শীতে কাঁপছে দেশ : কুড়িগ্রামে মারা গেছে ৬ জন

টানা শৈত্যপ্রবাহে স্থবির হয়ে পড়েছে সারা দেশ। আর উত্তরের জেলা হিসেবে কুড়িগ্রামে শীতের তীব্রতাও বেড়েছে বেশ ভালোভাবেই। সর্বশেষ রোববার বিকেলে আধুনিক সদর হাসপাতালে ঠান্ডায় একদিন বয়সী এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। তবে তার পরিচয় জানা যায়নি। এ নিয়ে ঠান্ডায় কুড়িগ্রামে মোট ৬ জনের মৃত্যু হলো।

এরমধ্যে রাজারহাট উপজেলায় মারা গেছেন ৩ জন। মৃতদের মধ্যে গত শুক্রবার সকালে নয়ন মনি ও বৃহস্পতিবার মীম সদর হাসপাতালে মারা যান। বাকি ৩ জনকে রাত ১০টা থেকে সাড়ে ১২টার মধ্যে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় বলে জানিয়েছেন কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. জাহাঙ্গির আলম।

রাজারহাট আবহাওয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছে, আজ সোমবার কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে ৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে নীলফামারীর সৈয়দপুরে ৩.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সকালে তীব্র ঠান্ডায় কাজে বের হতে পারছে না মানুষ। এছাড়াও বিকেল থেকেই তাপমাত্রা নিম্নগামী হওয়ায় সন্ধ্যার পরপরই ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে রাস্তা-ঘাট, হাট-বাজার ও দোকানপাট। খুব প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না মানুষ জন। গরম কাপড়ের অভাবে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে হতদরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষ। কাজে বের হতে না পারায় পরিবার পরিজন নিয়ে বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৫০ বছরের ইতিহাসে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২.৬ ডিগ্রি

হিমালয় থেকে নামছে হিমশীতল বায়ু। শীতের সঙ্গে ঘনকুয়াশায় হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহ মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিয়েছে। ৫০ বছর পর দেশে সর্বনিম্ন তাপামাত্রার নতুন রেকর্ড হয়েছে আজ।

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপামাত্রা ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। ১৯৬৮ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আমলে এই অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপামাত্রা ছিল ২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ৫০ বছরের ইতিহাসে আজকের তাপমাত্রা সর্বনিম্ন।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের সহকারী আবহাওয়াবিদ মিজানুর রহমান আজ সোমবার সকালে  এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিস্তারিত আসছে…

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মহেন্দ্র সিংহ ধোনি এবং দীপিকা পাড়ুকোনের সম্পর্ক নিয়ে অতীতে বহু কথা শোনা যেত। এমনকি একে অন্যের বেশ কাছাকাছি চলেও এসেছিলেন। সালটা ২০০৭। ফারাহ খান পরিচালিত ‘ওম শান্তি ওম’ সিনেমায় দীপিকার অভিনয় সকলেরই মন জিতে নিয়েছে। তার কিছুদিন আগেই ধোনির নেতৃত্বে প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত।

যখন দু’জনেই সাফল্যের প্রথম ধাপে পা দিয়ে ফেলছেন, তখনই তাদের পরস্পরের সঙ্গে আলাপ হয়। শোনা যায়, এর পর দু’জনে বেশ কয়েকবার ডেটিংও করেন। এমনটাও অনেকে বলেন, ধোনি দীপিকাকে বিয়ের জন্য প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। কিন্তু তখনই দীপিকা পাড়ুকোনের জীবনে নতুন ভূমিকা নিয়ে আসেন যুবরাজ সিংহ। শোনা যায়, এর পর থেকেই ধোনির সঙ্গে তার দূরত্ব বাড়তে থাকে। ২০০৭-এ জয়পুরে একটি ম্যাচ দেখতে মাঠে গিয়েছিলেন দীপিকা। সেখানেও যুবারজের জন্যই গলা ফাটান তিনি। সব মিলিয়েই ধীরে ধীরে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেন ধোনি। সেখানেই তাঁদের সম্পর্কের ইতি ঘটে। যদিও কখনও এ নিয়ে মুখ খোলেননি দীপিকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বার্সেলোনাকে জেতালেন মেসি

নতুন বছরে বার্সেলোনার প্রথম ম্যাচটি ছিল লিওনেল মেসির মাইলফলকে জায়গা করে নেওয়ার। ৪০০তম লিগ ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। রবিবার এই ম্যাচটি তিনি স্মরণীয় করে রাখলেন দলের প্রথম গোল করে ও শেষ গোলটি বানিয়ে দিয়ে। লেভান্তের বিপক্ষে ন্যু ক্যাম্পে লা লিগার এই লড়াইয়ে বার্সা জিতলো ৩-০ গোলে।

লেভান্তের বিপক্ষে গোলমুখ খুলতে বেশি সময় লাগেনি বার্সেলোনার। ১১ মিনিটে জোর্দি আলবার পাস থেকে প্রথম ভলিতে লক্ষ্যভেদ করেন মেসি। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের মধ্যে এক ক্লাবেই সবচেয়ে বেশি লিগ গোলের রেকর্ডে জার্ড মুলারকে স্পর্শ করেন তিনি ৩৬৫তম গোল করে।

দুই মিনিট পর তার ক্রস থেকে সুয়ারেস ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পেয়েও ব্যর্থ হন। গোলমুখের সামনে থেকে নেওয়া তার শট রুখে দেন লেভান্তে গোলরক্ষক ওয়ের। তার হাত ফসকে বল সামনে পেয়ে উসমান দেম্বেলে ক্ষিপ্র গতির শট নেন, এবার ঠেকান অতিথি ডিফেন্ডার লুনা। ২৪ মিনিটে আবারও লেভান্তে গোলরক্ষক লক্ষ্যভ্রষ্ট করেন বার্সার ফরাসি ফরোয়ার্ডকে। ফিরতি শটে সুয়ারেস ক্রসবারের উপর দিয়ে মারেন বল।

দুইবার সুযোগ নষ্ট হওয়ার পর বিরতির কিছুক্ষণ আগে স্বস্তির গোল পায় স্বাগতিকরা। ৩৮ মিনিটে হাভিয়ের মাসচেরানো মাঠমাঠ থেকে পাস দেন সার্জি রবার্তোকে। তার চতুর পাস থেকে ভলিতে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সুয়ারেস। ইভান রাকিতিচের ৪৪ মিনিটের শট গোলপোস্টের কয়েক ইঞ্চি দূর দিয়ে চলে গেলে ২-০ তে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে কাতালান জায়ান্টরা।

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে চমৎকার পারফরম্যান্সে লেভান্তেকে দুইবার ব্যর্থ করেন মার্ক আন্দ্রে টের স্টেগেন। জার্মান এ গোলরক্ষক ৪৮ মিনিটে ইভি লোপেজকে লক্ষ্যভেদ করতে দেননি। ২০ গজ দূর থেকে নেওয়া তার শট পাঠান মাঠের বাইরে। ৬৩ মিনিটে আরেকবার অতিথিদের হতাশ করেন টের স্টেগেন, মুরের মাটি কামড়ানো শট পা দিয়ে আটকান তিনি।

শেষ ৪৫ মিনিটে চোখে পড়ার মতো কোনও সুযোগ তৈরি করতে পারেনি বার্সা। ৭২ মিনিটে সুযোগ পেয়েছিলেন সুয়ারেস। উরুগুয়ান স্ট্রাইকারকে রুখে দেন ওয়ের। তবে ইনজুরি সময়ে মেসির পাস থেকে পাউলিনিয়োকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করতে পারেননি লেভান্তের গোলরক্ষক। তৃতীয় গোল করেন ব্রাজিলিয়ান তারকা।

এই জয়ে ১৮ ম্যাচে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকলো বার্সেলোনা। দুই নম্বরে থাকা অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের (৩৯) সঙ্গে ব্যবধানটা আবারও ৯ পয়েন্টে বাড়িয়ে নিলো এরনেস্তো ভালভার্দের দল। ইএসপিএনএফসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভয়াবহ তুষারধসে জম্মু কাশ্মীরে দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়েই যাচ্ছে। এতে এক শিশুসহ অন্তত ১১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে শনিবার কর্মকর্তাদের সূত্রে জানিয়েছে আনাদলু বার্তা সংস্থা।

উদ্ধার কর্মকর্তা ওয়াসিম আহমেদ বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় উদ্ধার কর্ম শেষ হয়। ১০ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া দুই বছর বয়সী একটি শিশুও ছিল।

আগের দিন শুক্রবারও একই ধরণের ঘটনা ঘটে কুপওয়ারা জেলার উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল তাংধারে। এতে ৭ বছর বয়েসী এক শিশুসহ তিন জনকেও উদ্ধার করা হয়।

এ ব্যাপারে ভারতের সীমান্ত সড়ক সংস্থার (বিআরও) একজন কর্মকর্তা জানান, কুপওয়ারা-তাংধার মহাসড়কের খুব বিপদজনক জায়গায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। তুষারের আঘাতে হতাহতদের গাড়ি খাদের নিচে ছিটকে পড়ে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তীব্র শীতে সুস্থতায় প্রয়োজন বাড়তি সতর্কতা

সাধারণত শীতকাল এলেই সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, জ্বরভাব ইত্যাদি দেখা দিয়ে থাকে। তাই শীতে প্রয়োজন বাড়তি সতর্কতার। অার ত্বকের যত্নে তো মোটেই হেলাফেলা করা যাবে না। চলুন তাহলে জেনে নিই শীতে করণীয় কিছু বিষয়-

১. শীত এলে ঠাণ্ডা লাগার উপসর্গ দেখা দেয়। এর ফলে গলা খুসখুস করে, নাক বন্ধ হয়ে থাকে, ঘুম নষ্ট হয়। এর সাথে জ্বর না হলে ঘরে বসে নিজের চিকিৎসা নিজেই করতে পারেন। এ সময় সবচেয়ে উপকারী হলো হালকা গরম পানি পান করা আর বিশ্রাম নেয়া।

২. এসময় ঠাণ্ডা লাগার ফলে নাক বন্ধ হয়ে যায়। এমনটা হলে একটা বড় পাত্রে ফুটন্ত পানি ঢেলে, তাতে মেন্থল দিয়ে তারপর মুখ নিচু করে এবং অবশ্যই খোলা রেখে সেই পানির ভাপ নিতে হবে কয়েক মিনিট। পুরো ভাপটি যাতে ঠিকমতো পাওয়া যায়, সেজন্য বড় একটি তোয়ালে দিয়ে মাথা ঢেকে নিতে হবে। দিনে কয়েকবার এভাবে ভাপ নিতে হবে।

৩. সর্দি, কাশি বা সামান্য গলাব্যথা এমন কোনো বড় সমস্যা নয়। তবে একবার ঠাণ্ডা লাগলে, তা সারতে অন্তত এক সপ্তাহ লাগবেই। কাশির জন্য সকালে ১ চামচ আদার রসের তুলনা নেই, তবে সামান্য মধু বা চিনি মিশিয়ে নেবেন।

৪. ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণু সংক্রমণ থেকে নিজেকে দূরে রাখতে এবং শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত ফল এবং সবজি খাওয়া উচিত। শরীরের জন্য প্রয়োজন ভিটামিন সি, ই, জিঙ্ক। ফল এবং সবজি তা পূরণ করতে পারে।

৫. ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ামুক্ত থাকতে নিয়মিত লিকুইড হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত ধুতে হবে। বাচ্চাদেরও নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। এর জন্য আলাদাভাবে নতুন কিছুর প্রয়োজন নেই। বাজারে উন্নতমানের যে লিকুইড হ্যান্ডওয়াশ রয়েছে তা ব্যবহার করলেই হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতের স্বঘোষিত ধর্মগুরু বীরেন্দ্র দেব দীক্ষিতের রাজস্থানের আশ্রম থেকে ৭০ জনেরও বেশি যুবতীকে উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার এই কথা জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর দিল্লি ও উত্তরপ্রদেশের একাধিক আশ্রমে অভিযান চালিয়ে পুলিশ স্বঘোষিত ধর্মগুরু বীরেন্দ্রর বেশ কয়েকটি আশ্রম থেকে ৪৭ জন নারী ও ৬ জন নাবালিকাকে উদ্ধার করে।

বীরেন্দ্রর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও বলপূর্বক নারীদের আটকে রাখার অভিযোগে মামলা রুজু করেছে সিবিআই। এরপরই ভারত জুড়ে ওই ধর্মগুরুর ছড়িয়ে থাকা বিশাল নারী পাচার নেটওয়ার্কের শিকড়ের খোঁজে নামে পুলিশ। শনিবার রাজস্থানের সিরোহি জেলার আবু রোডে এরকমই এক আশ্রমে হানা দেন পুলিশ ও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দলের সদস্যরা। সেখানে হানা দিয়ে পুলিশকর্তাদের চক্ষু চড়কগাছ। আশ্রমের ভিতর অন্তত ৭২ জন যুবতী দিব্যি রয়েছেন। আধ্যাত্মিক কাজকর্মের জন্যই স্বেচ্ছায় আশ্রমে রয়েছেন তারা, দাবি ওই যুবতীদের। কেউই বাড়ি ফিরতে চান না। বরং পুলিশকে চলে যেতে বলেন। আবু রোড পুলিশ স্টেশনের স্টেশন হাউস অফিসার মিঠু লাল পিটিআইকে জানিয়েছেন, তাঁরা কিছুতেই বুঝতে পারছেন না কোন জাদুবলে ওই মহিলারা মুখ খুলছেন না। তাদের কোন মাদক দেওয়া হয় কি না সেটাও পুলিশ দেখছে। আশ্রমের ভারপ্রাপ্তদের কাছে ওই মহিলাদের পরিচয়পত্র চাওয়া হলেও মেলেনি। পুরোটাই পুলিশের কাছে সন্দেহজনক ঠেকছে।

গতবছরের ডিসেম্বর মাসে রাম রহিমের মতোই বীরেন্দ্রর কীর্তি প্রকাশ্যে আসে। একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার দায়ের করা জনস্বার্থ মামলায় উঠে আসে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। দেখা যায়, দিল্লি ও উত্তরপ্রদেশে বীরেন্দ্রর বহু আশ্রমেই কিশোরী ও যুবতীদের বলপূর্বক আটকে রেখে যৌনদাসী বানিয়ে রাখা হয়। অন্যের শয্যায় পাঠানো হত। মহিলাদের দেহব্যবসায় নামিয়ে ওই অভিযুক্ত ধর্মগুরু প্রচুর অর্থ উপার্জন করেছে। শুরুর দিকে তার মতলব কেউ বুঝতে পারত না। নিজেকে ধর্মগুরু বলেই পরিচয় দিত সে। আধ্যাত্মিক বিশ্ববিদ্যালয় নামে আশ্রম খুলে সাধারণ মানুষকে আশ্রমের দিকে টেনে আনত সে। বহু অভিভাবকই তাঁদের কন্যাদের এই আশ্রমে রেখে আসতেন। ছুটির সময় ধর্মশিক্ষা পাবে মেয়েরা, এমনটাই প্রত্যাশা ছিল অভিভাবকদের। কিন্তু সেই ফাঁদ পেতেই নাবালিকাদের ভোগ করত ওই স্বঘোষিত ধর্মগুরু। অভিযোগ, স্ট্যাম্প পেপারে সে লিখিয়ে নিত যে নাবালিকারা স্বেচ্ছায় আশ্রমে এসেছে। কেউ তাদের কোন রকম জোর করেনি। এরপরই কুকর্মে লাগানো হত তাদের। অনুগামীদের মেয়েদের আশ্রমে যোগ দেওয়ার ব্যাপারেও জোর খাটাত ওই বাবা। তারপর চলত অবাধে যৌনাচার। এক ভক্ত জানাচ্ছেন, নগ্ন হয়ে শুয়ে পড়ত বাবা। তারপর নাবালিকাদের তার শরীরে তেল মালিশ করার নির্দেশ দেওয়া হত। এখন প্রশ্ন উঠছে, এত অত্যাচার হলেও কেন আশ্রম ছাড়তে চাইছেন না নারীরা? দেশটির পুলিশ ও সিবিআই পুরো ঘটনার তদন্ত করে দেখছে বলে জানা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পিএন হাইস্কুলের ৬৮’ ব্যাচের ছাত্রদের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘সকলে আমরা সকলের তরে, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে’ শ্লোগানে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী প্রাণনাথ হাইস্কুলের ১৯৬৮ ব্যাচের উত্তীর্ণ ছাত্রদের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। রোববার বিকালে পল্লী মঙ্গল স্কুল এ্যান্ড কলেজ চত্বরে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দীন।
সাবেক যুগ্ম-প্রধান ও ১৯৬৮- উত্তীর্ণ ব্যাচের ছাত্র মোঃ ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, প্রফেসর আব্দুল হামিদ, সাতক্ষীরা পিএন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মাজেদ, পল্লী মঙ্গল স্কুল এ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলাম, ডা: সুশান্ত মন্ডল, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার সম্পাদক ও প্রকাশক মহসীন হোসেন বাবলু, এড. আবুল কালাম আজাদ।
সাবেক উপ-সচিব আব্দুল হামিদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে ১৯৬৮ উত্তীর্ণ ব্যাচের ছাত্রদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ডা: প্রশান্ত কুমার কু-ু, এড. অরুন ব্যানার্জী, জামসেদ উদ্দিন, এড.আখতারুল হক, প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ, শেখ আব্দুস সেলিম, চন্ডিদাস, খলিলুল আল গালিব প্রমুখ। এসময় প্রধান অতিথি ১৯৬৮ ব্যাচের ছাত্রদের এধরনের উদ্যোগেকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এ ব্যাচের ছাত্রদের মধ্যে অনেকেই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। যেসময় তাদের উচ্চ শিক্ষার জন্য ভাবার কথা সেসময় তারা দেশের জন্য ভেবেছেন। এরপর তারা আবার সমাজসেবায় অবদান রাখছেন। এটি অবশ্যই ভালো উদ্যোগে। আমাদের প্রত্যেককেই অসহায়দের জন্য কিছু করা উচিত। প্রচ- শীতে যারা কষ্ট পাচ্ছে তাদের সহযোগিতায় সকলকে এভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest