য ছিল। সেখানে ৬ বছর যাবৎ সুন্দরবনে বনদস্যুতার সাথে জড়িত ছিল। শহিদুলের মৃত্যুর পর দল ত্যাগ করে বনদস্যু ন’ভাই বাহিনীতে যোগ দেয়। পরবর্তীতে ন’ভাই বাহিনী র‌্যাবের হাতে আত্মসর্মপনের পরে দল ত্যাগ করে। মুন্সিগঞ্জ এলাকায় বনদস্যু সিদ্দিক বাহিনীর প্রধান সিদ্দিক তাকে সুন্দরবনে বনদস্যুতার জন্য নিয়ে এসেছে। তার দুই ছেলে মেয়ে সহ স্ত্রী বর্তমানে ভারতে নদিয়া জেলায় বসবাস করছে জানায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্রাজিলকে এড়াতে আজ হারবে বেলজিয়াম ও ইংল্যান্ড?

রাশিয়া বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের আজ সর্বশেষ ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে বেলজিয়াম এবং ইংল্যান্ড। আপাতদৃষ্টিতে গুরুত্বহীন ম্যাচ।

কারণ দুই দলই পৌঁছে গেছে নক-আউট পর্বে। সমান ৬ পয়েন্ট করে পাওয়া দুই দলই আজ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য লড়বে- এমনটাই স্বাভাবিক। কিন্তু না, এই ম্যাচেও আছে অন্য হিসাব!

গ্রুপ ‘জি’ এর ম্যাচে বাংলাদেশ সময় রাত ১২টার ম্যাচে যে দল চ্যাম্পিয়ন হবে, তারা নক-আউটে আগামী ০২ জুলাই রাত ৮টায় মুখোমুখি হবে জাপান-সেনেগাল ম্যাচের (গ্রুপ ‘এইচ’ রানার্সআপ) পরাজিত দলের সঙ্গে। অন্যদিকে আগামী ০১ জুলাই ‘এফ’ গ্রুপের রানার্সআপ মেক্সিকোর বিপক্ষে মাঠে নামবে ‘ই’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। এ পর্যন্ত সব ঠিক থাকলেও, আসল হিসাবটা শুরু হবে পরবর্তী পর্ব, অর্থাৎ কোয়ার্টার ফাইনালে।

ধরা যাক, ‘জি’ গ্রুপে আজকের ম্যাচে জয় পেয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলো বেলজিয়াম। অন্যদিকে গ্রুপ ‘এইচ’ এর ম্যাচে সেনেগাল হেরে রানার্সআপ হলো। এরপর শেষ ষোলোর লড়াইয়ে বেলজিয়াম হারিয়ে দিল সেনেগালকে। অন্যদিকে একই পর্বে ব্রাজিল হারিয়ে দিল মেক্সিকোকে।

তখন কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচে আগামী ০৬ জুলাই ব্রাজিলের মুখোমুখি হতে হবে বেলজিয়ামকে।

আজকের শেষ ম্যাচটিতে যদি ইংল্যান্ড জয় পায়, এবং ‘এইচ’ গ্রুপে যদি জাপান হেরে যায় তাহলেও একই হিসাবে এগিয়ে যাবে বিশ্বকাপ। দুদলের সামনেই রয়েছে হেক্সা মিশনে থাকা ব্রাজিল। বুঝতেই পারছেন, এই পুরো পথপরিক্রমার মাঝপথে অনেকগুলো ‘যদি’ ‘কিন্তু’ এবং ‘তবে’ রয়েছে। আর বিশ্বকাপ ছিনিয়ে নিতে হলে বড় এবং দাপুটে দলগুলোকে হারাতেই হবে। এত হিসাব মাথায় নিয়ে কি খেলবে আজ বেলজিয়াম-ইংল্যান্ড?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ার কাজিরহাট বাজারে কিটনাষক ও মুদি দোকানে জরিমানা

জাহাঙ্গীর আলম লিটন : কলারোয়া উপজেলার কাজিরহাট বাজারে বৃহঃস্পতিবার বিকাল ৪ টা৪৫ মিনিটে কলারোয়া উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিটেড মনিরা পারভীনের নেতৃত্ব্য কাজিরহাট বাজারের সার ব্যবসায়ী সাজ্জাদ ট্রের্ডাসকে লাইসেন্স নবায়ন না থাকায় =২০০০/= (দুই হাজার) টাকা সোনালী স্টোর এর পোঃ মোঃ রশিদকে পিলাস্টিক বস্তায় চাল রাখার দায়ে =১৫০০ /=( একহাজার পাঁচশত) টাকা ও ফারুক স্টোরকে একই কারনে =২০০০/= (দুই হাজার)টাকা এবং ইব্রাহিম স্টোরকে =১৫০০/-= (একহাজার পাঁচশত)টাকা সহ সর্বমোট =৭০০০/–(সাতহাজার) টাকা জরিমানা করেন এ সময় কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকতার অফিসের অফিস সহকারি ও পুলিশের একটা টিম হাজির থেকে সরকারি নিয়ম না মানায় এই জরিমানা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ৪ হাজার ৬৯ কোটি টাকা!

ডেস্ক রিপোর্ট: সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী সেদেশের ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা রাখা অর্থের পরিমাণ ৪ হাজার ৬৯ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার সুইস কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

যাতে দেখা যায়, ২০১৬ সালের তুলনায় গত বছর সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত কমেছে দেড় হাজার কোটি টাকা।

ধনীদের অর্থ, গোপনে গচ্ছিত রাখার জন্য বহুযুগের খ্যাতি সুইজারল্যান্ডের। গ্রাহকের নাম-পরিচয় গোপন রাখতে কঠোর দেশটির ব্যাংকিং খাত। যে কারণে অবৈধ আয় ও কর ফাঁকি দিয়ে জমানো টাকা রাখা হয় সুইস ব্যাংকে।

সুনির্দিষ্ট গ্রাহকের তথ্য না দিলেও কয়েক বছর ধরে দেশভিত্তিক আমানতের পরিমাণ প্রকাশ করে আসছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৭ এর ডিসেম্বরে সুইজারল্যান্ডে বাংলাদেশিদের আমানত ছিল ৪৮ কোটি ১৩ লাখ সুইস ফ্রাঁ; বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪ হাজার ৬৯ কোটি টাকা। আগের বছর এ অঙ্ক ছিল ৬৬ কোটি ১৯ লাখ ফ্রাঁ বা সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা।

অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত কমেছে দেড় হাজার কোটি টাকা। সুইস কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘোষণা অনুযায়ী, কোন বাংলাদেশি নাগরিকত্ব গোপন কেরে অর্থ জমা রাখলে ওই টাকা এ হিসাবে অন্তর্ভূক্ত নয়। গচ্ছিত রাখা স্বর্ণ বা মূল্যবান সামগ্রীর আর্থিক মূল্যমানও হিসাব করা হয়নি প্রতিবেদনে।

এ পর্যন্ত যে হিসাব পাওয়া যায় তাতে ২০১৬ সাল পর্যন্ত টানা ছয় বছর বাংলাদেশিদের আমানত হু হু করে বেড়েছে সুইস ব্যাংকে। ২০০২ সালের মাত্র ৩ কোটি ১০ লাখ ফ্রাঁ আমানত দেড় দশকে বাড়ে, ২২ গুণ।

কেবল বাংলাদেশ নয়, সামগ্রিকভাবেও ২০১৭ সালে আমানত অনেক কমেছে সুইস ব্যাংকগুলোতে। দেশটিতে কমেছে ব্যাংকের সংখ্যাও।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সুইজারল্যান্ডে গোপনীয়তা কমতে থাকায় অনেক ধনী এখন অবৈধ টাকা জমা রাখার জন্য ঝুঁকছেন লুক্সেমবার্গ, কেম্যান আইল্যান্ড, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, পানামা কিংবা বারমুডার মতো ট্যাক্স হ্যাভেনের দিকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট পাস

২০৪১ সালের মধ্যে সমৃদ্ধ দেশ গড়তে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে এবং উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জনের ধারা অব্যাহত রাখতে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট পাস করা হয়েছে।

আজ জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে নির্দিষ্টকরণ বিল, ২০১৮ পাসের মাধ্যমে এ বাজেট পাস করা হয়।

গত ৭ জুন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ বাজেট পেশ করেন।

বাজেট পাসের প্রক্রিয়ায় মন্ত্রীগণ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ব্যয় নির্বাহের যৌক্তিকতা তুলে ধরে মোট ৫৯টি মঞ্জুরি দাবি সংসদে উত্থাপন করেন। এই মঞ্জুরি দাবিগুলো সংসদে কণ্ঠভোটে অনুমোদিত হয়।

প্রধান বিরোধীদল মঞ্জুরি দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে বিরোধীদলের ৯ জন সংসদ সদস্য মোট ৪৪৮টি ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এর মধ্যে ৫টি মঞ্জুরি দাবিতে আনীত ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর বিরোধী দলের সদস্যরা আলোচনা করেন। পরে কণ্ঠভোটে ছাঁটাই প্রস্তাব গুলো নাকচ হয়ে যায়।

এরপর সংসদ সদস্যগণ টেবিল চাপড়িয়ে নির্দিষ্টকরণ বিল-২০১৮ পাসের মাধ্যমে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন করেন।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পর এটি হচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের পঞ্চম বাজেট। আর এটি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের পেশ করা ১২তম বাজেট এবং এক নাগাড়ে ১০ম বাজেট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের ২৩ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকার বাজেট ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ২৩ কোটি ৭৭ লক্ষ ৪১ হাজার ৬শ’৮০ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।  আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা পরিষদের কনফারেন্স রুমে পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সৈয়দ আমিনুর রহমান বাবুর সভাপতিত্বে মাসিক সভা শেষে উক্ত বাজেট ঘোষণা করা হয়।

এসময় জেলা পরিষদের ২০১৭-১৮ অর্থবছরের ১৬ কোটি ২৫ লক্ষ ৬ হাজার ৪শ’৫ টাকা সংশোধীত বাজেট এবং ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ২৩ কোটি ৭৭ লক্ষ ৪১ হাজার ৬শ’৮০ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়।

বাজেট অধিবেশনের আলোচনায় সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের সদস্য ওবায়দুর রহমান লাল্টু, ডালিম কুমার ঘোরামী,আমজাদ হোসেন, মতিয়ার রহমান, আল-ফেরদৌস আলফা, মনিরুল ইসলাম, এম.এ হাকিম, মো. মহিতুর রহমান, গোলাম মোস্তফা মুকুল, কাজী নজরুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন, মাহফুজা রুবি, এড. শাহনওয়াজ পারভীন মিলি, রোজিনা পারভীন, জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস.এম খলিলুর রহমান, সহকারি প্রকৌশলী মো. আমিনুল ইসলাম, হিসাব রক্ষক আবু হুরাইরা প্রমুখ। এসময় জেলা পরিষদের অন্যান্য সদস্য ও কর্মকর্তা এবং কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় এক মাদক ব্যাবসায়িকে কুপিয়ে জখম

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরায় দুই গ্রুপ মাদকব্যাবসায়ির মধ্যে অভ্যন্তরীন দ্বন্দে প্রতিপক্ষের হামলায় সাইফুল ইসলাম নামে এক মাদক ব্যাবসায়িকে কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষের মাদক ব্যাবসায়িরা। বুধবার গভীর রাতে কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর গ্রামের তিন রাস্তা মোড়ে এ ঘটনাটি ঘটে।
আহত মাদক ব্যাবসায়ি কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের রামভদ্রপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম (ময়রার) ছেলে।

চন্দনপুর ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনি জানান, সাইফুল ইসলাম দীর্ঘদিন মাদক ব্যাবসার সাথে জড়িত ছিল। সম্প্রতি এলাকার ও বিভিন্ন জায়গার মাদক ব্যাবসায়িদের সাথে তার মনোমালিন্য হয়। সম্প্রতি সে প্রতিপক্ষ মাদক ব্যাবসায়িদের মালামাল পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেয়। এ নিয়ে প্রতিপক্ষ মাদক ব্যাবসায়িরা প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য ওত পেতে থাকে। বুধবার গভীর রাতে মটর সাইকেলযোগে সাইফুল ইসলাম রামকৃষ্ণ পুর তিনরাস্তা মোড়ে পৌঁছালে প্রতিপক্ষ মাদক ব্যাবসায়িরা তাকে ধরে ফেলে। এ সময় তারা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মৃতভাবে ভেবে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়রা তাকে মুমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে কলারোয়া হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ জানান, স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছ থেকে আমি ঘটনটি শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে -প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর: প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, ইতিমধ্যে আট হাজার ৭২২ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী গতকাল বুধবার সংসদে তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় পার্টির রুস্তম আলী ফরাজীর এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ২০১৪ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে উন্নত মসজিদ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি ছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৫ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ধর্ম মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় লাইব্রেরি, গবেষণা কক্ষ, ইসলামিক সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, শিশুশিক্ষা কার্যক্রম এবং পুরুষ ও মহিলাদের পৃথক নামাজ কক্ষ, মেহমানদের আবাসন ব্যবস্থা, বিদেশি পর্যটকদের পরিদর্শনের ব্যবস্থা, হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ইত্যাদি সুবিধাসহ মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, “২০১৮ সালের ৫ এপ্রিলে ‘প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে ৫৬০টি মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের’ আওতায় ৯টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে আমি এ প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করি।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৯টি মডেল মসজিদ নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ১০০টি মডেল মসজিদের নির্মাণকাজ এ বছর শুরু করা হবে। পরবর্তী সময়ে পর্যায়ক্রমে অবশিষ্ট মসজিদ নির্মাণ করা হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, উন্নয়ন পরিকল্পনা, সুদূরপ্রসারী কার্যক্রম ও গঠনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে গত ৯ বছরে সর্বক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে সরকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest