সর্বশেষ সংবাদ-
৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভাসাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়৯০ দশক ছাত্রদল প্লাটফর্ম এর সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান চেয়ারম্যান আলিমেরএসএসসি ২০০০ সালের ব্যাচের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সাতক্ষীরায় সিলভার জুবিলি “মেঘা মিটআপ-২০২৫” অনুষ্ঠিততালার সুভাষিনী গ্রামে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরি : নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুটসাতক্ষীরা জেলা আইনজীবি সমিতির ১১ সদস্য বিশিষ্ট্য আহবায়ক কমিটি গঠন

মাধ্যমিকের সব স্তরে কারিগরি ট্রেড চালু আগামী বছর

মাধ্যমিকের সব স্তরে আগামী বছর থেকে কারিগরি শিক্ষা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সাধারণ শিক্ষায় অষ্টম বা নবম শ্রেণিতে একটি বা দু’টি ট্রেড চালু করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগ এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটিও করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কারিগরি শিক্ষাকে শিক্ষার্থীদের জীবনে কাজে লাগাতে এই উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এসডিজি অর্জন ও উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের যোগ্যতা অর্জনে কারিগরি শিক্ষাকে অন্যতম টার্গেট ধরে এগোচ্ছে সরকার। এতে দেশের বেকারত্ব সমস্যার সমাধান হবে। কারিগরি শিক্ষার গুণগত মানও বৃদ্ধি পাবে।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের উপসচিব সুবোধ চন্দ্র ঢালী বলেন, ‘সরকারি-বেসরকারি সাধারণ প্রতিষ্ঠানগুলোতে এসএসসি ভোকেশনালের কোন কোর্স খোলা যায়, তা যাছাই করতে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি করা হয়েছে। কমিটি ঠিক করবে দেশের কোন কোন প্রতিষ্ঠানে কী কী কোর্স খোলা হবে।’

গত রবিবার (১৫ এপ্রিল) ‘এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন ট্রেনিং কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন’ শীর্ষক একটি কর্মশালায় আগামী বছর থেকে ট্রেড চালুর সুপারিশ করা হয়। প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত সাধারণ শিক্ষার সঙ্গে কারিগরি শিক্ষা চালুর করার সুপারিশ করা হয় কর্মশালায়। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সিলেবাসে অন্তত একটি কারিগরি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়। অষ্টম শ্রেণিতে ভোকেশনাল নেই। সে কারণে যদি অষ্টম শ্রেণিতে আগামী বছর শুরু নাও করা যায়, তাহলে নবম শ্রেণি থেকে সব শাখায় দুটি কারিগরি ট্রেড বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করা হয়। তবে মন্ত্রণালয়ের গঠিত কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে কোন ক্লাস থেকে আগামী বছর তা শুরু করা হবে।

মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দেশের সব হাই স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় কারিগরি শাখা চালু করা হবে পর্যায়ক্রমে। প্রাথমিক স্তর থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রবন্ধ অন্তর্ভুক্ত করা হবে সিলেবাসে। তবে শিক্ষক সংকট, সিলেবাস, অবকাঠামোসহ বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে এ ক্ষেত্রে। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জন ও উন্নত দেশে পরিণত হতে মন্ত্রণালয় কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করছে।

উপসচিব সুবোধ চন্দ্র ঢালী বলেন, ‘২০২০ সালে কারিগরি শিক্ষার এনরোলমেন্ট ২০ শতাংশ করতে একটি কর্মপরিকল্পনা করা হয়। কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে পাঁচটি টাস্কফোর্স করা হয়েছিল। টাস্কফোর্স যেসব সুপারিশ করেছে তা রবিবার (১৫ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত কর্মশালায় উপস্থাপন করা হয়েছে।’

সুপারিশে বলা হয়, ২০২০ সালের মধ্যে কারিগরিতে ৪০ শতাংশ নারী শিক্ষার্থী থাকতে হবে। বর্তমানে নারী শিক্ষার্থী ২০ শতাংশের কম। এ লক্ষ্যে আটটি বিভাগীয় শহরে মহিলা টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপনসহ নতুন আরও প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে।

ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সিলেবাসে অন্তত একটি কারিগরি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সব শাখায় বাধ্যতামূলক দুটি কারিগরি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা সনদ দিতে হবে। দেশের সব হাই স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় কারিগরি শাখা চালু করতে হবে। প্রাথমিক স্তর থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সিলেবাসে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রবন্ধ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

মানসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ দিতে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) আদলে ‘কারিগরি শিক্ষক নিয়োগ কমিশন গঠন’ করতে হবে। শিল্পকারখানায় কর্মরত অভিজ্ঞদের শিক্ষক নিয়োগে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তাদের অতিথি শিক্ষক হিসেবে ক্লাস নেওয়ারও ব্যবস্থা করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে বিটিইটি ও বিএমইবির একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা ও মূল্যায়নে ২০২১ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে বিভাগীয় পর্যায়ে সমন্বিত বোর্ড গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

দেশের ঐতিহ্য ধরে রাখতে টাঙ্গাইল, নরসিংদী, কুমিল্লা, সিরাজগঞ্জসহ অন্যান্য এলাকার তাঁতীদের কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রমে আনতে হবে। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীগুলোকে (বেদে, টোকাই, হিজড়া, হরিজন) কারিগরি শিক্ষা দিতে মোবাইল টেকনিক্যাল স্কুল চালু করতে হবে।

আধুনিক কারিগরি ও বৃত্তিমূলক মাদ্রাসা শিক্ষা চালু করতে মাদ্রাসায় কারিগরি ও ভোকেশনাল কোর্স বাধ্যতামূলক করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পৃথিবীর সবচেয়ে কমবয়সী দাড়িওয়ালা নারী!

হারনাম কাউর। পৃথিবীর সবচেয়ে কমবয়সী দাড়িওয়ালা নারী। ভারতীয় বংশোদ্ভুত ব্রিটেনের বার্কশায়ারের বাসিন্দা। টানা টানা চোখের সুন্দর মুখশ্রীতে যখন প্রথমবার পুরুষের মতো দাড়ি আবিষ্কার করেছিলেন তিনি, তখন হয়তো অনেক হতাশ হয়েছিলেন। হয়তও কোনো অভিশাপের ফল হিসেবেই এটিকে মেনে নিয়েছিলেন।

কিন্তু এক সময় দাড়িতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি কাউর। এভাবেই নিজেকে খুশি রাখতে চান। কিন্তু যে দাড়ির জন্য এক সময় সবার কাছে তাঁকে হেয় হতে হয়েছে সেটাই একদিন তার জীবনে আশীর্বাদ হিসেবে দেখা দেবে, এটি নিশ্চয় তিনি নিজেও কোনোদিন ভাবতে পারেননি। কিন্তু এমনটিই ঘটেছে ২৪ বছর বয়সী হারনাম কাউরের জীবনে।

সবচেয়ে কমবয়সী পূর্ণ দাড়িওয়ালা নারী হিসেবে তাঁর নাম ওঠেছে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে। হারনামের দাড়ি এখন ছয় ইঞ্চি লম্বা।

এ প্রাপ্তির অনুভূতি হিসেবে হারনাম কাউর বলেন, ‘আমি এতে সম্মানিত বোধ করছি।’

শরীর নিয়ে ইতিবাচক প্রচারক ও মডেল হারনাম কাউর হরমোনজনিত সমস্যা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমে আক্রান্ত। এ কারণেই তাঁর শরীরের লোম, দাড়ি ও চুলের বৃদ্ধি বেশি। অনেক কম বয়সেই তার এই সমস্যা শুরু হয়। কয়েক বছর এ সমস্যা তিনি লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু মাসে তিনবার এগুলো পরিষ্কার করা তার জন্য কষ্টকর ছিল। তাই একটা সময় তিনি এই দাড়িতেই অভ্যস্ত হওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি শিখ ধর্মে দীক্ষা নেন। এ ধর্মে চুল দাড়ি কাটা নিষিদ্ধ। তাই তিনি আর কখনও দাড়ি কাটেননি।

নিজের মুখের এই দাড়ি নিয়ে যথেষ্টই সুখী হারনাম। বিভিন্ন সময় তাঁর প্রমাণও তিনি দিয়েছেন। এই দাড়ি নিয়েই বিভিন্ন সাজে মডেলিং করেছেন। দাড়িওয়ালা কোনো নারী হিসেবে ২০১৬ সালের মার্চে লন্ডন ফ্যাশন উইকে তিনিই প্রথমবার শিখদের পাগড়ি পরে রানওয়েতে হেঁটেছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হাঁটার উপকারিতা

হাঁটার উপকারিতা

কর্তৃক Daily Satkhira

সবচেয়ে সহজ ব্যায়াম হচ্ছে হাঁটা। হাঁটলে প্রাকৃতিকভাবে পাবেন সুস্থতা ও প্রাণবন্ত অনুভূতি। আরও রয়েছে শত উপকার।
নিম্নে হাঁটার কিছু উপকারিতা তুলে ধরা হলো।

সুস্থ হৃদপিণ্ড, সুন্দর জীবন

যারা নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করেন তাদের হার্টের অসুখ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। এছাড়া হাঁটার সময় শরীর থেকে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল এলডিআর কমে যায় ও ভালো কোলেস্টেরল এইচডিআর-এর মাত্রা বেড়ে যায়। এছাড়া শরীরের রক্তচলাচল স্বাভাবিক থাকে।

বাড়বে সুস্থতা

যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে ডাক্তারের পরামর্শে তারা নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করেন। এতে অবশ্য তারা উপকার পান। মজার কথা এতে টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও কমে যায়।

ওজন নিয়ন্ত্রণের অসাধারণ ব্যায়াম

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিভিন্ন রকম ব্যায়াম করতে দেখা যায়। যদি ওজন কমাতে চান, তবে প্রতিদিন ৬০০ ক্যালরি পুড়িয়ে ফেলতে হবে। যেটা একদিনের খাবার থেকে প্রাপ্ত ক্যালরির চেয়ে বেশি। যার ওজন ৬০ কেজি তিনি যদি প্রতিদিন ঘণ্টায় ২ মাইল গতিতে ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করেন, তবে ৭৫ ক্যালরি শক্তি ক্ষয় করতে পারেন। যদি ঘণ্টায় ৩ মাইল গতিতে হাঁটতে অভ্যস্ত হন তবে, ৯৯ ক্যালরি পুড়িয়ে ফেলতে পারেন। ঘন্টায় ৪ মাইল গতিতে হাঁটলে আরও বেশি ক্যালরি ক্ষয় করতে পারবেন। এতে ক্যালরি ক্ষয়ের পরিমাণ দাঁড়াবে ১৫০। হাঁটলে দেহের পেশীগুলো আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

স্মৃতিশক্তি বাড়ে

বয়স বাড়ার সঙ্গে সাধারণত মানুষের স্মৃতিশক্তি কমে যায়। ৬৫ বা এর বেশি বয়সীদের মধ্যে প্রতি ১৪ জনের মধ্যে ১ জনের স্মৃতিভ্রম হয়। আর ৮০ বা এর বেশি বয়সীদের ৬ জনের মধ্যে ১ জনের দেখা দেয় স্মৃতি হারানোর রোগ। নিয়মিত বিভিন্ন ব্যায়াম অনুশীলনে মস্তিষ্কে রক্তচলাচল বাড়ে। এতে স্মৃতিহানি হওয়ার ঝুঁকি ৪০ ভাগ পর্যন্ত কমে যায়। যুক্তরাজ্যে এক গবেষণায় দেখা গেছে, বয়স্কদের মধ্যে যারা সপ্তাহে অন্তত ৬ মাইল পথ হাঁটেন তাদের স্মৃতিশক্তি অটুট থাকে।

জয়েন্টে ব্যথার ঝুঁকি নেই

নিয়মিত হাঁটাচলা করলে শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যথার ঝুঁকি কমে যায়। সাধারণত বয়স বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নারীদের শরীরের বিভিন্ন হাড় ও সংযোগস্থলে ব্যথা করে। শরীরের জয়েন্টগুলোকে সুস্থ রাখতে হাঁটা নিঃসন্দেহে খুবই কার্যকর ব্যায়াম।

পায়ের শক্তি বাড়ায়
হাঁটলে শুধু পায়ের শক্তিই বাড়ে না পায়ের আঙুলেরও ব্যায়াম হয়। এছাড়া কোমর এবং শরীরের অন্যান্য অঙ্গ নড়াচড়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই সুস্থ থাকে।

বাড়ে পেশীশক্তি
হাঁটলে শুধু পা চলে না দুহাতও সমান তালে চলে। এতে হাতের প্রতিটি জয়েন্ট, ঘাড় ও কাঁধের ব্যায়াম হয়। ব্যাকপেইনের সমস্যা কমে যেতে পারে নিয়মিত ব্যয়ামের মাধ্যমে।

প্রাণবন্ত শরীর ও মন

সকালের প্রকৃতি এমনিতেই থাকে স্নিগ্ধ। এ সময় হাঁটার মজাই আলাদা। প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগের সময় মন স্বাভাবিকভাবেই ফুরফুরে থাকে, শরীর ও মন সতেজ হয়। শরীরের প্রতিটি জয়েন্টে অক্সিজেনের প্রাণপ্রবাহে মাংসপেশীগুলো শিথিল ও রিলাক্সড হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রভার সঙ্গে ‘অভিমান-খুনসুটি’ সজলের!

নাইস নূরের রচনা ও তপু খানের পরিচালনায় নির্মিত হয়েছে নাটক ‘অভিমান-খুনসুটি’। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন ছোট পর্দার দুই অভিনয় শিল্পী আবদুন নূর সজল ও সাদিয়া জাহান প্রভা।

নাটকের গল্পে দেখা যাবে, প্রভার একটি পোষা প্রাণী আছে। প্রাণীটার নাম নিমো। সজলের সঙ্গে প্রভার বিয়ের পরও নিমোকে নিয়েই ব্যস্ত থাকেন প্রভা। তাই সজলকে খুব একটা সময় দেন না তিনি। এই নিয়ে সজল-প্রভার মধ্যে শুরু হয় অভিমান খুনসুটি।

সজল-প্রভা ছাড়াও এ নাটকে অভিনয় করেছেন পাভেল ইসলাম ও শিশুশিল্পী সারগাম। সম্প্রতি নাটকটির দৃশ্যায়ন শেষ হয়েছে। খুব শিগগির ‘অভিমান খুনসুটি’ নাটকটি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে প্রচারতি হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ড্রিম গার্ল’ রূপে অধরা খান

অধরা খান। ঢালিউডের নবাগত নায়িকাদের একজন। পরিচালক শাহীন সুমনের ‘পাগলের মতো ভালোবাসি’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে পথ চলা শুরু অধরার। এবার আরও একটি নতুন ছবিতে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হলেন এ লাস্যময়ী। ইস্পাহানী আরিফ জাহানের নতুন ছবি ‘ড্রিম গার্ল’-এ অভিনয় করতে যাচ্ছেন এ অভিনেত্রী।

বর্তমানে ইস্পাহানী আরিফ জাহানের ‘নায়ক’ ছবির শ্যুটিং নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন অধরা। এছাড়া শাহীন সুমনের ‘মাতাল’ নামের ছবিতেও অভিনয় করছেন অধরা। ছবি দুটির শুটিং শেষের পথে। আর ‘পাগলের মতো ভালোবাসি’ ছবিটির শুটিং শেষ হয়ে এখন সম্পাদনার কাজ চলছে। খুব শিগগিরই ছবিগুলো মুক্তি পাবে।

‘ড্রিম গার্ল’ ছবিতে অভিনয় প্রসঙ্গে অধরা খান বলেন, ‘অদ্ভূত সুন্দর অনুভূতি। অনেক বড় একটা সারপ্রাইজ পেয়েছি ইস্পাহানি স্যারের কাছ থেকে। আমি কখনোই ভাবিনি যে, ওনার সঙ্গে একটি মুভির কাজ শেষ হওয়ার আগেই আরেকটি মুভিতে আমাকে কাস্ট করবেন। এটা আমার জন্য আনন্দের যে, এমন গুণী নির্মাতার ছবিতে কাজ করতে পারছি। ছবিটি ভালো হবে বলে আমার বিশ্বাস। তারা আমার উপরে যে আস্থা রেখেছেন তার প্রতিদান দিতে পারলেই আমি খুশি। চেষ্টা করব নিজের সেরাটা দিয়ে অভিনয় করার।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সকালে কাঁচা ছোলা খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা

কাঁচা ছোলার গুণ সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যপোযগী ছোলায় আমিষ প্রায় ১৮ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট প্রায় ৬৫ গ্রাম, ফ্যাট মাত্র ৫ গ্রাম, ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ‘এ’ প্রায় ১৯২ মাইক্রোগ্রাম এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-১ ও বি-২ আছে।

এছাড়াও ছোলায় বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন, খনিজ লবণ, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে আরও অনেক উপকার। উচ্চমাত্রার প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার ছোলা। কাঁচা, সেদ্ধ বা তরকারি রান্না করেও খাওয়া যায়। কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে, খোসা ছাড়িয়ে, কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে একই সঙ্গে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিক যাবে। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায়। আর অ্যান্টিবায়োটিক যেকোনো অসুখের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। ছোলার কিছু চমকপ্রদ গুণাগুণ হল-

ডাল হিসেবে : ছোলা পুষ্টিকর একটি ডাল। এটি মলিবেডনাম এবং ম্যাঙ্গানিজ এর চমৎকার উৎস। ছোলাতে প্রচুর পরিমাণে ফলেট এবং খাদ্য আঁশ আছে সেই সাথে আছে আমিষ, ট্রিপট্যোফান, কপার, ফসফরাস এবং আয়রণ।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে : অস্ট্রেলিয়ান গবেষকরা দেখিয়েছেন যে খাবারে ছোলা যুক্ত করলে টোটাল কোলেস্টেরল এবং খারাপ কোলেস্টেরল এর পরিমাণ কমে যায়। ছোলাতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের খাদ্য আঁশ আছে যা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। আঁশ, পটাসিয়াম, ভিটামিন ‘সি’ এবং ভিটামিন বি-৬ হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়। এর ডাল আঁশসমৃদ্ধ যা রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন ৪০৬৯ মিলিগ্রাম ছোলা খায়, হৃদরোগ থেকে তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি ৪৯ শতাংশ কমে যায়।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে : আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখানো হয় যে, যে সকল অল্পবয়সী নারীরা বেশি পরিমাণে ফলিক এসিডযুক্ত খাবার খান তাদের হাইপারটেনশন এর প্রবণতা কমে যায়। যেহেতু ছোলায় বেশ ভাল পরিমাণ ফলিক এসিড থাকে সেহেতু ছোলা খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। এছাড়া ছোলা বয়সসন্ধি পরবর্তীকালে মেয়েদের হার্ট ভাল রাখতেও সাহায্য করে।

রক্ত চলাচল : অপর এক গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা প্রতিদিন ১/২ কাপ ছোলা, শিম এবং মটর খায় তাদের পায়ের আর্টারিতে রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। তাছাড়া ছোলায় অবস্থিত আইসোফ্লাভন ইস্কেমিক স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আর্টারির কার্যক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয় ।

ক্যান্সার রোধে : কোরিয়ান গবেষকরা তাদের গবেষণায় প্রমাণ করেছেন যে বেশি পরিমাণ ফলিক এসিড খাবারের সাথে গ্রহণের মাধ্যমে নারীরা কোলন ক্যান্সার এবং রেক্টাল ক্যান্সার এর ঝুঁকি থেকে নিজিদেরকে মুক্ত রাখতে পারেন। এছাড়া ফলিক এসিড রক্তের অ্যালার্জির পরিমাণ কমিয়ে এ্যজমার প্রকোপও কমিয়ে দেয়। আর তাই নিয়মিত ছোলা খান এবং সুস্থ থাকুন।

রমজানে : রমজান মাসে ইফতারের সময় জনপ্রিয় খাবার হলো ছোলা। আমাদের দেশে ছোলার ডাল নানাভাবে খাওয়া হয়। দেহকে করে দৃঢ়, শক্তিশালী, হাড়কে করে মজবুত, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য এর ভূমিকা অপরিহার্য। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম।

কোলেস্টেরল : ছোলা শরীরের অপ্রয়োজনীয় কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়। ছোলার ফ্যাট বা তেলের বেশির ভাগ পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট ছাড়া ছোলায় আরও আছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ লবণ।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে : ছোলায় খাদ্য-আঁশও আছে বেশ। এ আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য সারায়। খাবারের আঁশ হজম হয় না। এভাবেই খাদ্যনালী অতিক্রম করতে থাকে। তাই পায়খানার পরিমাণ বাড়ে এবং পায়খানা নরম থাকে।

ডায়াবেটিসে উপকারী : ১০০ গ্রাম ছোলায় আছে: প্রায় ১৭ গ্রাম আমিষ বা প্রোটিন, ৬৪ গ্রাম শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট এবং ৫ গ্রাম ফ্যাট বা তেল। ছোলার শর্করা বা কার্বোহাইডেটের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। তাই ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ছোলার শর্করা ভাল। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় ক্যালসিয়াম আছে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম, লৌহ ১০ মিলিগ্রাম, ও ভিটামিন এ ১৯০ মাইক্রোগ্রাম। এছাড়া আছে ভিটামিন বি-১, বি-২, ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়াম। এর সবই শরীরের উপকারে আসে।

রক্তের চর্বি কমায় : ছোলার ফ্যাটের বেশিরভাগই পলি আনস্যাচুয়েটেড। এই ফ্যাট শরীরের জন্য মোটেই ক্ষতিকর নয়, বরং রক্তের চর্বি কমায়।

অস্থির ভাব দূর করে : ছোলায় শর্করার গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের পরিমাণ কম থাকায় শরীরে প্রবেশ করার পর অস্থির ভাব দূর হয়।

রোগ প্রতিরোধ করে : কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিকের চাহিদা পূরণ হয়। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায় এবং অ্যান্টিবায়োটিক যে কোনো অসুখের জন্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

জ্বালাপোড়া দূর করে : সালফার নামক খাদ্য উপাদান থাকে এই ছোলাতে। সালফার মাথা গরম হয়ে যাওয়া, হাত-পায়ের তলায় জ্বালাপোড়া কমায়।

মেরুদণ্ডের ব্যথা দূর করে : এছাড়াও এতে ভিটামিন ‘বি’ও আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। ভিটামিন ‘বি’ মেরুদণ্ডের ব্যথা, স্নায়ুর দুর্বলতা কমায়। ছোলা অত্যন্ত পুষ্টিকর। এটি আমিষের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস। এতে আমিষ মাংস বা মাছের পরিমাণের প্রায় সমান। তাই খাদ্যতালিকায় ছোলা থাকলে মাছ মাংসের প্রয়োজন পরে না। ত্বকে আনে মসৃণতা। কাঁচা ছোলা ভীষণ উপকারী। তবে ছোলার ডালের তৈরি ভাজা-পোড়া খাবার যত কম খাওয়া যায় ততই ভালো। তাই হজমশক্তি বুঝে ছোলা হোক পরিবারের শক্তি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ

আজ মঙ্গলবার ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অনন্য এক দিন। ১৯৭১ সালের এদিন মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার (বর্তমানে জেলা) বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথগ্রহণ করে। পরে এই বৈদ্যনাথতলাকেই মুজিবনগর হিসেবে নামকরণ করা হয়।

এর আগে ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র রূপে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা ঘোষণা করা হয়। ঘোষণাপত্রে ২৬ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণাকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন ও অনুমোদন করা হয়।

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিবসটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তার বাণীতে দেশবাসীকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ গঠনে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘মুজিবনগর সরকার গঠনের মাধ্যমে একটি সাংবিধানিক সরকার আত্মপ্রকাশ করে। এই সরকার গঠনের ফলে বিশ্ববাসী স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র সংগ্রামরত বাঙালিদের প্রতি সমর্থন ও সহযোগিতার হাত প্রসারিত করে। জনমত সৃষ্টি, শরণার্থীদের ব্যবস্থাপনা ও যুদ্ধের রণকৌশল নির্ধারণে মুজিবনগর সরকার যে ভূমিকা পালন করেছে, তা বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক অনন্য গৌরবগাথার স্বাক্ষর হয়ে থাকবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, ‘বর্তমান সরকার মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে রোল মডেল। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করেছে। এ স্বীকৃতি বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে।’

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল শপথ নেওয়া এই মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তবে পাকিস্তানে কারাগারে বন্দি বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাজউদ্দীন আহমদ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

অস্থায়ী সরকারের সফল নেতৃত্বে ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং দেশে-বিদেশে এই যুদ্ধের পক্ষে জনমত গড়ে তোলা ও সমর্থন আদায় করার ক্ষেত্রে এই সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই সরকার গঠনের পর থেকে অগণিত মানুষ দেশকে হানাদার মুক্ত করতে সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ‘জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’ গঠন করেছে। আজ সোমবার আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হোসেন তওফিক ইমাম কো-চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সদস্য সচিব মনোনীত হয়েছেন।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যরা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest