সর্বশেষ সংবাদ-
সংগ্রামের গল্পে ঢাবি জয় দিহানেরতালায় লার্নিং শেয়ারিং ওয়ার্কশপসাতক্ষীরায় ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার : ৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১৮সাতক্ষীরায় খাদ্য মোড়কে ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার দাবিতে স্মারকলিপিসাতক্ষীরায় দুর্ধর্ষ ডাকাত ইয়ার আলীর দুই সহযোগী গ্রেফতারসাতক্ষীরা‌র গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে‌ পিআইবির দুই দিনের নির্বাচনকালীন প্রশিক্ষণসাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধ

ড. জাফর ইকবালের ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের প্রতিবাদী মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশ বরেণ্য লেখক বুদ্ধিজীবী সিলেট শাবিপ্রবি এর শিক্ষক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবালের ওপর জঙ্গিবাদী হামলার ঘটনায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রতিবাদী মানববন্ধন ও সাংবাদিক সমাবেশ। সমাবেশে বক্তারা, হামলাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি একই সাথে এঘটনায় প্রকাশ্যে ও নেপথ্যে জড়িতদের মুখোশ উন্মোচনের দাবি জানিয়েছেন। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ সাংবাদিক সমাবেশ ও প্রতিবাদী মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন।
মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতারা বলেন, দেশের মুক্তমনা লেখক, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালনকারী অসাম্প্রদায়িক মানুষকে জঙ্গিরা বেছে বেছে হত্যার পরিকল্পনা করেছে। ড. জাফর ইকবাল তাদেরই হামলার শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে তারা আরও বলেন এর আগে তার ওপর আরও দুই দফায় হামলা হয়েছে। দেশ থেকে জঙ্গিবাদ এখনও নির্মুল হয়নি মন্তব্য করে তারা আরও বলেন এখনই আরও কঠোর ভূমিকা না গ্রহণ করলে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়বে। বক্তারা আরও বলেন এই পরিকল্পিত হামলার নেপথ্যে আরও যারা রয়েছে তাদেরকে খুঁজে বের করতে হবে। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম’র শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন।
৩ মার্চ হামলার ঘটনার পর চারদিন অতিবাহিত হলেও এর প্রকাশ্যে ও নেপথ্যে জড়িতদের সার্বিক তথ্য প্রকাশ না করায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষানীতির প্রস্তাবক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলাকে মুক্তিযুদ্ধকালীন ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যা, কবি শামসুর রহমান, প্রথা বিরোধী লেখক হুমায়ুন আজাদ হত্যাকান্ডের ধারাবাহিকতারই অংশ বলে মনে করেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
প্রতিবাদী মানববন্ধন ও সাংবাদিক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সুভাষ চৌধুরী, সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ আনিসুর রহিম, সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, প্রথম আলোর কল্যাণ ব্যনার্জি, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবদুল বারী, সাবেক সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপী, সাবেক সম্পাদক এম কামরুজ্জামান, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাহিত্য সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক আমিনা বিলকিস ময়না, কার্যনির্বাহী সদস্য অসীম বরণ চক্রবর্তী, মানবজমিনের ইয়ারব হোসেন প্রমুখ সাংবাদিক।
উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আব্দুল ওয়াজেদ কচি, যুগ্ম সম্পাদক গোলাম সরোয়ার, সাপ্তাহিক সূর্য্যরে আলো’র আব্দুল ওয়ারেশ খান চৌধুরী পল্টু, মোহনা টিভি’র আব্দুল জলিল, এসএ টিভি’র শাহীন গোলদার, দৈনিক যশোরের সেলিম রেজা মুকুল, দৈনিক সমাজের কাগজ আমিরুজ্জামান বাবু, দৈনিক তথ্য’র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম শাওনসহ সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দ।
সাংবাদিক নেতারা বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করার আগে বলা হয়েছিল এ আইনের মাধ্যমে অনলাইনে জঙ্গিবাদী ও সাম্প্রদায়িক তৎপরতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই এর প্রয়োগ করা হবে। কিন্তু দুঃখ ও পরিতাপের সাথে দেশের সচেতন সাংবাদিক সমাজ লক্ষ্য করলো ঘটনা ঘটলো উল্টো পুরো আইনটিই সাংবাদিকদের মুক্তচিন্তা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা সংকুচিত করতে এই আইন প্রয়োগ করা হলো। রাষ্ট্র’র নীতি নির্ধারকরা খুনী হেফাজতদের কাছে আপত্তিকর আত্মসমর্পন করলো। যারা সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী ও ব্লগারদের বেছে বেছে হত্যা করলো তাদের কাছেই নতজানু হলো। খুনীদের খুনকে একধরণের উৎসাহ প্রদান করা হলো। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ- দেশের মানুষ ও রাষ্ট্রকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার পথে এগিয়ে আসার আহবান জানান। #

০৬.০৩.১৮

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের ‘ফায়ারিং স্কোয়াডে’ দেয়া উচিত : রাষ্ট্রপতি

প্রশ্নফাঁসকারীদের ‘ফায়ারিং স্কোয়াডে’ দেয়া উচিত বলে মনে করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি বলেছেন, সম্প্রতি সবচেয়ে আলোচিত বিষয়ে পরিণত হয়েছে প্রশ্নফাঁস। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে শিক্ষক-ছাত্র-অভিভাবকদের সংশ্লিষ্টতা নিয়েও বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। দেশের আগামী প্রজন্মকে ধ্বংসের এই প্রক্রিয়ায় যারা জড়িত, দেশ ও জাতির স্বার্থে দে শুড গো টু ফায়ারিং স্কোয়াড। ফায়ারিং স্কোয়াডে দেয়া উচিত।

মঙ্গলবার রাজধানীতে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। শিক্ষাপদকের জন্য মনোনীত শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান ও আন্তঃপ্রাথমিক বিদ্যালয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে অনুষ্ঠানে পদক বিতরণ করেন রাষ্ট্রপতি ।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজারের সভাপতিত্বে এতে মন্ত্রণালয়েরে সচিব মোহাম্মদ আসিফ-উজ-জামান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি মো. মোতাহার হোসেন বক্তব্য দেন।

প্রশ্নপত্র ফাঁসে কোচিং সেন্টারের প্রতি ইঙ্গিত করে রাষ্ট্রপতি বলেন, যেসব শিক্ষক ছেলে-মেয়েদের শিখাইব, তারা পড়াইবার মার্কেট ভালা করার জন্য যদি প্রশ্ন কইয়া দেয়- ‘এই প্রশ্ন আইতাছে লেখ’… মার্কেট (কোচিংয়ের) ভালা হবে, বেশি বেশি (শিক্ষার্থী) পড়তে আইব, এসব চিন্তা থেকে তারা এইগুলি (প্রশ্নফাঁস) করতেছে।

শক্ত ভিত্তির শিক্ষাজীবন শুরু হলে প্রশ্নফাঁস শেষ হয়ে আসবে

শিক্ষকদের উদ্যোগী ও নিবেদিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে রাষ্ট্রপতি বলেন, সমাজের কোন কাজটি ভালো এবং কোন কাজটি মন্দ, কোন কাজটি করলে দেশ ও জাতির উন্নয়ন ঘটবে- সে সম্পর্কে ধারণা দেয়ার পাশাপাশি শিশুদের ভালো কাজের চর্চা করাতে পারেন আপনারাই। তাদের মাঝে দেশাত্ববোধ সৃষ্টি করে দেশপ্রেমী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন। একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষার মূলভিত্তি রচিত হয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। তাই প্রতিটি শিক্ষার্থী যাতে শক্ত ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়ে শিক্ষাজীবন শুরু করতে পারে, তা নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আর তা করতে পারলেই পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা শেষ হয়ে আসবে।

বাপ-মা সন্তানকে কী শিখাইতাছে?

অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে আবদুল হামিদ বলেন, এখন সব বাবা-মা চায় তার সন্তান গোল্ডেন এ প্লাস পাক, ফার্স্ট-সেকেন্ড হোক। কিন্তু যখন শোনা যায় যে বাবা-মা ছেলে-মেয়েকে নকল সরবরাহ করছে- তা কী করে সম্ভব। এর চেয়ে লজ্জাজনক, জঘন্য কাজ আর কী হতে পারে। এই বাপ-মা তার সন্তানকে কী শিখাইতাছে? তারে কী বানাইতে চাইতাছে? ভবিষ্যতে তারে দিয়া দেশের কী হবে?

শিশুরা জাতির ভবিষ্যত, তাই অভিভাবকদের প্রতি আমার অনুরোধ, জাতির উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বার্থে শিশুদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলুন। পড়াশোনা ও বইয়ের ভারে জর্জরিত না করে তাদের খেলাধুলা ও সুস্থ বিনোদনের পর্যাপ্ত সময় দিন। আমরা যে আনন্দঘন শৈশব পেয়েছি, তাদেরকেও তার ধাদ দিতে হবে।

আমাদের বাপ-মা খবরই নিছে না

নিজের শিক্ষাজীবনের সময়ের সঙ্গে বর্তমানের তুলনা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমাদের তো বাপ-মা খবরই নিছে না। স্কুলে গেছে নি? অহনতো পাছার মইধ্যে লাইগা থাকে। লাইগা থাকে ভালা কথা, অসুবিধা নাই। ভালা জিনিস শিখাক। ফার্স্ট-সেকেন্ড হইলে কী হয়? আমিতো খুব খারাপ ছাত্র আছিলাম। আমার মতো খারাপ ছাত্র যদি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হইতে পারে, তাহলে অত ভালা ছাত্র হওয়ার দরকারটা কী?

এমসিকিউ : ইট শুড বি স্টপড

রাষ্ট্রপতি বলেন, আমার মনে হয় এখন যে টিক মার্ক (এমসিকিউ) দিয়া দেয়। ইট শুড বি স্টপড। এমন সিস্টম করা দরকার প্রশ্ন আগেই চলে আসবে। এই প্রশ্ন আইব, এখন তুমি লেখ। মিনিস্ট্রি থেকে বইলা দেন- এই প্রশ্ন আইব। সব কোর্স-সিলেবাস মিলাইয়া ২০-২৫টা প্রশ্ন করেন। সব প্রশ্ন ওয়েবসাইটে দিয়া দেন। ২৫টা প্রশ্ন থাকলে পুরো সিলেবাস কাভার করবে। কিন্তু কুনডা আইবো হেইডা কইতে পারত না… এই সিস্টেম যদি হয়, তাহলে প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে দুশ্চিন্তা করা লাগবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বামেরা দলে দলে সব ‘রামের’ পতাকা তলে!

বড় কোনও নেতা না এলেও কর্মীর সংখ্যা বাড়ছে এলাকায়। বাড়ছে সংগঠন। যাঁদের নিয়ে বিজেপির ভিত মজবুত করার কাজ শুরু করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আসা বিজেপি নেতা মুকুল রায়।

গোটা একটা বাম-দলই মিশে গিয়েছে বিজেপিতে। জনবাদী ফরওয়ার্ড ব্লকের সাধারণ সম্পাদক তাঁর পুরো দল নিয়ে বিজেপিতে মার্চ করেছেন। সাধারণ সম্পাদকের হাতে পতাকা তুলে দেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আর তারপরই সিপিএমের যুব সংগঠনেও ভাঙন ধরিয়ে দিলেন মুকুল রায়। হাওড়ার বাউড়িয়া থেকে ডিওয়াইএফআই নেতা অপূর্ব দাসের নেতৃত্বে ৩৬ জন কর্মী বিজেপিতে যোগ দিলেন।

এরই মধ্যে রবিবার পুরুলিয়া সফরে গিয়ে তৃণমূলে ভাঙন ধরিয়ে দেন মুকুল রায়।

মুকুল রায়ের হাতে ধরে দলে দলে তৃণমূলকর্মীরা যোগ দেন বিজেপিতে। বামকর্মীরাও মুকুল রায়ের সভায় এসে বিজেপির পতাকা তুলে নেন। পঞ্চায়েতের আগে জঙ্গলমহলের জেলায় এই প্রবণতায় আশার আলো দেখছে বিজেপি। বিভিন্ন জেলাতেই তৃণমূল, কংগ্রেস ও সিপিএম তথা বামফ্রন্ট ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কর্মীরা।

মুকুল রায়ের কথায়, ‘শুধু নেতারা সাজানো থাকছে ওইসব দলে, কর্মীরা ভিড় বাড়াচ্ছেন বিজেপিতে। পঞ্চায়েত নির্বাচনেই হাড়ে হাড়ে টের পাবে তৃণমূল কংগ্রেস। মুকুল রায় বিশেষ করে নজর দিয়েছেন বীরভূম ও পুরুলিয়া জেলাকে। সেখানে যেমন বিজেপির বহর বাড়ছে, অন্য জেলাতেও একই প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ’

এদিন বাউড়িয়া থেকে ডিওয়াইএফআই-কর্মীরা যোগদান করেন বিজেপিতে। মুকুল রায়ের উপস্থিতিতে রাজ্য সম্পাদিকা দেবশ্রী চৌধুরী তাঁদের হাতে পতাকা তুলে দেন। মুকুল রায় বলেন, ‘এমন একটা দিন যাচ্ছে না তৃণমূল, কংগ্রেস, সিপিএম বা বামফ্রন্ট ছেড়ে কর্মীরা বিজেপিতে যোগ দিচ্ছে না। আগামী নির্বাচনের আগে সব দল ফাঁকা হয়ে যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিরিয়ায় বিধ্বস্ত রাশিয়ার সামরিক বিমান, নিহত ৩২

সিরিয়ায় রাশিয়ার একটি সামরিক পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছে। সিরিয়ার খমেইমিম বিমানঘাঁটিতে অবতরণের সময় রুশ এই বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, বিধ্বস্ত বিমানের ২৬ যাত্রী ও ৬ জন ক্রু নিহত হয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে।

মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মস্কোর স্থানীয় সময় বিকেল ৩টার দিকে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

সিরিয়ার স্বৈরশাসক আসাদ সরকারকে বিদ্রোহী এবং ইসলামি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তা করে আসছে রাশিয়া। আর ওই লড়াইয়ে খমেইমিম বিমানঘাঁটি একটি প্রধান ঘাঁটি।

তবে সম্প্রতি আইএস জঙ্গিদের উৎখাতের পর সিরিয়া থেকে রাশিয়ার সেনাদের দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন পুতিন। যা গত ডিসেম্বরেই শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এরপর থেকেই রাশিয়ার সেনাদের নিহত হওযার সংখ্যা বাড়তে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নুরনগরে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির উদ্বোধন

পলাশ দেবনাথ নুরনগর থেকে : শ্যামনগর উপজেলার নুরনগরে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য অধিদপ্তর কতৃক পরিচালিত খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করলেন এম পি এস এম জগলুল হায়দার। ৬ই মার্চ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় নুরনগর নবীন সংঘ চত্তরে ১০টাকা কেজি দরে, সাধারণ মানুষের মাঝে চাউল বিতরণের মধ্য দিয়ে উক্ত কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। নুরনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসা গরিব পরিবারের সহায়ক হিসেবে, জননেত্রী শেখ হাসিনার উপহার ১০টাকা কেজি দরে চাউল মানুষের কাছে পৌচ্ছে দিলেন এম পি জগলুল হায়দার। এ সময় তিনি মাথায় চাউলের বস্তা নিয়ে অসহায় গরিবদের হাতে চাউল তুলে দিয়েছেন । অত্র এলাকার মোট ১২৫৩টি পরিবারের মাঝে ৩০কেজি করে ১০টাকা কেজি দরে চাউল দেওয়া হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নুরনগর ইউনিয়ন আ”লীগের সভাপতি জি এম হাবিবুর রহমান হবি, সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন নুরনগর ইউনিয়ন আ”লীগের সাধারন সম্পাদক এস এম সোহেল রানা বাবু। এছাড়া শ্যামনগর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা এস এম মাহফুজুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গুদাম অফিসার এস এম আমিনুর রহমান, নুরনগর ইউনিয়ন আ”লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল কাদের, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক দেবাশিষ ঘোষ, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ ইলিয়াছ আহমেদ, উপজেলা যুব লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ,রতনপুর ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম নাসির উদ্দিন, ইউপি সদস্য আবু বক্কার সিদ্দিক, ইউপি সদস্যা চন্দনা রানী ও আছিয়া খাতুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ঘুষ দূর্নীতি অভিযোগ

তরিকুল ইসলাম লাভলু : কালিগঞ্জ উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার তুষার কান্তি মন্ডল এবং সমিতির পরিচালক সাব্বির আহমেদ ওরফে বিদ্যুৎ এবং নাজমুল হোসেন ওরফে বাবুর বিরুদ্ধে নানাবিধ ঘুষ দূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘুষ নিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ, মিটার স্থাপন, খুঁটি বসানো, স্থানান্তর সহ গ্রাহক হয়রানি এবং সাধারণ গ্রাহকদের সঙ্গে অসদচারণের প্রতিকার চেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রী আলহাজ্ব অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক, সংসদ সদস্য এস,এম, জগলুল হায়দার, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক সংসদ আলহাজ্ব মুনসুর আহমেদ, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বরদের সুপারিশকৃত অভিযোগ গত ৩০ ডিসেম্বর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার বরাবর করেও কোন লাভ হয়নি। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘুষ দুর্নীতি আরও বেড়ে যায়। উপায়ন্তর না পেয়ে এলাকাবাসী প্রধান মন্ত্রীর নিকট অভিযোগ সহ সাংবাদিকদের নিকট ধর্ণা দিয়ে বেড়াচ্ছেন প্রতিকারের আশায়। এলাকাবাসীর অভিযোগের সূত্র থেকে জানা যায়, কালিগঞ্জ উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অফিসে তুষার কান্তি মন্ডল ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার হিসাবে যোগদানের পর হতে নিজেকে দলীয় পরিচয় দিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পরিচালক সাব্বির আহমেদ ওরফে বিদ্যুৎ এবং নাজমুল হোসেন ওরফে বাবু ও কতিপয় দালালদের নিয়ে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলে এবং তাদের মাধ্যমে নতুন সংযোগে মিটার প্রতি ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা এবং খুঁটি বসানো, স্থানান্তরের নাম করে ২০-৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে ভুক্ত ভোগীরা অভিযোগে উল্লেখ করেছেন। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী যখন ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছানোর প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন ঠিক তার বিপরীতে কালিগঞ্জের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ঘুষ ছাড়া এবং সিন্ডিকেট ছাড়া কারও বাড়িতে বিদ্যুৎ এর মিটার বা সংযোগ লাগছে না। বিশেষ করে নলতা ও তারালী ইউনিয়নের শত শত লোক কালিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নিয়ম অনুযায়ী ২০১৫ সাল হতে অনলাইনের মাধ্যমে সংযোগ পাইবার জন্য আবেদন করেও আজও পর্যন্ত বাড়িতে মিটার লাগানো সম্ভব হয়নি। ডি,জি,এম তুষার কান্তি মন্ডল ও পরিচালকদের দাবিকৃত টাকা দিলে তার পর দিনে বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ পৌছে যাচ্ছে। বরেয়া আশ্রায়ন প্রকল্পের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ৮ বছর আগে বিদ্যুৎ সংযোগের নির্দেশ দিলেও গত এক মাস আগে ঘর প্রতি ২২ শত টাকা নিয়ে মিটার বা সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে বলে ভুক্ত ভোগীরা জানান। পূর্ব নলতা গ্রামের রঞ্জু আহমেদ গত ১১/১/১১ ইং তারিখে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অফিসের নিয়ম অনুযায়ী ৩ হাজার ৭শত ২১ টাকা জমা এবং ডিজিএম পরিচালকদের ১০ হাজার টাকা খুঁটি সরানোর জন্য ঘুষ দিলেও আজও পর্যন্ত তার কোন সুরহা হয়নি। গোপালপুরগ্রামের ইশার আলী, বারি গাজী, আব্দুর রহিম, রশিদ, আমিন, তারালী গ্রামের বৈদ্য নাথ, রহিমপুর গ্রামের আকরাম, মুশফিক, রহিমা খাতুন, আব্দুর রউফ, ফুলজান, রাশিদা, মনিরুজ্জামান, রিপন, আরিজুল, গোপালপুর গ্রামের উষা রানী, ইব্রাহীম আলী সহ নলতা, পাইকাড়া, ইন্দ্রনগর, কাজলা গ্রামের ২শতাধিক ব্যক্তি জানান আমরা গত ২ বছরে বেশি সময় ধরে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের নিয়ম অনুযায়ী টাকা জমা দিলেও আজও পর্যন্ত মিটার পায়নি। কিন্তু ডিজিএম পরিচালকদের আজ টাকা দিলে কাল মিটার বসিয়ে দিচ্ছে। অনেকে আক্ষেপ করে বলেন আমরা গরীব বলে কি মানুষ না ? বিষয়টি নিয়ে কালিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজারের অফিসে গেলে তাকে না পাওয়ায় তার মুঠো ফোনে ফোন দিলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠেন এবং বলেন আমি মিটিংয়ে ব্যস্ত আছি পারলে কাল আমার অফিসে আসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শফিক রেহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

সাংবাদিক শফিক রেহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং তাঁর তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যাচেষ্টার ষড়যন্ত্রের মামলায় এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে (সিএমএম) পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছিল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আজ মঙ্গলবার এ অভিযোগপত্র গ্রহণ করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আদেশ দেন ঢাকার মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারী।

মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত অপর আসামি আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলার শুরু থেকে পলাতক তিন আসামি হলেন, জাতীয়তাবাদী সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সহসভাপতি মোহাম্মদ উল্লাহ মামুন, তাঁর ছেলে রিজভী আহাম্মেদ ওরফে সিজার এবং যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান ভূঁইয়া।

প্রসঙ্গত, জয়কে অপহরণ ও হত্যার পরিকল্পনা হয়েছিল নিউইয়র্কে। সেখানে এই মামলার বিচার সম্পন্ন হয়েছে। মামলার রায়ে সেখানকার বিএনপি নেতার ছেলে রিজভী আহমেদ সিজারের ৪২ মাসের কারাদণ্ড হয়। এ ছাড়া ঘুষ লেনদেনের জন্য এক এফবিআই এজেন্টের বন্ধুর ৩০ মাসের কারাদণ্ড হয়।

আদালত সূত্র বলছে, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ করে হত্যাচেষ্টা ষড়যন্ত্রের নির্দেশদাতা হিসেবে শফিক রেহমান ও মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। আর আসামি মোহাম্মদ উল্লাহর বিরুদ্ধে পরামর্শদাতার অভিযোগ এনেছে পুলিশ।

মোহাম্মদ উল্লাহর ছেলে রিজভী আহাম্মেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের কাছ থেকে সজীব ওয়াজেদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে অন্য আসামিদের কাছে সেই তথ্য সরবরাহ করেন। অর্থায়ন ও পরামর্শদাতার অভিযোগ আনা হয়েছে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যাচেষ্টা ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনে ডিবির পরিদর্শক ফজলুর রহমান ২০১৫ সালের ৩ আগস্ট পল্টন থানায় মামলা করেন। দণ্ডবিধির ৩০৭ এবং ১২০-বি ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের আগে যেকোনো সময়ে জাসাস নেতা মোহাম্মদ উল্লাহসহ বিএনপি ও বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটভুক্ত দলের উচ্চপর্যায়ের নেতারা ঢাকা শহরের পল্টনের জাসাস কার্যালয়ে ও যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহর ও যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় আসামিরা একত্র হয়ে বৈঠকে অংশ নেন। তাঁরা সজীব ওয়াজেদ জয়কে যুক্তরাষ্ট্রে অপহরণ করে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিলেন। অপরাধ ঘটানোর দায়িত্ব দেওয়া হয় রিজভী আহাম্মদকে।

২০১৬ সালের ১৬ এপ্রিল এ মামলায় সাংবাদিক শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তিনি জামিনে ছাড়া পান। মাহমুদুর রহমানও এ মামলায় জামিনে আছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগর কাশিমাড়ীতে ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্প

আব্দুল আলিম, শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ শ্যামনগরের কাশিমাড়ীর ঐতিহ্যবাহি জয়নগর আমিনিয়া হামিদিয়া ফজিল (ডিগ্রি) মাদরাসায় এ.কাদের রক্তদান সংস্থার উদ্যোগে ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শুভ উদ্বোধন করেন কাশিমাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস.এম আব্দুর রউফ।
উক্ত অনুষ্টানে সভাপতিত্ব করেন, জয়নগর মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা এইউএম গোলাম বারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,
আলহাজ্ব মাওলানা নেছার উদ্দীন পীর সাহেব জয়নগরী, জয়নগর মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা আশরাফ হুসাইন। অন্যানদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, এ.কাদের রক্তদান সংস্থার সাধারন সম্পাদক গাজী আব্দুর রউফ, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইস্রাফিল হোসেন উজ্জল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তারিকুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক রুহুল আমিন কবির, আফজাল হোসেন প্রমূখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংস্থার অন্যতম সদস্য সাংবাদিক ডি এম আব্দুল্লাহ আল মামুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest