অনলাইন ডেস্ক: রাশিয়ার সাইবেরীয় শহর কেমেরোভোয় একটি বিপণি বিতানে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রুশ সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, রোববার ছুটির দিনের বিকালে এ ঘটনায় আরও অন্তত ৬৪ জন নিখোঁজ রয়েছে, যাদের মধ্যে ৪১ জনের বয়স ১৭ বছরের কম।
উইন্টার চেরি কমপ্লেক্স নামের ওই শপিং মলের উপরের ফ্লোরে যখন আগুনের সূত্রপাত হয়, অনেকেই তখন সিনেমা দেখায় মগ্ন ছিলেন।
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে আসা ভিডিওতে দেখা যায়, ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন পুরো এলাকা থেকে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। আর আগুন থেকে বাঁচার মরিয়া চেষ্টায় জানালা দিয়ে লাফিয়ে নামার চেষ্টা করছে মানুষ।
ঠিক কীভাবে ওই বিপণি বিতানে আগুন লাগে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।
রাজধানী মস্কো থেকে তিন হাজার ৬০০ কিলোমিটার দূরে রাশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কয়লা উৎপাদন কেন্দ্র কেমেরোভো।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, মুভি থিয়েটার, রেস্তোরাঁ, সাউনা, বোওলিং অ্যালি ও একটি চিলড্রেন জু নিয়ে ২০১৩ সালে উইন্টার চেরি কমপ্লেক্স যাত্রা শুরু করে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বিকাল ৫টার দিকে শপিং মলের বিনোদন কেন্দ্রের অংশে কোথাও আগুনের সূত্রপাত হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কেমেরোভোর জরুরি বিভাগের উপ প্রধান ইয়েভগেনি দেদিউখিন বলছেন, প্রাথমিক যে তথ্য তাদের কাছে রয়েছে, তাতে আগুন ওই শপিং মলের প্রায় ১৫০০ বর্গমিটার এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ধসে পড়ে দুটো সিনেমা হলের ছাদ।
৬২টি ফায়ার ইউনিট নিয়ে অগ্নি নির্বাপক বাহিনীর ২৮৮ জন কর্মীর পাশাপাশি আকাশ থেকে হেলিকপ্টার ব্যবহার করে সেখানে আগুন নেভানোর কাজ চলছে বলে জানান তিনি।
কেমেরোভো অঞ্চলের ডেপুটি গভর্নর ভ্লাদিমির চেরনভ জানান, শপিং মলের একটি মুভি থিয়েটার থেকেই পাওয়া গেছে ১৩ জনের লাশ।
ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা প্রায় একশ মানুষকে শপিং মল থেকে বের করে আনে এবং আরও ২০ জনকে বিভিন্ন ফ্লোর থেকে উদ্ধার করে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইতার-তাস।

দেবহাটার উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। রবিবার বিকাল ৪টায় পারুলিয়াস্থ মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয়ে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সহ-কমান্ডার গোলাম হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব আব্দুল গণি। বক্তব্য রাখেন উপজেলা সংসদের কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা জামসেদ আলম,জেলা যুদ্ধহত মুক্তিযোদ্ধা সমিতির সভাপতি ও উপজেলা জাতীয় পর্টির উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুল মাবুদ গাজী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি আবু রায়হান তিতু, প্রাক্তন শিক্ষক বিভূতি ভূষণ, ইউপি সদস্য আকবর আলী, আব্দুল করিম প্রমূখ।
সখিপুরের ঐতিহ্যবাহী খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা কলেজে ২৫ মার্চ রবিবার সকাল ১০ টায় গনহত্যা দিবস উপলক্ষে স্মৃতিচারণ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছে। কলেজের আইসিটি হল রুমে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন অত্র কলেজের অধ্যক্ষ মো. রিয়াজুল ইসলাম। শিক্ষক মো. আবু তালেবের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তৎকালীন অত্র এলাকার মুজিব বাহিনীর ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল মাহমুদ গাজী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জামসেদ আলম। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অত্র কলেজের শিক্ষক মো. আকবর আলী, মো. শহিদুল ইসলাম, স্বপন কুমার মন্ডল, রিতা রানী, আবু জাফর সিদ্দিকি, তৌহিদুজ্জামান সহ অন্যান্য শিক্ষক-কর্মচারী ও বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীবৃন্দ।
