সর্বশেষ সংবাদ-
পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যান আনোয়ার আলদীনের উদ্যোগে দশ গ্রামের দুস্থদের মাঝে তিন সহস্রাধিক কম্বল বিতরণবিএনপি থেকে ডা: শহীদুল আলম বহিস্কারসংগ্রামের গল্পে ঢাবি জয় দিহানেরতালায় লার্নিং শেয়ারিং ওয়ার্কশপসাতক্ষীরায় ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার : ৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১৮সাতক্ষীরায় খাদ্য মোড়কে ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার দাবিতে স্মারকলিপিসাতক্ষীরায় দুর্ধর্ষ ডাকাত ইয়ার আলীর দুই সহযোগী গ্রেফতারসাতক্ষীরা‌র গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে‌ পিআইবির দুই দিনের নির্বাচনকালীন প্রশিক্ষণসাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা

পুলিশের বাধায় শেষ বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি দাবিতে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে পুলিশ। এর ফলে শেষ করতে হল তাদের অবস্থান কর্মসূচি। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া কয়েকজন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে এ অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলার কথা ছিল। কিন্তু এর ১৫ মিনিট আগে পুলিশের বাধার মুখে নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান।

অবস্থান কর্মসূচি থেকে পুলিশ বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীকে আটক করেছে জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, পুলিশ বিনা উস্কানিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে হামলা চালিয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। কর্মসূচিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসসহ দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। তারা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগানে প্রেসক্লাব এলাকা মুখরিত করে তোলেন।

প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির অভিযোগে খালেদা জিয়া, তাঁর ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর তেজগাঁও থানায় এ মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড হওয়ার পর থেকেই সেখানে রয়েছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। ২০০৮ সালের ১৩ মে এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ ২৪ জনকে আসামি করে চার্জশিট দেওয়া হয়। এরই মধ্যে কোকোসহ পাঁচ আসামি মারা গেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৭ মার্চের সমাবেশকে কেন্দ্র করে নারীদের শ্লীলতাহানির ভিডিও ফুটেজ হাতে এসেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ৭ মার্চের সমাবেশকে কেন্দ্র করে নারীদের শ্লীলতাহানির ভিডিও ফুটেজ হাতে এসেছে।  তিনি বলেন, ‘ফুটেজ দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধী যে দলেরই হোক ছাড় দেওয়া হবে না।’

বৃহস্পতিবার (৮ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ব্র্যাক স্কুল অব পাবলিক হেলথের আয়োজনে ‘প্রোমোটিং এডালসেন্ট নিউট্রিশন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি বক্তব্য রাখেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বুধবার বাংলামোটরে ভিকারুননিসা নুন স্কুলের শিক্ষার্থীকে হয়রানির ঘটনার ভিডিও ফুটেজ হাতে এসেছে। দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।’

বুধবার ঐতিহাসিক ৭ মার্চের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর শাহবাগের আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় ইভ টিজিং ও নারীদের ওপর যৌন হয়রানির অভিযোগের খবর ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে প্রকাশিত এ ধরনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনাগুলো সত্য নাকি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছড়ানো হচ্ছে তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আবার অনেকেই বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

একটি ফেসবুক আইডি থেকে হয়রানির অভিযোগ করলেও পরে তা সরিয়ে ফেলা হয় এবং নতুন আরেকটি স্ট্যাটাস দেওয়া হয়। বুধবার (৭ মার্চ) রাত ১১ টা ১১ মিনিটে দেওয়া পরের স্টাটাসে ওই স্ট্যাটাসে লেখা হয়, ‘ভালো আছি, সুস্থ আছি। পোস্টটা অনলি মি করেছি, কারণ পোস্টটা রাজনৈতিক উস্কানিমূলকভাবে শেয়ার করা হচ্ছিল। আমি কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পোস্টটা দেইনি। প্লাস আমার কলেজকে জড়ানো হচ্ছিল এ ব্যাপারে। ব্যাপারটার সাথে আমার কলেজের কোনও সম্পর্ক নাই।’ এ পোস্ট নিয়ে ফেসবুকে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা চলতে থাকে।

এছাড়াও অন্য একটি ফেসবুক আইডি থেকে লেখা হয়েছে, ‘খুব মজা সমাবেশ করতে যেতে আসতে রাস্তায় মেয়েদের হ্যারাস করা!! এক মুরুব্বি বলেছেন, ঠিকই আছে, বের হইসো কেনো বাসা থেকে, জানো না আজকে রাস্তায় বেশি ছেলে থাকবে।’

অন্য এক নারী শিক্ষার্থী ফেসবুকে লিখেছেন, ‘হল থেকে বের হয়ে কোনও রিকশা পাইনি। কেউ শাহবাগ যাবে না। হেঁটে শহীদ মিনার পর্যন্ত আসতে হয়েছে। আর পুরোটা রাস্তাজুড়ে ৭ মার্চ পালন করা দেশভক্ত সোনার ছেলেরা একা মেয়ে পেয়ে ইচ্ছামতো টিজ করছে। নোংরা কথা থেকে শুরু করে যেভাবে পারছে টিজ করছে।’

এ বিষয়ে বুধবার প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস-সেক্রেটারি আশরাফুল আলম খোকন ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ঐতিহাসিক ৭ মার্চের অনুষ্ঠানকে বিতর্কিত করতে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কিংবা গল্পের কথা শোনা যাচ্ছে। সত্য মিথ্যা কতটুকু জানি না। হয়তো শিগগিরই তা উদঘাটিত হবে। উল্লেখিত ঘটনার আশেপাশে সবখানেই সিসি-ক্যামেরা আছে। ঘটনা ঘটলে কারা কারা দায়ী এবং তাদের রাজনৈতিক পরিচয় কি তা খুঁজে বের করা কঠিন কিছু হবে না। না ঘটলেও হয়তো রটনার রহস্য উদঘাটিত হবে। উত্তেজিত হয়ে এখনি প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত না করে অপেক্ষা করাই ভালো।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অবিশ্বাস্য সুন্দর পৃথিবী -মুহম্মদ জাফর ইকবাল

অপারেশন থিয়েটারে শুয়ে আছি, মাথার ওপর উজ্জ্বল আলো। আমাকে ঘিরে ডাক্তার-নার্স, তার সঙ্গে অনেক মানুষ, অনেকে আকুল হয়ে কাঁদছে। ডাক্তার-নার্স সবাইকে বের করার চেষ্টা করতে করতে আমাকে বললেন, ‘আপনার ইনজুরিটা কতটুকু গুরুতর বোঝার জন্য, রক্ত বন্ধ করার জন্য আপনাকে জেনারেল এনেসথেসিয়া দিতে হবে। আমি একবারও জ্ঞান হারাইনি, মাঝে মাঝে যখন মনে হয়েছে অচেতন হয়ে যাব দাঁতে দাঁত কামড়ে চেতনা ধরে রেখেছি। কেন জানি মনে হচ্ছিল অচেতনার অন্ধকারে একবার হারিয়ে গেলে আর ফিরে আসব না। আমি অবুঝের মতো ডাক্তারদের বললাম, না আমাকে জেনারেল এনেসথেসিয়া দেবেন না, যা করতে চান এভাবেই করুন। ডাক্তার বললেন, অনেক কষ্ট হবে। আমি বললাম, হোক। ডাক্তার বললেন, সেই যন্ত্রণালয় আপনি এমনিতেই জ্ঞান হারাবেন। আমার হাতে-পায়ে সুচ ফুটিয়ে তখন রক্ত স্যালাইন দেওয়া শুরু হয়েছে। তার সঙ্গে তারা অন্য কিছু দিলেন, আমি কিছু বোঝার আগে অচেতন হয়ে গেলাম। এক সময় আবছা আবছাভাবে চোখ খুলে তাকিয়েছি, আবছা অন্ধকার, মুখের কাছে বুকে কেউ কিছু একটা বলছেন, শুনতে পাচ্ছি কিন্তু বুঝতে পারছি না। ভালো করে তাকালাম, মানুষটি আমাদের শিক্ষামন্ত্রী। আমি তাকে নাহিদ ভাই ডাকি। আমি তার কথা বোঝার চেষ্টা করলাম, তিনি আমাকে সাহস দিচ্ছেন। বলছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে ঢাকা নেওয়ার জন্য হেলিকপ্টার পাঠিয়েছেন। আমি চেতনা এবং অচেতনার মাঝে ঝুলে আছি। টের পেলাম আমাকে স্ট্রেচারে শুইয়ে কোথাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আমাকে কোথায় জানি তোলা হলো, আশেপাশে সামরিক পোশাক পরা মানুষ। আমার কম বয়সী সহকর্মীদের কেউ কেউ আছে। আবছা অন্ধকারে হেলিকপ্টারের ইঞ্জিনের গর্জন শুনতে পেলাম। গর্জন বেড়ে উঠল-নিশ্চয়ই আকাশে উড়তে শুরু করেছি। ঘুমিয়ে আছি না জেগে আছি জানি না। আবছা অন্ধকারে অনেকে চুপচাপ বসে আছে। তার মাঝে শুধু ইঞ্জিনের গর্জন। যাচ্ছি তো যাচ্ছি। মনে হয় বুঝি যোজন যোজন পার হয়ে গেছে। এক সময় ইঞ্জিনের শব্দ থেমে গেল। নিশ্চয়ই ঢাকা পৌঁছে গেছি। মানুষজন ছোটাছুটি করছে। আমাকে নামানো হয়েছে। হেলিকপ্টার থেকে নামিয়ে আমাকে একটা ট্রলি বা স্ট্রেচারে শোয়ানো হয়েছে। উপরে খোলা আকাশ। সেই আকাশে একটা ভরা চাঁদ। এই যে আমি সেই চাঁদটির দিকে বুভুক্ষের মতো তাকিয়ে রইলাম। পৃথিবী এত অবিশ্বাস্য সুন্দর? খোদা আমাকে এই অবিশ্বাস্য সুন্দর পৃথিবীটিকে আরও কয়দিন দেখতে দেবে?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাতালান সুপার কাপ জিতলো বার্সেলোনা

লিওনেল মেসি-লুইস সুয়ারেসসহ নিয়মিত একাদশের অধিকাংশ খেলোয়াড়কে বিশ্রামে রেখে মাঠে নামা বার্সেলোনা টাইব্রেকারে এসপানিওলকে হারিয়ে কাতালান সুপার কাপের শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছে। বুধবার রাতে নির্ধারিত সময়ের খেলা গোলশূন্য ড্র হলে ম্যাচ পেনাল্টি শুটআউটে গড়ায়। টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জিতেছে এরনেস্তো ভালভেরদের দল।

বার্সেলোনা টাইব্রেকারে চারটি শট নিয়ে সবকটিতে লক্ষ্যভেদ করে। অন্যদিকে, এস্পানিওলের প্রথম ও চতুর্থ শটটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যায় কাম্প নউয়ের ক্লাবটির।

দুই বছর পরপর হওয়া এই প্রতিযোগিতার প্রথমবার এস্পানিওলকে হারিয়েই শিরোপা জিতেছিল বার্সেলোনা। গতবার তাদেরকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল এস্পানিওল।

বার্সার হয়ে এদিন খেলতে নেমে নিজেদের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি পাকো আলকাসার এবং ডেনিস সুয়ারেজ। প্রথমার্ধে দুটি সুযোগ মিস করেন তারা। ম্যাচে বল পজিশনে এগিয়ে থাকলেও গোলের দেখা পায়নি বার্সা। ফলে প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য থেকেই। দ্বিতীয়ার্ধে দলে বিপুল পরিবর্তন এনে বেঞ্চের খেলোয়াড়দের মাঠে নামান ভালভার্দে। তাতেও কাজের কাজ কিছু হয়নি।

ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেও কোনো দল গোল না করতে পারায় পেনাল্টি শুটআউটেই ভাগ্য নির্ধারিত হয় দু’দলের। বার্সেলোনা ৪টি শট থেকে ৪টিই গোল করে যেখানে এস্পানিওল দারদার ক্রসবারের ওপর দিয়ে বল মারেন এবং জুয়ার্দোর শট রুখে দেন সিলেসিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আফগানিস্তানে ড্রোন হামলায় ২০ জঙ্গি নিহত

মার্কিন ড্রোন হামলায় আফগানিস্তানে কমপক্ষে ২০ জঙ্গি নিহত হয়েছে। নিহতরা সবাই তেহরিক-ই-তালিবান (পাকিস্তান) জঙ্গি সংগঠনের সদস্য বলে জানা গেছে।

পাকিস্তানের এক নিউজ ওয়েবসাইটের খবর অনুযায়ী, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্ত সংলগ্ন কুনার প্রদেশের সালটানে এই ড্রোন হামলা চালানো হয়। এই এলাকায় তেহরিক-ই-তালিবান জঙ্গি সংগঠনের একাধিক শিবির আছে। এই শিবিরে জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ হয়। ড্রোন হামলায় শিবিরগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, শিবিরগুলো লক্ষ্য করে পরপর পাঁচটি মিসাইল ছাড়া হয়। সেই সময় জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ চলছিল। এতে প্রশিক্ষকসহ ২০ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে।

খবরে বলা হয়, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন তেহরিক-ই-তালিবান প্রধান ফাজালুল্লার ছেলে আবদুল্লা। এছাড়া জঙ্গি সংগঠনের একাধিক বড় শীর্ষ ব্যক্তিও মারা গেছেন। যদিও এই খবরের কোনো সত্যতা এখনও পাওয়া যায়নি। চলতি মাসে এই নিয়ে তেহরিক-ই-তালিবানের উপর দ্বিতীয় হামলা চালাল আমেরিকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদার জামিন বিষয়ে আদেশ রবিবার

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাগারে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন বিষয়ে আগামী রবিবার আদেশ দেবেন হাইকোর্ট। খালেদা জিয়ার জামিন হবে কিনা তা জানতে আদালতের দিকে তাকিয়ে আছেন দলের নেতাকর্মীরা। আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। রবিবার একই বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবদীন আদালতে বলেন, বিচারিক আদালত থেকে নথি আসা সংক্রান্ত আদেশের ১৬ দিন পেরিয়ে গেছে। নথি এসেছে কি না আমরা জানি না। তখন আদালত বলেন, এ বিষয়ে রবিবার আদেশ দেওয়া হবে। খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা জানান, এ মামলায় জামিন হবে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর। দুদকের মামলায় ৫-১০ বছরের সাজা হলেও আসামির জামিনের নজির আছে। অন্য কোনো মামলায় যদি নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানো না হয়, তবে জামিন পেলে খালেদা জিয়ার কারামুক্তিতে বাধা নেই।

দুদকের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তারা খালেদা জিয়ার জামিনের বিরোধিতা করবেন। এরপরও জামিন হলে কমিশনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে। সেক্ষেত্রে তারা আদেশের বিরোধিতা করে চেম্বার জজ আদালতের দ্বারস্থও হতে পারেন। গত ২২ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিচারিক আদালতের দেয়া সাজার রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে জামিন আবেদনের ওপর শুনানির জন্য ২৫ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন। পাশাপাশি স্থগিত করেন তার অর্থদণ্ড।

প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির অভিযোগে খালেদা জিয়া, তাঁর ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর তেজগাঁও থানায় এ মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড হওয়ার পর থেকেই সেখানে রয়েছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। ২০০৮ সালের ১৩ মে এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ ২৪ জনকে আসামি করে চার্জশিট দেওয়া হয়। এরই মধ্যে কোকোসহ পাঁচ আসামি মারা গেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বোরো ধানের পারচিং উৎসব অনুষ্ঠিত

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ: সারা দেশের ন্যায় সাতক্ষীরায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে বোরো ধানের পারচিং উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের মাধবকাটি ব্লকে উপসহকারী কৃষি অফিসার কিরণ¥য় সরকার মাধবকাটি এলাকার কৃষকদের নিয়ে বোরো ধানের ক্ষেতে ডাল পুতে পারচিং উৎসবের উদ্বোধন করেন। কৃষি জমিতে কীট নাশকের ব্যবহার কমানোর জন্য কৃষকদের নিয়ে আয়োজন পারচিং পদ্ধর্তি সকল কৃষককে জানতে এবং কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এই পারচিং পর্দ্ধতির মূল লক্ষ্য। জমিতে ধান রোপনের পর গাছের ডালপালা পুঁতে দিয়ে পোকা খেকো পাখির বসার ব্যবস্থা করলে পাখি ধানের পোকা ভক্ষণ করে। বিষমুক্ত খাদ্য শস্য উৎপাদনে পারচিং উৎসব অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। পারচিং উৎসবে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য অপর্ণা রাণী, ব্লকের কৃষক হাবিবুল্লাহ, মনিরুল ইসলাম, মতলুব সরদার, মোস্তফা সরদার, সফিকুজ্জামান, মহসীন সরদার। অপরদিকে ঝাউডাঙ্গা এলাকার ওয়ারিয়া ব্লকে উপসহকারী কৃষি অফিসার শেখ হাসান রেজা কৃষকদের নিয়ে পারচিং উৎসবের উদ্বোধন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রভাষক হাসান মাহমুদ, ইউপি সদস্য আব্দুল মালেক, কৃষক মফিজুল ইসলাম, শাহানারাসহ এলাকার কৃষকরা। অন্যদিকে ঝাউডাঙ্গা ব্লকে উপসহকারী কৃষি অফিসার মরিয়ম খাতুন ঐ ব্লকের কৃষকদের নিয়ে পারচিং উৎসবের উদ্বোধন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম, কৃষক মো. আব্দুল খালেক, আশরাফ আলী, শাহাদাত, আব্দুর রশিদ, ও মফিজুল ইসলাম। সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে বোরো ধানের পারচিং উৎসবে ঐ এলাকার শত শত কৃষক অংশ নেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শার্শায় বাণিজ্যিকভাবে টার্কি পালন করে লাভবান খামারীরা

মোঃ রাসেল ইসলাম, বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরের শার্শায় পারিবারিক ও বাণিজ্যিক ভাবে টার্কি পালন শুরু হয়েছে। বেকারত্ব নিরসনে নতুন দিক উন্মোচন করতে যাচ্ছে টার্কি পালন। টার্কি পালন করে ২ জন যুবক লেখাপড়া শেষ করে চাকরির পিছনে না ছুটে টার্কি পালন নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন। এখন তারা স্বাবলম্বী। তাদের দেখে অনেকেই এখন টার্কি পালনে উৎসাহ দেখাচ্ছে।

অল্প কিছু টাকা বিনিয়োগ করে এক বছরের মধ্যেই দ্বিগুণ মুনাফা দেখতে পারছেন টার্কি খামারীরা। ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানো মেশিন কিনে নতুন জন্ম নেওয়া বাচ্চা লালন পালন করে মাত্র তিন মাসের মাথায় দ্বিগুণের চেয়েও বেশি দামে বিক্রি করে ভালো মুনাফা পাচ্ছেন খামারীরা। লেখাপড়া শেষ করে একটি বেসরকারি বিমান সংস্থায় চাকরি করতেন শার্শার গিলাপোল গ্রামের জাহিদ পারভেজ রাজু। হঠাৎ করে বিমান সংস্থাটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ২ বছর আগে বাড়িতে এসে সজিব টার্কি পালন শুরু করেন। তার পাশাপাশি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার পাস করে চাকরি না পেয়ে শার্শার খলিসাখালী গ্রামের সজিব হোসেনও টার্কি পালন শুরু করেন। একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর বিক্রি করা হচ্ছে টার্কি। ১-১০ দিনের বাচ্চা ৩০০ টাকা ও বড় গুলি ৫/৬ হাজার টাকা জোড়া বিক্রি হচ্ছে। কলমি, হেলেঞ্চা, সরিষা, পালংকসহ বিভিন্ন ধরণের শাক সবজি টার্কি খেয়ে থাকে। রোগ বালাই এর হাত থেকে রক্ষা করতে আড়াই মাস বয়সী টার্কিকে চারটি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। উপজেলা প্রাণী সম্পদ থেকে যে ভ্যাসকিন দেওয়া হয় সেটার মেয়াদ উত্তীর্ণ বলে জানান খামারী। টার্কির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এত বেশি যে জ্বর-ঠান্ডা ছাড়া আর কোনো রোগ আক্রান্ত করতে পারে না। ২০ সপ্তাহ বয়স থেকে টার্কি ডিম পাড়া শুরু করে। রাজুর খামার থেকে প্রতি মাসে ২ হাজার বাচ্চা উৎপাদন হয়ে থাকে। এদের দেখাদেখি শার্শার কাটুরিয়া গ্রামের মৎস্যচাষী হায়দার আলী গগনও টার্কি পালন শুরু করেছেন। তিনি বাচ্চা ফুটানো মেশিনও কিনেছেন। এসব খামারে টার্কি পালন দেখে বেনাপোলসহ শার্শার বিভিন্ন গ্রামের মানুষ পারিবারিকভাবে টার্কি পালন শুরু করেছে এবং অনেকেই আগ্রহী হয়ে শুরু করেছে এই টার্কি চাষ।

টার্কির মাংস চর্বি বিহীন হওয়ায় সারা পৃথিবীতে এ মাংস অত্যন্ত জনপ্রিয়। দ্রুত বর্ধনশীল একটি টার্কি বছরে ১২ থেকে ১৫ কেজি ওজন হওয়ায় এটি অত্যন্ত লাভজনক। ইতিমধ্যে শার্শা উপজেলায় সফল খামারী টার্কি চাষ করছেন। বাণিজ্যিক ও পারিবারিক ভাবে টার্কি চাষ হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ এখান থেকে টার্কির বাচ্চা সংগ্রহ করছেন। দিন দিন এর প্রসার বৃদ্ধি পাচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest