সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় জাকির স্মৃতি স্কুল কাবাডি প্রতিযোগিতার ফাইনালসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন শ্যামনগরে বজ্রপাতে ইয়াকুব আলী নামের এক ঘের মালিকের মৃত্যুসাতক্ষীরার সুন্দরবনে বনদস্যুদের গুলিতে কাঁকড়া শিকারি আহতকালিগঞ্জে তথ্য গোপনের অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভাসাংবাদিকের ওপর হামলা: চাপ এড়াতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গনভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশনসাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

আপিল শুনানির জন্য হাইকোর্টে ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা

দশ ট্রাক অস্ত্র আটক সংক্রান্ত মামলার আপিল শুনানির জন্য বেঞ্চ নির্ধারণ করা হয়েছে। বিচারিক আদালতের রায়ের ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য এই বেঞ্চ নির্ধারণ করা হয়। আগামী ২৫ মার্চ বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ এবং বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় মামলাটি আসতে পারে।

গত বছরের ০৮ অক্টোবর এ মামলায় পলাতক দুই আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী (স্টেট ডিফেন্স ল ইয়ার) নিয়োগ দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। পলাতক দুই আসামি হলেন,ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়া ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত শিল্পসচিব নুরুল আমিন।

এর আগে ২০১৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ১০ ট্রাক অস্ত্র আটকের ঘটনায় দায়ের করা দুই মামলায় ৫১৪ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। একই বছরের ৩০ জানুয়ারি এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। পরে এই মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য হাইকোর্টে আসে।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের ১ এপ্রিল সিইউএফএল ঘাট থেকে আটক করা হয় ১০টি ট্রাক ভর্তি অস্ত্রের চালান। এ নিয়ে কর্ণফুলী থানায় ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইন ও ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে চোরাচালানের অভিযোগ এনে দুটি মামলা হয়। সিআইডি পুলিশ দুটি মামলা একসঙ্গে তদন্ত করে। এর বিচারও একসঙ্গে শুরু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৭ তলা মাটির নিচে, দুই তলা পানির তলে!

বেশিদিন হয়নি বেইজিংয়ের ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের ছবিটি ইন্টারনেটে ঝড় তোলে। অবিশ্বাস্য ডিজাইনের বিমানবন্দরটি যেন ভবিষ্যতের জানান দেয়। আর এখন চীনের আরেকটি বিস্ময়কর ভবন আবারো হতবাক করে দিচ্ছে ইন্টারনেটকে। খুব দ্রুত শাংহাই ‘ডিপ পিট হোটেল’ এর গর্বিত মালিক হবে। এ হোটেলের নাম রাখা হয়েছে ‘কোয়ারি হোটেল’।

এর সামনে দাঁড়ালে মাত্র দ্বিতল ভবন চোখে পড়বে। মনে করতে পারেন, এই দুই তলা ভবনের এমন কী বৈশিষ্ট্য থাকতে পারে? আসলে ভবনটি ২১ তলা। মাটির ওপর মাত্র দুটো তলা দৃশ্যমান হয়েছে। এর ১৭টি তলা রয়েছে মাটির নিচে। বাকি দুই তলা রীতিমতো পানির নিচে চলে গেছে। চীনের পিপলস ডেইলি এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানায়। ভবনটির ছবি দেখে অবাক না হয়ে পারা যায় না।

এ ভবনের অবস্থান শাংহাই ডিস্ট্রিক্টে, এটা শাংহাই শহর থেকে খুব দূরে নয়। অ্যাকটিন্স নামের এক ব্রিটিশ ডিজাইন এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্ম এ হোটেলের ডিজাইন করছে। ১০০ মিটার গভীরে চলে যাবে হোটেলটি। এর কাজ শুরু হয় ২০১৩ সালের নভেম্বরে।

যদিও এখনও কাজ চলছে। তবুও এর ছবি দেখেই সবাই কুপোকাত। বলা হচ্ছে, কাজ শেষ হলে আরো কিছু অপেক্ষা করছে।

অ্যাটকিন্স জানায়, এই হোটেলটি ওই অঞ্চলের প্রাকৃতিক দৃশ্যের প্রতিফলন ঘটাবে। এ হোটেলে থাকবে ৩৮৩টি রুম, একটি সবুজে ছাওয়া ছাদ, পানির নিচে রুম এবং ওপরে ঝর্ণা। এই ঝর্ণা একেবারে ছাদ থেকে নিচে গিয়ে পড়বে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ষাঁড়টির দাম উঠল ২০ লক্ষ!

ভারতের তামিলনাড়ুর এক রাজনৈতিক নেতা একটি ষাঁড় কিনেছেন ২০ লক্ষ রুপি দিয়ে। জানা যায়, ষাঁড়টির নাম বাল্মীকি টাইগার! এরই দাম এখন ২০ লক্ষ রুপি। সম্প্রতি জাল্লিকাট্টুর একটি প্রতিযোগিতায় ষাঁড়টিকে দেখে পছন্দ হয় তামিলনাড়ুর প্রাক্তন বিধায়ক সম্পৎ কুমারের। তার পরেই তিনি সিদ্ধান্ত নেন ষাঁড়টি কেনার ব্যাপারে।

ষাঁড়টির মালিক প্রিয়া কুমারী নামে এক নারী প্রায় ৭ লক্ষ রুপি দিয়ে এক কৃষকের থেকে ষাঁড়টি কিনেছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। প্রিয়া জানান, প্রথমে ষাঁড়টিকে দেখেই তার মনে হয়েছিল বলিষ্ঠ এই ষাঁড়টি প্রতিযোগিতায় ভালো ফল করবে। সেই মত‌ো কয়েকবার ট্রেনিং দিয়ে ষাঁড়টিকে জাল্লিকাট্টুর মতো প্রতিযোগিতায় নামানোর ব্যবস্থা করেন তিনি। প্রিয়ার আরও দাবি, ইতিমধ্যে বাল্মীকি বেশ কয়েকটি পদক জিতেছে।

প্রসঙ্গত, দক্ষিণ ভারতে জাল্লিকাট্টুর জন্য ষাঁড়ের প্রবল চাহিদা থাকে। কিন্তু তাই বলে কোন ষাঁড়ের দাম এত রুপি উঠতে পারে ভেবেই অবাক হয়ে যাচ্ছেন অনেকে। এবেলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নখে ছত্রাকের সংক্রমণ হলে কী করবেন

নখে ছত্রাকের আক্রমণজনিত সমস্যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় টিনিয়া আংগুইয়ামা বলে। রোগটি খুবই অস্বস্তিকর।
লক্ষণ
হাত ও পায়ের নখে সাদা সাদা দাগ হবে
দিনে দিনে নখ ক্ষয়ে ছোট হয়ে যেতে পারে।
কী করবেন
এ ক্ষেত্রে অ্যান্টি ফাঙ্গাল ক্যাপসুল যেমন, ফ্লু- কোনাজল জাতীয় ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। তবে তার আগে অবশ্যই একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া এবং কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করা উচিত। বিশেষ করে লিভার ফাংশন ঠিক রয়েছে কি না দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
কী করবেন না
আক্রান্ত জায়গা বেশিক্ষণ ভিজা রাখবেন না এবং খুঁটবেন না।
অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি ভালো হবার জন্য এক বছর পর্যন্ত ওষুধ খেতে হতে পারে, অতএব এসব ক্ষেত্রে ধৈর্য হারিয়ে মাঝপথে ওষুধ খাওয়া বন্ধ করবেন না।
লিভার ফাংশন টেস্ট না করে এ ওষুধ খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ, তবে ডাক্তার রোগীকে পর্যবেক্ষণ করে যদি ওষুধ দেওয়ার উপযুক্ত মনে করেন তবে দিতে পারবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে হতাশ কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা

ডেস্ক রিপোর্ট : কোটা সংস্কারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থী ও প্রত্যাশীদের আন্দোলনের মধ্যেই মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিদের জন্য বিশেষ কোটা ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার বিকেলে চট্টগ্রামে আয়োজিত এক জনসভায় তিনি এই কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পর কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। তবে তারা অহিংস আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে ঘোষণা দেয়।
আন্দোলনকারীদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘আমরা অহিংস আন্দোলন চালিয়ে যাব।’ তবে কোটা সংস্কারকারীদের হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জনসভায় বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের জন্যই আমরা আমাদের স্বাধীনতা পেয়েছি এ কথা ভুললে চলবে না। তাদের ছেলেমেয়ে, নাতি-পুতি পর্যন্ত যাতে চাকরি পায় তার জন্য কোটার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। আর যদি কোটায় না পাওয়া যায়, সেটা শিথিল করা আছে, যেখানে মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের চাকরি দেওয়া যাবে। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আমাদের এ বিশেষ ব্যবস্থা করতেই হবে।’
প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পর শিক্ষার্থীদের অনেকেই হতাশ হয়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করে লাভ হবে না বলে মন্তব্য করে। আবার অনেকেই শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে হাসান আল মামুন বলেন, আমাদের দাবি সার্বিক কোটার সংস্কার। প্রধানমন্ত্রী আমাদের দাবিগুলো মেনে নিবেন। আমরা অহিংস আন্দোলন চালিয়ে যাব।
শিক্ষার্থীদের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে -কোটা ব্যবস্থা সংস্কার করে ৫৬ ভাগ থেকে ১০ ভাগে নিয়ে আসা, কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে শূন্য থাকা পদগুলোয় মেধায় নিয়োগ দেওয়া, কোটায় কোনো ধরনের বিশেষ নিয়োগ পরীক্ষা না নেওয়া, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে সবার জন্য অভিন্ন বয়সসীমা নির্ধারণ করা এবং চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার না করা।
গত ১৪ মার্চ আন্দোলনকারীরা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার জন্য একটি মিছিল নিয়ে হাইকোর্টের সামনে এলে পুলিশ তাঁদের ওপর কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ ও লাঠিপেটা করে। এতে ১৫ থেকে ২০ আন্দোলনকারী আহত হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
ওই পুলিশি হামলার প্রতিবাদে আগামী ২৫ মার্চ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান করা হবে। এদিন শিক্ষা সনদ গলায় দিয়ে শাহবাগ থেকে শহীদ মিনার পর্যন্ত ঝাড়ু হাতে নিয়ে এই অভিযানে যোগ দিবে আন্দোলনকারীরা। এ ছাড়া ২৯ মার্চ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিকেল ৪টায় নাগরিক সমাবেশ করারও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ বিশ্ব পানি দিবস

আজ বিশ্ব পানি দিবস

কর্তৃক daily satkhira

ডেস্ক রিপোর্ট :
২২ মার্চ, বিশ্ব পানি দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হচ্ছে।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত এক প্রস্তাব অনুযায়ী প্রতিবছর ২২ মার্চ বিশ্ব পানি দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও’তে এই প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। সেখানে পানি সম্পদের জন্য একটি বিশেষ দিন ঘোষণার দাবি তোলা হয়।
এ বছর ডিপিএইচই, ডিওয়াসা, পিএসইউ, ইউএনআইসি, ইউনিসেফ, বিশ্ব ব্যাংক, ডব্লিউএসএসসিসি, বাংলাদেশ ওয়াস এলায়েন্স ও এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ যৌথভাবে দেশব্যাপী বিশ্ব পানি দিবস পালন করবে।
আজ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরে (ডিপিএইচই) সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘ওয়াটার অ্যান্ড জবস’ তুলে ধরা হবে। জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়েও দিবসটি পালিত হবে।
সেমিনারে প্রধান অতিথি থাকবেন এলজিআরডি ও সমবায়মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

বিশ্ব পানি দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন এক বার্তায় বলেন, বিশ্বে পানি সম্পর্কিত খাতে ১৫০ কোটি লোক কাজ করছে। সূত্র: বাসস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মারা গেছেন বীরপ্রতীক কাকন বিবি

মারা গেছেন হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেওয়া বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা নুরজাহান কাকন বিবি।

বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. দেবব্রত রায়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১০৩ বছর।

কাকন বিবির জন্ম ১৯১৫ সালে। অবিভক্ত ভারতের মেঘালয়ের নেত্রাই হাসিয়া পল্লীতে তিনি জন্মেছিলেন। কাকন বিবির স্বামী সাঈদ আলীও প্রয়াত। তার গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের দোয়ারবাজার থানার জিরারগাঁও গ্রামে।

১৯৭১ সালে তিন দিন বয়সী মেয়ে সখিনাকে রেখে যুদ্ধে চলে যান কাকন বিবি। জুনে পাকিস্তানি বাহিনীর কাছে ধরা পড়েন তিনি। বাঙ্কারে আটকে দিনের পর দিন তাকে নির্যাতন করে পাকিস্তানি সেনারা। ছাড়া পেয়ে মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলীর কাছে অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ নেন। রহমত আলীর দলের সদস্য হয়ে সশস্ত্র যুদ্ধ করেন তিনি। একইসঙ্গে চালিয়ে যান গুপ্তচরের কাজ।

১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে টেংরাটিলার সম্মুখযুদ্ধে কয়েকটি গুলি তার শরীরে বিদ্ধ হয়। কয়েকটি গুলির দাগ এখনো আছে। তিনি নয়টি সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৯৬ সালে তাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করে বাংলাদেশ সরকার।

তিনি শ্বাসকষ্ট নিয়ে গত সোমবার এই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তিনি হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. নাজমুল ইসলামের অধীনে ভর্তি হয়েছিলেন এবং আইসিইউতে ডা. সব্যসাচী রায়ের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার ফুসফুসের একাংশ কাজ করছিল না বলে জানিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। এর আগে গত বছর জুলাইয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর কয়েকদিন হাসপাতালে ছিলেন শতবর্ষী কাকন বিবি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা জাপার আহবায়ক কমিটির পরিচিতি সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় পার্টির সাতক্ষীরা সদর উপজেলা শাখার আহবায়ক কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা তুফান কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত পরিচিতি সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলার জাতীয় পার্টির আহবায়ক সরদার আব্দুল মজিদ। প্রধান অতিথি ছিলেন, কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক মাতলুব হোসেন লিয়ন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম সরদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খালিদুর রহমান, জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মঈন উর রশীদ, জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌর জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব শেখ আব্দুস সাদেক, আগরদাড়ী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন, শরিফুজ্জামান বিপুল। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, বাঁশদহা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বদরুজ্জামান ও মোঃ আমিনুর রহমান, কুশখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মুনছুর আলী, ডা: আমিনুর রহমান, বৈকারী ইউনিয়নের মোঃ মতিয়ার রহমান, আলীপুর ইউনিয়নের মোঃ জামাত আলী, ধুলিহরের মোঃ ফজলুর রহমান, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের আলহাজ্ব আ: খালেক, আগরদাড়ী ইউনিয়নের ডা: মোঃ আলফাজ, বল্লী ইউনিয়নের আ: করিম, লাবসা ইউনিয়নের জুলফিকার রহমান জুলু, ফিংড়ী ইউনিয়নের আবু সাঈদ, ঝাউডাঙ্গার সাংবাদিক মতিয়ার রহমান, আলহাজ্ব ডা: আব্দুর রহিম, শিবপুর ইউনিয়নের ডা: সোহরাব হোসেন, জেলা ছাত্রসমাজ সমন্বয়কারী সৈয়দ আবুল কালাম আজাদ সুজন, শেখ আজিজুল হক খোকন প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সুরমান আলী। এসময় প্রধান অতিথি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসাইন মোহাম্মাদ এরশাদ। যারা এরশাদ সাহেবের কমিটি মানেনা তারা এরশাদ সাহেবের সাথে বিরোধ করেছে। তাদের অধিকার নেই জাতীয় পার্টিতে থাকার। যারা এরশাদ সাহেবের কমিটির বাইরে যাবেন তারা এরশাদ সাহেবের কমিটিতে থাকতে পারবে না। তিনি আমাদের নেতা তার সকল মতামত আমাদের মেনে চলা দায়িত্ব। এছাড়া তিনি সদর উপজেলা জাতীয় পার্টিকে আগামী ৩ মাসের মধ্যে সম্মেলন করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি যাকে মনোনয়ন দিবেন তাকে বিজয়ী করার জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest