সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুই দিন ব্যাপি আর্ন্তজাতিক দাবা প্রতিযোগিতামে দিবস উপলক্ষে সদর উপজেলা ইমারত নির্মাণ টাইলস ও মোজাইক শ্রমিক ইউনিয়নের র‌্যালিশ্যামনগরে কালবৈশাখীর ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে গাজী শাহ আলমসাতক্ষীরায় মে দিবসে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালি  অধিকার বঞ্চিত বাংলাদেশের চা শ্রমিকরাসাতক্ষীরার উপকূলে এখনো বৈষম্যের শিকার নারী শ্রমিকরাBonus offline nei giochi mobile: guida etica e tecnica per giocare senza reteসুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’

আন্দোলনকারীরা শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব অ্যাডুকেশন’ উপাধি দিলো

সরকারি চাকরিতে কোনো কোটাই থাকবে না বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে ঘোষণা দেওয়ায় তাকে ‘মাদার অব অ্যাডুকেশন’ উপাধি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় রাজু ভাস্কর্যের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনের মতামত জানাতে গিয়ে এ উপাধি দেন আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসান আল মামুন।

এর আগে, বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদে কোটা নিয়ে ঢাকার সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে ছাত্ররা যেহেতু আর কোটা ব্যবস্থা চায় না, সেহেতু এখন থেকে বাংলাদেশে আর কোটা ব্যবস্থা থাকবে না।

তিনি বলেন, এখন থেকে মেধার ভিত্তিতে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হোটেলে ট্রাক, মারল ঘুমন্ত দুই শ্রমিক

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক হোটেলে ঢুকে পড়ে। এ সময় সেখানে ঘুমিয়ে থাকা দুই হোটেল শ্রমিক নিহত হন। আহত হন আরো একজন।

বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার শ্রীরামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন হোটেল কর্মচারী শাহ মাহমুদ ও হাসিনা বেগম।

বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জি এম শামসুন নূর জানান, ময়মনসিংহ থেকে মাছবাহী একটি ট্রাক পাবনা যাচ্ছিল। শ্রীরামপুর এলাকায় একটি পেট্রলপাম্পে ঢোকার সময় ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের একটি হোটেলে ঢুকে পড়ে। এ সময় হোটেলের ভেতরে ঘুমিয়ে থাকা দুই কর্মচারী ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং আরেকজন আহত হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বৈশাখে খাওয়া-দাওয়া : খেয়াল রাখবেন যেসব বিষয়

আসছে পহেলা বৈশাখ। বাঙালির সবচেয়ে প্রিয় আনন্দ উদযাপনের দিন। ঘোরাঘুরি, সাজগোজ, গলা ছেড়ে গান গাওয়া আর খাওয়া দাওয়ার মধ্য দিয়ে বাঙালি তার এই আনন্দের দিনটি উদযাপন করে থাকে। সাদা আর লালের এই দিনে পান্তা-ইলিশ খাওয়ার পাশাপাশি থাকে নানা রকম বাঙালি খাবারের আয়োজন।

পুষ্টি প্রতিদিনের জন্য একটি অত্যাবশ্যকীয় বিজ্ঞান। যেকোনো দিনেই মানুষকে তার পুষ্টির কথা মাথায় রেখে খাবার খেতে হয়। বৈশাখের আনন্দকে আরো স্বাস্থ্যকর ও সুন্দর করতে তাই মাথায় পুষ্টির কথা রেখেই খাবার খেতে হবে।

কার্বোহাইড্রেট

বৈশাখে নানা রকম কার্বহাইড্রেট জাতীয় খাবার খাওয়া হয়। পান্তা ভাত হলো কার্বোহাইড্রেটের সবচেয়ে বড় উপাদান। পান্তা ভাতে ক্যালোরি বেশি থাকে। কার্বোহাইড্রেটের পাশাপাশি ভিটামিনের খুব ভালো উৎস হলো পান্তা ভাত। সহজে হজমযোগ্য এই পান্তা সবাই খেতে পারলেও যাদের ওজন বেশি এবং যাদের রক্তে গ্লুকোজ অনেক বেশি তারা একটু সাবধানে পরিমিত পান্তা ভাত খাওয়াই ভালো। মনে রাখবেন গরম পান্তা ভাতের গ্লাইসেমিক সূচক ঠান্ডা পান্তা ভাতের তুলনায় বেশি।

পান্তা ছাড়াও চিড়া, মুড়ি, খই পহেলা বৈশাখের জন্য অনেক ভালো কার্বোহাইড্রেট। তবে নানা জাতীয় মিষ্টান্ন, পিঠা, মোয়া, নাড়ু থেকেও প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায়।

মিষ্টান্নগুলো থেকে প্রচুর ক্যালোরিও আসে। স্বাস্থ্য বিবেচনায় যেকোনো মিষ্টান্ন তৈরিতে সাদা চিনির পরিবর্তে গুড়ের ব্যবহার কিছুটা উপকারী। মিষ্টান্ন ঘরে তৈরি করলে তাতে তীব্র মিষ্টি না দিয়ে হালকা মিষ্টি দিয়ে তৈরি করুন।

প্রোটিন

বাঙালির পহেলা বৈশাখ মানে ইলিশ মাছ, যা প্রোটিনের অনেক ভালো উৎস। ভাজা ইলিশ মাছ স্বাদের হলেও যাদের খাবারে বিধিনিষেধ থাকে তারা ভাজা না খেয়ে সরষে ইলিশ, ভাপে ইলিশ বা চালকুমড়া ইলিশও খেতে পারেন।

ইলিশ ছাড়াও ছোট মাছ ও মুরগির নানা রেসিপি পহেলা বৈশাখে ঘরে তৈরি করা যায়। এগুলো প্রোটিনের চাহিদা মেটাবে। এ ছাড়াও প্রোটিন বহুল আরেকটি খাবার হলো ডাল। কাঁচা আমের ডাল, ডাল চরচরি, ডালের বড়ি, ভর্তা, মাছের মাথায় ডালের মুরিঘণ্ট, ঘনডাল বাঙালির অতি পরিচিত প্রোট্নি বহুল খাবার। ডালের তৈরি খাবার রান্নায় তেল কম লাগে। তাই এটি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী

ফ্যাট

বাঙালির ঘরে তৈরি বৈশাখী খাবার, সাধারণত দেশীয় আঙ্গিকে তৈরি হলে তাতে কম পরিমাণে ফ্যাট থাকে। সরিষার তেল দিয়েই নানা আয়োজন করা হয়। কিন্তু নতুন বছরে কেউ মোগলাই খাবার তৈরি করলে তখন চর্বির পরিমাণ বেশি হয়। যেমন পোলাও, বিরিয়ানি, রোস্ট, রেজালা ইত্যাদি। এ ছাড়া মিষ্টান্ন তৈরিতে ঘির ব্যবহার বা তেলে ভাজা হলে তখন চর্বি বেশি খাওয়া হয়। তাই বৈশাখে বাঙালির স্বাস্থ্যকর খাবার যেমন পাতলা ঝোলের তরকারি, ভর্তা ইত্যাদি খেলে চর্বি গ্রহণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

ভিটামিন ও মিনারেলস

পহেলা বৈশাখের অন্যতম খাবার হলো নানা রকম ফল। যেমন বাঙ্গি, কাঁচা আম, তরমুজ, আনারস ইত্যাদি দেশীয় ফল স্বাস্থ্যকর তেমনি ভিটামিনস ও মিনারেলসে সমৃদ্ধ। এ ছাড়া সজনে, লতি, ডাটা শাক, হেলেঞ্চা, ঢেড়স ছাড়াও নানা রকম শাক সবজি পহেলা বৈশাখের মেনুতে খাওয়া যেতে পারে। রকমারি ম্যানু শাক ও মাছের পাতুরি, সবজি নিরামিষ, শাক, সবজি ভর্তা বা বড়া ইত্যাদি নানা আয়োজন করা হয় বৈশাখের খাবারে। ফলের মধ্যে কাঁচা আমের ভর্তা, বাঙ্গির শরবত, তরমুজের জুস বা কাঁচা তরমুজ বৈশাখের খুব পরিচিত খাবার।

তরল

বাঙাল ঐতিহ্যের একটি বড় দিন হলো পহেলা বৈশাখ। সারাদিন ঘোরাঘুরিত যাতে কোনোভাবেই পানিশূন্যতা না হয়,সে বিষয়টি ভালোভাবে মাথায় রাখতে হবে। পানি হলো হাইড্রেট রাখার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যাপাদান।

পাশাপাশি বৈশাখে চলে কাঁচা আমের জুস, বাঙ্গির জুস, তরমুজের জুস,ডাবের পানি,লেবু পানি,জিরা পানি,তেঁতুলের শরবত,দইয়ের লাচ্ছি ইত্যাদি। স্বাস্থ্যকর এই তরলগুলো শরীরকে চাঙ্গা রাখে। শরীরের লবণ ও পানির ঘাটতি পূরণ করে। এগুলো ত্বকের সৌন্দর্য বজায় রেখে আপনাকে সজিব করতে সাহায্য করবে।

বৈশাখ মানে আনন্দ। আর সুস্থভাবে এই আনন্দ উপভোগ করার লক্ষ্যে সঠিক খাবারের কোনো বিকল্প নেই।

অস্বাস্থ্যকর খাবার আপনার স্বাস্থ্যের ক্ষতির পাশাপাশি আপনার আনন্দেরও বাঁধা হয়ে যেতে পারে। তাই পরিমাণ বজায় রেখে স্বাস্থ্যকর খাবারগুলোর সঙ্গে পহেলা বৈশাখের আনন্দ উপভোগ করুন।

লেখক : প্রধান পুষ্টিবিদ, অ্যাপোলো হাসপাতাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় প্রতিবন্ধীদের মানউন্নয়নে মতবিনিময়

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটায় প্রতিবন্ধীদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণ ও পুনর্বাসন সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১১এপ্রিল) বেলা ১১টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভা কক্ষে বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রাণালয় ও সিবিএম’র সহযোগীতায়, বেসরকারী সংস্থা ডিআরআরএ’র পরিচালনায় এবং আস্টেলিয়ান এইডের অর্থায়নে উক্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপস্থিত থেকে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন এমডিএফ বাংলাদেশের ডিসিডি ডাঃ মুবিনা তাবাছুম।
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, ঢাকা টাইমস টুয়েন্টি ফোর ডট কমের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি এম.বেলাল হোসেন, দৈনিক কালের চিত্রের স্টাফ রিপোর্টার সেলিম হোসেন, দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, অর্থ সম্পাদক এমএ মামুন, সাংবাদিক মাসুদুর রহমান, ডিআরআরএ’র জেলা ম্যানেজার আবুল হোসেন, কমিউনিটি মবিলাইজার করবী স্বর্ণকার, মনিরুজ্জামান এমএসআই অফিসার এহছানুল করিম প্রমূখ।
সভায় সংস্থাটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন সেবা সমূহের অর্জন নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি প্রতিবন্ধীদের জন্য সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের ভূমিকা তুলে ধরেন বক্তরা। এছাড়া আগামীতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সেবার মান বাড়াতে সাংবাদিকদের মতামত গ্রহণ করেন ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ডিজিটাল ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় ডিজিটাল ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার বেলা ১টায় শহরের পলাশপোল সাতক্ষীরা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সংলগ্ন ডিজিটাল ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের নিজস্ব ভবন ফিতা কেটে ও ফলক উন্মোচন করে শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন, সাবেক সফল স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব অধ্যাপক ডা: আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি। ডিজিটাল ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের উপদেষ্টা ও শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আতাউল হক দোলনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জেলা প্রশাসক ইফতেখার হোসেন, পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা: কাজী হাবিবুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মুনসুর আহমেদ, বিএমএ সভাপতি ডা: আজিজুর রহমান, স্বাচিপের সভাপতি ও সাবেক এমপি ডা: মোখলেছুর রহমান, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের পি.ডি ডা: খান হাবিবুর রহমান, সাবেক এমপি ফজলুল হক, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু, পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতী, বিশিষ্ট দন্ত চিকিৎসক ও সমাজসেবক ডা: আবুল কালাম বাবলা, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এড.আ.ক.ম রেজওয়ানউল্লাহ সবুজ, প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার কল্যাণ ব্যানার্জী, এটিএন বাংলার স্টাফ রিপোর্টার এম. কামরুজ্জামান, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদিকা জোস্ন্যা আরা, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডিজিটাল ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এম মুজাহিদুল ইসলাম প্রিন্স। অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ চিকিৎসা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে এম.আর.আই,সিটি স্ক্যানসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি নিয়ে গড়ে ওঠায় ডিজিটাল ডায়াগনষ্টিক সেন্টারকে স্বাগত জানান। এসময় বক্তারা প্রতিষ্ঠানটিকে মানবতার কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাটকেলঘাটায় দীর্ঘদিনের দখলী সম্পত্তি ফিল্মি স্টাইলে দখলের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
পাটকেলঘাটায় আইন ও আদালতের তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিনের ভোগ দখলী সম্পত্তি ফিল্মি স্টাইলে দখলের ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার গভীর রাতে পাটকেলঘাটার কুমিরায় মৃত শুকুর আলী সরদারের ছেলে জাহান আলীর বাড়িতে এঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী বৃদ্ধা জাহান আলী জানান, বিগত ১৯৮৯ সালে একই এলাকার জোহর আলী ও তারা মাতা ফুলজান বিবি’র কাছ থেকে কুমিরা মৌজায় আর ও আর ১৫৬৪, ডিপি- ৪৪৯ নং খতিয়ানে সাবেক ৪৭৩১ দাগ হাল ৫০৩০ দাগে ০২০ একর সম্পত্তি ক্রয় করি। জমিদাতা ফুলজান বিবি’র পিতা পাচুদাই তার সম্পত্তি ৩ কন্যার মধ্যে থেকে ২ বোন সমত্তবান ও সূর্যবান কে বাদ দিয়ে ফুলজান বিবি ও নাতী জোহর আলীর নামে লিখে দেন। এরপর ফুলজান বিবি ও জোহর আলী উক্ত সম্পত্তি আমার কাছে বিক্রয় করে। জোহর আলী তার ভাগের সম্পত্তি বিক্রয়ের পূর্বে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক তালা শাখা থেকে ঋণ গ্রহণ করেন। সে সময় ব্যাংকে একটি পিঠ দলিল প্রদান করেন। সম্পত্তি ক্রয় করার পর ফুলজান বিবি’র অন্য ২ বোন সমত্তবান ও সূর্যবান ওয়ারেশ সূত্রে উক্ত সম্পত্তি দাবি করে ৩০ ধারায় আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আদালত সকল কাগজপত্র পর্যালোচনা করে আদালত ফুলজান বিবি ও জোহর আলীর পক্ষে রায় দেন।
তারপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে পরিবার পরিজন নিয়ে ভোগ করে আসছিলাম। সম্প্রতি জোহর আলী উক্ত পিঠ দলিল ব্যাংক থেকে উত্তোলন করে তার অন্য ২ খালাকে ভুল বুঝিয়ে তাদের ডেকে নিয়ে লোভের বশবর্তী হয়ে উক্ত সম্পত্তি দখলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। এর জের ধরে গত ৯ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে একই এলাকার মৃত. বাবুর আলী মোড়লের ছেলে রাজ্জাক মোড়ল, রাজ্জাক মোড়লের ছেলে হামিদুল মোড়ল, সাইদুল মোড়ল, রাজ্জাকের স্ত্রী আইফুল বিবিসহ কয়েকজন ব্যক্তি দলবদ্ধ হয়ে অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে উক্ত সম্পত্তি দখল করার চেষ্টা করে। আমরা বাধা দিতে গেলে তারা খুন,জখমসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি, ধামকি প্রদর্শন করে চলে যায়। আমি তাদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার আশংকায় গত ১০এপ্রিল ২০১৮ তারিখে সাতক্ষীরা বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। আদালত আমার আবেদনটি গ্রহণ করে ফৌ:কা: বি: ১৪৪ ধারার বিধান মতে উক্ত স্থানে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশন এবং আগামী ০৮ জুলাই২০১৮ তারিখের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেন। এঘটনা জানতে পেরে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং একই এলাকার মৃত. বাবুর আলী মোড়লের ছেলে রাজ্জাক মোড়ল, রাজ্জাক মোড়লের ছেলে হামিদুল মোড়ল, সাইদুল মোড়ল, হামিদুল মোল্যার ছেলে রুবেল মোল্যা, রাজু মোল্যা, মৃত মোজাহার আলীর ছেলে জোহর আলী, মৃত গোলাপ রহমানের ছেলে মতিয়ার মোল্যা ও রাজ্জাকের স্ত্রী আইফুল বিবি ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী নিয়ে মঙ্গলবার গভীর রাতে আমার বসতবাড়িতে প্রবেশ করে। সে সময় আমি-আমার স্ত্রী ঘরের বারান্দায় ঘুমিয়ে ছিলাম এবং আমার পুত্র বধু ও তার ২ সন্তান নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলো। এ সুযোগে তারা আমার পুত্র বধুর ঘরে বাহির থেকে শিকল লাগিয়ে দেয়। এছাড়া অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে আমাদেরকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে। সে সময় তারা আমার বসত বাড়িতে থাকা ১টি ঘরে আগুন নিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। আগুন জ্বলতে দেখে স্থানীয়রা মানুষ আসতে চাইলে তাদের অস্ত্র দেখিয়ে ভীতিপ্রদর্শন করে তাদেরও জিম্মি করে ফেলে। এরপর তারা ওই স্থানে নতুন একটি ঘর নির্মাণ করে চলে যায়।
স্থানীয়রা জানান, ফৌ:কা: বি: ১৪৪ ও ১৪৫ ধারার বিধান মতে আগামী ০৮ জুলাই২০১৮ তারিখের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দিলে উল্লেখিত ব্যক্তিরা সম্পত্তি তাদের দখল আছে দেখানোর জন্য গভীর রাতে ফিল্মি স্টাইলে কুমিরা পূর্বপাড়া এলাকার মানুষসহ জাহান আলীর পরিবারকে জিম্মি করে এধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী বৃদ্ধ জাহান আলী তার দীর্ঘদিনে ক্রয়কৃত সম্পত্তি উদ্ধার এবং উল্লেখিত সন্ত্রাসী ব্যক্তিদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুক্তির অপেক্ষায় ‘প্রেমিক ১৯৮২’

মুনতাসির আকিব। তিনি একজন নতুন বিজ্ঞাপন নির্মাতা। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপন নির্মাণ করে বেশ প্রশংসা পেয়েছেন। এবার সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মাণ করলো স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘প্রেমিক ১৯৮২’।

চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান টাইগার মিডিয়া প্রযোজিত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সত্য (সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের) ঘটনা অবলম্বনে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘প্রেমিক ১৯৮২’ নির্মাণ করেছেন নতুন এই নির্মাতা। স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন সরয়ার বাপ্পি ও পূর্বা।

চলচ্চিত্রটি আগামী বৃহস্পতিবার (১২ এপ্রিল) টাইগার মিডিয়ার অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হবে। ১০ মিনিটের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে থাকছে চিরকুটের ‘এ মন তোমার মনে’ শিরোনামের একটি গান।

উল্লেখ্য, বাইসাইকেল ফিল্মসের ব্যানারে নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি গাজীপুরের কোনাবাড়ি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন, শহীদ মিনার ও পুরান ঢাকা এবং সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে দৃশ্যায়িত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিকে গুলি করে ইসরায়েলি সৈন্যদের উল্লাস: ভিডিও ভাইরাল

দৃশ্যত: নিরস্ত্র একজন ফিলিস্তিনিকে গুলি করে ইসরায়েলি সৈন্যরা উল্লাস করছে – এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী বলেছে, তারা এর তদন্ত করছে।

রাইফেলের ওপর বসানো টেলিস্কোপের ভেতর দিয়ে তোলা ভিডিওটি ইসরায়েলি টিভিতেও ব্যাপক প্রচার পায় এবং ইসরায়েলি রাজনীতিবিদরাও এর নিন্দা করেছেন।

সামরিক বাহিনী বলেছে, ভিডিওটি সম্ভবত গাজা-ইসরায়েল সীমান্তে তোলা এবং কয়েক মাস আগের ঘটনা।

এমন এক সময় একজন ফিলিস্তিনিকে গুলি করার ভিডিওটি বেরুলো যখন গাজায় উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

সোমবার প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, তিন জন লোক একটা বেড়া বা প্রতিবন্ধকের দিকে এগিয়ে আসছে। এর পর একটা গুলি করার মত শব্দ শোনা যায়। সাথে সাথে তিন জন লোকের একজন – যে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল এবং দৃশ্যত: নিরস্ত্র ছিল – সে মাটিতে পড়ে যায়।

এর পর হিব্রু ভাষায় একজনকে উল্লসিতভাবে বলতে শো্না যায়: “ওয়াও – দারুণ ভিডিও, হ্যাঁ। কুকুরের বাচ্চা! কি দারুণ একটা ভিডিও!”

এর পর বেশ কিছু লোককে দেখা যায় দৌড়ে গুলি-খাওয়া লোকটিকে উদ্ধার করতে যাচ্ছে। সে বেঁচে আছে কিনা তা স্পষ্ট নয়।

ইসরায়েলের চ্যানেল-টেন টেলিভিশনে এটা প্রথম দেখানো হয়, এর পর এটি অনলাইনে ‘ভাইরাল’ হয় অর্থাৎ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে, এবং ব্যাপক প্রতিক্রিয়া হয়।

গত দু’ সপ্তাহ ধরেই গাজা সীমান্তে ফিলিস্তিনিদের বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের সময় যেভাবে তাদের ওপর ইসরায়েল গুলি চালাচ্ছে – তার ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। এসব গুলিবর্ষণে বহু ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

ইসরায়েল বলছে, যারা সীমান্তের বেড়া টপকানোর চেষ্টা করেছে বা অস্ত্র ও বিস্ফোরক ব্যবহার করেছে – শুধু তাদের বিরুদ্ধেই তাজা বুলেট ব্যবহার করা হচ্ছে।

ভিডিওটি দেখার পর ইসরায়েলি আরব এমপি আয়মান ওদেহ টুইট করেন – মানুষের মনকে আতংকিত করে, যাতে দেখা যাচ্ছে – যে লোকটি কাউকে কোন হুমকি দেয় নি তাকে হত্যা করে উল্লাস করা হচ্ছে।”

তিনি দায়ী ব্যক্তিদের বিচার দাবি করেন।

ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টির ইয়েহুদা গ্লিক বলেন, “ভিডিওটি দেখা খুব কঠিন, এটা আমাদের বিচলিত ও মর্মাহত করে।”

অন্য অনেকে আবার অন্যরকম মতও দেন। জননিরাপত্তা মন্ত্রী জিলাদ এরদান বলেন, “এ ভিডিও নিয়ে এত হৈচৈ-এর কি আছে?” তেলআবিবে ‘আরাম কেদারায় বসে যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিচার করার’ সমালোচনা করেন তিনি।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এর তদন্ত করার কথা বললেও মানবাধিকার গ্রুপ বিটিসেলেম বলেছে, সামরিক তদন্তের ওপর তাদের খুব কমই আস্থা আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest