সর্বশেষ সংবাদ-
দেশব্যাপি সংখ্যালঘুদের উপর হামলা- নির্যাতনের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরাসহ খুলনা বিভাগের ২৫ টি সিট হাইজ্যাক করা হয়েছে– সাবেক এমপি হাবিবসাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের সম্মানে ছাত্রশিবিরের ইফতারInsider Bonus Secrets at Sweety Win for Seasonal Celebrationsবাগেরহাটে নৌবাহিনীর বাস ও মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর ও নববধূসহ প্রাণ গেল ১৪ জনেরসখিপুর হাসপাতালে অনিয়মের অভিযোগ: রোগীদের পচা খাবার- সময়মতো মিলছে না খাবারসাতক্ষীরা জেলা মানবাধিকার সুরক্ষা কমিটির ত্রৈমাসিক সভাসাতক্ষীরায় কর্মের প্রতিশ্রুতি: বাংলাদেশে সরাসরি তহবিল এবং ঝুঁকি ভাগাভাগি এগিয়ে নেওয়া শীর্ষক সেমিনারশ্যামনগরে স্থানীয় অভিযোজন মেলা ও জলবায়ু সংলাপবিশিষ্টজনদের নিয়ে সাতক্ষীরা জামায়াতের ইফতার মাহফিল

হিজাব খুলে ফেলায় এক নারীর দুই বছরের কারাদণ্ড

ইরানে প্রকাশ্যে হিজাব খুলে ফেলার জন্য এক নারীকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। কৌসুলি আব্বাস জাফারি-দোলাতাবাদী বলছেন, ওই নারীকে ‘নৈতিক দূষণ উৎসাহিত করার দায়ে’ দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। দণ্ডিত নারীর নাম প্রকাশ করা হয়নি।

কৌসুলি বলেন, ওই দণ্ডের মধ্যে তিন মাস তাকে প্যারোল ছাড়া কারাভোগ করতে হবে। দণ্ডের বাকি ২১ মাস সময়কাল স্থগিত রাখা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ওই নারীর দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন, এবং তাকে একজন মনোচিকিৎসককে দেখাতে হবে।

ইরানে মেয়েদের পোশাকের ব্যাপারে কড়াকড়ির প্রতিবাদ জানাতে বুধবার সাদা হিজাব পরেন সেদেশের নারীরা। সে উপলক্ষেই ওই ছবিটি প্রথম প্রচার পায়। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লবের পর থেকেই নারীদের ইসলামী আইন অনুযায়ী চুল-ঢাকা পোশাক পরতে বাধ্য করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ১৪ জনসহ সারাদেশে ৪৬২ অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী

অনলাইন ড‌েস্ক: নির্বাচন সামনে সারা দেশে তৎপর হয়ে উঠেছে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ীরা। সাতক্ষীরার ১৪ জনসহ দেশের ৩৫ জেলায় ৪৬২ জন অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী বর্তমানে সক্রিয় থেকে চালিয়ে যাচ্ছে অপরাধ কর্মকাণ্ড।

তাদের পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে ১৩৯ জন হোয়াইট কালার ক্রিমিনাল। এরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতা। এদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এবং সীমান্তে নিয়োজিত বিজিবি, কোস্টগার্ড ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কিছু অসাধু সদস্যের সহযোগিতায় অস্ত্র ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন চোরাচালান পণ্যের সঙ্গে ঢোকাচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র। এসব মারণাস্ত্র ছড়িয়ে পড়ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে থাকা সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, দলীয় ক্যাডার, চরমপন্থি ও নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদের হাতে। অন্যদিকে, বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অস্ত্রসহ গ্রেফতার হলে কিছু দিনের মধ্যেই জামিনে বের হয়ে পুনরায় আগের পেশায় ফিরে যাচ্ছে অস্ত্র ব্যবসায়ীরা। এ ক্ষেত্রে মাঝেমধ্যেই মামলার তদন্তকাজে থাকা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দুর্নীতিবাজ সদস্যদের সমঝোতায় বিশেষ ভূমিকা রাখছে। সম্প্রতি সরকারের উচ্চ পর্যায়ে অবৈধ অস্ত্রসংক্রান্ত এমনই একটি গোপনীয় প্রতিবেদন জমা দিয়েছে দেশ‌ের একটি  শীষর্ সংস্থা।

অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী, ব্যবহারকারী যদি ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীও হন তাকেও আইনের আওতায় নিয়ে এলে সাধারণ মানুষসহ সর্বত্র সরকারের ইমেজ বাড়বে। প্রকৃত অপরাধীদের সাজা নিশ্চিত করতে কঠোর মনিটরিংয়ের প্রয়োজন।

এখানে কেন্দ্র থেকে মাঠ পর্যায় পর্যন্ত সুষ্ঠু সমন্বয় প্রয়োজন। নির্বাচন সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি বাড়ে এটাও তো সবার জানা। তাই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার স্বার্থেই র‌্যাব-পুলিশসহ সব আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এ বিষয়ে আরও সচেতন হওয়া দরকার।

র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘সীমান্তের কোন কোন এলাকা দিয়ে অস্ত্র ঢুকছে তা আমরা জানি। তবে ঠিক কোন রাস্তা দিয়ে অস্ত্র ঢুকছে তা তো বলা যায় না। তবে র‌্যাবের প্রতিটি সদস্য এ বিষয়টিতে সর্বোচ্চ প্রায়োরিটি দিয়ে কাজ করছেন। কারণ, র‌্যাব সৃষ্টির সাতটি ম্যান্ডেটের মধ্যে অস্ত্র অন্যতম। ’ গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে, ৩৫ জেলায় ৪৬২ জন অস্ত্র ব্যবসায়ী সক্রিয়। এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৪, চট্টগ্রামে ৪৮, ঢাকায় ৩৪, বান্দরবানে ২৬, কক্সবাজারে ২০, কুমিল্লায় ২০, মেহেরপুরে ১৮, নারায়ণগঞ্জে ১৩, টাঙ্গাইলে ১৪, সাতক্ষীরায় ১৪, রাজবাড়ীতে ৮, ফরিদপুরে ৪, গোপালগঞ্জে ৫, নেত্রকোনায় ১০, শেরপুরে ১৩, সিলেটে ১০, সুনামগঞ্জে ৮, হবিগঞ্জে ৮, খুলনায় ২, যশোরে ১১, নড়াইলে ৬, ঝিনাইদহে ৪, চুয়াডাঙ্গায় ১৩, কুষ্টিয়ায় ১১, রংপুরে ৪, লালমনিরহাটে ৫, দিনাজপুরে ৯, রাজশাহীতে ১২, নাটোরে ৬, নওগাঁয ২, জয়পুরহাটে ১৫, বগুড়ায় ৪, ফেনীতে ১২, খাগড়াছড়িতে ৮, ও রাঙামাটিতে রয়েছেন ১১ জন। অস্ত্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ১১২, বিএনপির ৬৫, জামায়াতের ৮, জাতীয় পার্টির ২, ইউপিডিএফের ৯, জেএসএসের ২২, পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির ৭, রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় ২০০, সুবিধাবাদী ৩৭ জন।

তাদের পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছেন ১৩৯ জন প্রভাবশালী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তার মধ্যে আওয়ামী লীগের ৭৮, বিএনপির ৪১, জামায়াতের ৪, জেএসএসের ২ ও সুবিধাবাদী ১৪ জন।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহে গুলিবিদ্ধ হন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি আশফাক আল রাফী শাওন (২৮)। টানা ১১ দিন মৃত্যুযন্ত্রণায় ভুগে গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকেই পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। এর কিছু দিন আগে ৯ জানুয়ারি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি বাজারে শাকিল (২১) নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীকে গুলি করে হত্যা করে প্রতিপক্ষ। শাকিল উপজেলার আমিরাবাদ গ্রামের লদের বাড়ির আবুল হাসেম খোকা মিয়ার ছেলে। ওপরের দুটি ঘটনাসাম্প্রতিক কালে অস্ত্রের ঝনঝনানির বিষয়টি নতুন করে ইঙ্গিত দিচ্ছে। অনেক এলাকাতেই দেখা যায় তুচ্ছ ঘটনায় অস্ত্র প্রদর্শন। ঘটছে খুন-খারাবির মতো ঘটনা। অভিযোগ রয়েছে, মাঝেমধ্যে বৈধ অস্ত্রও ব্যবহৃত হচ্ছে অবৈধ কর্মকাণ্ডে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জিয়া রহমান বলেন, ‘সরকার হয়তো আন্তরিকভাবেই চায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণের বিদ্যমান অস্ত্র আইনও যথেষ্ট শক্ত। তবে আইনের সঠিক প্রয়োগ হচ্ছে না। মাঝেমধ্যেই শুনি অস্ত্রধারীরা কিছু দিন পর জামিনে বের হয়ে পুনরায় আগের অপরাধে জড়াচ্ছে। অপরাধী দলীয় নেতা-কর্মীদের আইনের আওতায় নিয়ে এলে সরকারের ইমেজ বাড়বে বই কমবে না। ’

২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর দিনাজপুর হিলি স্থলবন্দরসংলগ্ন ধরন্দা গ্রাম থেকে একটি পিস্তল, দুটি ম্যাগজিন, সাত রাউন্ড গুলিসহ বিজিবির লাইনম্যান হিসেবে পরিচিত অস্ত্র ব্যবসায়ী গোলাপ হোসেনকে (৪৫) গ্রেফতার করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) একটি দল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (এল আই বিজিবি) মো. গাওহারুল ইসলাম ও বাদী বিজিবির সুবেদার মো. আবদুল মান্নান হাকিমপুর থানার ওই মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন। ৮ ফেব্রুয়ারি উচ্চ আদালতের বিচারক এনায়েতুর রহিম ও সহিদুল করীমের আদালত তদন্তে গাফিলতির জন্য আইওর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়েরের আদেশ দিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফরহাদ হোসেন। একই সঙ্গে লাইনম্যান গোলাপের জামিন বাতিল করা হয়েছে। তদন্তে অবহেলার কারণে এ রকম অস্ত্র মামলা চাপা পড়ে যাওয়ার নজির রয়েছে।

গত বছরের ১ জুন ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের একটি দল নয়টি পিস্তল, একটি শুটারগান, ১০ রাউন্ড গুলি, নয়টি ম্যাগজিনসহ যশোরের চিহ্নিত অস্ত্র ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন ওরফে আলাকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, মাদকসহ অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আলা যশোরের ক্ষমতাসীন এক প্রভাবশালী নেতার ঘনিষ্ঠজন। সীমান্ত এলাকায় তার মাধ্যমে অনেক চোরাচালানের কাজ করিয়ে থাকেন তিনি। আলার সরবরাহকৃত অস্ত্র জঙ্গিদের হাতেও পৌঁছেছে বলে জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা।

পুলিশ সদর দফতরের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি ক্রাইম) রৌশন আরা বলেন, ‘অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান তো আমাদের একটি রুটিনওয়ার্ক। রুটিনওয়ার্কেও মাঝেমধ্যে বড় ধরনের সাফল্য আসে। তবে মাঠপর্যায়ে কোনো ইউনিট যদি প্রয়োজন অনুভব করে তখন সেখানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সে ক্ষেত্রে তারা পুলিশ সদর দফতরকে অবহিত করেই অভিযান পরিচালনা করে। ’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আসলে নির্বাচনকেন্দ্রিক অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযানও অনেকটা রেগুলার ওয়ার্ক। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন থেকেও পুলিশের কাছে সহযোগিতা চাওয়া হয়। ’ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী অ্যাডভোকেট এলিনা খান বলেন, ‘মামলার এজাহার ও চার্জশিটের দুর্বলতা এবং গাফিলতির কারণে অনেক ক্রিমিনাল আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনা আমাদের কাছে রয়েছে। অনেক সময় বড় বড় ঘটনায় ফাইনাল রিপোর্ট দেওয়ার ঘটনাও দেখা গেছে। এ ক্ষেত্রে অনেক সময়ই দেখা গেছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার পরিকল্পনামাফিক আবার অনেকের অজ্ঞতার কারণেই তা ঘটেছিল। ’ পুলিশ সদর দফতর বলছে, গত বছর নভেম্বর পর্যন্ত ৫ হাজার ৩৪৭টি অস্ত্র, ১৯ হাজার ৫৬টি গুলি, ৩ হাজার ৯৯২টি কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। ২ হাজার ৩টি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে ৩ হাজার ৩৭৪ জনকে। আদালত সূত্র বলছে, ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন জজ আদালতে বিচারাধীন ৫ হাজার ৩৫৬টি অস্ত্র মামলা রয়েছে। রয়েছে ৫৫টি তদন্তাধীন মামলা। গত নভেম্বরে রাজধানীতে অস্ত্র মামলার সংখ্যা ১৫টি। এর ঠিক আগের মাসে ঢাকা মহানগর পুলিশের বিভিন্ন থানায় মামলা হয়েছে ১২টি। অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে গোপনে একটি চক্র অস্ত্রের নম্বর টেম্পারিংয়ের কাজ করে যাচ্ছে। নিখুঁত ওই টেম্পারিংয়ের কারণে কিছুসংখ্যক অস্ত্রের লাইসেন্সধারী তাদের লাইসেন্সকৃত প্রকৃত অস্ত্রের নম্বর ঠিক একই মডেলের অন্য অবৈধ অস্ত্রের ওপর বসিয়ে দিচ্ছেন। এতে একটি লাইসেন্সের বিপরীতে তারা কয়েকটি অস্ত্র ব্যবহার করতে পারছেন বলে খবর রয়েছে

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাবাদা তাণ্ডবে উড়ে গেল অস্ট্রেলিয়া

কাগিসো রাবাদার গতিতে বিধ্বস্ত অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল। ডারবান টেস্টে দাপট দেখানো দলটি পোর্ট এলিজাবেথ টেস্টের প্রথম ইনিংসে প্রথম দিনেই ২৪৩ রানেই অলআউট। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ৯৬ রানে ৫ উইকেট নেন পেস বোলার রাবাদা। এছাড়া ৩ উইকেট নেন লুঙ্গি এনডিগি। বল হাতে দুর্দান্ত পারফর্ম করার পর ব্যাট হাতেও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন ২২ বছর বয়সী পেস অলরাউন্ডার রাবাদা।

অস্ট্রেলিয়ার জবাবে ব্যাটিং নেমে দিনের শেষ বিকেলে মার্কওরামের উইকেট হারিয়ে ফেলেছে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম টেস্টের সেঞ্চুরিয়ান মার্কওরামকে ১১ রানে ফেরান কামিন্স। মাত্র ২২ রানে ওরামের উইকেট হারিয়ে দিনের শেষ সেশনে আর কোনো ঝুঁকি নিতে চায়নি আফ্রিকা। যে কারণে নাইট ওয়াচম্যান হিসেবে ব্যাটিংয়ে পাঠানো হয় পেস বোলার রাবাদাকে।

বল হাতে দাপট দেখানোর পাশাপাশি ব্যাট হাতেও অস্ট্রেলিয়ান বোলারদের জবাব দিচ্ছেন জোহানেসবার্গে জন্ম নেয়া এই ক্রিকেটার। দিন শেষ ১৪ বলে চার বাউন্ডারিতে ১৭ রান করে অপরাজিত আছেন রাবাদা। আফ্রিকার সংগ্রহ ১ উইকেটে ৩৯ রান।

টসে জিতে আগে ব্যাটিং করে অস্ট্রেলিয়া। ডেভিড ওয়ার্নারের সঙ্গে উদ্বোধনীতে ৯৮ রান যোগ করে সাজঘরে ফেরেন ক্যামেরান বেনক্রফট। এরপর ১৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় অজিরা। ৩৮ রানে ফেরেন বেনক্রফট।

প্রথম টেস্টে ডি ককের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে যাওয়া ওয়ার্নারকে সাজঘরে ফেরান লুঙ্গি এনিডিগি। প্রথম টেস্টের এই হাফসেঞ্চুরিয়ান ফেরেন ৬৩ রান করে। চতুর্থ উইকেটে দলকে খেলায় ফেরাতে চেষ্টা করেন স্টিভ স্মিথ।এই জুটতে ৪৪ রান যোগ করতেই রাবাদার শিকারে পরিণত হন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক স্মিথ (২৫)।

ঠিক পরের ওভারে বোলিংয়ে এসে টানা চার বলে ৩ উইকেট তুলে নেন রাবাদা। শন মার্সকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন আর মিসেল মার্সকে উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ তুলে দিতে বাধ্য করেন রাবাদা। তার গতির মুখে পড়ে শূন্য রানেই ফিরে যান কামিন্স। ১৮২ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলা দলটিকে টেনে ২০০ পার করেন অস্ট্রেলিয়ার লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যান নাথান লায়ন (১৭) ও হ্যাজলেউড (১০)।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস: ২৪৩/১০ (ওয়ার্নার ৬৩, বেনক্রফট ৩৮; রাবাদা ৫/৯৬, লুঙ্গি ৩/৫১)।

দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংস: ৩৯/১ (রাবাদ ১৭*, এলগার ১১*)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চার ঘণ্টা পর খাল থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার

ঢাকার আদাবরে নবোদয় হাউজিং এলাকায় খালে পড়ে এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার চার ঘণ্টা পর তার লাশ উদ্ধার হয়েছে।

জিসান (৫) নামের শিশুটি শুক্রবার সন্ধ্যায় খালে পড়ে যাওয়া একটি বল তুলতে গিয়ে ডুবে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা তল্লাশি চালিয়ে রাত সোয়া ১০ টার দিকে তাকে উদ্ধার করে।

শিশুটিকে শিকদার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে আদাবর থানার উপ-পরিদর্শক আশরাফুল ইসলাম জানিয়েছেন।

এই থানার এএসআই আবু জাফর সামসুদ্দীন জানান, সন্ধ্যা ৬টার দিকে জরুরি সেবার নম্বর ৯৯৯ এ স্থানীয়দের ফোন পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করেন।

“স্থানীয়রা বলছে, নবোদয় বাজারের কাছে খালে একটি বল পড়ে গেলে ছেলেটি তা তুলতে যায়। ওই সময় তাকে নর্দমায় তলিয়ে যেতে দেখেন একজন দোকানদার।”

জিসানের বাবার নাম আবুল হাসেম। ওই খালের পাশে টিনশেড বস্তিতে তাদের বাসা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চীন সীমান্তের কাছে বস্তা ভর্তি কাটা হাত উদ্ধার

চুরির শাস্তি নাকি নেপথ্যে পাচার- কোনটা? বস্তা থেকে ২৭ জোড়া কাটা হাত উদ্ধারের পর এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে সাইবেরিয়া পুলিশের মাথায়। খতিয়ে দেখা হচ্ছে অন্যান্য সম্ভাব্য কারণও।

সম্প্রতি চীন সীমান্তের কাছে সাইবেরিয়ার খাবরোবক্স শহর থেকে একটু অদূরে এক নদীর পাড়ে মানুষের কাটা হাত দেখতে পান স্থানীয়রা। সেই সূত্র ধরে একটি ব্যাগের মধ্যে থেকে উদ্ধার হয় আরও কাটা হাত। গণনার পর জানা যায় সেই ব্যাগের মধ্যে ছিল ২৭ জোড়া মানুষের হাত। মানে ৫৪টি হাত। সবকটি হাত কবজি থেকে কাটা।

সাইবেরিয়ান টাইমস এর খবর অনুযায়ী, বরফ ঢাকা আমুর নদীর পাড়ে একটি মানুষের কাটা হাত পড়ে থাকতে দেখেন এক স্থানীয় বাসিন্দা। এরপরই মানুষের কাটা হাতে ভর্তি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ এসে হাতগুলি বরফের ওপর রেখে ছবি তোলে।

জিজ্ঞাসাবাদ করে স্থানীয় বাসিন্দাদের।

জানা গিয়েছে, হাত গুলি কাদের, কোথা থেকে সেগুলি এসেছে, কারা ব্যাগ ফেলে দিয়ে গিয়েছে-সব কিছুই তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আরো জানা গেছে, একটি হাতের মধ্যে ফিঙ্গার প্রিন্ট পাওয়া গিয়েছে। বাকি হাতেরও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

এদিকে কি কারণে হাত কাটা হতে পারে তার একাধিক তত্ত্ব নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। কেউ জানিয়েছে, চুরির শাস্তি দিতে কুড়ুল দিয়ে হাত কাটা হতে পারে। অন্য কারোর মতে, মৃতদেহ থেকে হাতগুলি কাটা হয়েছে। স্থানীয় কোনও হাসপাতালেরই কাজ হবে এটা।

আবার পাচারের তত্ত্বও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ফিঙ্গার প্রিন্ট যাতে খুঁজে না পাওয়া যায় তাই মৃতদেহ থেকে হাত কেটে ব্যাগে পুড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় মিডিয়াতে বলা হয়েছে, ব্যাগের পাশে মেডিক্যাল ব্যান্ডেজ ও কিছু প্লাস্টিক জুতো পাওয়া গিয়েছে, যেগুলি হাসপাতালে পড়া হয়। পুলিশকেও ভাবাচ্ছে এই কারণগুলি।

তবে এই ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করেননি কোনও কর্মকর্তা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শর্ত সাপেক্ষে স্বেচ্ছামৃত্যুর বৈধতা দিল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

মৃত্যুশয্যায় যারা নিদারুণ কষ্ট ভোগ করেছেন তাদের স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দেওয়া হবে। তবে এই অনুমতি মিলবে কঠোর নির্দেশিকা বা গাইডলাইনের ভিত্তিতে। শুক্রবার এক ঐতিহাসিক রায়ে জানিয়ে দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ প্যাসিভ ইউথ্যানাসিয়াকে স্বীকৃতি দিলেও চাপিয়েছে একগুচ্ছ কড়া শর্ত।

সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছে, চিকিত্সায় সুস্হ হতে পারবেন না, এমন কোনও ব্যক্তি যদি ভেন্টিলেটর কিংবা আর্টিফিশিয়াল সাপোর্ট সিস্টেমের সাহায্যে বেঁচে থাকতে না চান, তবে তাকে সজ্ঞানে ‘লিভিং উইল’ করে স্বেচ্ছামৃত্যু চেয়ে রাখতে হবে। রোগী যদি এমন অচেতন অবস্থায় পৌঁছে যান যে সেই অবস্থা থেকে ফেরানোর আর সম্ভাবনা নেই, তখন সেই উইল বা ইচ্ছাপত্রের ভিত্তিতে হাইকোর্টে আবেদন করতে পারেন রোগীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু বা নিকট কোনও আত্মীয়। এর পর আদালতের নির্দেশের ভিত্তিতে গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
সুইজারল্যান্ডের মতো গুটিকয়েক পশ্চিমা দেশ আগে থেকেই স্বেচ্ছামৃত্যুকে অধিকার বলে মেনে নিয়েছে। যদিও ভারতে এখনো সেটা আত্মহত্যার সামিল, দণ্ডনীয় অপরাধ। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে কিন্তু গোটা অবস্থাটাই বদলে গেল। স্বেচ্ছামৃত্যু নিয়ে সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে ‘কমন-কজ’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বলেছিল, ‘ বেঁচে থাকাটা মানুষের ব্যক্তিগত আধিকার। ঠিক তেমনই মরণাপন্ন কোনও ব্যক্তি যদি রোগ-যন্ত্রণা ভোগ করার বদলে সম্মানের সঙ্গে মরতে চান, তবে তাকেও সে অধিকার দেওয়া উচিত।’
সুপ্রিম কোর্টের রায়কে কমন কজের মতো সংগঠনগুলো স্বাগত জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য, বেঁচে থাকাটা যাঁদের কাছে যন্ত্রণা, সেই সব মানুষেরা এ বার শান্তিতে মরতে পারবেন। এটাই বা কম কীসের?
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা রং পালিশ শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময়

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলা রং পালিশ শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি: নং- খুলনা ২২১৭), সদর উপজেলা বোর্ড ফার্নিচার শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি: নং- খুলনা ২২৩৪) ও সদর উপজেলা ফার্নিচার ও রং শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি: নং খুলনা-২০২৬) এর আয়োজনে এক মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার রাত ৮টায় কামালনগরস্থ সদর উপজেলা বোর্ড ফার্নিচার এর নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা বোর্ড ফার্নিচার শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জামাল আহম্মেদ বাদল। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা রং পালিস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ফারুকুজ্জামান ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ফার্নিচার ও রং শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ইউসুফ আলী সরদার, সহ-সভাপতি আসাদুল ইসলাম, আনারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আঃ আলিম, দপ্তর সম্পাদক কামাল হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম, সমাজকল্যান সম্পাদক আব্দুল গফ্ফার, কার্যনির্বাহী সদস্য ইসমাইল হোসেন। সদর উপজেলা বোর্ড ফার্নিচার শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি তোফাজ্জেল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আঃ ছালাম, কোষাধ্যক্ষ ইকবাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক সজিব, প্রচার সম্পাদক গফুর, কার্যনির্বাহী সদস্য রবিউল ইসলাম। সদর উপজেলা রং পালিশ শ্রমিক ইউণিয়নের সভাপতি জুম্মান আলী সরদার, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ বাবুল আক্তার, প্রচার সম্পাদক রেজাউল হক, কার্যনির্বাহী আঃ হামিদ প্রমুখ। এসময় সংগঠনের সদস্যদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান সহ নিজ নিজ সংগঠনের আওতাভুক্ত সদস্যদেরকে পরিচয়পত্র সংগ্রহের জন্য সিন্ধান্ত গৃহিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় দিনব্যপী শিক্ষা উপকরণ মেলা

কলারোয়া,প্রতিনিধি: কলারোয়ায় দিনব্যপী শিক্ষা উপকরণ মেলা ও মিনা পরিদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় দিনব্যাপী শিক্ষা উপকরণ মেলা ও মিনা পরিদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃস্পতিবার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ মেলাটির আয়োজন করা হয়। বিকালে উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরা পারভীন প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে উপজেলার ১২৭টি স্কুলের মধ্যে ৫টি ক্লাস্টারভুক্ত স্টলের শিক্ষকদের মধ্যে পুরস্কার তুলে দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আকবর হোসেন, সহকারী শিক্ষা অফিসার দুলাল চন্দ্র সরকার, আলমগীর হোসেন, আশিকুজ্জামান রানা, রবি শংকর দেওয়ান, বাবলু রহমান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি রবিউল ইসলাম, শিক্ষক রেহেনা খাতুন, মুজিবুর রহমান, সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, আহসান উল্লাহ, হেনা বানু, সাবিনা খাতুন, পার্বতী পাল ও সাংবাদিক জুলফিকার আলী প্রমুখ। উল্লেখ্য- উপজেলার ১২৭টি স্কুলের মধ্যে ৫টি ক্লাস্টারভুক্ত মেলার স্টল ঘুরে দেখেন। এ সময় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আকবর হোসেন সহ শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। এবার মেলাটিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী এ মেলা উপভোগ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest