মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ‘পরিকল্পিত পরিবারে গড়বো দেশ উন্নয়ন আর সমৃদ্ধির বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় দুই দিন ব্যাপি এসবিসিসি পরিবার পরিকল্পনা মেলা-২০১৮ উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাজ পার্কে মেলা প্রাঙ্গণে আলোচনা সভাস্থলে গিয়ে মিলিত হয়। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের আয়োজনে আইইএম ইউনিটের আয়োজনে ও জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সহযোগিতায় জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক রওশানারা জামানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের খুলানা বিভাগীয় পরিচালক ব্রজ গোপাল ভৌমিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বির আহমেদ, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, জেলা শিক্ষা অফিসার এস.এম আব্দুল্লাহ আল-মামুন, জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক ডা. মো. মুজিবর রহমান, সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নকিবুল হাসান, মেডিকেল অফিসার ডা. রনজিত কুমার, ডা. আবুল বাসার, ডা. লিপিকা বিশ^াস প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দ মেলার স্টল পরিদর্শণ করেন। মেলায় ২০টি স্টল স্থান পেয়েছে। দুইদিন ব্যাপি এ মেলায় সকাল ০৯টা থেকে বিকাল ০৫টা পর্যন্ত মা ও শিশু স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে সেবা প্রদান করা হবে এবং মাল্টি মিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে সচেতনতা মূলক প্রামান্য চিত্র প্রদর্শণ করা হবে। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আব্দুস সেলিম।

রোববার সকাল ১১ টায় মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ছাত্র-জনতার ব্যানারে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের সামনে অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক সেলিম রেজা মুকুল, জাসদ নেতা আমির হোসন খান চৌধুরী, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাক্ষেীরা জেলা কমিটির সদস্য প্রভাষক সুভাশীষ, সাতক্ষীরা জেলা ছাত্র মৈত্রীর সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ মন্ডল, নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের নেতা রওনক বাসার, ইকবাল লোদী, কনক দাশ প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, ড. জাফর ইকবালের উপর মুক্ত চিন্তার উপর তথা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার উপর আক্রমণ। সন্ত্রাসীরা একের পর এক প্রগতিশীল লেখক বুদ্ধিজীবীদের উপর হামলা করে মুক্ত চিন্তার মানুষের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করছে। এসবের পিছনে মৌলবাদী সংগঠনের মদদ রয়েছে উল্লেখ করে বক্তারা অবিলম্বে এসব মৌলবাদী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
বক্তারা প্রশাসনের মধ্যেও কেউ কেউ ঘাপটি মেরে থেকে মৌলবাদি জামাত-শিবির চক্রকে মদদ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন। সরকারকে এদের বিষয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বক্তারা বলেন, হেফাজতে ইসলামের মত মৌলবাদী চক্রের সাথে বন্ধুত্ব করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখা সম্ভব নয়। হেফাজতের আদর্শিক বন্ধুরাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মুছে ফেলতে চায়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক যে বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন আমরা দেখি সেখানে ড. জাফর ইকবালরাই আমাদের পথ প্রদর্শক। তাই তাদেরকে নিরাপত্তা দিতে মৌলবাদের বিষদাঁত ভেঙে ফেলতে হবে।
