সর্বশেষ সংবাদ-

লাবসায় আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখল চেষ্টার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি : আইন ও আদালতের নির্দেশ কে তোয়াক্কা না করে রেকর্ডীয় সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার ভোর ৫টার দিকে লাবসা এলাকায় এঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী সম্পত্তির মালিক ফিংড়ী ইউনিয়নের শিমুল বাড়িয়া গ্রামের মৃত. শেখ মোকছেদ আলীর ছেলে শেখ মোশাররফ হোসেন জানান, বিগত ২০০০ সালে লাবসা মৌজায় এস এ খতিয়ান নং- ১৯১, এসএ দাগ- ৬২৪ ও ৬২৫ দাগে ৯ শতক সম্পত্তি একই এলাকার জহির উদ্দীনের ছেলে মোঃ আবুল কালামের কাছ থেকে ক্রয় করি। উক্ত আবুল কালাম বিগত ১৯৯৩ সালে ৩২৩ ও ৩১৭ নং কোবলা দলিলে লাবসা এলাকার ওয়ারেশ সূত্রে মালিক মোকসেদ আলীর ছেলে আরশাদ আলী ও মোহাম্মাদ আলীর কাছ থেকে ক্রয় করেন।
তিনি আরো বলেন, উক্ত সম্পতিতে টিউবওয়েল স্থাপন এবং সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ভোগদখলে আছি। আমার নামে ১৭ বছরের চেক দাখিলা, মিউটেশন, ৩০ ধারার রায় ও বতর্মান প্রিন্ট পর্চা সহ সকল কাগজপত্র আমার পক্ষে রয়েছে।
এদিকে গত ২০১৭ সালে লাবসা এলাকার মোকসেদ আলীর ছেলে আরশাদ আলী ও মোহাম্মাদ আলী উক্ত সম্পত্তি দাবি করে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করেন। অপরদিকে আরশাদ আলী বাদী হয়ে সাতক্ষীরা আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং- ১৭/০৪/১৭ উক্ত মামলায় আদালত উক্ত সম্পত্তির দখল বিষয়ে তদন্ত রিপোর্ট আমার পক্ষে যায়।
এঘটনায় উক্ত ব্যক্তিরা মোশাররফ হোসেনের রের্কডীয় সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের পায়তারা শুরু করেছে। মোশাররফ হোসেন আশংকা করছেন যে কোন মুহুর্তে তারা জোরপূর্বক উক্ত সম্পত্তিতে প্রবেশ করে আইন ও আদালতের তোয়াক্কা না করে উক্ত সম্পত্তি দখল করে নিতে পারে। উক্ত ব্যক্তিরা যাতে অবৈধভাবে মোশাররফ হোসেনের রেকর্ডীয় সম্পত্তি দখল করে নিতে না পারে সে বিষয়ে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে শিশু শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনায় ২য় তদন্ত সম্পন্ন

মোঃ আরাফাত আলী: কালিগঞ্জের দুদলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নির্যাতন করে অজ্ঞানের ঘটনায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নির্দেশে ২য় বার তদন্ত অনুষ্ঠিত সম্পন্ন হয়েছে।রোববার সকাল সাড়ে ১০ টায় দুদলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে ম্যানেজিং কমিটি সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মিরাজুল আশরেকীন, সোহরাব হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে তদন্ত সম্পন্ন করেন।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, মথুরেশপুর ইউনিয়নের দুদলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জিএম আশরাফ উদ্দীন দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সাগরকে (৭) গত ২৭ মার্চ বেঞ্চের নিচে মাথা ঢুকিয়ে দিতে বাধ্য করেন। কিছুক্ষণ পর ওই শিশু শিক্ষার্থী অজ্ঞান হলে তাকে প্রথমে স্থানীয় দু’জন চিকিৎসক এবং পরবর্তীতে কালিগঞ্জে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়। শিশু শিক্ষার্থী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরকারি কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নির্যাতনে শিক্ষার্থী অজ্ঞান হওয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় অভিভাবক ও সচেতন মহলের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনা পত্রিকায় প্রকাশ হলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল আমিনের নির্দেশে ওই ক্লাস্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার ওমর ফারুক গত ০৩/০৪/১৮ তারিখে তদন্ত সম্পন্ন করেন। কিন্তু ধুরন্ধর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জিএম আশরাফ উদ্দীন ঘটনাটির দায় দ্বিতীয় শ্রেণিতে অধ্যায়নরত আশরাফ হোসেনের উপর চাপানোর পাশাপাশি ঘৃণ্য কৌশল অবলম্বন করে পূণরায় তদন্তের আবেদন জানান। এর প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনায় রোববার আবারও তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ঝর্ণা আক্তার, অভিভাবক সদস্য যথাক্রমে সৈয়দ ইব্রাহিম আলী, মীর মন্তাজ আলী, জিএম আব্দুল জলিল, মোছা. মোহিনী খাতুন, মোছা. রঞ্জিলা খাতুন, ইছমত আলী ইতি, স্থানীয় ইউপি সদস্য সৈয়দ হেমায়েত আলী বাবু, ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সদস্য আলহাজ্জ্ব সৈয়দ শোকর আলী, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারি কাজী নূর আম্বিয়া, অভিভাবক সাবুর আলী, কাজী রাইসুল আলম, নির্যাতিত শিক্ষার্থী সাগর ও তার অভিভাবক জাকির হোসেনসহ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। তারা জানান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জিএম আশরাফ উদ্দীনের আচার আচরণ খুবই রূঢ়। তিনি কুটকৌশল করে ওই বিদ্যালয়ে ভাল কোন শিক্ষককে প্রধান শিক্ষক পদে যোগদান থেকে বিরত রাখেন। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এখন ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ করার পাশাপাশি কিছু সাংবাদিককে দিয়ে দু’একটি পত্রিকায় নিজের পক্ষে সংবাদ পরিবেশন করিয়ে নিয়েছেন। তিনি নির্যাতিত শিক্ষার্থীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন অভিযোগ করে তারা বলেন, সত্য কখনও চাপা থাকে না। তিনি এতই নিষ্ঠুর যে নির্যাতনে অজ্ঞান হওয়ার পরও তার চিকিৎসায় সহায়তা করেন নি এবং খোঁজখবর নেননি। শিশু নির্যাতিত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে অবিলম্বে দুদলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে দ্রুত অপসারণ ও বিভাগীয় শাস্তি প্রদানের দাবি জানান এসব অভিভাবক ও এলাকাবাসী। তদন্তকালে এসএমসি’র সভাপতি ঝর্ণা আক্তারসহ কয়েকজন সদস্য ও এলাকাবাসী লিখিত বক্তব্য প্রদান করেন।
এদিকে শিশু শিক্ষার্থী নির্যাতনকারী প্রধান শিক্ষক জিএম আশরাফ উদ্দীন দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সাগরকে নির্যাতনের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর কিছু সাংবাদিক পক্ষে ভাল নিউজ করে দেয়ার কথা বলে তাকে দেখা করতে বলেছিল, কিন্তু করেননি বলে জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ আটক ১

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি: কালিগঞ্জে ২০ পিস ইয়াবা সহ শিমুল হোসেন তরফদার (২৮) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। সে উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের নিজদেবপুর গ্রামের নুরমোহম্মাদ তরফদারের ছেলে। থানা সুত্রে জানা যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দিকে কালিগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মামুনুর রহমান ও সহকারী উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমানের নেতৃেেত্ব পুলিশ শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার মৌতলা নরহারকাটী অবস্থিত মহা শশ্বানের সামনে অভিযান চালায়। এসময় মাদক বিক্রয়রত অবস্থায় ২০ পিস ইয়াবা সহ শিমুলকে আটক করে পুলিশ।এবিষয়ে কালিগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মামুনুর রহমান বাদী হয়ে মাদক দ্রব্য নিয়ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন (মামলা নং-৬,তাং ৭-৪-১৮) খ্রিঃ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় দিনদুপুরে প্রাণসায়র খালে বাধ দিয়ে মৎস্য শিকার!

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা রেবাসী প্রাণের দাবি প্রাণসায়র খাল দখলমুক্ত করে পানির প্রবাহ নিশ্চিত করার বহু মিটিং-ছিটিং সত্ত্বেও এবিষয়টির কোন অগ্রগতি লক্ষ্যণীয় নয়। অথচ দিনদুপুরে অফিস চলাকালীন সময়ে প্রাণসায়র খালে বাধ দিয়ে পানি সেচে মাছ ধরছে একটি চক্র। অথচ পৌর কর্তৃপক্ষের কোন হস্তক্ষেপ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নাগরিকদের অনেকে।
রবিবার দুপুরে জনৈক মোজামের নেতৃত্বে পৌর সাবেক মেয়র এম এ জলিলের বাড়ি সংলগ্ন স্থান থেকে কেষ্ট ময়রার ব্রিজ পর্যন্ত খালে বাধ দেয় এবং মেশিন লাগিয়ে পানি সেচ শুরু করে। স্থানীয়রা বাধা দিলেও সেচের কাজ চালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিরা দাবি করেন তারা একাজের জন্য পৌরসভা থেকে অনুমতি নিয়েছেন।
এঘটনায় পৌরবাসীদের অনেকেই জানান, খালে বাধ দিয়ে এভাবে পানি সেচে মাছ ধরার কোন সুযোগ নেই। কিন্তু অজানা কারণে পৌর কর্তৃপক্ষ নিরব।
এদিকে প্রাণসায়র খালের দুধারে সৌন্দর্য বর্ধনের ৩২ লক্ষ টাকার কাজ ঢাকঢোল পিটিয়ে উদ্বোধন করা হলেও তার কোন অগ্রগতি চোখে পড়ছে না। তাতে আবার খালের কিছু অংশে বাধ দিয়ে মাছ শিকারে ব্যস্ত স্বার্থন্বেষী মহল।
এবিষয়ে ওই চক্রের হোতা মোজামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা পৌরসভা থেকে অনুমতি নিয়ে মাছ ধরছি।
এঘটনায় রবিবার দুপুর ২টার সময় সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতীর সাথে যোগাযোগ করার জন্য তার ব্যবহৃত ০১৭৬১-৭০২৭৩০ নাম্বারে কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি তা রিসিভি করেন নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভূমিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা দুদকের মামলায় গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক: দুর্নীতির মামলায় ভূমিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা কুতুবউদ্দিন আহম্মেদকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রবিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের এই কর্মকর্তা বলেন, গুলশানে ১০ কাটা পরিমাণ জমি আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের উপ-পরিচালক মির্জা জাহিদুল আলমের দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, কুতুব উদ্দিন অসৎ-উদ্দেশ্যে পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা, অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে গুলশান সাব রেজিস্ট্রি অফিসের সাফ কবলা দলিল নং-১২৮২৪ (তারিখ- ১১/০৮/২০০৪) রাজউকের হুকুম দখলকৃত/অধিগ্রহণকৃত ১০ কাঠা জমি শ্বশুর ও অন্যদের নামে ক্রয় দেখিয়ে আত্মসাৎ করেন।

অনুসন্ধানের সময় প্রাপ্ততথ্য ও রেকর্ড থেকে জানা যায়, গুলশান সাব রেজিস্ট্রি অফিসের ১২৮২৪ নম্বর সাফ কবলা দলিলে মাধ্যমে গুলশান থানার ভোলা মৌজার সিএস ৯৮ নং খতিয়ানের সিএস এবং এসএ ৪৫৭ নং দাগের ৫৪ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি থেকে ৮ দশমিক ২৫ শতাংশ (৫ কাঠা) জমি মো. আব্দুল জলিল মৃধা এবং ৮ দশমিক ২৫ শতাংশ (৫ কাঠা) জমি যৌথভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক (ডা.) এ কে এম আনোয়ার উল্লাহ ও তার স্ত্রী অধ্যাপক ডা. সামসুন নাহারের নামে ক্রয় দেখানো হয়। একই দলিলমূলে মোট ০৩ জন ক্রেতার নামে মোট ১৬ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি ক্রয় দেখানো হয়।  এই সাফ কবলা দলিল পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, দলিলে ১ নং ক্রমিকের ক্রেতা হচ্ছেন মো. আব্দুল জলিল মৃধা; যিনি ভূমি মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মো. কুতুব উদ্দিন আহম্মেদের শ্বশুর। এখানে দলিলে ক্রেতা হিসেবে জনাব আব্দুল জলিল মৃধার নাম উল্লেখ থাকলেও এই জমির প্রকৃত ভোগ-দখলকারী বা সুবিধাভোগী হচ্ছেন মো. কুতুব উদ্দিন আহম্মেদ। তিনিই মূলত এ সব কর্মকাণ্ডের অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছেন। নেপথ্যে থেকে তিনি প্রভাব বিস্তার করে কৌশলে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে রাজউকের হুকুম দখলকৃত সম্পত্তি অবমুক্ত করেছেন। পাশাপাশি নাজমুল ইসলাম সাইদকে জমির ভুয়া আমমোক্তার সাজিয়ে ও শ্বশুর আব্দুল জলিল মৃধাসহ আরও দু’জনকে ক্রেতা সাজিয়ে নিজেই এই জমি আত্মসাৎ করেন। অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী আব্দুল জলিল মৃধার নামে এই জমি কেনা  হলেও তিনি কখনোই এই জমি ভোগদখল করেননি। মূলত শুরু থেকেই কুতুবউদ্দিন আহম্মেদ এই জমি ভোগ দখল করে আসছেন। বর্তমানে এখানে সপরিবারে বসবাস করছেন। এই ভূমি আত্মসাৎ প্রক্রিয়ার সঙ্গে কুতুব উদ্দিন আহমেদের শ্বশুর সহযোগী হিসেবে জড়িত থাকলেও বা তার বিরুদ্ধে অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হলেও তিনি ইতোমধ্যে মৃত্যুবরণ করায় তাকে অভিযুক্ত আসামি হিসেবে গণ্য করা হয়নি। এছাড়া, এই জমির অন্য ক্রেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক (ডা.) এ কে এম আনোয়ার উল্লাহ ও তার স্ত্রী অধ্যাপক (ডা.) সামসুন নাহারের ক্রেতা হিসেবে দলিলে নাম থাকলেও প্রকৃত অর্থে তারা কখনও এই জমি ভোগদখল করেননি। বর্তমানেও এই জমি তাদের দখলে নেই। কুতুব উদ্দিন আহমেদ তাদের প্রভাবিত করে কম মূল্যে গুলশানের জমি কিনে দেবেন বলে তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে দলিলে ক্রেতা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন। এই জমির প্রকৃত ভোগ দখলকারী বা সুবিধাভোগী হচ্ছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের  ব্যক্তিগত কর্মকর্তা  মো. কুতুব উদ্দিন আহম্মেদ। এসব অভিযোগে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মো. কুতুব উদ্দিন আহম্মেদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হওয়া উচিত: সিইসি
রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হওয়া উচিত। বিগত জাতীয় নির্বাচনগুলোতে সেনা মোতোয়েন করা হয়েছিল।
আজ রবিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক আলোচনা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে উত্তরে এ কথা বলেন।
সিইসি বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে একবারও বলিনি যে সেনা মোতায়েন হবে না। তবে এটা আমার একার সিদ্ধান্তের বিষয় নয়। ইসির আরো পাঁচজন সদস্য আছেন, তারা মিলেই এটা সিদ্ধান্ত নেবেন।
সিইসি বলেন, তিনি জাতীয় নির্বাচনে সেনা চাইলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের পক্ষে নন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করা উচিত বলে আমি একদম মনে করি না।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চিকিৎসক নিয়োগ দিতে বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

স্বাস্থ্য ক্যাডারে চিকিৎসক নিয়োগ দিতে ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। আজ রবিবার কমিশনের ওয়েবসাইটে বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি, পরীক্ষার সিলেবাস ও নির্দেশাবলী প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ১০ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন প্রার্থীরা। তাদের বয়স ২১ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে।

ইতিমধ্যে বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে এককালীন চিকিৎসক নিয়োগের পরীক্ষা নেয়ার পূর্ব বিধিমালাও সংশোধন করেছে সরকার। সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, মেডিক্যাল সায়েন্স বা ডেন্টাল সায়েন্স বিষয়ে ১০০ নম্বর; বাংলা, ইংরেজি, বাংলাদেশ বিষয়াবলী ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীতে ২০ নম্বর করে এবং মানসিক দক্ষতা ও গাণিতিক যুক্তিতে ১০ নম্বর করে মোট ২০০ নম্বরের দুই ঘণ্টার এমসিকিউ ধরনের লিখিত পরীক্ষা হবে।

বিধিমালা অনুযায়ী আরো জানা গেছে, প্রতিটি এমসিকিউ প্রশ্নের সঠিক উত্তরের জন্য এক নম্বর দেওয়া হবে। আর প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য শূন্য দশমিক ৫০ নম্বর কাটা হবে। মৌখিক পরীক্ষার পাস নম্বর ৫০ ধরা হয়েছে।

এ ছাড়াও লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর পিএসসি নির্ধারণ করবে। এই পরীক্ষা শুধু ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের আনন্দ র‌্যালি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: স্বল্পন্নোত দেশ থেকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তীর্ণ হওয়ায় সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে আনন্দ র‌্যালি ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে রবিবার সকাল ১১টায় সরকারি কলেজ ক্যাম্পাস থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় কলেজে গিয়ে শেষ হয়। সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী শাহেদ পারভেজ ইমন ও সাধারণ সম্পাদক আবুল কালামের নেতৃত্বে র‌্যালি ও আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি কাজী সাদিকুজ্জামান দীপ,সাংগঠনিক সম্পাদকদ্বয় শেখ নাঈম হাসান ও নাঈম সরোয়ার, মনির, সাইফুল, নাহিদ, মাসুদ, আজহারুল, আছাফুর, অনিক, আলমসহ কলেজ ছাত্রলীগের আরও অনেক নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest