সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে গোয়াল ঘেসিয়া নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার২৭ জানুয়ারি সাতক্ষীরায় আসছেন জামায়াতের আমীরসেতু-রাস্তাঘাট-শিক্ষা উন্নয়নের ঘোষণা ধানের শীষে ভোট চাইলেন – হাবিবুল ইসলামইসলামী শ্রম নীতি প্রতিষ্ঠা হলে শ্রমিকরা তাদের অধিকার ফিরে পাবে: মুহা: আব্দুল খালেককলারোয়ায় বাড়ি ঘর ভাংচুর ও চার লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরায় সাংবাদিকের উপর নকল সার সিন্ডিকেট হোতার হামলার প্রতিবাদ নতুন বাংলাদেশ গড়তে ধানের শীষের বিকল্প নেই- আব্দুর রউফসাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টানানো ব্যানারেও গণভোট সফল করার আহ্বানকলারোয়ায় মিনি স্টেডিয়াম ও বাইপাস সড়ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি হাবিবুল ইসলাম হাবিবেরসাতক্ষীরার ৩২৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

অমর একুশে বইমেলা নিয়ে গাইলেন দেবলীনা

অমর একুশে বইমেলা নিয়ে বাংলাদেশে এই প্রথম পূর্ণাঙ্গ গান বের হচ্ছে। ‘গানওয়ালা’র ব্যানারে নির্মাণ হচ্ছে এ গানটি। গেয়েছেন সংগীতশিল্পী দেবলীনা সুর। দ্বৈত কণ্ঠ দিয়েছেন রণজয় ভট্টাচার্য (ভারত)। পাশাপাশি রণজয় ভট্টাচার্য গানটির সুর ও সংগীত আয়োজন করেছেন। কথা লিখেছেন সুমন সাহা।

গানের কথাগুলো সাজানো হয়েছে- ‘আবার এলো ওই প্রাণের মেলা/তোমার আমার ভালোবাসার মেলা/ নতুন পুরনো সব বই এর মেলা
প্রাণের মেলা, একুশে বই মেলা/কথা দিয়ে।

কলকাতার ছেলে রণজয় কাজ করেন মুম্বাই মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে। দেবলীনা সুরের আগামী রবীন্দ্র সংগীত অ্যালবামের কাজ করছেন তিনি। সেই কাজ নিয়ে নিয়মিত কথা হয় দেবলীনা সুর ও সুমন সাহার সঙ্গে।

কথার প্রসঙ্গে বইমেলা নিয়ে এমন একটি গানের ব্যাপারে দুই শিল্পীর আগ্রহ দেখে বইমেলা নিয়ে গানটি লেখেন সুমন সাহা। ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে গানের কণ্ঠ দেয়ার কাজ। চলছে সংগীত আয়োজনের বাকি কাজগুলো- জানালেন দেবলীনা।

আগামী সপ্তাহে ’গানওয়ালা’র ইউটিউব চ্যানেলে গানটি প্রকাশ পাবে। বাংলাদেশে বইমেলা নিয়ে যেহেতু এটাই প্রথম পূর্ণাঙ্গ গান তাই এ গানটি হয়ে উঠুক একুশে বইমেলার থিম সং এমনটাই ভাবছে গানের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘গানওয়াল’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘হেট স্টোরি-৪’এর ট্রেলারে উর্বশী ঝড় !

বলিউডের ইরোটিক থ্রিলার সিনেমা নির্মাতা ফ্রাঞ্চাইজি হেট স্টোরি। এবার সিনেমাটি চতুর্থ সিক্যুয়েলের ট্রেলার সামনে এলো। ‘দিস ইজ নট আ লাভ স্টোরি, ইট ইজ আ হেট স্টোরি’- এমনই বক্তব্য নিয়ে মুক্তি দেওয়া হয়েছে ‘হেট স্টোরি ৪’-এর অফিসিয়াল ট্রেলার।

ছবিটির প্রধান চরিত্রে এবার দেখা যাবে উর্বশী রাউটেলাকে। বিশাল পান্ডের পরিচালনায় এতে আরো আছেন টিভি তারকা করণ ওয়াহি আর ভিভান ভাথেনা।

প্রেম, যৌনতা আর শিহরণের এক মিশেল হেট স্টোরি। যাঁরা হেট স্টোরির নিয়মিত দর্শক তাদের জন্য এই সিক্যুয়েলটি আরো উত্তেজক হবে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।

আগের পর্বগুলোর মতো এই পর্বও দর্শকদের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে বলে জানিয়েছেন পরিচালক। এবারও মাত করবেন উর্বশী। বক্স অফিস হিটের সাথে সাথে ছবিটিতে উর্বশী সবার নজর কাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। ৯ মার্চ প্রেক্ষাগৃহে আসছে ছবিটি। গত ২৬ জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছে ছবিটির অফিসিয়াল ট্রেলার।

https://www.youtube.com/watch?time_continue=50&v=gF4_jvJUBQY

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্রিকেটের নতুন ‘চোকার্স’ বাংলাদেশ?

ক্রিকেটে ‘চোকার্স’ শব্দটার পরিচিতি মূলত দক্ষিণ আফ্রিকাকে দিয়ে। বছরজুড়ে ভালো ক্রিকেট খেলছে, ফেবারিট হিসেবে যে কোনো টুর্নামেন্টে যাচ্ছে; কিন্তু ট্রফি জেতা হচ্ছে না। এটা যেন অদৃশ্য এক অভিশাপ হয়ে আছে প্রোটিয়াদের। এবার কি এই শব্দটির সঙ্গে নাম জুড়ে যাচ্ছে বাংলাদেশেরও?

এমনিতে বাংলাদেশ এতটা দিন ছোট দলই ছিল। ধীরে ধীরে বড় দলের তকমাটা গায়ে লাগছে, বড় টুর্নামেন্টে মোটামুটি ভালো করাও শুরু করেছে টাইগাররা। বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল বলুন কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনাল, অতীতে এমন সাফল্য পায়নি দলটি।

এখন সাফল্য পাচ্ছে, কিন্তু পূর্ণতাটা পাচ্ছে না। যে কোনো টুর্নামেন্টে অনেকটা দূর চলে যাচ্ছে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ফিরছে স্বপ্নভঙ্গের বেদনা নিয়ে। দুটি এশিয়া কাপ, দুটি ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালেও সেই একই গল্প; ট্রফিটা এত কাছে তবু যেন দূরে।

এবার ত্রিদেশীয় সিরিজের শুরুটা ফেবারিটের মতই করেছিল বাংলাদেশ। সবার মনে একটাই আশা, এবার আক্ষেপ ফুরোবে। প্রথম তিন ম্যাচে দাপুটে জয়ের পর স্বপ্নটা যেন বাস্তব রূপ নিতে যাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সেই একই পরিণতি। হতে হতেও হলো না।

লঙ্কানদের কাছে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল হারের পর স্বভাবতই একটি প্রশ্ন উঠল জোরোসোরে, বাংলাদেশ কি তবে ক্রিকেটের নতুন ‘চোকার্স’? যারা যুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়ন করে!

ফাইনাল হারের পর ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফির দিকেও ছুটে গেল এই প্রশ্নটা। মাশরাফি অবশ্য দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দলের সঙ্গে নিজেদের মেলাতেই নারাজ।

টাইগার দলপতি মনে করছেন, ওই তুলনায় আসতে আরও অনেক দূর যেতে হবে দলকে, ‘আমি ভাগ্যে কিছুটা বিশ্বাস করি। আমি ওটা বলবো না। দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দল হওয়ার পর হয়তো বলা যাবে, আমরা চোক করছি কি না। দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে বাংলাদেশকে মেলানো যুক্তিসঙ্গত নয়। আমাদের ওই লেভেলে আগে যেতে হবে। ওরা সব সময় র্যাংকিংয়ে ১, ২ কিংবা ৩ নাম্বারে থাকে। তাদের লেভেলে গিয়ে এটা বলা ঠিক হবে।’

দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে তুলনায় আসার মতো দল হয়তো এখনও হয়ে ওঠেনি, তবে যুদ্ধের ময়দান থেকে পালিয়ে যাওয়ার একটা প্রবণতা কিন্তু বাংলাদেশের মধ্যে নিয়মিতই দেখা যাচ্ছে!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিমগাছের ঔষধি গুণ

নিমগাছের ঔষধি গুণের তুলনা নেই। স্বাস্থ্যরক্ষায় নিম গাছের বিভিন্ন অংশকে ব্যবহার করতে পারেন।

ম্যালেরিয়া : নিম পাতার নির্যাস ব্যবহারে ম্যালেরিয়া প্রশমিত হয়। পানি বা এলকোহল মিশ্রিত নিম পাতার নির্যাস ব্যবহারে একই ধরনের ফল পাওয়া যায়।

মানসিক চাপ ও অশান্তি : অল্প পরিমাণ নিম পাতার নির্যাস খেলে মানসিক চাপ ও মানসিক অশান্তি কমে যায়।

এইডস : নিম গাছের বাকল হতে আহরিত নির্যাস এইডস ভাইরাসকে মারতে সক্ষম। নিম পাতার নির্যাস অথবা পুরু পাতা অথবা নিম পাতার চা পান করলে এইডস উপশম হয়।

আলসার : নিম পাতার নির্যাস ও নিম বীজ হতে নিম্বিডিন নির্যাস খেলে পেপটিক ও ডিওডেনাল আলসার উপশম হয়।

ব্রণ : নিম পাতা পিষ্ট করে মধুর সাথে মিশিয়ে প্রলেপ দিলে ব্রণ সেরে যায়।

জন্ডিস : ২৫-৩০ ফোঁটা নিম পাতার রস একটু মধুর সাথে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে জন্ডিস আরোগ্য হয়।

বহুমূত্র রোগ : প্রতিদিন ১ টেবিল চামচ নিম পতার রস সকালে খালি পেটে ৩ মাস খেলে ডায়বেটিস আরগ্য হয়। প্রতিদিন সকালে ১০টি নিম পাতা গুড়া বা চিবিয়ে সেবন করলে ডায়বেটিস ভাল হয়। নিম পাতার রস খেলে ৩০-৭০% ইনসুলিন নেয়ার প্রবণতা কমে যায়।

বসন্ত : কাঁচা হলুদের সাথে নিম পাতা বেটে বসন্তের গুটিতে দিলে গুটি দ্রুত শুকিয়ে যায়।

রাতকানা : নিম ফুল ভাজা খেলে রাতকানা উপশম হয়।

চোখের ব্যথা : নিম পাতা সামান্য শুস্ক আদা ও সৈন্ধব লবণ একত্রে পেষণ করে সামান্য গরম করে একটি পরিস্কার পাতলা কাপড়ে লাগিয়ে তা দ্বারা চোখ ঢেকে দিলে চোখের স্ফীতি ও ব্যথা সেরে যায়।

লাল মেহরোগ : নিম মূলের ছালের রস ও কাঁচা দুধ মিশিয়ে কিছুদিন খেলে লাল মেহরোগ উপশম হয়।

মাথাধরা : নিম তেল মাখলে মাথা ধরা কমে যায়।

ক্যান্সার : নিম তেল, বাকল ও পাতার নির্যাস ব্যবহারে ক্যান্সার-টিউমার, স্কীন ক্যান্সার প্রভৃতি ভাল হয়।

উকুন : নিমের ফুল বেটে মাথায় মাখলে উকুন মরে যায়।

হৃদরোগ : নিম পাতার নির্যাস খেলে হৃদরোগে উপকার পাওয়া যায়। নিম নির্যাস ব্লাড প্রেসার ও ক্লোরেস্টোরল কমায়। রক্ত পাতলা করে, হার্টবিট কমায়।

কৃমি নিরসন : ৩-৪গ্রাম নিম ছাল চূর্ণ সামান্য পরিমাণ সৈন্ধব লবণসহ সকালে খালি পেটে সেবন করে গেলে কৃমির উপদ্রব হতে রক্ষা পাওয়া যায়। নিয়মিত এক সপ্তাহ সেবন করে যেতে হব। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ১-২ গ্রাম মাত্রায় সেব্য।

রক্ত পরিস্কার ও চর্ম রোগ : কাঁচা নিম পাতা ১০ গ্রাম ২ কাপ পানিতে জ্বাল করে ১ (এক) কাপ অবশিষ্ট থাকতে ছেঁকে নিয়ে প্রয়োজন মতো চিনি মিশিযে সেব্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মনোনয়ন টেনশনে শত এমপি

অনলাইন ডেস্ক: ‘এমপিদের যেসব উন্নয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, আর কী উন্নয়ন হয়েছে, তার হিসাব নেওয়া হবে। সবার আমলনামা আমার হাতে। বর্তমান এমপিরাই আবার মনোনয়ন পাচ্ছেন— এটা ভেবে ঘরে বসে থাকলে ভুল হবে। যোগ্যতার ভিত্তিতেই মিলবে দলীয় মনোনয়ন।’ দলীয় এমপিদের প্রতি এই হুঁশিয়ারি আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।

আর দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বার্তা এমপিদের প্রতি, ‘যারা পিয়ন, কনস্টেবল নিয়োগ ও মানুষের কাজ করে দেওয়ার নামে ঘুষ খান আর চাঁদাবাজদের প্রশ্রয় দেন— তাদের দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হবে না।’ শীর্ষ দুই নেতার বক্তব্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে টেনশনে রয়েছেন আওয়ামী লীগের শতাধিক এমপি।

সূত্রমতে, আগামী নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ে কঠোর অবস্থানে থাকবে আওয়ামী লীগ। প্রার্থীর জনপ্রিয়তা, এলাকায় অবস্থান, স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সম্পর্কসহ দল নির্ধারিত আরও বেশ কিছু মানদণ্ড অনুসরণ করেই দেওয়া হবে মনোনয়ন। দলের নেতারা জানান, আগামী সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে। তাই প্রার্থী বাছাইয়ের বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে জনবিচ্ছিন্ন, বিশেষ করে নিজ এলাকায় দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করা এমপিদের এবার কোনোমতেই ছাড় দেবেন না প্রধানমন্ত্রী। বাদের তালিকায় থাকবেন তারা।

সম্প্রতি গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের এমপিদের হুঁশিয়ার করে বলেন, ‘এমপিদের মধ্যে কারা কী কাজ করছেন, তার সব প্রতিবেদন আমার কাছে রয়েছে। সবাইকে যোগ্যতার ভিত্তিতেই মনোনয়ন দেওয়া হবে।’ আর কয়েক দিন আগে ঠাকুরগাঁওয়ে দলের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ এবং কর্মিসভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যারা চাঁদাবাজদের প্রশ্রয় দেন, যাদের ভাই-ভাতিজা চাঁদাবাজি করে তারা মনোনয়ন পাবেন না। প্রধানমন্ত্রীর হাতে তাদের আমলনামা জমা হচ্ছে।’

জানা যায়, দলীয় বিভিন্ন মাধ্যমে এলাকায় এমপিদের অবস্থান ও গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছে দলের শীর্ষ পর্যায়। এসব প্রতিবেদনে বেশ কিছু এমপির দুর্নীতি, তাদের পরিবারের সদস্যদের নেতিবাচক কর্মকাণ্ড, তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব, বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া ও দলের শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিষয়ে নানা তথ্য উঠে এসেছে। টানা দুই মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার সুবাধে এবং কোনো শক্তিশালী বিরোধী দল মাঠে না থাকায় বর্তমানে অনেকটাই বেপরোয়া আওয়ামী লীগের এমপিরা।

নির্বাচনী এলাকাগুলোতে নিজেদের একটি বলয় গড়ে তুলেছেন- এমন অভিযোগ রয়েছে তৃণমূলের ত্যাগী নেতাদের। এ ছাড়া বেশ কয়েকটি জেলা-উপজেলায় চলছে ‘এমপি লীগ বনাম আওয়ামী লীগের’ বিরোধ। দলীয় পুরনো ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে বিভিন্ন দল থেকে আসা নবাগতদের নিয়ে গ্রুপ গঠন করেছেন এমপিরা। অনেক এমপি কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে ত্যাগী নেতাদের পরিবর্তে বিএনপির কর্মীদের পদ দিয়েছেন। রাতারাতি পদ পাওয়া এসব সুযোগসন্ধানী এলাকায় চাঁদাবাজি-মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে দলের বদনাম করছেন।

একইভাবে ধীরে ধীরে সংগঠন আওয়ামী লীগ বিরোধীদের হাতে চলে যাচ্ছে। বেশিরভাগ এলাকায় দলের পুরনো নেতাদের দল থেকে ছিটকে পড়তে হয়েছে। অনেক এমপির বিরুদ্ধে পুলিশের কনস্টেবল থেকে শুরু করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দফতরি নিয়োগে পর্যন্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আছে। নির্বাচনী এলাকার পুলিশ-প্রশাসন চলে এমপিদের নির্দেশে। এমপিদের সঙ্গে বিরোধ থাকলে ওই এলাকায় অন্য কারও আওয়ামী লীগের রাজনীতি করা কঠিন। মামলা দিয়ে হামলা করে কোণঠাসা করা হয়েছে এমপিবিরোধীদের।

কোনো কোনো এমপির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে খোঁজখবর নিয়েছেন। এ তালিকায় রয়েছেন দলের শতাধিক এমপি। বেশ কিছু জেলার দলীয় এমপিদের বিষয়ে খোঁজ নিয়েছেন দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদের অনেকের মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা খুব ক্ষীণ।

আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা জানান, নির্বাচনী ফসল ঘরে তুলতে যা যা করণীয় তা-ই করা হবে। আগামী প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের জন্য প্রার্থী বাছাইকেই গুরুত্ব দেবে আওয়ামী লীগ। এ কারণে আসনভিত্তিক শক্তিশালী প্রার্থী আগেভাগেই ঠিক করতে চায় দলটি। তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে আরও পরে। এখন প্রতিটি আসনেই একাধিক বিকল্প প্রার্থী ভেবে রেখেছে দল।

আওয়ামী লীগ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানায়, প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় বর্তমান এমপিদের ভালো কাজ আর মন্দ কাজের একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকায় দলীয় অবস্থান, মনোনয়ন লাভে ইচ্ছুকদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি, এলাকায় তাদের ভাবমূর্তিসহ তাদের ইতি এবং নেতিবাচক দিকগুলো থাকবে।

বর্তমান সংসদে আওয়ামী লীগের এমপি রয়েছেন ২৩৪ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ২১৬ এবং নারী ১৮ জন। শতাধিক এমপির অবস্থা ভালো থাকলেও অন্যদের কেউ জনবিচ্ছিন্ন, কেউ আত্মীয়করণে জড়িত, কেউ দুর্নীতিবাজ, কেউ টিআর-কাবিখার অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। আবার কেউ চাকরি দেওয়ার নাম করে গরিব চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে অর্থ লুটে নিয়েছেন। অনেকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদক ব্যবসা এবং দখল বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। দলের মনোনয়ন নিয়ে এসব এমপি টেনশনে রয়েছেন।
সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুম্বাইয়ে ‘কাটার মাস্টার’ মুস্তাফিজ

শুধু সাকিব আল হাসান নয়, আইপিএলে এবার নতুন দল পেয়েছেন বাংলাদেশের আরেক ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানও। ২ কোটি ২০ লাখ রুপিতে বাংলাদেশের এই বাঁহাতি পেসারকে দলে নিয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

শনিবার আইপিএলের নিলামে মুস্তাফিজকে পাওয়ার লড়াইয়ে নামে দিল্লি ডেয়ারডেভিলস ও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ডাক শুরু করেছিল দিল্লি। শেষ পর্যন্ত মুস্তাফিজকে ২ কোটি ২০ লাখ রুপিতে কিনে নেয় মুম্বাই। তার ভিত্তিমূল্য ছিল ১ কোটি রুপি।

২০১৬ আইপিএলে মুস্তাফিজকে ১ কোটি ৪০ লাখ রুপিতে নিয়েছিল সানরাইজার্স। ইন্ডিয়ান্সে এর আগে খেলার অভিজ্ঞতা হয়েছিল বাংলাদেশের আরেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুলের। মুম্বাইয়ে মুস্তাফিজ সতীর্থ হিসেবে পাবেন রোহিত শর্মা, কাইরন পোলার্ড, হার্দিক পান্ডিয়া, জাসপ্রিত বুমরাহ, প্যাট কামিন্সদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে লজ্জা বাঁচাল ভারত

কেপ টাউন এবং সেঞ্চুরিয়নে হেরে আগেই সিরিজ খুইয়ে বসেছিল ভারত। জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্সে এসেছিল তারা হোয়াইটওয়াশের লজ্জা বাঁচানোর জন্য। এই মাঠটি ভারতীয়দের জন্য বেশ পয়া ভেন্যু। আগে খেলা চারটি টেস্টের মধ্যে একটি জিতেছে, বাকি তিনটি ড্র করেছে। অথ্যাৎ একটিতেও হারেনি ভারত; বরং তারা এই মাঠে স্বাগতিকদের চেয়ে এগিয়েই ছিল।

সেই রেকর্ড এবারও ধরে রাখলো বিরাট কোহলির দল। দক্ষিণ আফ্রিকাকে তো জিততেই দিল না। উল্টো, স্বাগতিকদের ৬৩ রানে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশ থেকে রক্ষা পেলো ভারতীয়রা।

ভারতীয় পেসের সামনেই উড় গেছে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং লাইনআপ। জয়ের জন্য চতুর্থ ইনিংসে মাত্র ২৪১ রান প্রয়োজন ছিল প্রোটিয়াদের। তৃতীয় দিন শেষ বিকেলে এইডেন মারক্রামের উইকেট পড়লেও চতুর্থদিন সকাল থেকে হাশিম আমলা আর ডিন এলগারের ব্যাটে দুর্দান্ত গতিতে জয়ের দিকেই এগিয়ে চলছিল স্বাগতিকরা।

আমলা আর এলগারের জুটিতে উঠলো ১১৯ রান। ১২৪ রানে গিয়ে দ্বিতীয় উইকেট পড়ার পরই যেন বালির বাধের মত ভেঙে পড়লো প্রোটিয়াদের সব প্রতিরোধ। ৫২ রান করে আউট হন আমলা। এরপর একপাশে এলগার দাঁড়িয়ে থাকলেও বাকিরা ছিলেন আসা-যাওয়ার মিছিলে। ডি ভিলিয়ার্স ৬, ডু প্লেসি ২, কুইন্টন ডি কক শূন্য, ভারনন ফিল্যান্ডার ১০, আন্দিল পেহলুকাইয়ো শূন্য, কাগিসো রাবাদা শূন্য এবং মরনে মর্কেল আউট হন শূন্য রানে। শেষ উইকেট হিসেবে আউট হন লুঙ্গি এনগিদি। তিনি করেন ৪ রান। অন্য প্রান্তে ডিন এলগার ৮৬ রানে অপরাজিতই থেকে যান। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তিনি শুধু পরাজয়টাই লক্ষ্য করলেন। সঙ্গীর অভাবে দলকে জয় এনে দিতে পারলেন না। দল অলআউট হয়ে গেলো ১৭৭ রানে।

ভারতীয় বোলারদের মধ্যে মোহাম্মদ সামি একাই নেন ২৮ রানে ৫ উইকেট। জসপ্রিত বুমরাহ এবং ইশান্ত শর্মা নেন ২টি করে উইকেট। ভুবনেশ্বর কুমার নেন ১ উইকেট। পুরো ম্যাচে দারুণ অলরাউন্ড নৈপুন্য প্রদর্শন করে জিতে নিলেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার।

প্রথম ইনিংসে ভারত করেছিল ১৮৭ রান। জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকা মাত্র ৭ রানের লিড দেয় ভারতকে। অলআউট হয় ১৯৪ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ভুবনেশ্বরের ব্যাটে চড়ে ২৪৭ রান পর্যন্ত যায় ভারতের ইনিংস। জয়ের জন্য ২৪১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১৭৭ রানে অলআউট হলো দক্ষিণ আফ্রিকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বের দীর্ঘতম পুরুষ ও ক্ষুদ্রতম নারীর সাক্ষাৎ

দু’জনেই একই বছরে রেকর্ড গড়েছেন, দু’জনের পরিচয়ের শেষেই ‘তম’। তবু ফারাক শুধু উচ্চতায়। এবার তাদেরই দেখা হল পিরামিডের দেশ মিশরে।

তুরস্কের সুলতান কোসেন, বয়স- ৩৫ বছর, উচ্চতা- ৮ ফুট ৩ ইঞ্চি (২৫১ সেন্টিমিটার)। তিনিই এই মুহূর্তে দুনিয়ার দীর্ঘতম পুরুষ। ২০১১ সালে চীনের শি সানকে (৭ফুট ৯ইঞ্চি) সরিয়ে গিনিস বুকে দীর্ঘতম পুরেষের স্বীকৃতি লাভ করেন কোসেন। অন্যদিকে, ভারতের নাগপুরের জ্যোতি আমগের বয়স-২৫, উচ্চতা- ২ ফুট ৬ ইঞ্চি (৬২.৮ সেন্টিমিটার)। দুনিয়ার ক্ষুদ্রতম নারী। আমেরিকার ব্রিজিট জর্ডনকে স্থানচ্যূত করে ২০১১ সালেই গিনিজ বুকের পাতায় দুনিয়ার ক্ষুদ্রতম নারীর পরিচয় পেয়েছেন জ্যোতি।

দেশের পর্যটন ক্ষেত্রকে আরও চাঙ্গা করতে এবার এই দু’জনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে মিশর সরকার। দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক পিরামিড ও সৌধ এলাকায় এদের ফটোশুট করে পর্যটন মানচিত্রে দেশকে আরও তুলে ধরাই সে দেশের সরকারের উদ্দেশ্য। সরকারি আমন্ত্রণে মিশরে পৌঁছে ২৬ জানুয়ারি কায়রোর ঐতিহাসিক গিজা পিরামিডের সামনে পোজ দিয়েছেন দীর্ঘতম পুরুষ ও ক্ষুদ্রতম নারী।

জানা যাচ্ছে, উচ্চতার ফারাককে গুরুত্ব না দিয়ে তারা বেশ সহজেই লেন্সের সামনে দাঁড়িয়েছেন। এরপর মিশরের অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রেও ছবি তোলা হবে তাদের।

তবে এই জুড়ির ছবি তুলে ক্যামেরার লেন্স ও প্রযুক্তিকে বেজায় সমালোচনা সহ্য করতে হচ্ছে। কারণ, সুলতান ও জ্যোতির ছবি দেখে অনেকেরই মনে হচ্ছে এটা ‘মিনিয়েচার ছবি’। কিন্তু মিশর সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রকাশিত ছবিতে কোনও কারসাজি নেই। আর এখানেই বোধ হয় এই নারী-পুরুষের আসল স্বীকৃতি। নিজেদের স্বাভাবিক বৈশিষ্টের দ্বারা তারা প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ক্ষমতা নিয়ে। যে সময়ে আক্ষরিক অর্থে দিনকে রাত করার ক্ষমতা রাখে প্রযুক্তি, সে সময় প্রযুক্তি ছাড়াই এরা ‘অবিশ্বাস্য’ রকমের স্বাভাবিক। তফাত নয়, ওদের আসল মিল এখানেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest