সর্বশেষ সংবাদ-
সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিমকে তাড়াতে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে  হয়রানির অভিযোগকালীগঞ্জের নলতায় সড়ক ও জনপদ থেকে উচ্ছেদের পরেও পুনরায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িকসাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনসারা দেশে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্ক সংকেতDe Meest Winstgevende Spellen Bij Jaabet Die U Moet ProberenKeuntungan Menggunakan Bonus Istana Casino untuk Meningkatkan Peluang MenangIemesli, kāpēc Spinight online kazino ir tik populārs Latvijas tirgū

বিজলী ঠেকাতে হুমকি

বিজলী ঠেকাতে হুমকি

কর্তৃক Daily Satkhira

পহেলা বৈশাখে সারা দেশে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ববি প্রযোজিত প্রথম ছবি ‘বিজলী’। ইফতেখার চৌধুরীর ছবিটিতে তিনি সুপারহিরোইন। দর্শকদের পাশাপাশি ছবিটির জন্য অপেক্ষায় আছেন প্রেক্ষাগৃহ মালিকরা। কিন্তু গত কয়েক দিন ধরে ছবিটি মুক্তি না দেওয়ার জন্য বিভিন্ন নম্বর থেকে ববিকে কল করা হচ্ছে। হত্যার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন এই অভিনেত্রী। বাধ্য হয়ে রমনা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন বলে জানান।

ববি বলেন, ‘যখন একের পর এক প্রযোজক ছবি নির্মাণ বন্ধ করে দিচ্ছেন, তখন আমি নায়িকা হয়েও ছবি নির্মাণে নেমেছি। ঝুঁকি জেনেও পিছপা হইনি। কোথায় সবাই আমাকে সাধুবাদ দেবেন, আমার পাশে এসে দাঁড়াবেন তা নয়, উল্টো পথের কাঁটা হতে চাইছেন! শত্রুরা ভুল করছেন, আমি ভয় পাওয়ার মেয়ে নই। ছবিটি মুক্তি দেওয়ার পর প্রশাসনের সহায়তায় খুঁজে বের করব এই চক্রান্তের সঙ্গে কারা জড়িত। যোগ্য শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করব তাদের।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

A Wazamba Casino nevét egyre többen ismerik a szerencsejátékok rajongói körében, és nem véletlenül. Az innovatív platform most már egy praktikus mobilalkalmazással is rendelkezik, amely lehetővé teszi, hogy útközben is élvezhesse a kaszinó nyújtotta izgalmakat. Ebben a cikkben megvizsgáljuk, hogyan tölthető le és használható a Wazamba Casino alkalmazás.

A Wazamba Casino Alkalmazás Letöltésének Előnyei

A Wazamba Casino alkalmazás letöltése számos előnnyel jár a játékosok számára. Először is, a könnyen kezelhető felület segít abban, hogy gyorsan hozzáférhessen a játékokhoz és promóciókhoz. Egyetlen kattintással elérhetők a legújabb bónuszok és játékfrissítések, amivel optimálisan kihasználható a szabadidő.

Ezenkívül a mobilalkalmazás használatának egyik legnagyobb előnye a hordozhatóság. Nem kell otthon maradnia ahhoz, hogy játsszon; bárhonnan hozzáférhet a fiókjához, amennyiben van megfelelő internetkapcsolat. Ez különösen hasznos lehet azok számára, akik gyakran utaznak vagy csak néhány szabad percet szeretnének kihasználni napközben.

Végül, a mobilalkalmazás általában gyorsabb és gördülékenyebb élményt nyújt, mint a böngésző alapú felületek. Ez a sebesség különösen fontos lehet a kaszinójátékokban, ahol az időzítés kulcsfontosságú.

Hogyan Lehet Letölteni a Wazamba Casino Alkalmazást?

A Wazamba Casino alkalmazás letöltése egyszerű és gyors folyamat. Először is, látogasson el a https://wazamba.hu.net/app/ weboldalra, ahol minden szükséges információt megtalál. A letöltési linkek általában az oldal tetején vagy alján találhatók, és rendszerint nagy ikonok jelölnek ki, hogy nehéz őket eltéveszteni.

Miután rákattint a letöltési linkre, kövesse a képernyőn megjelenő utasításokat a telepítés befejezéséhez. Ha bármilyen problémája merül fel a folyamat során, a Wazamba Casino ügyfélszolgálata készséggel áll rendelkezésére a nap 24 órájában, a hét minden napján.

Egy figyelemre méltó tényező a Wazamba Casino jellemzőivel kapcsolatban a jackpot funkció, amit a következő képpel tudunk bemutatni:

Wazamba Casino Jackpot

A Wazamba Casino Alkalmazás Használatának Kezdő Lépései

Amint sikeresen telepítette az alkalmazást, jöhet is a következő lépés: a regisztráció. Ha már van fiókja, akkor a ‘Bejelentkezés’ gombra kattintva, a meglévő adatok megadásával hozzáférhet a kaszinóhoz. Az új játékosok könnyen létrehozhatják fiókjukat a ‘Regisztráció’ gombra kattintva, ahol meg kell adniuk néhány alapvető információt, például e-mail címet és jelszót.

Miután regisztrált vagy bejelentkezett, máris hozzáférhet a különböző játékokhoz, amelyek közt számos népszerű slot és asztali játék is szerepel. Az alkalmazás intuitív navigációs rendszere gyors és egyszerű hozzáférést biztosít a játékok és promóciók világához.

Következtetés

Összességében a Wazamba Casino mobilalkalmazása egy nagyszerű eszköz mindazon játékosok számára, akik szeretnék útközben is élvezni a kaszinó által nyújtott élményeket. A letöltés és telepítés folyamata gyors és zökkenőmentes, míg az alkalmazás számos olyan funkcióval rendelkezik, amelyek a felhasználói élményt magasan optimalizálják. Ne hagyja ki ezt az izgalmas lehetőséget, próbálja ki még ma a Wazamba Casino appot.

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফের কলকাতার ছবিতে ঢাকার অরিন

কলকাতার ছবিতে ফের অভিনয় করছেন ঢাকাই ছবির এ প্রজন্মের নায়িকা অরিন। ‘গ্ল্যামার’ খ্যাত পরিচালক মহুয়া চক্রবর্তীর নতুন ছবি ‘আমার ভয়’-এ তাকে দেখা যাবে। চারটি মেয়ের গল্প নিয়ে ছবিটির কাহিনি। আর চার মেয়ের একটিতে অভিনয় করছেন অরিন। ছবির একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আছেন কলকাতার ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। এছাড়াও রয়েছেন মোনালি দে, দেবাশীষ, শান্তিলাল ও মৌসুমী।

সোমবার থেকে কলকাতায় এ ছবির শুটিং করছেন অরিন। ‘আমার ভয়’ ছবিতে অরিনের চরিত্রের নাম এনা। ছবিটি নিয়ে তিনি বলেন, ‘ভয় বা ফোবিয়া নিয়ে আগেও অনেক কাজ হয়েছে। এই ছবির ঘটনা কাল্পনিক। আর ফোবিয়া কেনো হয়, তার উৎস কী এবং সেটার শেষ কোথায় তা নিয়েই ছবির কাহিনি।’

অরিন, ‘অপরাজেয়’ ছবির মাধ্যমে টালিউডের ছবিতে নাম লেখান। তার বিপরীতে ছিলেন কলকাতার শায়ান। এরই মধ্যে ছবিটির শুটিং শেষ হয়েছে। পরিচালনা করেছেন নেহাল দত্ত। ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন রঞ্জিত মল্লিক, লাবণী সরকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোটা সংস্কার আন্দোলন: সংসদে তীব্র ক্ষোভ

চাকরির কোটা প্রথা বাতিলের আন্দোলনের নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্যের বাসায় হামলায় ও দেশে অরাজকতা সৃষ্টির অপচেষ্টায় সংসদে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংসদ সদস্যরা। সংসদের ২০তম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে সোমবার তারা এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘রাজধানী কেন্দ্রিক একটি এলিট শ্রেণী তাদের ছেলে মেয়েদের সুপ্রতিষ্ঠিত করতে একটা সুপরিকল্পিত চক্রান্তের অংশ হিসেবে এই আন্দোলনের সৃষ্টি করেছে। তারা মুক্তি মুক্তিযোদ্ধা কোটা চায় না। যারা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ (মুক্তিযুদ্ধ) করেছে তাদের সন্তানরা সুযোগ পাবে না, তাদের বাদ রেখে রাজাকারের বাচ্চাদের সুযোগ দিতে হবে? সে জন্য পরিষ্কার বলতে চাই, তারা যাতে মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে। মুক্তিযুদ্ধ করেছি, চলছে চলবে। এই রাজাকারের বাচ্চাদের আমরা দেখে নেব। আর ছাত্রদের প্রতি আমাদের কোনো রাগ নাই। কিন্তু স্টেটাস যারা দিয়েছে তারা তো ছাত্র না, তারা তো জামাত শিবিরের এজেন্ট। এদের প্রতি সামান্যতম শৈথিল্য দেশবাসী আর দেখতে চায় না। হয় ওরা থাকবে, নয় আমরা থাকবো। হামলাকারীদের কোনো ক্ষমা নেই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলবো এদের প্রতি কোনো শৈথিল্য নয়, উপযুক্ত ব্যবস্থা নিন, যুদ্ধ ঘোষণা করুন, হয় এরা থাকবে নয় আমরা থাকবো, এই হোক আজকের প্রতিজ্ঞা।

অধিবেশনে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনার সূত্রপাত করেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজী। আলোচনায় আরও অংশ নেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, আবুল কালাম আজাদ, ইয়াসীন আলী ও সাবিনা আকতার তুহিন।

একপর্যায়ে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সময় কঠিন আন্দোলন করেছি। কিন্তু মুখোস পরতে হবে কেন। কেন গভীর রাতে আন্দোলনের নামে উপাচার্যের বাড়ি-ঘর ভাঙচুর করতে হবে। কেন মেয়েদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতে হবে। সাহস থাকলে মুখটা দেখা, লজ্জা করে না। ইতর হওয়ার একটা সীমা আছে।

গণজাগরণ মঞ্চের আহ্বাবায়ক ড. ইমরান এইচ চৌধুরীর নাম উল্লে­খ না করে মতিয়া বলেন, ফেসবুক ব্যবহার করে যে মারা যায়নি তাকে মেরে ফেলবেন? তিনি বলেন, আসল সমস্যা মুক্তিযোদ্ধা কোটায়।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারনা হালিম বলেন, দাবি সকলের থাকতে পারে। দাবি যৌক্তিক। দাবি আদায় সাংবিধানিক অধিকার। কিন্তু সেটার জন্য রাতের আধারে উপাচার্যের বাড়িতে ঢোকা, তার আলমারী ভাঙচুর, স্ত্রীর ভ্যানেটি ব্যাগ ভাঙচুর, জাতির জনকের প্রতিকৃতি ভাঙাএটাকে কোনোভাবেই আমরা দাবি আদায়ের পথ বলতে পারি না। আন্দোলন বহু দেখা গেছে। কিন্তু কোনো দিন এই ধরনের নৈরাজ্যজনক আন্দোলন দেখি না। তারা ঘরে ঢুকে স্ত্রী সন্তানদের খোঁজ করছে। আর স্ত্রী সন্তান বাড়ির কোণে বাগানে লুকিয়ে ছিল।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, কোটা নিয়ে যে আন্দোলন, সেটা এখন আর আন্দোলনের মধ্যে নেই। এটি বহুমাত্রিক ষড়যন্ত্রের বেড়াজালে আবদ্ধ। এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিশেষ করে আমাদের পুলিশ বাহিনী এই আন্দোলনকে আরও বেগবান করেছে। এটি সঠিক হয়নি। এই বহুমাত্রিক ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সতর্কভাবে মোকাবিলা করতে হবে।

তিনিও এ ব্যাপারে সংসদীয় কমিটি গঠন করে সমস্যা সমাধানের পক্ষে মত দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাজস্থানকে উড়িয়ে দিয়ে সাকিবদের যাত্রা শুরু

রাজস্থান রয়্যালসকে অল্প রানেই বেঁধে ফেলেছিল সানরাইজার্স হায়দারাবাদ বোলাররা। ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শিখর ধাওয়ানের ব্যাটে ভর করে ঘরের মাঠে সহজ জয় পেয়েছে সাকিব আল হাসানের দল। নয় উইকেটের বড় জয় দিয়েই আইপিএলে শুরুটা করেছে হায়দরাবাদ।

প্রথমে ব্যাট করা রাজস্থান সাকিব-কাউলদের তোপে পড়ে নয় উইকেট হারিয়ে স্কোরকার্ডে জমা করে ১২৫ রানের সাদামাটা সংগ্রহ। জবাবে নয় উইকেট আর ২৫ বল হাতে রেখেই ম্যাচ জিতে নেয় স্বাগতিকরা।

শুরুর ম্যাচেই অর্ধশতক হাঁকিয়ে ব্যাট হাতে দলকে জেতানোর মূল ভূমিকাটা পালন করেন উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান শিখর ধাওয়ান। দলীয় মাত্র ছয় রানেই ঋদ্ধিমান সাহা ফিরলেও অধিনায়ক কেইন উইলিয়ামসনকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নেন ধাওয়ান। ম্যাচে ওই একটি উইকেটই হারিয়েছিল হায়দরাবাদ।

ধাওয়ান-উইলিয়ামসন দুজন মিলে দ্বিতীয় উইকেটের অবিচ্ছেদ্য জুটিতে তোলেন ১২১ রান। ১৩ চার আর এক ছক্কায় ৫৭ বলে ধাওয়ান অপরাজিত ছিলেন ৭৭ রানে। অন্যদিকে উইলিয়ামসনের সংগ্রহ ছিল হার-না-মানা ৩৬ রান। ম্যাচসেরার পুরস্কারটা গিয়েছে ধাওয়ানের হাতেই।

এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে বোলিং বেছে নিয়েছিল হায়দরাবাদ। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই বল হাতে দেখা গিয়েছিল সাকিবকে। তবে প্রথম তিন ওভারে কোনো উইকেটের দেখা পাননি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

সানরাইজার্সের জার্সিতে নিজের প্রথম উইকেটটা পেতে সাকিবকে অপেক্ষা করতে হয়েছিল কোটার শেষ ওভার পর্যন্ত। অবশ্য নিজের করা চতুর্থ ওভারে প্রথম উইকেট তুলে নেওয়ার এক বল পরেই সাকিব তুলেছিলেন আরো একটি উইকেট। রাহুল ত্রিপাঠির সাথে দারুণ ব্যাট করা সানজু স্যামসনকেও বাঁহাতি এই স্পিনার ফিরিয়েছেন অর্ধশতক বঞ্চিত হওয়ার স্বাদ দিয়ে।

সবমিলিয়ে চার ওভারে বল করে ২৩ রান খরচায় বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দলপতি নিয়েছেন দুই উইকেট। ওভারপ্রতি রান দেয়ার হারটা আরও দারুণ, মাত্র ৫.৭৫!

আগামী বৃহস্পতিবার নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে হায়দরাবাদ মাঠে নামবে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের বিপক্ষে। এ ম্যাচটায় অবশ্য বাংলাদেশি দর্শকদের চোখটা থাকছে আইপিএলেই। কেননা, সানরাইজার্সের সাকিব যে নিজের জাতীয় দলের সতীর্থ মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের মুস্তাফিজুর রহমানের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন! ঘরের মাঠে কাটার মাস্টার দলকে আতিথ্য দেবে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের দল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোটা সংস্কার আন্দোলন: ছাত্রলীগের ৩ নেতার পদত্যাগ

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে সাংগঠনিক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ছাত্রলীগের তিন নেতা। এছাড়া কোটার দাবির পক্ষে একাত্মতা প্রকাশ করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন অনেক ছাত্রলীগ নেতা।

সোমবার পদত্যাগের ঘোষণা দেন তারা। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।

পদত্যাগের ঘোষণা দেয়া নেতারা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস অনুষদের ট্যুরিজম বিভাগ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল্লাহ সাইফ, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক ছাত্রলীগের উপ-অ্যাপায়নবিষয়ক সম্পাদক আছিবুর রহমান এবং ফলিত পরিসংখ্যান বিভাগ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শরীফ হাসান সুজন।

পদত্যাগের ঘোষণা দেয়া নেতারা জানিয়েছেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে তারা এ সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান। শুরু থেকে ছাত্রলীগের নেতারা কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমর্থন জানিয়ে আসছেন বলেও জানান তারা।

ট্যুরিজম বিভাগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল্লাহ সাইফ বলেন, ‘ছাত্রলীগ জাতির পিতার নিজ হাতে গড়া সংগঠন। ছাত্রলীগ ডাকসুর ভূমিকা পালন করে। ছাত্রলীগ ছাত্রদের অধিকারে কাজ করে। ছাত্রলীগ সাধারণ শিক্ষার্থীদের বন্ধু। ছাত্রলীগের ভূমিকা কী দেখা গেল। এই ছাত্রলীগ কোন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ করে, জানি না। আমার বঙ্গবন্ধু আলাদা। তাই সজ্ঞানে আমি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করছি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উপগণযোগাযোগ উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ‘বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন করতে গিয়ে নিজের ছাত্রত্ব হারিয়েছেন। তবু অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি। আর এখনকার নেতারা পদ হারানোর ভয়ে লাখ লাখ শিক্ষার্থীর পক্ষে কথা বলতে পারেন না। ছিঃ, আমরা না তারই আদর্শ বুকে ধারণ করি!’

তিনি লেখেন, ‘অহিংস আন্দোলন সহিংস হয়ে উঠেছে। যারা হসপিটালে আছে তারা আমাদেরই ভাই, বন্ধু। ক্ষমতা আজীবন থাকে না। এই আন্দোলন কোনও দলের নয়, এটা সব সাধারণ শিক্ষার্থীর আন্দোলন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোটা সংস্কারের দাবি; আন্দোলন মঙ্গলবার পর্যন্ত স্থগিত

চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের অবস্থান সোমবার রাতে স্থগিত করা হয়েছে। সরকারের আশ্বাস না মেনে অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার পর মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে আবার অবস্থান শুরু করবে আন্দোলনকারীরা।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, তাদের অবস্থানের আশপাশে ছাত্রলীগের নেতারা ঘোরাঘুরি করায় তারা নিরাপদ মনে করছে না। তাই আন্দোলন আজকের মতো স্থগিত।

সরকারের আশ্বাসে পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলন স্থগিতের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় আন্দোলনকারীদের একটি অংশ। সোমবার রাত শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হল ও বাংলা একাডেমি এলাকায় অবস্থান নিয়ে তারা স্লোগান দিতে থাকেন। এ তিন স্থানে হাজারো আন্দোলনকারী ছিলেন। কিন্তু রাত বাড়তে থাকার সঙ্গে সঙ্গে আন্দোলনকারীদের এ অংশের শিক্ষার্থীরা চলে যতে থাকেন। কমতে কমতে একপর্যায়ে সংখ্যা প্রায় ১০০-তে নেমে আসে। এ সময় আন্দোলনকারীদের এ অংশের মুখপাত্র দাবি করে বিপাশা চৌধুরী নামের এক শিক্ষার্থী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, ‘আমাদের আশপাশে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ঘোরাঘুরি করছেন। নিরাপদ মনে না করে আজকের মতো আন্দোলন স্থগিত করা হলো।’

বিপাশা চৌধুরী আরও বলেন, তাঁরা ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। পরদিন ১৬ এপ্রিল ‘চল চল ঢাকা চল’ শিরোনামে কর্মসূচি পালন করবেন।

বিদ্যমান কোটার বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে, সরকারে এমন আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলন আগামী ৭ মে পর্যন্ত স্থগিত করেন আন্দোলনকারীরা। সোমবার বিকেলে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে সরকারের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সচিবালয়ে আন্দোলনকারীদের প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকের পর বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, তাঁরা সরকারের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ৭ মে পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করছেন। তিনি বলেন, সরকারের সঙ্গে বৈঠকে আজকের মধ্যে আন্দোলনের সময় গ্রেপ্তার হওয়া সবাইকে মুক্তি দেওয়া বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

পরে সন্ধ্যায় আন্দোলনকারীদের একটি অংশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাসে ফিরে ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে। শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হল ও বাংলা একাডেমি এলাকায় পৃথকভাবে অবস্থান নিয়ে আন্দোলনকারীরা এ সিদ্ধান্তকে ‘ভুয়া’ ‘ভুয়া’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। তাঁরা বলেন, এ সিদ্ধান্ত তাঁরা মানতে রাজি নন। কোটা সংস্কারে সুস্পষ্ট আশ্বাস না দিলে তাঁদের পক্ষে এ দাবি মানা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কোনো আশ্বাস না থাকায় তাঁরা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।

আন্দোলনকারীদের এ অংশটি বলছে, অন্য ইস্যু সামনে চলে এলে এ ইস্যু হারিয়ে যাবে। তবে পরে তাঁরা আন্দোলন মঙ্গলবার পর্যন্ত স্থগিত করেন।

বিদ্যমান কোটার সংস্কার চেয়ে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ এ দফায় গত ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে আন্দোলন করে আসছে। গত রোববার তাঁদের পদযাত্রা ও অবস্থা কর্মসূচি চলাকালে ঢাকায় পুলিশ বাধা দিলে সহিংস পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খুলনায় বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু

খুলনা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে মেয়র পদপ্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। খুলনা সিটি করপোরেশনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। গাজীপুর সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান উদ্দিন সরকার। তাঁরা দুজনই এক সময় সংসদ সদস্য ছিলেন।

সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দুই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এর আগে রোববার বিকেল ৫টা ২৫ মিনিট থেকে গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা। সাক্ষাৎকার চলে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত। ৪০ মিনিট বিরতি দিয়ে পরে সন্ধ্যা ৭ টা ১০ মিনিট থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চলে গাজীপুর সিটির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার।

সাক্ষাৎকার শেষে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছিলেন, আমি এবারের নির্বাচনে মনোনয়ন তুলতে চাইনি। কিন্তু সমর্থকরা তুলেছেন। কারণ আমি সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনে আগ্রহী। তাই মেয়র পদে নির্বাচন করতে চাই না। এ কারণে আমি মনোনয়ন বোর্ডে বর্তমান মেয়র মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনিকে সমর্থন দিয়ে এসেছি।

জানতে চাইলে খুলনা সিটি করপোরেশনের বর্তমান মেয়র মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি বলেন, আমাদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ শেষ হয়েছে। তবে কাউকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়নি। সাক্ষাৎকার শেষে পরে সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলা হয়েছে দলের পক্ষ থেকে। তারপরও আমাদের মনোনয়ন বোর্ড যাকেই মনোনয়ন দেবে আমরা অতীতের মতো তাঁকে নিয়েই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব। অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমরা আবার এই সিটিতে বিজয়ী হবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest