সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় ব্রজপাতে নারী আইনজীবীর মৃত্যুনূরনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বখতিয়ার আহমেদের সংবাদ সম্মেলনসুন্দরবনে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক বনজীবী নিহত: বন বিভাগের কার্যালয়ে : হামলা: আহত- ৫মোটরসাইকেলের ওপর প্রস্তাবিত কর প্রত্যাহারের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভূমিসেবা কেন্দ্রের জেলা—-জেলা প্রশাসকসাতক্ষীরায় অন্ত:স্বত্তা স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ: স্বামী পলাতকহিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ৩০ মে রিইউনিয়নের লোগো উন্মোচনলীজ নিয়ে অবৈধভাবে সম্পত্তি দখল করতে না পেরে বিএনপির দুই নেতার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মানববন্ধনের অভিযোগসাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কোর কমিটির সভা অনুষ্ঠিতঅপরাধীকে অপরাধী হিসেবে আইনের আওতায় আনা হবে, সে যে দলেরই হোক –সাতক্ষীরার নবাগত এসপি

দেবহাটায় বিদ্যুৎ সংযোগের নামে অর্থ-বাণিজ্যের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদ্যুৎ লাইন ও সংযোগ দেওয়ার নাম করে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের কাছ থেকে অর্থ-বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।
সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার ১নং কুলিয়া ইউনিয়নের শশাডাঙ্গা, সুবর্ণাবাদ,দক্ষিণ কুলিয়া মোড়লপাড়া, বহেরা শাহাজীপাড়া, টিকেট, রাজরাম, ভেন্নাপোতা, নুনিখোলা ,বেলেডাঙ্গা, পারুলিয়া ইউনিয়নের খেজুরবাড়িয়া, নিশ্চিন্তপুর,সেকেন্দ্রা, নাজিরের ঘের, শান্তা, পুটিমারি, উত্তর পারুলিয়া, নোড়ারচক, পারুলিয়া খাসপাড়া। সখিপুর ইউনিয়নের কোড়া, কাজি মহল্ল্যা, পশ্চিম কোড়া, পাঁচপোতা। নওয়াপাড়া ইউনিয়নের চাঁদপুর, আতাপুর, রামনাথপুর, কামটা, গরাণবাড়িয়া, জগন্নাথপুর, ঢেপুখালী, কালাবাড়ীয়া, আট’শ বিঘা, পাইকপাড়া, কামকাটিয়া, হাদিপুর, বেজোর আটী, ঘোনাপাড়া, নাংলা, ছুটিপুর,দক্ষিণ নাংলা, নাংলা মাঝ পাড়া, নওয়াপাড়া, দেবহাটা ইউনিয়নের ভাতশালা, ঘলঘলিয়া, চরশ্রীপুর, বসন্তপুর, দাসপাড়া, দক্ষিণ দেবহাটা অঞ্চলের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের কাছ থেকে ৪ হাজার থেকে শুরু করে ১০ হাজার পর্যন্ত তোলা হয়েছে নতুন বিদ্যুৎ লাইন ও সংযোগ দেওয়ার নাম করে ঘর প্রতি মিটার বাবদ এই টাকা তোলা হয়েছে। দীর্ঘ দিন পরেও বিদ্যুৎ সংযোগ না পাওয়ায় এলাকাবাসী বিভিন্ন দপ্তরে এই অর্থ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দেবহাটা উপজেলার গরীব, দিনমজুর থেকে শুরু করে বিত্তবানদের কাছ থেকেও টাকা নেওয়া হয়েছে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দেওয়ার নাম করে। নতুন সংযোগ ও মিটার পাওয়ার আশায় দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষেরা বাড়ির গবাদি পশু, সমিতি থেকে লোন নিয়ে টাকা দিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছে।
অভিযোগে,আতাপুর এলাকার সুধান চন্দ্র বর, আরশাদ আলী, কামটার আবু জাফর, ফরিদ হোসেন, শিমুলিয়া এলাকার হাফিজুল ইসলাম, জগন্নাথপুর এলাকার মনিরুল ইসলাম,আকবার আলী, হাদিপুরের জামাত আলী, মুজাহিদ হোসেন, নাংলার লাভলু, দক্ষিণ বাংলা এলাকার ফুলচাঁদ দাস, শরিফুল ইসলাম, ঘোনাপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলাম, আবুল গাজীসহ বিভিন্ন এলাকার প্রায় ২’শ মানুষের স্বাক্ষরিত ঐ অভিযোগে বলা হয়েছে দেবহাটা উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও ৪নং নওয়াপাড়া ইউপির চেয়ারম্যান মুজিবর রহমানের নির্দেশে পারুলিয়ার শাহাবুদ্দিন, কুলিয়ার আজহারুল ইসলাম, নওয়াপাড়ার নাজমুস শাহাদাত,আকবার আলী, মোনতেজ আলী, মান্নান সরদার, ভাতশালার রবিউল ইসলামসহ ১০/১৫ জন ব্যক্তি দেবহাটার বিভিন্ন এলাকা থেকে টাকা তুলেছে।
এব্যাপারে দেবহাটা উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও ৪নং নওয়াপাড়া ইউপির চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান জানান, বিদ্যুৎ লাইন ও সংযোগ দেওয়ার নাম করে টাকা তোলার অভিযোগ ভিত্তিহীন। এমন কোন ঘটনাই ঘটেনি। এটি অপপ্রচার মাত্র।
এব্যাপারে ভূক্তভোগীরা প্রশাসনের আশু হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফেসবুকে ঢাবি শিক্ষককে ‘টাক’ বলায় ৭ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

শিক্ষা সংবাদ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ড. একেএম রেজাউল করিমকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘টাক’ বলাসহ অশোভন মন্তব্য করায় ওই বিভাগের সাত শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (৩০ জুলাই) সকালে বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক নোটিসে এ বহিষ্কারের কথা জানা যায়। গত ১০ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের সভায় বহিষ্কারের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বহিষ্কৃতরা হলো ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের খাইরুন নিসা ও উম্মে হাবিবা তানজিলা; ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের মিনহাজুল আবেদিন, ফাতিমা ও সামিরা মাহজাবিন; ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের আব্দুল্লাহ-হীল-বাকী ও অদিতি সরকার। এরমধ্যে খাইরুন নিসা ও মিনহাজুল আবেদীনকে এক বছর ও বাকিদের ছয় মাসের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ডিসেম্বরে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার সময় পরীক্ষার হলে অধ্যাপক ড. একেএম রেজাউল করিম কয়েকজন শিক্ষার্থীকে শাস্তি দেন। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে একজন শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। অন্য শিক্ষার্থীরাও সেখানে নিজেদের ক্ষোভের কথা প্রকাশ করে মন্তব্য করে। একজন শিক্ষার্থী ওই শিক্ষককে ‘টাক’ বলেও মন্তব্য করে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় বিভাগের একাডেমিক কমিটি তদন্ত করে দেখে।

তদন্ত প্রতিবেদন অনুসারে গত ১০ জুলাই সিন্ডিকেটের সভায় ওই শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন মেয়াদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু এ সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ করে ২০ দিন পর বিভাগের নোটিস বোর্ডে শিক্ষার্থীদের নামসহ বহিষ্কারের কথা জানানো হয়।

মনোবিজ্ঞান বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. মাহফুজা খানম সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটা বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রক্টরিয়াল বডির সিদ্ধান্ত। এ বিষয়ে আমার কোনও মন্তব্য নেই।’

প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী বলেন, ‘বহিষ্কার করা হয়েছে গত ১০ জুলাই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একজন শিক্ষককে নিয়ে অশোভন মন্তব্য করার অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট তাদের বিভিন্ন মেয়াদের জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোট গণনার সময় প্রিজাইডিং অফিসারের মৃত্যু

ভিন্ন স্বাদের খবর: রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক) নির্বাচনের ভোট গণনার সময় খালেকুজ্জামান (৫৫) নামে এক ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা মারা গেছেন। সোমবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খালেকুজ্জামান পবা উপজেলা দামকুড়া ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে রাাসিক নির্বাচনে ৮৯ নম্বর ছোট বনগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং আফিসার অমিনুল ইসলাম বলেন, সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হয়। তাতে দায়িত্ব পালন করেন খালেকুজ্জামান। বিকেল ৫টার দিকে ভোট গণনা শুরু হয়। ভোট গণনাকালে হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন খালেকুজ্জামান। দ্রুত তাকে রামেক হাসপাতালে নেয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব‌রিশালে বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে নৌকা

রাজনীতির খবর: ব‌রিশাল সি‌টি নির্বাচ‌নের ১০৭ কে‌ন্দ্রের ফলাফলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ পেয়েছেন ১০৭৩৫৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির মেয়রপ্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার পেয়েছেন ১৩১৩৫ ভোট। তাই বিপুল ভোটের ব্যবধানে নতুন মেয়র নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

সোমবার সকাল ৮টা থেকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে বিভিন্ন কেন্দ্র দখল, ভোটারদের মারধর ও ব্যালট পেপারে সিল মারাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ঘটনা ঘটে।

এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপুর ১২টায় তিনি ভোট কারচুপি, এজেন্টদের মারধর ও কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ তুলে বরিশাল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার।

বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ৬ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৯৪ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মেয়র প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামী লীগের সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, বিএনপির মো. মজিবর রহমান সরওয়ার, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের মনিষা চক্রবর্তী, জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ওবাইদুর রহমান (মাহাবুব)। এ সিটিতে মোট ভোটার দুই লাখ ৪২ হাজার ১৬৬ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ২১ হাজার ৪৩৬ জন এবং নারী ভোটার রয়েছেন এক লাখ ২০ হাজার ৭৩০ জন।

নগরীর ১২৩টি কেন্দ্রের ৭৫০টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে ৪টি ওয়ার্ডের ১টি কেন্দ্রে ৭৮টি বুথে ভোটগ্রহণ হয় ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিলেটে জয়ের দ্বারপ্রান্তে বিএনপির আরিফুল

দেশের খবর: কেন্দ্র দখল, জাল ভোটসহ নানা অভিযোগ সত্ত্বেও সিলেটে বিএনপির মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী এগিয়ে আছেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর থেকে ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে ১৩৪ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৩২ কেন্দ্রে আরিফুল হক চৌধুরী পেয়েছেন ৯০ হাজার ৪৯৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী বদরউদ্দিন আহমদ কামরান (নৌকা) পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৮৭০ ভোট। আরিফুল ৪ হাজার ৬২৬ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।

অন্য দুটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে। স্থগিত কেন্দ্র দুটিতে মোট ভোট ৪ হাজার ৭৮৭।
এ নির্বাচনে ১০ হাজার ৯৫৪ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী নগর জামায়াতের আমির এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলীমুজ্জামান জানান, সিলেটে মোট ভোট কেন্দ্র ১৩৪ টি। এর মধ্যে স্থগিত হওয়া দুটো কেন্দ্রের (২৪ নম্বর ওয়ার্ডের গাজী বুরহানউদ্দিন গরম দেওয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের হবিনন্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) ভোটার ৪ হাজার ৪৮৭। এ হিসেবে আরিফুল হককে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করতে ১৬১ ভোটের প্রয়োজন ছিল।

নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫৬ টি। এর মধ্যে বাতিল হয়েছে ৭ হাজার ৩৬৭ ভোট। মোট বৈধ ভোট ১ লাখ ৯১ হাজার ২৮৯।

সোমবার বিকেল চারটায় ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী একপ্রকার হতাশার সুরেই নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের দাবি তোলেন। দিনভর ভোট গ্রহণে নানা অভিযোগ করেন সদ্যবিদায়ী এই মেয়র। বিএনপির পক্ষ থেকে সোমবার দুপুরের দিকে অভিযোগ করা হয়, অন্তত ৪১টি কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট দিয়েছে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সমর্থকেরা। তারা বিষয়টি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছেও জানানোর কথা বলেন। বিএনপি প্রার্থীর বক্তব্য এবং অন্য দুই সিটির নির্বাচনের পরিস্থিতি দেখে এমন ধারণা অনেকের মধ্যে সৃষ্টি হয়, হয়তো সিলেটও শাসক দলের দখলে যাবে। তবে ফলাফল ঘোষণার শুরু থেকেই চমক দেখা যায়। সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যে দুটি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) গ্রহণ করা হয়েছে, তাতে এগিয়ে যান আরিফুল হক চৌধুরী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাজশাহীর নগর পিতা লিটন

রাজনীতির খবর: রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনকে বিজয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

১৩৮ কেন্দ্রে তিনি মোট ভোট পেয়েছেন এক লাখ ৬৫ হাজার ৯৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৭০০ ভোট।

এর আগে সোমবার সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। লাগাতার ৮ ঘণ্টা ভোটগ্রহণকালীন বিভিন্ন কেন্দ্রে বেশ কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার প্রতিবাদে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে রাজশাহীর ৩০নং ওয়ার্ডের বিনোদপুরের ইসলামীয়া কলেজ কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছেন বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।

অবস্থানরত অবস্থায় তিনি বলেন, বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে বিএনপির এজেন্টদের বের করে দেয়া হেয়েছে। নগরীর মোট ১৩৮টি কেন্দ্রের মধ্যে অন্তত ১০০টি কেন্দ্র নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে ক্ষমতাসীন দলের কর্মীরা। এ পরিস্থিতির প্রতিকার না হওয়া পর্যন্ত তিনি তার অবস্থান থেকে সরবেন না।

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের পঞ্চম নির্বাচন এটি। এ নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে লড়ছেন ২১৭ জন প্রার্থী। এদের মধ্যে মেয়র পদে রয়েছেন ৫ জন, সাধারণ ৩০টি ওয়ার্ডের বিপরীতে কাউন্সিলর পদে লড়ছেন ১৫০ জন ও সংরক্ষিত ১০টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে লড়ছেন ৫২ নারী।

মেয়র প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামী লীগের এ এইচ এম খায়রুজ্জামান (লিটন), বিএনপির মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মো. হাবিবুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র মো. শফিকুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ মোর্শেদ। নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে মোট ভোট কেন্দ্র ১৩৮টি। এসব ভোট কেন্দ্রে বুথ (ভোটকক্ষ) রয়েছে ১ হাজার ২০টি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শাজাহান খানের হাসি নিয়ে সমালোচনার ঝড়

দেশের খবর: দেশব্যাপী এখন আলোচনার শীর্ষে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের হাসি। জাবালে নূর পরিবহনের দুই বাসের চালকের রেষারেষির জেরে রবিবার (২৯ জুলাই) রাজধানীতে বিমানবন্দর সড়কে রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হন। ‘পরিবহন শ্রমিক নেতা হিসেবে নৌপরিবহনমন্ত্রীর আশ্রয়-প্রশ্রয়ে বাসচালক-হেলপাররা প্রতিনিয়ত স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠছে’—এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি হাসতে হাসতে জবাব দিয়েছিলেন, ‘আজকের বিষয়ের সঙ্গে এটি রিলেটেড নয়’ বলেই। হাসির এই দৃশ্যসহ সংবাদটি পরবর্তী সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ওঠে সমালোচনার ঝড়ও।

এঘটনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার শাজাহান খানকে সংশোধন হওয়ার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে সংযত হয়ে কথা বলারও পরামর্শ দেন বলে জানা গেছে।

একটি সূত্র বলেছে, প্রধানমন্ত্রী তাকে বলেছেন, ‘কোথায় কখন হাসতে হয়, তাও জানেন না?’

বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার সংবাদ শোনার পরেও নৌমন্ত্রীর মুখের এই হাসি দেখে অনেকেই অবাক হয়েছে। কেউ কেউ বলেছেন, তিনি দুঃখ প্রকাশ করতে পারতেন। যেখানে এই ঘটনায় মন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ করার কথা, সেখানে তিনি উল্টো হাসলেন। এ কী করে সম্ভব? তিনি কী সুস্থ আছেন?

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারের একজন সিনিয়র মন্ত্রী বলেন, ‘দাঁত বের করে হাসলেই হয় না। হাসার স্থান-কাল-পাত্র বুঝতে হয়।’

সোমবার (৩০ জুলাই) এ সম্পর্কে জানতে চাইলে শাজাহান খান নিজে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি সবসময়ই হাসি, আমার কালো মুখ কেউ দেখেনি। এটা কি দোষের?’

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সাংবাদিক মিলটন আনোয়ার তার দেওয়া এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘একটি হাসি সারা জাতির অপমান।’

মো. মাহবুব আলম সরকার ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘আমি বড়পুকুরিয়ার কয়লা দিয়ে দাঁত মাজি। তাই তো আমার এত সুন্দর হাসি।’

মিলন খান নামে আরেকজন লিখেছেন, ‘দুই শিক্ষার্থীর প্রাণ গেলো, আর একমন্ত্রী দাঁত কেলিয়ে বিবৃতি দিলো! জনগণ কেন এদের ভোট দেয়? আবার মন্ত্রী হয়!’

সাংবাদিক আজাদ সুমন তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘কোমলমতি ছাত্রছাত্রীরা পিষ্ট হয় বাসচাপায় আর শাজাহান কাকায় হাসে।’

রাজিউর রহমান রুমি লিখেছেন, ‘অন্যের কষ্টে যাদের মুখে হাসি, তারা দেশি না প্রবাসী?

নৌমন্ত্রীর হাসি প্রসেঙ্গ নিহত ছাত্রী মিমের বাবা জাহাঙ্গীর মিয়া বলেন, ‘কাল শুনলাম, মন্ত্রী শাজাহান খান নাকি বলেছেন, ভারতে ৩৩ জন মারা গেছে, সেটা নিয়ে ওখানে এত হইচই হয় না, কথা বলে না। আর বাংলাদেশে দু’জন মারা গেছে, সেইটা নিয়ে এত কথা? মোবাইলে দেখলাম উনি হাসতেছিলেন। ক্যামনে পারলেন এন ঘটনায় এভাবে হাসতে হাসতে কথা বলতে? তার কাছে দুই জন মানুষ মরে যাওয়াটা কেবল সংখ্যা?’

সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ‘রাজনীতিবিদরা সবসময়ই হাসেন। এটি জনগণকে খুশি করার জন্য। কিন্তু সেই হাসি অনেক সময় বুমেরাং হয়ে যায়। শাজাহান খানের গতকালের হাসি তাই হয়েছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সদর ও আশাশুনি তরুণলীগের কমিটি স্থগিত ঘোষণা

 

সাতক্ষীরা সদর ও আশাশুনি উপজেলা তরুণলীগের কমিটি স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার সাতক্ষীরা জেলা তরুণলীগের সভাপতি শাহানুর ইসলাম শাহীন ও সাধারণ সম্পাদক কাজী জিল্লুর রহমান স্বাক্ষরিত একপত্রে আশাশুনি উপজেলা কমিটির সাংগঠনিক কার্যক্রম নিস্ক্রিয় থাকায় তা সাময়িক স্থগিত ঘোষণা করা হয়। একই সাথে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা তরুণলীগের কমিটিও স্থগিত ঘোষণা করা হয়। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উক্ত কমিটির কার্যক্রম স্থগিত থাকবে বলে উক্ত পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest