সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার ৩২৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারশ্যামনগরে জনসভা- গণমিছিলের মধ্য দিয়ে গাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচনী প্রচারণা শুরুতালা–কলারোয়ার উন্নয়নে ঐক্যের ডাক হাবিবুল ইসলাম হাবিবেরআদালত চত্বরে কেরোসিন ঢেলে মাটি চাপা দেওয়া হলো জব্দকৃত হরিণের মাংসসাংবাদিক আকরামুলের উপর হামলা : সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দাপাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যান আনোয়ার আলদীনের উদ্যোগে দশ গ্রামের দুস্থদের মাঝে তিন সহস্রাধিক কম্বল বিতরণবিএনপি থেকে ডা: শহীদুল আলম বহিস্কারসংগ্রামের গল্পে ঢাবি জয় দিহানেরতালায় লার্নিং শেয়ারিং ওয়ার্কশপসাতক্ষীরায় ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার : ৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১৮

এমপি রবিকে শহর ছাত্রলীগের শুভেচ্ছা

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ: সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবিকে ফুলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে শহর ছাত্রলীগের নব-পঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ।

সোমবার রাতে শহরের মুনজিতপুর মীর মহলে ফুলের শুভেচ্ছা জানান নব-গঠিত শহর ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ মোস্তাফিজুর রহমান (শোভন) ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুল রহমান (শিমুল)সহ নব-গঠিত কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় সংসদ সদস্য নব-গঠিত শহর ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদকসহ নেতৃবৃন্দকে জাতির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সংগঠনকে আরও গতিশীল করার আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পৌর ৪ ও ৯নং ওয়ার্ডের যুবলীগের কমিটি বিলুপ্ত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সাতক্ষীরা পৌর ৪ ও ৯নং ওয়ার্ডের যুবলীগের কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার বিকালে পৌর যুবলীগের সভাপতি মোনায়ার হোসেন অনু ও সাধারণ সম্পাদক তুহিনুর রহমান তুহিন স্বাক্ষরিত এক পত্রে উক্ত কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়া থেকে চান্দুড়িয়া সড়কটির বেহাল দশা

নিজস্ব প্রতিবেদক: সড়কটির নাম কলারোয় টু চান্দুড়িয়া…। জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি রক্ষণাবেক্ষণ আর মেরামতের অভাবে অনেকটা অনুপযোগি হয়ে পড়েছে চলাচলে। প্রতিনিয়ত নাজেহালে পড়ছেন পথচারীরা।
১৭কিলোমিটার দৈর্ঘের এ সড়কটির বিভিন্ন স্থান পরিণত হয়েছে খানাখন্দকে। গর্তের কারণে পিচের সড়কগুলো বিটুমিন-ইট-খোয়া উঠে রীতিমত কাচা মাটির সড়কেও পরিণত হয়েছে বহু স্থানে। কলারোয়া হাসপাতাল সড়কের বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজ পেরিয়ে পৌরসভাধীন প্রায় আধা কি.মি’র রাস্তাটি এখন ‘আইসিইউতে’ও জায়গা হচ্ছে না। এতটাই খারাপ অবস্থা যেন হেটে গেলেও হুবড়ি বা হোচট খেয়ে পড়ে যাওয়ার উপক্রম। এর পর লোহাকুড়া, দমদম, সোনাবাড়িয়া, বুঝতলা, বয়ারডাঙ্গা, গয়ড়া, চন্দনপুর, কাদপুর হয়ে চান্দুড়িয়া ইছামতি নদী ঘেষা সীমান্ত পর্যন্ত এ রাস্তার বিভিন্ন এলাকা শুধু নষ্ট, বিনষ্ট, খানা-খন্দকে পরিণত হয়নি প্রায় প্রতিদিন রাস্তার এখানে সেখানে শুকানো ও ঝাড়ার জন্য উঠতি মসুরি ডালের গাছসহ ধানের পল, গম গাছ, সরিষাসহ বিভিন্ন ফসলের গাছ বিছিয়ে রাখেন স্থানীয় জনসাধারণ।
পাশাপাশি এই সড়কের একেবারে ধারে অবস্থিত ৬টি ইটের ভাটার মাটি পড়ে ভয়ানক অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ভাটার মাটি আনা-নেয়ার কাজে ব্যবহৃত ট্রলি, ট্রাক্টর-ট্রলি ইত্যাদির অনিয়ন্ত্রিত ও ইচ্ছাখুশি মতো পথকাপানো চলাচলে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনাও ঘটছে। এছাড়াও এই সড়কে নিয়মিত চলাচলকারী যাত্রিবাহী মহেন্দ্র, জেএসএ, নছিমন ইত্যাদির ভয়ানক দ্রুতগতির লাগামহীন চলাচলেও ভোগান্তি পড়ছেন সাধারণ পথচারীরা। সবমিলিয়ে রাস্তার দূর্বস্থা আর অনিয়ন্ত্রিত যান চলাচলে বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছেন কলারোয়া-চান্দুড়িয়া সড়ক ব্যবহারকারী হাজারো মানুষ। ভূক্তভোগিরা জানিয়েছেন- ‘যেন দেখার কেউ নেই।’
বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিজিবি ক্যাম্পসহ জনগুরুত্বপূর্ণ দপ্তর রয়েছে উপজেলার পশ্চিমাঞ্চল জনপদে। এছাড়াও সার্বিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এ অঞ্চল ও অঞ্চলের সাধারণ মানুষ। তবু বিষ্ময়কর ও হতাশা লেগেই আছে সড়ক উন্নয়নের অভাবে। অনেকে বলছেন- ‘যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নতি হলে এলাকার উন্নয়ন অনস্বীকার্য।’
সড়ক মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ ও যানচলাচলে নিয়মনীতি বাস্তবায়নসহ বিষয়টি নিরসনে সংশ্লিষ্ট ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন ভূক্তভোগিসহ সচেতন মহল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৪ মার্চ জেলা আওয়ামীলীগের জরুরি সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: আগামী ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের এক প্রস্তুতিসভা জেলা সদরে বসবাসরত ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের সমন্বয়ে এক যৌথ প্রস্তুতিসভা আগামী ১৪ মার্চ বুধবার বিকাল ৫টায় সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত সভায় জেলা আওয়ামীলীগের শহরে বসবাসরত সকল নেতৃবৃন্দকে উপস্থিত হওয়ার জন্য আহবান জানিয়েছে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্বা মোঃ নজরুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বারবার যান্ত্রিক ত্রুটি: এই বিমান ফিটনেস পেল কিভাবে!
অনলাইন ডেস্ক: নেপালে বিধ্বস্ত ইউএস বাংলার ড্যাস-৮ কিউ ৪০০ উড়োজাহাজটি এর আগেও দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। ২০১৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর একবার যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য উড়োজাহাজ রানওয়ে থেকে ছিটকে ঘাসের ওপর পড়ে। সেসময় যাত্রীরা ভয়ংকর আতঙ্কিত হলেও কর্তৃপক্ষ একটি ব্রিফ দিয়ে দায় সেরেছিল। এরপর থেকে উড়োজাহাজটি বারবার যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সিডিউল বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। তারপরও কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।
জানা গেছে, ইউএস বাংলার ড্যাস-৮ কিউ ৪০০ এই উড়োজাহাজটি চলাচলের উপযোগী কোন ফিটনেস ছিল না। পানি পথে লঞ্চ যেমন ফিটনেস ছাড়া অহরহ চলছে, এবার আকাশ পথে উড়োজাহাজের ক্ষেত্রেও তেমনটি ঘটেছে। শুধু ইউএসবাংলা কর্তৃপক্ষ নয়, যারা ফিটনেস দেয় তারাও এর জন্য দায়ী। ফিটনেস পাওয়া নিয়ে বড় ধরনের দুর্নীতি। এক্ষেত্রে বড় অঙ্কের অর্থের লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতো মানুষের জীবন চলে যাওয়ার দায় এসব কর্তৃপক্ষ এড়াতে পারে না। গত রাতে সিভিল এভিয়েশনের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, ফিটনেস পাওয়া নিয়ে এ ধরনের অভিযোগ তারাও শুনেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ইউএসবাংলা এয়ারলাইন্স ২০১৪ সালের ১৭ জুলাই প্রথমে যশোর-ঢাকা-যশোর রুটে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করে। পরে পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রাম, সিলেট, কক্সবাজার, সৈয়দপুর, রাজশাহী এবং বরিশালেও ফ্লাইট চালু করা হয়। বর্তমানে অভ্যন্তরীণ এসব রুটে দৈনিক ৩২টি ফ্লাইট চলাচল করছে। এছাড়া ৭টি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক রুটেও ফ্লাইট চালু করেছে এই এয়ারলাইন্স। রুটগুলো হচ্ছে- ঢাকা-মাস্কাট-ঢাকা, ঢাকা-সিঙ্গাপুর-ঢাকা, ঢাকা-কুয়ালালামপুর-ঢাকা,ঢাকা-ব্যাংকক-ঢাকা, ঢাকা-কাঠমান্ডু-ঢাকা, ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা এবং চট্টগ্রাম-কলকাতা-চট্টগ্রাম। ভবিষ্যতে তারা ঢাকা-গুয়াংজু-ঢাকা রুটে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা করছে। এই এয়ারলাইন্সের নিজস্ব ৪টি ড্যাস-৮ কিউ ৪০০ উড়োজাহাজ এবং ভাড়ায় আনা ৪টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজ রয়েছে।
তবে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সিডিউল বিপর্যয় প্রায়ই ঘটতো। ইদানিং ইউএসবাংলা এয়ারলাইন্সের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট চলাচলে সিডিউল বিপর্যয় নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা ছিল। জানা যায়, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ড্যাস-৮ কিউ ৪০০ উড়োজাহাজ ২০১৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ৭৪ জন যাত্রী নিয়ে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানটি রানওয়ের এক প্রান্তে ইউটার্ন নিয়ে যখন পার্কিং বে-তে আসছিল তখন একটি চাকা আটকে যায়। সেদিন ঢাকা থেকে দ্রুততার সঙ্গে হেলিকপ্টারযোগে দক্ষ প্রকৌশলীদের নিয়ে যাওয়া হয়। কিছুক্ষণের মধ্যে প্রকৌশলীরা বিমানটি পার্কিং বে-তে ফিরিয়ে আনেন এবং ফিরতি যাত্রীদের নিয়ে যথারীতি ঢাকায় ফিরে আসে।
ঠিক প্রায় আড়াই বছর পর সেই উড়োজাহাজটি গতকাল নেপালে বিধ্বস্ত হল। ঢাকা থেকে নেপালের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া বিমান সংস্থা ইউএস বাংলার ওই বিমানটি কাঠমান্ডুতে বিধ্বস্ত হয়েছে। গতকাল সোমবার কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি খেলার মাঠে বিধ্বস্ত হয় উড়োজাহাজটি। এই দুর্ঘটনায় ২৭ বাংলাদেশীসহ ৪৯ যাত্রীর প্রাণহানি ঘটেছে।
জানা গেছে, ইউএসবাংলার উড়োজাহাজের কারিগরি ত্রুটি দীর্ঘদিন ধরে বাড়তি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাত্রী বোঝাই করে নির্ধারিত গন্তব্যের উদ্দেশ্যে উড়াল দেওয়ার পর আকাশেও উড়োজাহাজে মাঝে মাঝে কারিগরি ত্রুটি দেখা দিচ্ছে। অনেক সময় বিমানবন্দরের র‌্যাম্প থেকে যাত্রীদের উঠিয়ে ট্যাক্সিওয়ে কিংবা রানওয়েতে গিয়ে কারিগরি ত্রুটি ধরা পড়ায় পাইলট ফ্লাইট টেকঅপ (উড়াল) করার সিদ্ধান্ত পরিহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। এক্ষেত্রে যাত্রীদের নামিয়ে টার্মিনালে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। পরে ওই উড়োজাহাজের ত্রুটি দূর করে কিংবা অন্য কোন উড়োজাহাজে সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের পাঠানো হচ্ছে।
গত ৫ মার্চ ঢাকা থেকে সৈয়দপুরের উদ্দেশ্যে ইউএসবাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি ছাড়ার সময়সূচি ছিল সকাল ৮টা ৪৫ মিনিট। যাত্রীদের ফ্লাইটে তোলা হয়। ফ্লাইটটি র‌্যাম্প থেকে ট্যাক্সিওয়ে পার হওয়ার পর রানওয়ের কাছাকাছি গেলে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়। এ সময় পাইলট যাত্রা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন। সব যাত্রীকে টার্মিনালে ফেরত আনা হয়। এরপর অন্য একটি উড়োজাহাজে করে যাত্রীদের সৈয়দপুরে পাঠানো হয়। ৪ মার্চ সকালে প্রায় দুই ঘণ্টা বিলম্বে ঢাকা থেকে যশোরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া একটি ফ্লাইটও যাত্রী নিয়ে আকাশে কারিগরি ত্রুটির কবলে পড়ে। ফ্লাইটটি মাঝ পথ থেকে আবার ঢাকায় ফিরে আসে। ফলে বিলম্বের কারণে উভয় দিকের যাত্রীদের বিড়ম্বনার মধ্যে পড়তে হয়।
এই মডেলের বিমানের বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা নতুন নয়
নেপালে ইউএস বাংলার যে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে সেটি কানাডার বোম্বাডিয়ার কোম্পানির তৈরি ড্যাশ-৮ কিউ-৪০০ মডেলের। আকাশপথে বিশ্বের বিভিন্ন রুটে এই উড়োজাহাজ চলাচল করে। তবে এই মডেলের বিমানের বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই বিমান দুর্ঘটনা কবলিত হয়েছে। নেপালে বিধ্বস্ত ইউএস বাংলার বিমানটি ১৬ বছরের পুরাতন। ১৯৮২ সালে ৯ মে ইয়েমেনের এডেনের কাছেই এই মডেলের একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সাগরে পড়ে যায় বিমানটি। এতে ২১ যাত্রী ও ২ ক্রু প্রাণ হারান। এর ছয় বছর পর নরওয়েতে আবারও ড্যাশ সেভেন মডেলের বিমান দুর্ঘটনা কবলিত হয়। এতে ৩৬ জন আরোহীর সবাই নিহত হন।
বোমবার্ডিয়ার ড্যাশ-৮ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটে ১৯৮৭ সালে। সে বছরের ১৯ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে যাওয়ার পথে ইঞ্জিন বিস্ফোরিত হয় বিমানটির। আগুন লেগে বিধ্বস্ত হয় বিমানটি। তবে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল যাত্রী ও ক্রুদের। গুরুতর আহত হয়েছিলেন চারজন। এক বছর বছরপরই আবারও দুর্ঘটনায় পড়ে এই মডেলের বিমান। যাত্রাপথ এবারও একই। হাইড্রলিক সিস্টেমে আগুন ধরে যায়। সৌভাগ্যবশত সেবারও যাত্রীরা বেঁচে গেলেও গুরুতর আহত হয়েছিলেন চারজন। এরপর ১৯৯০ সালে ব্যাংকক এয়ারওয়েজের একটি বিমান দুর্ঘটনায় পড়ে। ব্যাংকক থেকে থাইল্যান্ড যাচ্ছিল বোমবার্ডিয়ার ড্যাশ এইট মডেলের বিমানটি। তবে ভারী বর্ষণের এলাকায় গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন পাইলট। এরপর একটি নারিকেল গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে বিধ্বস্ত হয় বিমানটি। নিহত হন ৩৩ জন যাত্রী ও পাঁচজন ক্রু।
১৯৯৩ সালের ৬ জানুয়ারি ফ্রান্সের প্যারিসে ড্যাশ-৮ বিমান বিধ্বস্ত হয়। জার্মানির ব্রিমেন বিমান বন্দর থেকে বিমানটি ১৯ যাত্রী নিয়ে আসছিল। বিমানে চারজন ক্রু ছিলেন। প্যারিস বিমানবন্দরে অবতরণের সময় রানওয়ে পরিবর্তন করতে বলা হলে পাইলট তার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এতে চার ক্রু গুরুতর আহত হন। ১৯ যাত্রীর মধ্যে চারজন নিহত হন। ১৯৯৫ সালের ৯ জুন নিউজিল্যান্ডে ড্যাশ-৮ এর আরও একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়। খারাপ আবহাওয়ার কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। বিমানটিতে তিনজন ক্রু এবং ১৮ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনায় একজন ক্রু ও চারজন যাত্রী মারা যান। ২০০৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্কের বাফেলোর কাছাকাছি ড্যাশ-৮ বিমান বিধ্বস্ত হয়। বাফেলো বিমানবন্দর থেকে প্রায় সাত মাইল দূরে একটি বাড়ির ওপরে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এতে বাড়িটি ধ্বংস হয়ে যায় এবং বিমানটিও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বিমানে থাকা ৪৫ যাত্রী ও চার ক্রু নিহত হন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রতনপুর বাজারে মোবাইলের দোকানে চুরি

পলাশ দেবনাথ নুরনগর : কালিগঞ্জ উপজেলার রতনপুর বাজারের ফ্রেন্ডস টেলিকমে চুরি হয়েছে। গত ১১ই মার্চ গভীর রাতে রতনপুর বাজারের জিল্লু ফার্মেসী সংলগ্ন মোঃ হাসানুজ্জামানের ফ্রেন্ডস টেলিকম থেকে লক্ষ্যধিক টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে দোকানে মালিক। রতনপুর বাজারের ৬জন নৈশ্য প্রহরী থাকার পরেও দেয়াল কেটে চুরির ঘটনায় হতাশ বাজারের অন্যন্যা ব্যবসায়ীরা। নুরনগর-কালিগঞ্জ সড়কের পাশে মোবাইলের দোকানের পিছনের ১০ইঞ্চি পাকা দেয়াল কেটে দোকানে থাকা সমস্ত মালামাল সহ নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে বলে জানা গেছে। দোকনের মালিক হাসানুজ্জামানের সাথে কথা বললে সে বলে ২০/২৫টি নতুন মোবাইল ও ৭টি লোডের সীম কার্ড সহ মোবাইল এবং নগদ ক্যাশে থাকা ৮০ হাজার টাকা চুরি হয়েছে। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত এ বিষয়ে কালিগঞ্জ থানায় অভিযোগের প্রস্তুতি চলছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাকালে আ’লীনেতার ক্রয়কৃত সম্পত্তির সীমানা পিলার ভাংচুর !

নিজস্ব প্রতিবেদক : শহরের বাকাল বারুইপাড়ায় আওয়ামীলীগ নেতার ক্রয়কৃত সম্পত্তির সীমানা পিলার ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় সাতক্ষীরায় সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা আবুল কাশেম।
অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, খড়িবিলা দক্ষিণপাড়া এলাকার মৃত মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে পৌর ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম বাকাল বারুইপাড়ায় পলাশপোল মৌজায়, খতিয়ান নং, হাল- ১২১৫, দাগ নং- ১৩৫৯৩, জমির পরিমাণ-৭৮ শতকের মধ্যে ৯.৫০ শতক ক্রয় করেন। ক্রয়ের পর গত ২ মার্চ উক্ত জমির সীমানা নির্ধারণ করতে গেলে বাকাল এলাকার শেখ আব্দুস সবুরের ছেলে শেখ কামরুজ্জামান মুকুল, শফিকুজ্জামান তুহিন, লুৎফর রহমানের ছেলে বাবু ও কন্যা ইসমত আরা বাধা দেয়। এসময় তারা দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে খুন জখমের হুমকি প্রদর্শন করলে ভুক্তভোগী আবুল কাশেম সীমানা নির্ধারণ না করে ফিরে আসে। পরের দিন সাতক্ষীরায় সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে এবং থানার অনুমতিক্রমে তারা সীমানা পিলার পুতে আসেন আবুল কাশেম। এদিকে ওই অভিযোগটি আমলে নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মিমাংসা করার জন্য সোমবার সকাল ৯টায় থানায় উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু কামরুজ্জামান মুকুল গং থানায় হাজির না হয়ে সোমবার সকালে উক্ত সীমানা পিলারগুলো ভাংচুর করে তারা বাঁশের চটা দিয়ে ঘেরা বেড়া দিয়ে দখল করে নেয়। এছাড়া সে সময় তারা উক্ত সম্পত্তিতে না যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে। এঘটনায় ভুক্তভোগী আবুল কাশেম তার ক্রয়কৃত সম্পত্তি উক্ত দখলদারদের হাত থেকে উদ্ধারের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শহরের কুখরালীতে বন্ধ হলো বাল্য বিবাহ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার পৌরসভাধীন কুখরালীতে ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীর বাল্য বিবাহ বন্ধ করেছে প্রতিরোধ কমিটি। ওই ছাত্রী একই এলাকার আহমাদিয়া দাখিল মাদ্রাসার পড়াশোনা করেন। সোমবার দুপুরে ওই বিবাহ বন্ধ করা হয়। জেলা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটির প্রশাসনিক প্রধান সাকিবুর রহমান জানান, সাতক্ষীরা পৌরসভাধীন ৬নং ওয়াডের কুখরালী গ্রামের আবুল কাশেমের ১২ বছরের কন্যা হালিমা খাতুনকে একই ৫নং ওয়ার্ডের গড়েরকান্দা গ্রামের মোস্তাকিম শেখের ছেলে রফিকুল ইসলামের সাথে মা ও নানা বাড়ির আত্বীয়রা পারিবারিকভাবে বিবাহের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এব্যাপারে তারা কয়েক দিন পূর্বে সাতক্ষীরার এক আইনজীবী দ্বারা বিবাহের ভূয়া নোটারি পাবলিক করে এবং ইতিপূর্বে জেলা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটি কয়েকজন সদস্য সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। ঘটনার সত্যতা পেয়ে, ১২ মার্চ ২০১৮ তারিখে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭’র ৪ধারার ক্ষমতা বলে স্থানীয় সরকারের জেলা পরিষদ সদস্য মিসেস মাহফুজা সুলতানা রুবি এ বিবাহের উপর আগামী ৫ বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারী করেছেন। এসময়ে কন্যার পিতা-মাতা, নানী, খালা এবং ছেলে ও তার মা মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিবাহ দিবেনা বা বিবাহ করবেনা বলে মুচলেকা দেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest