রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইতিহাসের কোনো ঘটনা পাল্টে দেওয়ার সুযোগ থাকলে তিনি সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন বা ধ্বংস ঠেকিয়ে দিতেন।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারের অংশ হিসেবে শুক্রবার রাশিয়ার ইউরোপ অংশের কালিনিনগ্রাদে যান পুতিন। সমর্থকদের করা প্রশ্নের তাৎক্ষণিক জবাব দেন তিনি। আধুনিক রুশ ইতিহাসের কোন ঘটনা সুযোগ থাকলে বদলে দিতেন এমক এক প্রশ্নের জবাবে পুতিন বলেন, ‘সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন’।
এদিকে নির্বাচনের মাত্র দু’সপ্তাহ আগে তার করা এই উক্তি কোটি কোটি রুশ নাগরিক, বিশেষ করে সোভিয়েত স্বর্ণযুগের সাক্ষী বৃদ্ধ-বৃদ্ধা ও প্রবীণ-প্রবীণাকে স্মৃতিকাতর করেছে।
এর আগেও ভ্লাদিমির পুতিন ২০০৫ সালে দেয়া এক বক্তৃতায় সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনকে ‘‘বিশ শতকের সবচেয়ে বড় ভূ-রাজনৈতিক বিপর্যয়’’ বলে উল্লেখ করেছিলেন।
উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের যখন পতন হয়, তখন পুতিন সোভিয়েত রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবির কর্মকর্তা ছিলেন।

রোববার সকাল ১১ টায় মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ছাত্র-জনতার ব্যানারে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের সামনে অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক সেলিম রেজা মুকুল, জাসদ নেতা আমির হোসন খান চৌধুরী, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাক্ষেীরা জেলা কমিটির সদস্য প্রভাষক সুভাশীষ, সাতক্ষীরা জেলা ছাত্র মৈত্রীর সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ মন্ডল, নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের নেতা রওনক বাসার, ইকবাল লোদী, কনক দাশ প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, ড. জাফর ইকবালের উপর মুক্ত চিন্তার উপর তথা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার উপর আক্রমণ। সন্ত্রাসীরা একের পর এক প্রগতিশীল লেখক বুদ্ধিজীবীদের উপর হামলা করে মুক্ত চিন্তার মানুষের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করছে। এসবের পিছনে মৌলবাদী সংগঠনের মদদ রয়েছে উল্লেখ করে বক্তারা অবিলম্বে এসব মৌলবাদী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
বক্তারা প্রশাসনের মধ্যেও কেউ কেউ ঘাপটি মেরে থেকে মৌলবাদি জামাত-শিবির চক্রকে মদদ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন। সরকারকে এদের বিষয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বক্তারা বলেন, হেফাজতে ইসলামের মত মৌলবাদী চক্রের সাথে বন্ধুত্ব করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখা সম্ভব নয়। হেফাজতের আদর্শিক বন্ধুরাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মুছে ফেলতে চায়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক যে বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন আমরা দেখি সেখানে ড. জাফর ইকবালরাই আমাদের পথ প্রদর্শক। তাই তাদেরকে নিরাপত্তা দিতে মৌলবাদের বিষদাঁত ভেঙে ফেলতে হবে।
