সর্বশেষ সংবাদ-
জামায়াত হারেনি- হারানো হয়েছে: মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপিসংকটে শ্যামনগরের আইবুড়ি’ নদী, পুনঃখননের দাবিতে মানববন্ধনজেলা রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনিং ওনার এসোসিয়েশনের সিনিয়র ডাইরেক্টর ডলপিন আর নেইআশাশুনিতে এক ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে হয়রানির অভিযোগTips and Tricks for Easy NV Casino Login and Account Management Onlineশ্যামনগরে মৎস্যঘের পানি উত্তোলনের সময় বিদ্যুস্পৃস্টে এক ব্যক্তির মৃত্যুA Cozy Night In: A Guided Tour of Online Casino Entertainment and Helpful Supportপাটকেলঘাটায় মব সন্ত্রাস করে পুলিশে সোপর্দ করা দু’সাংবাদিকের বিরদ্ধে পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদনঝাউডাঙ্গায় পেরীফেরীভুক্ত জমিতে অবৈধভাবে ভবন নির্মানের অভিযোগশহরের গড়েরকান্দায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প

আর্জেন্টিনা একাদশে ব্যাপক পরিবর্তন আসছে!

খেলার খবর: অন্যতম ফেভারিট দল রাশিয়া ফুটবল বিশ্বকাপে পা রেখেছে দুইবারের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। কিন্তু শনিবার নিজেদের প্রথম ম্যাচে বিশ্বকাপে নবাগত আইসল্যান্ডের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে দর্শক-সমর্থকদের হতাশ করেছেন লিওনেল মেসির নেতৃত্বাধীন দলটি। একই সঙ্গে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ এ বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা তারকা ফুটবলার লিওনেল মেসি ওই ম্যাচে পেনাল্টি মিস করে হতাশা আরও বাড়িয়েছে। দলের এ বিবর্ণ পারফরমেন্সে দুশ্চিন্তায় পড়েছে আর্জেন্টিনার কোচ হোর্হে সাম্পাওলি। তাই পরবর্তী ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে যাচ্ছেন তিনি।

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে ভিন্ন ভিন্ন ফরমেশনে দলকে খেলিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছেন চিলির হয়ে কোপা আমেরিকা জয়ী কোচ সাম্পাওলি। তবে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সেন্ট্রাল মিডফিল্ডে মাসচেরানোর সঙ্গে লুকাস বিগলিয়াকে খেলানোয় তার রণকৌশল প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

তাই মস্কোর ব্রনিৎসিতে অনুশীলনে ব্যাপক পরিবর্তনের আভাস পাওয়া গেছে। মূল একাদশে ফুলব্যাকসহ তিন ডিফেন্ডার খেলানোর পরিকল্পনা করছে দলটি। ক্রোয়েশিয়ার ম্যাচে তাই আর্জেন্টাইন কোচের ফরমেশন হতে পারে তার পছন্দের ৩-৪-৩ ফরমেশন।

সেক্ষেত্রে ডি মারিয়া, লুকাস বিগলিয়া, মার্কোস রোহো ও ম্যাক্সি মেজা প্রথম একাদশে জায়গা হারাতে পারেন। আর তা হলে সাম্পাওলির পরবর্তী একাদশে ঢুকবেন ক্রিস্তিয়ান পাভন, মার্কোস আকুনা, গাব্রিয়েল মার্কাদো ও এনজো পেরেজ।

বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে ডি মারিয়ার বিবর্ণ পারফম্যান্স উল্টোদিকে বদলি হিসেবে নেমে ক্রিস্তিয়ান পাভনের উজ্জ্বল পারফরম্যান্স সাম্পাওলিকে নতুন চিন্তার খোড়াক জুগিয়েছে। পাভনের গতি, বল নিয়ে প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে কোনাকুনি ঢুকে পড়ার দক্ষতা আক্রমণভাগে লিওনেল মেসি ও সার্জিও আগুয়েরোর সঙ্গে কার্যকরী অস্ত্র হিসেবে কাজে দেবে বলেই ভাবছেন সাম্পাওলি। এছাড়া একাদশে জায়গা হারাতে পারেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ডিফেন্ডার মার্কোস রোহো।

অন্যদিকে, এদুয়ার্দো সালভিও একাদশে জায়গা ধরে রাখলেও পরবর্তী ম্যাচে রাইটব্যাক নয় তিনি তার নিজের জায়গা সেন্ট্রাল মিডফিল্ডের ডানপাশে খেলবেন। আর সেন্ট্রাল মিডফিল্ডের বাঁপাশে খেলবেন মার্কোস আকুনা, আগেও সাম্পাওলি এই জায়াগাতেই খেলিয়েছেন আকুনাকে।

তবে মিডফিল্ডে মাসচেরানোর সঙ্গী হিসেবে প্রথম ম্যাচে লুকাস বিগলিয়া সবাইকে হতাশ করেছেন। মাঝ মাঠ থেকে দ্রুত বল বাড়ানোয় সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। জিওভান্নি লো সেলসো অথবা এভার বানেগাই এই পজিশনের যোগ্য দাবিদার। কিন্তু সাম্পাওলি এনজো পেরেজ ও ম্যাক্সি মেজাকেই অনুশীলনে যাচাই করেছেন। এ দুজনের মধ্যে পার্থক্য হলো পেরেজ আদর্শ বক্স-টু-বক্স খেলোয়াড়, অন্যদিকে মাঝমাঠের ডান প্রান্ত দিয়ে মেসির সঙ্গে আক্রমণ শানাতে দক্ষ। যাকেই খেলানো হোক ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে কঠিন এক পরীক্ষাই দিতে হবে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডকে।

আগামী বৃহস্পতিবার ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাড়ছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা, পিতার স্বপ্ন চাপা ড়েছে বাসের চাকায়!

দেশের খবর: রাজীবের বায়না এই ঈদেই তাকে নতুন বাইক কিনে দিতে হবে। এ নিয়ে রোজার শুরু থেকেই আবদার শুরু করে দিয়েছে সে। মধ্যবিত্ত পরিবার। সেকান্দার সাহেবের ছেলের আবদার পূরণের সামর্থ্য নেই কিন্তু ছেলে নাছোড়বান্দা। বাসায় শুরু করে দিয়েছে উৎপাত। ঘরের আসবাবপত্র থেকে শুরু করে সবকিছুই নষ্ট করতে শুরু করে দিয়েছে।

সর্বশেষ রাজীব হাতিয়ার হিসেবে নিজের জীবনটাকেই বেছে নেয়। পিতা-মাতাকে সোজা সাপটা জানিয়ে দিয়েছে ঈদের আগে মোটরসাইকেল কিনে না দিলে আত্মহত্যা করবে সে।

ছেলের এমন পাগলামি মা-বাবা সহ্য করতে না পেরে ধার দেনা করে ঈদের দুইদিন আগে কিনে দেয়া হল ছেলের শখের মোটরসাইকেল। রাজীবের আনন্দ জেন আর শেষ হয় না। বন্ধুদের নিয়ে ঈদের দিন ঘুরে বেরাচ্ছে লোকাল এরিয়া ছেড়ে হাইওয়েতে। রাস্তা ফাঁকা পেয়ে আবেগকে ধরে রাখতে পারেনি। টপ স্প্রিডে ছুটে চলছে ওদের মোটরসাইকেল। শুধু রাজীব নয় ওর সাথে আছে আরো এক ঝাঁক তরুণ যাদের বয়স ১৫ থেকে ১৮ বা ২০ হবে। দল বেঁধে ফাঁকা রাস্তায় রেস দিচ্ছে। মাথায় নেই কোন হেলমেট। হেলমেট পরলে নাকি মানুষ হাসাহাসি করে। এজন্য লজ্জায় হেলমেট পরেনি তারা।

ঈদের দিনটাই যে রাজীবের জীবনের শেষ দিন তা ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি কেউ। রাস্তায় বিপরীত দিক থেকে আসা বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চাপাঁ পরে যায় পৃথিবীর সব আশা আকাঙ্খা ও চাওয়া-পাওয়া।

বিভৎস সেই দৃশ্য। মাথার মগজটা ঠিক ডান দিক থেকেই ফেটে বের হয়ে গেছে বা পায়ের হাটু থেকে নিচ পর্যন্ত নেই। বাইকের পিছনে যে ছিল তার অবস্থা আরো ভয়াবহ। বাসের চাকার নিচে পড়েছিল সে। শরীরে নিচের অংশটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

রাজিবের বাবার একমাত্র ছেলে ছিল সে। মোটরসাইকে দুর্ঘটনায় প্রাণ নিল একমাত্র ছেলের। বাবার স্বপ্নগুলো চাপা পড়ে রইলো বাসের চাকায়।

উপরে ঘটনা কাল্পনিকভাবে উপস্থাপন করলেও বাস্তবতার সাথে তফাৎ খুজেঁ পাওয়া যাবে না। বর্তমান তরুণ সমাজের একরোখা স্বভাব, একাদ্রতা সব প্রজন্মকে ছাড়িয়ে গেছে। এরা যেমন মেধাবী তেমনি অন্য অংশেও প্রচন্ড এ্যাডভান্স, হিংসাত্মক মনোভাবে জড়িত।

প্রতি বছরই ঈদের আগে এবং ঈদের দিনসহ কয়েকদিন প্রচুর পরিমানে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটে। এবারের ঈদের আগেরদিন ঈদের দিন এবং ঈদের পরের দিন মিলিয়ে প্রায় ৫০টির উপরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটে। এতে নিহত হয়েছে অনন্ত ২০ জনের মত (বিভিন্ন অনলাইনের দুর্ঘটনার নিউজ এর ভিত্তিতে অনুমান নির্ভর)।

এবারের মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার সংখ্যাটা অন্যান্য বারের চেয়ে একটু বেশিই মনে হচ্ছে। এবারে চলুন জেনে নেই মোটরসাইকেলের দুর্ঘটনার হার বেশি হবার কারণ কি ?

গতি:

প্রথমই যে বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে ধরা যায় তা হলো ওভার স্প্রিড বা দ্রুত গতিতে চালানোর প্রবনতা। সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণও এটি।

অদক্ষ চালক:

দুর্ঘটনায়পতিত বেশিরভাগই উঠতি বয়সী তরুণ। তাদের বয়স ১৫ থেকে ১৮ এর মধ্যে। মোটরসাইকেল চালানোর দক্ষতা ভালভাবে রপ্ত না করেই অদক্ষতার সাথে মোটরসাইকেল পরিচালনা করে। ফলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

হিংসাত্মক মনোভাব:

উঠতি বয়সি ছেলেদের মধ্যে সবসময় একটি হিংসাত্মক মনোভাব তৈরি হয়ে থাকে সর্বোচ্চ গতি তৈরিতে। বন্ধুদের প্ররোচণায় হোক আর নিজের মধ্য থেকে হোক সবার উপরে স্প্রিড উঠানোটাকে একটি ঐতিহ্য মনে করে।

হেলমেট ব্যবহার না করা:

বেশিরভাগ দুর্ঘটনায় পরা তরুণদের মাথায় হেলমেট ছিল না। কয়েকজন তরুণের সাথে এ বিষয় কথা বললে তারা বলে হেলমেট পড়লে সবাই তাকিয়ে থাকে যা তাদের লজ্জায় ফেলে দেয়। এজন্য তারা হেলমেট ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে না।

পারিবারিক মূল্যবোধ:

সমাজ গঠনে পারিবারিক মূল্যবোধ যেমন অপরিহার্য ভূমিকা রাখে তেমনি সন্তাকদে সঠিকভাবে পরিচালনার দায়িত্বও পরিবারের। পরিবার থেকে সন্তানকে সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত করা।

প্রতিযোগীতামূলক মনোভাব:

রাস্তায় মোটরসাইকেল চালানো অবস্থায় তরুণদের মাথায় একটি প্রতিযোগীতামূলক মনোভাব তৈরি হয়। যা তাকে স্প্রীডে চালাতে উদ্ভুদ্ধ করে। ফলে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে।

করণীয়:

পরিবারের করণীয়: এরকম অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা রোধে প্রথম যাদের ভূমিকা রাখা প্রয়োজন তা হলো পরিবার। পরিবার থেকে সন্তানকে এমন মানুষিকতা তৈরি করে দিতে হবে যেখানে একটা বিবেকবোধ জাগ্রত থাকে। সন্তাককে বাস্তবতাকে বুঝাতে সহয়তা করতে হবে। সন্তানের আবদার পুরনে সহনীয় হতে হবে। বড় ভাই বা বাবার মোটরসাইকেল সন্তানকে সহজে না দেয়া এবং দিলেও সঠিকভাবে চালানোর নির্দেশনা দেয়া।

রাষ্ট্রের করণীয়: বাইক কেনা থেকে শুরু করে চালানো পর্যন্ত কোন অবস্থাতেই যেন অপ্রাপ্ত বয়স্ক কারো কাছে না যায় তা নিশ্চিত করতে হবে। রাস্তায় চেক পোষ্টের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে। হেলমেট পরে বাইক চালাতে আরো ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা। কোন অবস্থাতেই যাতে অদক্ষ কেউ ড্রাইভিং লাইসেন্স না পায় না নিশ্চিত করা।

এক একটি তরুণ, এক একটি স্বপ্ন। যে স্বপ্নের সাথে জড়িয়ে থাকে পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্র। একটি সামান্য ভুলে অতল গহীনে হাড়িয়ে যেতে পারে এই স্বপ্নটি। স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে আমাদের যে যার জায়গা থেকে যা করণীয় সেটাই করা উচিত। দিন শেষে তরুণদের ভাবাতে হবে তারও একটা পরিবার আছে। দিন শেষে তারা তার জন্য অপেক্ষা করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ছেলেকে ‘সুপারহিরো’ বানাতে বাবার আত্মহত্যা

বিনোদন সংবাদ: বাবা নিজের ছেলেকে ‘সুপারহিরো’ হিসেবে দেখতে চান- আর এজন্যই নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেন। এরকম নজির পৃথিবীতে অনন্য হলেও আশিকুর রহমান পরিচালিত ছবিটিতে তেমনটাই দেখা গেল। ছেলের ‘সুপার হিরো’র হবার কোনো বিকল্প পথ ছিল কি না সেটা চিত্রনাট্য লেখকের ভেবে দেখা উচিত ছিল।

নায়িকা বুবলী যার চারিত্রিক নাম সীমা। অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের দূতাবাসে চাকরি করেও স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা না নিয়ে সহায়তা নেন বাংলাদেশের স্পেশাল ফোর্স অস্ট্রেলিয়া প্রশিক্ষণে যাওয়া থেকে ‘সামী’র। অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানকালীন ‘সামী’ সুপারহিরো কিংবা শাকিবকে কোনো প্রশিক্ষণ নিতেই দেখা গেল না। তিনি ‘সুন্দরী কূটনৈতিক বুবলীর বিশেষ আহবানে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া বিজ্ঞানীর নিরাপত্তার কাজে ব্যস্ত হয়ে গেলেন। মাঝে মধ্যে একোটি রোমান্সে দেখা গেল। কিন্তু মিসাইল আবিস্কারক সেই বিজ্ঞানীকে বাঁচানো গেল না। খুন হলেন। আর পর্দায় দেখানো হলো বিজ্ঞানী তারিক আনামের খুনী তাঁর স্ত্রী।

পুরো ছবিতে বিজ্ঞানীর ল্যাপটপ নিয়ে দৌঁড়াদৌড়ির কাহিনি আবর্তিত হয়েছে। কেননা সেই ল্যাপটপে রয়েছে মিসাইল আবিস্কারের প্রোগ্রাম। যে মিসাইল অন্যান্য মিশাইলের চেয়ে ব্যাতিক্রম। ব্যাতিক্রম কেমন? ছবির শেষের দিকে সেটা পরিস্কার হয়েছে। তার আগে বাকিগল্পগুলো বলি।

বুবলী অর্থাৎ সীমাই শেষের দিকে এসে পল্টি নেন। অর্থাৎ খুনি বিজ্ঞানীর স্ত্রীর পক্ষ নেন। এবং শাকিব অর্থাৎ সামীকে বলেন, সে তাঁকে ব্যবহার করে অস্ট্রেলিয়া থেকে ল্যাপটপ নিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন। না হলে সেটা সম্ভব না।এর আগে কয়েকদফা মারপিট করে অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশে চলে আসেন সামী-সীমা। বাংলাদেশে আসার পরের ঘটনা বুবলীর ‘পল্টিবাজি।’ যে ল্যাপটপের বিনিময়ে ৫০ কোটি টাকা চায় বিজ্ঞানীর স্ত্রীর কাছে।

সুপারহিরো ছবির কাহিনি প্রথমদিকে আবর্তিত হয় একজন বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর আবিস্কার নিয়ে। বিজ্ঞানীকে প্রথম ধাপে যাত্রবাড়ি ফ্লাইওভারের ওপর থেকে কিডন্যাপ করা বিজ্ঞানীকে উদ্ধার করে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিলেন শাকিব। অস্ট্রেলিয়ায় প্রশিক্ষনে শাকিব গেলেন আবার সেই বিজ্ঞানীও দু’দিন পর স্বস্ত্রীক অস্ট্রেলিয়ায় টুরে গেলেন। এটা কাকতালীয় বটে।

ছবির শেষ ধাপে এসে জানা গেল। সকল ‘অসৎ’ কাজের মূল হোতা সেই বিজ্ঞানী। যার চরিত্রে অভিনয় করেছেন তারিক আনাম খান। অবশ্য মফস্বল শহরের পোস্টারে পাওয়া যাচ্ছে তাঁকে ‘এনাম খান’ নামে। চট্টগ্রামে হেলিকপ্টারযোগে শাকিব যান। সেখানে গিয়েই- বুবলী যে তার দলে এটা শাকিব বিপরীত পক্ষকে বুঝিয়ে দেন। এবং একটি ফ্ল্যাশব্যাকের মাধ্যমেই বোঝানোর চেষ্টা করা হয় বুবলী তার দলেই রয়েছেন। তবে দর্শক কতটা বুঝলো সেটা চিত্রনাট্য নির্মাতা মাথায় নেননি।

ছবির শেষ মুহূর্তের কাহিনি ছিল টান টান উত্তেজনায় ভরা। কেননা তারিক আনাম খান তার মিসাইল ছেড়ে দেন মায়ানমারের উদ্দেশ্যে। কিন্তু এটা যদি মায়ানমারে আঘাত হানে তাহলে যুদ্ধ অনিবার্য। কিন্তু দ্রুত বুবলী তারিক আনাম খানকে পেটে ছুড়ি মেরে কম্পিউটারের দখল নিয়ে দুই দুইটা মিশাল মায়ানমার কিংবা বঙ্গোপসাগরে আঘাত হানার আগেই ধ্বংস করে দেন।

পেটে বড় একটা ছুড়ি ঢুকিয়ে দেয়ার পরেও তারিক আনাম খান পরে আবার কম্পিটারে গিয়ে একটি মিসাইল ছেড়ে দেন। এরপর মনিটর ভেঙে দেন। মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে মিশাইলটি বিষ্ফোরিত হবে আর বাংলাদেশের সাথে প্রতিবেশি দেশের যুদ্ধ লেগে যাবে। এটা তো হতে দিতে পারেন না শাকিব-বুবলী। পরে ‘হোম’ বাটন প্রেস করে মিশাইলটিকে ফিরিয়ে আনেন চট্টগ্রামে। এসবই হচ্ছিল চট্টগ্রামের একটি ভাঙা জাহাজে। মিশাইলটি ফিরে আসতে সময় নেয় এক মিনিট। এর মধ্যে শাকিব কিছু জ্বালাময়ী বক্তব্য দেন তারিক আনামের উদ্দেশ্যে। এরপর জাহাজ থেকে বেরিয়ে দৌঁড়ে বাইরে এসে হেলিকপ্টারে ওঠেন। এতোকিছু করতে শাকিবের ব্যয় হয় মাত্র এক মিনিট।

এরপর মিসাইলটি চট্টগ্রামে শুধু সেই জাহাজেই এসে পড়ে। বেঁচে যায় বাংলাদেশ। অথচ মিসাইলটির বড় একটি ভূখণ্ডে আঘাত হানার কথা। আর বাবা সাদেক বাচ্চু ছেলে শাকিব অর্থাৎ সামীকে সুপারহিরো বানাতে কেন আত্মহত্যা করেন? সাদেক বাচ্চুকে জীবিত অবস্থায় আটক করে প্রতিপক্ষ শাকিবকে ফাঁদে ফেলতে চায়। শাকিব ফাঁদে পড়লে সুপারহিরো হওয়া হবে না। এজন্য বাবা সাদেক বাচ্চু নিজের মাথায় বন্দুক দিয়ে গুলি করে আত্মহত্যা করেন।

খুবই চমৎকার চিত্রায়ণ। বেশিরভাগ শুটিং অস্ট্রেলিয়ায়। এটা দর্শকদের বিনোদিত করবে। গানগুলো বেশ দৃষ্টিনন্দন। কিন্তু কাহিনিতে জট রয়েছে। সমীকরণের পর্যায়ে চিত্রনাট্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যেটা শাকিব ভক্তদের জন্য অত্যন্ত দুর্বোধ্য বটে। প্রেক্ষাগৃহে বসে আশেপাশের আলাপন থেকে অন্তত সেটাই বোঝা গেল। তারপরেও ‘সুপারহিরো’ দেখে
দর্শকদের মনে হবে- যে পয়সা উসুল হয়েছে। ছবি শেষ হবার আগে এমনটা শোনা গেছে।

উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি প্রেক্ষাগৃহে প্রজেকশনে সমস্যা হচ্ছে। যদিও এর আগের বছর ‘বস টু’ চলাকালীন পর্দা পরিচ্ছন্ন ছিল, সাউন্ড ক্লিয়ার ছিল। কিন্তু সুপারহিরোর ক্ষেত্রে উল্টো দেখা যাচ্ছে। ২৫ ভাগ দৃশ্য পর্দার বাইরে চলে যাচ্ছে। সাউন্ড ক্লিয়ার না, কালারে দারুণ সমস্যা। ব্রাইটনেস একেবারে কম। এসব দর্শকদের হল বিমুখ করবে বলেই দর্শকদের ধারণা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুইসদের ‘মারে’ মোজাও ছিড়েছে নেইমারের!

খেলার খবর: সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র করে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। যা মেনে নিতে পারছেন না দেশটির কোটি কোটি ভক্তরা। ম্যাচে ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা নেইমারকে স্বাভাবিক ছন্দে দেখা যায়নি। এ কারণে দলের সেরা তারকা নিয়েও সমালোচনা চলছে। এদিন অবশ্য ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার খেলার সুযোগ দেননি প্রতিপক্ষে খেলোয়াড়রা। ম্যাচে কেবল নেইমারকে ১০ বার ফাউল করা হয়। এমনকি প্রতিপক্ষে মারে নেইমারের পায়ের মোজা পর্যন্ত ছিড়ে যায়।

নেইমার যে পুরো ফিট নন, তা জানা ছিল সবার। সাড়ে তিন মাস পর রবিবার আন্তর্জাতিক ফুটবলে কামব্যাক হয়েছিল নেইমারের। ব্রাজিলের ওয়ান্ডার বয়কেই টার্গেট করেছিলেন সুইস ডিফেন্ডাররা। একের পর এক ফাউল করে নেইমারের খেলার ছন্দ নষ্ট করে দেয় সুইজারল্যান্ড।

পরিসংখ্যান বলছে রবিবার গোটা ম্যাচে নেইমারকে ১০ বার ফাউল করে ইউরোপীয় দলটির ডিফেন্ডাররা। বিশ্বকাপে একটা ম্যাচে এর চেয়ে বেশি ফাউল করা হয়েছে একমাত্র অ্যালান সিয়ারারকেই। সুইস ডিফেন্ডারদের মারের চোটে এমন অবস্থা হয় যে নেইমারের মোজা পর্যন্ত ছিঁড়ে যায়। পরের ম্যাচগুলোতেও নেইমারকে টার্গেট করবে প্রতিপক্ষ দলগুলো। সেখান থেকে দলের সেরা তারকাকে বের করার স্ট্র্যাটেজি বের করাই এখন চ্যালেঞ্জ কোচ তিতের সামনে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মোশাররফের গাড়িবহর দুর্ঘটনার কবলে, ছাত্রদলকর্মী নিহত

রাজনীতির খবর: কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা সদরে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের গাড়িবহর। এ ঘটনায় রায়হান নামে এক ছাত্রদলকর্মী নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৯ জুন) দুপুর ১২টায় দাউদকান্দি থেকে ২৫টি মাইক্রোবাসের বহর নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমানের ছেলের বৌভাত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আমিরাবাদ ইউটার্নে ঢাকাগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস বেপরোয়া গতিতে এসে তার বহরের তিনটি মাইক্রোবাস ও দাঁড়িয়ে থাকা দু’টি প্রাইভেটকারকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দাউদকান্দি পৌর ছাত্রদলকর্মী রায়হানের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পৌর ছাত্রদল সভাপতি আল আমিনসহ গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। তাদের মধ্যে ১০ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ ঘটনায় খন্দকার মোশাররফ হোসেনের কিছু হয়নি। আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সবচেয়ে বাজে র‌্যাঙ্কিংয়ে অস্ট্রেলিয়া

খেলার খবর: বল ট্যাম্পারিং কেলেঙ্কারির পর থেকে অনেকটাই দিশেহারা অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট। তারই ধারাবাহিকতায় ৩৪ বছরের মধ্যে ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে অবস্থানে নেমে গেছে দলটি।

বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক এক বছর আগে ওয়ান ডে ব়্যাংকিংয়ে এক ধাপ পিছিয়ে বর্তমানে ছয় নম্বরে নেমে গেল তারা। ১৯৮৪ পর এটাই সবচেয়ে খারাপ ব়্যাংকিং পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার।

সোমবার প্রকাশিত সর্বশেষ আইসিসি ব়্যাংকিংয়ে অস্ট্রেলিয়াকে টপকে পাঁচ নম্বরে উঠে এল পাকিস্তান। প্রথম স্থানে রয়েছে ইংল্যান্ড, দ্বিতীয় ভারত, তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে যথাক্রমে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিফার কাছে ‘ভার’ না ব্যবহারের উত্তর চায় ব্রাজিল

খেলার খবর: রাশিয়া বিশ্বকাপের মাত্র চারদিন গড়াতেই রেফারির নানা সিদ্ধান্তে উত্তাল ফুটবল বিশ্ব। ফিফার চালু করা নতুন প্রযুক্তি ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারিদের (ভার) ক্ষমতা ও ব্যবহার নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন।

রোববার ব্রাজিল-সুইজারল্যান্ড ম্যাচের একটি বিতর্কিত গোল ও নেইমারের জার্সি ধরে টেনে ফেলার পরেও রেফারিরা ঘটনাকে গুরুত্ব না দেয়ায় তা আরও সামনে এসেছে।

অথচ রেফারি ব্রাজিলের বিরুদ্ধে সমতায় ফেরার জন্য স্টিভন জুবেরের করা গোলটা বাতিল করেননি। টিভি রিপ্লেতে দেখা গেছে, সুইজারল্যান্ডের হয়ে গোল করার সময় জুবের কনুই দিয়ে ধাক্কা দিয়েছিলেন ব্রাজিলের ডিফেন্ডার মিরান্দাকে।

মেক্সিকান রেফারি সেসার র‌্যামোসের কাছে প্রতিবাদও করেছিলেন কৌতিনহোরা। কিন্তু তিনি গুরুত্ব দেননি। এ বারের বিশ্বকাপে চালু হওয়া ভার নিয়ে মাথা ঘামাননি। অথচ তারা নিজে থেকেই কিন্তু হস্তক্ষেপ করতে পারতেন।

জুবেরের গোল ছাড়াও পেনাল্টি বক্সে গ্যাব্রিয়েল জেসাসকে ফেলে দেয়ার পরও ভারে’র সাহায্য নিতে পারতেন রেফারি। কিন্তু সেটাও নেননি। কেন ভার ব্যবহার করা হয়নি, তা ফিফার কাছে জানতে চেয়েছে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন।

সোমবার ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন বলেছে, ‘এই দুটি ঘটনা ঘটেছে রেফারির পরিষ্কার ভুলে। উভয় ঘটনাতেই ভারে’র সাহায্য নেয়া উচিত ছিল।

কনফেডারেশন আরও বলছে যে, ঘটনাগুলোর পর্যালোচনা হচ্ছে কি না ‘স্বচ্ছতা অবলম্বনের’ জন্যেই তা আমরা জানতে চাই।

ম্যাচ চলাকালে সেই সময় অফিসিয়ালদের মধ্য যেসব আলোচনা হয়েছে তার‘ভিডিও এবং অডিও রেকর্ডিং’ দেয়ার অনুরোধও করেছে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে আটক ৩৭

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ৩৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার সকাল পযর্ন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এসময় উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কিছু মাদক দ্রব্য।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ৫ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৫ জন, তালা থানা ৩ জন, কালিগঞ্জ থানা ৮ জন,শ্যামনগর থানা ৭ জন, আশাশুনি থানা ৬ জন, দেবহাটা থানা ২ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ১ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest