সর্বশেষ সংবাদ-
জামায়াত হারেনি- হারানো হয়েছে: মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপিসংকটে শ্যামনগরের আইবুড়ি’ নদী, পুনঃখননের দাবিতে মানববন্ধনজেলা রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনিং ওনার এসোসিয়েশনের সিনিয়র ডাইরেক্টর ডলপিন আর নেইআশাশুনিতে এক ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে হয়রানির অভিযোগশ্যামনগরে মৎস্যঘের পানি উত্তোলনের সময় বিদ্যুস্পৃস্টে এক ব্যক্তির মৃত্যুA Cozy Night In: A Guided Tour of Online Casino Entertainment and Helpful Supportপাটকেলঘাটায় মব সন্ত্রাস করে পুলিশে সোপর্দ করা দু’সাংবাদিকের বিরদ্ধে পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদনঝাউডাঙ্গায় পেরীফেরীভুক্ত জমিতে অবৈধভাবে ভবন নির্মানের অভিযোগশহরের গড়েরকান্দায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পসাতক্ষীরায় ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর খবরে বড় ভাইয়ের মৃ*ত্যু

রতনপুরে সরকারি গাছ কর্তন

পলাশ দেবনাথ নুরনগর : কালীগঞ্জ উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের বাগমারী লাউতলীর খাল ব্রীজ সংলগ্ন রাস্তার পাশের সরকারী গাছ কেটে নিয়েছে। সরেজমিন গিয়ে দেখা বাগমারী গ্রামের মৃত শাহাজান গাজীর ছেলে মোঃ আমিনুর রহমান গাজী রাস্তার পাশের সরকারি জায়গার একটি ইউকালেক্টর গাছ কেটে নিয়েছে। এছাড়া খালের পাশের একটি শিশু ফুল গাছ কাটার কাজ চলছিল। সরকারি গাছ কেটে নিয়ে গাছের গোড়া মাটি দিয়ে ঢেকে রেখে আড়াল করার চেষ্টা করেছে সে। স্থানীয় কয়েক জনের সহযোগীতায় কর্তন করা গাছের গোড়ার উপর থেকে মাটি সরিয়ে ছবি তুলতে হয়েছে এই প্রতিবেদককে। বড় গাছের একটি গুড়ি পড়ে থাকতে দেখা যায় এবং বাকি অংশ সরিয়ে ফেলেছে বলে স্থানীয়রা জানায়। এ বিষয় সরকারী গাছ কর্তন কারী আমিনুর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি গাছ কাটার কথা স্বীকার করে বলেন উক্ত গাছ গুলো আমার লাগানো তাই আমি কেটে নিয়েছি। অত্র এলাকায় এভাবেই একের পর এক খালে পাশের সরকারী গাছ কাটার কারনে সাধারন মানুষের চলাচলের রাস্তায় ভাঙ্গন ধরেছে। এছাড়া গাছ কাটার কারনে কয়েকটি স্থানে রাস্তা মারাত্বক ভাবে ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছে। সরকারী গাছ কাটার বিষয় রতনপুর ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুজ্জামান এর সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি এবিষয় কিছুই জানেন না বলে জানান এবং বলেন আমি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি। অন্যদিকে খোঁজ খবর নেওয়ার নাম করে নায়েব মোটা টাকার বানিজ্য করে বিষয়টা রফাদফা করছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে। এমতাবস্তায় এলাকার সচেতন মহল সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রতনপুরের বিজয়নগরে অস্বাস্থ্যকর টয়লেট নির্মাণ

পলাশ দেবনাথ নুরনগর : কালীগঞ্জ উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের বিজয়নগর লাউতলীর খালের পাশ দিয়ে ওয়ার্ল্ড ভিশন কতৃক শত ভাগ স্যানিটেশন কার্যক্রমের অংশ বিশেষ টয়লেট নির্মান করা হয়েছে অস্বাস্থ্যকর ভাবে। টয়লেট নির্মানের জন্য জলাশয় থেকে নির্দ্দিষ্ট দুরত্বের¡ কথা থাকলেও এখানে কোন দুরত্ব না রেখে খালের ভিতরেই টয়লেট নির্মান করা হয়েছে। শুধু তাই নয় টয়লেটের হাউজ থেকে পাইপ লাগানো আছে খালের সাথে। এই পাইপ দিয়ে মল-মুত্র খালের পানিতে পড়ছে এবং দুগন্ধ সহ রোগ জিবানু ছড়াচ্ছে। টয়লেটের গায়ে ওয়ার্ল্ড ভিশনের একটা সাইন বোড আছে যাতে লেখা আছে স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন বাবহার করুন। উক্ত খালের পাশ দিয়ে হাজার হাজার মানুষের বসতি আছে। তাছাড়া লাউতলীর খালটি বাগমারী, বিজয়নগর, সাতহালীয়া সহ কুলতলী গ্রামের উপর দিয়ে বহমান হওয়ায় খালটির পানির প্রয়োজন সকলের। কিছু মানুষ পানি দূষন করায় অত্র এলাকার মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে। মাত্র কয়েক জনের অসাধু স্বার্থে খালের ভিতরের প্রত্যেকটি টয়লেটের হাউজ খালের সাথে যুক্ত করায় পরিবেশ দূষন করছে তারা। অত্র এলাকার সাধারন মানুষ এই লোক গুলোকে বার বার বলা সত্তেও তারা কর্ণপাত করছেন না। কোন দিশাকুল না পেয়ে সাংবাদিকদের স্মরনাপর্ন হয়েছেন তারা। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় বিজয়নগর গ্রামের প্রায় প্রত্যেকটি বাড়ীর জন্য ওয়ার্ল্ড ভিশন কতৃক লাউতলীর খালের ভিতরে একটি করে সু-দৃশ্য টয়লেট নির্মান করা হয়েছে কিন্তু টয়লেটের হাউজ গুলোর পাইপ যুক্ত করা আছে খালের সাথে। স্থানীয় মৃত হাকিম গাজীর ছেলে আমজাদ আলী গাজী, মৃত দিন আলী গাইনের ছেলে আনছার আলী গাইন সহ অসংখ্য পরিবারের টয়লেট খালের একবারেই পাড়ে নির্মান করা হয়েছে সাথে হাউজ থেকে পাইপ লাইন করা হয়েছে খালের সাথে। এমতাবস্থায় এলাকার সচেতন মহল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার জরুরী হস্তক্ষেপ সহ অত্র এলাকায় অস্বাস্থ্যকর টয়লেট ও হাউজ গুলো উচ্ছেদের জোর দাবী জানীয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা সরকারি বিবিএমপি হাইস্কুলের শতবর্ষ উদযাপন কমিটি গঠন

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটা উপজেলা সদরের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক সদ্য সরকারীকৃত বিবিএমপি হাইস্কুলের শতবর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে কমিটি গঠন সহ বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন করার লক্ষ্যে ঈদের পরের দিন রবিবার সকাল ১১ টায় স্কুল মিলনায়তনে আহবায়ক কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন শতবর্ষ উদযাপন কমিটির আহবায়ক ডাঃ আব্দুল লতিফ। সভায় অন্যান্যের মধ্যে কমিটির সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল, আনোয়ারুল হক, সহকারী অধ্যাপক ইয়াছিন আলী, সহকারী প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম, সাবেক শিক্ষক মোজাম্মেল হোসেন, সাবেক শিক্ষক আব্দুল হামিদ, মাহমুদুল হক লাভলু, আব্দুল হামিদ, প্রচার কমিটির আহবায়ক আর.কে.বাপ্পা, শিক্ষক সিদ্দিক আহমেদ মিঠু, শিক্ষক গৌর চন্দ্র পাল, সাখাওয়াত হোসেন, হারুন-অর রশিদ, সাংবাদিক কে.এম রেজাউল করিম প্রমুখ। সভায় বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহনের বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন ও আহবায়ক কমিটি বিলুপ্ত করে পূর্নাঙ্গ কমিটি করা হয়। সভায় সকলের সম্মতিক্রমে বিশিষ্ট ব্যাংকার সমাজসেবক কাজী আব্দুল মজিদকে সভাপতি, ডাঃ আব্দুল লতিফকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পালকে সহ-সভাপতি, আনোয়ারুল হককে সাধারন সম্পাদক করে পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয় এবং বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন করা হয়। আগামী ২১ জুলাই নতুন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। স্কুলের এই শতবর্ষ অনুষ্ঠানকে সফল করতে নতুন কমিটির সভাপতি কাজী আব্দুল মজিদ কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি স্কুলের সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও সকলের সহযোগীতা কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার সখিপুরে ফিরোজা মজিদ ট্রাষ্টের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটা উপজেলার সখিপুর ফিরোজা মজিদ ট্রাষ্টের উদ্যোগে সখিপুর সরকারী দীঘিরপাড় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টায় বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্প ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়। উক্ত বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্প ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ কর্মসূচীতে সভাপতিত্ব করেন সখিপুর সরকারী দীঘিরপাড় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জাতীয় যুব পুরষ্কারপ্রাপ্ত আবু আব্দুল্লাহ আল আজাদ। কর্মসূচীতে ২০০ জন ছাত্র-ছাত্রীকে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয় এবং তাদের মাঝে শিক্ষা উপকরন বিতরন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ফিরোজা মজিদ ট্রাষ্টের চেয়ারম্যান ইকবাল মাসুদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউপি সদস্য আকবর আলী, প্রাক্তন ইউপি সদস্য আফসার আলী এবং স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শেফালী মুখার্জ্জী। অনুষ্ঠানটির আয়োজনে সহযোগিতা করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন এমআইএস অফিসার মনিরুজ্জামান মনির ও নাহিদ শাহরিয়ার সবুজ প্রমূখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রাইভেট কার চাপায় আহত সাতক্ষীরার শাহিন লাইফ সাপোর্টে

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রাইভেট কার চাপায় গুরুতর আহত সাতক্ষীরার টগবগে যুবক শাহীন কাদির এখন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে তাকে। গত ৩ জুন থেকে ১৫ দিনেও তার জ্ঞান ফেরেনি। ডাক্তাররা বলছেন তার মস্তিষ্কের ক্ষমতা ৭৫ ভাগ বিলুপ্ত হয়েছে। আঘাতজনিত কারনে মাথার ঘিলু নির্গত হয়েছে। কয়েকটি ¯œায়ু বিচ্ছিন্ন হয়ে রক্তপাত হয়েছে। মেরুদন্ডের উভয় স্কন্ধের হাড় ভেঙে গেছে। এছাড়া স্পাইনাল কর্ড ভেঙে ভেতরে ঢুকে গেছে। সারা শরীর থ্যাতলানো শাহীন কাদিরের লিভার বড় হয়ে গেছে। সে এখন অচেতন অবস্থায় বাকরুদ্ধ হয়ে রয়েছে।
তরতাজা এই যুবক সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের শ্রীফলকাটি গ্রামের এসএম মুজিবর রহমানের ছেলে। সে সম্প্রতি কৃষি ডিপ্লোমা শেষ করে উচ্চ শিক্ষা গ্রহনের চেষ্টা করছিল। অপরদিকে শ্যামনগরের আরএমও ডা. আনিসুর রহমান একই উপজেলার হাওয়ালভাঙ্গি গ্রামের আবু দাউদ সরদারের ছেলে।
আহতের পারিবারিক সূত্র জানায় শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. আনিসুর রহমান নিজে চালক না হয়েও বেপরোয়াভাবে নিজের প্রাইভেটকার চালিয়ে শ্যামনগর অভিমুখে আসছিলেন। অপরদিকে শাহিন কাদির তার বন্ধু হাবিবুর রহমানের মোটর সাইকেলে বসে বিপরীতমুখে কালিগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান শ্যামনগরের খানপুরে ফিলিং স্টেশনের কাছে একটি ছোট কালভার্টের ওপর তার প্রাইভেট কারটি শাহিন কাদিরকে চাপা দেয়। তাকে গুরুতর আহত দেখেও চালক ডা. আনিস সরাসরি শ্যামনগরের দিকে পালিয়ে যান। গ্রামবাসী এ সময় তাকে তাড়া করেও ধরতে ব্যর্থ হন। স্থানীয়রা শাহীন কাদিরকে শ্যামনগর হাসপাতালে ভর্তি করলেও ডা. আনিস তার চিকিৎসায় সাহায্য করা এমনকি তার সামনেও আসতে অস্বীকৃতি জানান। শাহীন কাদিরের বাবা এসএম মুজিবুর রহমান জানান, তার ছেলেকে শ্যামনগর থেকে সাতক্ষীরায় পরে খুলনা এবং সর্বশেষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শুরুর আগে ডা. আনিস তাকে বলেছিলেন এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নিতে। চিকিৎসার সব খরচ তিনি বহন করবেন। অভিযোগ করে মুজিবুর রহমান আরও বলেন খরচ বহন করা দুরের কথা বরং চিকিৎসার ব্যাপারে কোন সহায়তা করার আশ্বাসও তিনি দেননি। এলাকাবাসী জানান, ডা. আনিসের মালিকানাধীন সাদা রঙের প্রাইভেটকারটি (রেজি নং- ঢাকা মেট্রো -গ- ৩৫-১২১১) তিনি নিজে চালিয়ে যাচ্ছিলেন। আনাড়ি চালক হওয়ায় তার গাড়িতে থাকা জনৈক সোহরাব মোড়ল তাকে গাড়ি চালানোর প্রশিক্ষন দিচ্ছিলেন। এসময় গাড়ির মধ্যে উচ্চস্বরে কথোপকথন, হাসিঠাট্টা ও তুচ্ছতাচ্ছিল্যভাবে কথা বলছিলেন তারা। তাদের খামখেয়ালির কারনে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানান এলাকাবাসী। শাহীন কাদিরের বাবা এসএম মুজিবুর রহমানের অভিযোগ ডা. আনিসুর রহমান তার ছেলেকে হত্যার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। চিকিৎসার শুরু থেকে এ পর্যন্ত তিনি প্রায় ১২ লাখ টাকা ব্যয় করেছেন। এসব টাকা তিনি জমি বিক্রি ও বন্ধক এবং সমিতি থেকে লোন নিয়ে পরিশোধ করেছেন। এখন দৈনিক শাহীন কাদিরের পিছনে ২৫ হাজার টাকা করে ব্যয় হচ্ছে। মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে এসে বাবা মুজিবুর রহমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোঃ নাসিমের দৃষ্টি আকর্ষন করে বলেন, ‘আমি আমার ছেলের চিকিৎসার জন্য আপনাদের কাছ থেকে মানবিক সহায়তা চাই’।
এদিকে নিজের গাড়ি চাপায় দুর্ঘটনার ব্যাপারে জানতে চেয়ে ডা. আনিসুর রহমানের কাছে টেলিফোন করা হলে তিনি দাবি করেন, ওইদিন তিনি গাড়ি চালাচ্ছিলেন না। তার ড্রাইভার সোহরাব মোড়ল গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি রোগীর জন্য ৫০ হাজার টাকা দিতে চেয়েছেন। শ্যামনগরের অনেক সংবাদকর্মী এবং স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মচারি এবং সাধারন নাগরিকরা জানান ডা. আনিসুর রহমান মাদকাসক্ত এবং তিনি নিয়মিত ইয়াবা খেয়ে থাকেন। তার হাতে কোনো রোগী নিরাপদ নন দাবি করে তারা বলেন তাকে নিয়ে পত্রপত্রিকায় রিপোর্ট হয়েছে। তার হাতে বহু রোগী মারা গেছে। তার দাপটে শ্যামনগর হাসপাতালে কোনো ভালো ডাক্তার টিকতে পারছেন না বলেও জানান তারা। তবে ডা. আনিস এসব অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি মাদকাসক্ত নন বলেও দাবি করেন।
এদিকে প্রাইভেট কার চাপায় গুরুতর আহত হবার পরও শ্যামনগর থানা পুলিশ শাহিনের বাবার দেওয়া মামলা গ্রহন করে নি। এলাকাবাসী জানান ওসির সাথে ডাক্তার আনিসের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ওসি তার গাড়ি বিভিন্ন সময় ব্যবহারও করে থাকেন। পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকার করায় বাবা এসএম মুজিবর রহমান সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সহযোগিতা কামনা করে আবেদন করেছেন। জানতে চাইলে শ্যামনগর থানার ওসি সৈয়দ মান্নান আলি বলেন তারা কোনো এজাহার দেননি। এখনই এজাহার দিলে তিনি তা রেকর্ড করবেন বলে জানান।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে দুর্ঘটনায় আহত শাহীন কাদিরের বাবা বলেন, আমার ছেলেটির জীবন বিপন্ন। তার বাক রুদ্ধ হয়ে গেছে। লাইফ সাপোর্ট খুলে দিলেই তার জীবনবায়ু শেষ হয়ে যাবে। এ অবস্থায় তিনি ডা. আনিসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে এক বৃদ্ধার মৃত্যু

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার তালায় শিয়াল মারা ফাঁদে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার তেতুলিয়া ইউনিয়নের শিরাশুনি গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।
মৃত ওই বৃদ্ধার নাম রিজিয়া বেগম (৬৫)। তিনি শিরাশুনি গ্রামের মৃত. শওকত মোল্লার স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানান, রিজিয়া বেগম নিজেদের মুরগির ফার্মের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় শিয়াল মারা একটি ফাঁদে অসাবধান বশতঃ তার পা লাগে। এতে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মেহেদী রাসেল এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত কওে জানান, এঘটনায় তালা থানায় একটি ইউডি (অপমৃত্যু) মামলা হয়েছে। মামলা নং ২৭।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নতুন সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ

তাকে আগামী ২৫ জুন থেকে তিন বছরের জন্য সেনাপ্রধান পদে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন সোমবার জারি করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

অর্থাৎ আগামী সাধারণ নির্বাচনের সময় সেনাপ্রধানের দায়িত্বে থাকবেন আজিজ আহমেদ।

তিনি জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হকের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল আজিজ জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি নিয়ে সেনাপ্রধান হবেন।

আজিজ আহমেদ বর্তমানে সেনাবাহিনীতে কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেলের (কিউএমজি) দায়িত্বে রয়েছেন। তার আগে আর্মি ট্রেইনিং অ্যান্ড ডকট্রিন্যাল কমান্ডের জিওসির পদে ছিলেন তিনি।

তারও আগে তিনি ২০১৬ সাল পর্যন্ত চার বছর বিজিবির মহাপরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন।

বিএমএর অষ্টম  দীর্ঘমেয়াদি কোর্স শেষে ১৯৮৩ সালের ১০ জুন সেনাবাহিনীতে কমিশন পান আজিজ আহমেদ।

কর্মজীবনে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে জিএসও-৩ (অপারেশন্স), পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেড মেজর, সেনাসদর প্রশিক্ষণ পরিদপ্তরের গ্রেড-২ এবং সেনাসদর, বেতন ও ভাতা পরিদপ্তরের গ্রেড-১ স্টাফ অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৬১ সালে জন্ম নেওয়া আজিজ আহমেদের পৈত্রিক বাড়ি চাঁদপুরে। তার বাবা ওয়াদুদ আহমেদ বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা। মোহাম্মদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করার পর তিনি এইচএসসি পাস করেছিলেন নটরডেম কলেজ থেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জার্মানির বিরুদ্ধে মেক্সিকোর গোলে সাত সেকেন্ডের ভূমিকম্প!

খেলার খবর: বিশ্বকাপে জার্মানির বিপক্ষে মেক্সিকোর জয়টা মেক্সিকানদের কাছে ছিল ঐতিহাসিক এক জয়। এটা এমনই এক জয়, যা রূপ দিয়েছিল কৃত্রিম ভূমিকম্পের! এমন কথা জানিয়েছে মেক্সিকোর আবহাওয়া অধিদফতর!

৩৫ মিনিটে হাভিয়ের এর্নান্দেস বাঁদিকে বল ঠেলে দিয়েছিলেন ঐতিহাসিক সেই গোলটির জন্যে। তাতে লোসানো কাট করে ঢুকে গিয়েছিলেন বক্সে। শক্তিশালী পাওয়ার শটে লক্ষ্যভেদ করে ফেলেন। সেই গোলের নিজেদের আবেগ আর রুখতে পারেননি মেক্সিকো শহরের মানুষ। যে যেখানে ছিলেন সেখানেই লাফিয়ে লাফিয়ে গোল উদযাপন করেছেন। আর তাতে নড়ে বসেছিল রিখটার স্কেলের কাঁটা! সেখানকার ভূতাত্ত্বিক বিভাগ বলছে, খেলার ৩৫ মিনিট পর কৃত্রিম সেই ভূমিকম্পের রিডিং স্থায়ী ছিল সাত সেকেন্ড!

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে হারিয়ে এমন বাঁধভাঙা উল্লাস ছিল মেক্সিকানদের। বাঁধভাঙা উল্লাসে কেউ কেউ তাদের জাতীয় সংগীতও গেয়েছিলেন সে সময়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest