সর্বশেষ সংবাদ-
জংধরা ও ভাঙা ফ্লোরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার : সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমেআশাশুনির খাজরা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাচ্চুকে অপসারন ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরায় কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তিপ্রদান ও পুরস্কার বিতরণীসাতক্ষীরায় কলেজের অধ্যক্ষকে পিটিয়ে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের পর উল্টো বিভিন্ন অনলাইনে অপপ্রচারInstant casino’s bieden meer dan alleen snelheid: een diepgaande analysePianificazione Strategica del Cool‑Off nel Gioco d’Azzardo Online – Come Trasformare le Pause in Strumenti di Benessereการเลือกเกมที่ตอบโจทย์สไตล์การเล่นของคุณใน playbet casinoIl nuovo paradigma dei leader di piattaforma nel casinò digitale 2024: un’analisi quantitativa estivaL’arte della persuasione nei giochi di slot: come le piattaforme leader sfruttano la psicologia del giocatoreLes jeux de casino incontournables à essayer absolument sur GTBet

সাতক্ষীরার জজশীপ ও ম্যাজিষ্ট্রেসিতে ৫০ হাজার মামলার জট : বিচারক সংকটে ভোগান্তির শিকার বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষ

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার জজশীপ ও ম্যাজিষ্টেসিতে ৫০ হাজার মামলার জট লেগে আছে। বিচারক সংকটের কারনে এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হচ্ছেনা। জেলা জজশীপে ১৪ জন বিচারকের স্থলে আছেন ৯ জন এবং ম্যাজিষ্ট্রেসিতে ৯ জন বিচারকের স্থলে আছেন মাত্র ৪ জন বিচারক। ফলে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাতক্ষীরার বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরা জজশীপে বিচারাধীন মামলা রয়েছে ৮ হাজার ৬৪০টি। এর মধ্যে দায়রা মামলা ৩ হাজার ১৮২টি, এস, টি, সি মামলা ২ হাজার ৮৮৪টি, বিশেষ মামলা ৩৫টি, ফৌজদারী আপিল মামলা ১ হাজার ১১টি, ফৌজদারী রিভিশন মামলা ১ হাজার ২৭৪টি, ফৌজদারি বিবিধ মামলা ১৬৮টি, এসিড অপরাধ মামলা ২৫টি, জননিরাপত্তা মামলা ২টি, সন্ত্রাস মামলা ২টি এবং শিশু মামলা রয়েছে ৫৭টি।
এছাড়া সিভিল মামলা রয়েছে ২৫ হাজার ৩৪টি। এর মধ্যে আপীল মামালা ১ হাজার ২৫০টি, স্বত্ব/ অন্যপ্রকার মামলা (দেওয়ানী) ৭ হাজার ৬৯৯টি, টাকার মামলা ১৬৫টি, এস,সি,সি মামলা ৮টি, পারিবারিক মামলা ৭৮৫টি, নির্বাচনী মামলা ১৭টি, মিস কেস ১ হাজার ১৪৬টি, জারী মামলা ৯২২টি, সিভিল রিভিশন মামলা ২৯৩টি, অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ মামলা ৫ হাজার ৫৮টি এবং ল্যা- সার্ভে ট্রাইব্যুনাল মামলা রয়েছে ৭ হাজার ৬৯১টি।
অপরদিকে, সাতক্ষীরা ম্যাজিষ্ট্রেসিতে বিচারাধীন মামলা রয়েছে ১৩ হাজার ৭৮৫টি এবং সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলা রয়েছে ২ হাজার ৮৪৫টি। দীর্ঘ প্রায় ১০ মাস বিচারক শুন্যতার পর চলতি জানুয়রী মাসে এ ট্রাইব্যুনালে যোগদান করেছেন হোসনে আরা আক্তার নামে একজন বিচারক। ফলে দীর্ঘদিন পর হলেও বিচার পেতে শুরু করেছে সাতক্ষীরার নারী ও শিশু আদালতের বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষ।
সূত্রটি আরও জানায়, সাতক্ষীরা জজশীপে ১৪ জন বিচারকের স্থলে আছেন ৯ জন। শুন্য রয়েছে ৫টি পদ। এগুলি হচ্ছে, সদর. আশাশুনি, শ্যামনগর ও দেবহাটা সহকারী জজ এবং সহকারি জজের অতিরিক্ত আরও ১টি পদ। এছাড়া ম্যাজিষ্ট্রেসিতে ৯ জন বিচারকের স্থলে আছেন মাত্র ৪ জন বিচারক। এখানেও শুন্য রয়েছে ৫টি পদ। এগুলি হচ্ছে, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ২জন এবং জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ৩জন। ফলে একদিকে যেমন মামলা জট লেগে আছে অপর দিকে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাতক্ষীরার বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জনগণের অভিযোগ জানতে পুলিশ বক্স স্থাপন করলেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় সর্বসাধারনের অভিযোগ ও তাদের কথা জানাতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান গুলোতে পুলিশ বক্স বসিয়ে এক ব্যতিক্রম ধর্মী উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। রোববার বেলা ১১ টায় সাতক্ষীরার নবাগত পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান এ অভিযোগ বক্স বসানোর উদ্বোধন করেন। প্রাথমিক পর্যায়ে শহরের ৬ টি স্থানে এ অভিযোগ বক্স বসানো হয়েছে। স্থান গুলো হল, শহরের খুলনা রোড মোড়, সদর হাসপাতাল মোড়, নিউমার্কেট মোড়, সঙ্গীতা সিনেমাহল মোড়, ইটাগাছা হাটের মোড় ও পিএন স্কুল মোড়।
পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান এ সময় বলেন, যে সকল মানুষ পুলিশের কাছে যেতে ভয় পায় বা নিজের পরিচয় গোপন রাখার ভয়ে পুলিশের কাছে গিয়ে তাদের অভিযোগ জানাতে পারেন না তাদের জন্য এই অভিযোগ বক্স বসানো হয়েছে। প্রতিদিন এখান থেকে প্রাপ্ত অভিযোগ নিয়ে যাচাই বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সর্বসাধারণের অভিযোগ ও তাদের কথা জানতে এ উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে বলে তিনি আারো জানান। সার্বক্ষনিক জেলা পুলিশ এ বিষয়টি মনিটরিং করবে।
এ সময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে.এম আরিফুর রহমান, পুলিশের বিশেষ শাখার উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান, ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী আহম্মেদ হাশেমীসহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আছে তাই শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে —   আসাদুজ্জামান বাবু

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘শিক্ষা নিয়ে গড়বো দেশ শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, শিক্ষিত নারী শিক্ষিত জাতি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের বার্ষিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং অন্তঃ কক্ষ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকালে কলেজের হলরুমে সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুল খালেক’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু। এসময় তিনি বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আছে তাই শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা গ্রহণের পাশা পাশি সামাজিক শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে এবং শিক্ষক ও গুণীজনদের সম্মান দিতে হবে। তাহলে একটি সুন্দর সমাজ ও জাতি গঠন করা সম্ভব হবে। বই আমাদের বন্ধুর মত। শিক্ষার্থীদেরকে বেশি বেশি বই পড়তে হবে। লেখা পড়ার পাশা পাশি ক্রীড়া ও সংস্কৃতির চর্চা করতে হবে।’
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইয়াহিয়া মোল্যা, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষক পর্ষদ সম্পাদক ও সহযোগি অধ্যাপক মো. শফিকুর রহমান, বার্ষিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা কমিটির আহবায়ক সহকারি অধ্যাপক মো. সিরাজুল ইসলাম, বার্ষিক অন্তঃ কক্ষ ক্রীড়া কমিটির আহবায়ক সহকারি অধ্যাপক আয়শা সিদ্দিকা প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন প্রভাষক সৌরভ রায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অমর একুশে বইমেলা নিয়ে গাইলেন দেবলীনা

অমর একুশে বইমেলা নিয়ে বাংলাদেশে এই প্রথম পূর্ণাঙ্গ গান বের হচ্ছে। ‘গানওয়ালা’র ব্যানারে নির্মাণ হচ্ছে এ গানটি। গেয়েছেন সংগীতশিল্পী দেবলীনা সুর। দ্বৈত কণ্ঠ দিয়েছেন রণজয় ভট্টাচার্য (ভারত)। পাশাপাশি রণজয় ভট্টাচার্য গানটির সুর ও সংগীত আয়োজন করেছেন। কথা লিখেছেন সুমন সাহা।

গানের কথাগুলো সাজানো হয়েছে- ‘আবার এলো ওই প্রাণের মেলা/তোমার আমার ভালোবাসার মেলা/ নতুন পুরনো সব বই এর মেলা
প্রাণের মেলা, একুশে বই মেলা/কথা দিয়ে।

কলকাতার ছেলে রণজয় কাজ করেন মুম্বাই মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে। দেবলীনা সুরের আগামী রবীন্দ্র সংগীত অ্যালবামের কাজ করছেন তিনি। সেই কাজ নিয়ে নিয়মিত কথা হয় দেবলীনা সুর ও সুমন সাহার সঙ্গে।

কথার প্রসঙ্গে বইমেলা নিয়ে এমন একটি গানের ব্যাপারে দুই শিল্পীর আগ্রহ দেখে বইমেলা নিয়ে গানটি লেখেন সুমন সাহা। ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে গানের কণ্ঠ দেয়ার কাজ। চলছে সংগীত আয়োজনের বাকি কাজগুলো- জানালেন দেবলীনা।

আগামী সপ্তাহে ’গানওয়ালা’র ইউটিউব চ্যানেলে গানটি প্রকাশ পাবে। বাংলাদেশে বইমেলা নিয়ে যেহেতু এটাই প্রথম পূর্ণাঙ্গ গান তাই এ গানটি হয়ে উঠুক একুশে বইমেলার থিম সং এমনটাই ভাবছে গানের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘গানওয়াল’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘হেট স্টোরি-৪’এর ট্রেলারে উর্বশী ঝড় !

বলিউডের ইরোটিক থ্রিলার সিনেমা নির্মাতা ফ্রাঞ্চাইজি হেট স্টোরি। এবার সিনেমাটি চতুর্থ সিক্যুয়েলের ট্রেলার সামনে এলো। ‘দিস ইজ নট আ লাভ স্টোরি, ইট ইজ আ হেট স্টোরি’- এমনই বক্তব্য নিয়ে মুক্তি দেওয়া হয়েছে ‘হেট স্টোরি ৪’-এর অফিসিয়াল ট্রেলার।

ছবিটির প্রধান চরিত্রে এবার দেখা যাবে উর্বশী রাউটেলাকে। বিশাল পান্ডের পরিচালনায় এতে আরো আছেন টিভি তারকা করণ ওয়াহি আর ভিভান ভাথেনা।

প্রেম, যৌনতা আর শিহরণের এক মিশেল হেট স্টোরি। যাঁরা হেট স্টোরির নিয়মিত দর্শক তাদের জন্য এই সিক্যুয়েলটি আরো উত্তেজক হবে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।

আগের পর্বগুলোর মতো এই পর্বও দর্শকদের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে বলে জানিয়েছেন পরিচালক। এবারও মাত করবেন উর্বশী। বক্স অফিস হিটের সাথে সাথে ছবিটিতে উর্বশী সবার নজর কাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। ৯ মার্চ প্রেক্ষাগৃহে আসছে ছবিটি। গত ২৬ জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছে ছবিটির অফিসিয়াল ট্রেলার।

https://www.youtube.com/watch?time_continue=50&v=gF4_jvJUBQY

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্রিকেটের নতুন ‘চোকার্স’ বাংলাদেশ?

ক্রিকেটে ‘চোকার্স’ শব্দটার পরিচিতি মূলত দক্ষিণ আফ্রিকাকে দিয়ে। বছরজুড়ে ভালো ক্রিকেট খেলছে, ফেবারিট হিসেবে যে কোনো টুর্নামেন্টে যাচ্ছে; কিন্তু ট্রফি জেতা হচ্ছে না। এটা যেন অদৃশ্য এক অভিশাপ হয়ে আছে প্রোটিয়াদের। এবার কি এই শব্দটির সঙ্গে নাম জুড়ে যাচ্ছে বাংলাদেশেরও?

এমনিতে বাংলাদেশ এতটা দিন ছোট দলই ছিল। ধীরে ধীরে বড় দলের তকমাটা গায়ে লাগছে, বড় টুর্নামেন্টে মোটামুটি ভালো করাও শুরু করেছে টাইগাররা। বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল বলুন কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনাল, অতীতে এমন সাফল্য পায়নি দলটি।

এখন সাফল্য পাচ্ছে, কিন্তু পূর্ণতাটা পাচ্ছে না। যে কোনো টুর্নামেন্টে অনেকটা দূর চলে যাচ্ছে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ফিরছে স্বপ্নভঙ্গের বেদনা নিয়ে। দুটি এশিয়া কাপ, দুটি ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালেও সেই একই গল্প; ট্রফিটা এত কাছে তবু যেন দূরে।

এবার ত্রিদেশীয় সিরিজের শুরুটা ফেবারিটের মতই করেছিল বাংলাদেশ। সবার মনে একটাই আশা, এবার আক্ষেপ ফুরোবে। প্রথম তিন ম্যাচে দাপুটে জয়ের পর স্বপ্নটা যেন বাস্তব রূপ নিতে যাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সেই একই পরিণতি। হতে হতেও হলো না।

লঙ্কানদের কাছে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল হারের পর স্বভাবতই একটি প্রশ্ন উঠল জোরোসোরে, বাংলাদেশ কি তবে ক্রিকেটের নতুন ‘চোকার্স’? যারা যুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়ন করে!

ফাইনাল হারের পর ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফির দিকেও ছুটে গেল এই প্রশ্নটা। মাশরাফি অবশ্য দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দলের সঙ্গে নিজেদের মেলাতেই নারাজ।

টাইগার দলপতি মনে করছেন, ওই তুলনায় আসতে আরও অনেক দূর যেতে হবে দলকে, ‘আমি ভাগ্যে কিছুটা বিশ্বাস করি। আমি ওটা বলবো না। দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দল হওয়ার পর হয়তো বলা যাবে, আমরা চোক করছি কি না। দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে বাংলাদেশকে মেলানো যুক্তিসঙ্গত নয়। আমাদের ওই লেভেলে আগে যেতে হবে। ওরা সব সময় র্যাংকিংয়ে ১, ২ কিংবা ৩ নাম্বারে থাকে। তাদের লেভেলে গিয়ে এটা বলা ঠিক হবে।’

দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে তুলনায় আসার মতো দল হয়তো এখনও হয়ে ওঠেনি, তবে যুদ্ধের ময়দান থেকে পালিয়ে যাওয়ার একটা প্রবণতা কিন্তু বাংলাদেশের মধ্যে নিয়মিতই দেখা যাচ্ছে!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিমগাছের ঔষধি গুণ

নিমগাছের ঔষধি গুণের তুলনা নেই। স্বাস্থ্যরক্ষায় নিম গাছের বিভিন্ন অংশকে ব্যবহার করতে পারেন।

ম্যালেরিয়া : নিম পাতার নির্যাস ব্যবহারে ম্যালেরিয়া প্রশমিত হয়। পানি বা এলকোহল মিশ্রিত নিম পাতার নির্যাস ব্যবহারে একই ধরনের ফল পাওয়া যায়।

মানসিক চাপ ও অশান্তি : অল্প পরিমাণ নিম পাতার নির্যাস খেলে মানসিক চাপ ও মানসিক অশান্তি কমে যায়।

এইডস : নিম গাছের বাকল হতে আহরিত নির্যাস এইডস ভাইরাসকে মারতে সক্ষম। নিম পাতার নির্যাস অথবা পুরু পাতা অথবা নিম পাতার চা পান করলে এইডস উপশম হয়।

আলসার : নিম পাতার নির্যাস ও নিম বীজ হতে নিম্বিডিন নির্যাস খেলে পেপটিক ও ডিওডেনাল আলসার উপশম হয়।

ব্রণ : নিম পাতা পিষ্ট করে মধুর সাথে মিশিয়ে প্রলেপ দিলে ব্রণ সেরে যায়।

জন্ডিস : ২৫-৩০ ফোঁটা নিম পাতার রস একটু মধুর সাথে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে জন্ডিস আরোগ্য হয়।

বহুমূত্র রোগ : প্রতিদিন ১ টেবিল চামচ নিম পতার রস সকালে খালি পেটে ৩ মাস খেলে ডায়বেটিস আরগ্য হয়। প্রতিদিন সকালে ১০টি নিম পাতা গুড়া বা চিবিয়ে সেবন করলে ডায়বেটিস ভাল হয়। নিম পাতার রস খেলে ৩০-৭০% ইনসুলিন নেয়ার প্রবণতা কমে যায়।

বসন্ত : কাঁচা হলুদের সাথে নিম পাতা বেটে বসন্তের গুটিতে দিলে গুটি দ্রুত শুকিয়ে যায়।

রাতকানা : নিম ফুল ভাজা খেলে রাতকানা উপশম হয়।

চোখের ব্যথা : নিম পাতা সামান্য শুস্ক আদা ও সৈন্ধব লবণ একত্রে পেষণ করে সামান্য গরম করে একটি পরিস্কার পাতলা কাপড়ে লাগিয়ে তা দ্বারা চোখ ঢেকে দিলে চোখের স্ফীতি ও ব্যথা সেরে যায়।

লাল মেহরোগ : নিম মূলের ছালের রস ও কাঁচা দুধ মিশিয়ে কিছুদিন খেলে লাল মেহরোগ উপশম হয়।

মাথাধরা : নিম তেল মাখলে মাথা ধরা কমে যায়।

ক্যান্সার : নিম তেল, বাকল ও পাতার নির্যাস ব্যবহারে ক্যান্সার-টিউমার, স্কীন ক্যান্সার প্রভৃতি ভাল হয়।

উকুন : নিমের ফুল বেটে মাথায় মাখলে উকুন মরে যায়।

হৃদরোগ : নিম পাতার নির্যাস খেলে হৃদরোগে উপকার পাওয়া যায়। নিম নির্যাস ব্লাড প্রেসার ও ক্লোরেস্টোরল কমায়। রক্ত পাতলা করে, হার্টবিট কমায়।

কৃমি নিরসন : ৩-৪গ্রাম নিম ছাল চূর্ণ সামান্য পরিমাণ সৈন্ধব লবণসহ সকালে খালি পেটে সেবন করে গেলে কৃমির উপদ্রব হতে রক্ষা পাওয়া যায়। নিয়মিত এক সপ্তাহ সেবন করে যেতে হব। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ১-২ গ্রাম মাত্রায় সেব্য।

রক্ত পরিস্কার ও চর্ম রোগ : কাঁচা নিম পাতা ১০ গ্রাম ২ কাপ পানিতে জ্বাল করে ১ (এক) কাপ অবশিষ্ট থাকতে ছেঁকে নিয়ে প্রয়োজন মতো চিনি মিশিযে সেব্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মনোনয়ন টেনশনে শত এমপি

অনলাইন ডেস্ক: ‘এমপিদের যেসব উন্নয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, আর কী উন্নয়ন হয়েছে, তার হিসাব নেওয়া হবে। সবার আমলনামা আমার হাতে। বর্তমান এমপিরাই আবার মনোনয়ন পাচ্ছেন— এটা ভেবে ঘরে বসে থাকলে ভুল হবে। যোগ্যতার ভিত্তিতেই মিলবে দলীয় মনোনয়ন।’ দলীয় এমপিদের প্রতি এই হুঁশিয়ারি আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।

আর দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বার্তা এমপিদের প্রতি, ‘যারা পিয়ন, কনস্টেবল নিয়োগ ও মানুষের কাজ করে দেওয়ার নামে ঘুষ খান আর চাঁদাবাজদের প্রশ্রয় দেন— তাদের দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হবে না।’ শীর্ষ দুই নেতার বক্তব্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে টেনশনে রয়েছেন আওয়ামী লীগের শতাধিক এমপি।

সূত্রমতে, আগামী নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ে কঠোর অবস্থানে থাকবে আওয়ামী লীগ। প্রার্থীর জনপ্রিয়তা, এলাকায় অবস্থান, স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সম্পর্কসহ দল নির্ধারিত আরও বেশ কিছু মানদণ্ড অনুসরণ করেই দেওয়া হবে মনোনয়ন। দলের নেতারা জানান, আগামী সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে। তাই প্রার্থী বাছাইয়ের বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে জনবিচ্ছিন্ন, বিশেষ করে নিজ এলাকায় দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করা এমপিদের এবার কোনোমতেই ছাড় দেবেন না প্রধানমন্ত্রী। বাদের তালিকায় থাকবেন তারা।

সম্প্রতি গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের এমপিদের হুঁশিয়ার করে বলেন, ‘এমপিদের মধ্যে কারা কী কাজ করছেন, তার সব প্রতিবেদন আমার কাছে রয়েছে। সবাইকে যোগ্যতার ভিত্তিতেই মনোনয়ন দেওয়া হবে।’ আর কয়েক দিন আগে ঠাকুরগাঁওয়ে দলের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ এবং কর্মিসভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যারা চাঁদাবাজদের প্রশ্রয় দেন, যাদের ভাই-ভাতিজা চাঁদাবাজি করে তারা মনোনয়ন পাবেন না। প্রধানমন্ত্রীর হাতে তাদের আমলনামা জমা হচ্ছে।’

জানা যায়, দলীয় বিভিন্ন মাধ্যমে এলাকায় এমপিদের অবস্থান ও গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছে দলের শীর্ষ পর্যায়। এসব প্রতিবেদনে বেশ কিছু এমপির দুর্নীতি, তাদের পরিবারের সদস্যদের নেতিবাচক কর্মকাণ্ড, তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব, বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া ও দলের শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিষয়ে নানা তথ্য উঠে এসেছে। টানা দুই মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার সুবাধে এবং কোনো শক্তিশালী বিরোধী দল মাঠে না থাকায় বর্তমানে অনেকটাই বেপরোয়া আওয়ামী লীগের এমপিরা।

নির্বাচনী এলাকাগুলোতে নিজেদের একটি বলয় গড়ে তুলেছেন- এমন অভিযোগ রয়েছে তৃণমূলের ত্যাগী নেতাদের। এ ছাড়া বেশ কয়েকটি জেলা-উপজেলায় চলছে ‘এমপি লীগ বনাম আওয়ামী লীগের’ বিরোধ। দলীয় পুরনো ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে বিভিন্ন দল থেকে আসা নবাগতদের নিয়ে গ্রুপ গঠন করেছেন এমপিরা। অনেক এমপি কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে ত্যাগী নেতাদের পরিবর্তে বিএনপির কর্মীদের পদ দিয়েছেন। রাতারাতি পদ পাওয়া এসব সুযোগসন্ধানী এলাকায় চাঁদাবাজি-মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে দলের বদনাম করছেন।

একইভাবে ধীরে ধীরে সংগঠন আওয়ামী লীগ বিরোধীদের হাতে চলে যাচ্ছে। বেশিরভাগ এলাকায় দলের পুরনো নেতাদের দল থেকে ছিটকে পড়তে হয়েছে। অনেক এমপির বিরুদ্ধে পুলিশের কনস্টেবল থেকে শুরু করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দফতরি নিয়োগে পর্যন্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আছে। নির্বাচনী এলাকার পুলিশ-প্রশাসন চলে এমপিদের নির্দেশে। এমপিদের সঙ্গে বিরোধ থাকলে ওই এলাকায় অন্য কারও আওয়ামী লীগের রাজনীতি করা কঠিন। মামলা দিয়ে হামলা করে কোণঠাসা করা হয়েছে এমপিবিরোধীদের।

কোনো কোনো এমপির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে খোঁজখবর নিয়েছেন। এ তালিকায় রয়েছেন দলের শতাধিক এমপি। বেশ কিছু জেলার দলীয় এমপিদের বিষয়ে খোঁজ নিয়েছেন দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদের অনেকের মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা খুব ক্ষীণ।

আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা জানান, নির্বাচনী ফসল ঘরে তুলতে যা যা করণীয় তা-ই করা হবে। আগামী প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের জন্য প্রার্থী বাছাইকেই গুরুত্ব দেবে আওয়ামী লীগ। এ কারণে আসনভিত্তিক শক্তিশালী প্রার্থী আগেভাগেই ঠিক করতে চায় দলটি। তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে আরও পরে। এখন প্রতিটি আসনেই একাধিক বিকল্প প্রার্থী ভেবে রেখেছে দল।

আওয়ামী লীগ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানায়, প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় বর্তমান এমপিদের ভালো কাজ আর মন্দ কাজের একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকায় দলীয় অবস্থান, মনোনয়ন লাভে ইচ্ছুকদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি, এলাকায় তাদের ভাবমূর্তিসহ তাদের ইতি এবং নেতিবাচক দিকগুলো থাকবে।

বর্তমান সংসদে আওয়ামী লীগের এমপি রয়েছেন ২৩৪ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ২১৬ এবং নারী ১৮ জন। শতাধিক এমপির অবস্থা ভালো থাকলেও অন্যদের কেউ জনবিচ্ছিন্ন, কেউ আত্মীয়করণে জড়িত, কেউ দুর্নীতিবাজ, কেউ টিআর-কাবিখার অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। আবার কেউ চাকরি দেওয়ার নাম করে গরিব চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে অর্থ লুটে নিয়েছেন। অনেকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদক ব্যবসা এবং দখল বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। দলের মনোনয়ন নিয়ে এসব এমপি টেনশনে রয়েছেন।
সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest