সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ধর্ষন চেষ্টা মামলায় ১ আসামী আটকদেবহাটায় সাদা ফুলে ভরে গেছে সজিনা গাছভূমিকম্পনে কাপল সাতক্ষীরাজীবন-জীবিকা খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় জলাভূমি সুরক্ষার অঙ্গীকারসাতক্ষীরায় জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে বিচার বিভাগীয় কর্মচারীদের কর্মবিরতিসাংবাদিকদের পেশাগত মান উন্নয়নে কাজ করা হবে- হাবিবুল ইসলাম হাবিবসাতক্ষীরা জেলা নাগরিক ঐক্যের সভাপতির নেতৃত্বে ২১৭ নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদানচ্যানেল -নাইন এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রকৌশলী মাহমুদ হাসানসাতক্ষীরায় চাকুরী মেলায় চাকুরী পেলেন ৮ জনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের বিজয় নিশ্চিত করতে গণসংযোগ ব্যস্ত সময় পারছেন দলীয় নেতাকর্মীরা

বেড়াতে গিয়ে দুই ভাইবোনসহ চার শিশুর মৃত্যু

দেশের খবর: গাজীপুরে বেড়াতে এসে নৌকা ডুবে দুই ভাইবোনসহ চার শিশু মারা গেছে। এদের মধ্যে তিনজন মেয়ে ও একজন ছেলে। তাদের মধ্যে দুই ভাইবোন রয়েছে।
শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বাইমাইল এলাকায় তুরাগ নদের একটি সংযোগ খালে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস ও এলাকাবাসী জানায়, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কোনাবাড়ীর হরিণারচালা এলাকায় হাবু মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া নয় শিশু ছেলেমেয়ে আজ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাইমাইল এলাকায় যায়। তারা ছোট একটি নৌকা ভাড়া করে তুরাগ নদীর সংযোগ খালে যায়। হঠাৎ নৌকাটি একটি পিলারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডুবে যায়। নয় শিশুর মধ্যে পাঁচজন পিলার ধরে থাকে। অপর চার শিশু পানিতে ডুবে যায়। এলাকাবাসী দ্রুত নৌকা নিয়ে পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার করে। পরে পানিতে খোঁজাখুঁজি করে চার শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতরা হলো পাবনার মজিবুর রহমানের ১০ বছর বয়সী মেয়ে মীম ও আট বছর বয়সী ছেলে সোহাগ, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাইফুলের মেয়ে সাদিয়া (১০) ও জামালপুর সরিষাবাড়ী উপজেলার খোকনের মেয়ে পারভীন (১২)।

স্থানীয় কাউন্সিলর আব্বাস উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ওই শিশুরা কোনাবাড়ীর হরিণারচালা এলাকায় হাবু মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকে। স্থানীয় প্রশাসন শিশুদের মরদেহ উদ্ধার করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে।
এদিকে চার শিশুর মৃত্যুর খবর পেয়ে তাদের বাবা-মা ও আত্মীয়স্বজন বাইমাইল এলাকায় ভিড় করে। তাদের আহাজারীতে সেখানকার পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেসির পেনাল্টি মিসে নবাগত আইসল্যান্ডে হোঁচট খেলো আর্জেন্টিনা

খেলার খবর: ইউরোতে সবাইকে চমকে দেওয়া আইসল্যান্ড প্রথম বিশ্বকাপে আটকে দিলো গতবারের ফাইনালিস্ট আর্জেন্টিনাকে। লিওনেল মেসির পেনাল্টি মিসের দিন আর্জেন্টাইনরা ১-১ গোলে ড্র দিয়ে শুরু করল বিশ্বকাপের ২১তম আসর। ২০১৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে অভিষেকেই কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল আইসল্যান্ড। বিশ্বকাপেও তাদের দারুণ পথচলা শুরু হলো ‘ফেভারিট’ আর্জেন্টিনার সঙ্গে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে।

সের্হিয়ো আগুয়েরোর দারুণ গোলে এগিয়ে গেলেও এলোমেলো রক্ষণের মাশুল দিয়েছে আর্জেন্টিনা। মস্কোর স্পার্তাক স্টেডিয়ামে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টাইনদের ‘ডি’ গ্রুপের প্রথম ম্যাচে প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-১ গোলে। দ্বিতীয়ার্ধে আর কেউ গোলের দেখা পায়নি। অথচ মেসি পেয়েছিলেন দলকে জেতানোর সুযোগ।

আইসল্যান্ডের শক্ত রক্ষণের কারণে প্রথম কয়েক মিনিট মাঝমাঠেই বল নিয়ে ঘোরাফেরা করেছে আর্জেন্টিনা। ৫ মিনিটে বাঁ প্রান্ত থেকে মেসির ফ্রি কিকে প্রথমবার আইসল্যান্ডের বক্সে বল পায় আর্জেন্টিনা। কিন্তু কোনও অ্যাটাকার বা ডিফেন্ডারের গায়ে না লেগেই বল চলে যায় মাঠের বাইরে।

৩ মিনিট পর আবারও ফ্রি কিক থেকে খানিকটা ভড়কে দেন আইসল্যান্ডের ডিফেন্ডারদের। বেশ নিচু দিয়ে আসা বলটি হেড করতে চেয়েছিলেন তাগিয়াফিকো, কিন্তু তার ঘাড়ে লাগলে বল আর মাঠে থাকেনি।

আর্জেন্টিনার অগোছালো রক্ষণের সুযোগ নিয়ে ৯ মিনিটে হানা দেয় আইসল্যান্ড। গোলের সুবর্ণ সুযোগ পায় তারা। গোল কিক থেকে আইসল্যান্ড বল পায়ে পায়। ডান প্রান্ত থেকে বিয়ার্নসন একাই গোলরক্ষককে পেলেও তার মাটি কামড়ানো শট গোলপোস্টের বেশ পাশ দিয়ে চলে যায়।

ম্যাচে গোলমুখে প্রথমবার মেসি শট নেন ১৭ মিনিটে। হান্নেস থর হ্যালডোরসন দারুণ দক্ষতায় বল পাঞ্চ করে বিপদমুক্ত করেন। দুই মিনিট পরই উল্লাসে মাতে আর্জেন্টিনা। ১৯ মিনিটে রোহোর শট বক্সে পান সের্হিয়ো আগুয়েরো। ডান পা দিয়ে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাঁ পায়ে লক্ষ্যভেদ করেন ম্যানসিটি ফরোয়ার্ড। ২১ মিনিটে আবার মেসির শট লক্ষ্যের দিকে ছুটেছিল, এবারও বাধা দেন হ্যালডোরসন।

আর্জেন্টিনা বেশিক্ষণ এগিয়ে থাকতে পারেনি। তাদের এলোমেলো ডিফেন্সের মাশুল দেয় তারা ২৩ মিনিটে। সিগুর্দসন গোলমুখের সামনে বল দেন, আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক উইলি কাবায়েরো কোনোভাবে বল ঠেকান। কিন্তু তার হাতে লেগে বল ফিরে আসে ফিনবোগাসনের পায়ে। জালে বল পাঠাতে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি এফসি অগসবুর্গের এ স্ট্রাইকারের।

৩৩ মিনিটে বিজিয়ার শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে গেলে আর্জেন্টিনার সুযোগ নষ্ট হয়। ৪১ মিনিটে পেনাল্টির জোর আবেদন করলেও পায়নি তারা। আইসল্যান্ডের ডিবক্সে মেজার নিচু ড্রাইভ সিগুর্দসনের হাতে লেগেছিল, কিন্তু ইচ্ছাকৃত ছিল না বলে রেফারি সাড়া দেননি। শেষ মুহূর্তে একটি সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করে আইসল্যান্ড। ৪৫ মিনিটে সিগুর্দসনকে ঠেকিয়ে দেন কাবায়েরো।

দ্বিতীয়ার্ধ রক্ষণে ব্যস্ত থেকেছে আইসল্যান্ড। তাদের ডিবক্সের মধ্যে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা ফিনিশিং ঠিকঠাক করতে পারেনি। তেমন করেই তাদের আটকাতে গিয়েই বিপদে পড়তে বসেছিল আইসল্যান্ড। ডিবক্সের মধ্যে মেজাকে ফাউল করেন মাগনুসন। পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। ৬৪ মিনিটে ওই কিক নেন মেসি। কিন্তু তার দুর্বল শট ডানদিকে ঝাপিয়ে পড়ে সহজে ফিরিয়ে দেন হ্যালডোরসন। এনিয়ে বিশ্বকাপে টানা দুটি পেনাল্টি নষ্ট করল আর্জেন্টিনা। ২০০২ সালে সুইডেনের বিপক্ষে অ্যারিয়েল ওরতেগার পর এবার মেসি এই ব্যর্থতার শিকার। বার্সেলোনার ফরোয়ার্ড কিছুক্ষণ পর ফ্রি কিক থেকে বল গোলবারের ওপর দিয়ে পাঠান।

৭৭ মিনিটে আবারও পেনাল্টির আবেদন করে গতবারের ফাইনালিস্টরা। পাভনকে বক্সের মধ্যে ফাউল করেছিলেন সায়েভারসন, কিন্তু রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজাননি। ৭৯ মিনিটে মেসি বক্সের মধ্যে পায়ে বল পেলেও আইসল্যান্ডের ডিফেন্ডার তাকে শট নেওয়ার আগেই দ্রুত গতিতে বল বাইরে পাঠান। ৮১ মিনিটে মেসির বাঁপায়ের বাঁকানো শট অল্পের জন্য গোলবারের পাশ দিয়ে চলে যায়।

শেষ ৬ মিনিট মেজার বদলি নেমে ম্যাচের ফল পাল্টাতে পারেননি হিগুয়েইন। ৮৮ মিনিটে মাসচেরানোকে সহজে রুখে দেন হ্যালডোরসন। শেষ বাঁশি বাজার আগে মেসির ফ্রি কিক আটকে দেয় আইসল্যান্ডের রক্ষণ দেয়াল। হতাশায় বল আকাশের দিকে পাঠিয়ে দেন মেসি। তবে তাদের হতাশায় এই সময় গ্যালারি থেকে সাহস দিয়েছেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা।

আগামী ২১ জুন নোভগোরদে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। পরের দিনে ভোলগোগ্রাদে আইসল্যান্ড মোকাবিলা করবে নাইজেরিয়াকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে কষ্টের জয়ে শুরু ফ্রান্সের
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তারকাদের ঈদের শুভেচ্ছা

বিনোদন ডেস্ক: ঈদ মানেই আনন্দ। আর এই আনন্দ প্রতিটি মানুষ ভাগাভাগি করে নেন নানা ভাবে। এক সময় ছিলো যখন ঈদ কার্ড দিয়ে সবাই শুভেচ্ছা জানাতেন। আজ প্রযুক্তির কল্যানে সেই শুভেচ্ছা জানান ফেসবুকে। শোবিজ ভূবনের তারকারাও তার বাইরে নয়।

নিজ পরিবার-সমাজকে সময় দেয়ার পাশাপাশি তারকারা তাদের ভক্তদেরও ঈদের শুভেচ্ছা জানান।

শাকিব খান: ঈদ মোবারক। কলকাতায় আপনার নিকটস্থ সিনেমা হলে ‘ভাইজান এলো রে’ উপভোগ করুন।

ওমর সানী: সবাইকে ইদ মোবারক। সবাই সিনেমা হলে গিয়ে আমার অভিনীত নতুন সিনেমা ‘চিটাগাইঙ্গা পোয়া নোয়াখাইল্লা মাইয়া’ দেখবেন।

পপি: সবাইকে জানাই ঈদের অনেক শুভেচ্ছা।

জয়া আহসান: এটা আনন্দ করার ও সুখে যাপন করার একটি দিন। এটা শান্তির দিন, এটা পুনরায় চিন্তা করার দিন, এটা একসঙ্গে উদযাপন করার দিন। ঈদ মোবারক।

চঞ্চল চোধুরী: সবাইকে ঈদ মোবারক।

বাপ্পী চৌধুরী: ঈদ মানে আনন্দ। ঈদ মানে খুশির জোয়ার। ঈদ মানে সহমর্মিমতা ও সহযোগিতার অপূর্ব বন্ধন। এই আনন্দ ও উৎসব সবার জীবনে খুশীর বন্যা নিয়ে আসুক, ভুলিয়ে দিক সব বিভেদ- সেই প্রত্যাশায় রইল ঈদের শুভেচ্ছা।

এছাড়াও সাইমন সাদিক, নিরব, মাহিয়া মাহি, বিদ্যা সিনহা মিম, সজল, মেহজাবিনসহ আরো অনেক তারকা তাদের ভক্তদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঈদের দিনেও থামেনি ইসরাইলের সেনারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় মুসলিমদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনও শুক্রবার (১৬ জুন) গাজায় হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরাইলের সেনারা।

ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের একটি পর্যবেক্ষণ পোস্টের ওপর ওই হামলা চালিয়েছে ইহুদিবাদী ইসরাইল। সম্প্রতি গাজার ওপর ইহুদিবাদী রাষ্ট্রটি আগ্রাসন জোরদার করেছে। খবর সংবাদ সংস্থা সাফার।

ইসরাইলি সেনারা শুক্রবার বিকেলে রাফা শহরের পূর্বে অবস্থিত বুর্জ আল-আহমারের কাছে হামলা চালায়। এতে হতাহতের খবর পাওয়া যায় নি।

এদিকে, পশ্চিম তীরের নাবি সালিহ এলাকায় দখলদার ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে ফিলিস্তিনের দুই তরুণ আহত হয়েছে। তারা দুজনই স্থানীয় বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রী সেমাই খেলেন, অতিথিদেরও খাওয়ালেন

দেশের খবর: প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মী, ১৪ দলীয় জোটের নেতা, কূটনীতিক, বিচারপতি, ব্যবসায়ী, নিরাপত্তায় নিয়োজিত স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সদস্য, কর্মকর্তা, তাদের পারিবারের সদস্য ও সামরিক কর্মকাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। ঈদের দিন সেমাই খেয়ে মিষ্টি মুখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেমাই, ফিরনিসহ নানা রকম খাবার খাইয়েছেন গণভবনে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে আসা অতিথিদেরও। গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকা একাধিক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ঈদের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই অন্যদিনের মতো ফজরের নামাজ আদায় করে চা খেতে খেতে পত্রিকায় চোখ বুলিয়ে নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যদিও আজকের পত্রিকা বের হয়নি। আগের দিনের পত্রিকায় চোখ বুলিয়ে নিলেন তিনি। এরপর সকালে ৮টার মধ্যে নাস্তা সেরে রেডি হয়ে পৌনে ১০টায় গণভবনের মাঠে নেমে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষ করেন। বেলা ১টার দিকে শুভেচ্ছা পর্ব শেষ করেন তিনি। এরপর ভেতরে গিয়ে গণভবনের নিচ তলায় স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এসময় সামরিক বিভিন্ন কর্মকর্তারাও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে কিছু সময় ছবি তোলার পর্বও ছিল। এসএসএফ কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যরা, বিচারপতি, কূটনীতিক ও দলীয় নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছবি তুলেছেন।

গণভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও প্রধানমন্ত্রীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানান। এর আগে তিনি বিদেশে থাকা বোন শেখ রেহানাসহ স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন মোবাইল ফোনে।

সন্ধ্যায় গণভবনে আসবেন প্রধনমন্ত্রীর পরিবারের আত্মীয়-স্বজন গোপালগঞ্জের কিছু মানুষও। তারাও প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাবেন।

জানা গেছে, পরিবার স্বজনদের সঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি আর্জেন্টিনা ও আইসল্যান্ডের খেলা তা দেখার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। তিনি যদিও ব্রাজিলের সমর্থক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভয়াবহ পানি সংকটের মুখে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারত তার ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ পানি সংকেটর মুখে পড়তে যাচ্ছে। প্রায় ৬০ কোটি মানুষ তীব্র পানি সংকটে পড়বে বলে সতর্ক করে দিয়েছে ভারত সরকারের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

ভারতের ২৪টি রাজ্য থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে নিটি আয়োগ রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই সংকট সামনের দিনগুলোতে বরং আরও তীব্র হবে।

ভারতের ২১টি নগরীতে আগামী দু বছরের মধ্যেই ভূগর্ভস্থ পানি ফুরিয়ে যাবে বলে এতে হুঁশিয়ারি দেয়া হয়।

এই পানি সংকটের কারণে ভারতের খাদ্য নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়তে পারে। কারণ ভারতের ৮০ শতাংশ পানিই ব্যবহৃত হয় কৃষিতে।

ভারতের নগরী এবং শহরগুলোতে গ্রীস্মকালে প্রতি বছরই পানির সংকট তৈরি হয়। কারণ বেশিরভাগ নগরী এবং শহরেই বাড়ি বাড়ি পাইপে পানি সরবরাহ করার মতো অবকাঠামো নেই।

পল্লী অঞ্চলেও পরিস্কার পানির সংকট আছে। সেখানে অনাবৃষ্টির কারণে অনেক সময় ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভর করা যায় না। কারণ অনাবৃষ্টির সময় লোকে এখন আগের চেয়ে আরও বেশি মাত্রায় ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভর করে।

নিটি আয়োগ রিপোর্টে বলা হচ্ছে, প্রতি বছর প্রায় দুই লাখ ভারতীয় মারা যায় পানীয় জলের সংকটের কারণে।

ভারতের নগরী এবং শহরগুলো যেভাবে দ্রুত বাড়ছে, তাতে নগরাঞ্চলে পানির চাহিদা আরও বাড়বে।

রিপোর্টে বলা হচ্ছে, ২০৩০ সাল নাগাদ পানির চাহিদা হবে তখনকার সরবরাহ ক্ষমতার দ্বিগুণ।

পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় কিছু কিছু ভারতীয় রাজ্য অন্য রাজ্যের তুলনায় ভালো করছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়। যেমন গুজরাট, মধ্য প্রদেশ এবং অন্ধ্র প্রদেশ।

কিন্তু কিছু রাজ্যের অবস্থা খুবই ভয়াবহ। যেমন উতর প্রদেশ, হরিয়ানা, বিহার এবং ঝাড়খন্ড। ভারতের প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যা এসব রাজ্যেই থাকে। ভারতের কৃষি উৎপাদনের বেশিরভাগটাই আসে এসব রাজ্য থেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বকাপের চোখ ধাঁধানো ব্যক্তিগত নৈপুণ্যগুলো

খেলার খবর: এবারের বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দারুণভাবে জ্বলে উঠেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। করেছেন হ্যাটট্রিক। শিরোপার অন্যতম দাবিদার স্পেনের বিপক্ষে ৩-৩ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে রোনালদোর পর্তুগাল। ম্যাচ শেষে অবশ্য ফলাফল নিয়ে মাথা ঘামাতে যাননি অনেকেই। মুগ্ধ হয়ে ছিলেন রোনালদোর ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স নিয়ে।

বিবিসির এক অনুষ্ঠানে ইংল্যান্ডের সাবেক তারকা গ্যারি লিনেকার বলেছেন, ‘এটা আমার দেখা বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ। বিশেষত গ্রুপ পর্বে।’ রোনালদোর পারফরম্যান্সেরও ভূয়সী প্রশংসা আসছে ফুটবল দুনিয়া থেকে। তবে বিশ্বকাপে এমন একক নৈপুণ্যে নজর কাড়ার ঘটনা কিন্তু নতুন কিছু না। এর আগেও অনেকে ছড়িয়েছেন এমন মুগ্ধতা। এমনই কিছু চোখধাঁধানো ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের কথা থাকছে এই প্রতিবেদনে।

ওলেগ সালেঙ্কো – রাশিয়া ৬-১ ক্যামেরুন (১৯৯৪ বিশ্বকাপ)
এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের এক ম্যাচে পাঁচ গোল করা একমাত্র খেলোয়াড় রাশিয়ার ওলেগ সালেঙ্কো। রাশিয়া ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে বিদায় নিয়েছিল প্রথম রাউন্ড থেকেই। তারপরও যৌথভাবে গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন সালেঙ্কো।

সানডোর কোসিস- হাঙ্গেরি ৮-৩ পশ্চিম জার্মানি (১৯৫৪ বিশ্বকাপ)
গ্রুপ পর্বের ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিলেন সানডোর কোসিস। এরপর পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে একাই করেছিলেন চার গোল। ৮-৩ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারের লজ্জায় ডুবিয়েছিলেন জার্মানিকে। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা সেই হাঙ্গেরি দল বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পাবে- এমনটাই ধরে নিয়েছিলেন অনেকে। কিন্তু শেষপর্যন্ত ফাইনালে গিয়ে তাদের হারের স্বাদ দিয়েছিল জার্মানি।

জিনেদিন জিদান- ফ্রান্স ৩-০ ব্রাজিল (১৯৯৮ বিশ্বকাপ)
১৯৯৮ সালের পুরো বিশ্বকাপেই জাদু দেখিয়েছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক জিনেদিন জিদান। তাঁর অসাধারণ দৃঢ়তাপূর্ণ নৈপুণ্যে ভর করে ফ্রান্স চলে এসেছিল ফাইনাল পর্যন্ত। ব্রাজিলের বিপক্ষে শিরোপা জয়ের সেই অন্তিম লড়াইয়ে জিদান দেখিয়েছিলেন জাদু। নিজে করেছিলেন দুটি গোল। সতীর্থকে দিয়ে করিয়েছিলেন আরো একটি। শেষমেশ ৩-০ গোলের জয় দিয়ে ফ্রান্স পেয়েছিল শিরোপা জয়ের স্বাদ।

ইউসেবিও- পর্তুগাল ৫-৩ উত্তর কোরিয়া (১৯৬৬ বিশ্বকাপ)
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পূর্বসুরী ইউসেবিও-ও বিশ্বকাপে দেখিয়েছিলেন নজরকাড়া এক ব্যক্তিগত নৈপুণ্য। ৩-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর হারের আশঙ্কাই চেপে বসেছিল পর্তুগাল সমর্থকদের মনে। সেসময় অসাধারণ চারটি গোল করে দলকে খেলায় ফেরান ইউসেবিও। পর্তুগালও শেষপর্যন্ত জয় পায় ৫-৩ গোলে।

জিওফ হার্স্ট- ইংল্যান্ড ৪-২ পশ্চিম জার্মানি (১৯৬৬ বিশ্বকাপ)
১৯৬৬ সালের আরেকটি নজরকাড়া ব্যক্তিগত নৈপুণ্য ছিল জিওফ হার্স্টের। ফাইনালে হ্যাটট্রিক করে ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন এই তারকা। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের ফাইনালে হ্যাটট্রিক করার সেই কৃতিত্ব দেখাতে পারেননি আর কোনো ফুটবলারই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest