সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে দুই দিনব্যাপী পিঠা উৎসবের উদ্বোধনদেবহাটার বিস্তীর্ণ মাঠে এখন সরিষা ফুলের হলুদের সমারোহসাতক্ষীরায় ৪ সংসদীয় আসনের ১০ জনের মনোনয়নপত্র বাতিলসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচনদেবহাটায় পুলিশ সদস্যের অবসরজনিত বিদায়ী সংবর্ধনাদেবহাটায় এক যুবককে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতনসাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে কবির হোসেনের যোগদাননূরনগর ইউনিয়নবাসীর জন্য সমাজসেবক লিটনের ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুসারসা বাহরুল উলুম মাদ্রাসার বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ  মৃত্যুঞ্জয় কুমার ও আবু তাহেরের নেতৃত্বে প্রথম আলো সাতক্ষীরা বন্ধুসভার কমিটি ঘোষণা

রায় ও ভাঙন আতঙ্কে বিএনপি

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মামলার রায় ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির ভিতরে চলছে নানামুখী আলোচনা। শুধু তাই নয়, এক ধরনের আতঙ্কও তৈরি হয়েছে। যদিও দলীয় নেতারা বলছেন, আতঙ্কের কিছু নেই। যে কোনো মূল্যে দলীয় ঐক্য ধরে রাখা হবে। চেয়ারপারসনের সাজা হলে সরকারবিরোধী একক আন্দোলনে যাবে বিএনপি। কোথাও কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। যারা দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে তারা চিরতরে হারিয়ে যাবে। অতীতেও অনেকেই এমন করেছিল। আজ তারা কোথাও নেই। সংকট মোকাবিলা করেই বিএনপি আগামীর রাজনীতি করবে। তারপরও ত্যাগী নেতারা মনে করেন, জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির ভিতরে অন্তর্কলহ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। বিশেষ করে দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুদকের দুটি মামলার গতি বাড়ায় এ আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে।

বিএনপির নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ কর্মসূচি যেসব নেতার জন্য সফল হয়নি বলে দলে আলোচনা আছে, তাদের দিকেই সন্দেহের দৃষ্টি। এরা সরকারের কাছ থেকে নানা সুবিধা নিয়ে বিএনপিকে আবারও ব্যর্থতার দিকে নিয়ে যেতে চাচ্ছে। বিএনপি ঘরানার বুদ্ধিজীবীরাও দল ভাঙার বিষয়টি উড়িয়ে দিচ্ছেন না।

এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, গণতন্ত্র যখন সমাজের ভিতরে শিকড় গাড়তে পারেনি, তখন অন্যভাবে হলেও দলটাকে (বিএনপিকে) ধ্বংস করে দেওয়ার চেষ্টা হতেই পারে। আর তা নিয়ে দলীয় নেতা-কর্মী, সমর্থক সবাই উদ্বেগ ও আতঙ্কে আছেন। গণস্বাস্থ্য হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘দল ভাঙার চেষ্টা হতেই পারে। অতীতেও হয়েছে। নেতা-কর্মীরাও উদ্বিগ্ন এবং আতঙ্কিত। তবে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারলে কিছুই হবে না। আমার বিশ্বাস, শেষ পর্যন্ত বিএনপিকে কেউ ভাঙতে পারবে না।’ নাম প্রকাশ না করে বিএনপির কয়েকজন নেতা জানান, কেন্দ্রীয় অনেক নেতার মধ্যেই হঠাৎ আবার সরকার প্রীতি বেড়ে গেছে। তারা নানা কায়দায় চেষ্টা করছেন, দলীয় সিদ্ধান্তগুলো সরকারের অনুকূলে নিতে। এমনকি তারা আর্থিকসহ নানা সুযোগ-সুবিধার প্রস্তাবও দিচ্ছেন কিছু নেতাকে। যারা তাদের কথা শুনছেন না, তাদের নানারকম ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। নতুন করে মামলা-মোকদ্দমা দেওয়া শুরু হয়েছে। এরাই ২০১৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর কৌশলে বেগম খালেদা জিয়াকে দিয়ে ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ কর্মসূচি ডেকে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের ঢাকায় এনে বিপদে ফেলেছিলেন। সেই ব্যক্তিরা এবারও মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে দলকে বিপদে ফেলার জন্য তত্পর হয়ে ওঠেছেন। এ প্রক্রিয়ায় দলের স্থায়ী কমিটির দু-একজন সদস্যসহ কেন্দ্রীয় কমিটির ডজন খানেক নেতা জড়িত থাকার কথা দলে আলোচনা আছে। এ ছাড়া চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ের দুজন বিতর্কিত কর্মকর্তাও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে দল ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের সূত্রে জানা গেছে। বেগম খালেদা জিয়াকে মামলার চাপ দিয়ে সরকারের প্রস্তাবগুলোতে রাজি করাতে না পারলে শেষ পর্যন্ত তাকে অন্তরীণ করে হলেও সরকারি এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চান তারা। এদের কেউ কেউ আগামী সংসদের বিরোধী দলের নেতা হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন বলে নেতা-কর্মীরা ধারণা করছেন।

এ ব্যাপারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, কারা কী করছেন, জানি না। তবে জন্মের পর থেকেই বিএনপির বিরুদ্ধে বার বার ষড়যন্ত্র হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কেউই সফল হয়নি। এ সরকারও ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য বিএনপিকে ভাঙার চেষ্টা করবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সফল হবে না।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে দল ভাঙার যত চেষ্টাই করা হোক না কেন, তা কখনোই সফল হবে না। অতীতেও তারা অনেক চেষ্টা করেছে, ওয়ান-ইলেভেন এর সময়ও করেছে, পারেনি। মামলা-হামলা দিয়ে কখনো জনআন্দোলন ঠেকানো যায় না। কাজেই তারাও (সরকার) সফল হবে না।

স্থায়ী কমিটির অপর সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে আবারও একটি প্রতারণার নির্বাচন করতে চাচ্ছে সরকার। এর আগে দল ভাঙতে চায় তারা। কিন্তু এবার আর তা হবে না। সেই চেষ্টা করলে নতুন বছরে এই সরকারকে উচ্চ মাশুল দিয়ে বিদায় নিতে হবে।

বিএনপি সমর্থক বুদ্ধিজীবী ও দলের ত্যাগী নেতারা মনে করেন, দলের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য প্রধানত দায়ী বেগম খালেদা জিয়ার ঘরে বসে থাকা। দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। আর সে জন্য বিএনপিকেও বদলাতে হবে। বদলাতে হবে চেয়ারপারসনের অফিসের সময়সূচি। কোনোক্রমেই রাত ১০টার পর তার অফিসে থাকা ঠিক হবে না। আবার অফিসে আসতেও হবে তাঁকে বিকাল ৪টার মধ্যে।

এ প্রসঙ্গে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে অঘোষিতভাবে অন্তরীণ করেই রাখা হয়েছে। এ জন্য অনেকটা তিনি নিজেই দায়ী। আর ঘরে বসে না থেকে তাঁর উচিত সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সফর করা। তা না হলে দল ভাঙার ষড়যন্ত্র মোকাবিলা সম্ভব হবে না। তৃণমূল সফর করলে দল যেমন চাঙ্গা হবে, সরকারও ষড়যন্ত্র থেকে পিছিয়ে যেতে বাধ্য হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগর নুরনগরে মৈত্রী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

নুরনগর থেকে: শনিবার শ্যামনগর উপজেলার নুরনগরের মানিকপুর এস এম বি ক্লাব সংলগ্ন মাঠে মানিকপুর-চিংড়াখালী ৫ দলীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। খেলা উদ্বোধন করেন শ্যামনগর উপজেলা সহঃ কমিশনার ভূমি সুজন সরকার। উদ্বোধনী খেলায় অংশ গ্রহণ করে মোঃ সাইফুল ইসলামের দল আমাজন ঈগল বনাম আব্দুল্লাহ আল ফারুকের দল সুন্দরবন টাইগার্স এর মধ্যকার খেলায় সুন্দরবন টাইগার্স বিজয়ী হয়। প্রথমে টসে জিতে ব্যাট হাতে নেয় সুন্দরবন টাইগার্স নির্ধারিত ১৮ ওভার খেলে ৬ উইকেট হারিয়ে ১০৮রান করে জবাবে ব্যাট হাতে নিয়ে ১৮ ওভার খেলে ৫ উইকেটে ১০৫ রান করে পরাজিত হয়। উক্ত খেলায় ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয় সুন্দরবন টাইগার্স এর আব্দুল্লাহ আল ফারুক। উদ্বোধনী খেলায় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম খোকন, ইউপি সদস্য খলিলুর রহমান, খেলাটির উদ্দ্যোক্তা ইতালী প্রবাসী মোঃ আকছেদুর রহমান সবুজ এবং মোঃ আকবর হোসেনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উল্লেখ্য এই টুর্ণামেন্টের বাকি খেলাগুলো মানিকপুর এস এম বি ক্লাব সংলগ্ন মাঠে এবং চিংড়াখালী শতদল সংঘের মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাত্রাতিরিক্ত চুরির ঘটনা ঘটছে পাটকেলঘাটা এলাকায়

সমীর দাশ: পাটকেলঘাটা এলাকায় চুরির প্রাদূর্ভাব দেখা দিয়েছে, প্রতিনিয়ত ঘটছে চুরির মত ঘটনা। ২৯ ডিসেম্বর ২০১৭ পাটকেলঘাটা কুমিরা বাজার লাগোয়া মোঃ কওসার আলীর দোকান হতে দুইটি মটর, রফিকুল ইসলাম এর একটি মটর চুরি হয় উভয় ঘরের দরজা ভেঙ্গে চোর চুরি করে একই দিনে কুমিরা গ্রামের আনন্দ ভৌমিক এর বাড়ী থেকে চোর চুরি করে, এক সপ্তাহ আগে কুমিরা বাদামতলা এনামুল হোসেনের নির্মানাধীন আর সি সি পিলারে বসানো রড কেটে নিয়ে যায় চোরেরা, তার পূর্বে কুমিরা গ্রামের যদু জয়দেব এর বাড়ীতে চুরি হয়, পাটকেলঘাটা মকসুদপুর গ্রামে সমীর দাশের মোটর চুরি হয়। এমনি ভাবে আশ পাশের আরও কিছু কিছু গ্রামে চুরির খবর পাওয়া গেছে বিশেষ ভাবে মটর চুরির প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। কিন্তু আস্হা হিনতার কারণে এ সকল ভুক্তভোগীরা পুলিশে অভিযোগ জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তাদের ধারণা পুলিশে অভিযোগ জানিয়ে প্রতিকার তো হয়ইনা বরং ঝামেলা বাড়ে। কিন্তু এলাকার সচেতন মহল এ চলমান চুরির ঘটনা প্রতিরোধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া ডেস্ক: কলারোয়া উপজেলার মাঠে মাঠে এখন সরিষার হলুদ ফুলের অপরূপ দৃশ্য। পুরো মাঠ যেন ঢেকে আছে সুন্দর এক হলুদ পরিবেশ।
আর সরিষা ফুলের ক্ষেতে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন মধু আহরণকারীরা। এসব জমির পাশে পোষা মৌমাছির শত শত বাক্স নিয়ে হাজির হয়েছেন মৌয়ালরা। ওই সব বাক্স থেকে হাজার হাজার মৌমাছি উড়ে গিয়ে মধু সংগ্রহে ঘুরে বেড়াচ্ছে সরিষা ফুলের মাঠে।
এই অপরূপ দৃশ্যে মুগ্ধ স্থানীয় শিশুকিশোর থেকে শুরু করে প্রকৃতি প্রেমী সকল মানুষ।
সরেজমিন দেখা গেছে- কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বেশিরভাগ ফসলি জমিতে সরিষার আবাদ করা হয়েছে। এসব জমিতে সরিষার ফুল ফুটতে শুরু করেছে। আর ফুলের মধু আহরণে নেমেছেন পেশাদার মৌয়ালরা। তাদের বাক্স থেকে ‘ভনভন’ করে দলে দলে উড়ে যাচ্ছে পোষা মৌমাছি। ঘুরে বেড়াচ্ছে এই ফুল থেকে ওই ফুলে আর সংগ্রহ করছে মধু।
মুখভর্তি মধু সংগ্রহ করে মৌমাছিরা ফিরে যাচ্ছে মৌয়ালদের বাক্সে রাখা মৌচাকে। সেখানে সংগৃহিত মধু জমা করে আবার ফিরে যাচ্চে সরিষার জমিতে।
এভাবে দিনব্যাপী মৌমাছিরা যেমন মধু সংগ্রহ করে, আবার বিভিন্ন ফুলে ফুলে ঘুরে বেড়াতে গিয়ে পুরো ফুলের পরাগ আর এক ফুলে দিয়ে সহায়তা করে। এ মৌসুমে মৌয়ালরা পোষা মৌমাছি দিয়ে প্রচুর মধু উৎপাদন করে যেমন লাভবান হচ্ছেন ঠিক তেমনি মৌমাছির ব্যাপক পরাগ সরিষার বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনায় চাষিরাও বাড়তি আয়ের আশা করছেন।
উপজেলার কেঁড়াগাছী ইউনিয়নের বাগাডাঙ্গা, কাঁকডাঙ্গা, কেঁড়াগাছী, ভাদিয়ালি গ্রামে পোষা মৌমাছি দিয়ে মধু সংগ্রহে আসা কয়েক জন পেশাদার মৌয়ালদের সাথে কথা বলে জানা গেছে- ওনারা প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও পোষা মৌমাছির বাক্স নিয়ে মধু সংগ্রহের লক্ষ্যে কলারোয়ার বিভিন্ন জায়গায় এসেছেন। তাদের কারোর কাছে ১০০, ১৬৫, ২০০ বা তারো বেশি বাক্স সরিষা ফুলের বাগানের পাশে রেখেছেন। এ বছর প্রতি সপ্তাহে গড়ে আট মণ মধু সংগ্রহ করতে পারছেন তারা- এমনটাই জানালেন মৌয়ালরা। এমনকি কয়েকটি মাঠে তাবু ফেলে সাময়িক বসতেরও ব্যবস্থা করেছেন তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বুড়িগোয়ালিনীতে হ্যাচারির পাচিল ভাংচুর

শ্যামনগর ব্যুরো: শ্যামনগর উপজেলা বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নে কলবাড়ী এলাকায় শিরহিন্দ শ্রীম্প হ্যাচারীর মালিক মোঃ আব্দুল বারী মোল্যার নিকট দুর্বৃত্তদের দাবিকৃত চাঁদার টাকা না দেওয়ায় হ্যাচারীর নির্মানাধীন প্রাচিরে ভাংচুর ঘটনায় শ্যামনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কলবাড়ী গ্রামে মৃত সাইদুর রহমানের পুত্র জি,এম শফিকুল ইসলাম, জি,এম সহিদুল ইসলাম, সফিকুল ইসলামের পুত্র আরাফাতুল ইসলাম, ইয়াসরিফুল ইসলাম সহ কয়েক জন জোর পূর্বক শিরহিন্দ শ্রীম্প হ্যাচারী কোম্পানি লিঃ চেয়ারম্যান আব্দুল বারী মোল্যার কাছে ২৩শে ডিসেম্বর বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে উক্ত এজাহারকৃত আসামীগন ২ লক্ষ টাকা চাঁদার দাবী করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে ৩০শে ডিসেম্বর শনিবার ভোরের দিকে আসামীগন অস্ত্রসহ দলবদ্ধ হয়ে অনধীকার ভাবে প্রবেশ করে পূর্বের চাওয়া চাঁদার ২ লাখ টাকা দাবীতে হ্যাচারীর কর্মচারী তুরিকুল ইসলামকে গলায় গামছা পেচিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। এ সময় হ্যাচারীর বাসায় রক্ষিত লক্ষাধীক টাকার লোহার রড, ৫০ বস্তা সিমেন্ট, হ্যাচারীতে রক্ষিত ২ হাজার ১নং ইট নিয়ে আসামীগন আত্মসাৎ করে। হ্যাচারী হইতে ফিরে যাওয়ার সময় হ্যাচারীর দক্ষীন পাশের ৮০ হইতে ১০০ ফুট ইটের তৈরি প্রাচির একেবারে ভেঙ্গে ফেলে ক্ষতি স্বাধন করে এবং উক্ত চাঁদার টাকা পরিশোধ না করিলে পূনরায় এহেন পূর্বক ঘটনা ঘটাবে ও হ্যাচারী করতে দিবে না বলে হুমকি দেয়। এ ঘটনায় গতকাল শ্যামনগর থানায় শিরহিন্দ শ্রীম্প হ্যাচারী কোম্পানি লিঃ এর চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল বারী মোল্যা হামলাকারীদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ঠান্ডা’য় জমে গেল নায়াগ্রা জলপ্রপাত

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত নায়াগ্রা জলপ্রপাত গোটা বিশ্বের পর্যটকদের কাছে অন্যতম একটি আকর্ষণীয় স্থান। তবে সম্প্রতি উত্তর আমেরিকা-কানাডা জুড়ে বয়ে যাচ্ছে ভয়াবহতম শীত। আর এই শীতল আবহাওয়াতে ঠান্ডায় জমে গেছে এই বিখ্যাত জলপ্রপাত।

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা দেশ দুটিতে গত কয়েক মাস ধরে চলছে শীতের দাপট। নদী ও বিভিন্ন জলাশয়ের পানি জমে বরফ হয়ে যাচ্ছে। এমনকি ট্যাপের পানি পর্যন্তও জমে যাচ্ছে। বিভিন্ন জলধারার পাশাপাশি নায়াগ্রা জলপ্রপাতও বরফ জমে গেছে।

তবে এই বরফজমা দৃশ্যও পর্যটকদের কাছে আরেক আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। আবহাওয়া দফতর থেকে সতর্ক বার্তা থাকার পরেও ভিন্ন রূপে সাজা নায়াগ্রা দেখতে অসংখ্য মানুষ ভিড় করছেন সেখানে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে শিক্ষিকা উদ্ধার!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের এক শিক্ষকের কক্ষ থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় এক শিক্ষিকাকে উদ্ধার করেছে প্রশাসন। শনিবার বিকেলে ওই শিক্ষিকাকে উদ্ধার করা হয়। ওই শিক্ষিকা অ্যাডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের প্রভাষক। তিনি কলাভবনের ৩০৪৯ নম্বর কক্ষে তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিলেন। কক্ষটি মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আকিব-উল-হকের জন্য বরাদ্দ দেওয়া।

ঘটনার একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, বিকেলে দুজন শিক্ষকই আকিবের কক্ষে ছিলেন। একপর্যায়ে সেখানে আকিবের স্ত্রী এসে উপস্থিত হন। কক্ষ ভেতর থেকে আটকে দুজনের সেখানে অবস্থান নিয়ে কথা বললে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শিক্ষিকাকে কক্ষে আটকে রেখেই তিনি সেখান থেকে চলে যান।

আকিবের স্ত্রীর অভিযোগ, অনেকক্ষণ ধরে মুঠোফোন না ধরায় তিনি কলা ভবনে আকিবের কক্ষে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে দরজা তালাবদ্ধ দেখতে পান। বেশ কিছুক্ষণ দরজা ধাক্কাধাক্কি করার পর তিনি দরজা খুলে বাইরে থেকে তালা দিয়ে দেন। তখন তাঁদের দুজনের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাঁকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে আকিব সেখান থেকে চলে যান। পরে তিনি জানতে পারেন ভেতরে শিক্ষিকা আটকা পড়ে আছেন।

খবর পেয়ে সহকারী প্রক্টর আবু হোসেন মুহাম্মদ আহসানের নেতৃত্বে প্রক্টরিয়াল দল গিয়ে কক্ষের তালা ভেঙে শিক্ষিকাকে উদ্ধার করেন। ওই শিক্ষিকা বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই আকিবের দাম্পত্য কলহ চলছিল বলে তিনি জানেন। হঠাৎ তাঁর স্ত্রী সেখানে চলে আসলে তিনি রাগারাগি করে সেখান থেকে চলে যান। কিন্তু তাঁকে কেন তালাবদ্ধ করে গেলেন, সেটি বুঝতে পারছেন না।

শিক্ষিকা বলেন, ‘আমি আমার বিভাগের একটি কর্মশালার কাজে ছুটির দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলাম। আকিবও তাঁর ব্যক্তিগত কাজে এসেছিলেন। হঠাৎ দেখা হয়ে যাওয়ায় তাঁর সঙ্গে এখানে আসি। আমাদের একটি যৌথ গবেষণাকাজ অসমাপ্ত ছিল। সেটি শেষ করা নিয়ে আমাদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হচ্ছিল। এমন সময় আকিবের স্ত্রী চলে আসেন। এর আগেও একই ঘটনা ঘটেছিল বলে তিনি জানান।’

এর আগে গত ৫ আগস্ট দুজনকে একই কক্ষে পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেছিলেন আকিবের স্ত্রী। বিষয়টি নিশ্চিত করে মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নাসরীন ওয়াদুদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে আকিবকে বিষয়টি বুঝিয়েছি। তিনি যেন ওই শিক্ষিকা থেকে নিজেকে ফিরিয়ে নেন। কারণ তার একটি বাচ্চাও রয়েছে।’

যোগাযোগ করা হলে আকিব-উল-হকের ব্যক্তিগত মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। সেখানে একজন সহকারী প্রক্টরকে পাঠিয়েছিলেন। তাঁর কাছ থেকে অবহিত হয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নবাগত পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমানের দেবহাটা থানা পরিদর্শন

দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটা থানা পরিদর্শন করেছেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান। সাতক্ষীরা জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহনের পরবর্তী শনিবার দুপুর ২ টার দিকে তিনি দেবহাটা থানা পরিদর্শনে আসেন। এসময় দেবহাটা থানার ওসি (তদন্ত) শরিফুল ইসলাম পুলিশ সুপারকে দেবহাটা থানা পুলিশের পক্ষ থেকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে দেবহাটা থানার ওসি কাজী কামাল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমানকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। এরপরে তিনি থানার বিভিন্ন মামলা সহ গুরুত্ব বিষয়ে থানার অফিসারদের সাথে আলোচনা করেন। পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার দেবহাটা থানার নবনির্মিত ভবন ঘুরে দেখেন।
এসময় কালীগঞ্জ সার্কেল এএসপি মীর্জা সালাহউদ্দীন, দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ, দেবহাটা থানার ওসি কাজী কামাল হোসেন, দেবহাটা থানার ওসি (তদন্ত) শরিফুল ইসলামসহ সাংবাদিকবৃন্দ ও থানার অফিসারবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ সুপার থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখাসহ সকল প্রকারের মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে পুলিশকে নির্দেশনা দেন বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest