আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনিতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দিরের নামে ডিসিয়ারকৃত সম্পত্তি জবর দখল কালে সংঘর্ষে মন্দির কমিটির সাবেক সভাপতিসহ ৪ জন আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার সময় কুল্যা ইউনিয়নের গাবতলা কালীমন্দির প্রঙ্গনে। মারামারি ঠেকাতে যাওয়া কাটাখালী গ্রামের মৃত আবুল হোসেন সরদারের পুত্র আমিনুর ইসলাম (২৯) গুরুতর হাড়ভাঙা জখম হওয়ায় তাকে প্রথমে আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরবর্তীতে বিকালে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। জানাগেছে, গাবতলা মৌজার ২ একর ৫০ শতক জমি মন্দির কমিটির পক্ষে পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে সাবেক মন্দির কমিটির সভাপতি দেবব্রত সরকারের নামে ২০১৬ সাল থেকে একসনা ডিসিয়ার হয়ে আসছে এবং মন্দিরের উন্নয়নে এই সম্পত্তি ব্যবহার করে আসছে। ঘটনার দিন কাটাখালী গ্রামের মাসুম বিল্লাহ ও হামিদ গাজী তাদের সন্ত্রসী বাহিনী বাঁশ ও লোহার রডসহ দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্রে সর্জিত হয়ে ঐ সম্পত্তি জবর দখলের চেষ্টা চালায়। মন্দির কমিটির সদস্যরা এসময় তাদেরকে বাধা দিলে মাসুম বিল্লাহর সন্ত্রাসী বাহিনী তাদেরকে এলোপাতাড়ি মারপিট করতে থাকে। ঠেকাতে গেলে আমিনুর ইসলামকে গুরুতর হাড়ভাঙা জখম করে তারা ঘটনা স্থান ত্যাগ করে। এ ঘটনায় কমিটির সভাপতি, সদস্য রাজ্যেশ্বর ও অনির্বানকে স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। জানতে চাইলে আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহা: মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় লিখিত ভাবে এখনও কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে জামিন দেয়া হচ্ছে না, মন্তব্য করে বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, তারা খালেদা জিয়ার জন্য অপেক্ষা করে থাকবেন এবং তাকে নিয়েই নির্বাচনে যাবেন।
মঙ্গলবার দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, আগামী নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই বেগম জিয়াকে জামিন দেয়া হচ্ছে না। তার জনপ্রিয়তার কারণে মিথ্যা মামলায় আজ তিনি জেলে। আজকের মতো শুনানি মুলতবি ঘোষণা করেছে আদালত। আগামীকাল বুধবার আবার শুনানি শুরু হবে।
তিনি আরও বলেন, বেগম জিয়ার সামাজিক অবস্থান এবং বয়সের কথা বিবেচনা করে মাননীয় আদালত তাকে জামিন দিবেন বলে আমরা আশাবাদী।
শুনানি চলাকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল বুক পেপারের বিষয়ে যে কথা বলেছেন, তা অপ্রাসঙ্গিক। বুক পেপারের সঙ্গে মামলার কোনো সম্পর্ক নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে বন্দি আছেন। তিনি দলের সঙ্গে থাকতে পারছেন না। জনগণের পাশে যেতে পারছেন না, রাজনীতি করতে পারছেন না, চিকিৎসা পাচ্ছেন না। জামিন পাওয়া মানুষের মৌলিক অধিকার। সুপ্রিমকোর্টের দায়িত্ব সেটি। কিন্তু সুপ্রিমকোর্ট সেটা করছে না। এই অবস্থায় আমাদের অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই। তাকে নিয়েই আমরা নির্বাচনে যাবো।

