সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতাদেবহাটা থানার নতুন ওসি আব্দুল আলিমের দায়িত্ব গ্রহণবস্তুনিষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের কারনেই দেশের শীর্ষ গণমাধ্যম সময় টিভিশ্যামনগরে কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালাসাংবাদিক জিন্নাহর উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালত

দেবহাটা কৃষি ব্যাংকে আঞ্চলিক ব্যবস্থাপকের পরিদর্শন

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটা উপজেলা সদরের বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের দেবহাটা শাখা পরিদর্শন করেছেন আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক গোলাম মোস্তফা। মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় তিনি দেবহাটা ব্যাংকে আসেন। আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক গোলাম মোস্তফা ১৯৯৮-৯৯ সালে দেবহাটা কৃষি ব্যাংকের ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সেসময় তিনি ব্যাংকের সুনাম অক্ষুন্ন রাখার পাশাপাশি স্থানীয় অনেক সমাজসেবামূলক ও খেলাধুলা সহ বিভিন্ন উন্নয়নমুখী কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পরে তিনি আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক হিসেবে আবারো দেবহাটায় আসলে স্থানীয় অনেক সুধীজন তার সাথে মতবিনিময় করেন এবং তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। এসময় দেবহাটা কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপক নুর মোহম্মাদ, দেবহাটা উপজেলা আঃলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আনোয়ারুল হক, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব আর.কে.বাপ্পা, সাংবাদিক আকতার হোসেন ডাবলু, মানবাধিকার নেতা ইলিয়াস হোসেন, আঃলীগ নেতা সাহেব আলী সহ ব্যাংকের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক গোলাম মোস্তফা মতবিনিময় পরবর্তী ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সাথে মিলিত হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুই ‘ডাইনি’কে নির্যাতন, গ্রেপ্তার ১১

ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যে দুই ‘ডাইনি’কে নির্যাতনের অভিযোগে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ‘ডাইনিবিদ্যা’ চর্চার অভিযোগে তাঁদের নির্যাতন করা হয় বলে জানা যায়।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বৃদ্ধা (৬৫) ও তাঁর মেয়েকে (৩৫) নগ্ন করে রাস্তায় হাঁটতে এবং মূত্রপানে বাধ্য করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী মেয়েটি জানান, তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রামে জাদুবিদ্যা ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ করা হয়।

ভারতের বিভিন্ন এলাকায় ‘ডাইনিবিদ্যা’ চর্চার জন্য নারীদের ওপর চড়াও হওয়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব হামলার পেছনে অন্ধবিশ্বাস দায়ী। কিন্তু কখনো কখনো বিধবাদের জমি ও সম্পত্তি দখলের জন্যও এমন ঘটনা ঘটে থাকে।

বিবিসির প্রতিবেদক রবি প্রকাশকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বৃদ্ধা বলেন, গত ফেব্রুয়ারিতে লোকজন এসে তাঁর বাড়ির দরজায় সজোরে আঘাত করতে শুরু করে। এ সময় তাঁরা বাড়িতেই ছিলেন। গত সপ্তাহে পরিবারের একজন সদস্য মারা গেলে তাঁরা এক হাতুড়ে ডাক্তারের কাছে যান। কিন্তু চিকিৎসক মৃত্যুর জন্য তাঁদেরই দায়ী করেন।
মা-মেয়ে এর প্রতিবাদ করলেও জোরপূর্বক তাঁদের একটি শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে লোকজন তাঁদের মাথার চুল কেটে দেয় এবং নগ্ন হয়ে রাস্তায় হাঁটতে ও মলমূত্র খেতে বাধ্য করে।

বৃদ্ধা বলেন, ‘আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম।’ কেউ তাঁদের সাহায্য করতে আসেনি বলেও জানান তিনি।

পুলিশ জানায়, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে গ্রামে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচার চালাচ্ছেন তাঁরা এবং একই সঙ্গে দুই নারীকে অতিরিক্ত নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গ্রাহক হয়রানির অভিযোগের শীর্ষে গ্রামীণফোন

গ্রাহক সেবার নামে নানাভাবে প্রতারণা ও হয়রানি করছে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো। ভোক্তাকে না জানিয়ে অ্যাকাউন্ট থেকে ব্যালেন্স কেটে রাখা, ইন্টারনেট সেবার কারচুপি, কাস্টমার কেয়ারে সেবা না পাওয়াসহ বিভিন্ন অফার নিয়ে প্রতারণার শিকার হয়ে প্রতিদিন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন গ্রাহকরা।

গত সাত মাসে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর বিরুদ্ধে করা গ্রাহক অভিযোগের শীর্ষে রয়েছে গ্রামীণফোন। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অধিদফতর জানায়, ২০১৭ সালের ১ জুন থেকে চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অধিদফতরে বেসরকারি মোবাইল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ, রবি, বাংলালিংক, এয়ারটেল ছাড়াও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান টেলিটকের বিরুদ্ধে মোট ৭৫৯টি লিখিত অভিযোগ করেন গ্রাহকরা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে। বিভিন্নভাবে সেবার নামে প্রতারিত হয়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ২১৩টি অভিযোগ করেন গ্রাহকরা।

অভিযোগ আনা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রবি অজিয়াটা লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পড়েছে ২০১টি। সম্প্রতি তাদের সঙ্গে একীভূত হওয়া অপারেটর এয়ারটেলের বিরুদ্ধে রয়েছে ১৫৯টি অভিযোগ। এছাড়া বাংলালিংকের বিরুদ্ধে জমা পড়েছে ১৪৮টি এবং টেলিটকের বিরুদ্ধে ৩৮টি অভিযোগ।

গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে অধিদফতরে প্রতারণার অভিযোগ করেন স্বপ্নীল চক্রবর্তী নামে এক গ্রাহক। লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ১৭১ টাকা দিয়ে চার জিবি ইন্টারনেট প্যাকেজ কিনেছিলেন তিনি। যার মেয়াদ ছিল সাতদিন। গত ২৪ জুলাই প্যাকেজের মেয়াদ শেষ হয়। মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল ব্যালেন্স থেকে ৬১ টাকা কেটে নেয়া হয়। তাকে নতুনভাবে ইন্টারনেট প্যাকেজ কেনার জন্য মেসেজ দেয়া হয়নি।

প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর জানানো হয়, ইন্টারনেট কেনার জন্য এ চার্জ কাটা হয়েছে। অথচ তিনি কোনো প্যাকেজ কেনাকাটা করেননি। এ রকম শত শত অভিযোগ রয়েছে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম লস্কর বলেন, ‘দেশের সব মোবাইল ফোন অপারেটরের বিরুদ্ধে ভোক্তারা প্রতারিত কিংবা হয়রানির শিকার হয়ে অধিদফতরে অভিযোগ করছেন। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে অভিযোগ সবচেয়ে বেশি। কিন্তু একটি মোবাইল সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান উচ্চ আদালতে রিট করায় গত বছরের ২৮ মে’র পর থেকে অধিদফতর এ সংক্রান্ত অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে পারছে না।’

‘রিটের কারণে অপারেটরগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারছি না। আইনি জটিলতা দূর হলে গ্রাহকের অভিযোগের ভিত্তিতে অপারেটরগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে’- যোগ করেন তিনি।

তবে মোবাইল সেবা ছাড়া অন্য সব ভোক্তাপর্যায়ে অভিযোগের বিষয়ে অধিদফতরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন শফিকুল ইসলাম।

এ বিষয়ে গ্রামীণফোনের এক্সটার্নাল কমিউনিকেশন্সের প্রধান সৈয়দ তালাত কামাল বলেন, গ্রাহকদের বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ থাকতে পারে এবং তারা এর সমাধানের জন্য বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করতে পারেন। গ্রামীণফোন গ্রাহকের অভিযোগ সবসময় গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে থাকে। এর মাধ্যমে সেবার মানোন্নয়ন অব্যাহত রাখা যায়।

‘গ্রামীণফোন ক্রমাগতভাবে গ্রাহকদের মানসম্পন্ন সেবা প্রদানে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে ২০১৭ সালে গ্রাহক অভিযোগ ৭৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে’- যোগ করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন ১৬ বিশিষ্ট ব্যক্তি

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সাবেক স্পিকার প্রয়াত হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ও শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হকসহ ১৬ জন চলতি বছর সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন।

স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য আজ মঙ্গলবার বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ১৬ বিশিষ্ট নাগরিকের নাম ঘোষণা করেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব ড. আবু সালেহ মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত এ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৬ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১৮ প্রদানের জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনীত করা হয়েছে।

স্বাধীনতা ‍ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য এবার স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন মরহুম কাজী জাকির হাসান (মরণোত্তর), শহীদ বুদ্ধিজীবী এম এম এ রাশীদুল হাসান (মরণোত্তর), প্রয়াত শংকর গোবিন্দ চৌধুরী (মরণোত্তর), এয়ার ভাইস মার্শাল সুলতান মাহমুদ বীর উত্তম, মরহুম এম আব্দুর রহিম (মরণোত্তর), প্রয়াত ভূপতি ভূষণ চৌধুরী ওরফে মানিক চৌধুরী (মরণোত্তর), শহীদ লেফটেন্যান্ট মো. আনোয়ারুল আজিম (মরণোত্তর), মরহুম হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী (মরণোত্তর), শহীদ আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (মরণোত্তর), শহীদ মতিউর রহমান মল্লিক (মরণোত্তর), শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক (মরণোত্তর) ও আমজাদুল হক।

এ ছাড়া চিকিৎসাবিদ্যার জন্য অধ্যাপক ডা. এ কে এম ডি আহসান আলী, সমাজসেবায় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান, সাহিত্যে সেলিনা হোসেন এবং খাদ্য নিরাপত্তায় ড. মো. আব্দুল মজিদকে স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, আগামী ২৫ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দেবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্ট ও ওয়ানডে দুই ফরম্যাটে ৯০০ র‌্যাংকিং পয়েন্ট অতিক্রম করলেন ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ব্যাট হাতে দক্ষিণ আফ্রিকায় দুরন্ত পারফরম্যান্স করে মঙ্গলবার প্রকাশিত সর্বশেষ র‌্যাংকিংয়ে এই দুর্লভ কৃতিত্ব অর্জন করলেন তিনি।

দক্ষিণ আফ্রিকার এবি ডি ভিলিয়ার্সের পর দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্ট ও ওয়ানডে দুটোতেই ৯০০ পয়েন্ট অতিক্রম করেছেন কোহলি। ৯০৯ পয়েন্ট নিয়ে এখন ওয়ানডের শীর্ষ ব্যাটসম্যান তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ছয় ম্যাচের সিরিজ ৫-১ এ জিততে তিনটি সেঞ্চুরি হাঁকান কোহলি। ঝুলিতে পুরেছেন ৫৫৮ রান।

গত জানুয়ারিতে টেস্ট র‌্যাংকিংয়ের সর্বকালের সেরাদের তালিকায় ব্রায়ান লারাকে পেছনে ফেলেছিলেন কোহলি। এবার ওয়ানডেতেও ক্যারিবিয়ান গ্রেটকে টপকে গেলেন তিনি। একদিনের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ পয়েন্ট অর্জনকারীদের মধ্যে এখন সাত নম্বরে ভারতীয় ব্যাটসম্যান। ৯৩৫ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে ভিভিয়ান রিচার্ডস।

ভারতের সাবেক গ্রেট শচীন টেন্ডুলকারের চেয়ে কোহলি ২২ পয়েন্টে এগিয়ে। ১৯৯৮ সালের জানুয়ারি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ ৮৮৭ পয়েন্ট পেয়েছিলেন ‘লিটল মাস্টার’।

এদিকে বোলার র‌্যাংকিংয়ে আফগানিস্তানের লেগ স্পিনার রশীদ খান ও ভারতীয় পেসার জশপ্রীত বুমরাহ যৌথভাবে শীর্ষে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৪-১ এ ওয়ানডে সিরিজ জিততে ১৬ উইকেট নেন রশীদ এবং সর্বকনিষ্ঠ বোলার হিসেবে এক নম্বরে তিনি। তাছাড়া সিরিজের দুই ইনিংসে ৫১ রান ও শেষ ম্যাচে ৪৩ রান করে অলরাউন্ডারের তালিকায় শীর্ষ পাঁচে এসেছেন এ আফগান। সতীর্থ মোহাম্মদ নবির ঠিক পরে চতুর্থ শীর্ষ অলরাউন্ডার রশীদ। ব্যাটসম্যানদের তালিকায় ১১ ধাপ এগিয়ে ১১৪ নম্বরেও তিনি। বুমরাহ দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে ৮ উইকেট নিয়ে দুই ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে শীর্ষে উঠেছেন। ক্রিকইনফো

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘বসন্ত, তুমি এসেছ হেথায়, বুঝি হল পথ ভুল। এলে যদি তবে জীর্ণ শাখায়, একটি ফোটাও ফুল।’ স্লোগানে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহ ২০১৭’র সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে সমাপনী অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বিশ^াস সুদেব কুমারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, উপাধ্যক্ষ এসএম আফজাল হোসেন।
পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে ক্বেরাত, গীতা পাঠ, দেশাত্ববোধক গান, ভক্তিগীতি, কবিতা আবৃত্তি (বাংলা), জ্ঞান জিজ্ঞাসা, নজরুল ও রবীন্দ্র সংগীত, বিতর্ক (বাংলা ও ইংরেজি), আধুনিক গান, একক ও দলীয় অভিনয়সহ সকল ইভেন্টের বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহ-২০১৭ উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক মো. আমানউল্লাহ আল হাদী, উপাধ্যক্ষ প্রফেসর এসএম আফজাল হোসেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগীয় প্রধান আবুল কালাম আজাদ, অধ্যাপক জিয়াউর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক মহাদেব চন্দ্র সিংহ, অধ্যাপক আবু হাশেম, ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক শাহিনুর রহমান, ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ, রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক আবুল কালাম আযাদ, প্রভাষক মফিজুল ইসলাম, নিগার সুলতানা, মাহমুদা খাতুন, অরুণাংশ কুমার বিশ^াস প্রমুখ। পরে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন অতিথিবৃন্দ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন অধ্যাপক আনম গাওছার রেজা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন খালেদা জিয়া

দুর্নীতি মামলায় কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে খালেদার আইনজীবী দলের সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মঙ্গলবার হাই কোর্টের সংশ্লিট শাখায় এই আপিল জমা দেন।

নথিপত্রসহ ১২২৩ পৃষ্ঠার ওই আবেদনে ফাইলিং লইয়ার হিসেবে আবদুর রেজাক খানের নাম রয়েছে। সাজার রায়ের বিরুদ্ধে ২৫টি যুক্তি দেখিয়ে খালেদার জিয়ার খালাস চাওয়া হয়েছে ওই আবেদনে।

গতকাল সোমবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার রায়ের সার্টিফায়েড কপি হাতে পায় খালেদার আইনজীবীরা। এর পরই আজ আপিল করবেন বলে তারা জানিয়েছেন।

জানা গেছে, আপিল আবেদন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হতে পারে।

এর আগে রায়ের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে আপিল ও জামিন আবেদনের প্রস্তুতিতে দফায় দফায় বৈঠক করছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

এই বৈঠকে ছিলেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী, সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, দুদক আইন বিশেষজ্ঞ অ্যাডভোকেট আবদুর রেজাক খান, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন, সমিতির সম্পাদক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সানাউল্লাহ মিয়া, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, মাসুদ আহমেদ তালুকদার প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাচঁ বছর কারাদণ্ড দিয়ে রায় দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামান। রায়ের পরই তাকে ঢাকার পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুদ্ধ প্রশিক্ষণে সাপের রক্ত পান করে বেঁচে থাকে সৈন্যরা!

যুদ্ধ জয়ের প্রশিক্ষণে নানা রকম চ্যালেঞ্জ থাকে সৈন্যদের। কখনো ঘন জঙ্গলে শত্রুপক্ষের সঙ্গে লড়াইয়ে নামতে হয়। কখনো বা সম্মুখ সমরে। তবে যুদ্ধের আগে প্রশিক্ষণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তেমনি একটি প্রশিক্ষণের নাম ‘কোবরা গোল্ড’।

‘কোবরা গোল্ড’ হচ্ছে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৭টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত একটি প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা। প্রতিবছরই এর আয়োজন করে থাকে থাইল্যান্ড। বলা হয়ে থাকে যুক্তরাষ্ট্র অংশগ্রহণ করে এমন বড় সামরিক প্রশিক্ষণগুলোর মধ্যে এটি একটি। এতে অংশ নিয়ে টানা ১০ দিন নৌ সেনাদের গভীর জঙ্গলে কাটাতে হয়। এ সময় সাপের রক্ত পান ও মাংস খেয়ে বেঁচে থাকতে হয় তাদের।

যুক্তরাষ্ট্র ও থাইল্যান্ডের নৌবাহিনীর নেতৃত্বে ৩৭ বছর ধরে চলছে কোবরা গোল্ড যু্দ্ধ প্রশিক্ষণ। এটি নৌ সেনাদের সামরিক প্রশিক্ষণের একটি বড় অংশ।এবার এ প্রশিক্ষণ বসেছিল থাইল্যান্ডের চোনবুরি প্রদেশে। সেখানে নৌবাহিনীর সদস্যদের সাপের রক্ত ও মাংস খেতে দেখা গেছে।

এ ছাড়া ট্রেনিংয়ে মাকড়সা, কাঁকড়া বিচ্ছার শরীর থেকে কীভাবে বিষ বের করতে হয়, শেখানো হয় তাও। এমনকি কোন গাছ খাওয়া যায়, সেটিও খুঁজে বের করতে হয় সামরিক বাহিনীর সদস্যদের।এবার বিভিন্ন দেশের নৌবাহিনীর প্রায় ছয় হাজার ৮০০ সদস্য যোগ দিয়েছিলেন এই বিশেষ প্রশিক্ষণে।

প্রশিক্ষণ পরিচালক মেজর চাইওয়াত ল্যাডসিন বলেছেন, জঙ্গলের প্রতিকূল পরিবেশে কীভাবে বেঁচে থাকতে হয় তাই শেখানো হয় এই অনুশীলনে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest