সর্বশেষ সংবাদ-
জামায়াত হারেনি- হারানো হয়েছে: মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপিসংকটে শ্যামনগরের আইবুড়ি’ নদী, পুনঃখননের দাবিতে মানববন্ধনজেলা রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনিং ওনার এসোসিয়েশনের সিনিয়র ডাইরেক্টর ডলপিন আর নেইআশাশুনিতে এক ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে হয়রানির অভিযোগTips and Tricks for Easy NV Casino Login and Account Management Onlineশ্যামনগরে মৎস্যঘের পানি উত্তোলনের সময় বিদ্যুস্পৃস্টে এক ব্যক্তির মৃত্যুA Cozy Night In: A Guided Tour of Online Casino Entertainment and Helpful Supportপাটকেলঘাটায় মব সন্ত্রাস করে পুলিশে সোপর্দ করা দু’সাংবাদিকের বিরদ্ধে পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদনঝাউডাঙ্গায় পেরীফেরীভুক্ত জমিতে অবৈধভাবে ভবন নির্মানের অভিযোগশহরের গড়েরকান্দায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প

বাংলাদেশে বেড়াতে এসে কাঁদতে কাঁদতে ঢাকা ছাড়লেন জার্মান তরুণী!

দেশের খবর: জার্মান তরুণী সুইন্ডে উইদারহোল্ড গত জানুয়ারিতে ঘুরতে এসেছিলেন বাংলাদেশে পাশাপাশি এসেছিলেন ফটোগ্রাফি শিখতে আর ছবি তুলতে। পর্বতময় মহাসড়ক কিংবা মরুপথে সাইকেল চালিয়ে হাজার মাইল পাড়ি দেয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।

ঈদের আগের দিন বৃহস্পতিবার (১৪ জুন) ভোরবেলায় রাজধানীর মোহাম্মদপুর শংকর বাসস্ট্যান্ড থেকে এলিফ্যান্ট রোডের বাটা সিগন্যালের অস্থায়ী আবাসে ফিরতে তিনি একটি রিকশা ভাড়া করেন। রিকশাটি জিগাতলা পার হয়ে সীমান্ত স্কয়ারের ফটকে আসামাত্র একটি সাদা গাড়ি থেকে এক ব্যক্তি তার ব্যাকপ্যাকটি টান মেরে নিয়ে যায়। ওই ব্যাগে তার ল্যাপটপ, ক্যামেরা, ক্রেডিট কার্ড এবং তার দুটি হার্ডডিস্কসহ অন্যান্য জিনিস ছিল। সব হারিয়ে শুক্রবার ভোরে কাঁদতে কাঁদতে ঢাকা ছাড়েন ওই জার্মান তরুণী।

ওই ঘটনায় ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা করেন ভুক্তভোগী সুইন্ডে। তবে এখন পর্যন্ত ঘটনায় জড়িত কাউকে কিংবা খোয়া যাওয়া ব্যাকপ্যাক উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

এ ব্যাপারে ধানমন্ডি থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) পারভেজ ইসলাম জানান, বিদেশি তরুণীর করা মামলাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত কাউকে এখনও শনাক্ত করা যায়নি। সংগ্রহ করা সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজও দেখা হচ্ছে। অপরাধীকে গ্রেফতারের জোর চেষ্টা করছি।

সুইন্ডের বাংলাদেশি বন্ধু শশাঙ্ক সাহা গণমাধ্যমে বলেছেন, গত জানুয়ারিতে ধানমন্ডির পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটে ফটোগ্রাফি কোর্স করতে ঢাকায় আসেন সুইন্ডে। তিনি চট্টগ্রামে জাহাজভাঙা শিল্প, সুন্দরবন, কুয়াকাটাসহ অনেক জায়গায় প্রচুর ছবি তুলেছিলেন। সেই ছবিগুলো বিভিন্ন বন্ধুর কম্পিউটারে জমা ছিল। ওই ঘটনায় হতবিহ্বল সুইন্ডে উইদারল্যান্ডের ইনস্টাগ্রামে পোস্টও দিয়েছেন।

সুইন্ডে ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘একটি ঘটনা পুরো বাংলাদেশ ভ্রমণে অভিজ্ঞতাটি কালো মেঘে ঢেকে দিল। না, এটা (বাংলাদেশ) ভ্রমণের জন্য নিরাপদ নয়। একা ভ্রমণ না করাই ভালো।…আমি কেবল একটি কথাই বলতে পারি, দেখে-শুনে চলো, নিজের ক্ষেত্রে সাবধানে থেকো।…আমার চোখ দিয়ে পানি পড়ছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আমি বাংলাদেশ ছাড়ছি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাকাতুয়ার সঙ্গে নেইমারের তুলনা!

খেলার খবর: রাশিয়ার রোস্তভ অন স্টেডিয়ামে সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে ব্রাজিল। ম্যাচটিতে ব্রাজিলের প্রাণ ভোমরা নেইমারকে বল পায়ে স্বরূপে দেখা যায়নি। কিন্তু নতুন হেয়ার কাট নিয়ে মাঠে উপস্থিত হন এ পিএসজি তারকা। এরপরই তার চুল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।

কেউ কেউ লিখেছেন, হেয়ারস্টাইলে দশে দশ, আর ফুটবলে শূন্য! চুল তো নয় এ যেন স্প্যাগোটি! নেইমারকে নিয়ে এমন মজার হরেক রকম পোস্ট ঘোরাঘুরি করছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এমনকি ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যমগুলোও নেইমারের চুল নিয়ে তুলোধনা শুরু করেছে।

ব্রাজিলিয়ান সংবাদপত্রে কাকাতুয়ার ঝুঁটির সঙ্গে নেইমারের চুলের তুলনা করা হয়েছে। লেখা হয়েছে,নেইমার তো ঝুঁটি বাঁধা পাখি, যার গলায় কোনও সুর নেই। এখানেই শেষ নয়, চাউমিনের ছবি সঙ্গে নেইমারের ছবি প্রকাশ করে প্রকাশ পেয়েছে হরেক রকম ট্রল। এর সঙ্গে রয়েছে ইন্টারনেট দুনিয়ায় নেইমারকে নিয়ে মজার মজার জোকস।

ইনজুরি কাটিয়ে নেইমার যে এখনও পুরোপুরি ফিট নয়, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে চাপের মুহূর্তে তাঁর পা থেকে আক্রমণাত্বক শট দেখা যায়নি। সেই সঙ্গে পায়ের চোট নিয়ে ম্যাচের মাঝে বারবার মাটিতে আছড়ে পড়েছেন। ব্রাজিলের অভিযান ম্যাচে নেইমারের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর তাঁকে নিয়ে বিশ্বকাপে অনেকেই আশা ছেড়ে দিচ্ছেন। প্রথমার্ধে কুতিনহোর গোলে এগিয়ে গিয়েও নেইমাররা সুইসদের বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র করে।

বিশ্বকাপের আগে ফুটবল বিশ্বের নজর ছিল রোনালদো, মেসি, নেইমার ত্রয়ীর দিকে। প্রথম ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করে সিআর সেভেন বিশ্বকাপের নায়ক হয়ে ওঠার ইঙ্গিত দিয়েছেন। গোল করা তো দূরের কথা, আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে পেনাল্টি মিস করে কার্যত খলনায়ক বনে গিয়েছেন মেসি। সেই অর্থে নেইমারকে খলনায়ক বলা যাবে না বটে, তবে সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে তাঁকে পার্শ্বচরিত্র হিসেবেও বিবেচনা করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বেঁচে যাওয়া সফট ড্রিংক কাজে লাগাবেন যেভাবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক: খাবারের মেনুতে কোল্ড ড্রিংক তো নিশ্চয়ই থাকবে। আর সব কোলাহল থেমে যাবার পর অনেকখানি রয়েও যাবে। ফেলে দিতে মায়া লাগে আবার খেতেও ইচ্ছা করে না। এক্ষেত্রে যদি আপনার জানা থাকে কোল্ড ড্রিংকের বিভিন্ন ব্যবহার, তাহলে আর চিন্তা করতে হয় না। জেনে নিন কী কী ভাবে ব্যবহার কার যায় সফট ড্রিংক:

– একটা ছোট বাটিতে সফট ড্রিঙ্ক ঢেলে বাগানে বা ফুলগাছের নিচে রাখুন। গন্ধে আকৃষ্ট হবে পোকা-মাকড়। সফট ড্রিঙ্কের অ্যাসিডিটি পেস্ট কন্ট্রোল করতে সাহায্য করবে।

– ডিপ ফ্রিজে রাখা খাবার জমে গেলে বরফ গলাতে কাজে আসবে সফট ড্রিংক। জমাট বাঁধা খাবারের ওপর সফট ড্রিংক ঢালতে থাকলে দ্রুত বরফ গলে যাবে।

– থালা-বাটির পোড়া দাগ, কেটলির চায়ের দাগ তুলতে সাহায্য করে সফট ড্রিংক। পোড়া দাগে অল্প সফট ড্রিংক ঢেলে হালকা গরম করুন। সহজে পোড়া দাগ উঠে যাবে।

– কাপড়ে লেগে থাকা চায়ের দাগ, খাবারের দাগ বা রক্তের দাগ তুলতে কয়েকবার সফট ড্রিংক দিয়ে ঘষে ধুয়ে নিন। ধীরে ধীরে দাগ হালকা হয়ে উঠে যাবে।

– বোতলে সফট ড্রিংক ভরে নোংরা টাইলে স্প্রে করলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। ওয়াইপ করে তুলে ফেলুন।

– চুইং গাম ছাড়াতে সফট ড্রিংক কিছুক্ষণ চুলে লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন।

– মার্কারের দাগ একবার কোথাও লাগলে সহজে উঠতে চায় না। সফট ড্রিংক লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এবার সাবান পানিতে ধুয়ে ফেলুন। দেখুন দাগ উঠে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবারের বিশ্বকাপে শুরুর ঝড়ে এলোমেলো সব ফেভারিট

খেলার খবর: বিশ্বকাপ শুরুর আগেই দুই ফেভারিট বাদ। ইতালি ও নেদারল্যান্ডস। বাছাইপর্বের গেরোই যে পেরোতে পারেনি এ দুই ফুটবল পরাশক্তি!
নিজেদের প্রথম ম্যাচ শেষে আরো চার ফেভারিটের অবস্থাও তথৈবচ। জার্মানি, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও স্পেন। বর্তমান চ্যাম্পিয়নররা হেরেছে; শিরোপাপ্রত্যাশী বাকি তিন দলের শুরু ড্রয়ের হোঁচটে। এবারের আসর কি তবে হবে অঘটনের বিশ্বকাপ? নতুন কোনো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন কি দেখা যাবে ২০১৮ সালে?
এক যুগ পরই শতবর্ষের উৎসবে রঙিন হবে বিশ্বকাপ। এখন পর্যন্ত হয়েছে ২০টি আসর। তাতে চ্যাম্পিয়নশিপের মুকুট আট দেশের। সর্বোচ্চ পাঁচবার ব্রাজিল। জার্মানি-ইতালি চারবার করে; দু’বার করে আর্জেন্টিনা-উরুগুয়ে। আর ইংল্যান্ড-ফ্রান্স-স্পেন শিরোপা জিতেছে একবার করে। প্রথম ১৫ আসরে শিরোপা জিতেছিল ছয় দেশ; শেষ পাঁচ আসরে যোগ হয়েছে নতুন দুটি। নতুনের আবাহন তাই সামপ্রতিক সময়েই প্রবল। পর্তুগাল বা বেলজিয়ামের মতো দলের স্বপ্নের প্রজাপতি কি তাহলে ডানা মেলার সুযোগ পাবে এবার?

কিন্তু ইতিহাসের পিঠেও তো ইতিহাস থাকে। যে কারণে আর্জেন্টিনা নিজেদের প্রথম ম্যাচ আইসল্যান্ডের সঙ্গে ড্র করার পরও আতলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে আসা লোরেনসো সোলের উৎসাহে ভাটা পড়ে না, ‘১৯৯০ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তো আমরা হেরেই গিয়েছিলাম ক্যামেরুনের কাছে। তারপরও ফাইনাল পর্যন্ত গিয়েছি। এবারও যদি ফাইনাল পর্যন্ত যেতে পারি, তাহলে যে কোনো কিছুই সম্ভব। ২৮ বছর আগে ম্যারাডোনা পারেননি বলে এবার যে মেসি পারবেন না, এমন তো কথা নেই।’ স্পার্তাক স্টেডিয়ামের বাইরের এই আর্জেন্টাইন সমর্থকের কথার প্রতিধ্বনি লুজনিঝিকে উলভার রাইখের উচ্চারণে। ইতিহাস স্মরণে রেখে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণেরও শরণ ইতিহাসে, ‘২০১০ আসরের প্রথম ম্যাচে যে স্পেন হেরেছিল, মনে আছে? জার্মানির পক্ষেও এবার শিরোপা জেতা তাই অসম্ভব মনে করি না।’

অঘটনের শুরু স্পেনকে দিয়ে, অবশ্য পর্তুগালের বিপক্ষে ড্রকে যদি অঘটন বলেন। টুর্নামেন্ট শুরুর কয়েকদিন আগে নানা ঘটনাপ্রবাহে বরখাস্ত করা হয় কোচ হুলেন লোপেতেগিকে। ‘আমাদের দলের অবস্থা অনেকটা আন্তেষ্টিক্রিয়ার মতো।’ নতুন কোচ ফের্নান্দো হিয়েরোর অধীনে পর্তুগালের বিপক্ষে শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে তারা। কিন্তু দারুণ মানসিক জোর দেখিয়ে ম্যাচে দু’দুবার কেবল ফেরেননি স্পেন, এগিয়েও গিয়েছিল ৩-২ গোলে। শেষ মুহূর্তে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর অসাধারণ ফ্রি-কিকেই কেবল সোচিতে জয়বঞ্চিত হয় তাঁরা।

সত্যিকার অর্থে প্রথম বড় অঘটন পর দিন। স্পার্তাক স্টেডিয়ামে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ড্রতে। সেখানে আবার পেনাল্টি মিস করেন লিওনেল মেসি। আগের দিন নাচে-গানে-উল্লাসে মস্কোর রেড স্কয়ার দখল করে রেখেছিলেন যে আর্জেন্টাইন সমর্থকরা, পর দিন তাঁরা যেন হাওয়া ভোজবাজির মতো। কিন্তু এ যে অঘটনেরই বিশ্বকাপ! পরের ২৪ ঘন্টায় তা পের পাওয়া যায় আরো ভালোভাবে। লুজনিকিতে মেক্সিকোর কাছে হেরে যায় বর্তমান চ্যাম্পিয়ন জার্মানি। এ নিয়ে টানা তৃতীয় বিশ্বকাপে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা পরের আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচ জিততে পারল না। ২০১০ সালে ইতালি ১-১ গোলে ড্র করে প্যারাগুয়ের সঙ্গে। আর ২০১৪ সালে নেদারল্যান্ডসের কাছে ১-৫ গোলে হেরে যায় নেদারল্যান্ডস। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচ একবারই হেরেছিল জার্মানি; ১৯৮২ সালে আলজেরিয়ার বিপক্ষে। সেবার ফাইনাল পর্যন্ত ঠিকই ওঠে তারা। ওই ইতিহাস থেকে প্রেরণা নিতে পারে তাঁরা।

ওই দিনই কয়েক ঘন্টা বাদে নিজের প্রথম ম্যাচে জিততে পারেনি ব্রাজিলও। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে গিয়েও ১-১ ড্রতে শেষ করে ম্যাচ। এ তিন দলের সমস্যা একই নয়। জার্মানির বিপক্ষে মেক্সিকো যেমন সমানে সমান লড়াই করে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে। ব্রাজিলের বিপক্ষে সুইজারল্যান্ডও গুটিয়ে থাকেননি। আইসল্যান্ডের বিপক্ষে আজের্হন্টিনা নেতিবাচকত ফুটবলের দায় দিতে পারে। কিন্তু অমন রক্ষণবাগ ভাঙতে না পারলে বিশ্বকাপ কিভাবে জিতবে তাঁরা!

তবে প্রথম ম্যাচ হারেই যে ফেভারিটরা সব পরিকল্পনা উল্টে ফেলবে, এমন নয়। বিশ্বকাপ তো আর ১০০ মিটার সিপ্রন্ট নয়, ম্যারাথন। প্রথম ল্যাপে পিছিয়ে পড়লেও শেষ হাসি হাসতেই পারে। লুজনিকির সংবাদ সম্মেলনে নিজের ট্রেডমার্কা কালো পোশাকে আসা জার্মানির কোচ ইওয়াখিম লোভ যেমনটা বলে গেলেন, ‘আমরা আমাদের পরিকল্পনা বদলাব না। যদি পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পারি, তাহলে আমাদের জয় এনে দেবার মতো ফুটবলার রয়েছে দলে। একটি ম্যাচ হেরেছি বলে আমরা ভেঙেচুরে যাব না। মাথা নষ্ট করে একেবারে উল্টাপাল্টা কিছু করব না। প্যানিক হওয়ার মতো কিছু হয়নি মোটেই।’

ড্রেসিংরুমে শিষ্যদের একই কথা নিশ্চয়ই বলেছেন লিওনার্দো বাক্কি তিতে ও হোর্হে সাম্পাওলিও। মেসি-নেইমার-ওজিল-কুতিনহো-দি মারিয়া-মুলারদের বিশ্বাসের ঘরেও নিশ্চয়ই ঘুণপোকা ধরেনি প্রথম ম্যাচে শেষেই।

তবু ভয় সমর্থকদের। তবু আশঙ্কা ফুটবল পিপাসুদের। এমন শুরুর পর কী চমক নিয়ে না জানি অপেক্ষায় আছে রাশিয়া বিশ্বকাপ! রাশিয়ার আকাশের মতো এখানেই যে মেঘ-রোদ্দুরের খেলা। মস্কো থেকে কাল দুপুরে সেন্ট পিটার্সবার্গ নামার সময় তপ্ত রোদের অভ্যর্থনা যেমন বিকেলে ভিজে যায় বৃষ্টিতে। রাতের হিম হিমে।

বিশ্বকাপের আকাশে তো রোদ্দুরের অনেক রঙ থাকে। কত জাদুকরী মুভ, কত কত স্মরণীয় গোল, মহাকালে খোদাই হয়ে থাকা কতো রোমাঞ্চকর দ্বৈরথ! আবার রোদের মতো মেঘেরও তো অনেক রঙ। ট্রাজেজির কাব্যগাঁথাও তো কম লেখা হয়নি এ মঞ্চে। শুরুটা যেমন হলো, তাতে এবারের টুর্নামেন্ট না মেঘরঙা বিশ্বকাপই হয়ে যায়!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শীর্ষ রোহিঙ্গা নেতাকে গলাকেটে হত্যা

দেশের খবর: কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালী ক্যাম্পে শীর্ষস্থানীয় রোহিঙ্গা নেতা আরিফ উল্লাহকে (৪৮) গলাকেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (১৮ জুন) রাত আটটার দিকে বালুখালী ১১ নং ক্যাম্পের সি ব্লকে এ ঘটনা ঘটে। কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উখিয়া সার্কেল) চাই লাও মার্মা পরিবর্তন ডটকমকে জানান, খবর পেয়ে ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গা নেতা ও হেড মাঝি আরিফ উল্লাহর লাশ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ধারণা করছে, অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের ধরতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে বলেও জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চাই লাউ মার্মা।

এদিকে, হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরে সেখানে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ইংল্যান্ডের জয়

খেলার খবর: সোমবার (১৮ জুন) সর্বশেষ ম্যাচে ফেভারিট ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমেই গোল হজম করে তিউনিশিয়া। এর কিছুক্ষণ পর ম্যাচের ৩৪ মিনিটে বেন ইউসুফকে নিজেদের বক্সে ইংল্যান্ড ফুটবলার কাইলে ওয়াকার ফাউল করলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান।

আর সেখান থেকে গোল করে সমতায় ফেরে তিউনিশিয়া।

বিরতির পর দুই দলই জোর চেষ্টা চালায় গোল করার। তবে শেষ মুহূর্তে গোল করে ম্যাচের মোর ঘুরিয়ে দেয় ইংল্যান্ড। ম্যাচের ৯০ মিনিটের মাথায় গোল করে জয় নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।

ইংল্যান্ড একাদশ:
জর্ডান পিকফোর্ড, কাইলে ওয়াকার, জন স্টোন্স, হ্যারি মাগিরে, জেসে লিংগার্ড, জর্ডান হেন্ডারসন, হ্যারি কেন, রহিম স্টারলিং, কিয়েরান ট্রিপ্পিয়ার, অ্যাশলি ইয়ং, ডেলে আলি।

তিউনিসিয়া একাদশ:
মোয়েজ হাসেন, সিয়াম বেন ইউসেফ, ইয়াসিনে মেরিয়াহ, ফাখরেদ্দিন বেন ইউসেফ, আনিস বাদ্রি, ওয়াহবি খাজরি, দাইলান ব্রন, আলি মালুল, ফেরজানি সাসি, ইলিয়াস সিকিরি, নিয়াম স্লিতি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় জামাইয়ের চড়ে শ্বশুরের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় নিজ বাড়িতে জামাইয়ের হাতে খুন হয়েছেন শ্বশুর আবুল কাশেম (৭২)। সোমবার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আবুল কাশেম কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের লক্ষীখোলা গ্রামের মৃত করিম গাজীর ছেলে। ঘাতক জামাই আব্দুল জলিল (৪০) হেলাতলা ইউনিয়নের উত্তর দিগং গ্রামের আব্দুল হামিদ বিশ্বাসের ছেলে।

কলারোয়া থানা পুলিশ ও নিহতের স্ত্রী রোজিনা বেগম জানান, দশ বছর পূর্বে দিগং গ্রামের জলিলের সাথে তার কন্যা রেশমা বেগমের বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকেই সে রেশমাকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করতে থাকে। ইতোমধ্যে তাদের ঘরে দুই সন্তান জন্ম নেয়। রেশমাকে বিবাহের পূর্বে সে আরো একটি বিবাহ করে এবং সে ঘরে তার আরও দুই সন্তান রয়েছে। পারিবারিক অশান্তির কারণে রেশমা ঈদের কয়েকদিন পূর্বে পিত্রালয়ে চলে আসে। ঈদের দুইদিন পরে সোমবার জামাই জলিল রেশমাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য শ্বশুরালয়ে আসলে শ্বশুর আবুল কাশেমের সাথে তার কথা কাটাকাটি হয়। এরই এক পর্যায়ে সে শ্বশুরকে সজোরে চড় মারলে বয়োবৃদ্ধ শ্বশুর আবুল কাশেম পাশের দেয়ালে আঁছড়ে পড়ে মাথায় আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

ঘটনার পর পরই ঘাতক জামাই পালানোর চেষ্টা করলে তার শাশুড়ির ডাক চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাকে আটকে রেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে তাকে আটক করে।ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেরিনা আক্তার কলারোয়া থানায় এসেছেন। রাত সাড়ে ১২টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাড়ির আঙিনায় ফুটবে পদ্ম

লাইফস্টাইল ডেস্ক: চমৎকার পদ্ম যদি ফোটে থাকে বাড়ির আঙিনায়, তবে কেমন হয়? জেনে নিন কীভাবে লাগাবেন পদ্ম।
পদ্ম বীজের খোল খুবই শক্ত হয়। অঙ্কুরোদগম করতে চাইলে আগে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে সামান্য ফাটিয়ে নিন বীজ। এমনভাবে আঘাত করবেন যেন ভেতরের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। ৮/১০টি পদ্ম বীজ এভাবে ফাটিয়ে নিন। দুই গ্লাসে পরিষ্কার পানি নিন। প্রতিটি গ্লাসে ৪ থেকে ৫টি বীজ দিয়ে দিন। আলো-বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে রাখুন গ্লাস দুটো। সরাসরি যেন রোদের তাপ না পড়ে সেদিকে লক্ষ রাখবেন। ৪/৫ দিন এভাবে রেখে দিন। প্রতিদিন পানি বদলে দেবেন। ৪ দিন পর দেখবেন বীজ থেকে পাতা উঁকি দিচ্ছে। ৬ দিন পর অনেকটাই বেড়ে উঠবে গাছ। এবার চারা অন্য পাত্রে লাগিয়ে দিন। চারা লাগানোর জন্য ছোট একটি মাটির ছড়ানো পাত্র নিন। পাত্রের নিচে যেন কোনও ছিদ্র না থাকে। ৮০ ভাগ মাটির সঙ্গে ২০ ভাগ জৈব সার মিশিয়ে নিন। টবে মাটি দিয়ে পানি দিন। ১ ইঞ্চি গর্ত করে পদ্ম বীজগুলো লাগান। বালি দিয়ে গর্তগুলো ভরাট করে দিন। এক লেয়ারের বালি ছড়িয়ে দিন উপরে। একটি বড় মাটির টবে পানি দিয়ে গাছসহ ছোট পাত্রটি রাখুন। বড় পাত্রটি পানিতে একদম টইটম্বুর করে দেবেন যেন ছোট পাত্রটি ডুবে থাকে। সামান্য রোদ দরকার হবে গাছ বাড়ার জন্য। এভাবে ধীরে ধীরে বাড়বে পাতা। ফুটবে ফুল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest