সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ : কার্যক্রম স্থগিতের আবেদনসাংবাদিক শাহীন গোলদারের মায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকসম্ভাবনা ও সংকটে দেবহাটা: পাঁচ ইউনিয়নের মানুষের চোখে আগামীর প্রত্যাশাবাকশিস সাতক্ষীরা জেলা শাখার নির্বাচন: সভাপতি খলিলুর -সম্পাদক নূর মোহাম্মদসাতক্ষীরা কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির নব-নির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভাদেবহাটায় ৬৯৬ বোতল উইনকেরেক্সসহ নারী আটক : দুইজনের বিরুদ্ধে মামলাসাতক্ষীরায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ যুবদল নেতা সুমনের: অপসাংবাদিকতার চিত্র তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনফেক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি খুলে ছবি বিকৃতি ও ব্ল্যাকমেইলিং সাতক্ষীরায় থানায় জিডিসখিপুরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে শিশুদের মাঝে খেলাধুলার পোশাক বিতরণ

আজ আয়ারল্যান্ডের টেস্ট অভিষেক হচ্ছে

ক্রিকেট বিশ্বের ১১তম দেশ হিসেবে আজ শুক্রবার টেস্ট অভিষেক হতে যাচ্ছে আয়ারল্যান্ডের। নিজেদের মাঠ ডাবলিনে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক ঘটবে আইরিশদের। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় শুরু হবে এক ম্যাচের এই সিরিজটি।

১৯৯৩ সালে ক্রিকেটে প্রধান সংস্থা ইন্টারন্যাশাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সহযোগী সদস্য হয় আয়ারল্যান্ড। এরপর ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ২০০৭ সালে। ওয়ানডে স্ট্যাটাস পাওয়ার ১০ বছর পর টেস্ট মর্যাদা লাভ করে আইরিশরা।

টেস্ট মর্যাদার পরীক্ষা আজই প্রথম দেবে আয়ারল্যান্ড। ক্রিকেট জগতে প্রবেশের প্রায় তিনশ’ বছর পর টেস্ট ফরম্যাটে খেলতে নামবে আইরিশরা।

১৯৩১ সালে ডাবলিনের ফনিক্স ক্রিকেট ক্লাবে ব্যাট-বল হাতে পথ চলা শুরু আয়ারল্যান্ডের। সেই পথ ধরে ইতোমধ্যে ক্রিকেট জগতে সুনাম কুড়িয়েছে আইরিশরা। ওয়ানডে স্ট্যাটাস পাওয়ার বছরই প্রথমবারের মত ২০০৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলে তারা। গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের সাথে টাই করে আয়ারল্যান্ড।

এরপর নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানকে ১৩২ রানে গুটিয়ে দিয়ে শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি আইনে ৩ উইকেটে জয় পায়। এতেই বিশ্বকাপে নিজেদের অভিষেক আসরে সুপার এইটে নাম লেখায় আইরিশরা।

সুপার এইটে ছয় ম্যাচে অংশ নিয়ে মাত্র একটিতে জয় পায় আয়ারল্যান্ড। ইংল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা-নিউজিল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া-শ্রীলঙ্কার কাছে হারলেও বাংলাদেশের বিপক্ষে ৭৪ রানে জয় তুলে নেয় ট্রেন্ট জনসনের দলটি।

প্রথম আসরে সুপার এইটে উঠতে পারলেও ২০১১ ও ২০১৫ বিশ্বকাপ আসরের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয় আয়ারল্যান্ড। তবে দু’টি আসরেই নিজেদের পারফরমেন্সে উজ্জ্বল ছিলো আইরিশরা।

২০১১ বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডের সবচেয়ে বড় চমক ছিলো ইংল্যান্ড বধ। ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে ইংল্যান্ডের ছুঁড়ে দেয়া ৩২৮ রানের বিশাল টার্গেট ৩ উইকেট হাতে রেখেই স্পর্শ করে ফেলে আয়ারল্যান্ড।

পরের বিশ্বকাপে শুরুতে ক্রিকেট বিশ্বকে আবারো চমকে দেয় আয়ারল্যান্ড। নিউজিল্যান্ডের নেলসনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের করা ৩০৪ রান ৬ উইকেট খরচ করে ৩০৭ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় আইরিশরা।

শুধুমাত্র বিশ্বকাপের বড় মঞ্চেই নয়, দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজগুলোতেও দুর্দান্ত সব জয়কে সঙ্গী করেছে আয়ারল্যান্ড। এবার ক্রিকেটের প্রধান ফরম্যাট টেস্টে প্রথমবারের মত পরীক্ষা দিবে আইরিশরা।

নিজেদের প্রথম টেস্টকে বড় উপলক্ষ হিসেবে অভিহিত করেছেন আয়ারল্যান্ড অধিনায়ক উইলিয়াম পোর্টারফিল্ড। তিনি বলেন, ‘আয়ারল্যান্ড ক্রিকেটের সাথে জড়িত সকলের জন্য এটি অনেক বড় উপলক্ষ।’

নিজেদের অবিস্মরণীয় টেস্টে সাবেক ও বর্তমান খেলোয়াড়দের অবদান অস্বীকার্য বলে জানান পোর্টারফিল্ড, ‘অতীতে আমরা অনেক খেলোয়াড় পেয়েছি। কিছু খেলোয়াড় এখানেও আছে, আবার কিছু নেই। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে এবং স্বীকৃতি দিতে হবে এ পর্যায়ে আসতে তারা কি করেছেন। তাদের অবদান না থাকলে আমরা শুক্রবারের ম্যাচের জন্য ভাগ্যবান নাও হতে পারতাম।’

আয়ারল্যান্ডের এমন ঐতিহাসিক ম্যাচের অংশ হতে পেরে বেশ খুশী পাকিস্তানের অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদও। তিনি বলেন, ‘এমন ঐতিহাসিক টেস্টে অংশ হতে পারাটা বিশেষ কিছু।’

অস্ট্রেলিয়া বাদে ক্রিকেট ইতিহাসে নিজেদের অভিষেক টেস্ট এখনও কোনো দল জিততে পারেনি। ১৮৭৭ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের অভিষেক টেস্টে জয়ের স্বাদ পেয়েছিল অসিরা। আয়ারল্যান্ডের বেলায় এমন কিছু ঘটে কি-না সেটিই এখন দেখার বিষয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ইরানের ওপর চাপ বাড়াল যুক্তরাষ্ট্র

নিষেধাজ্ঞা জারি করে নতুন করে ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করল যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশন গার্ডস কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে সম্পৃক্ত ছয় ব্যক্তিসহ তিন প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্টিভেন মানুচিন বলেন, ‘ধ্বংসাত্মক কাজের জন্য ওই বাহিনীতে যারা লাখ লাখ টাকা সরবরাহ করেছে, তাদের জন্যই যুক্তরাষ্ট্রের এই নিষেধাজ্ঞা।’

বিস্তারিত আসছে……

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দিল্লিকে হারিয়ে সবার আগে প্লে-অফে সাকিবরা

ঘরের মাঠেই ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) বিদায়ের ঘণ্টা শুনল দিল্লি ডেয়ারডেভিলস। একদমই উল্টো চিত্র সানরাইজার্স হায়দরাবাদ শিবিরে। টানা পঞ্চম জয়ে সবার আগে শেষ চারের ওঠার আনন্দে আত্মহারা সাকিব আল হাসানের দল।

বৃহস্পতিবার টস জিতে ব্যাটিং বেছে নেওয়া দিল্লি ঋষব পন্থের অপরাজিত শতকে ভর করে হায়দরবাদকে ছুঁড়ে দেয় ১৮৮ রানের বিশাল লক্ষ্য। তবে ব্যাটিংয়ে নেমে স্বাগতিকদের বলা চলে উড়িয়েই দিয়েছে অতিথিরা। শিখর ধাওয়ান আর অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের ব্যাটে ভর করে নয় উইকেটের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে সাকিবরা।

দিল্লির ফিরোজ শাহ কোটলা স্টেডিয়ামে শুরুতেই অবশ্য উইকেট হারিয়ে বসে হায়দরাবাদ। যদিও অ্যালেক্স হেলসকে তুলে নেওয়াই ছিল ম্যাচে দিল্লির বোলারদের একমাত্র নৈপুণ্য। ইনিংসের বাকি সময়টা নিজেদের আলোয় আলোকিত করেছেন ধাওয়ান আর উইলিয়ামসন।

দুজন মিলে ১৭৬ রানের অপরাজিত জুটি গড়েই মাঠ ছেড়েছেন জয়ীর বেশে। দিল্লির বোলাররা এদিন যেন অসহায় ছিল এই ব্যাটসম্যান যুগলের সামনে। ৫০ বলে ধাওয়ানের সংগ্রহ অপরাজিত ৯২ রান। অন্যদিকে উইলিয়ামসনের ব্যাটে এসেছে ৫৩ বলে ৮৩ রানের হার-না-মানা ইনিংস।

আট রানের আক্ষেপ থাকতেই পারে ধাওয়ানের। দিল্লি ইনিংসে পন্থের পর ধাওয়ানও হায়দরাবাদের হয়ে হাঁকাতে পারতেন শতক। তবে সবার আগে প্লে-অফ নিশ্চিতের সঙ্গে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান নিজেদের দখলে দেখে আফসোসে লাগাম দিতেই পারেন ভারতীয় উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা শহরের মধুমোল্লারডাঙ্গীতে নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক: জলাবদ্ধতা, সুপেয় পানির সঙ্কট, ড্রেনেজ সমস্যা নিরসনসহ বিভিন্ন দাবিতে সাতক্ষীরা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের মধুমোল্লারডাঙ্গীতে নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ, সাতক্ষীরার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ৭টায় স্থানীয় বাসিন্দা সাতক্ষীরা জেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার অলোক তফরদারের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ, সাতক্ষীরার আহ্বায়ক এড. ফাহিমুল হক কিসলু, যুগ্ম আহ্বায়ক শুধাংশু শেখর সরকার, ইঞ্জিনিয়ার মো. আবেদুর রহমান, আনোয়ার জাহিদ তপন, নিত্যানন্দ সরকার, সাতক্ষীরা জজকোর্টের পিপি এড. ওসমান গণি, সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আ ক ম রেজোয়ান উল্লাহ সবুজ, সাতক্ষীরা পৌর আ. লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের সদস্য মো: রাশেদুজ্জামান রাশি, হাফিজুর রহমান মাসুম, ইকবাল লোদী প্রমুখ।

স্থানীয় নাগরিক সমস্যা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন এড. জিল্লুর রহমান (২), এড. রুহুল আমিন, ব্যাংক কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার, আবু তালেব মাস্টার, বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. ইউনুস আলী, মধুমোল্লারডাঙ্গী উন্নয়ন কমিটির আশরাফ আলী, নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
এসময় বক্তারা সাতক্ষীরা পৌরসভার সাপ্লাই পানির নি¤œমান ও অপর্যাপ্ততা, দীর্ঘমেয়াদী জলাবদ্ধতা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকা প্রভৃতি বিষয় সমাধানে সম্মিলিতভাবে আন্দোলন করার প্রয়োজনীতার কথা তুলে ধরেন। তারা বলেন, দীর্ঘদিন থেকে এসব সমস্যা নিয়ে নাগরিকরা চরম ভোগান্তিতে থাকলেও পৌরসভা ও স্থানীয় বিভিন্ন সরকারি সংস্থার অবহেলার তা সমাধান করা হচ্ছে না। বরং দিনদিন নাগরিক সুবিধা সঙ্কুচিত হয়ে আসছে এবং মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। তারা দ্রুত এসব সমস্যা সমাধানের দাবি জানান।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শেখ রাসেল শিশু-কিশোর পরিষদ সাতক্ষীরা পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভাইরাল সোনামের রিসেপশনে কারিনার নাচ(ভিডিও)

বলিউডের অন্যতম সেরা অভিনেত্রী বলা হয় তাকে। সবকিছুতেই তিনি যেন বি টাউনের অন্য অভিনেত্রীদের সামনে একজন ‘আইডল’। বলছিলাম কারিনা কাপুর খানের কথা। আর সেই কারিনাকে যখন মিউজিকের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নাচতে দেখা গেল, তখন সেই নাচ ভাইরাল হতে সময় লাগেনি।

ঘটনাটা খোলাশা করে বলা যাক তাহলে। সোনাম কাপুরের রিসেপশনে যখন একের পর এক বলিউড তারকারা ঝলসে উঠছেন, সেই সময় সোনালি লেহেঙ্গায় সেখানে হাজির হন কারিনাও। সাইফ আলি খানের হাত ধরে কারিনা যখন সোনাম-আনন্দের রিসেপশনে হাজির হন, তখন পড়তে শুরু করে ক্যামেরার ফ্ল্যাশ।

এরপর রাত যত বাড়তে শুরু করে, সোনামের রিসেপশনের চমকও বাড়তে শুরু করে। আর সেখানেই ডিজে, কারিশমা কাপুর, রিয়া কাপুর এবং করণ জহরের সঙ্গে নাচতে দেখা যায় কারিনাকে।

কখনও ‘ভির ডি ওয়েডিং’-এর তিরেফানের সুরে নাচতে দেখা যায় কারিনাকে। আবার কখনও স্বামী সাইফ আলি খানের ‘সিগনেচার স্টেপ’ ‘ওলে ওলে’-তে কোমর দোলাতে দেখা তাকে। সোনামের রিসেপশনে হাজির হয়ে কারিনা যেভাবে মাতিয়ে দিয়েছেন, সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই তা ভাইরাল হয়ে যায়।

https://www.youtube.com/watch?v=I9hyYoqy6Iw

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন স্থগিত

বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ উৎক্ষেপন স্থগিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১টা ৪৭ মিনিটে উৎক্ষেপনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরে তা ২টা ২২ মিনিটে ও সর্বশেষ ৩টা ৪৭ মিনিটে কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উপগ্রহটি বহনকারী রকেট ফ্যালকন-৯-এর মহাকাশের পথে উড়াল দেয়ার কথা ছিল।

কারিগরি ত্রুটির কারণে সেটি পরবর্তীতে ৪টা ২২ মিনিটে নির্ধারণ করে ঘোষণা দেয়া হয় এসময়ের মধ্যে উৎক্ষেপন না হলে সেটি আর আজ উৎক্ষেপন হবে না। সবশেষে কারিগরি সমস্যার কারণে সেটি স্থগিত করা হয় বলে ঘোষণা দেয়া হয়।

স্পেসএক্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উৎক্ষেপন আজকের মতো স্থগিত করা হয়েছে। রকেট ও পে লোড ভালোই আছে। ব্যাকআপ হিসেবে যে সুযোগ আছে সেটিকে কাজে লাগানো হবে।

তবে আগামীকাল একই সময়ে অর্থাৎ রাত ৪টার পর এটি আবার উড্ডয়ন করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ উপলক্ষে এদিন কেনেডি স্পেস সেন্টারে ছিল বাংলাদেশের ৩০ সদস্যের প্রতিনিধি দল। এ ঐতিহাসিক ঘটনা নিজ চোখে দেখতে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশিরাও ছুটে আসেন ফ্লোরিডায়। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজন করে নানা অনুষ্ঠান।

লঞ্চপ্যাডের সাড়ে তিন মাইল দূরে ছিল দর্শনার্থীদের বসার স্থান। এর ভিআইপি লাউঞ্জে এদিন ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। আর বাংলাদেশ দলের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন তথ্যপ্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ, ইমরান আহমেদ, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ প্রমুখ। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি কৃষিবিজ্ঞানী ড. সিদ্দিকুর রহমানসহ দলের নেতাকর্মীরাও ছিলেন দর্শনার্থী।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে গণমাধ্যমকর্মীরা নাসার গবেষণাস্থল কেনেডি স্পেস সেন্টারে ঢুকতে থাকেন। তবে নাসার কার্যক্রম শুরু হয় এর আগে সকাল ৭টা থেকে। সরকারের প্রতিনিধি দলের সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উৎক্ষেপণ দেখতে নির্ধারিত স্থান ছিল। তবে এর বাইরে কেনেডি সেন্টারের আশপাশে খোলা প্রান্তরে জড়ো হন বহু মানুষ।

ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, উৎক্ষেপণ অনুষ্ঠান উৎসবমুখর করতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্য থেকে দলের নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রবাসী বাংলাদেশিরা ফ্লোরিডা আসেন। উৎক্ষেপণ উপলক্ষে কাল (আজ) কোকোয়া বিচ হোটেলে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস। সজীব ওয়াজেদ জয় সেখানে থাকবেন বলে আশা করছি।

সিদ্দিকুর আরও বলেন, দিনটি স্মরণীয় করে রাখতে ফ্লোরিডা আওয়ামী লীগ দিনব্যাপী অনুষ্ঠান করছে। সকালে কেনেডি স্পেস সেন্টারের আশপাশে নেতাকর্মীরা আনন্দ র‌্যালি বের করেন। সন্ধ্যার পর থেকে ফ্লোরিডার আকাশজুড়ে আতশবাজির ঝলকানি দেখা যাবে। তিনি বলেন, ৯ মে থেকে কেনেডি স্পেস সেন্টারের পার্শ্ববর্তী হোটেলগুলোয় রুম খালি নেই। অভ্যন্তরীণ এয়ারলাইন্সগুলোয়ও আসন মিলছে না।

উৎক্ষেপণের আগে সকালে তারানা হালিম বলেছিলেন, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত। সবকিছু ঠিক থাকলে নির্দিষ্ট সময়েই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হবে।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বলেছিলেন, ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে বাংলায় ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানটি লেখা রয়েছে। এ স্লোগান নিয়েই কক্ষপথের দিকে ছুটবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট।’ তিনি বলেন, উৎক্ষেপণের জন্য বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের সব ধরনের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। সব পরীক্ষার ফল ইতিবাচক। তবে এসব ক্ষেত্রে আবহাওয়া ও কারিগরি বিষয়গুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। বহু ঘটনা আছে, যেখানে কাউন্টডাউনের একেবারে শেষ পর্যায়ে গিয়েও উৎক্ষেপণ স্থগিত করতে হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে নির্দিষ্ট সময়েই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কক্ষপথের দিকে রওনা হবে। স্পেসএক্স এবারই প্রথম উপগ্রহ উৎক্ষেপণে তাদের ফ্যালকন-৯ রকেটের ব্লক ৫ সংস্করণ ব্যবহার করতে যাচ্ছে। ৪ মে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারে নতুন এই রকেটের স্ট্যাটিক ফায়ার টেস্ট সম্পন্ন হয়। ৩ হাজার ৫০০ কেজি ওজনের জিওস্টেশনারি কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ফ্যালকন-৯ কক্ষপথের দিকে ছুটবে কেনেডি স্পেস সেন্টারের ঐতিহাসিক লঞ্চ কমপ্লেক্স ৩৯-এ থেকে। এখান থেকেই ১৯৬৯ সালে চন্দ্রাভিযানে রওনা হয়েছিল অ্যাপোলো-১১।

বৃহস্পতিবার সকালে দেখা গেছে, ফ্যালকন-৯ সম্পূর্ণ প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে। রকেটের গায়ে উপরের অংশে সবুজ বর্গের ভেতরে আঁকা বাংলাদেশ সরকারের লোগো। উৎক্ষেপক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের পতাকার ছবিও অঙ্কিত রয়েছে এতে। রকেটের গায়ে লেখা ফ্যালকন-৯, স্পেসএক্স।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নির্মিত হয়েছে ফ্রান্সের তালিস এলিনিয়া স্পেস ফ্যাসিলিটিতে। পরীক্ষা ও পর্যালোচনা শেষে বিশেষ কার্গো বিমানে সেটি লঞ্চ সাইটে আনা হয়। উৎক্ষেপণের জন্য প্রথমে ১৬ ডিসেম্বর তারিখ ঠিক করা হলেও হারিকেন আরমায় ফ্লোরিডায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় তা পিছিয়ে যায়। এরপর কয়েক দফা সময় ঠিক হলেও আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় সেসব তারিখও পেছানো হয়। সরকারের তথ্য মতে, বর্তমানে বিদেশি স্যাটেলাইটের ভাড়া বাবদ ১ কোটি ৪০ লাখ ডলার ব্যয় হয় বাংলাদেশের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ছাত্রলীগের ২৯তম সম্মেলন আজ, সম্ভাবনায় যারা

অনলাইন ডেস্ক: অন্তত দুই প্রজন্ম আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত এমন পরিবারের সন্তানদের এবং বিভিন্ন সময়ে মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় মেধাবী ছাত্রদের হাতে এবার ছাত্রলীগের নেতৃত্ব তুলে দেবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছাত্রলীগের নেতা হওয়ার অন্যতম মানদণ্ড হিসেবে পারিবারিক ঐতিহ্য ও মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকাকিই এবার বিবেচনায় নিয়েছেন দলের সভাপতি। সেইসঙ্গে মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে নেতৃত্ব তুলে দিতে চান তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ট সূত্রগুলো এই দাবি করছেন।

সূত্রগুলোর দাবি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছয়জন শিক্ষার্থী শেখ হাসিনার সংক্ষিপ্ত তালিকায় ঘুরেফিরে আলোচনায় আছেন। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, এদের মধ্য থেকেই নতুন নেতৃত্ব আসতে পারে। সম্ভাব্য এই নেতারা হলেন— ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ছাত্র আদিত্য নন্দী। তিনি বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি। চট্টগ্রামের হাটাহাজারির সন্তান আদিত্যের ব্যাপারে রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র শেখ ইনান। ঝালকাঠির সন্তান ইনান বর্তমান কমিটির উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার অবস্থান ভালো বলে তথ্য পেয়েছে দলের হাই-কমান্ড। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুফিয়া কামাল হলের ছাত্রী চৈতালী হালদার। বর্তমানে সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন। সাংস্কৃতিকমনা এই নেতা মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় বলে জানেন দলের শীর্ষ নেতারা। চাঁদপুরের সন্তান মাজহার শামীমও রয়েছেন আলোচনায়। স্যোসিওলজি বিভাগের এই শিক্ষার্থী মিছিল-মিটিং নিয়ে মাঠে সক্রিয় থাকায় তিনিও আলোচনায় আছেন। পঞ্চগড়ের ছেলে হোসেইন সাদ্দামও রয়েছেন আলোচনায়। এফ রহমান হলের ছাত্র আইন বিভাগের সাদ্দাম বর্তমান কমিটির আইন বিষয়ক উপ-সম্পাদক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনও শেখ হাসিনার সুদৃষ্টিতে আছেন। কুড়িগ্রামের সন্তান শোভন ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির সদস্য। এদের মধ্য থেকেই ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হওয়ার বেশি সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানাগেছে।

শেখ হাসিনার পছন্দের তালিকায় থেকে নেতা হওয়াকে এবার বেশি গৌরবের মনে করছেন ছাত্রলীগের পদ-প্রত্যাশী নেতারা। পদ পেতে চান এমন প্রায় ডজনখানেক নেতার সঙ্গে আলাপ করে তাদের মনের কথা জানা গেছে। তারা বলছেন, শেখ হাসিনার পছন্দে নেতা হওয়া গৌরবের বিষয়। নেত্রীর পছন্দে যারাই নেতা হয়ে আসবেন, তাদের ব্যাপারে কারও কোনও আপত্তি থাকবে না।

শুক্রবার (১১ মে) ছাত্রলীগের ২৯তম সম্মেলন। এ উপলক্ষে ইতোমধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি শেষ হয়েছে।আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের দেখভালের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের প্রস্তুতি শেষ করেছে ছাত্রলীগ। বেলা আড়াইটায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দ্বি-বার্ষিক এই সম্মেলন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরের দিন শনিবার (১২ মে) একইস্থানে দ্বিতীয় অধিবেশন শেষে নতুন নেতৃত্ব ছাত্রলীগের দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। ওইদিনই দেওয়া হবে ঢাকা বিশ্বদ্যিালয় শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বভার। ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে ঢাকা বিশ্বদ্যিালয় শাখা ও ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ ছাত্রলীগের সম্মেলন। শেখ হাসিনার নির্দেশে এই কমিটিগুলোও কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে ঘোষণা করা হবে।

আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, সর্বশেষ দুটি সম্মেলনে ভোটে নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে কলুষিত করা হয়েছে মনে করে এবার নেতা নির্বাচনে শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। ফলে সংগঠনের নতুন নেতা নির্বাচনের জন্যে এবার ভোট হচ্ছে না। ভোটে কাউন্সিলরদের প্রভাবিত করে অযোগ্য নেতাও অনেক ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের নেতৃত্বে এসেছে। ফলশ্রুতিতে দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বের বদলে অদক্ষ, অযোগ্য, ভিন্ন চিন্তা-চেতনা এবং ভিন্ন আদর্শের ছেলেরা ছাত্রলীগের নেতা নির্বাচিত হয়েছে। আওয়ামী লীগের শীর্ষ মহল এবার ভোট দিয়ে নেতা নির্বাচন না করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তাই রবিবার দ্বিতীয় অধিবেশন শেষ করে প্রস্তাবিত নামগুলো নিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসে নতুন নেতা নির্বাচন করবেন।

ছাত্রলীগের সম্মেলন নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ছাত্রলীগের সম্মেলনে আমাদের সহযোগিতা থাকবে।’ তিনি বলেন, ‘আর নেত্রী (শেখ হাসিনা) যেহেতু সাংগঠনিক দায়িত্বে আছেন, তিনি যেভাবে চাইবেন, সেভাবেই নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হবেন।’ বৃহস্পতিবার (১০ মে) ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রলীগ প্রসঙ্গে এসব কথা বলেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালি পেটে ফল খাওয়ার ৯টি উপকারিতা

এশিয়া মহাদেশের বাসিন্দারা বহু যুগ ধরে একটা ধরণা মেনে আসছেন যে, সকালে উঠে খালি পেটে ফল খেলে নাকি শরীরের ক্ষতি হয়। কিন্তু বৈজ্ঞানিক গবেষণা যে একেবারে অন্য কথা বলছে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত ব্রেকফাস্টে ফল খাওয়ার অভ্যাস করলে শরীরে অন্দরে জমে থাকা টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক উপকার। যেমন ধরুন…

১. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে
ঘুম থেকে ওঠার পর ব্লাড সেল এবং ব্রেন সেলকে পুনরায় অ্যাকটিভ করতে শরীরের প্রচুর পরিমাণে প্রকৃতিক শর্করার প্রয়োজন পড়ে। এই কারণেই তো খালি পেটে ফল খাওয়া পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। আসলে এমনটা করলে একদিকে যেমন শরীরে চিনির চাহিদা পূরণ হয়, তেমনি প্রকৃতিক সুগার, লো গ্লাইকেমিক হওয়ার কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কাও কমে। ফলে ডায়াবেটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা যায় কমে।

২. হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে
দীর্ঘদিন সুস্থভাবে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখেন নাকি? তাহলে ব্রেকফাস্টের মেনুতে ফল থাকা চাইই-চাই। কারণ নিয়মিত খালি পেটে ফল খেলে শরীরে উপকারি ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং মিনারেলের মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যা খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমানোর পাশাপাশি ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।

৩. পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে ব্রেকফাস্ট করার ২০ মিনিট আগে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খেলে খাবারে উপস্থিত পুষ্টিকর উপাদানেরা শরীর দ্বারা বেশি মাত্রায় শোষিত হয়। ফলে দেহের অন্দরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে অ্যানিমিয়ার মতো রোগের খপ্পরে পড়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৪. শরীরকে বিষ মুক্ত করে
সকাল ৭-১১ পর্যন্ত শরীর নিজের অন্দরে জমে থাকা টক্সিক উপাদানদের বের করে দেওয়ার প্রক্রিয়া চালায়। তাই তো এই সময় এক বাটি ফল খেলে শরীর থেকে বেশি মাত্রায় বিষাক্ত উপাদান বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই টক্সিক উপাদানের প্রভাবে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। তাই শরীরকে যদি সুস্থ রাখতে চান, তাহলে ফল খেতে ভুলবেন না যেন!

৫. অ্যাসিডের প্রকোপ কমে
সকাল সকাল ফল খাওয়া মানেই চোরা ঢেকুর আর অ্যাসিডিটির কবলে পড়া- এমন ধরণার কিন্তু কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। কারণ একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে ফল খাওয়া মাত্র অ্যাসিড হওয়ার কোনও সম্ভাবনা তো থাকেই না। উল্টো শরীরে অ্যাসিড এবং অ্যালকেলাইনের ভারসাম্য ঠিক হতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই অ্যাসিডিটি এবং গ্য়াস-অম্বলে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।

৬. শরীরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়
ফলের অন্দরে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা রক্তে মেশার পর শরীরের প্রতিটি অঙ্গের কর্মক্ষমতা তো বাড়েই, সেই সঙ্গে মস্তিষ্কও সজাগ হয়ে ওঠে। ফলে সার্বিকভাবে শরীরের সচলতা বৃদ্ধি পায়। প্রসঙ্গত, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে চা-কাফি খেলে এমন উপকার পাওয়া যায় না। উল্টো নানান ক্ষতি হয় শরীরের।

৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়
বেশিরভাগ ফলে উপস্থিত ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য উপকারি উপাদান দেহের অন্দরের শক্তি এতটাই বাড়িয়ে দেয় যে রোগ প্রতিরোধ ব্য়বস্থা ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয়ে উঠতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ছোট-বড় নানা রোগ দূরে থাকতে বাধ্য হয়, সেই সঙ্গে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৮. ওজন কমে
অতিরিক্ত ওজনেরে কারণে যারা বেজায় চিন্তায় রয়েছেন, তারা নিয়মিত ব্রেকফাস্টে যদি ফল খাওয়া শুরু করুন, তাহলে কিন্তু দারুন উপকার মেলে। কারণ ফলের অন্দরে থাকা একাধিক পুষ্টিকর উপাদান একদিকে যেমন শরীরে মজুত টক্সিক উপাদানদের বের করে দিয়ে ওজন হ্রাসের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে, তেমনি অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে বারে বারে খাবার খাওয়ার প্রবণতা হ্রাস পায়। আর যেমনটা আপনাদের সকলেরই জানা আছে যে কম খেলে ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা একেবারেই থাকে না বললেই চলে।

৯. নানাবিধ পেটের রোগের প্রকোপ কমে
ফলের অন্দরে থাকা ফাইবার, শরীরে প্রবেশ করার পর হজমে সহায়ক পাঁচক রসের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে একদিকে যেমন হজমক্ষমতার উন্নতি ঘটে, তেমনি কনস্টিপেশনের মতো রোগের প্রকোপ কমতেও সময় লাগে না। তাই যারা নানাবিধ পেটের রোগের কারণে বেজায় চিন্তায় রয়েছেন, তারা নিয়ম করে ব্রেকফাস্টে ফল খাওয়া শুরু করুন। দেখবনে দারুন উপকার মিলবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest