সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালাসাংবাদিক জিন্নাহর উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালতসাতক্ষীরায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ১১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার চেক বিতরণসাতক্ষীরায় জ্বালানি তেল মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীর জেল জরিমানালবণাক্ততা দূরীকরণ ও লবণ পানি অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে আটুলিয়ায় গণতান্ত্রিক সংলাপসাতক্ষীরায় পহেলা বৈশাখে মর্নিং সান প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বর্ণাঢ্য আয়োজনদেবহাটার ১০ ফুটের খাল কাটার উদ্বোধনসাতক্ষীরায় মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যুErfahrungen und Bewertungen von Spielern über das Casino Spinnandoইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধ

বৃষ্টিস্নাত নববর্ষের উৎসব

বাংলা নববর্ষকে কেন্দ্র করে নগরবাসী যখন উৎসবে মেতেছিলেন ঠিক সেই সময়ে বৃষ্টি হানা দিল অনেকটা বেরসিক হয়ে। বৈশা‌খের প্রথম বেরসিক বৃ‌ষ্টি‌তে সেই উৎস‌বে কিছুটা ভাটা প‌ড়েছে। আনন্দে মাতোয়ারা মানুষগুলো তাই এখন গৃহবন্দী আছেন।

আজ শনিবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে হঠাৎ করেই বৃষ্টি শুরু হয়। শুরুতে বৃষ্টি কম থাকলেও পরে বৃষ্টিপাত বাড়তে থাকে। সেইসঙ্গে ঝড়ো হাওয়াও বইতে থাকে। নগরবাসীর যারা প্রখর খরতাপের কারণে দিনের প্রথমভাগে বের হননি তারা বিকেলে ঘুরতে বেরিয়ে বিপাকে পড়েন।

প‌হেলা বৈশা‌খে ঝড়-বৃ‌ষ্টিও যেন বাঙালি সংস্কৃ‌তির অংশ, সেটার জানান দেয় বি‌কে‌লের বৃ‌ষ্টি। তার উপর য‌দি বৈশা‌খের মতো বাঙা‌লি উৎস‌বের দিন হয় তাহ‌লে তো কথাই নেই।

রাজধানীর শাহবাগ, টিএসসি, রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ আশপাশের এলাকায় অবস্থান করা মানুষের অনেকে ভিজে যান। কেউ কেউ এ সময় রাস্তা ও ফুটপাতের পাশে দোকানে আশ্রয় নেন।

তবে নগরবাসীর আশা বৃষ্টি থেমে আকাশ পরিষ্কার হলে আবারও সবাই মেতে উঠবেন নববর্ষের আনন্দে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খেশরা ইউনিয়ন আ’লীগের নতুন সাধারণ সম্পাদক তাজ

খেশরা(তালা) প্রতিনিধি : বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়ন শাখার সাধারনণ সম্পাদক তাওহিদ আলম লাভলু গত ২৪-০১-২০১৮ ইং তারিখে আকস্মিক মৃত্যুবরণ করায় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ১ম যুগ্ন- সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ- আল- মামুন তাজ কে নতুন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। খেশরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সরদার আমিনূল ইসলাম সাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য পাওয়া যায়। আব্দুল্লাহ- আল- মামুন তাজ খেশরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা সরদার সুজাত আলি, উপঃ আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ নূরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ও উপঃ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর জাকির হোসেন, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেত্রী প্রধান শিক্ষিকা লায়লা পারভীন সেঁজুতি, খেশরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপঃ আওমীলীগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক রাজিব হোসেন রাজু, উপঃ আওমীলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক শেখ আবুল কালাম কার্যকারী সদস্য ও উপঃ যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ কামরুল ইসলাম লাল্টু,খেশরা ইউনিয়নের প্রতেক ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগন যথাক্রমে ১. বাবু রণজিত কুমার ও মাঃ অসিত কুমার ২.প্রভাষক হরিপদ মন্ডল ও মঙ্গল মন্ডল, ৩. খান আবুবক্কর ও আলাউদ্দীন আল আজাদ মোড়ল ৪. মোড়ল মোসলেম উদ্দীন ও গোলদার মোসলেম উদ্দীন ৫. আঃ হান্নান শেখ ও আঃ হক সরদার ৬. মোঃ তফেজ উদ্দীন ও মোঃ জাকির সানা ৭. লক্ষীকান্ত দাশ ও দিপংকর দাশ ৮. খান আনিসুর রহমান ও মোঃ সবুর মোড়ল ৯. মাঃ হাফিজুর মোড়ল ও কাজী আনারুল ইসলাম, উপঃ তরুণলীগের সভাপতি ও স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ (স্বাশিপ) এর আহবায়ক প্রভাষক এস.আর আওয়াল, ওয়ার্ড ইউপি সদস্যগন অনন্ত কুমার বাবু, শামসুল হক মোড়ল, বিল্লাল মোড়ল, মনিরুজ্জামান মোড়ল মনি, আঃ গনি, কাজী আনারুল ইসলাম, হরিহরনগর পোস্ট-ই সেন্টার এর উদ্যোক্তা মোঃ মুর্শিদ আলম, ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা গোলদার আহসান হাবিব, যুবলীগ নেতা সৈয়দ বদরুজ্জামান, ৬ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সদ্য নির্বাচিত সভাপতি শেখ জাকির হোসেন, সাধারন সম্পাদক হাবিল মোড়ল, ছাত্রলীগ নেতা রবিউল ইসলাম, আয়াতুল মিজান রকি, শেখ মোস্তফা মনোয়ার তিমুর প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা উপজেলা প্রশাসনের বর্ষবরণ

কে.এম রেজাউল করিম : দেবহাটা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বাংলা ১৪২৫ বর্ষবরন শনিবার বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে সকাল ৮ টায় পালকী, গরুর গাড়ি ও নানারকম বাদ্যের তালে একটি বর্নাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়। পরে মঙ্গল শোভাযাত্রাটি দেবহাটার ঐতিহ্যবাহী বনবিবি বটতলায় শেষ হয়। এখানে সকল শ্রেনী পেশার মানুষের জন্য পান্তা উৎসবের আয়োজন ছিল। পান্তা খাওয়া শেষে আনুষ্টানিকভাবে দেশীয় সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এসময় দেবহাটা উপজেলা চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ¦ আব্দুল গনি বর্ষবরন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। দেবহাটা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহারের সার্বিক সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে এসময় অন্যান্যের মধ্যে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ, দেবহাটা থানার ওসি কাজী কামাল হোসেন, দেবহাটা থানার ওসি (তদন্ত) শরিফুল ইসলাম, উপজেলা আঃলীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মুজিবর রহমান, সাধারন সম্পাদক মনিরজ্জামান মনি, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা পারভিন, উপজেলা প্রকৌশলী মমিনুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ জসিমউদ্দীন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ বদরুজ্জামান, উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা বিঞ্চুপদ বিশ^াস, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হাই রকেট, দেবহাটা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবু বকর গাজী. সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা আঃলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসেন রতন, পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, উপজেলা আঃলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আনোয়ারুল হক, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অধীর কুমার গাইন, উপজেলা হিসাবরক্ষন কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ইসমত আরা বেগম, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ইসরাঈল হোসেন, উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা নোহাগ হোসেন, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব আর.কে.বাপ্পা, সাংবাদিক কে.এম রেজাউল করিম সহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা শিল্পকলা একাডেমীর শিক্ষক আব্দুল আজিজের সঞ্চালনায় সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান ছাড়াও লাঠি খেলা, হা-ডু-ডু, সাতার সহ বিভিন্ন খেলার আয়োজন করা হয়। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রায় মর্নিং সান ৩য়

নিজস্ব প্রতিবেদক : বর্ণিল আয়োজনে ব্যাপক উৎসব মুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে নানা উৎসবে পালিত হয়েছে বাঙালী জাতির পুরাতন ইতিহাস ও ঐতিহ্য বহনের ১৪২৫ পহেলা বৈশাখ। শনিবার সকালে পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রায় ৩য় স্থান অধিকার করেছে। শোভাযাত্রা শেষে সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্যসহ অতিথিবৃন্দ স্কুলের পরিচালক শেখ আমিনুর রহমান কাজলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এদিকে শোভাযাত্রায় মর্নিং সান প্রি ক্যাডেট স্কুল ৩য় স্থান অধিকার স্কুলের পক্ষ থেকে সকল অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন স্কুলের পরিচালক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাটকেলঘাটায় বৈশাখী মেলায় মিনিস্টার মাইওয়ান ফ্রিজের স্টল পরিদর্শন করলেন সাবেক এমপি ইঞ্জি: শেখ মুজিবার রহমান

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি : পাটকেলঘাটা কুমিরায় ৫ দিন ব্যাপী বৈশাখী মেলায় আজ প্রথম দিনে মিনিস্টার মাইওয়ান স্টল পরিদর্শন করলেন সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবার রহমান । মেলার আয়োজক কমিটির প্রধান ও কুমিরা ইউনিয়নের আওয়ামিলীগের সেক্রেটারী মো: রফিকুল ইসলাম, ছাত্রলীগের কুমিরা ইউনিয়নের সেত্রেটারী সোহেল আহমেদ সহ সাংবাদিক ও অনেক গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ।। অতিথি বৃন্দ মেলায় মিনিস্টার মাইওয়ানের এলইডি টিভি, গ্লাসডোর ফ্রিজ, রাইচকুকার, ফ্যান , আয়রন মেশিন, বেলেন্ডার সহ সব ধরনের ইলেক্টনিক্স আইটেম ঘুরে ঘুরে দেখেন।। দেশীয় পন্যর গুনাগত মানের প্রশাংসা করেন এবং মেলার সফলতা কামনা করেন ।।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লাল-সাদা পোশাক আর গোলাপ-গাঁদায় কলারোয়ায় পহেলা বৈশাখ উদযাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি : লাল-সাদা পোশাক আর গোলাপ-গাঁদা ফুলে রাঙিয়ে কলারোয়ায় পহেলা বৈশাখ উদযাপন করা হয়েছে।
বর্ণিল আয়োজন আর উৎসব মুখর পরিবেশে পালিত হয়েছে বাঙালী জাতির পুরাতন ইতিহাস-ঐতিহ্যের ১৪২৫ পহেলা বৈশাখ উদযাপন।
বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনটি পহেলা বৈশাখ বাঙালী জাতির জন্য আনন্দময়, সবচেয়ে রঙিন উৎসব। তাই দিনটি ঘিরে কলারোয়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে গ্রহণ করা হয় নানান কর্মসূচি।
নানান বয়সী মানুষের লাল-সাদার রঙীন পোশাক আর গোলাপ-গাঁদা ফুলের সন্নিবেশ দিনভর আলাদা একটা আমেজের সৃষ্টি করে। বিশেষ করে শিশুদের প্রাণখুলে উৎসব-ইমেজ ছিলো চোখে পড়ার মতো।
কলারোয়া পাইলট হাইস্কুল ফুটবল মাঠে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ শনিবার ভোরে প্রভাতী সঙ্গীতের মাধ্যমে বর্ষবরণের উৎসবের সূচনা হয়। স্থানীয় শিল্পীরা এতে অংশ নেন।
পরে উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সুধিজনদের অংশগ্রহণে মঙ্গল শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রায় শোভা পায় গ্রামীন বাংলার নানান ঐতিহ্যের স্মারকচিহ্ন।
এর ফুটবল মাঠে আয়োজিত বিভিন্ন শিক্ষা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে মনোমুগ্ধকর গ্রামীন বাংলার ডিসপ্লে। পুরষ্কারও প্রদান করা হয় তাদের মাঝে। অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলাও।
প্রতিবারের মতো এবারো কলারোয়া পাবলিক ইন্সটিটিউটে আয়োজন করা হয় গ্রামীন বাংলার অন্যত ঐতিহ্য পান্তা ভোজন। দল-মত নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ পান্তা ভোজনে অংশ নেন।
ওই সকল আয়োজনে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ হাজারো আনন্দপ্রিয় মানুষের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনিরা পারভীন, কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব দেব নাথ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আরাফাত হোসেন ও সেলিনা আনোয়ার ময়না, জেলা পরিষদের সদস্য আলহাজ্ব শেখ আমজাদ হোসেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার গোলাম মোস্তফা, কলারোয়া সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু নসর, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আলী,
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রধান শিক্ষক আমানুল্লাহ আমানসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকগণ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, সুধিজন ও সর্বোপরি সাধারণ মানুষ।
ছেলেদের পাঞ্জাবি আর মেয়েদের শাড়ি পরিধান ছিল লক্ষণীয়। ছোট শিশুরা বাদ যায়নি পাঞ্জাবি-শাড়ি থেকে। যোগ হয় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের বিভিন্ন নমুনাও।
এদিকে, দিনভর পহেলা বৈশাখ উদযাপন করেছে উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় হাজারো সাধারণ জনতা, শিক্ষার্থী ও কোমলমতি শিশুরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যশোরের ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ এখন সারা বাংলাদেশে

বাংলা নববর্ষের প্রথম প্রহরে ‘মঙ্গল শোভযাত্রা’ এখন বাঙালি সংস্কৃতির অনিবার্য অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে। মানবজীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদী এ শোভাযাত্রায় শিক্ষক-ছাত্রসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। ২০১৬ সালে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রা। তবে বর্ষবরণের শোভাযাত্রার জন্মক্ষণ সম্পর্কে অনেকেরই অজানা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগে পড়াশোনা শেষ করে নিজ শহর যশোরে ফিরেছেন মাহবুব জামাল শামীম, হীরন্ময় চন্দ্রসহ কয়েকজন। এরই মধ্যে মাহবুব জামাল শামীম প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে আঁকিয়েদের নিয়ে ‘চারুপীঠ’ নামের একটি সংগঠন চালু করেন। সেই ১৯৮৫ সালে (১৩৯২ বাংলা ) যশোরের চারুপীঠ নামের প্রতিষ্ঠানটি ‘বর্ষবরণের শোভাযাত্রা’ বের করে।

পরের বছর ১৯৮৬ সালে (১৩৯৩ বাংলা) যশোরের সব সাংস্কৃতিক সংগঠন একসঙ্গে নতুন বছরকে বরণ করতে ‘যশোর বর্ষবরণ পর্ষদ’ গঠন করে। সেবছর বর্ষবরণ শোভাযাত্রাকে চারুপীঠের আয়োজন না বলে সবার সম্মিলিত আয়োজন বলা হলো। ফলে সারাদেশের প্রতিটি অঞ্চল ও প্রতিষ্ঠান এ উৎসবকে নিজের উৎসব বলে গ্রহণ করে নেয়। পরে এ শোভাযাত্রা আরও বড় পরিসরে শুরু হতে থাকে।

এরই মধ্যে ১৯৮৮ সালে যশোরের মাহবুব জামাল শামীম, হীরন্ময় চন্দ্র উচ্চতর শিক্ষাগ্রহণের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। সেবছর ঢাবির চারুকলার শিক্ষার্থীরা ও ডিপার্টমেন্টের ছোট-বড় ভাইয়েরা তাদের নিয়ে পরিকল্পনা করেন বর্ষবরণ শোভাযাত্রার। সে মোতাবেক সেবারই প্রথম ১৯৮৯ (১৩৯৬ বাংলা) সালে চারুকলার শিক্ষার্থীরা বর্ষবরণের শোভাযাত্রা বের করেন্। পরের বছর তা কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও বরিশালে এবং এরপর সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। যদিও ১৯৯০ সালে সঙ্গীতজ্ঞ ওয়াহিদুল হক ও ভাষাসৈনিক ইমদাদ হোসেনের পরামর্শে বর্ষবরণের এই শোভাযাত্রাকে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নামকরণ করা হয়।
১৯৯৪ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ শহরে ও শান্তিনিকেতনে বাংলা বর্ষবরণে শোভাযাত্রা বের করা হয়। তবে বর্তমানে সব জেলা-উপজেলায় ছড়িয়ে পড়েছে।

যশোরে বর্ষবরণের শোভাযাত্রার অন্যতম উদ্যোক্তা মাহবুব জামাল শামিম বলেন, ‘১৯৮৫ বাংলা ১৩৯২ পহেলা বৈশাখ, আলো-না-ফোটা ভোর, যশোর পুরনো কলেজ প্রাঙ্গণে চারুপীঠের পলাশ মস্কন্দের আঙিনায় তিনশ’ শিশু ও একশ’ তরুণ মিলিত হয়েছে। অপরূপ রঙিন মুকুট পরেছে রাজকুমার, রাজকুমারি, পরি, ফুল, প্রজাপতি, ময়ুর, টিয়া কত না রূপ ধরেছে। বাঘ, দৈত্য, ভূতের মুখোশেরা যেন মুচকি হেসে হাঁউ মাঁউ কাঁউ বলে ভয় দেখাচ্ছে। নানা ভঙ্গিমার বিচিত্র রঙের বিস্ময় জাগানো মুখোশেরা তামাসা করছে সবার সঙ্গে। রঙিন পোশাকে রাঙিয়ে গিয়েছে সমস্ত অঙ্গন।

হঠাৎ বেজে উঠলো সানাই, বাড়ি পড়লো ঢাকঢোল, কাশি, ঝাঁঝরিতে। দুই মাসের তপস্যায় রাঙানো, সুরের তালে নৃত্যের ছন্দে সাধা সে মনেরা বেজে ওঠলো, সারিবদ্ধ হয়ে শিশুরা নেচে উঠলো রূপে অপরূপে নানা ভঙ্গিমায়। জ্বলে ওঠলো হীরন্ময় পোশাকের ঝকমারি। তখন এমন অনুভূতি হয়েছিল যেন স্বর্গ থেকে অঝোরে নামলো আনন্দ বৃষ্টিধারা।

ভোর ছয়টায় যশোরের নীরব শীতল প্রভাতে, শিশির ভেজাপথে আনন্দ কৌতুক উচ্ছ্বাসে বিস্ময়কর রং ছড়িয়ে বাদ্যের তালে তালে নৃত্যের উচ্ছ্বলতায় শোভাযাত্রা এগিয়ে চললো পথ থেকে পথে। আনন্দ বর্ষণধারা আর যেন শেষ হয় না। শহর প্রদক্ষিণ করে এসে চারুপীঠে থামার কথা, না থামলো না। চলতে থাকল ক্লান্তিহীন। পূর্ব থেকে ফিরে পশ্চিমে, উত্তর-দক্ষিণে দূর থেকে দূরে যেন ছড়িয়ে গেল দেশ থেকে দেশান্তরে এমনি অনুভূতি হয়েছিল সেদিন।

এমন সুন্দর আয়োজনে কেন সবাইকে আমন্ত্রণ করা হয়নি, এই আক্ষেপ নিয়ে আসলেন যশোর থেকে অ্যাডভোকেট কাজী আব্দুস শহীদ লাল। এরপর নানা সংগঠন থেকে অংশগ্রহণ না করতে পারার আক্ষেপ আসতে থাকে। তখন সিদ্ধান্ত হলো পরবর্তী বছর ১৯৮৬ (১৩৯৩ বাংলা) যশোরের সব সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত উদ্যোগে বর্ষবরণকে সামাজিক উৎসবে রূপদান করা হবে।

আমাদের কর্মীরা দল দল হয়ে ত্রি-সীমানার লোক-ঐতিহ্যের সম্ভ্রান্ত অঞ্চলগুলোতে ভ্রমণ করতে থাকে। শালিকার শোলার শিল্প, দৌলতপুরের মাটির পুতুল শিল্প, নড়াইলের পুতুল ও মৃৎশিল্প। সারাবছর ধরেই পরিকল্পনা চললো, উৎসবের মেনিফেস্টো লেখা হলো, ১৩৯৪ এর বৈশাখের অনেক মাস আগেই বর্ষবরণ শোভাযাত্রার কাজ শুরু করলাম।

হাজার হাজার মুকুট আঁকা, শোলার পাখায় রঙিন নকশা আঁকা মুখোশ তৈরি ও রাঙানোসহ নানা ছোট-বড় উপকরণ তৈরির রেওয়াজ শুরু হলো। শত শত শিশু-কিশোর আঁকিয়েদের নকশায় দক্ষ করার সুযোগ সৃষ্টি হলো। সব সাংস্কৃতিক সংগঠন একসঙ্গে নতুন বছরকে বরণ করতে যশোর বর্ষবরণ পর্ষদ গঠন করা হলো। বর্ষবরণ শোভাযাত্রাকে চারুপীঠের আয়োজন না বলে সবার মিলিত আয়োজন বলা হলো। যাতে করে সমস্ত দেশের প্রতিটি অঞ্চল ও প্রতিষ্ঠান এ উৎসবকে নিজের উৎসব বলে গ্রহণ করে নেয়।

যশোরের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান যশোর ইনস্টিটিউট। এ প্রতিষ্ঠানটি যশোরের সব সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান-সংগঠনের মায়ের ভূমিকায় ছিল। চারুপীঠের অভিনব উৎসব কর্মসূচিগুলোকে সামাজিক রূপদানে সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে মিলিয়ে দিচ্ছিল। উৎসবের সমস্ত কর্মযজ্ঞের কেন্দ্র ছিল এই প্রতিষ্ঠান।

যশোরের সব প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে কাজ করতে এক হয়ে গিয়েছিল। এমন মাতৃক্রোড় পেয়েছিল বলেই বর্ষবরণ শোভাযাত্রা দ্বিতীয়বারেই মহামিলনের সামাজিক উৎসব হয়ে উঠতে পেরেছিল। আর তার ফলে জন্মের সঙ্গে সঙ্গে চারুপীঠ যেন বিরাট সামাজিক প্রতিষ্ঠানরূপে প্রতিভাত হলো।

সেই দিন যশোরের সব সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সম্মিলনে সাড়ে তিন হাজার মানুষের শোভাযাত্রা এগিয়ে চলেছে। প্রতিটা দলে শিশুরা অপরূপ সাজে নৃত্যগীতের সৌন্দর্য সৃষ্টি করে নেতৃত্ব দিচ্ছে। তাদের সঙ্গে সব বয়সের মানুষ আনন্দ বিস্ময়ে উচ্ছ্বসিত উদ্বেলিত হয়ে হেঁটে চলেছে। সব দলের নিজস্ব সাজসজ্জা উপকরণ থাকলেও তিন হাজার মানুষের সবার মাথায় বর্ণাঢ্য মুকুট ও প্রতিটি দলে ৩০টি করে অলঙ্কৃত শোলার পাখা শোভাযাত্রার আগা-গোড়া দলগুলোকে যেন একই সুরে মেলানো হয়েছিল।

৪০টি মুখোশসহ প্রজাপ্রতি, পাখি, পরি, ফুল নানা উপকরণ শোভা পাচ্ছিল। একটি বড় আকৃতির হাতি শূঁর দুলিয়ে কান নাড়িয়ে গলায় ঘন্টা বাজিয়ে হেঁটে হেঁটে চলেছে। তার চার পায়ের ভেতর চারজন তরুণ হাতিকে বহন ও পারফর্ম করছিল। আরো একটি বিশাল কুমির মাপেট লাল মুখ হাঁ করে সাদা দাঁতের সারি দেখিয়ে এঁকে-বেঁকে রাস্তা দিয়ে হেঁটে চলেছে। ১৩ জন কিশোর কুমিরটাকে বহন ও পারফর্ম করেছিল। ৪০ জন ঐতিহ্যের ঢাক সানাইয়ের বাদ্যদল শোভাযাত্রার নানা অংশে ১০ জন করে বণ্টন করা হয়েছিল।

যশোরের শালিকার লোকজ ঐতিহ্যের শোলার বানর পাপেট পুতুল বৃহদাকৃতির করে ১০টি তৈরি করা হয়েছিল। উজ্জল রঙিন বানরেরা ১২ ফুট লাঠিতে লাফিয়ে উঠছিল-নামছিল সারাক্ষণ। নেতা তরিকুল ইসলাম (বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী) ও খালেদুর রহমান টিটো (আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য) মুকুট পরে সবার সঙ্গে দ্রুত পায়ে হেঁটে চলছিলেন। তারা দু’জন উচ্ছ্বাসের সঙ্গে বলছিলেন, জাতীয়ভাবে এমন উৎসব তো হওয়া প্রয়োজন।

একজন ইতালীয় চিত্রকর ফাদার মাচ্চেল্য যশোর ক্যাথলিক গির্জার পুরোহিত, তিনি বিশাল আকৃতির একটি ক্যামেরা ঘাড়ে নিয়ে সমস্ত উৎসবকে ধারণ করেছিলেন। যেন কোনো আন্তর্জাতিক উৎসবের চেহারা ফুটে উঠেছিল। শোভাযাত্রা চারুপীঠ থেকে শুরু হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে যশোর ইনস্টিটিউটে বৈশাখী মেলার উদ্বোধনের মাধ্যমে শেষ হলো। সেখানে সাড়ে তিন হাজার মানুষকে কুলি-পাকান পিঠার প্যাকেট দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়েছিল। উৎসবের উন্মাদনায় মায়েরা ভীষণ আন্তরিকতায় সমস্ত রাত জেগে এত বিপুল সংখ্যক পিঠা তৈরি করেছিলেন।

পহেলা বৈশাখের এক ঘণ্টাই যেন সমস্ত বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় এমনই এক অনির্বচনীয় অনুভূতি হয়েছিল। শোভাযাত্রা শেষ করেই পরবর্তী বছরের পরিকল্পনায় বিভোর হতাম। উৎসবকেই জীবনের সর্বস্ব দিয়ে ফেলেছিলাম। এক সামাজিক উৎসবের ধারাবাহিকতা শুরু হওয়ার এটাই গল্প।
সূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোরডটকম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেয়ে-বাবার অশালীন সম্পর্কের মর্মান্তিক পরিণতি

গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসেই মা হয়েছিলেন ২০ বছরের কেটি পাডল। তার সন্তানের বাবা, স্টিফেন পাডল, ঘটনাচক্রে সে কেটি পাডলের নিজের পিতাও বটে।

জন্মের কয়েক বছর পর থেকেই কেটি থাকতেন তার দত্তক পিতা অ্যান্থনি ফাসকোর সঙ্গে নিউ ইয়র্কের উইংডেলে। আর স্টিফেন বসবাস করতেন নাইটডেলে।

বাবা-মেয়ের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক থাকায় আগেই পুলিশের খাতায় নাম উঠেছিল স্টিফেন ও কেটির। ২০১৭ সালের শুরুতেই কেটির মা অর্থাৎ তার স্ত্রীকে স্টিফেন জানান, তার আর কেটির সম্পর্কের কথা। সেই সঙ্গে আরও বলেন যে, মায়ের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ করার পরেই মেয়ে কেটিকে বিয়ে করবেন স্টিফেন।

প্রসঙ্গত, কেটির পরে স্টিফেনের আরও দুই সন্তান হয়। খবর অনুযায়ী, সম্প্রতি তার সেই দুই সন্তানকে স্টিফেন বলেছিলেন কেটিকে বোন নয়, মা হিসেবে দেখতে। অবৈধ এই সম্পর্কের ফলে স্টিফেনকে রীতিমতো বন্ডে সই করতে হয় যে, তিনি আর কেটির সঙ্গে কোনওরকম যোগাযোগ রাখবেন না।

কিন্তু, শেষরক্ষা হয়নি। ১৮ বছর হওয়ার পরে, কেটি নিজেই তার ‘বায়োলজিকাল’ মা-বাবার সঙ্গে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এবং তারপরেই গণ্ডগোলের শুরু। গত বুধবার, স্টিফেনের মা হঠাৎই একটি ফোন পান ছেলের কাছ থেকে। স্টিফেন তাকে বলেন যে, তিনি তার সাত মাসের পুত্রসন্তানকে মেরে ফেলেছেন। দ্রুত পুলিশে খবর দেন স্টিফেনের মা। উইংডেলে স্টিফেনের বাড়িতেই পাওয়া যায় শিশুর দেহটি।

খবর পেয়ে, সেখানে পুলিশ উপস্থিত হলে, একটি ট্রাকের ভিতর থেকে দু’টি মরদেহ উদ্ধার করে তারা। জানা গেছে দেহ দু’টি, কেটি ও তার দত্তক পিতা অ্যান্থনি ফাসকোর। কিছু দূরে, নিউ ইয়র্কের ডোভারে, একটি মিনি ভ্যানের ভেতরে পাওয়া যায় স্টিফেনের দেহও।

তিনজনকে হত্যা করার পরে নিজেই নিজেকে তিনি গুলি করেন বলে প্রাথমিক ধারণা পুলিশের। তবে, কারণ এখনও জানা যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest