সর্বশেষ সংবাদ-
নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯ : শত শত মানুষ এখনো নিখোঁজদৈনিক দৃষ্টিপাতের সম্পাদকের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকউপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ ও অনিয়মের অভিযোগে দায়িত্ব হারালেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকযুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় ইউনিভার্সিটি অব মায়ামিতে পিএইচডি ও ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ অর্জন করল সাতক্ষীরার শিহাবনেপালে পাহাড়ি ঢলে বিপর্যয়, নিহত বেড়ে ১৬২, নিখোঁজ ৪০০সাংবাদিক মারুফকে প্রাণনাশের হুমকি : থানায় অভিযোগসাতক্ষীরার শিকারি ব্র্যান্ড বিডির ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনদেবহাটা সরকারি বি বি এম পি ইনস্টিটিউশনে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী পালিতসাতক্ষীরায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা রাজ্যেশ্বর দাশ গ্রেপ্তারভিডিএফের সাতক্ষীরা জেলা কমিটি নির্বাচন: সভাপতি হোসেন-সম্পাদক ইব্রাহিম

কলারোয়ায় চাঁদার দাবিতে ছাত্রলীগ সভাপতি ও সম্পাদকের নেতৃত্বে কলেজ ছাত্রকে মারপিট

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :
কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদকের নেতৃত্বে এক কলেজ ছাত্রকে মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুরে কলারোয়া উপজেলার বেত্রাবতী স্কুলের সামনে এঘটনা ঘটে।
আহত ওই কলেজ ছাত্র উপজেলার বৈদ্যপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে তৌহিদুর রহমান লাল্টু। সে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অর্নাসের বিভাগের ছাত্র।
আহত লাল্টুর চাচা মুজিবুর রহমান জানান, লাল্টু সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে লেখাপড়া করেন। বুধবার সে বাড়ি আসার পতিমধ্যে কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির মাদকাসক্ত সভাপতি আবু সাঈদ ও সাকিল খান জজ তার গতিরোধ করে তার কাছে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা পাশ্ববর্তী আব্দুর রশিদের ছেলে রিপনের ঘরে নিয়ে লাল্টুকে বেধড়ক মারপিট করে গুরুত্বর আহত করে ফেলে রেখে যায়। এসময় স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
মুজিবুর রহমান আরো বলেন, আমাদের পরিবারের সকলেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী। বর্তমান কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সম্পাদক মাদকাসক্ত। আমরা হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি গ্রহণ করছি।
এবিষয়ে কলারোয়া ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাকিল খান জজ চাঁদা দাবি অস্বীকার বলেন, লাল্টু জালালাবাদ ইউনিয়ন শিবিরের সভাপতি। সে কারণে তাকে রাস্তায় দেখে ছাত্রলীগ নেতাবৃন্দ তাকে আটক করে। এসময় একটু মারপিট হয়েছে। তিনি আরো বলেন লাল্টুর পরিবার আওয়ামীলীগ করলেও সে শিবির করে।
এদিকে কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মারুফ আহমেদ বলেন, আমি নতুন হিসাবে যতদুর জেনেছি তার পরিবার আওয়ামীলীগ করে। লাল্টু যেহেতু সাতক্ষীরায় থাকে। সে কারণে লাল্টু শিবির করে কিনা আমার জানা নেই। তবে কোন আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান শিবিরের সাথে জড়িত থাকতে পারে এটা মানতে পারছি না। মারপিটের ঘটনা আমরা শুনেছি। ঘটনাস্থল পুলিশ পরিদর্শন করেছে। তবে এখনো পর্যন্ত আহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ ফেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সেলাই মেশিন বিতরণ করলেন মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :
দুস্থ নারীদের স্বাবলম্বী করতে প্রদত্ত সেলাই মেশিন বিতরণ করেছেন তালা-কলারোয়া- ১ আসনের এমপি এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ।
বুধবার দুপুরে সাংসদের নিজস্ব বাসভবনে এ সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, তালা উপজেলা চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, নগরঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান লিপু প্রমুখ। সেলাই মেশিন বিতরণকালে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নারীর ক্ষমতায়নে বদ্ধ পরিকর। নারীদের স্বাবলম্বী করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্মমূখি সরঞ্জাম বিতরণ করে যাচ্ছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঘাতক চালকের স্বীকারোক্তি

দেশের খবর: রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে শহীদ রমিজ উদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থীকে বাসচাপা দেওয়ার কথা আদালতে স্বীকার করলেন জাবালে নূরের বাসচালক মাসুম বিল্লাহ।
বুধবার (৮ আগস্ট) ঘাতক চালককে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে স্বীকারোক্তি রেকর্ড করার আবেদন করেন ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর কাজী শরিফুল ইসলাম।
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম নবী আসামির জবানবন্দি রেকর্ড করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গত ১ আগস্ট মাসুম বিল্লাহ’র সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত।
গত ২৯ জুলাই বিমানবন্দর সড়কে জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাস আরেকটি বাসের সাথে পাল্লা দিতে গিয়ে বেপরোয়া গতিতে হোটেল র‌্যাডিসনের বিপরীত পাশে জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভারের সামনে শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের অপেক্ষমাণ ১৪/১৫ জন ছাত্রছাত্রীকে চাপা দেয়।
এ ঘটনায় ওই কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম মিম ও বিজ্ঞান বিভাগের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আব্দুল করিম রাজীব মারা যায়। এছাড়া আরও কয়েকজন ছাত্র-ছাত্রী আহত হয়।
এ ঘটনায় নিহত দিয়া খানম মিমের বাবা জাহাঙ্গীর আলম এ মামলা দায়ের করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আটক শিক্ষার্থীদের মুক্তির দাবি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যদের

দেশের খবর: নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত যেসব শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে তাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা। বুধবার (৮ আগস্ট) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃপক্ষের মতবিনিময় সভায় এ দাবি জানিয়েছেন উপাচার্যরা।
তবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘আমরা কাউকে মুক্তি দেওয়ার অধিকার রাখি না। ছাত্ররা যদি প্রকৃত অর্থেই অপরাধ করেন, আইন লঙ্ঘন করেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে কেউ যদি নিরপরাধ হয়, তা প্রমাণিত হলে সে মুক্তি পাবে।’
এই মতবিনিময় সভায় দেশের ১০৩ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য এবং কোনও কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের অনুপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালগুলোর উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রাররা উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যরা বলেন, ‘কুর্মিটোলায় দুই শিক্ষার্থী বাসচাপায় নিহত হওয়ার পর একযোগে রাস্তায় নেমেছিল স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা। প্রথমদিকে আমাদের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নামেনি। একদম শেষ দিকে তারা ওই আন্দোলনে যোগ দিয়েছে। আমরা চেষ্টা করেছি তাদের নিয়ন্ত্রণ করার। নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি বলেই প্রথমদিকে তারা সক্রিয় হয়নি। কিন্তু গত ৬ আগস্ট তাদের কোনও একটি পক্ষ ব্যবহার করেছে। তাদের প্রভাবিত করেছে, এর ভেতরে তৃতীয় পক্ষ ঢুকে গিয়েছে। তখনও আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি ফিরিয়ে আনার। শক্ত অবস্থানে গিয়েছি। বাধ্য হয়ে কেউ কেউ তৎক্ষণাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস পরীক্ষা স্থগিত করেছে। কারণ, তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে। তাছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে উত্তেজিত ছাত্রদের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা করা হয়। পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়, যেন তারা শিক্ষার্থীদের ওপর অ্যাগ্রেসিভ না হয়।’
আটক শিক্ষার্থীদের মুক্তির দাবি জানিয়ে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য আব্দুল মান্নান বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যাই করেছে তাদের সাধারণ ক্ষমা করা উচিত। কারণ, পরিস্থিতি কোনও না কোনও কারণেই তো সৃষ্টি হয়েছে। তাছাড়া নতুন করে কোনও ইস্যু তৈরি করে, সেই সুযোগ দেওয়া ঠিক হবে না।’ এ ইস্যুতে পুলিশে আটক সব শিক্ষার্থীর মুক্তির ব্যবস্থা করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানান তিনি।
প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আব্দুল হান্নান চৌধুরী বলেন, ‘বনানীতে প্রাইম এশিয়াসহ বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। আমরা অনেক চেষ্টা করে ছাত্রদের নিয়ন্ত্রণ করেছি। বনানীতে কোনও বিশৃঙ্খলা হয়নি। আমরা ক্লাস পরীক্ষা চালু রেখেছিলাম। এ ধরণের ঘটনা ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ না করে ক্লাস চালু রাখা উচিৎ। যাতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে না গিয়ে ক্লাসে ব্যস্ত থাকে। যদি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া হয় তবে আন্দোলন তীব্র হয়ে উঠতে পারে।
আব্দুল হান্নান চৌধুরি বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি আগের কোনও অজ্ঞাত মামলায় আটক শিক্ষার্থীদের ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমরা চাই, যা হবার হয়েছে, যেহেতু এখন পরিস্থিতি শান্ত, ফলে শিক্ষার্থীদের নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া হোক।’
হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, ‘আমরা নানাভাবে এমন পরিস্থিতির মধ্যে শিক্ষার্থীদের শান্ত রাখতে সক্ষম হয়েছি। শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে যুক্ত হতে চাইলেও সঠিক বিষয়টি শিক্ষার্থীদের বোঝানোর চেষ্টা করেছি। যার কারণে আমাদের শিক্ষার্থীরা আর ক্যাম্পাস ছেড়ে বাইরে যায়নি।’ পুলিশের হাতে আটক হওয়া শিক্ষার্থীদের মুক্তির দাবি জানান তিনি।
উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য ইয়াসমিন আরা রেখা বলেন, ‘বেশিরভাগ শিক্ষার্থীরা না বুঝেই আন্দোলনে যুক্ত হয়। শিক্ষকরা যদি শিক্ষার্থীদের সামনে গিয়ে দাঁড়ায় এবং তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেন তবে শিক্ষার্থীরা আর আন্দোলনে যুক্ত হয় না। তাই তিনি শিক্ষকদের তৎপর থাকার পরার্মশ দেন।’
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ কবির বলেন, ‘৬ আগস্ট বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে যা ঘটেছে তা অনেক জটিল ছিল, তার মাধ্যমে আমরা শিখেছি। বিভিন্নভাবে আমরা শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থেকে বিরত রাখতে সক্ষম হয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আমি সার্বক্ষণিক খোঁজ নিয়েছি, পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেছি, ছাত্রদের শান্ত করার চেষ্টা করেছি। সম্মলিতভাবে কাজ করলে সুবিধা পাওয়া যায়।’ তাই যেকোনও সমস্যাতে অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পরামর্শ দিয়েছি।’সভায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড়িয়ে আন্দোলন যৌক্তিক ছিল। আমরা তাদের এ দাবির সমর্থন করি। আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্রের যেসব সমস্যা তা তারা চোখে আঙুল দিয়ে আমাদের দেখিয়ে দিয়েছে। যৌক্তিক বলেই প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের ৯ দফা দাবি মেনে নিয়েছেন। বর্তমানে তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। নতুন সড়ক আইন করা হয়েছে। তাই আর ছাত্রদের রাস্তায় থাকার কোনও অবকাশ নেই।’
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে রাজধানীর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সব প্রধানদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করেছি। এরপর আর তারা রাস্তায় না নামলেও এখন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নামছেন। তৃতীয় পক্ষ উসকে দিয়েছে, সুবিধা নিতে চাইছে। তাই আন্দোলনের ভয়ে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখবেন না। এতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘উপাচার্যরা অনকেই বলেছেন, আটক ছাত্রদেরকে মুক্তি দিতে। কিন্তু আমরা কাউকে মুক্তি দেওয়ার অধিকার রাখি না। ছাত্ররা যদি প্রকৃত অর্থেই অপরাধ করেন, আইন লঙ্ঘন করেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে আইশৃঙ্খলাবাহিনী। তবে কেউ যদি নিরাপরাধ প্রমাণিত হয় তবে সে মুক্তি পাবে।’
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা সচিব সোহরাব হোসেন বলেন, ‘সঠিক তথ্যের মাধ্যমে প্রতিবাদ করা দরকার, মিথ্যা গুজবে বিচার বিশ্লেষণ না করে প্রতিবাদ কারা উচিৎ নয়। কোনও শিক্ষার্থী যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেটিকে গুরুত্ব দিতে আমি পুলিশ প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। এ বিষয়ে আমরাও সজাগ রয়েছি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আগামীকাল থেকে টার্মিনালে ফিটনেসবিহীন গাড়ি পরিদর্শনে নামবেন মালিকরা

দেশের খবর: আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) থেকে রাজধানীর প্রতিটি বাস টার্মিনালে ফিটনেসবিহীন গাড়ি ও চালকের লাইসেন্স পরিদর্শনে নামবেন বাস মালিকরা। বুধবার (৮ আগস্ট) ঢাকাভিত্তিক পরিবহন মালিকদের সংগঠন ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি এ ঘোষণা দিয়েছে।
এদিন বিকেলে বিআরটিসি ভবনে অবস্থিত ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ এ ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘আগামীকাল থেকে আমরা প্রতিটি টার্মিনালে চেক করবো কোনও গাড়ি ফিটনেস সনদ, চালকের লাইসেন্স ছাড়া চলে কিনা। কারও (চালকের) কাগজপত্রের ঘাটতি থাকলে তাকে চলতে দেওয়া হবে না। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
তিনি বলেন, আমরা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মালিকদের সময় দিচ্ছি। তারা যেন এর মধ্যে সবকিছু ঠিক করে নেয়।
এ সময় তিনি রাজধানীর রাজপথে বাসগুলোর প্রতিযোগিতা ঠেকাতে চুক্তিভিত্তিক গাড়ি চালানো বন্ধের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। আর এ কাজে সহযোগিতার জন্য সড়কের পাশে টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থা রাখতে সিটি করপোরেশনকে আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তার সঙ্গে ছিলেন মহাখালী বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালামসহ পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা বিআরটি এ অফিস থেকে দালাল রিপন আটক

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা বিআরটি এ অফিস থেকে দালাল এক চক্রের সদস্যকে আটক করা হয়েছে। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে কোর্ট চত্বর থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত দালাল সদরের মুকুন্দপুর গ্রামের আফসার উদ্দীনের ছেলে হাফিজুল আলম (রিপন) (৩১)।
সাতক্ষীরা বিআরটি এ অফিসের সহকারী পরিচালক তানভীর আহমেদ চৌধুরী জানান, মানুষের সাথে প্রতারণার অভিযোগে সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনিন্দিতা রায়ের নেতৃত্বে থানা পুলিশ তাকে আটক করেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন এঘটনায় বিআরটি সাতক্ষীরার অফিস সহকারী নাছির উদ্দীন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এমবিবিএস কোর্সে ৫০০ আসন বৃদ্ধি

দেশের খবর: আগামী ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির জন্য সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে ৫০০ আসন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। বর্তমানে ৩১টি সরকারি মেডিকেল কলেজে তিন হাজার ৩১৮টি আসন রয়েছে। প্রায় একযুগ ধরে সরকারি কলেজগুলোতে ভর্তির ক্ষেত্রে কোনো আসন বাড়ানো হয়নি।
ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড, সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা এবং হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বিবেচনা করে গুণগত চিকিৎসা শিক্ষা এবং উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগণের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বুধবার সচিবালয়ে আসন্ন শিক্ষাবর্ষের জন্য মেডিকেল কলেজে আসন সংখ্যা বৃদ্ধি সংক্রান্ত সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এতে সভাপতিত্ব করেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব জানানো হয়েছে।
সভায় অন্যদের মধ্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব জি এম সালেহ উদ্দিন, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. ইসমাইল খান, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিনসহ মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চুক্তিভিত্তিক গাড়ি চালানো বন্ধের ঘোষণা মালিকদের

দেশের খবর: চুক্তিভিত্তিক গাড়ি চালানো বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকাভিত্তিক পরিবহন মালিকদের সংগঠন ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। প্রস্তাবিত সড়ক পরিবহন আইনকে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে এ ঘোষণা দিয়েছেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ।
বুধবার বিকেলে বিআরটিসি ভবনে অবস্থিত সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, আমরা পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা সবাই এই আইনের পূর্ণ সমর্থন করি। এই আইন ১৯৮৩ সালের আইন থেকে অনেক সময়োপযোগী ও গ্রহণযোগ্য। আমরা সমর্থন জানাই। তবে এই আইনে জরিমানার পরিমাণ অনেক বেশি। আমরা কিছু সংশোধনী প্রস্তাব দেবো। এগুলো সরকার মানলেও সমর্থন থাকবে, না মানলেও সমর্থন থাকবে।
এনায়েত উল্যাহ বলেন, আগে বাস কোম্পানিগুলো ক্ষতিপূরণ দিতো না বললেই চলে। কিন্তু এই আইনে ক্ষতিপূরণ না দেওয়ার সুযোগ নেই। ক্ষতিপূরণ দিতেই হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘আগামীকাল থেকে কোনও গাড়ি চুক্তিভিত্তিক চলবে না। এভাবে চললে পারাপারি (প্রতিযোগিতা) বেশি হয়, দুর্ঘটনা বাড়ে। আমরা এটা করতে দেবো না। যে কোম্পানি এটা মানবে না তার লাইসেন্স বাতিল করার জন্য আমরা সুপারিশ করবো। আর আমাদের সমিতির আওতায় হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থাও নেবো।’
তিনি আরও বলেন, আগামীকাল থেকে আমরা প্রতিটি বাস টার্মিনালে চেক করবো কোনও গাড়ি ফিটনেস সনদ, চালকের লাইসেন্স ছাড়া চলে কিনা। কারও (চালকের) কাগজপত্রের ঘাটতি থাকলে তাকে চলতে দেওয়া হবে না। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আমরা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মালিকদের সময় দিচ্ছি তারা যেন এর মধ্যে সব কিছু ঠিক করে নেয়।
এ সময় তিনি চুক্তিভিত্তিক গাড়ি চালানো বন্ধ করতে সড়কের পাশে টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থা রাখার জন্য সিটি করপোরেশনকে আহ্বান জানান।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন মহাখালী বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালামসহ পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest