সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ’র সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণদেবহাটার পল্লীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে জামায়াত নেতৃবৃন্দবিশ্বমুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাতক্ষীরায় অবস্থান কর্মসূচি খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক ওয়ার্কশপে অংশ নিলেন ৫ স্কাউটারজ্বালানি সংকট, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় গণমিছিলসাতক্ষীরায় প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুই দিন ব্যাপি আর্ন্তজাতিক দাবা প্রতিযোগিতামে দিবস উপলক্ষে সদর উপজেলা ইমারত নির্মাণ টাইলস ও মোজাইক শ্রমিক ইউনিয়নের র‌্যালিশ্যামনগরে কালবৈশাখীর ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে গাজী শাহ আলমসাতক্ষীরায় মে দিবসে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালি  অধিকার বঞ্চিত বাংলাদেশের চা শ্রমিকরা

প্রতিবেশীর কুকুর রেঁধে মালিককেই দাওয়াত!

দক্ষিণ কোরিয়ায় এক কৃষক প্রতিবেশীর পোষা কুকুর মেরে প্রতিবেশীকেই দাওয়াত দিয়ে খাওয়ান। কুকুরের ‘অসহ্য’ চিৎকারের জন্যই তিনি এ কাজ করেন। খবর: আরব নিউজ

স্থানীয় সময় বুধবার পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে ওই কৃষক জানান, কুকুরটির ঘেউ ঘেউ শব্দে খুবই বিরক্ত ছিলেন তিনি। পরে সহ্য না করতে পেরে গতকাল কুকুরটি লক্ষ্য করে একটি পাথর ছুড়ে মারেন। এতে সেটি অচেতন হয়ে পড়ে।

ঘটনার তদন্তকারী এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার খালিজ টাইমস জানায়, শ্বাসরোধ করে কুকুরটিকে হত্যার পর মাংস রান্না করেন ঐ কৃষক। পরে কুকুরটির মালিককে তিনি রাতের খাবারে নিমন্ত্রণ জানান।

পোষা কুকুরটির মালিকের মেয়ে পুলিশকে জানায়, শহরের প্রতিটি জায়গায় কুকুরটি খুঁজেছেন তারা। এমনকি সেটিকে খুঁজে দিতে পারলে ১০ লাখ (দক্ষিণ কোরিয়ার মূদ্রা) ওন পুরষ্কারের ঘোষণাও দেওয়া হয়।

এ সময় অভিযুক্ত কৃষকের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কুকুরটি খুঁজতে আমি তার বাসায় গেলে, তিনি খুব সহানুভূতি জানান। এমনকি কুকুরটিকে খুঁজে পেলে আমাকে জানাবেন বলে আশাবাদও দেন। আমার বিশ্বাস কুকুরটিকে তিনি তখন লুকিয়ে রেখেছিলেন।’

ঘটনার বর্ণনা দিতে যেয়ে মেয়েটি বলেন, ‘ওই দিনই বাসায় বাবার এক বন্ধু আসেন। তিনি বাবার সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, পাশের বাসার ওই কৃষক কুকুরের মাংস খেতে বাবাকে আমন্ত্রণ করেছে। তবে বাবা আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করলে ওই কৃষক রান্না করা কুকুরের মাংস নিয়ে আমাদের বাড়িতে আসেন। এ সময় বাবার বন্ধু তাকে জেরা করলে তিনি হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেন।’

দক্ষিণ কোরিয়ায় অন্যতম একটি পছন্দের খাবার হচ্ছে কুকুরের মাংস। তবে বর্তমানে বেশ কয়েকটি শহরে কুকুরের মাংস নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে নতুন রেকর্ড গড়ল ঢাকাবাসী

তিনগুণ বেশি নাগরিক নিয়ে পরিচ্ছন্নতায় বিশ্ব রেকর্ড গড়ল ঢাকাবাসী। শুক্রবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (ডিএসসিসি) ১৫ হাজার ৩১৩ জন নগরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে প্রতীকী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে এ রেকর্ড গড়া হয়। একই সঙ্গে এসব নগরবাসীর অংশগ্রহণে ১ মিনিট রাস্তা ঝাড়ু দেয়া হয়।

২০১৭ সালে পাঁচ হাজার ৫৮ জন কর্মী নিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করে গিনেস বুকে নাম লিখিয়েছিল ভারত। ভারতের গুজরাটে ২০১৭ সালের ২৮ মে বদোধারা শহরেরে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে এক কিলোমিটার রাস্তা পরিষ্কার করা হয়।

ডিএসসিসি আয়োজিত প্রতীকী পরিচ্ছন্ন কর্মসূচির এ রেকর্ড জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি উৎসর্গ করেছেন দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন।

‘মন সুন্দর যার সে রাখে দেশ পরিষ্কার’-স্লোগানে গিনেস বুকে নতুন রেকর্ডের লক্ষ্যে শুক্রবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ৯টায় থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়। সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর গুলিস্তানের গোলাপ শাহ মাজার থেকে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত এ পরিচ্ছন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।

ডিএসসিসি আয়োজিত এ কর্মসূচিতে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেককে মেশিনের মাধ্যমে গণনা করা হয়। কর্মসূচিতে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার গেটে গণনা মেশিনের দায়িত্বে ছিল মোট ১০টি টিম। এছাড়া অডিট টিমের দায়িত্বে ছিলেন ৫০ জন। অডিট টিমের নেতৃত্ব দেয়া পিনাকী দাশ জানান, প্রতীকী এ পরিচ্ছন্ন কর্মসূচিতে ১৫ হাজার ৩১৩ জন অংশগ্রহণ করেন।

আতশবাজি ও গানের মধ্য দিয়ে এ রেকর্ড উদযাপন করা হয়। ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্বচ্ছ ঢাকা গড়ার লক্ষ্যে নগরবাসীকে সচেতন করতে এ প্রতীকী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এর মাধ্যমে পুরো নগরী পরিচ্ছন্ন না হলেও জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি ঢাকা শহরের নাম গিনিস ওয়ার্ল্ড বুকে লেখা থাকবে।

ডিএসসিসি ও রেকিট বেনকিজার বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে ‘ডেটল পরিচ্ছন্ন ঢাকা’ নামে এ প্রচার অভিযান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া এ কর্মসূচিতে সহায়তা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। কর্মসূচিতে জাতীয় স্কাউট, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর ( বিএনসিসি), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), ফায়ার সার্ভিস, নৃত্যশিল্পী, চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিচালক, অভিনেতা, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে লোকজন অংশ নেন।

এছাড়া সংসদ সদস্য গাজী গোলাম দস্তাগির, সানজিদা খানম, প্রধান নির্বাচন কমিশন কে এম নুরুল হুদা, ডিএমমি কমিশনার, চিত্র নায়ক রিয়াজ, ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ বেলাল, ডিএনসিসির প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের ছেলে নাভিদুল হক বিশ্ব রেকর্ডের এ কর্মমূচি অংশগ্রহণ করেন।

জীবন ব্যবস্থায় পরিচ্ছন্নতা স্থাপন করায় নাগরবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, এ রেকর্ডের মধ্য দিয়ে বিশ্বের কাছে প্রমাণ করেছি ঢাকাবাসী পরিষ্কার নাগরিক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র লন্ডন ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে : কাদের

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে লন্ডনভিত্তিক ষড়যন্ত্র চলছিল বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। কোটা পদ্ধতি বাতিলে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় এ ষড়যন্ত্র ভণ্ডুল হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

আজ শুক্রবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভুলতা এলাকায় ফ্লাইওভারের কাজ পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী আরো বলেন, ‘শোনেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে এ দেশের রাজনৈতিক একটা মতলবি মহলের ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় তারা এখন নিদারুণভাবে হতাশ এবং প্রধানমন্ত্রীর সাহসী ঘোষণায় লন্ডন ষড়যন্ত্র এই কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী সময়োচিত ঘোষণার পর, আজকে লন্ডন থেকে কোটা আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ দিয়ে, তাদের এত দিনের ব্যর্থতার পর ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের যে অপচেষ্টা, সে অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। ভণ্ডুল হয়েছে। লন্ডন ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হওয়ায় বিএনপি এখন নিদারুণভাবে হতাশায় ডুবে আছে।’

কোটা সংস্কারে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর একটা যুক্তিযুক্ত সমাধান পাওয়া যাবে বলে জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘নতুন কিছু করতে হলে বিদ্যমান যে ব্যবস্থা, তা বাতিল করাই ছিল সময়োচিত পদক্ষেপ। প্রধানমন্ত্রী সঠিক সময়ে সঠিক কাজটি করেছেন। নতুন করে এই ব্যবস্থাকে বিন্যাস করতে হলে, এটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। এটা আমরা আগেও বলেছি। কেবিনেট সচিবের নেতৃত্বে একটা কমিটি এই বিষয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে; ন্যায়ভিত্তিক, যুক্তিভিত্তিক একটা সমাধানে আসবে।’

রূপগঞ্জের ভুলতা বাণিজ্যিক এলাকায় ২৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি ফ্লাইওভারের কাজ চলছে। ফ্লাইওভার দুটির দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ২ দশমিক ১৩ ও ১ দশমিক শূন্য ৮৪ কিলোমিটার।

চলতি বছরের শেষে সেতু দুটির কাজ সম্পন্ন হলে আর যানজট থাকবে না বলে দাবি করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি চালকদের সহনশীল হওয়ার আহ্বান জানান। কাদের বলেন, ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৩৭টি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু তা কেউ ব্যবহার করে না।’

এ সময় নারায়ণগঞ্জ-২ আড়াইহাজারের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবুসহ রাজনৈতিক নেতারা সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ছাত্রলীগের পদ ফিরে পেলেন সেই ইশা

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক জরুরি সিদ্ধান্তে কবি সুফিয়া কামাল হলের ছাত্রলীগ সভাপতি ইশরাত জাহান ইশাকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

আজ শুক্রবার (১৩ এপ্রিল) সকালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাই্নের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার পত্রে বলা হয়, ইশরাত জাহান ইশা (সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কবি সুফিয়া কামাল হল শাখা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)- তদন্ত কমিটির রিপোর্ট অনুসারে সম্পূর্ন নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় তার উপর আরোপিত বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করে স্বপদে পূনর্বহাল করা হলো।

উল্লেখ্য- কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রীদের মারধর ও মোরশেদা বেগম নামের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের এক ছাত্রীর পায়ের রগ কেটে দিয়েছেন সুফিয়া কামাল হলের ছাত্রলীগ সভাপতি ইফফাত জাহান এশা। ছাত্রীদের পাঠানো এমন একটি ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে তাকে তাৎক্ষনিক ভাবে ছাত্রলীগের পদ থেকে বহিস্কার করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নওয়াজ শরীফ আজীবন নিষিদ্ধ

পানামা পেপার্স কেলেঙ্কারি ও দুর্নীতির দায়ে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হওয়া পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফকে রাষ্ট্রীয় পদে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করেছে সুপ্রিম কোর্ট।

শুক্রবার (১৩ এপ্রিল) দেশটির প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ সর্বসম্মতভাবে এ রায় দিয়ে নওয়াজের মেয়াদ নিয়ে অস্পষ্টতা দূর করেন।

এরপর থেকে তিনি আর কখনও নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। চলতি বছর শেষে দেশটিতে পার্লামেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।

গত বছর ২৮ জুলাই পানামা পেপার্স কেলেঙ্কারি মামলার পাকিস্তানেরে হাইকোর্ট সংবিধানের ৬২ ধারা অনুযায়ী নওয়াজকে প্রধানমন্ত্রী পদে অযোগ্য ঘোষণা করলে তিনি পদত্যাগে বাধ্য হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শরীরে রোদ লাগালে বাড়বে শক্তি, ঝরবে মেদ

সবসময় ছায়া বা ছাতা খুঁজবেন না৷ দিনে অন্তত দু’ঘণ্টা রোদ লাগান৷ মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় আসা তথ্য অনুযায়ী, রোদ নাকি যৌনক্ষমতা বাড়ানোর ব্যাপারে দারুণ ওষুধ৷

চিকিৎসকরা বলছেন, পুরুষের রক্তে যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ভিটামিন ডি’র মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়। আর ভিটামিন ডি’র প্রধান উৎস হল সূর্যালোক। ত্বকে সূর্যালোকের প্রভাবে রক্তে ভিটামিন ডি’র মাত্রা বৃদ্ধি পায়।

গবেষকরা জানিয়েছেন, রক্তে প্রতি মিলিলিটারে ভিটামিন ডি’র পরিমাণ যত বেশি হবে পুরুষের যৌন ক্ষমতা তত বাড়বে!

এছাড়াও শরীরে রোদ লাগানোর উপকার রয়েছে আরও অনেক। রোদে কিছু সময় হাঁটলে খুব ঘাম হতে থাকে। সেই সঙ্গেও পিপাসাও পায়। আর তখন আমরা প্রচুর পানি খেয়ে থাকি। যত বেশি করে পানি খাই, তত বেশি বেশি প্রস্রাব হয়। ফলে শরীরের ভিতরে জমে থাকা টক্সিন বেরিয়ে যায়।

সেই সঙ্গে ঘামের মাধ্যমে ত্বকের ছিদ্রে জমে থাকা ময়লাও বেরিয়ে যায়। ফলে ত্বক এবং শরীর, উভয়ই সুন্দর হয়ে ওঠে। তবে তাই বলে ঘন্টার পর ঘন্টা রোদে হাঁটবেন না যেন, শরীর খারাপ হয়ে যাবে।

টানা চার সপ্তাহ অল্প সময়ের জন্য সূর্যের আলো গায়ে লাগালে সোরিয়াসিসসহ একাধিক ত্বকের রোগ সেরে যায়। তবে বেলা ১২টার আগে এই কাজটা করবেন। কারণ বেলা বাড়লে রোদের তেজও বেড়ে যায়। ফলে এমন সময় সূর্য়ের আলো গায়ে লাগাতে কষ্ট হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উচ্চ আদালতে গড়াচ্ছে কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত জানিয়ে যে ঘোষণা দিয়েছেন, শেষ পর্যন্ত তা উচ্চ আদালতে যাচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধারা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিট আবেদনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

পৃথকভাবে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীও রিট আবেদন করবে। সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোটা পদ্ধতি বাতিলের এই সিদ্ধান্ত সংবিধানে বিদ্যমান প্রতিশ্রুতির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। আদালতে গেলে কোটা পদ্ধতি বাতিলের এই সিদ্ধান্ত টিকবে না। তাঁদের মতে, বাংলাদেশের সংবিধানের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বা সাংঘর্ষিক হয়, এমন কিছু উচ্চ আদালত গ্রহণ করেন না।

সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে সুযোগের সমতা অংশের ১৯-এর (৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন।’ একইভাবে সংবিধানের তৃতীয় ভাগে সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা অংশের ২৯-এর (১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সমতা থাকিবে।’ অনুচ্ছেদ (২)-এ বলা হয়েছে, ‘কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাইবে না।’

অনুচ্ছেদ (৩)-এ ‘এই অনুচ্ছেদের কোন কিছু—(ক) নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশ যাহাতে প্রজাতন্ত্রের কর্মে উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব লাভ করিতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে তাঁহাদের অনুকূলে বিশেষ বিধান প্রণয়ন করা হইতে, (খ) কোন ধর্মীয় বা উপ-সম্প্রদায়গত প্রতিষ্ঠানে উক্ত ধর্মালম্বী বা উপ-সম্প্রদায়ভুক্ত ব্যক্তিদের জন্য নিয়োগ সংরক্ষণের বিধানসংবলিত যে কোন আইন কার্যকরা করা হইতে, (গ) যে শ্রেণীর কর্মের বিশেষ প্রকৃতির জন্য তাহা নারী বা পুরুষের পক্ষে অনুপযোগী বিবেচিত হয়, সেইরূপ যে কোন শ্রেণীর নিয়োগ বা পদ যথাক্রমে পুরুষ বা নারীর জন্য সংরক্ষণ করা হইতে, রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশিষ্ট সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক বলেন, সংবিধানে সব নাগরিকের সমতা নিশ্চিতের জন্য বলা হয়েছে। তিনি সংবিধানের ৭-এর (২) অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে বলেন, কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত সংবিধানে বিশেষ ব্যবস্থা রাখার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি বলেন, চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে কোটা যদি শূন্য হয়ে যায়, তাহলে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর সমতা লাভের যে সুযোগ, সেটা থেকে তারা বঞ্চিত হতে পারে। কাজেই সংবিধানের সমতার ধারণার সঙ্গে কোটা পদ্ধতি বাতিল অসামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে।

সংবিধানের ৭-এর (২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসামঞ্জস্য হয়, তা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ ততখানি বাতিল হইবে।’

জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেন গতকাল বৃহস্পতিবার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর আমরা অপেক্ষা করছি বিষয়টি কোন দিকে যায়। সরকারি চাকরিতে আদিবাসীদের (উপজাতি) জন্য শতকরা ৫ ভাগ কোটা সংরক্ষণ করা হয়েছে। এটা আমাদের সাংবিধানিক অধিকার। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী এই অধিকার খর্ব অর্থাৎ যদি কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হয়, তাহলে অবশ্যই আমরা আদালতের দ্বারস্থ হব।’

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় কমিটির মহাসচিব আনোয়ার হোসেন পাহাড়ী গতকাল বলেন, এক শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীর দাবির মুখে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী সব কোটা প্রথা বাতিল করেছেন। তিনি বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযোদ্ধাদের শতকরা ৩০ ভাগ কোটা বহাল করেন। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কোনো আপত্তি নেই। শেষ পর্যন্ত এটা বাতিল করা হলে আমরা উচ্চ আদালতে যাব।’

বিদ্যমান ব্যবস্থায় বিসিএসে মেধাতালিকা থেকে ৪৫ শতাংশ নিয়োগ হয়। বাকি ৫৫ শতাংশ আসে কোটা থেকে। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার পোষ্য (ছেলে-মেয়ে ও নাতি-নাতনি) ৩০, মহিলা ১০, জেলা ১০ ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী (উপজাতি) ৫। এ ছাড়া এসব কোটা পূরণ না হলে সেখানে ১ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে প্রতিবন্ধীদের জন্য। আর যদি সংশ্লিষ্ট চাকরির ক্ষেত্রে এসব প্রাধিকার কোটা পূরণ হয়ে যায়, সে ক্ষেত্রে মেধাতালিকা থেকে প্রতিবন্ধীর কোটা পূরণ করা হয়। নন-ক্যাডার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরির ক্ষেত্রেও একই কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।

এদিকে কোটা পদ্ধতি বাতিলের প্রতিবাদে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় কমিটি আজ শুক্রবার ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশ আহ্বান করেছে। এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে গতকাল ঢাকার জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মা-বাবা মৃত্যুর ৪ বছর পর জন্ম নিল শিশু!

পৃথিবীতে প্রতিদিনই কিছু না কিছু আজব ঘটনা ঘটছে। এর কোনওটা কাকতালীয়, আবার কোনওটা চোখ ভড়কে যাওয়ার মতো। আবার এমন কিছু ঘটনা ঘটে যা রীতিমতো চাঞ্চল্যকর। সম্প্রতি চীনে এমনই এক ঘটনার সাক্ষী হল মানুষ। গাড়ি দুর্ঘটনায় মা-বাবার মৃত্যুর চার বছর পর জন্মালো শিশু।

স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, চীনের জিয়াংশু প্রদেশের ইয়েশিংয়ে ২০১৩ সালের মার্চ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন শেন লি এবং লিউ শি নামের এক দম্পতি। কিন্তু মৃত্যুর আগে নিজেদের ডিম্বাণু এবং শুক্রাণু আইভিএফ এর মাধ্যমে সন্তান জন্মদানের জন্য সংগ্রহ করে রেখেছিলেন। আইভিএফ মানে হলো ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন, যে প্রক্রিয়ার ডিম্বাণু ও শুক্রাণু আলাদা করে সংগ্রহ করে বাইরে টেস্টটিউবের মাধ্যমে অথবা গর্ভ ভাড়া করে অন্য একজনের গর্ভে প্রতিস্থাপন করে সন্তান জন্মদান করা।

আইনি জটিলতার কারণে শিশুটি চীনের কোনো নারীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করতে পারেনি। তবে জন্মদান প্রক্রিয়াটির অনুমতি পাওয়ার জন্য দম্পতির পিতা-মাতাকে দুইটি ভিন্ন ভিন্ন মামলা লড়তে হয়েছিল। মামলা লড়তে হয়েছিল কারণ চীনে এ সংক্রান্ত কোনও আইন এখনো চালু হয়নি। আর চীনে গর্ভ ভাড়া করা যেহেতু আইনত দণ্ডনীয়, তাই দম্পতির পিতামাতারা পার্শ্ববর্তী দেশ লাওস থেকে ২৭ বছর বয়স্ক এক নারীর গর্ভ ভাড়া নেন।

ছেলে সন্তানটির নাম রাখা হয়েছে শিয়ায়েনশিয়ান, মান্দারিন ভাষায় যেটার অর্থ মিষ্টি।

ছেলেটির জন্মের পর মৃত ওই দম্পতির পিতা-মাতা খুবই খুশী হন। ছেলেটির নানী হু শিংশিয়াং সংবাদমাধ্যমকে জানান, সে সবসময়ই হাসিমুখে থাকে। তার চোখ হয়েছে আমার মেয়ের মতো তবে দেখতে বাবার মতো হয়েছে। শিশুটি বড় হলে তার জন্মের এই ঘটনাটি জানাবেন বলে জানালো তার দাদা-দাদীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest