সর্বশেষ সংবাদ-
মোটরসাইকেলের ওপর প্রস্তাবিত কর প্রত্যাহারের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভূমিসেবা কেন্দ্রের জেলা—-জেলা প্রশাসকসাতক্ষীরায় অন্ত:স্বত্তা স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ: স্বামী পলাতকহিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ৩০ মে রিইউনিয়নের লোগো উন্মোচনলীজ নিয়ে অবৈধভাবে সম্পত্তি দখল করতে না পেরে বিএনপির দুই নেতার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মানববন্ধনের অভিযোগসাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কোর কমিটির সভা অনুষ্ঠিতঅপরাধীকে অপরাধী হিসেবে আইনের আওতায় আনা হবে, সে যে দলেরই হোক –সাতক্ষীরার নবাগত এসপিআশাশুনির কুল্যায় মাদক কারবারী ও অনলাইন জুয়াড়ীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলসম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

লোকসভায় মোদি সরকারের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ

বিদেশের খবর: ভারতীয় লোকসভায় নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে আনা বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ হয়ে গেছে। ভোটাভুটিতে অংশ নেওয়া ৪৫১ জন সাংসদের মধ্যে মোদি সরকারের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ৩২৫ জন এবং বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন ১২৬ জন।

জি নিউজের খবর, বিরোধীদের হাতে যে সাংসদ সংখ্যা ছিল তা দিয়ে শাসক দলকে কোনোভাবেই পরাস্ত করা সম্ভব হত না। সেই ফলই প্রতিফলিত হল ভোটাভুটিতে। শেষ হাসি হাসলেন নরেন্দ্র মোদিই।

এখন প্রশ্ন উঠছে প্রয়োজনীয় সংখ্যা না থাকা সত্ত্বেও কেন অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিলেন বিরোধীরা? নিজের ভাষণে সেই ব্যাখ্যা দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। তাঁর দাবি, ২০১৯ সালের আগে মহাজোটের শক্তি যাচাই করে নিতেই অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিল কংগ্রেস।

নরেন্দ্র মোদি বলেন,”আমিই প্রধানমন্ত্রী হব বলে বলে বেড়াচ্ছেন একজন (রাহুল গান্ধী), অন্য দলগুলি যাতে তাতে স্বীকৃতি দেন, সেই চেষ্টা চলছে। এই প্রস্তাব আসলে নিজেদের শক্তি যাচাইয়ের অজুহাত। মোদিকে হঠাতে এমন সঙ্গীদের একজোট করা হচ্ছে। কংগ্রেসের বন্ধুদের পরামর্শ, আপনাদের সম্ভাব্য সঙ্গীদের পরীক্ষা নিন। কিন্তু অনাস্থা প্রস্তাব আনা উচিত হয়নি। সম্ভাব্য সঙ্গীদের উপরে ভরসা রাখুন। ১২৫ কোটি দেশবাসীর আশীর্বাদ আমাদের সঙ্গে রয়েছে”।
এনডিএ সরকারের বিরুদ্ধে সংসদে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিল ক্ষমতাসীন দল এনডিএ-এর সাবেক শরীক টিডিপি। তাতে সঙ্গ দিয়েছিল কংগ্রেসও। সনিয়া গান্ধী জানিয়েছিলেন, তাঁদের কাছে সংখ্যা রয়েছে। তার পাল্টা জবাবে, কংগ্রেসের প্রাক্তন সভানেত্রীকে অঙ্কে কাঁচা বলে খোঁচা দিয়েছিল বিজেপি। এদিন ভোটাভুটির আগে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে শিবসেনা, এআইডিএমকে। উল্লেখ্য, কেন্দ্রে ও রাজ্যে বিজেপির শরীক উদ্ধব ঠাকুরের দল শিবসেনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান সবুজের বিরুদ্ধে একটি অনলাইন পত্রিকায় ভূয়া ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার প্রতিবাদে উপজেলা ছাত্রলীগের আয়োজনে শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় ঈদগাহ বাজার প্রাঙ্গনে এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুরুতে বিক্ষোভ মিছিলটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে। পরে বাজার প্রাঙ্গনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি খোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এনামুল হোসেন সবুজ, প্রচার সম্পাদক জিল্লুর রহমান জীবন, উপ-প্রচার সম্পাদক সবুজ হোসেন, সখিপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি তৌহিদ হোসেন, দেবহাটা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি অমিত হাসান সবুজ, সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, পারুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সজিব হোসেন, সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান, কুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহারম হোসেন,দেবহাটা কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আহছানউল্লাহ কল্লোল, সাংগঠনিক সম্পাদক শামিম হোসেন, আকরাম হোসেন, হাবিবুর রহমান, রায়হান হোসেন ও নয়ন সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আধুনিক দাসের জীবনে ছয় লাখ বাংলাদেশি: স্লেভারি ইনডেক্স

দেশের খবর: বাংলাদেশের প্রায় ছয় লাখ মানুষ আজও দাসের মতো জীবন যাপনে বাধ্য হচ্ছেন বলে উঠে এসেছে এক আন্তর্জাতিক সমীক্ষায়।

রাষ্ট্রের চাপিয়ে দেওয়া কারণে অথবা কোনো না কোনোভাবে এই মানুষগুলো নামমাত্র মজুরিতে দাসের মতো শ্রম দিতে বাধ্য হচ্ছেন, দালালের খপ্পরে পড়ে বাধ্য হচ্ছেন যৌনকর্মীর জীবন যাপনে, অথবা ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে করে কাটাচ্ছেন কৃতদাসীর জীবন।

অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক সংস্থা ওয়াক ফ্রি ফাউন্ডেশন তাদের এই দুর্দশাকে বর্ণনা করেছে ‘আধুনিক দাসত্ব’ হিসেবে। বিশ্বের চার কোটির বেশি মানুষ এই দাসত্বের শিকার।

বৃহস্পতিবার ওয়াক ফ্রি ফাউন্ডেশন প্রকাশিত গ্লোবাল স্লেভারি ইনডেক্স-২০১৮ বলছে, বাংলাদেশে প্রতি হাজারে ৩.৬৭ জন মানুষ কোনো না কোনোভাবে ‘আধুনিক দাসত্ব’ শিকার হচ্ছেন। ষোল কোটি মানুষের এই দেশে এ ধরনের দুর্দশায় পড়া মানুষের সংখ্যা প্রায় পাঁচ লাখ ৯২ হাজার।

জনসংখ্যার আনুপাতিক হিসাবে বিশ্বের ১৬৭টি দেশের এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান এবার ৯২তম।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে যারা ‘আধুনিক দাসের’ জীবন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে, তাদের অধিকাংশের বসবাস এশিয়ায়। আর মোট সংখ্যার হিসাবে সবচেয়ে বেশি আধুনিক দাসের বসবাস চীন, পাকিস্তান ও উত্তর কোরিয়ায়; এই সংখ্যা বিশ্বে আধুনিক দাসের মোট সংখ্যার ৬০ শতাংশ।

প্রতি হাজারে এ ধরনের দুর্দশায় শিকার মানুষের হার বিবেচনা করলে এবারের সূচকে সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে রয়েছে উত্তর কোরিয়া। সেখানে প্রতি হাজারে ১০৪. ৬ জন আধুনিক দাসত্বের শিকার।
ওয়াক ফ্রি ফাউন্ডেশনের গবেষকরা উত্তর কোরিয়ার ৫০ জন নাগরিকের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন, যারা বর্ণনা করেছেন, কীভাবে রাষ্ট্রের নির্দেশে তারা বিনা মজুরিতে কৃষি খামার, নির্মাণ অথবা অবকাঠামো খাতে শ্রম দিতে বাধ্য হয়েছেন।

ইয়ন-মি পার্ক এরকমই একজন কিশোরী, যিনি উত্তর কোরিয়া থেকে পাচারের শিকার হয়ে চীনে যেতে বাধ্য হন। সেখানে তাকে বিক্রি করে দেওয়া হয় বিয়ের কনে হিসেবে।

সম্প্রতি জাতিসংঘে এক অনুষ্ঠানে ইয়ন-মি পার্ক বলেন, “হয়ত ভুল জায়গায় আমাদের জন্ম হয়েছে, এ কারণেই এই শাস্তি।”

এই তালিকার শীর্ষ দশে উত্তর কোরিয়ার পরে ধারাবাহিকভাবে এসেছে ইরিত্রিয়া, বুরুন্ডি, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, আফগানিস্তান, মৌরিতানিয়া, সাউথ সুদান, পাকিস্তান, কম্বোডিয়া ও ইরান।

আধুনিক দাসত্বের এই প্রচ্ছন্ন অপরাধ থেকে মুক্ত নয় উন্নত বিশ্বও। যুক্তরাষ্ট্রে ৪ লাখ, যুক্তরাজ্যের ১ লাখ ৩৬ হাজার, জার্মানির ১ লাখ ৬৭ হাজার, ফ্রান্সের ১ লাখ ২৯ হাজার মানুষ দাসের মত জীবন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে বলে উঠে এসেছে এবারের প্রতিবেদনে।
ওয়াক ফ্রি ফাউন্ডেশনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এন্ড্রু ফরেস্ট বলেন, “আধুনিক দাসত্ব আধুনিক বিশ্বের তৈরি একটি সমস্যা। আধুনিক দেশগুলোই বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভোক্তা, তাদেরকেই এ সমস্যার সমাধান করতে হবে।”

বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে আফগানিস্তানে প্রতি হাজারে ২২.২ জন, পাকিস্তানে হাজারে ১৬.৮ জন, মিয়ানমারে ১১ জন, ভারতে ৬.১ জন, নেপালে ৬ জন এবং শ্রীলঙ্কায় ২.১ জন আধুনিক দাসত্বের শিকার।

এই দাসত্বের অবসানে সরকারের পদক্ষেপ ও তাতে সাফল্যের বিবেচনায় সূচকে বাংলাদেশকে দেওয়া হয়েছে ‘বি’ রেটিং।

এর অর্থ হলো, বাংলাদেশ সরকার এ সমস্যায় সাড়া দিতে উদ্যোগী হয়েছে এবং কিছু মানুষকে সহায়তাও দিতে পারছে। ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় এমন কাঠামো যুক্ত করতে পেরেছে, যাতে কাউকে দাসের জীবনে বাধ্য করা হলে দোষী ব্যক্তিকে শাস্তির আওতায় আনা যায়। পাশাপাশি এ ধরনের দুর্দশাগ্রস্ত মানুষকে সহায়তা দিতে একটি নীতি কাঠামোও তৈরি করতে পেরেছে।

এই বিচারে বাংলাদেশের স্কোর একশর মধ্যে ৪৪.৪। আর তালিকায় সবচেয়ে ভালো অবস্থায় থাকা নেদারল্যান্ডসই কেবল ‘এ’ রেটিং পেয়েছে। দেশটির স্কোর ৭৫.২।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ওয়ানডেতে ফখরের রেকর্ড ডাবল সেঞ্চুরি; পাকিস্তানের বড় জয়

খেলার খবর: পাকিস্তানের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ওয়ানডেতে ডাবল সেঞ্চুরি পেলেন ফখর জামান। সেঞ্চুরি করে বিশ্ব রেকর্ড গড়া উদ্বোধনী জুটিতে অবদান রাখলেন ইমাম-উল-হক। শেষটায় বিধ্বংসী এক ইনিংস খেলে দলকে রেকর্ড সংগ্রহ এনে দিলেন আসিফ আলি। জ্বলে উঠলেন বোলাররাও, জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিয়ে বড় জয় পেল পাকিস্তান।

চতুর্থ ওয়ানডেতে ২৪৪ রানে জিতেছে সফরাজ আহমেদের দল। রানের দিক থেকে পাকিস্তানের এর চেয়ে বড় জয় আছে কেবল একটি।

বুলাওয়ায়োতে শুক্রবার ১ উইকেটে ৩৯৯ রান করে পাকিস্তান। ওয়ানডেতে এটাই তাদের সর্বোচ্চ। ২০১০ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে করা ৩৮৫ ছিল আগের সর্বোচ্চ।

কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে বিশাল লক্ষ্য তাড়ায় জিম্বাবুয়ে গুটিয়ে যায় ১৫৫ রানে।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে তেমন কোনো পরীক্ষায় পড়তে হয়নি পাকিস্তানের দুই ওপেনারকে। ভালো জায়গায় টানা বোলিং করতে পারেননি স্বাগতিকদের কোনো বোলার।

যথারীতি এক প্রান্তে দ্রুত রান তুলেন ফখর, আরেক প্রান্তে সাবধানী ব্যাটিং করেন ইমাম। ওয়ানডেতে মাত্র সপ্তমবারের মতো সেঞ্চুরি তুলে নেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার। আগের তিন ম্যাচে দুটি শতরানের জুটি উপহার দেওয়া ফখর ও ইমাম এবার দারুণ ব্যাটিংয়ে অনেক রেকর্ড লেখালেন নতুন করে।

৪২ ওভারে দুই জনে তুলেন ৩০৪ রান। ওয়ানডেতে এটাই প্রথম তিনশ ছোঁয়া উদ্বোধনী জুটি। তাদের সৌজন্যে পাকিস্তান যে কোনো উইকেটে পেল প্রথম তিনশ রানের জুটি। ওয়ানডের ইতিহাসে সব মিলিয়ে এর চেয়ে বড় জুটি আছে কেবল তিনটি।

ওয়ানডেতে আগের সেরা উদ্বোধনী জুটি ছিল ২৮৬ রানের। ২০০৬ সালে লিডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই জুটি গড়েছিলেন শ্রীলঙ্কার সনাথ জয়াসুরিয়া ও উপুল থারাঙ্গা।

ওয়ানডেতে পাকিস্তানের আগের সেরা জুটি ছিল ২৬৩ রানের। শারজায় ১৯৯৪ সালে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় উইকেটে আমির সোহেলর সঙ্গে সেই জুটি গড়েছিলেন ইমামের চাচা ইনজামাম-উল-হক।

৬৯ বলে পঞ্চাশ স্পর্শ করেন ইমাম। সিরিজে দ্বিতীয় ও আট ম্যাচের ছোট্ট ক্যারিয়ার তৃতীয় সেঞ্চুরি পেতে খেলেন ১১২ বল। শেষ পর্যন্ত ১২২ বলে ৮ চারে ফিরেন ১১৩ রান করে।

ইমামকে ফিরিয়ে পাকিস্তানের শুরুর জুটি ভাঙেন ওয়েলিংটন মাসাকাদজা। এই উইকেট ক্রিজে আনে আসিফকে। শেষটায় ঝড় তুলে তিনি দলকে নিয়ে যান চারশ রানের কাছে। অবিচ্ছিন্ন দ্বিতীয় উইকেটে ৮ ওভারে ফখরের সঙ্গে গড়েন ৯৫ রানের জুটি।

ফখর পঞ্চাশ স্পর্শ করেন ৫১ বলে। সিরিজের দ্বিতীয় ও ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরিতে পৌঁছান ৯২ বলে। খুনে ব্যাটিংয়ে পরের সেঞ্চুরি তুলে নেন মাত্র ৫৬ বলে।

শেষ পর্যন্ত ১৫৬ বলে ২৪ চার আর ৫ ছক্কায় অপরাজিত থাকেন ২১০ রানে। ওয়ানডেতে এটি পঞ্চম সর্বোচ্চ। সাঈদ আনোয়ারের ১৯৪ ছাড়িয়ে ওয়ানডেতে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ।

আসিফ ২২ বলে ৫ চার আর ৩ ছক্কায় খেলেন ৫০ রানের টর্নেডো ইনিংস।

বড় লক্ষ্য তাড়ায় ৬৭ রানের মধ্যে প্রথম ৫ ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দলটি।

ষষ্ঠ উইকেটে ৬৯ রানের জুটিতে খানিকটা প্রতিরোধ গড়েন এল্টন চিগুম্বুরা ও ডোনাল্ড তিরিপানো। এক ছক্কায় ৩৭ রান করা চিগুম্বুরাকে এলবিডব্লিউ করে জুটি ভাঙেন ফাহিম আশরাফ।

সর্বোচ্চ ৪৪ রান করা তিরিপানোকে বোল্ড করে দেন লেগ স্পিনার শাদাব খান। এরপর বেশি দূর এগোয়নি জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ।

২৮ রানে ৪ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের সেরা বোলার শাদাব। দুটি করে উইকেট নেন ফাহিম ও উসমান খান।

আগামী রোববার একই ভেন্যুতে হবে পঞ্চম ও শেষ ওয়ানডে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

পাকিস্তান: ৫০ ওভারে ৩৯৯/১ (ইমাম ১১৩, ফখর ২১০*, আসিফ ৫০*; মুজারাবানি ০/৭৭, এনগারাভা ০/৬৫, তিরিপানো ০/৮৫, চিশোরো ০/৫৬, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ১/৭৮, হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ০/২৯)

জিম্বাবুয়ে: ৪৪.২ ওভারে ১৫৫ (হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ২২, কামুনহুকামউই ৩, মুসাকান্দা ১০, মারি ৫, মুর ২০, চিগুম্বুরা ৩৭, তিরিপানো ৪৪, ওয়েলিংটন ২, চিশোরো ১. মুজারাবানি ১*, এনগারাভা ১; জুনায়েদ ১/৩২, উসমান ২/২৩, ইয়াসির ০/৩১, ফাহিম ২/১৬, শাদাব ৪/২৮, শোয়েব ১/১৯)

ফল: পাকিস্তান ২৪৪ রানে জয়ী

ম্যান অব দা ম্যাচ: ফখর জামান

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাকিব-মোস্তাফিজ টেস্ট খেলতে চায় না: পাপন

খেলার খবর: টেস্টে দেশের বাইরে খেলতে গেলে বাংলাদেশের অসহায়ত্ব ফুটে উঠে প্রখরভাবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরেও হয়েছে তেমনটা। দুই টেস্টে হার ছিল সঙ্গী। প্রথম টেস্টে তো ইনিংস ব্যবধানে হেরে যায় বাংলাদেশ। সেই ব্যর্থতার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানালেন বিস্মিয়কর এক তথ্য। টেস্ট খেলতে চান না সাকিবসহ বেশ কয়েকজন!

শুক্রবার গণমাধ্যমকে বিসিবি সভাপতি জানান, ‘টেস্টের প্রতি আইসিসিরই আগ্রহ নেই। ইংল্যান্ড আর অস্ট্রেলিয়া ছাড়া কেউ আগ্রহ দেখায় না। কিন্তু আমাদের দেশে এখন দেখছি আমাদের বেশ কিছু সিনিয়র ক্রিকেটার আছে যারা টেস্ট খেলতে চায় না। যেমন সাকিব টেস্ট খেলতে চায় না। মোস্তাফিজও টেস্ট খেলতে চায় না। তবে বলে না যে খেলবো না কিন্তু এড়িয়ে যেতে চায়। হয়তো ইনজুরি প্রবণ বলেই চায় না।’ এর ব্যাখ্যায় পাপন আরও বলেন, ‘অনেকেই টেস্ট খেলতে চায় না। কারণ টেস্টটা তো অনেক কঠিন।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরেই রুবেলকে নিয়ে সরব ছিল বেশ কিছু সংবাদ মাধ্যম। বলা হচ্ছিল টেস্ট খেলতে চান না রুবেল। এ প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতির বক্তব্য, ‘রুবেল অনেক অভিজ্ঞ। সে অনেকদিন সেবা দিয়েছে। হতে পারে টেস্ট ওর জন্যে কঠিন হয়ে যাচ্ছে। তরুণদের থেকে নতুন ক্রিকেটার নিয়ে আসতে হবে। এছাড়া আর কোনও উপায় নাই।’

দলের সার্বিক মূল্যায়ন করতে বললে বিসিবি সভাপতি আরও বলেন, ‘ওয়ানডেতে বাংলাদেশ মোটামুটি এক জায়গায় এসেছে। এর কারণ উপমহাদেশে ওরা ওয়ানডে ভালো খেলে। আসলে বাইরে সেরকম সুযোগ হয় না। ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ায়, নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজে সফর হয় না। এবার একেবারে নতুন তাদের জন্যে। অনেকের খেলার অভিজ্ঞতা নেই। তবে এত খারাপ হওয়ার কথা ছিল না। যেই উইকেটে খেলা হয়েছে আমাদের ওরা অভ্যস্ত না। এখানে চেষ্টা করেছিলাম সেটা হয়নি। কোচও নতুন, শুরুতে হয়তো পরিচিত হওয়া ছাড়া আরও কিছু করার থাকে না।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এক মঞ্চে নৌকায় ভোট চাইলেন সাতক্ষীরা-২ আসনের চার মনোনয়ন প্রার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারের সাফল্য, উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকাল ৫টায় কুখরালী আমতলা আঞ্চলিক কমিটির ৬নং ওয়ার্ড ও পৌর শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় একই মঞ্চে নৌকার পক্ষে ভোট চাইলেন সাতক্ষীরা-২ আসনের চার মনোনয়ন প্রার্থী। পৌর ৬নং ওয়ার্ড কুখরালী আমতলা আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি বাবু রবিন সরকারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নূর মনোয়ার হোসেনের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মাদ আবু সায়ীদ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান আলী, জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রশিদ, পৌর আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুর রশিদ, পৌর ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি শ্রী নারায়ন চন্দ্র মন্ডল, সাধারন সম্পাদক সৈয়দ রাফিনুর আলী। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর কাউন্সিলর মোঃ শহীদুল ইসলাম, শেখ আব্দুস সেলিম, পৌর আওয়ামীলীগের কার্যকারী সদস্য আব্দুস সবুর খান, আব্দুল মজিদ, পৌর যুবলীগের সভাপতি মনোয়ার হোসেন অনু, সাধারণ সম্পাদক তুহিনুর রহমান তুহিন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকারের উন্নয়নের কথা বলে শেষ করা যাবে না। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এমন সেক্টর নেই যেখানে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। বাংলার মানুষ এখন আর অশিক্ষিত নয়। আজকের বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে দুর্বার গতিতে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিদ্যুৎ, শিক্ষা, চিকিৎসা, অর্থনীতি, রাস্তাঘাট, সর্বদিক দিয়ে উন্নত হয়েছে। এমন কোনো শিশু নেই যাকে স্কুলে ভর্তি করা হচ্ছে না। সবার জন্য শিক্ষা, চিকিৎসা সহ সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা বর্তমান সরকারই দিয়ে যাচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোর গড়ায় পৌছে দেওয়া হয়েছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা তিনি তার কল্যানের জন্য কিছুই করেন নি। সবই করেছেন এদেশের মানুষের কল্যানে। আসুন আমরা সকল দ্বিধাদন্দ ভুলে গিয়ে একসাথে নৌকার পক্ষে কাজ করার অঙ্গিকার করি। জননেত্রী শেখ হাসিনার নৌকার প্রার্থীর পক্ষে আমরা সবাই একসাথে কাজ করবো। আমরা দলের পক্ষে মনোনয়ন চাইবো কিন্তু যাকে মনোনয়ন দিবে আমরা সকলেই তার পক্ষে কাজ করবো। বর্তমান সরকার সারা বাংলাদেশকে যে উন্নয়নের মহা সড়কে নিয়ে গেছে তা বলে শেষ করা যাবে না। আমরা ২০১৩ সালের সেই কলঙ্কিত ঘটনার পুনরাবৃতি করতে চাইনা। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন এই ৬নং ওয়ার্ডেই বিদ্যামান। সাতক্ষীর মেডিকেল কলেজ, বাইপাস সড়ক সবই বর্তমান সরকারের দেওয়া।
বক্তারা আরো বলেন, সাতক্ষীরা-২ আসনের আওয়ামীলীগ কে বিজয়ী করতে হলে এমন একজন নেতাকে নৌকার মনোনয়ন দিতে হবে যার সাথে মানুষ মনের কথা বলতে পারে। সাতক্ষীরার মানুষ এমন কোনো নেতাকে আর এমপি হিসাবে দেখতে চায়না যিনি কর্মীদের হাতে হাত দিয়ে অন্য পাশে গিয়ে হাত ধুয়ে ফেলে। যারা দলীয় নেতাকর্মীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে নৈশ প্রহরীতে ও পুলিশের চাকুরি দিয়েছে তাদেরকে যেন দলীয় মনোনয়ন না দেওয়া হয় সেজন্য কেন্দ্রিয় নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানান।
বক্তারা আরো বলেন, আমরা সোনার বাংলার সোনার মানুষ চাই। আর এ সোনার মানুষ আমরা সাতক্ষীরাবাসীও চাই। এজন্য সাতক্ষীরা -২ আসনে এমন নেতাকে মনোনয়ন দিতে হবে যাকে সবাই পছন্দ করে।
বক্তারা আরো বলেন, শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন বলে বাংলাদেশ আজ ডিজিটাল হয়েছে। তিনি পদ্মা সেতু তৈরী করার কথা বলেছিলেন সেটা বর্তমানে দৃশ্যমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বলাকা ক্রীড়া চক্রের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদকের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক: বলাকা ক্রীড়া চক্র ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মরহুম রইচ উদ্দীন সরদারের অকাল মৃত্যুতে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় পুরাতন সাতক্ষীরাস্থ বলাকা ক্রীড়া চক্র ক্লাবে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বলাকা ক্রীড়া চক্র ক্লাবের সভাপতি মো: আবু সায়ীদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর কাউন্সিলর শেখ আব্দুস সেলিম, ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আ: করিম, সহ-সভাপতি আ: রাজ্জাক। ডা: আমিনের পরিচালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন আবু জাফর, ক্রীড়া সম্পাদক আবু মুছা, ইয়ং ক্লাবের সভাপতি এড. সাইফুল্লাহ, সহ-সভাপতি রিপন, কামরুল ইসলাম, ডা: হাফিজুর রহমান সহ ক্লাবের কর্মকর্তা বৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সিটি কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটি অনুমোদন

সাতক্ষীরা সিটি কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ২০ জুলাই’১৮ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ শরিফুজ্জামান (সজীব) ও সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল ইসলাম চন্দন স্বাক্ষরিত এক পত্রে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটির সদস্যরা হলেন, আহবায়ক হেলাল হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক, আল আমিন হোসেন, আবু রাসেল, তানভীর আহম্মেদ সজল, মিঠুন কুমার দাশ, আল মামুন, আসাফুর রহমান বিপু, শামীম রেজা, আরিফ হোসেন, রায়হানুর রহমান, মুশফিকুর রহমান অনিক, মোঃ মাসুদ রানা ও বাপ্পী হাসান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest