সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া গুজব BFF

অনলাইন ডেস্ক: সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে একটি বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে। প্রথমে ইংরেজিতে ছড়ানো বার্তাটি হচ্ছে এরকম– “Mark Zuckerberg, CEO of Facebook, invented the word BFF. To make sure your account is safe on Facebook, type BFF in a comment. If it appears green, your account is protected.
If it does not appear in green, change your password immediately because it may be hacked by someone.
Lets do it try it !!!”

একই কথাগুলোকে বাংলায় অনেকে লিখছেন এভাবে- আপনি ইংরেজী বড় হরফে BFF টাইপ করুন। আপনার ফেসবুক যদি হ্যাক না হয়, তাহলে BFF সবুজ রংয়ের হয়ে যাবে । যাদের BFF লেখাটি সবুজ হচ্ছেনা, তারা অতি শিগ্রই পাসওয়ার্ড বদলে ফেলুন।
আর BFF লেখাটিতে আঙ্গুলের হালকা চাপ লাগালে তা’ দু’টো হাতের তালু বাঁকিয়ে বাঁকিয়ে অনেকটা সাপের মতো হয়ে উপরের দিকে উঠে যায় কিনা তা’ও পরীক্ষা করে দেখুন করে দেখে নিতে পারেন।

আবার বাংলায় টাইপ করে স্ক্রিনশটের সাথে লেখা হচ্ছে- কমেন্ট এ লিখো BFF… যদি তোমার লেখাটি সবুজ হয়ে যায় এবং ছবিতে দেখানো দুই হাতের তালি ওঠে তাহলে বুঝবা তোমার একাউন্ট সেফ,,, আর যদি তা না হয় তাহলে সাথে সাথে পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করে ফেলবা। আর হ্যা এটা কোনো ফানি পোস্ট নয়। প্রমাণিত।

বাস্তবে এই বার্তাটি গুজব। BFF লেখার সাথে ফেসবুক আইডি হ্যাক হওয়া বা পাসওয়ার্ড চুরি হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গের ছবি ব্যবহার করে অনেকে বার্তাটি ছড়ালেও জাকারবার্গ বা ফেসবুকের পক্ষ থেকে এমন কোনো বার্তা কোথাও প্রকাশ করা হয়নি।

মূল বিষয়টি হচ্ছে, ফেসবুক বিভিন্ন ভাষায় নির্দিষ্ট কিছু শব্দ বা শব্দ সংক্ষেপকে (Keyword) বিশেষ মর্যাদা দিয়ে থাকে, এবং ওই শব্দগুলো ফেসবুকের কোনো পোস্ট বা কমেন্টে টাইপ করলে একেক শব্দের জন্য একেক ধরনের ‘এনিমেশন’ দেখানো হয়।

congratulations বা congrats এবং বাংলায় ‘অভিনন্দন’ ‘শুভেচ্ছা’ ‘শুভ কামনা’ ইত্যাদি শব্দের কথা। এই ইতিবাচক শব্দগুলো ফেসবুকে কোথাও টাইপ করে পোস্ট করলে সাথে সাথে নির্দিষ্ট ধরনের ‘এনিমেশন’ ভেসে ওঠে মোবাইল বা কম্পিউটারের স্ক্রিনে। আবার অন্য কেউ সেগুলোর উপর ক্লিক করলেও ‘এনিমেশন দেখায়। বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কিত হবার কিছু নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাফল্য ধরে রাখুন, দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের গ্রাজুয়েশন প্রাপ্তিকে জনগণের অর্জন উল্লেখ করে এই উন্নয়ন সাফল্যকে ধরে রাখার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই অর্জন যারা বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজ করেছেন তাদের সবারই এবং বাংলাদেশের জনগণের অর্জন। কাজেই আমি মনে করি, বাংলাদেশের জনগণই হচ্ছে মূল শক্তি। তাদেরকে আমি অভিনন্দন জানাই। আর এই জনগণই পারে সব রকম অর্জন করতে।’ তিনি বলেন, ‘এই অগ্রযাত্রাকে আমাদের ধরে রাখতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই জনগণের উদ্দেশেই জাতির পিতা বলে গেছেন- বাংলাদেশের মানুষকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবা না। দাবায়ে যে রাখতে পারবে না সেটাই আজকে প্রমাণ হয়েছে।’

শেখ হাসিনা আজ বৃহস্পতিবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের উত্তোরণে তাঁকে দেওয়া সংবর্ধনা এবং এই উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।

অ্যাডহক ভিত্তিতে পরিকল্পনা না নিয়ে পাঁচ বছর মেয়াদি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং ১০ বছর মেয়াদি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গ্রহণ করে তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণেই বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে গ্রাজুয়েশন হয়েছে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা সরকারের থেকে পথ প্রদর্শক হিসেবে কাজ করেছি। কিন্তু যারা কাজ করেছে আমার কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষ থেকে শুরু করে আমাদের পেশাজীবী, ব্যবসায়ী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিরা প্রত্যেকে অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে তাঁরা কাজ করেছে।

‘যারা কাজ করেন তাঁরা কিন্তু সরকারের মনভাবটা বুঝতে পারেন। আর সেটা বুঝেই তাঁরা কাজ করেন। এটা হচ্ছে বাস্তবতা। কাজেই সরকার যখন আন্তরিকতার সঙ্গে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে তখন তাঁরাও অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে বলেই আজকে আমাদের প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২৮ ভাগে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছি। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছি।’

সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের অর্থনীতিতে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো আমরা আর পরমুখাপেক্ষী নেই। শতকরা ৯০ ভাগ নিজেদের অর্থায়নে আমরা বাজেট করতে পারি। যে বাজেট অতীতের থেকে চারগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) আয়োজনে অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত সভাপতিত্ব করেন। জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ফজিতা ম্যানুয়েল কাতুয়া ইউতাউ কমন বক্তৃতা করেন। এউএনডিপি অ্যাডমিনিষ্ট্রেটর আসীম স্টেইনারের একটি লিখিত বার্তাও অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হয়। ইআরডি সচিব কাজী শফিকুল আজম স্বাগত বক্তৃতা করেন।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশ থেকে উত্তোরণের সুপারিশপত্রের রেপ্লিকা প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী একটি স্মারক ডাকটিকেট অবমুক্ত করেন। এ সময় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার এবং ডাক বিভাগের মহাপরিচালক সুশান্ত কুমার মণ্ডল উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী এরপর একটি ৭০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট অবমুক্ত করেন। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তরানা হালিম, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুল মালেক এবং প্রধান তথ্য কর্মকর্তা বেগম কামরুন্নাহার প্রধানমন্ত্রীর হাতে ৭০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির একটি ফটো অ্যালবাম তুলে দেন। এরপরই শুরু হয় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানোর পালা। সব শ্রেণি-পেশার মানুষের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হন প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ, জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য, জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা, ১৪ দল, সরকারি কর্মকর্তা, তিনবাহিনী প্রধান, পুলিশ বাহিনী, মুক্তিযোদ্ধা, আইনজীবী সমাজ, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী সমাজ, সাংবাদিক সমাজ, কবি ও সাহিত্যিক, শিল্পী সমাজ, পেশাজীবী সংগঠন, মহিলা সংগঠন, এনজিও প্রতিনিধি দল, ক্রীড়াবিদ, শিশু প্রতিনিধি দল (স্কাউট, গালর্স গাইড, বিএনসিসি), প্রতিবন্ধী প্রতিনিধি দল, শ্রমজীবী সংগঠন এবং মেধাবী তরুণ সমাজের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের গ্রাজুয়েশনে পৃথক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান জাতিসংঘের মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেজ, বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম, এডিবি প্রেসিডেন্ট তাকেহিকে নাকাও, ইউএসএআইডি অ্যাডমিনিষ্ট্রের মার্ক গ্রিন এবং জাইকার প্রেসিডেন্ট শিনিচি কিতাওকা।

এ ছাড়া দেশের খেটে খাওয়া মেহেনতি মানুষের পক্ষ থেকেও ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানো হয়।

জাতিসংঘের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক কাউন্সিলের উন্নয়ন নীতিমালাবিষয়ক কমিটি (কমিটি ফর ডেভলপমেন্ট পলিসি-সিডিপি) গত ১৫ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে তাদের ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনা সভায় এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের যোগ্যতা অর্জনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয় এবং পরের দিন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেনের কাছে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি হস্তান্তর করে।

গত বছরের অক্টোবরে ইউনাইটেড ন্যাশনস কনফারেন্স অন ট্রেড অ্যান্ড ডেভলপমেন্টের (ইউএনসিটিএডি) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জনের জন্য বাংলাদেশ এরই মধ্যে তিনটি শর্ত পূর্ণ করায় চলতি মার্চ মাসে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করবে।

এই তিনটি মানদণ্ড হচ্ছে মাথাপিছু জাতীয় আয় (জিএনআই), মানবসম্পদ সূচক, হিউম্যান অ্যাসেটস ইনডেস্ক (এইচএআই) এবং অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা, ইকোনমিক ভালনারেবিলিটি ইনডেস্ক (ইভিআই)।

জাতিসংঘের এই মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় (জিএনআই) হবে এক হাজার ২৩০ ডলার অথবা আরও বেশি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের শেষে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৬১০ ডলার।

এই উত্তরণে একটি দেশের এইচএআই সূচক অবশ্যই ৬৬ অথবা বেশি এবং ইভিআই ৩২ অথবা নিচে থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সূচক যথাক্রমে ৭২ দশমিক ৯ এবং ২৪ দশমিক ৮।

এই তিনটি মানদণ্ডের মধ্যে দুটি মানদণ্ড পূরণ করলেই হয়, কিন্তু বাংলাদেশ হচ্ছে বিশ্বে প্রথম দেশ যে তিনটি মানদণ্ডই পূরণ করেছে। এলডিসি ক্যাটাগরি থেকে বাংলাদেশের চূড়ান্তভাবে উত্তরণের জন্য ২০২৪ সালে জাতিসংঘের ঘোষণা পর্যন্ত তিনটি সূচকের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩৬তম বিসিএসে ৯৮৫ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

৩৬তম বিসিএসের নন-ক্যাডারের অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির পদে ৯৮৫ জনকে বিভিন্ন পদে নিয়োগের সুপারিশ করবে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। বৃহস্পতিবার পিএসসির ওয়েবসাইটে এ তালিকা প্রকাশ করা হবে।

এ বিষয়ে পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নেসারউদ্দিন (ক্যাডার) বলেন, বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় শ্রেণির নিয়োগের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এতে ৩১ ধরনের পদ রয়েছে।

এর আগে সম্প্রতি ২৮৪ জনের প্রথম শ্রেণির পদের তালিকা প্রকাশ করে পিএসসি।

পিএসসির চেয়ারম্যান মোহম্মদ সাদিক বলেন, প্রথম শ্রেণির পদের সুপারিশ করা হয়েছে। এরপর দ্বিতীয় শ্রেণির সুপারিশের তালিকা প্রকাশ করা হবে।

নন-ক্যাডারে ৩ হাজার ৩০৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ২ হাজার ৬৫০ জন প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদের জন্য আবেদন করেছেন।

পিএসসি সূত্র জানায়, ৩৬তম বিসিএসে ২ হাজার ৩২৩ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আপিল শুনানির জন্য হাইকোর্টে ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা

দশ ট্রাক অস্ত্র আটক সংক্রান্ত মামলার আপিল শুনানির জন্য বেঞ্চ নির্ধারণ করা হয়েছে। বিচারিক আদালতের রায়ের ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য এই বেঞ্চ নির্ধারণ করা হয়। আগামী ২৫ মার্চ বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ এবং বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় মামলাটি আসতে পারে।

গত বছরের ০৮ অক্টোবর এ মামলায় পলাতক দুই আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী (স্টেট ডিফেন্স ল ইয়ার) নিয়োগ দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। পলাতক দুই আসামি হলেন,ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়া ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত শিল্পসচিব নুরুল আমিন।

এর আগে ২০১৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ১০ ট্রাক অস্ত্র আটকের ঘটনায় দায়ের করা দুই মামলায় ৫১৪ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। একই বছরের ৩০ জানুয়ারি এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। পরে এই মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য হাইকোর্টে আসে।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের ১ এপ্রিল সিইউএফএল ঘাট থেকে আটক করা হয় ১০টি ট্রাক ভর্তি অস্ত্রের চালান। এ নিয়ে কর্ণফুলী থানায় ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইন ও ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে চোরাচালানের অভিযোগ এনে দুটি মামলা হয়। সিআইডি পুলিশ দুটি মামলা একসঙ্গে তদন্ত করে। এর বিচারও একসঙ্গে শুরু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৭ তলা মাটির নিচে, দুই তলা পানির তলে!

বেশিদিন হয়নি বেইজিংয়ের ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের ছবিটি ইন্টারনেটে ঝড় তোলে। অবিশ্বাস্য ডিজাইনের বিমানবন্দরটি যেন ভবিষ্যতের জানান দেয়। আর এখন চীনের আরেকটি বিস্ময়কর ভবন আবারো হতবাক করে দিচ্ছে ইন্টারনেটকে। খুব দ্রুত শাংহাই ‘ডিপ পিট হোটেল’ এর গর্বিত মালিক হবে। এ হোটেলের নাম রাখা হয়েছে ‘কোয়ারি হোটেল’।

এর সামনে দাঁড়ালে মাত্র দ্বিতল ভবন চোখে পড়বে। মনে করতে পারেন, এই দুই তলা ভবনের এমন কী বৈশিষ্ট্য থাকতে পারে? আসলে ভবনটি ২১ তলা। মাটির ওপর মাত্র দুটো তলা দৃশ্যমান হয়েছে। এর ১৭টি তলা রয়েছে মাটির নিচে। বাকি দুই তলা রীতিমতো পানির নিচে চলে গেছে। চীনের পিপলস ডেইলি এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানায়। ভবনটির ছবি দেখে অবাক না হয়ে পারা যায় না।

এ ভবনের অবস্থান শাংহাই ডিস্ট্রিক্টে, এটা শাংহাই শহর থেকে খুব দূরে নয়। অ্যাকটিন্স নামের এক ব্রিটিশ ডিজাইন এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্ম এ হোটেলের ডিজাইন করছে। ১০০ মিটার গভীরে চলে যাবে হোটেলটি। এর কাজ শুরু হয় ২০১৩ সালের নভেম্বরে।

যদিও এখনও কাজ চলছে। তবুও এর ছবি দেখেই সবাই কুপোকাত। বলা হচ্ছে, কাজ শেষ হলে আরো কিছু অপেক্ষা করছে।

অ্যাটকিন্স জানায়, এই হোটেলটি ওই অঞ্চলের প্রাকৃতিক দৃশ্যের প্রতিফলন ঘটাবে। এ হোটেলে থাকবে ৩৮৩টি রুম, একটি সবুজে ছাওয়া ছাদ, পানির নিচে রুম এবং ওপরে ঝর্ণা। এই ঝর্ণা একেবারে ছাদ থেকে নিচে গিয়ে পড়বে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ষাঁড়টির দাম উঠল ২০ লক্ষ!

ভারতের তামিলনাড়ুর এক রাজনৈতিক নেতা একটি ষাঁড় কিনেছেন ২০ লক্ষ রুপি দিয়ে। জানা যায়, ষাঁড়টির নাম বাল্মীকি টাইগার! এরই দাম এখন ২০ লক্ষ রুপি। সম্প্রতি জাল্লিকাট্টুর একটি প্রতিযোগিতায় ষাঁড়টিকে দেখে পছন্দ হয় তামিলনাড়ুর প্রাক্তন বিধায়ক সম্পৎ কুমারের। তার পরেই তিনি সিদ্ধান্ত নেন ষাঁড়টি কেনার ব্যাপারে।

ষাঁড়টির মালিক প্রিয়া কুমারী নামে এক নারী প্রায় ৭ লক্ষ রুপি দিয়ে এক কৃষকের থেকে ষাঁড়টি কিনেছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। প্রিয়া জানান, প্রথমে ষাঁড়টিকে দেখেই তার মনে হয়েছিল বলিষ্ঠ এই ষাঁড়টি প্রতিযোগিতায় ভালো ফল করবে। সেই মত‌ো কয়েকবার ট্রেনিং দিয়ে ষাঁড়টিকে জাল্লিকাট্টুর মতো প্রতিযোগিতায় নামানোর ব্যবস্থা করেন তিনি। প্রিয়ার আরও দাবি, ইতিমধ্যে বাল্মীকি বেশ কয়েকটি পদক জিতেছে।

প্রসঙ্গত, দক্ষিণ ভারতে জাল্লিকাট্টুর জন্য ষাঁড়ের প্রবল চাহিদা থাকে। কিন্তু তাই বলে কোন ষাঁড়ের দাম এত রুপি উঠতে পারে ভেবেই অবাক হয়ে যাচ্ছেন অনেকে। এবেলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নখে ছত্রাকের সংক্রমণ হলে কী করবেন

নখে ছত্রাকের আক্রমণজনিত সমস্যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় টিনিয়া আংগুইয়ামা বলে। রোগটি খুবই অস্বস্তিকর।
লক্ষণ
হাত ও পায়ের নখে সাদা সাদা দাগ হবে
দিনে দিনে নখ ক্ষয়ে ছোট হয়ে যেতে পারে।
কী করবেন
এ ক্ষেত্রে অ্যান্টি ফাঙ্গাল ক্যাপসুল যেমন, ফ্লু- কোনাজল জাতীয় ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। তবে তার আগে অবশ্যই একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া এবং কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করা উচিত। বিশেষ করে লিভার ফাংশন ঠিক রয়েছে কি না দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
কী করবেন না
আক্রান্ত জায়গা বেশিক্ষণ ভিজা রাখবেন না এবং খুঁটবেন না।
অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি ভালো হবার জন্য এক বছর পর্যন্ত ওষুধ খেতে হতে পারে, অতএব এসব ক্ষেত্রে ধৈর্য হারিয়ে মাঝপথে ওষুধ খাওয়া বন্ধ করবেন না।
লিভার ফাংশন টেস্ট না করে এ ওষুধ খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ, তবে ডাক্তার রোগীকে পর্যবেক্ষণ করে যদি ওষুধ দেওয়ার উপযুক্ত মনে করেন তবে দিতে পারবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে হতাশ কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা

ডেস্ক রিপোর্ট : কোটা সংস্কারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থী ও প্রত্যাশীদের আন্দোলনের মধ্যেই মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিদের জন্য বিশেষ কোটা ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার বিকেলে চট্টগ্রামে আয়োজিত এক জনসভায় তিনি এই কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পর কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। তবে তারা অহিংস আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে ঘোষণা দেয়।
আন্দোলনকারীদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘আমরা অহিংস আন্দোলন চালিয়ে যাব।’ তবে কোটা সংস্কারকারীদের হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জনসভায় বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের জন্যই আমরা আমাদের স্বাধীনতা পেয়েছি এ কথা ভুললে চলবে না। তাদের ছেলেমেয়ে, নাতি-পুতি পর্যন্ত যাতে চাকরি পায় তার জন্য কোটার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। আর যদি কোটায় না পাওয়া যায়, সেটা শিথিল করা আছে, যেখানে মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের চাকরি দেওয়া যাবে। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আমাদের এ বিশেষ ব্যবস্থা করতেই হবে।’
প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পর শিক্ষার্থীদের অনেকেই হতাশ হয়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করে লাভ হবে না বলে মন্তব্য করে। আবার অনেকেই শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে হাসান আল মামুন বলেন, আমাদের দাবি সার্বিক কোটার সংস্কার। প্রধানমন্ত্রী আমাদের দাবিগুলো মেনে নিবেন। আমরা অহিংস আন্দোলন চালিয়ে যাব।
শিক্ষার্থীদের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে -কোটা ব্যবস্থা সংস্কার করে ৫৬ ভাগ থেকে ১০ ভাগে নিয়ে আসা, কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে শূন্য থাকা পদগুলোয় মেধায় নিয়োগ দেওয়া, কোটায় কোনো ধরনের বিশেষ নিয়োগ পরীক্ষা না নেওয়া, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে সবার জন্য অভিন্ন বয়সসীমা নির্ধারণ করা এবং চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার না করা।
গত ১৪ মার্চ আন্দোলনকারীরা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার জন্য একটি মিছিল নিয়ে হাইকোর্টের সামনে এলে পুলিশ তাঁদের ওপর কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ ও লাঠিপেটা করে। এতে ১৫ থেকে ২০ আন্দোলনকারী আহত হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
ওই পুলিশি হামলার প্রতিবাদে আগামী ২৫ মার্চ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান করা হবে। এদিন শিক্ষা সনদ গলায় দিয়ে শাহবাগ থেকে শহীদ মিনার পর্যন্ত ঝাড়ু হাতে নিয়ে এই অভিযানে যোগ দিবে আন্দোলনকারীরা। এ ছাড়া ২৯ মার্চ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিকেল ৪টায় নাগরিক সমাবেশ করারও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest