সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় সচেতনতামূলক র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধনদেশব্যাপি সংখ্যালঘুদের উপর হামলা- নির্যাতনের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরাসহ খুলনা বিভাগের ২৫ টি সিট হাইজ্যাক করা হয়েছে– সাবেক এমপি হাবিবসাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের সম্মানে ছাত্রশিবিরের ইফতারInsider Bonus Secrets at Sweety Win for Seasonal Celebrationsবাগেরহাটে নৌবাহিনীর বাস ও মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর ও নববধূসহ প্রাণ গেল ১৪ জনেরসখিপুর হাসপাতালে অনিয়মের অভিযোগ: রোগীদের পচা খাবার- সময়মতো মিলছে না খাবারসাতক্ষীরা জেলা মানবাধিকার সুরক্ষা কমিটির ত্রৈমাসিক সভাসাতক্ষীরায় কর্মের প্রতিশ্রুতি: বাংলাদেশে সরাসরি তহবিল এবং ঝুঁকি ভাগাভাগি এগিয়ে নেওয়া শীর্ষক সেমিনারশ্যামনগরে স্থানীয় অভিযোজন মেলা ও জলবায়ু সংলাপ

কবি ও সাংবাদিক বেলাল চৌধুরী আর নেই

দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কবি বেলাল চৌধুরী মারা গেছেন।

রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের চিকিৎসকরা মঙ্গলবার দুপুরে তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান কবির বড় ছেলে আব্দুল্লাহ প্রতীক ইউসুফ চৌধুরী।

কিডনি জটিলতা, রক্তশূন্যতা ও থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে গত চার মাস ধরে ওই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ৮০ বছর বয়সী বেলাল চৌধুরী। অধ্যাপক ফিরোজ আহমেদ কোরেশীর তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছিল।

গত ১৯ এপ্রিল রাতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। পরদিন তাকে নেওয়া হয় লাইফ সাপোর্টে। সব আশা নিভে যাওয়ায় মঙ্গলবার বেলা ১২টা ১ মিনিটে লাইফ সাপোর্ট খুলে নেন চিকিৎসকরা।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বেলাল চৌধুরী ২০১৪ সালের ৯ মে কলকাতা সাহিত্য আকাদেমির এক অনু্ষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন।

তখন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান, তার কিডনিতে সমস্যা হয়েছে। মূত্রনালির ইনফেকশন থেকে জীবাণু সংক্রমণ ছড়িয়েছে রক্তেও। এছাড়া উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের সমস্যাও ছিল তার।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস জানান, হাসপাতাল থেকে কবির মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে তার পল্টনের বাসায়। সেখানে গোসল শেষে মরদেহ রাখা হবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেলের হিমঘরে।

বুধবার বেলা ১১ থেকে ১২টা পর্যন্ত কবির কফিন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হবে সর্বস্তরের জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা শেষে তাকে তার গ্রামের বাড়ি ফেনীর শর্শদিতে দাফন করা হবে।

একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক ও সাংবাদিক বেলাল চৌধুরীর জন্ম ১৯৩৮ সালে ১২ নভেম্বর, ফেনীতে। নয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়।

ছাত্র অবস্থায় বেলাল জড়িয়ে পড়েন বাম ধারার রাজনীতিতে, ১৯৫২ সালে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে যোগ দিয়ে কারাগারেও যান।

ষাট ও সত্তরের দশকে কয়েক বছর কলকাতায় বসবাসের সময় সাহিত্য পত্রিকা কৃত্তিবাস সম্পাদনায় যুক্ত হন কবি। পরে পল্লীবার্তা, সচিত্র সন্ধানী ও ভারত বিচিত্রা পত্রিকার সম্পাদনায় যুক্ত হন।

কবিতা, গদ্য, অনুবাদ, সম্পাদনা, শিশুসাহিত্য মিলিয়ে বেলাল চৌধুরীল গ্রন্থ সংখ্যা পঞ্চাশের বেশি। ‘বল্লাল সেন’, ‘ময়ূর বাহন’, ‘সবু্ক্তগীন’ ছদ্মনামেও তিনি লিখেছেন।

তার কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে ‘নিষাদ প্রদেশে’, ‘আত্মপ্রতিকৃতি’, ‘স্থির জীবন ও নিসর্গ’, ‘জলবিষুবের পূর্ণিমা’, ‘সেলাই করা ছায়া’, ‘কবিতার কমলবনে’, ‘বত্রিশ নম্বর’, ‘যে ধ্বনি চৈত্রে শিমুলে’, ‘বিদায়ী চুমুক’ উল্লখযোগ্য।

এছাড়া তার কথাসাহিত্য, প্রবন্ধ ও গবেষণা গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- ‘স্ফুলিঙ্গ থেকে দাবানল’, ‘ডুমুরপাতার আবরণ’, ‘চেতনার রঙ চন্দ্রশিলা’ এবং ‘লাকসাম দাদা ও অন্যান্য গল্প’।

‘কাগজে কলমে’, ‘মিশ্রচিত্রপট’, ‘নিরুদ্দেশ হাওয়ায় হাওয়ায়’, ‘জীবনের আশ্চর্য ফাল্গুন’, ‘নবরাগে নব আনন্দে’, ‘সুন্দরবন, সোঁদরবন ও রবীন্দ্রনাথ’, ‘মুহূর্তভাষ্য’ ইত্যাদি তার গদ্যনির্ভর গ্রন্থ।

শিশু-কিশোরদের জন্য বেলাল চৌধুরী লিখে গেছেন, ‘সাড়ে বত্রিশ ভাজা’, ‘সপ্তরত্নের কাণ্ডকারখানা’, ‘সবুজ ভাষার ছড়া’।

নিজে লেখার পাশাপাশি হোর্হে লুই বোর্হেস, পাবালো নেরুদা, ডিলান টমাস, অক্তাবিও পাসের মতো কবিদের লেখা তর্জমা করেছেন বেলাল চৌধুরী; সম্পাদনা করেছেন বেশ কিছু স্মারকগ্রন্থ।

তার সম্পাদিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে- ‘জলের মধ্যে চাঁদ ও অন্যান্য জাপানি গল্প’, ‘বিশ্বনাগরিক গ্যেটে’, ‘পাবলো নেরুদা-শতবর্ষের শ্রদ্ধাঞ্জলি’, ‘শামসুর রাহমান সংবর্ধনাগ্রন্থ’, ‘পদাবলী কবিতা সংকলন’ ও ‘কবিতায় বঙ্গবন্ধু’।

বেলাল চৌধুরী কলকাতা থেকে ১৯৭৪ সালে দেশে ফিরে আসেন, যোগ দেন প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনে। সে সময়ে জাতীয় কবিতা পরিষদ ও পদাবলী কবিতা সংগঠন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৪ সালে একুশে পদক পান কবি বেলাল চৌধুরী; পেয়েছেন বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, নীহাররঞ্জন স্বর্ণপদক, জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কারসহ নানা সম্মাননা।

এক মেয়ে সাফিয়া আক্তার চৌধুরী মৌরী এবং দুই ছেলে আব্দুল্লাহ প্রতীক ইউসুফ চৌধুরী ও আব্দুল্লাহ নাসিফ চৌধুরী পাবলোকে রেখে গেছেন বেলাল চৌধুরী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মানবতাবিরোধী অপরাধে এনএসআই’র সাবেক ডিজি গ্রেফতার

মহান মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে এনএসআই’র সাবেক ডিজি মো. ওয়াহিদুল হককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার গুলশানের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বিএনপি সরকারের আস্থাভাজন এই কর্মকর্তা এনআইএর ডিজি হওয়ার আগে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ডিজি ও বাংলাদেশ পুলিশ এর ডিআইজি ছিলেন।

ওয়াহিদুল হকের ২৮ মার্চ ১৯৭১ সালে রংপুর ক্যান্টনমেন্টে ৫/৬ মানুষকে মেশিনগানে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই মো. ওয়াহিদুল হককে গ্রেফতার করা হলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার আশাশুনিতে কালবৈশাখী ঝড়ে নিহত-১

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার আশাশুনিতে কালবৈশাখী ঝড়ে দেয়াল চাপা পড়ে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। এসময় বিপুল সংখ্যক কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বাঁধ ধসে কয়েকটি মাছের ঘেরও লন্ডভন্ড হয়ে গেছে।
সোমবার রাতে রাত দশটার দিকে বয়ে যাওয়া কয়েক মিনিটের এই ঝড়ের পরপরই আশাশুনি উপজেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
নিহত বৃদ্ধার নাম রিজিয়া খাতুন (৬০)। তিনি শ্রীউলা ইউনিয়নের বকচর গ্রামের বসির আহমেদের স্ত্রী।
আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাগফুরা তাসমিন একজন নিহত হবার কথা স্বীকার করে বলেন, আকস্মিক ঝড়ে কয়েকটি গ্রামের বেশ কিছু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত এই সংখ্যা নিরুপন করা যায়নি। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা সাকিল জানান ঝড়ে তার ইউনিয়নের মাড়িয়ালা, শ্রীউলা, বকচর, লাঙ্গলদাঁড়িয়া, কলিমাখালি, রাধার আঁটি, গাজিপুর , মহিষকুড় ও পুঁইজালা গ্রামের বিপুল সংখ্যক বাড়িঘর কম বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এ সময় বাঁধ ধসে বেশ কয়েকটি মাছের ঘেরের ক্ষতি হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় প্রয়োজন আসাদুজ্জামানের নূরের মত সংসদ সদস্য

অনলাইন ডেস্ক: আসাদুজ্জামান নূর। সারাদেশের মানুষের প্রিয় অভিনেতা ‘বাকের ভাই’। টিভি নাটকে তার ফাঁসি যেন না হয় সেই দাবিতে রাজপথে মিছিলও হয়েছে। সেই তিনি যখন নিজ এলাকার এমপি হলেন তখনও তার জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। অসাধারণ সততা, মানুষের প্রতি কর্তব্যনিষ্ঠা আর সস্তা ভণ্ডামিমুক্ত- তিনি একজন অনন্য সংসদ সদস্য। সাতক্ষীরার মানুষও আসাদুজ্জামান নূরের মত সংসদ সদস্য চান, যাকে নিয়ে তারা গর্ব করতে পারবেন। যার সততার কথা সারাদেশের মানুষ চর্চা করবে। শুধু সাতক্ষীরা কেন, সারাদেশেই এমন সংসদ সদস্য প্রয়োজন যাকে নিয়ে তার নিজ এলাকার মানুষ গর্ব করবে। দেশবাসী যার সুনাম করবে।

কেমন সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর? দেশের একটি জনপ্রিয় গণমাধ্যমে আসাদুজ্জামান নূরের নির্বাচনী এলাকায় তার জনপ্রিয়তা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। আসুন জেনে নেয়া যাক সেখানে তাকে নিয়ে কি লেখা হয়েছে-

এলাকার মানুষের মাঝে ক্লিন ইমেজ ধরে রেখেছেন নীলফামারী-২(সদর) আসনের টানা তিন বারের সংসদ সদস্য(এমপি) সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। সততা, কথা দিয়ে কথা রক্ষা করা এবং কাউকে মিথ্যা আশ্বাস না দেওয়া এলাকার মানুষের কাছে তার প্রধান গুণ বলে বিবেচিত।
নীলফামারী সদর নির্বাচনী এলাকায় ঘুরে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনবারের এমপি এবং বর্তমান সরকারের মন্ত্রী হওয়ার পর তিনি এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়ন করেছেন এবং করে যাচ্ছেন। এলাকার রাস্তা-ঘাট, স্কুল-কলেজের তিনি উন্নয়ন করেছেন। নীলফামারীতে স্পেশাল ইকোনোমিক জোনের কাজ চলছে। এখানে প্রায় সাড়ে চারশ’ একর জমির উপর নির্মিত এই জোনের কাজ শেষ হলে একলাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে।
এলাকাবাসী জানান, এই স্পেশাল ইকোনোমিক জোন প্রতিষ্ঠায় আসাদুজ্জামান নূরের অবদান রয়েছে। নীলফামারীতে রয়েছে রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকা (ইপিজেড)। এখানে প্রায় অর্ধলাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। এই ইপিজেড স্থাপনেও আসাদুজ্জামান নূরের ভূমিকা ছিল।
উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার সঙ্গে নীলফামারীর যোগাযোগ সুবিধার জন্য রিং রোডের দাবি রয়েছে এলাকাবাসীর মধ্যে। এ দাবি বাস্তবায়নে এমপি নূরের সুদৃষ্টি আছে বলেও এলাকাবাসী জানান।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা আরো জানা যায়, এলাকার উন্নয়ন, মানুষের বিভিন্ন সমস্যা, কর্মসংস্থান, চাকরির ক্ষেত্রে তিনি সাধ্যমত চেষ্টা করেন। তার বিরুদ্ধে কোন দুর্নীতি বা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এলাকায় নেই।
নিয়োগ বাণিজ্য বা টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগও কেউ তুলতে পারবে না। চাকরি বা সমস্যা নিয়ে এলাকার মানুষ তার কাছে গেলে তিনি কাউকে মিথ্যা আশ্বাস দেন না। যেটা তিনি পারবেন সেটা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন এবং তা বাস্তবায়ন করেন। যেটা তিনি পারবেন না সেটা আগে থেকেই না করে দেন। কেউ অর্থের বিনিময়ে কোন কাজ করে দেওয়ার বা অন্যায় আবদার নিয়ে তার কাছে আসতে পারেন না বলেও এলাকাবাসী জানান। এ কারণে বলতে গেলে নীলফামারীর সর্বস্তরের মানুষ তাকে সম্মান করে। এলাকায় তিনি গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত।
তিনি নিয়মিত এলাকায় যোগাযোগ রাখেন, আসেন। মন্ত্রী হওয়ার পরও আসাদুজ্জামান নূর প্রতিমাসে চার থেকে পাঁচ বার এলাকায় আসেন বলে জানা গেছে। এসময় এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ দলীয় কর্মসূচিসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন।
এদিকে নীলফামারী সদর আসনে আসাদুজ্জামান নূর এমপি হওয়ার কারণে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব বা হানাহানি নেই। অন্য রাজনৈতিক দলও শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কার্যক্রম চালাতে পারে বলে জানায় এলাকাবাসী।
স্থানীয় আওয়ামী লীগের মধ্যেও প্রকাশ্য কোন গ্রুপিং নেই।
জানা যায়, আওয়ামী লীগের জেলা সভাপতি ও পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ এবং সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল হকের মধ্যে এক সময় দ্বন্দ্ব ছিলো। আসাদুজ্জামান নূরের চেষ্টায় সেই দ্বন্দ্ব এখন নেই।
গতমাসে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের যে বিশেষ বর্ধিত সভা হয়, সেই সভার পর ওই দ্বন্দ্বের অবসান হয়েছে।
নীলফামারী বাজারে কথা হয় এখানকার বাসিন্দা মনিরের সঙ্গে। তিনি বলেন, আসাদুজ্জামান নূর এমপি থাকার কারণে এখানে রাজনৈতিক হানাহানি বা কোন মারামারি নেই। তার বিরুদ্ধে কোন দুর্নীতির অভিযোগ নেই। মানুষকে তিনি মিথ্যা আশ্বাস দেন না। যেটা পারেন সেটাই করেন। এলাকার উন্নয়নে তিনি অবদান রেখে যাচ্ছেন। এলাকার সঙ্গেও তার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে।
নীলফামারী বাজারের ব্যবসায়ী সেলিম উদ্দিন বলেন, আসাদুজ্জামান নূর ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত। এলাকার জন্য তিনি যথেষ্ট কাজ করে যাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে কোন দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ নাই। আগে তিনি যখন শুধু এমপি ছিলেন তখনও তার সর্ম্পকে যা শুনেছি, মন্ত্রী হওয়ার পরও তাই শুনছি।
নীলফামারীর প্রবীণ সাংবাদিক আবু মুসা বলেন, আসাদুজ্জামান নূর এখানকার উন্নয়নে যথেষ্ট অবদান রেখেছেন। স্পেশাল ইকোনোমিক জোন হচ্ছে, এর পেছনে তার যথেষ্ট ভূমিকা আছে। ইপিজেড স্থাপনেও তিনি ভূমিকা রেখেছিলেন। তার বিরুদ্ধে এলাকার মানুষ অনিয়মের অভিযোগ তুলতে পারবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চীনে অগ্নিকাণ্ডে ১৮ জনের মৃত্যু

দক্ষিণ চীনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার রাত ১ টা নাগাদ গুয়াংদং প্রদেশের কিনগিউআন শহরের একটি তিন তলা ভবনে আগুন লাগে।

কিনগিউআন পাবলিক সিকিওরিটি ডিপার্টমেন্ট বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সব দেশের জন্যই বিপজ্জনক: ফিলিস্তিন

ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ আল মালিকি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সব দেশের জন্যই বিপজ্জনক। মার্কিন প্রশাসন ফিলিস্তিনিদের সঙ্গেও শত্রুতা করছে। সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক প্রতিবেদনে ফিলিস্তিনের পশ্চিমতীরকে ইসরাইলের অধিকৃত ভূখণ্ড হিসেবে উল্লেখ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি এ কথা বলেন।

ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, মার্কিন এ সিদ্ধান্ত কখনো বাস্তবতাকে উল্টে দিতে পারবে না। ইসরাইলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড ডি ফ্রেডম্যান পশ্চিমতীরকে অধিকৃত ভূখণ্ড হিসেবে অভিহিত না করে দখলদারদের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন। ইসরাইল কর্তৃক উপশহর নির্মাণকে সমর্থন করেছেন। তার এসব বক্তব্য প্রমাণ করে যুক্তরাষ্ট্র তার গ্রহণযোগ্যতা পুরোপুরি নষ্ট করে ফেলেছে।

রিয়াদ আল মালিকি বলেন, বর্ণবাদী ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে সমঝোতা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে এলেও সবসময় ইসরাইলের স্বার্থরক্ষাকে প্রাধান্য দিয়েছে। তবে মার্কিন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিরা প্রতিক্রিয়া দেখাবে এবং শত্রুরা হতভম্ব হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মা হচ্ছেন সানিয়া মির্জা

মা হচ্ছেন সানিয়া মির্জা

কর্তৃক Daily Satkhira

পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব মালিক ও ভারতীয় টেনিস সুন্দরী সানিয়া মির্জার রোমান্স নিয়ে বেশ কানাঘুষা চলে। তবে পাক-ভারত বৈরীর কারণে তেমন জোরালো আলোচনা হয়নি। এরই মধ্যে ২০০৯ সালে শোয়েব মালিকের সঙ্গে বাগদান হয় সানিয়ার। পরের বছর অর্থাৎ ২০১০ হায়দরাবাদে জাঁকজমকপূর্ণভাবে পাকিস্তানি রীতি মেনে সানিয়াকে বিয়ে করেন শোয়েব।

এরপর দুবাইয়ে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট নিয়ে সংসার পাতেন পাক-ভারতের জনপ্রিয় দুই তারকা। এবার তাদের ছোট সংসারে আগমন ঘটতে যাচ্ছে নতুন মুখ। মা হতে চলেছেন ভারতীয় টেনিস সুন্দরী সানিয়া মির্জা! গত সোমবার টুইটারে তেমনই ইঙ্গিত দিলেন সানিয়া। টুইটারে তিনি লিখেছেন, “#BabyMirzaMalik”। সেখানে শোয়েব মালিকও লিখেছেন, “#MirzaMalik”। পাক-ভারত দম্পতির এই পোস্ট রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায়। সানিয়া-শোয়েবকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তার বন্ধু এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

গত মাসে এক অনুষ্ঠানেও সাংবাদিকরা বাচ্চার ব্যাপারে সানিয়াকে প্রশ্ন করেন। জবাবে ভারতীয় টেনিস তারকা জানিয়েছিলেন, ‘তার মেয়ে পছন্দ।’ এবং এটাও জানিয়েছেন তাদের সন্তান শোয়েব ও তাঁর দু’জনেরই পদবি (মির্জা-মালিক) ব্যবহার করবে। আশা করা হচ্ছে, আগামী অক্টোবরেই নিজেদের প্রথম সন্তানের মুখ দেখবেন সানিয়া-শোয়েব।

হাঁটুর চোটের জন্য গত অক্টোবর থেকে কোর্টের বাইরে আছেন সানিয়া। ফলে ডাবলসে এক নম্বর জায়গা হারান ৩১ বছর বয়সী এই টেনিস সুন্দরী। ভারতীয় এই তারকা ক্যারিয়ারে তিনটি ডাবল গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয় করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তারেককে ফিরতেই হবে- প্রধানমন্ত্রী
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে দেশে ফিরতেই হবে। এ ব্যাপারে যুক্তরাজ্য সরকারের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। সোমবার গণভবনে দলের নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সাহাবুদ্দিন ফরাজী এ সময় শেখ হাসিনাকে বলেন, ‘বিএনপির এক আইনজীবী তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসলে জাতির পিতার নাম পাল্টে ফেলবে।’ জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘২১ বছর বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু পারেনি। বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ বাজাতে দেয়নি। আজকে এই ভাষণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে।’ এ সময় দলের নেতাদের লেখালেখির মাধ্যমে অপপ্রচারের জবাব দিতে নির্দেশ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ফলে এখন সবাই এক ধরনের সাংবাদিক।’
শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়া নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ড. আবদুর রাজ্জাক, অসীম কুমার উকিল, ফরিদুন্নাহার লাইলী, শামসুন্নাহার চাঁপা, দেলোয়ার হোসেন, মারুফা আক্তার পপি, ইকবাল হোসেন অপু প্রমুখ।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest