খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ঢাকা মেডিকেল কলেজের চার অধ্যাপক নিয়ে বিশেষ বোর্ড গঠন করা হয়েছে। রবিবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে প্রায় এক ঘণ্টা বোর্ড সদস্যরা কারাগারে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন।
প্রফেসররা হলেন- অধ্যাপক মো. শামছুজ্জামান (অর্থোপেডিক্স) মনসুর হাবীব (নিউরোলজি), টিটু মিয়া (মেডিসিন), সোহেলী রহমান (ফিজিক্যাল মেডিসিন)।
ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে আগামীকাল বিস্তারিত জানানো হবে।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ে খালেদা জিয়াকে ৫ বছর এবং বাকি আসামিদের ১০ বছরের কারাদণ্ড কারাদণ্ড দেন আদালত।রায়ের পর খালেদা জিয়াকে ঢাকার পুরাতন কারাগারে রাখা হয়েছে।
গত ৫মার্চ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার অনুমতি পেতে বিএনপিপন্থী ১২ সদস্যের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল নাজিমুদ্দিন রোডের পুরান কারাগারে গেলে অনুমতি মেলেনি।ওইদিন এক সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের সার্বিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের ফোরাম ‘সচেতন চিকিৎসক সমাজ’। একই সাথে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষায় কারাগারে মেডিকেল টিম পাঠানোর দাবি জানিয়েছে তারা।
এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি কারেগারে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার অনুমতি চেয়েছিল বিএনপিপন্থী চিকিৎসকরা। তারা ওইদিন দুপুরে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে অনুমতি চাইতে কারাফটকে যান। কিন্তু অনুমতি না পেয়ে বেলা আড়াইটার দিকে তারা কারাফটক ত্যাগ করেন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, গত ২৬ মার্চ সাতক্ষীরা নিউ মার্কেটে পৌর আওয়ামীলীগের আয়োজনে স্বাধীনতা দিবসের আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বক্তব্য প্রদানের জন্য পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নানের নাম প্রস্তাব করেন। এসময় পিছন দিক থেকে কতিপয় নেতা উস্কানী ও কুটুক্তিমূলক কথা বলতে থাকে। একপর্যায়ে আব্দুল মান্নানকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এর জের ধরে দু-গ্র“পের নেতাকর্মীদের মধ্যে চেয়ার ছুড়াছুড়ি হয়। এসময় পৌর যুবলীগের সভাপতি মনোয়ার হোসেন অনু, সাধারণ সম্পাদক তুহিনুর রহমান তুহিন, মিলন, ইয়ারুলসহ অনেক নেতাকর্মী আহত হয়। সেখানে ককটেল বা কোন কিছু বিস্ফোরণের ঘটনার কোন প্রমাণ নেই। যা নিউ মার্কেট মোড়ের সিসি টিভির ফুটেজ দেখলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে। এছাড়া ধীরে ধীরে পত্রিকায় ওই দিনের সত্য ঘটনা প্রকাশিত হচ্ছে। উক্ত ফুটেজ দেখে এবং তদন্তপূর্বক জেলা যুবলীগের আহবায়ক মান্নানকে মুক্তিসহ সকল নেতাকর্মীর নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন, শ্যামনগর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি গোলাম মোস্থফা সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, কালিগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বিজয় ঘোষ, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান সাধারন সম্পাদক প্রভাষক মইনুল ইসলাম, কলারোয়া যুবলীগের সভাপতি কাজী সাহাজাদা, তালা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সরদার জাকির ও কাজী সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম হিল্ললসহ সকল উপজেলা যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।
