সর্বশেষ সংবাদ-
জামায়াত হারেনি- হারানো হয়েছে: মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপিসংকটে শ্যামনগরের আইবুড়ি’ নদী, পুনঃখননের দাবিতে মানববন্ধনজেলা রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনিং ওনার এসোসিয়েশনের সিনিয়র ডাইরেক্টর ডলপিন আর নেইআশাশুনিতে এক ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে হয়রানির অভিযোগTips and Tricks for Easy NV Casino Login and Account Management Onlineশ্যামনগরে মৎস্যঘের পানি উত্তোলনের সময় বিদ্যুস্পৃস্টে এক ব্যক্তির মৃত্যুA Cozy Night In: A Guided Tour of Online Casino Entertainment and Helpful Supportপাটকেলঘাটায় মব সন্ত্রাস করে পুলিশে সোপর্দ করা দু’সাংবাদিকের বিরদ্ধে পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদনঝাউডাঙ্গায় পেরীফেরীভুক্ত জমিতে অবৈধভাবে ভবন নির্মানের অভিযোগশহরের গড়েরকান্দায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প

র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে সবচেয়ে কঠিন গ্রুপে ব্রাজিল
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪৩ বছর বয়সে এখনও বিয়ের প্রস্তাব পান রাভিনা!

বিনোদন ডেস্ক: রাভিনা ট্যান্ডন। নব্বই দশকে বলিউডের রুপালী পর্দায় রূপের আগুন ঝরিয়েছিলেন তিনি। তার গ্ল্যামার আর অভিনয়ে মেতেছিলো দশর্ক ও ভক্তরা। রোম্যান্টিক হোক কিংবা আইটেম নাম্বার, সব রূপেই ধরা দিয়েছিলেন আবেদনময়ী এই অভিনেত্রী। ‘তু চিজ বড়ি হে মাস্ত মাস্ত’ এখনো ভক্তদের মুখে মুখে শোনা যায়।

দীর্ঘ দিন ধরেই রাভিনা ট্যান্ডন পর্দায় নেই। সোশ্যাল মিডিয়াতেও খুব একটা নিয়মিত নন। তবে ভক্তদের হৃদয়ে যে সেই আগের রাভিনাই রয়ে গেছেন, সেটারই প্রমাণ মিললো আবার। এক ভক্ত রাভিনাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। টুইট করে সেই ভক্ত বলেন, ‘আমাকে বিয়ে করবেন?’

৪৩ বছর বয়সে এসেও বিয়ের প্রস্তাব পাওয়া অভিনেত্রী রাভিনা জবাব দিয়েছেন সেই ভক্তের। বলেছেন, দুঃখিত বন্ধু, এ কথা আমাকে জিজ্ঞেস করতে আপনি ১৩ বছর দেরি করে ফেলেছেন। উল্লেখ্য, রাভিনা ট্যান্ডন ২০০৫ সালে ব্যবসায়ী অনিল থাডবাণীকে বিয়ে করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আফগান সরকারের সঙ্গে তালেবানের যুদ্ধবিরতি

আফগান সরকারের সঙ্গে তালেবান যোদ্ধারা তিন দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে। এ মাসের শেষে ঈদের জন্য যুদ্ধবিরতি। তবে এর আগে তালেবান সরকার একতরফাভাবে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে। খবর বিবিসি।

২০০১ সালে মার্কিন হামলায় তালেবান সরকার ক্ষমতা হারানোর পর এটাই প্রথম আফগান সরকারের সঙ্গে তালেবানের প্রথম যুদ্ধবিরতি।

তালেবান জানায়, বিদেশি বাহিনী ছাড়া ছুটির সময় সব অভিযান বন্ধ থাকবে।

সম্প্রতি তালেবান যোদ্ধারা ডজনখানেক আফগান নিরাপত্তা সৈন্য হত্যা করেছে।

এদিকে আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গণি বলেছেন, তালেবান জঙ্গিদের একটা ব্যাপার বোঝা উচিত যে, তাদের হিংসাত্মক প্রচারাভিযান জনগণের হৃদয় ও মনজয় করতে পারেনি বরং আফগানিস্তানের জনগণ তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ড্রেসিংরুমে ‘মারামারি’ করায় শেষ ম্যাচে ছিলেন না সাব্বির!

দেরাদুনে আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুটি ম্যাচে ০ ও ১৩ রান করেছিলেন সাব্বির রহমান। বাংলাদেশের সিরিজ হার নিশ্চিত হওয়ার পর তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে বাদ পড়েন এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। সাদা চোখে তার বাদ পড়ার পেছনে রান না পাওয়া মনে হলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বেশ কয়েকটি সূত্রের বরাত দিয়ে অন্য কারণ জানিয়েছে ভারতের এক ক্রিকেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যম।

ক্রিকবাজের খবর, শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে শেষ ম্যাচে বাদ পড়েছিলেন সাব্বির। শনিবার এ খবর তারা জানায় বিসিবির কয়েকটি সূত্রের মাধ্যমে।

গত ডিসেম্বরে রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে জাতীয় লিগের ম্যাচ চলার সময় এক কিশোর ভক্তকে পেটান সাব্বির। তাতে ৬ মাসের জন্য ঘরোয়া ক্রিকেটে নিষিদ্ধ হন তিনি। জরিমানাও দিতে হয়েছে ২০ লাখ টাকা। এবার সাব্বির বিতর্কে জড়ালেন সতীর্থের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে। শুধু তাই নয়, সেটা নাকি এক সময় মারামারি পর্যন্তও গড়িয়েছে।

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি চলার সময় একজন প্রত্যক্ষদর্শীর চোখে ধরা পড়ে, ড্রেসিংরুমে মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু করেছেন সাব্বির। সেটা শেষ হয়েছে মারামারিতে।

ওই সফরে যাওয়া বোর্ডের এক কমর্কর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ‘এটা তেমন বড় কোনও ইস্যু নয়, কেবল ভুল বোঝাবুঝি। এমনকি এই ঘটনা ম্যানেজারের রিপোর্টেও উল্লেখ করা হয়নি।’

জানা গেছে, সাব্বির যেন বড় ধরনের শাস্তি না পান সেজন্য এই ইস্যু সামনে আনতে চাননি বাংলাদেশের টিম ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন। এর আগে ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে সাব্বিরকে ‘শেষ সুযোগ’ দিয়েছিলেন বোর্ড প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপন।

রাজশাহীর ঘটনার আগেও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ উঠেছিল সাব্বিরের বিরুদ্ধে। ২০১৬ সালে টিম হোটেলে মেয়ে অতিথিকে ঢুকিয়ে গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গ করায় ১২ লাখ টাকা জরিমানা দিয়েছিলেন তিনি।

আর গত বিপিএলে মাচ ফির অর্ধেক জরিমানা করা হয়েছিল, সঙ্গে জুটেছিল তিনটি ডিমেরিট পয়েন্ট। কারণ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে মাঠের আম্পায়ারের সঙ্গে বাজে আচরণ করেছিলেন সিলেট সিক্সার্সের এই ব্যাটসম্যান। ক্রিকবাজ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পৃথিবীর সেরা শরীরী আবেদনময়ী অভিনেত্রী

বিনোদন ডেস্ক: প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার আগেই সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন বিনোদন জগতে। এখন পৃথিবীর সেরা ম্যাগাজিনের কভার গার্ল তিনি। তখন বয়স মাত্র ১৬। নেহায়েত শখেই গিয়েছিলেন এলিট মডেল ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির একটি কাস্টিং কল-এ।

হিরা চিনতে দেরি হয়নি এজেন্সির। সেই দিনই তাকে সাইন করে কোম্পানি এবং কয়েক দিনের মধ্যেই পাড়ি নিউইয়র্ক।

সেই যে শুরু হয়েছিল কেট আপটনের যাত্রা, তার পরে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। হলিউড ছবি থেকে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ম্যাগাজিন ‘ভো‌গ’-এর কভার পেজে সবই তার হাতের মুঠোয়।

সম্প্রতি ম্যাক্সিম ম্যাগাজিন তাকে পৃথিবীর সেরা যৌন আবেদনময়ীর তকমা দিয়েছে। ওই ম্যাগাজিনের সাম্প্রতিক ইস্য়ুতে প্রকাশিত হয়েছে এই বছরের হট হান্ড্রেড তালিকা। সেই তালিকায় কার্দাশিয়ান বোনেদেরও পিছনে ফেলে দিয়েছেন কেট।

মার্কিন মুলুকের মিশিগানে তার জন্ম। স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেড-এর স্যুইমস্যুট ইস্যুতে তার ছবি ঝড় তুলেছিল ২০১০-১১ সালে। ২০১১ সালেই তার একটি হিপ-হপ ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় লিক হতেই তার জনপ্রিয়তা তুঙ্গে উঠে।

এরপর ২০১৪ সালে ইন্টারনেটে তার নগ্ন ছবি লিক হওয়া নিয়ে প্রবল বিতর্কও তৈরি হয়। তবে সেই সব নিয়ে কোনও দিনই মাথা ঘামাননি কেট। মাত্র ২৬ বছর বয়সেই পৃথিবীর হায়েস্ট পেইড মডেলদের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন, মডেলিং জগতের সেরা পুরস্কারও জিতেছেন। আর ম্যাক্সিম হট হান্ড্রেড হওয়ার পরে স্বাভাবিক ভাবেই আরও বেড়ে গেছে তার তারকামূল্য।

সবচেয়ে মজার বিষয়, এই তালিকায় তিনি এবছর পিছনে ফেলে দিয়েছেন কার্দাশিয়ান বোনেদেরও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রামোসকে ক্ষমা না করার কথা জানালেন সালাহ

খেলার খবর: বিশ্বকাপ শুরু হতে আর বেশি বাকি নেই৷ এখনও উরুগুয়ের বিরুদ্ধে রাশিয়া অভিযানের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারবেন কিনা নিশ্চিত নন মিশরের সালাহ৷ এর মাঝেই আবার তার চোটের জন্য অভিযুক্ত রামোসকে ক্ষমা না করার কথা জানিয়ে দিলেন মিশরের মেসি৷

কিয়েভে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে রামোসের কড়া চ্যালেঞ্জে পড়ে গিয়ে কাঁধে গুরুতর চোট পান সালাহ৷ সেই ট্যাকেলের জন্য সেদিন মাঠেই লিভারপুল স্ট্রাইকারের প্রতি সহানুভূতি দেখিয়েছিলেন রামোস৷ এরপর গোটা বিশ্বজুড়ে রামোসকে নিয়ে তুমুল সমালোচনা হয়েছে৷ স্প্যনিশ ফুটবলারকে নিয়ে মিশরে গণপ্রতিবাদও শুরু হয়৷

সালাহার জীবনের অভিশপ্ত রাতের পর কেটে গিয়েছে দুই সপ্তাহ৷ প্রাক বিশ্বকাপ প্রস্তুতি পর্বকালে অনেকেই যখন ধরে নিয়েছেন সেই দুর্ঘটনা ভুলে রামোসকে নিশ্চয়ই ক্ষমা করে দিয়েছেন সালাহ৷ মিশরীয় ফুটবলার অবশ্য অন্য কথা বলছেন৷

সালাহ জানিয়েছেন, ‘ওটা আমার ফুটবল ক্যারিয়ারের সবচেয়ে খারাপ দিন৷ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে পুরো সময় মাঠে না থাকতে পারার যন্ত্রণা ভোলার নয়৷ চোটের পর এক মূহূর্তে জন্য মনে হয়েছিল, বিশ্বকাপ থেকে পুরোপুরি বোধহয় ছিটকে গেলাম৷ পরে রামোস আমায় মেসেজ করেছিল৷ তার উত্তর আমি কিন্তু ঠিক আছে বলিনি৷’

এই উক্তিতেই স্পষ্ট সেই ট্যাকেল এখনও ভুলতে পারেনি সালাহ৷ রিয়াল তারকাকে তিনি যে ক্ষমা করেননি সেটাও স্পষ্ট সালাহের বক্তব্যে৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রস্তাবিত বাজেটে তামাক কোম্পানি সুবিধা পাওয়ায় তামাক নিয়ন্ত্রণ উপেক্ষিত

দেবহাটা ব্যুরো: বিশ্বের তামাক ব্যবহারকারী দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বাংলাদেশে তামাক ব্যবহার জনিত অসংক্রামক রোগের প্রকোপ দিন দিন বেড়ে চলেছে। তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারের কারণে চিকিৎসা ব্যয় বহুগুনে বেড়ে গেছে যা দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বিশাল বোঝা। গত শুক্রবার ৮ জুন ২০১৮ তারিখে শ্যামলীস্থ ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের সভাকক্ষে আয়োজিত বাজেটে তামাক নিয়ন্ত্রণের প্রতিক্রিয়ায় বক্তারা একথা বলেন। বক্তারা আরো বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে যে সব রাজস্ব প্রস্তাবনা করা হয়েছে সেগুলোর কার্যকারিতা যথেষ্ট প্রশ্নবিদ্ধ। বাজেট প্রস্তাবনা দেখে মনে হয়েছে তামাক কর প্রস্তাবনার তামাক কোম্পানী ও ব্যবসায়ীদের বেশ প্রভাব রয়েছে। বিশেষ করে বিড়ির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে আমাদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা নির্দ্বিধায় বলতে পারি যে তামাক নিয়ন্ত্রণের জন্য কার্যকর রাজস্ব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হলে সরকারকে তামাক ব্যবসায়ীদের ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। বাজেট প্রতিক্রিয়া অনুষ্ঠানে মূলবক্তব্য উপস্থাপন করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের প্রধান ইকবাল মাসুদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের সমন্বয়কারী মোখলেছুর রহমান, প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রমের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাহফিদা দিনা রুবাইয়া, মানসিক স্বাস্থ্য কার্যক্রমের সমন্বয়কারী আমির হোসেন ও নারী মাদকাসক্তি কার্যক্রমের প্রোগ্রাম অফিসার উম্মে জান্নাত প্রমূখ। এবারের বাজেটে বিদেশী তামাক কোম্পানী গুলোকে ব্যাবসা প্রসারে সুবিধা করে দেবে কারন দামি সিগারেটের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে এবং সম্পূরক শুল্ক ৬৫% অপরিবর্তিত থাকছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির সাথে সামজ্ঞস্য না রেখে তামাক কর নির্ধারন করা হয়েছে।যা বাস্তবিক কোন প্রভাব পড়বে না। বিড়ির ব্যবহার উল্লেযোগ্যভাবে কমানোর জন্য এর উপর উচ্চহারে কর বৃদ্ধির দাবী গত কয়েক বছর ধরে জোরেশোরেই উত্থাপিত হচ্ছে। এ ব্যাপারে এ বছর বাজেট ঘোষণার আগে সরকারের উচ্চপর্যায়ের এবং বাজেট বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সাথে সংশিষ্ট একাধিক ব্যক্তি ও মাননীয় অর্থ মন্ত্রী নিজে ইতিবাচক আশ্বাসও শুনিয়েছিলেন। মাননীয় অর্থ মন্ত্রী জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে বিড়ি কোম্পানী বন্ধের কথাও শুনিয়েছিলেন। কিন্তু বাজেটে তার কোন প্রতিফলন প্রলক্ষিত হয়নি। এছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে তামাকপণ্য রপ্তানি উৎসাহিত করার জন্য ২৫% রপ্তানি শুল্ক প্রত্যাহার জনস্বাস্থ্য বিরোধী পদক্ষেপ বলে তামাক বিরোধী সংগঠনগুলো মনে করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০১৪ সালে পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, বিশ্বে সবচেয়ে কম দামে সিগারেট পাওয়া যায় এমন তিনটি দেশের মধ্যে একটি হচ্ছে বাংলাদেশ। গত ২০১৬ সালের ৩০-৩১ জানুয়ারি ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন’ শীর্ষক সাউথ এশিয়ান স্পিকার’স সামিট এর সমাপনী অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আগামী ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে তামাকের ব্যবহার সম্পূর্ণ নির্মূল করার ঘোষণা দিয়েছেন। এই ঈপ্সিত লক্ষ্য অর্জনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তামাকের উপর বর্তমান শুল্ক-কাঠামো সহজ করে একটি শক্তিশালী তামাক শুল্ক-নীতি গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন যাতে এখাতে রাজস্ব আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি তামাকপণ্যের ব্যবহার হ্রাস পায়। সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় বলা যায় ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনা বাস্তবায়নে এই বাজেট কোন ভূমিকা রাখবে না। তাই তামাক বিরোধী ও উন্নয়ন সংগঠন হিসেবে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন প্রস্তাবিত বাজেট সংশোধন ছাড়া পাশ না করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সকল সংসদকে অনুরোধ জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্ট্রোক করে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন খালেদা জিয়া: চিকিৎসক

ন্যাশনাল ডেস্ক: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ‘মাইল্ড স্ট্রোক’ হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা। ঢাকা মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক এফ এম সিদ্দিকী বলেছেন, গত মঙ্গলবার খালেদা জিয়া হঠাৎ পড়ে গিয়েছিলেন। তিনি ওই সময়টার কথা বলতে পারছেন না। তার একটি ‘মাইল্ড স্ট্রোক’ হয়েছে বলে তারা ধারণা করছেন।
তিনি বলেন, সামনে আরও বড় ধরনের স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি আছে। তার সুচিকিৎসার প্রয়োজন। এ জন্য অবিলম্বে খালেদা জিয়াকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করতে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে।
শনিবার বিকালে কারাবন্দি খালেদা জিয়াকে দেখতে পুরনো ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে যান তার ব্যক্তিগত চার চিকিৎসক। সেখানে তার দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় অবস্থান করেন।
কারাগার থেকে বেরিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক এফ এম সিদ্দিকী তাদের পর্যবেক্ষণ সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।
খালেদা জিয়ার অনেক মেডিকেল টেস্ট করা দরকার জানিয়ে তিনি বলেন, কতগুলো পরীক্ষা করা দরকার, যেগুলো কারাগারে নেই। তাই আমরা উনাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে টেস্ট করার জন্য অনুরোধ করেছি। সেই সঙ্গে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তির মাধ্যমে চিকিৎসা দেয়ার জন্যও দাবি জানিয়েছি। বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসা নিয়ে চার পৃষ্ঠার একটি সুপারিশমালা কারা কর্তৃপক্ষকে দিয়েছেন বলেও জানান অধ্যাপক এফ এম সিদ্দিকী।
খালেদা জিয়াকে কেমন দেখেছেন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসনের কথায় কিছুটা জড়তা আছে, তবে কমিউনিকেশন করতে পারছেন।’
বিকাল ৪ টায় কারা কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে অধ্যাপক এফ এম সিদ্দিকীর সঙ্গে ছিলেন নিউরো মেডিসিনের অধ্যাপক সৈয়দ ওয়াহিদুর রহমান, চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস এবং কার্ডিওলজিস্ট ডা. মোহাম্মদ মামুন এই চার চিকিৎসক প্রধান ফটক দিয়ে কারাগারে প্রবেশ করেন।
চার মাস ধরে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন গুরুতর অসুস্থ হলেও সরকার তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করছে না বলে তার দলের নেতারা অভিযোগ করে আসছে। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য পাঁচ দফা আবেদন জানানোর পর এই প্রথম অনুমতি পেলেন।
শুক্রবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, নিকট আত্মীয়রা দেশনেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তার (খালেদা জিয়া) সম্পর্কে যে বর্ণনা দিয়েছেন, তা হৃদয়বিদারক। স্বজনরা বলেছেন, ৫ জুন দেশনেত্রী দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলেন। তিন সপ্তাহ ধরে তিনি ভীষণ জ্বরে ভুগছেন, যা কোনোভাবেই থামছে না। দলের চেয়ারপারসনের সুচিকিৎসার দাবিতে রোববার সারা দেশে জেলা-মহানগরে ও ঢাকায় থানায় থানায় প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনেরও কথা রয়েছে বিএনপির।
মার্চের শেষে খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে পড়লে বিএনপির উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে তার চিকিৎসায় একটি বিশেষ মেডিকেল বোর্ড গঠন করে সরকার। ১ এপ্রিল স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গঠিত বিশেষ মেডিকেল বোর্ড কারাগারে গিয়ে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে। বোর্ডের সদস্যরা হলেন- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক মো. শামছুজ্জামান (অর্থোপেডিকস), অধ্যাপক মনসুর হাবীব (নিউরোলজি), অধ্যাপক টিটু মিয়া (মেডিসিন) ও সোহেলী রহমান (ফিজিক্যাল মেডিসিন)।
এই বোর্ডের পক্ষ থেকে তখন জানানো হয়, খালেদা জিয়া অসুস্থ হলেও তা গুরুতর নয়। ৭ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে কারাগারে ফিরিয়ে নেয়া হয়।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের সাজার রায়ের পর ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে খালেদা জিয়া পুরনো ঢাকার কারাগারে বন্দি আছেন।
১১০১ চিকিৎসকের বিবৃতি: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ১১০১ চিকিৎসক। এক বিবৃতিতে তারা বলেছেন, কারা কর্তৃপক্ষ তার চিকিৎসা নিয়ে সম্পূর্ণ উদাসীন। খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব তার সুচিকিৎসার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাবর ৪ বার চিঠি দিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি।
বিবৃতিতে তারা বলেন, বর্তমানে তিনি গুরুতর অসুস্থ। প্রতিরাতে কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে। কাশি ও জ্বর নিয়ন্ত্রণে আসছে না। ডান চোখ লাল হয়ে ফুলে গেছে। সার্ভিক্যাল স্পন্ডিলাইটিস রোগের ভয়াবহতার কারণে বাম হাত ধীরে ধীরে অবস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কোমরের সমস্যার কারণে তার শরীরের বাম পাশ ও বাম পায়ের তীব্র ব্যথা ধীরে ধীরে নিচের দিকে নামছে। তিনি হাঁটাচলাও করতে পারছেন না।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন- অধ্যাপক ডা. মবিন খান, অধ্যাপক ডা. বায়েছ ভূঁইয়া, অধ্যাপক ডা. সিরাজউদ্দিন আহমদ, অধ্যাপক ডা. আব্দুল মান্নান মিয়া, অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান, অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হক, অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, অধ্যাপক ডা. আব্দুল কুদ্দুস, অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান মোল্লা, অধ্যাপক ডা. এ এস এম এ রায়হান, অধ্যাপক ডা. ফিরোজা বেগম, অধ্যাপক ডা. মো. সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. খাদিজা বেগম, অধ্যাপক ডা. এ কে এম ফজলুল হক, অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন, অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest