‘সাতক্ষীরা বিশ্ববিদ্যালয়: আমাদের ন্যায্য প্রাপ্য’  শীর্ষক সেমিনার

সাতক্ষীরা বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে শুক্রবার বিকেল ৪টায় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে ‘সাতক্ষীরা বিশ্ববিদ্যালয়: আমাদের ন্যায্য প্রাপ্য’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমিটির চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মোঃ মনিরুজ্জামান (মন্ময় মনির)-এর সভাপতিত্বে আলোচনা করেন প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার দাশ, কলারোয়া উপজেলা স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ (স্বাশিপ)-এর সদস্য সচিব মাস্টার প্রদীপ পাল, শিক্ষিকা ও কবি গুলশান আরা, নাট্যজন মোঃ ইউনুছ আলী, সীমান্ত আদর্শ কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ সিদ্দিক, দৈনিক দক্ষিণের মশালের সাংবাদিক মিজানুর রহমান, সাতক্ষীরা জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি কবি শাহানা মহিদ, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ (স্বাশিপ) সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক প্রভাষক এম. সুশান্ত, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ভাস্কর সুরেশ পান্ডে, বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য কবি তৃপ্তিমোহন মল্লিক, কবি স.ম তুহিন, সব্যসাচী আবৃত্তি সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান ছট্টু, সব্যসাচী আবৃত্তি সংসদের সভাপতি হেনরী সরদার, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি শেখ সিদ্দিকুর রহমান, প্রাবন্ধিক কবির রায়হান ও সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদ। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রাসেল, সাতক্ষীরা জেলা গণফোরামের সভাপতি মামুনুর রহমান, সিকান্দার একাডেমির সভাপতি মনিরুজ্জামান মুন্না, সাতক্ষীরা জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ইসমত আরা, লাইব্রেরিয়ান আনিসুর রহমান প্রমুখ। আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তি শিল্পী অনিষা রায়, মিজানুর রহমান ও আব্দুল্লাহ সিদ্দিক।
বক্তারা অতিদ্রুত সাতক্ষীরা বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নের দাবি করেন। সাতক্ষীরা থেকে যে পরিমাণ রাজস্ব আদায় হয় এবং সম্পদ উৎপাদিত হয় তাতে করে একটি সম্পুর্ণ আবাসিক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সাতক্ষীরাবাসীর ন্যায্য প্রাপ্য। বক্তারা আরো বলেন, সাতক্ষীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিটি যৌক্তিক। এই দাবি সাতক্ষীরা জেলার সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে হবে এবং চেতনা সৃষ্টি করতে হবে যাতে সাতক্ষীরা বিশ্ববিদ্যালয় দ্রুত প্রতিষ্ঠা করা যায়। সেমিনারে প্রায় সকল বক্তাই সাতক্ষীরার শিক্ষা প্রসারে এবং উচ্চ শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে একটি অসাম্প্রদায়িক বিশ্ববিদ্যালয় দাবি করেন। অতিদ্রুত মাননীয় ডিসি মহোদয়ের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবারো একটি স্মারকলিপি প্রদানের কথাও বক্তারা তুলে ধরেন। শিক্ষক, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সর্বস্তরের জনসাধারণকে সাতক্ষীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার যৌক্তিকতা তুলে ধরে উদ্ধুদ্ধ করার আহ্বান জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আব্দুল ওহাব আজাদের ‘আলো যখন অন্ধকারে’ গল্প গ্রন্থের প্রকাশনা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : মৌচাক সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে বিশিষ্ট কবি, গল্পকার, নাট্যকার আব্দুল ওহাব আজাদের ‘আলো যখন অন্ধকারে’ গল্প গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, মৌচাক সাহিত্য পরিষদের সভাপতি আব্দুর রশীদ সুমন। অনুষ্ঠানে প্রধান হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডা: আবুল কালাম বাবলা। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি মোঃ শহীদুর রহমান,প্রকাশিত গ্রন্থের উপর আলোকপাত করে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক কাজী মুহম্মদ অলিউল্লাহ, কবি ও গল্পকার সিরাজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আব্দুর রব ওয়ার্ছি, অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন, শেখ মোশফেকুর রহমান মিল্টন, মাসুদা মোবারক, তৃপ্তিমোহন মল্লিক, কবি সোহরাব হোসেন মনু, আবুল হোসেন আজাদ, মোঃ আ: মজিদ, গাজী শাহজাহান সিরাজ, মনিরুজ্জামান ছট্টু, স.ম তুহিন, মনিরুজ্জামান মুন্না, বেদুঈন মোস্তফা,শেখ আজিজুল হক, শাহানা জামান ও ছাবিলা ইয়াসমিন মিতা । সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ম. জামান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩৯ ও ৪০ তম বিসিএস ক্যারিয়ার বিষয়ক সেমিনার

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরায় ৩৯ ও ৪০ তম বিসিএস প্রিলিমিনিয়ারী ক্যারিয়ার বিষয়ক ফ্রি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে অনুষ্ঠিত ফ্রি সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন, ওরাকল বিসিএস’র সাতক্ষীরা শাখার পরিচালক মোঃ সিরাজুল ইসলাম মিলন। ওরাকুল বিসিএস সাতক্ষীরা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, মেহেদী হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ৩৬ তম ক্যাডার(সুপারিশপ্রাপ্ত) রাশেদুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, নূসরাত ফারজানা ওহি প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, মাহমুদা খানম। এসময় প্রধান অতিথি চাকরি প্রত্যাশিতদের জন্য বিভিন্ন দিক নিদের্শনা মূলক বক্তব্য তুলে ধরেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তিন বছরে ভারতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় নিহত ৩০০

ভারতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় ৩ বছরে প্রায় ৩শ’ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। এর মধ্যে ২০১৭ সালেই ১শ’ ১১ জন নিহত হয়েছে বলে জানানো হয়।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হংসরাজ অহীর রাজ্যসভায় এ তথ্য জানান। তিনি জানান, ২০১৭ সালে বিজেপি শাসিত উত্তর প্রদেশে ১৯৫টি সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় সবচেয়ে বেশি ৪৪ জন নিহত হয়। একইভাবে রাজস্থানে নিহত হয় ১২ জন।

তৃণমূলশাসিত পশ্চিমবঙ্গে ৫৮টি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় ৯ জন নিহত হয়, আহত হয় অন্তত ২৩০ জন। এছাড়া, ২০১৬ সালে নিহত হয় ৮৬ জন আহত হয় ২ হাজার ৩২১ জন। ২০১৫ নিহত হয় ৯৭ জন আহত হয় ২ হাজার ২৬৪ জন।

কেন্দ্রীয় সরকারের দেয়া তথ্য অনুযায়ী সরকারই স্বীকার করেছে যে ২০১৭ সালে বিজেপি শাসিত রাজ্যে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মানবদেহের নতুন অঙ্গ আবিষ্কার

মানবদেহের রহস্যের যেন শেষ নেই। আর এর মাঝে ইন্টারস্টিটিয়াম (interstitium) নামে নতুন একটি অঙ্গ আবিষ্কার মানবদেহের রহস্যকে যেন আরো বাড়িয়েই দিল!

সম্প্রতি গবেষকরা যে অঙ্গটি আবিষ্কার করেছেন, তার বিষয়টি এতদিন অল্পবিস্তার জানা থাকলেও বিস্তারিত জানা ছিল না। কিন্তু সম্প্রতি বিভিন্ন বিষয় পর্যবেক্ষণ করে ইন্টারস্টিটিয়াম যে আলাদা অঙ্গ, সে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন তারা।

মূলত মানুষের ত্বকের নিচেই থাকে সেই ইন্টারস্টিটিয়াম। এছাড়া পেট, ফুসফুস, রক্তনালী ও মাংসপেশিতেও পাওয়া যায় এটি। দেহের জন্য শক্তিশালী ও স্থিতিস্থাপক প্রোটিন নেটওয়ার্ক তৈরিতে এ অঙ্গটি জড়িত।

সম্প্রতি ইন্টারস্টিটিয়াম বিষয়ে গবেষকদের একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে সায়েন্টিফিক রিপোর্টস-এ।

অতীতে এ অঙ্গটি বিষয়ে অনেক কিছু জানা থাকলেও এটি যে একটি অঙ্গের স্বীকৃতি পাওয়ার উপযোগী, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি। এর অন্যতম কারণ ছিল এর ভেতরে তরল বোঝাই থাকে, যা মানবদেহের ধাক্কা প্রতিরোধক হিসেবেও কাজ করে। বর্তমানে এটি মানবদেহের সবচেয়ে বড় অঙ্গের অন্যতম বলে মনে করছেন গবেষকরা।

এ অঙ্গটির সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান পরবর্তীতে ক্যান্সার বিষয়ে গবেষণাকে বেগবান করবে বলেও মনে করছেন গবেষকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চিকিৎসার জন্য প্যারোলে নয় খালেদার নিঃশর্ত মুক্তি চায় বিএনপি

কারাবন্দি খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্যারোলের পরিবর্তে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়ার দাবি জানিয়েছে বিএনপি।

দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, খালেদা জিয়াকে প্যারোলে নয়, আমরা তার নিঃশর্ত মুক্তি চাই; তিনি যেন চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে পারেন।

শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এ দাবি জানান।

এ সময় তিনি বলেন, কারারুদ্ধ দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার হঠাৎ অসুস্থতার সংবাদে আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন ও উৎকণ্ঠিত। আমরা তার স্বাস্থ্য নিয়ে শঙ্কায় আছি।

মির্জা ফখরুল বলেন, গতকাল খালেদা জিয়ার সঙ্গে আমার বিকাল ৩টায় সাক্ষাতের কথা ছিল। কিন্তু দুপুর দেড়টায় আমি যখন তার সঙ্গে দেখা করতে রওনা হয়েছি, তখন চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব আমাকে জানালেন তিনি অসুস্থ। ঢাকার সিভিল সার্জন তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে গেছেন। তাই আমার সাক্ষাৎ স্থগিত করা হয়েছে।

মহাসচিব দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, খালেদা জিয়ার কী ধরনের অসুস্থতা, তিনি কেমন আছেন, তা আমরা জানতে পারিনি। সরকার বা কারাকর্তৃপক্ষ সে বিষয়ে আমাদের কিছুই জানায়নি।

মির্জা ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, সুপরিকল্পিতভাবে দেশনেত্রীকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দেয়ার জন্যই এসব চক্রান্ত চলছে। এ সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সুপরিকল্পিতভাবে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে হয়রানি করছে এবং সর্বশেষ তাকে কারারুদ্ধ করেছে।

তাকে অন্যায়ভাবে একটি পরিত্যক্ত ভবনে আটকে রাখা হয়েছে। ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে তাকে। কারাগারে তাকে সুচিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

রায়ের পর পরই তাকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। তখন থেকে সেখানে বন্দি আছেন বিএনপি নেত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্রীউলায় মুক্তিযোদ্ধা চত্ত্বর উদ্বোধন এবং মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড কার্যালয় ও পাঠাগারের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন

তোষিকে কাইফু: শ্রীউলার মাড়িয়ালা মোড়ে মুক্তিযোদ্ধা চত্ত্বর উদ্বোধন ও শ্রীউলা ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড কার্যালয়, অধ্যাপক ডা: আ ফ ম রুহুল হক পাঠাগার এর ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করেন অধ্যাপক ডা: আ ফ ম রুহুল হক এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এ বি এম মোস্তাকিম।
এছাড়া আরোও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিটের ডেপুটি কমান্ডার আমির হোসেন জোয়ার্দ্দার,উপজেলা কমান্ডার আ: হান্নান, ইউনিয়ন কমান্ডার আ: সামাদ,সাংসদ প্রতিনিধি শম্ভুজিত মন্ডল,শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা সাকিল, বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান স ম মোছাদ্দেক,উপজেলা শ্রমিক লীগেন সভাপতি শামসুল আলম,যুব মহিলা লীগের সভাপতি সীমা সিদ্দিক সহ দলীয় নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য গত বৃহস্পতিবার আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ও প্রতাপনগরে একাধিক প্রকল্প উদ্বোধন করেন ডা: রুহুল হক এমপি।বিকালে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড আয়োজিত বিশাল জনসভায় বক্তব্য রাখেন তিনি।
জনসভা শেষ তিনি মুক্তিযোদ্ধা চত্ত্বর উদ্বোধন ও ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড কার্যালয় ও অধ্যাপক ডা: ফ ম রুহুল হক পাঠাগার এর উদ্বোধন ও মোনাজাত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘অবশেষে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘকে মেনে নিচ্ছে মিয়ানমার’

মিয়ানমার শেষপর্যন্ত জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার বা ইউএনএইচসিআরকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে রাজী হয়েছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম একথা জানিয়ে বলেছেন,এতদিন মিয়ানমারের সাথে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বাংলাদেশ চাইলেও মিয়ানমার ইউএনএইচসিআরকে যুক্ত করতে রাজী ছিল না। অন্যদিকে বাংলাদেশ প্রথম দফায় আট হাজার জনের বেশি রোহিঙ্গাকে ফেরত নেয়ার যে তালিকা দিয়েছিল, সেই তালিকার মাত্র কয়েকশ রোহিঙ্গাকে ফেরত নেয়ার ছাড়পত্র দিয়েছে মিয়ানমার। প্রত্যাবাসনেরও কোন দিনক্ষণ এখনও ঠিক হয়নি। তারপরও বাংলাদেশ দ্বিতীয় তালিকা দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

মিয়ানমারের সাথে দ্বিপাক্ষিক সব আলোচনায় বাংলাদেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় ইউএনএইচসিআরকে যুক্ত করার প্রস্তাব তুলেছিল।কিন্তু সেই প্রস্তাবে মিয়ানমারকে রাজী করানো সম্ভব হয়নি বলে ঢাকায় কর্মকর্তারা বলছেন।

মিয়ানমারকে রাজী করাতে ব্যর্থ হয়ে বাংলাদেশ নিজেদের প্রক্রিয়ায় ইউএনএইচসিআরকে যুক্ত করেছে। এখন এনিয়ে মিয়ানমারের সাথে সরাসরি আর কোন আলোচনা করেনি বাংলাদেশ।

তবে সম্প্রতি জেনেভায় ইউএনএইচসিআর এর প্রধানের সাথে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতি মন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

ঢাকায় ফিরে বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ইউএনএইচসিআর এর প্রধানের বরাত দিয়ে বলেছেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার ইউএনএইচসিআরকে যুক্ত করতে রাজী হয়েছে।

“বাংলাদেশ এককভাবে ইউএনএইচসিআর বা ইউএন এজেন্সিকে যুক্ত করতে চেয়েছিল।কিন্তু মিয়ানমারকে আমরা রাজী করাতে পারিনি।কিন্তু অতিসম্প্রতি মিয়ানমার রাজী হয়েছে।আমি জাতিসংঘে বৈঠক করেছি গত সপ্তাহে। ইউএনএইচসিআর এর প্রধান আমাকে নিশ্চিত করেছেন যে, মিয়ানমার সরকার তাদেরকে প্রস্তাব দিয়েছেন। তারা ইউএনএইচসিআরকে প্রত্যাবান প্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে চান।এটা অনেক আশাবাদী একটা খবর।”

মিয়ানমার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘকে কিভাবে যুক্ত করতে পারে, তার কোন ইঙ্গিত কি বাংলাদেশ পেয়েছে?

এই প্রশ্নে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য হচ্ছে, “এটা মিয়ানমার এবং ইউএনএইচসিআর আলোচনা করে ঠিক করবে।বাংলাদেশ এবং ইউএনএইচসিআর এর আলোকে আমি বলতে পারি, আমরা যে ফরমগুলো ফিলাপ করছি, তা ইউনএইচসিআর নিশ্চিত করলে প্রত্যাবাসনে সুবিধা হবে।আরেকটি বিষয় হচ্ছে, স্বেচ্ছায় ফেরত যাওয়ার ক্ষেত্রে একটি পরিবারের পক্ষে ঐ পরিবারটির কর্তা ফরমে স্বাক্ষর করবেন।এগুলো ইউএনএইচসিআর নিশ্চিত করলে মিয়ানমারের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য হবে।”

এছাড়াও রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার পর তাদের অধিকারগুলো নিশ্চিত করা হচ্ছে কিনা, সে ব্যাপারেও বাংলাদেশ ইউএনএইচসিআর এর ভূমিকা চায়।

কিন্তু মিয়ানমার কোন ধরণের শর্থের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সংস্থাটিকে যুক্ত করবে, তা এখনও পরিষ্কার নয়।

আন্তর্জাতিক অভিবাসী সংস্থা আইওএম এর সাবেক কর্মকর্তা আসিফ মুনির বলেছেন, আন্তর্জাতিক চাপের কারণে শুধু লোক দেখানো হিসেবে মিয়ানমার যদি ইউএনএইচসিআরকে যুক্ত করে, তাতে কোন লাভ হবে না।

“মনে রাখতে হবে, এই যুক্ত করাটা যেন সাইনবোর্ড সর্বস্ব না হয়।”

রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশ এখন তালিকা বিনিময় করছে।

প্রথম দফায় বাংলাদেশ যে ৮ হাজার ৩২ জনের তালিকা দিয়েছে। তারমধ্যে মাত্র সাড়ে পাঁচশ জনের মতো রোহিঙ্গাকে ফেরত নেয়ার ব্যাপারে মিয়ানমার ছাড়পত্র দিয়েছে।

মিয়ানমার ফেরত নেয়ার কোন সময় এখনও দেয়নি।

তবে আগামী মাসের শেষ সপ্তাহে ঢাকায় দুই দেশের পররাষ্ট্র সচিবদের নেতৃত্বে যৌথ ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই বৈঠকে বাংলাদেশ দ্বিতীয় দফায় দশ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা দিতে পারে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলছিলেন, তারা রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরই তাদের ফেরত পাঠানোর প্রশ্নে গুরুত্ব দিচ্ছেন।

“বিষয়টা কিন্তু অনেক জটিল। আমরাও চাই না, ১১ লাখ রোহিঙ্গা যারা বাংলাদেশে আছেন, এরমধ্যে অনেক তাড়াহুড়ো করে যদি এক লাখও পাঠানো হয়, তাদের দু’শ জনও নির্যাতিত হয়ে চলে আসেন বাংলাদেশে। সেটা বাকি ১০ লাখ রোহিঙ্গার উপর একটা খারাপ প্রভাব ফেলবে। এটা পুরো প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকেই ঝুলিয়ে দেবে।”

বাংলাদেশের কর্মকর্তারা এটাও বলছেন, ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে নিয়ে এই সংকট দীর্ঘ হতে পারে, এটিও বিবেচনায় রেখে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সাহায্য নিয়ে এগুচ্ছে।

এদিকে, এখন বর্ষা মৌসুমের আগে কক্সবাজারের বালুখালী শিবিরে থাকা রোহিঙ্গাদের মধ্যে এক লাখ ভূমি ধসের ঝুঁকিতে আছে বলে তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে।

তাদের আগামী দুই মাসের আগে ঐ শিবিরেই নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest