সর্বশেষ সংবাদ-
দেশব্যাপি সংখ্যালঘুদের উপর হামলা- নির্যাতনের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরাসহ খুলনা বিভাগের ২৫ টি সিট হাইজ্যাক করা হয়েছে– সাবেক এমপি হাবিবসাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের সম্মানে ছাত্রশিবিরের ইফতারবাগেরহাটে নৌবাহিনীর বাস ও মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর ও নববধূসহ প্রাণ গেল ১৪ জনেরসখিপুর হাসপাতালে অনিয়মের অভিযোগ: রোগীদের পচা খাবার- সময়মতো মিলছে না খাবারসাতক্ষীরা জেলা মানবাধিকার সুরক্ষা কমিটির ত্রৈমাসিক সভাসাতক্ষীরায় কর্মের প্রতিশ্রুতি: বাংলাদেশে সরাসরি তহবিল এবং ঝুঁকি ভাগাভাগি এগিয়ে নেওয়া শীর্ষক সেমিনারশ্যামনগরে স্থানীয় অভিযোজন মেলা ও জলবায়ু সংলাপবিশিষ্টজনদের নিয়ে সাতক্ষীরা জামায়াতের ইফতার মাহফিলকালিগঞ্জে বিকাশ এজেন্টকে কুপিয়ে ১০ লাখ টাকা ছিনতায়ের অভিযোগ

রোহিঙ্গা শিবিরে প্রতিদিন জন্ম নিচ্ছে ৬০ শিশু

ন্যাশনাল ডেস্ক: মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্মম নির্যাতন থেকে বাঁচতে পালিয়ে এসে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা গত ৯ মাসে ১৬ হাজারের বেশি শিশুর জন্ম দিয়েছে। সে হিসেবে গড়ে প্রতিদিন জন্ম নিয়েছে ৬০ শিশু। বুধবারবার জাতিসংঘ শিশু তহবিল- ইউনিসেফ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি এডওয়ার্ড বেগবেদার বলেন, ‘প্রতিদিন প্রায় ৬০টি শিশু তাদের বাড়ি থেকে বহু দূরে হতাশাজনক পরিস্থিতিতে প্রথমবারের মতো শ্বাস নিচ্ছে। এসব শিশুর মায়েরা এখানে এসেছে বাস্তুচ্যুত হয়ে, সহিংসতা আর আতঙ্ক পেছনে ফেলে, তাদের অনেকে হয়েছেন ধর্ষণের শিকার।’

গত বছরের আগস্টে রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা শুরু হলে অসংখ্য নারী ও কিশোরী ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার শিকার হন। যৌন সহিংসতার শিকার হয়ে কক্সবাজার শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়া এসব নারী ও শিশুদের বিশেষ ধরনের সহযোগিতা দরকার বলে মনে করে এই সংস্থাটি।

যৌন সহিংসতার ফলে প্রকৃত মোট কতজন শিশু জন্ম নিয়েছে এবং ভবিষ্যতে নেবে- তা আসলে বলা মুশকিল। তবে এটা গুরুত্বপূর্ণ যে, প্রতিটি নবজাতক শিশু, শিশুর মা এবং অন্তঃসত্ত্বা নারীদের সব ধরনের সাহায্য ও সহযোগিতা দরকার বলে বেগবেদার জানান।

ইউনিসেফ আরও জানায়, শরণার্থী শিবিরে জন্ম নেয়া মাত্র ৩০০০ শিশু (প্রতি পাঁচজনে একজন) স্বাস্থ্য সুবিধা পেয়েছে। এ ছাড়া আনুমানিক শতকরা ১৮ জন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তাদের শিশু জন্ম দিয়েছেন।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্স বলছে, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তার জন্য চলতি বছর অন্তত ৯৫ কোটি ১০ লাখ ডলার প্রয়োজন জানিয়ে গত মার্চে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছিল জাতিসংঘ। কিন্তু এটি তহবিলের ২০ শতাংশেরও কম।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, রোহ্ঙ্গিা ক্যাম্পে ১৮ হাজার ৩০০ জন অন্তঃসত্ত্বা নারীকে চিহ্নিত করা গেছে। সব মিলিয়ে অন্তঃসত্ত্বা নারীর সংখ্যা ২৫ হাজারের মতো হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রজ্ঞাপন ছাড়াই প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত এরশাদ : টিআইবি

ন্যাশনাল ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর প্রায় সাড়ে চার বছর পার হয়েছে এইচএম এরশাদের। তবে এ পদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) আয়োজিত পার্লামেন্ট ওয়াচ নামে সংসদ বিষয়ে এক ‘গবেষণাপত্রে’ এ তথ্য জানানো হয়।

বলা হয়েছে, এরশাদের নিয়োগ সংক্রান্ত কোনো প্রজ্ঞাপন নেই। কিন্তু বিশেষ দূত হিসেবে এরশাদের পেছনে রাষ্ট্রের প্রতিমাসে গড়ে ব্যয় হচ্ছে পাঁচ লাখ টাকা। এরশাদের পেছনে এ অর্থ ব্যয় কতটুকু যথার্থ তা তার নিজেরও বলা দরকার, জনগণকেও সরকারের জানানো উচিত। এছাড়া জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতির সংসদে উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির হারও জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিবেদন উপস্থাপন করে রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি পরিচালক মোহাম্মাদ রফিকুল হাসান বলেন, বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্বের কোনো সরকারি গেজেট প্রকাশ বা দাফতরিক কোনো নির্দেশ পাওয়া যায়নি। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী আধুনিক মুসলিম গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি এবং দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও ঐহিত্য বিশ্বদরবারে পৌঁছে দেয়া, মধ্যপ্রাচ্যে জনশক্তি রফতানির বাজার প্রসারে ভূমিকা পালন তার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। কিন্তু এসবে তার কোনো ভূমিকা নেই।

সংসদের বিগত এক থেকে ১৮তম অধিবেশনের ৩২৭ কার্যদিবসের মধ্যে মাত্র ৭৯ দিন উপস্থিত ছিলেন তিনি। এ সময়ের মধ্যে তিনি চীন, ভারত, মালেশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভুটানসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করলেও বিশেষ দূত হিসেবে যাননি। অথচ তার পেছনে প্রটোকল, বিশেষ ভাতা (মন্ত্রী পদমর্যাদা সমতুল্য) ও অন্যান্য খাত বাবদ মাসে গড়ে পাঁচ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এটা বে-আইনি কিনা তা আমরা বলতে পারব না। যদি তার নিয়োগের প্রজ্ঞাপন হয়ে থাকে তাহলে দুর্নীতি বলা যাবে না। কিন্তু তার নিয়োগের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। আমরা এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেছি। তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রজ্ঞাপন বা গেজেট প্রকাশিত হয়নি। সরকারি কোনো নির্দেশনাও নেই। তবে তার দায়িত্বের মধ্যে একটা কথা বলা হয়েছিল যে, তিনি দেশের ভাবমূর্তি বিদেশে তুলে ধরবেন। কিন্তু তিনি ব্যক্তিগত সফরে বিদেশ গেছেন। রাষ্ট্রীয় কোনো সফরে তাকে দেখা যায়নি বা কোনো তথ্যও নেই।

তিনি বলেন, এরশাদের পেছনে যে পাঁচ লাখ টাকা খরচ হচ্ছে এটা কতটুকু যথার্থ তা তার নিজেরও বলা দরকার। জনগণকেও সরকারের জানানো উচিত।

টিআইবি গত বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৪তম অধিবেশন থেকে ১৮তম অধিবেশন পর্যন্ত একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। সংসদকে অধিকতর কার্যকর করার জন্য ১৪টি সুপারিশও দিয়েছে দুর্নীতি বিরোধী সামাজিক আন্দোলন নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক এ প্রতিষ্ঠানটি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন টিআইবির উপদেষ্টা সুলতানা কামাল, নির্বাহী ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা ড. সুমাইয়া খায়ের, জুলিয়েট রোজেটি প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভালো কিছু প্রচার করলে কৃতার্থ থাকি : প্রধানমন্ত্রী

ন্যাশনাল ডেস্ক: সরকারের অর্জনগুলো জনগণের মাঝে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের প্রতি অাহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে নেগেটিভ কথাবার্তা বেশি প্রচার করা হয়। কারো কাছে দয়া দাক্ষিণ্য চাই না। দেশের জন্য যদি ভালো কিছু করে থাকি সেটুকু ভালোভাবে পত্রপত্রিকায় বা ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচার করা হলে কৃতার্থ থাকি।

বৃহস্পতিবার (১৭ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) অায়োজিত প্রতিনিধি সম্মেলন-২০১৮ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭২ সালের ১৬ জুলাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাংবাদিক ইউনিয়নের সম্মেলন উদ্বোধন করতে প্রেস ক্লাবে এসেছিলেন। সেখানে তিনি বলেছিলেন, ‘গণতন্ত্রের একটা নীতিমালা অাছে। সাংবাদিকতারও একটা নীতিমালা অাছে।’ এ দুটো মনে রাখলে অামরা অনেক সমস্যা সমাধান করতে পারব।

কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ভোট চুরিতে এক্সপার্ট, মানুষ খুনে এক্সপার্ট, দুর্নীতিতে এক্সপার্ট, তারা (বিএনপি) অাবার গণতন্ত্রের কথা বলেন। যারা বলেন পদ্মাসেতু জোড়া তালির সেতু, সাবমেরিন পানিতে ডুবে যায়, স্যাটেলাইট সম্পর্কে যেসব মন্তব্য করেছে তারা কিভাবে দেশের উন্নয়ন করবে?

শেখ হাসিনা বলেন, ৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটচুরি করে ক্ষমতায় থেকে খুব বড়াই করছিল তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হলো। কিন্তু আন্দোলন সংগ্রাম করেছে জনগণ; তারা তাদের (জনগণ) ভোটচুরি মেনে নেয়নি। যার ফলে তিনি (খালেদা জিয়া) পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা উন্নত হয়েছি, উন্নয়নশীল দেশ হয়েছি, আজ স্যাটেলাইট পাঠিয়ে বাংলাদেশকে অন্য মর্যাদায় নিয়ে গিয়েছি। মাত্র ৯ বছরে বাংলাদেশের যে অর্থনৈতিক উন্নতি করেছি, তা আর কেউ পারেনি। মানুষ এখন স্বস্তিতে, শান্তিতে আছে। দু’বেলা খাবার পাচ্ছে। মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। আওয়ামী লীগ ও দেশের জনগণের মধ্যেই হারানো মা-বাবা-ভাইয়ের স্নেহ পেয়েছি বলেই আমার একটাই লক্ষ্য, দেশের মানুষের জীবনমান উন্নত করা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ রাজনীতি করে মানুষের কল্যাণে। মানুষ যেন ভালো থাকে, মানুষ যেন দুমুঠো খেয়েপরে ভালোভাবে বাঁচতে পারে সে লক্ষ্য নিয়েই অামরা রাজনীতি করি। এছাড়া অামাদের অারেকটি লক্ষ্য সেটা হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা।

বিএনপির সমালোচনা করে তিনি অারও বলেন, যারা অন্ধকার পথে ক্ষমতায় অাসে তারা গণতন্ত্র দেবে কিভাবে? যারা জনগণের ভোট নিয়ে ছিনিমিনি খেলে তারা কিভাবে দেশের উন্নয়ন করবে?

বিএফইউজে সভাপতি ও একুশে টিভির সিইও মনজুরুল অাহসান বুলবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের মহাসচিব ওমর ফারুক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এই বিশ্বকাপটা আমার হতেই হবে: নেইমার

ন্যাশনাল ডেস্ক: রাশিয়া বিশ্বকাপের পর্দা উঠবে আগামী ১৪ জুন। তার প্রায় এক মাস আগে ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার বলেছেন, ‘এই বিশ্বকাপটা আমার হতেই হবে।’

রাশিয়া বিশ্বকাপের আগে পায়ের চোট পেয়ে বর্তমানে পুনর্বাসনে রয়েছেন। তবে পিএসজি তারকাকে ঘিরেই যে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ জয়ের রণকৌশল ঠিক করা হয়েছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এবং দলের জয়ের ব্যাপারে দারুণ আত্মবিশ্বাসী তিনি।

ফেসবুকে এক সাক্ষাৎকারে নেইমার বলেন, ‘বিশ্বকাপ হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আসর। আমি এখানে খেলতে চাই ও চ্যাম্পিয়ন হতে চাই। এই বিশ্বকাপটা আমার হতে হবে।’

রেকর্ড পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল অবশ্য ২০০২ সালের পর কোনো শিরোপা জেতেনি। কিন্তু ১৪ জুন থেকে শুরু হওয়া বিশ্বযজ্ঞে সেলেকাওদের হয়ে উদযাপন করতে চান নেইমার। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমি অনুশীলন শুরু করে দিয়েছি। আমি ভালো এবং স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করছি। অবশ্যই আমার মধ্যে কিছু ভয় ছিল। কিন্তু আমি ধীরে ধীরে ফিরে আসছি।

বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘ই’তে রয়েছে ব্রাজিল। যেখানে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে আগামী ১৭ জুন প্রথম ম্যাচ খেলবে তিতের শিষ্যরা। গ্রুপের বাকি দুই দল হলো কোস্টারিকা ও সার্বিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা শ্রমিক লীগের সাথে ভোমরা হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের নব-নির্বাচিতদের শুভেচ্ছা বিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় শ্রমিক লীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দের সাথে ভোমরা স্থল বন্দর গোডাউন হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিঃ ১১৫৯-খুলনা) এর নব-নির্বাচিত কমিটির শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় শ্রমিক লীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার কার্যালয়ে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় কালে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় শ্রমিক লীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি ছাইফুল করিম সাবু, সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা এম.এ খালেক, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ সরদার, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, পৌর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রমজান আলী, সদর সদস্য সচিব জাহিদ হোসেন খান, জেলা লেবার শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. বাবুল হোসেন, ভোমরা স্থল বন্দর গোডাউন হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিঃ ১১৫৯-খুলনা) এর নব-নির্বাচিত কমিটির সভাপতি মো. এরশাদ আলী, সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম ও সমাজ কল্যাণ মো. জাকির হোসেন প্রমুখ। এসময় নব-নির্বাচিত সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গৃহঋণের বিতর্কিত পরিপত্র বাতিল

ন্যাশনাল ডেস্ক: সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য পাঁচ শতাংশ সুদে গৃহঋণের নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে সরকার। তবে সেটি এখনো প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হয়নি। কিন্তু এর আগেই সরকারি ব্যাংক থেকে শুধুমাত্র নিজেদের কর্মকর্তাদের জন্য গৃহনির্মাণ ঋণ নেয়ার বিষয়ে গত মঙ্গলবার (১৫ মে) বিতর্কিত একটি পরিপত্র জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।

তড়িঘড়ি করে জারি করা ওই পরিপত্রটি উপসচিব মো. মনিরুল ইসলাম স্বাক্ষর করেন। তাতে বলা হয় শুধুমাত্র আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৫ শতাংশ সুদে সর্বোচ্চ ১ কোটি ও সর্বনিম্ন ৬০ লাখ টাকা ঋণ নিতে পারবেন।

এ পরিপত্রের পর অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগসহ অন্যান্য সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা যায়। এ প্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জারি করা পরিপত্রটি দ্রুত প্রত্যাহার করার জন্য গতকাল বুধবার আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. ইউনুসুর রাহমানকে নির্দেশ দেন। তাই আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ পরিপত্রটি প্রত্যাহার করে নিয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, সরকারের যে কোনো বিভাগকেই এ ধরনের পরিপত্র জারির আগে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের মতামত নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ তা নেয়নি । এদিকে ‘সরকারি কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং-ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহ নির্মাণ ঋণ প্রদান সংক্রান্ত নীতিমালা-২০১৮’-এর একটি খসড়া গত মাসে চূড়ান্ত করেছে অর্থ বিভাগ। অনুমোদনের জন্য এই খসড়া এখন মন্ত্রিসভার বৈঠকে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

অর্থ বিভাগের চূড়ান্ত নীতিমালার আওতায় জাতীয় বেতন স্কেলের গ্রেড ভেদে সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ এবং সর্বনিম্ন ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেয়ার সুযোগ রয়েছে। সেখানে আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক জারিকৃত পরিপত্রে সর্বোচ্চ ১ কোটি ও সর্বনিম্ন ৬০ লাখ টাকা ঋণ নেয়ার সুযোগ রাখা হয়েছিল।

সকল সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য অর্থ বিভাগ কর্তৃক চূড়ান্ত নীতিমালা অনুযায়ী, জাতীয় বেতনকাঠামোর পঞ্চম গ্রেড থেকে প্রথম গ্রেডভুক্ত কর্মকর্তা, যাদের বেতন স্কেল ৪৩ হাজার বা এর বেশি তারা প্রত্যেকে ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরে গৃহনির্মাণে ঋণ পাবেন ৭৫ লাখ টাকা। জেলা সদরে এর পরিমাণ হবে ৬০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকায় ৫০ লাখ টাকা। বেতনকাঠামোর নবম গ্রেড থেকে ষষ্ঠ গ্রেড পর্যন্ত বা যাদের মূল বেতন ২২ হাজার থেকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা, তারা ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদর এলাকার জন্য ৬৫ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৫৫ লাখ এবং অন্যান্য এলাকার জন্য ৪৫ লাখ টাকা ঋণ পাবেন।

দশম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত যাদের মূল বেতন ১১ হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকা তারা ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য ৫৫ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৪০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকার জন্য ৩০ লাখ টাকা ঋণ পাবেন।

১৪তম থেকে ১৭তম গ্রেড বা নয় হাজার থেকে ১০ হাজার ২০০ টাকা বেতন স্কেলে ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য ৪০ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৩০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকার জন্য ২৫ লাখ টাকা ঋণ পাবেন। ১৮তম থেকে ২০তম গ্রেড বা আট হাজার ২৫০ টাকা থেকে আট হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতন পান এমন কর্মচারীরা ঢাকাসহ সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য গৃহনির্মাণ ঋণ পাবেন ৩০ লাখ টাকা। জেলা সদরে এটি হবে ২৫ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকার জন্য পাবেন ২০ লাখ টাকা।

আর আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জারিকৃত পরিপত্র অনুয়ায়ী আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অফিস সহায়ক ঋণ পাবেন ৬০ লাখ টাকা, গাড়িচালক ৬৫ লাখ, ডেসপার রাইডার ৬৫ লাখ, ক্যাটালগার ৭০ লাখ, হিসাবরক্ষক ৭০ লাখ, কম্পিউটার অপারেটর ৭০ লাখ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর ৭০ লাখ, অফিস সহকারী বা সাঁট মুদ্রাক্ষরিক ৭০ লাখ, সাঁট মুদ্রাক্ষরিক-কাম কম্পিউটার ৭০ লাখ, প্রশাসনিক বা ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ৭৫ লাখ, সহকারী মেইনন্টেন্যাস ইঞ্জিনিয়ার ৮০ লাখ, সহকারী প্রোগ্রামার ৮০ লাখ, সহকারী সচিব ৮০ লাখ, সিনিয়র সহকারী সচিব ৮০ লাখ, উপসচিব ৮৫ লাখ, যুগ্মসচিব ৯০ লাখ, অতিরিক্ত সচিব ৯৫ লাখ এবং সিনিয়র সচিব বা সচিব বা ভারপ্রাপ্ত সচিবদের জন্য ১ কোটি টাকা ঋণ নেয়ার সুযোগ রাখা হয়েছিল।

কিন্তু অর্থমন্ত্রীর নির্দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত পরিপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় শিশু ধর্ষণ চেষ্টার আসামি আলীমের ৫ বছরের কারাদণ্ড

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ১০বছরের এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণ চেষ্টার দায়ে আলমগীর হোসেন ওরফে আলীম নামে এক ব্যক্তিকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদ্বন্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদ্বন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হোসনে আরা আক্তার এ রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামী আলমগীর হোসেন ওরফে আলীম কলারোায়া উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের হায়েজ উদ্দীন সরদারের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, বোয়ালিয়া গ্রামের আলমগীর হোসেন ওরফে আলীম একই গ্রামের হারুলাল গাইনের ১০ শিশু কন্যাকে প্রায় সময়ই উত্ত্যক্ত করতো। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালের ২০ এপ্রিল রাত ৯ টার দিকে প্রকৃতির ডাকে ঘরের বাইরে এলে আসামী আলমগীর হোসেন ওরফে আলীম তাকে একা পেয়ে মুখে গামছা বেঁধে জোর পূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ ঘটনায় নির্যাতিতা শিশু কন্যার বাবা হারুলাল গাইন বাদী হয়ে বাদী হয়ে কলারোয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ পর্যালোচনা শেষে এ মামলায় ৫ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও নথি পর্যালোচনা করে আসামি আলমগীর হোসেন ওরফে আলীমের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদ্বন্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদ্বন্ডের আদেশ দেন।
এ মামলার রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবি সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট জহুরুল হায়দার বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ রায়ের সময় আসামি আলমগীর হোসেন ওরফে আলীম পলাতক ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পর্নস্টারের সাথে যৌন সম্পর্কের অভিযোগ মেনে নিলেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পর্ন তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসের সঙ্গে নিজের যৌন সম্পর্ক প্রকাশ না করার জন্য তাকে যে অর্থ দিয়েছিলেন অবশেষ তা স্বীকার করে নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে আইনজীবীর হাতে কত অর্থ দিয়েছিলেন সেটিও আনুষ্ঠানিকভাবেই প্রকাশ করা হয়েছে।

দ্য অফিস অফ গভর্নমেন্ট এথিকস বলছে, মিস্টার ট্রাম্পকে তার আর্থিক বিবরণীতে সেটি দিতে হয়েছে। এ সংক্রান্ত ফাইলে থাকা তথ্য অনুযায়ী, তিনি আইনজীবী মাইকেল কোহেনকে ২০১৬ সালের জন্য যে অর্থ দিয়েছিলেন তার পরিমাণ এক লাখ থেকে আড়াই লাখ ডলারের মধ্যে।

যদিও এর আগে স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে এক লাখ ত্রিশ হাজার ডলার দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে আসছিলেন ট্রাম্প।

এখন ওই ফাইলে একটি ফুটনোট দিয়ে হোয়াইট হাউজ বলছেন স্বচ্ছতার স্বার্থেই এটিকে তালিকায় রাখা হয়েছে।

যদিও অফিস অফ গভর্নমেন্ট এথিকস এর প্রধান ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে দেয়া এক চিঠিতে লিখেছিলেন যে, কোহেনের মাধ্যমে যেসব অর্থ শোধ হয়েছে সেগুলো জানাতে হবে।

স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে দেয়া অর্থের বিষয়টি একটি আইনগত সমস্যা তৈরির করতে পারে, এমন শঙ্কা ছিল। কারণ এটিকে নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রে একটি অবৈধ ব্যয় হিসেবে দেখা যেতে পারতো। কোহেনের এ সম্পর্কিত কাগজপত্র ইতোমধ্যেই এফবিআই জব্দ করেছে এবং এ নিয়ে এখন তদন্ত চলছে বলে জানা যাচ্ছে।

স্টর্মি ড্যানিয়েলস অভিযোগ করেছিলেন, ২০০৬ সালে একটি হোটেল কক্ষে ট্রাম্প তার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন।

গত এপ্রিলে ট্রাম্প বলেছিলেন যে, তার আইনজীবী মাইকেল কোহেন মিজ ড্যানিয়েলসকে ২০১৬ সালের নির্বাচনের আগে কোনোঅর্থ দিয়েছিলেন কি-না সেটি তার জানা নেই।

তবে আইনজীবীকে ট্রাম্পের টাকা দেয়ার বিষয়টি প্রথম নিশ্চিত করেন প্রেসিডেন্টে অ্যাটর্নি রুডি গিলিয়ানি। তিনি বলেছিলেন যে, মিজ ড্যানিয়েলসকে চুপ রাখতে – যাতে করে তিনি অসত্য ও অতিরঞ্জিত অভিযোগ মিস্টার ট্রাম্পকে নিয়ে না করেন সেজন্যই ওই লেনদেন করা হয়েছিলো। সূত্র: বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest