সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় ককটেল ও মাদক উদ্ধারসহ এক ব্যক্তি আটকEmbarking on the Digital Voyage: A Step-by-Step Journey into the Realm of Online Casino Entertainmentমায়ের কোলে শিশুরা যেমন নিরাপদ থাকে ঠিক সেই ভাবে হিন্দু- খ্রিষ্টান ভাইদের নিরাপদে রাখা হবেজাতী ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে নিয়ে একসাথে কাজ করব :  ধানের শীষের প্রার্থী হাবিবDive into a World of Thrilling Excitement with King Jonnie Casinos Dynamic Gaming ExperienceDive into a World of Thrilling Excitement with King Jonnie Casinos Dynamic Gaming Experienceসাতক্ষীরা-২ আসনের জামায়াতের নির্বাচনী মিছিলস্মার্ট মেডিকেল সেন্টারে গ্রাম ডাক্তারদের সাইন্টিফিক সেমিনারসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা : গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণতালাকে পৌরসভা ও পাটকেলঘাটা কে উপজেলায় রূপান্তরিত করব : ধানের শীষের প্রার্থী হাবিব

সাতক্ষীরায় ১৩ কোটি টাকার অবৈধ মাদক ধ্বংস করলো বিজিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: চোরাপথে ভারত থেকে আসা বিপুল পরিমান মাদকদ্রব্য আটকের পর তা ধ্বংস করা হয়েছে। এর দাম ১৩ কোটি টাকারও বেশি।
মঙ্গলবার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর সাতক্ষীরাস্থ ৩৮ ব্যটালিয়ন সদর দফতরে এসব মাদকদ্রব্য বুলডোজার দিয়ে মাড়িয়ে ও আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
এ সময় বিজিবির দক্ষিণ পশ্চিম রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ আল মামুন, খুলনা সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল তৌহিদুর রহমান, ব্যাটালিয়নর কমান্ডার লে. কর্ণেল মোস্তাফিজুর রহমান এবং বিজিবি পুলিশ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও মিডিয়াকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিজিবি জানায় ২০১৪ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৮ সালের ৫ মার্চ পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ৫০ হাজার বোতল ফেনসিডিল, ১ কোটি সাড়ে ২২ লাখ পিস নেশা জাতীয় ট্যাবলেট, বিপুল পরিমান বিভিন্ন প্রকার মদ ও গাঁজা আটকের পর তা ধ্বংস করা হয়েছে। এর বাজার মূল্য ১৩ কোটি ৫ লাখ টাকা বলেও জানিয়েছে বিজিবি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিরিয়াল কিলার রসু খাঁসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

২০১০ সালের ফরিদগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত পারভীন হত্যা মামলায় দেশব্যাপী এক সময়ের আলোচিত সিরিয়াল কিলার রসু খাঁসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছে চাঁদপুরের আদালত।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে চাঁদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালতের বিচারক আবদুল মান্নান এ রায় দেন।
অপর সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- জহিরুল ইসলাম ও ইউনুছ।
এদের মধ্যে ইউনুছ মামলার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন। ১১ হত্যার দায়ে অভিযুক্ত রসু খাঁ খুনি বর্তমানে চাঁদপুর জেলা কারাগারে আছে। তার বিরুদ্ধে চলমান ৯টি মামলার একটির রায় হয়েছে আজ দুপুরে চাঁদপুরের আদালতে।
২০০৯ সালের আটকের পর এ নিয়ে দুইটি মামলায় রসু খার রিরুদ্ধে রায় দিল আদালত। দুইটি রায়েই রসুখাঁর মুত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে।
চাঁদপুর সদরের মদনা গ্রামের ছিঁচকে চোর রসু খা প্রেমে ব্যর্থ হয়ে এক সময় সিরিয়ার কিলারে পরিণত হয়। ২০০৯ সালের ৭ অক্টোবর পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর এক এক করে তার লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের চিত্র বেরিয়ে আসে। নিজের মুখে স্বীকার করে ১১ নারী হত্যার কথা। রসু খাঁর টার্গেট ছিল ১০১টি হত্যাকাণ্ড ঘটানোর। রসুখাঁ যাদের হত্যা করেছে তারা সবাই ছিল নিরীহ গার্মেন্টস কর্মী। বাসস
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আবারও টিভি পর্দায় নিয়মিত হচ্ছেন বুবলী

অনেক ঝড়ের মধ্যেও নিজেকে ভালোই সামলে তুলেছেন শবনম বুবলী। টিভি পর্দার নিউজ ডেস্ক পেরিয়ে শাকিব খানের সঙ্গে নিয়মিত পর্দা শেয়ার করছেন চলচ্চিত্রে। আসছে সফলতাও।
নতুন খবর হলো, আবারও ছোট পর্দায় (টিভি) নিয়মিত হচ্ছেন প্রাক্তন এই টেলিভিশন সংবাদ পাঠিকা! তবে সেটি নতুন পথে। জানালেন, প্রথমবারের মতো তিনি কাজ করেছেন টিভি বিজ্ঞাপনে। তিব্বত বিউটি সোপের মডেল হলেন তিনি। গত ২৭ ও ২৮ ফেব্রুয়ারি এর শুটিং হয়েছে কলকাতায়। এটি নির্মাণ করেছেন কলকাতার সৌনক মিত্র।
বিজ্ঞাপনে অভিষেক প্রসঙ্গে বুবলীর ভাষ্য এমন, ‘প্রথম বিজ্ঞাপনের মডেল হলাম। প্রথম অভিজ্ঞতা। কাজটি বেশ কঠিন। খুব অল্প সময়ের মধ্যে পুরো বিষয়টি তুলে ধরতে হয়। আশা করছি কাজটি ভালোই হয়েছে।’
জানা গেছে, চলতি মাসের শেষ দিকে দেশের প্রায় সবক’টি টিভি চ্যানেলে বুবলীর বিজ্ঞাপনচিত্রটি প্রচার শুরু হবে।
এদিকে সম্প্রতি বুবলী শেষ করেছেন ‘চিটাগাইঙ্গা পোয়া নোয়াখাইল্লা মাইয়া’ নামের ছবির শুটিং। শিগগিরই শুরু করবেন ‘ক্যাপ্টেন খান’ ও ‘আমার স্বপ্ন আমার দেশ’ নামের দুটির ছবির কাজ। তারও আগে বুবলী অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত ছবির মধ্যে রয়েছে ‘বসগিরি’, ‘শুটার’, ‘রংবাজ’ ও ‘অহংকার’।
সবগুলোতেই শবনম বুবলী নায়িকা সেজেছেন শাকিব খানের সঙ্গে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী আর নেই

প্রখ্যাত ভাস্কর মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী মারা গেছেন।  মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান প্রিয়ভাষিণী। ল্যাবএইড হাসপাতালের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম লেনিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছিলেন এই ভাস্কর। ডায়াবেটিস, ব্লাড প্রেশার, হৃদরোগসহ বেশ কয়েকটি অসুখে ভুগছিলেন তিনি।

ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী ১৯৪৭ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি খুলনায় জন্ম গ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে নির্যাতিত হন। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১০ সালে তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান স্বাধীনতা পদক পান। ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে মুক্তিযোদ্ধা খেতাব প্রদান করে।

১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৯৮ পর্যন্ত প্রিয়ভাষিণী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন।

মাঝে কিছুদিন স্কুলে শিক্ষকতাও করেছেন। তিনি ইউএনডিপি, ইউএনআইসিইএফ, এফএও, কানাডিয়ান দূতাবাস প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন। শেষ বয়সে এসে নানা শিল্পকর্ম সৃষ্টিতে মনোনিবেশ করেন এবং তা অব্যাহত রাখেন।

প্রিয়ভাষিণীর শিল্পকর্ম বেশ জনপ্রিয়। মূলত ঘর সাজানো এবং নিজেকে সাজানোর জন্য দামী জিনিসের পরিবর্তে সহজলভ্য জিনিস দিয়ে কীভাবে সাজানো যায়- তার সন্ধান করা থেকেই তাঁর শিল্পচর্চার শুরু। ঝরা পাতা, মরা ডাল, গাছের গুঁড়ি দিয়েই মূলত তিনি নানা শিল্প কর্ম তৈরি করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খা‌লেক বাকি রোকনসহ সাতক্ষীরার ৪ যুদ্ধাপরাধীর বিচার শুরু

ডেস্ক: একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল খালেক মণ্ডল ওরফে জল্লাদ খালেক, রাজাকার কমান্ডার আব্দুল্লাহ হেল বাকী, শহরের নবজীবন এনজিও’র খান রোকনুজ্জামান ও জহিরুল ইসলাম ওরফে টেক্কা খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

১৫ এপ্রিল এ চারজনের বিষয়ে সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণের দিনও ধার্য করা হয়েছে। বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল সোমবার (৫ মার্চ) এ আদেশ দেন।

এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর ছিলেন জেয়াদ আল মালুম ও রেজিয়া সুলতানা চমন। আসামি খালেক মণ্ডলের পক্ষে মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন ও অপর আসামি সাতক্ষীরার রাজাকার কমান্ডার আব্দুল্লাহ হেল বাকীর পক্ষে অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার পালোয়ান শুনানি করেন। পলাতক দুই আসামির পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী গাজী এমইএইচ তামিম।

গত বছরের ১৯ মার্চ এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। চার আসামির মধ্যে খালেক মণ্ডল গ্রেফতার, কমান্ডার আব্দুল্লাহ হেল বাকী শর্তসাপেক্ষে জামিনে রয়েছেন। বাকি দুই আসামি খান রোকনুজ্জামান ও জহিরুল ইসলাম টেক্কা খান পলাতক।

আনুষ্ঠানিক অভিযোগে আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ, আটক, নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের সাতটি অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৬ জনকে হত্যা, ২ জনকে ধর্ষণ, ১৪ জনকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ।
২০১৫ সালের ১৬ জুন ভোরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার খলিলনগর মহিলা মাদ্রাসায় নাশকতার উদ্দেশ্যে কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে গোপন বৈঠকের অভিযোগে আব্দুল খালেক মণ্ডলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই বছরের ২৫ আগস্ট খালেক মণ্ডলের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি মামলার মধ্যে শহীদ মোস্তফা গাজী হত্যা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখান ট্রাইব্যুনাল।

শিমুলবাড়িয়া গ্রামের রুস্তম আলীসহ পাঁচজনকে হত্যার অভিযোগে ২০০৯ সালের ০২ জুলাই খালেক মণ্ডলের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন শহীদ রুস্তম আলীর ছেলে নজরুল ইসলাম গাজী।

এ মামলার চার আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ০৭ আগস্ট থেকে তদন্ত শুরু হয়ে গত ০৫ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়। একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও জব্দ তালিকার সাক্ষীসহ মোট ৬০ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেবেন।

গত বছরের ০৮ ফেব্রুয়ারি চারজনের বিরুদ্ধে তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। পরে ৮ মার্চ অন্য তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জা‌রি করেন ট্রাইব্যুনাল।

১৭ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নের বুলারাটী গ্রামের বা‌ড়ি থেকে আব্দুল্লাহ-হেল বাকীকে গ্রেফতার করা হয়। ১৯ মার্চ হাজির করা হলে ঢাকায় থাকা ও ধার্য দিনে হাজিরের শর্তে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম আব্দুর রউফের হেফাজতে ১০৩ বছর বয়স্ক বাকীকে জামিন দেওয়া হয়।

সাত অভিযোগ
প্রথম অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ১৮ আগস্ট সকাল ৮টার দিকে বেতনা নদীর পাড়ে বুধহাটা খেয়াঘাটে আফতাবউদ্দিন ও সিরাজুল ইসলামকে রাজাকার কমান্ডার ইছাহাক (মৃত) ও তার সহযোগীরা গুলি করে হত্যা করেন। পরে স্থানীয় খলিলুর রহমান, মো. ইমাম বারী, মো. মুজিবর রহমান ও ইমদাদুল হককে রাজাকার বাহিনীর নির্যাতন কেন্দ্র ডায়মন্ড হোটেলে নিয়ে নির্যাতন করা হয়।

দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের পহেলা ভাদ্র ধুলিহর বাজার থেকে ধরে কমরউদ্দিন ঢালীকে দড়ি দিয়ে বেঁধে নিয়ে যান ১০/১২ জন রাজাকার সদস্য। তাদের নেতৃত্বে ছিলেন সাতক্ষীরা মহকুমার রাজাকার কমান্ডার এম আব্দুল্লাহ আল বাকী ও খান রোকনুজ্জামান। পরে ঢালীর মরদেহ পাওয়া যায় বেতনা নদীর পাড়ে।

তৃতীয় অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের পহেলা ভাদ্র বুধবার বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার দিকে রাজাকার কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল বাকী, রোকনুজ্জামান খানসহ ৪-৫ জন মিলে সবদার আলী সরদারকে চোখ বেঁধে পিকআপভ্যানে তুলে নিয়ে যান। পরে আর তার সন্ধান মেলেনি।

চতুর্থ অভিযোগে বলা হয়েছে, সোহেল উদ্দিন সানা তার বড় ছেলে আব্দুল জলিল সানাকে সঙ্গে নিয়ে পহেলা ভাদ্র বুধহাটা বাজার অতিক্রমের সময় রাজাকার কমান্ডার ইছাহাক (মৃত) ও তার সঙ্গী রাজাকারদের হাতে আটক হন। পরে তাদের ডায়মন্ড হোটেলে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। সোহেল ও সানার সন্ধান আর মেলেনি।

পঞ্চম অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ৭ আষাঢ় সকাল ৭টার দিকে আবুল হোসেন ও তার ভাই গোলাম হোসেন নিজেদের বাড়ির পাশে হালচাষ করছিলেন। সকাল ৯টার দিকে গোলাম হোসেন বাড়িতে নাস্তা খেতে এলে আসামি আব্দুল খালেক মণ্ডল ও জহিরুল ইসলাম টেক্কা খানসহ ১০/১২ জন রাজাকার সদস্য তাকে ধরে নিয়ে পাশের পাটক্ষেতে গুলি করে হত্যা করেন।

ষষ্ঠ অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ০২ ভাদ্র সকালে বাশদহ বাজারের ওয়াপদা মোড় থেকে মো. বছির আহমেদকে ধরে নিয়ে নির্যাতনের পর তার বুড়ো আঙুলের রগ কেটে দেন রাজাকার বাহিনীর সদস্যরা।

সপ্তম অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের জৈ্যষ্ঠ মাসের মাঝামাঝি কোনো এক সময়ে আসামি আব্দুল খালেক মণ্ডল ও রাজাকার কমান্ডার জহিরুল ইসলাম টেক্কা খান একদল পাকিস্তানি সৈন্যকে সঙ্গে নিয়ে কাথণ্ডা প্রাইমারি স্কুলে স্থানীয় গ্রামবাসীদের ডেকে মিটিং করেন। সেই মিটিংয়ে বলা হয়, যারা আওয়ামী লীগ করেন এবং যারা মুক্তিযুদ্ধে গেছেন তারা ‘কাফের’। এরপর তারা কাথণ্ডা ও বৈকারি গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়া ব্যক্তিদের বাড়ি-ঘর লুট করে জ্বালিয়ে দেন। সে সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দুই সদস্য মৃত গোলাম রহমানের স্ত্রী আমিরুনকে তার বাড়ির রান্নাঘরের পেছনে আটকে ধর্ষণ করেন। এছাড়া বৈকারি গ্রামের ছফুরা খাতুনকে মৃত শরীয়তউল্লাহর ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন চার পাকিস্তানি সৈন্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ সারি

পাটুরিয়া ও রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে তিন শতাধিক ট্রাক। ফেরি সংকটের কারণে মূলত এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বলে ঘাট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ঘাট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ১৫টি ফেরি রয়েছে। এর মধ্যে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২-৩টি ফেরি পাটুরিয়া ঘাট এলাকার ভাসমান কারখানায় মেরামতে রয়েছে। একদিকে যানবাহনের তুলনায় ফেরি সংকট, অন্যদিকে ফেরিগুলো দীর্ঘদিনের পুরনো হওয়ায় প্রায়ই ২-৩টি করে মেরামতে থাকে। এসব কারণে ফেরিঘাট এলাকায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয়।

আজ মঙ্গলবার সকালে সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় তিন শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক নৌরুট পারের অপেক্ষায় রয়েছে বলেও জানান তিনি।

পাটুরিয়া ফেরিঘাট শাখা ট্রাফিক পুলিশ সূত্রে জানিয়েছে, পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় ২০ থেকে ৩০টি যাত্রীবাহী পরিবহন ও দুই শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক পদ্মা পার হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

যাত্রী ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনা করে যাত্রীবাহী পরিবহনগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপার করা হচ্ছে। এ কারণে জরুরি পণ্যবাহী ট্রাকগুলো ছাড়া অন্য সাধারণ ট্রাকগুলোকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে যাত্রীবাহী বাসের চাপ কিছুটা কম থাকলেও ঢাকামুখী পণ্যবাহী ট্রাকের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঝিকরগাছার নায়ড়া-উলাকোল মাঠে অবৈধ ভাবে নির্মাণ হয়েছে কিং ব্রিকস্

মোঃ রাসেল ইসলাম, বেনাপোল প্রতনিধি: ঝিকরগাছার নায়ড়া – উলাকোল মাঠে বঙ্গবন্ধু সড়কের পাশে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠেছে কিং ব্রিকস্ নামে ইট ভাটা। যার পাশেই রয়েছে ২ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১ টি মাধ্যামিক বিদ্যালয়, ৪ টি মসজিদ ও ১ টি মাদরাসা সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। রয়েছে শত শত একর ফসলী জমি। এই ইট ভাটা হওয়ায় এ সকল জমিতে বিগত বছর যে ফসল উৎপাদন হত তার অর্ধেকে নেমে এসেছে। ফলে এ ইট ভাটা হওয়ায় এক দিকে যেমন শত শত একর জমিতে ফসল উৎপাদন কমে যাচ্ছে অন্য দিকে ভাটার কালো ধোয়ায় ও ধূলাবালিতে এলাকার পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা। জানাগেছে, সম্প্রতি ঝিকরগাছা উপজেলার শংকরপুর ইউনিয়নের নায়ড়া-উলাকোল গ্রামের মাঠে বঙ্গবন্ধু সড়কের পাশে উপজেলার রাজবাড়িয়া গ্রামের জনৈক সাখাওয়াত হোসেন আইন অমান্য করে অবৈধ ভাবে কিং ব্রিকস্ নামে একটি ইট ভাটা নির্মাণ করেছে। নির্মাণাধীন এ কিং ব্রিকস্ এর পাশেই রয়েছে উলাকোল প্রাথমিক বিদ্যালয়, উলাকোল আলিম মাদরাসা, নায়ড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নায়ড়া মাধ্যামিক বিদ্যালয়। এ ছাড়াও রয়েছে ৪ টি মসজিদ সহ শত শত একর ফসলী জমি। ২০১৩ সালের ইটভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক কিলোমিটারের মধ্যে ইটভাটা নির্মাণের কোন সুযোগ নেই। কিন্তু এই আইন অমান্য করে নির্মাণ করেছে এই ইটভাটাটি। ফলে এ ইট ভাটা হওয়ায় এক দিকে যেমন শত শত একর জমিতে ফসল উৎপাদন কমে যাচ্ছে অন্য দিকে ভাটার কালো ধোয়ায় ও ধূলাবালিতে এলাকার পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা। উলাকোল গ্রামের কৃষক আব্দুল হাই বলেন, ইটভাটার পাশেই আমার ধানী জমি রয়েছে। ভাটা হওয়ার আগে বিঘা প্রতি ১৮/২০ মণ ধান উৎপাদন হতো। এখন ১০/১১ মণ ধান হচ্ছে। যা বিগত দিনের তুলনায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। ভাটাটি পাশের এ সমস্ত শত শত একর ধানী জমির ফসল উৎপাদন অব্যাহত রাখতে হলে ইটভাটাটি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। স্থানীয় ভাবে ভাটা নির্মাণে বাধা দিয়ে কোন ফল না হওয়ায় জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃ পক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী। এ ব্যপারে কিং ব্রিকস্ এর সাখাওয়াত হোসেনের কাছে তার মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অন্যদের ইটভাটা চললে আমার টাও চলবে বলে ফোন রেখে দেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্রহ্মরাজপুরে পশুপতি স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে একে ট্রাভেলস চ্যাম্পিয়ন

ধুলিহর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদরের ব্রহ্মরাজপুর ডি.বি. ইউনাইটেড হাইস্কুল মাঠে সোমবার বিকেলে আটদলীয় পশুপতি স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খেলায় সাতক্ষীরা একে ট্রাভেলস ক্রিকেট একাদশ বনাম কুল্যা টাইগার্স ক্রিকেট একাদশ একে অপরের মুখোমুখি হয়।
ব্রহ্মরাজপুর ইউনাইটেড স্পোর্টিং ক্লাবের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ফাইনাল খেলায় সাতক্ষীরা একে ট্রাভেলস ক্রিকেট একাদশ ১৬ রানে কুল্যা টাইগার্স ক্রিকেট একাদশকে হারিয়ে এবারের আসরের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ফাইনাল খেলায় ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয় সাতক্ষীরা একে ট্রাভেলস ক্রিকেট একাদশের খেলোয়াড় আসাদুল ইসলাম। এই টুর্নামেন্টের ম্যান অব দ্যা সিরিজ নির্বাচিত হয় সাতক্ষীরা একে ট্রাভেলস ক্রিকেট একাদশের অলরাউন্ডার রিপন হোসেন। খেলায় মাঠ পরিচালনা করেন রুহুল আমিন ও এবাদুল ইসলাম।
খেলা শেষে ব্রহ্মরাজপুর ইউনাইটেড স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি উজ্জ্বল হোসেনের সভাপতিত্বে পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহজাহান আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক গণেশ চন্দ্র মন্ডল, ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা এস, এম শহিদুল ইসলাম, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি নিলীপ কুমার মল্লিক।
এছাড়া অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক মেম্বার অজিয়ার রহমান, মেম্বার ও সাংবাদিক রেজাউল করিম মিঠু, মেম্বার কামরুজ্জামান, ৬নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, ব্রহ্মরাজপুর ইউনাইটেড স্পোর্টিং ক্লাবের কনক মাঝি, শামসুল আরেফিন রানা, রুহুল আমিন, আবুল খায়ের, আরিফুল ইসলাম, মাহিন আলম, কবিরুল ইসলাম সুজন, কামরুল ইসলাম, আল আমিন হোসেন, আলতাফ হোসেন, মোখলেছুর রহমান, মিলন হোসেন প্রমূখ।
খেলা শেষে অতিথিবৃন্দরা রানার্স আপ ও চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ব্রহ্মরাজপুর ইউনাইটেড স্পোর্টিং ক্লাবের বিল্লাল হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest