সর্বশেষ সংবাদ-
এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহ

কালিগঞ্জে আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জে আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনি ও রোববার দুই দিন ব্যাপি উপজেলার উত্তরশ্রীপুর বীর মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১০ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিবেট পার্লামেন্টের আয়োজনে ও মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমান টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের সহযোগিতায় ৩ ও ৪ মার্চ আন্তঃস্কুল বিতর্ক কর্মশালার সমাপনি ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শহিদুর রহমান। অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি (অবসরপ্রাপ্ত) সহকারী পুলিশ সুপার বীর মুক্তিযোদ্ধা সুফী আলহাজ্ব শেখ আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন কালিগঞ্জ কলেজের অধ্যক্ষ জিএম, রফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চ,ু প্রধান শিক্ষক রমেশ চন্দ্র, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবু দাউদ, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আলহাজ্ব মাষ্টার আব্দুল হামিদ, সহকারী অধ্যাপক খান মইনুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সাংবাদিক, অবিভাবক ও সূধি মন্ডলী উপস্থিত ছিলেন। আন্তঃস্কুল বিতর্ক কর্মশালায় অংশগ্রহন কারীদের সনদ পত্র প্রদান করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বাংলাদেশ বেতার খুলনার কথক উপস্থাপক ও ডিভেট নিদের্শক খুলনা আহ্ছানউল্লাহ কলেজের সহকারী অধ্যাপক মমতাজ আলী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাল সরকারি চাকরিতে যোগদান করছেন ১০১০ কওমি আলেম

কওমি সনদের সরকারি স্বীকৃতির পর সোমবার সকাল ১০টায় একসঙ্গে ১ হাজার ১০ জন কওমি আলেম সরকারি চাকরিতে যোগদান করছেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাস্তবায়নাধীন মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (৬ষ্ঠ পর্যায়) প্রকল্পের দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় কওমী নেসাবের শিক্ষক হিসেবে তারা যোগদান করবেন।

বাংলাদেশের ইতিহাসে একসঙ্গে এত কওমি আলেমের সরকারি চাকরিতে যোগদানের ঘটনা এটাই প্রথম বলে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

ইফা জানায়, যোগদান শেষে সকল শিক্ষকের জন্য ৩ দিনব্যাপী ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার বেলা আড়াইটায় বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব সাহানে কর্মশালার উদ্বোধন করবেন ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। এতে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বজলুল হক হারুন এমপি। সভাপতিত্ব করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পাবর্ত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি, ধর্মসচিব মো. আনিছুর রহমান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরস এর গভর্নর মিছবাহুর রহমান চৌধুরী। বাসস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশের ডাক্তারদের রোগী দেখার সময় কই

রোগীদের চিকিৎসায় বাংলাদেশের চিকিৎসকেরা গড়ে যে সময় দেন সেটি এক মিনিটও নয়। আর তাতে কতটুকুই বা রোগ নির্ণয় আর চিকিৎসা সম্ভব।

সেটি বুঝতেই গিয়েছিলাম ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগে। বাংলাদেশের সবচাইতে নামকরা সরকারি হাসপাতাল বলে পরিচিত এটি।

সেখানে সকাল থেকে বিভিন্ন বিভাগে ভিড় করেন সারা দেশ থেকে আসা নানা ধরনের রোগী এবং তাদের সাথে থাকা আত্মীয় স্বজন।

মোহাম্মদ আবুল কাশেম বগুড়া থেকে এসেছেন ভাতিজাকে নিয়ে। কিন্তু তাকে ভর্তিই করাতে পারেন নি। অনেক দুর থেকে এসে তাই হতাশ হয়ে যাচ্ছেন অন্য কোথাও।

তিনি বলছেন, “এখানে আসলে ডাক্তাররা প্রেসক্রিপশন দিয়ে বলে অমুক যায়গায় যাও। এই কারণে আমি ভুক্তভুগি”

নোমান গাজী ময়মনসিংহ এসেছেন। তার পিত্ত-থলীর পাথর হয়েছে সেটির চিকিৎসার জন্য।

তিনি বলছেন, “ডাক্তাররা বাংলাদেশে রোগীদের সময় দেয়না সেটি ঠিকই। তার আমি নিজে প্রমাণ। কখন দেখবে এখনো বলা যাচ্ছে না। এখন থেকে প্রায় চার ঘণ্টা আগে আসছি”।

এই রোগী ও আত্মীয়দের গলায় স্বভাবতই হতাশার সুর। যার কারণ ফুটে উঠেছে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালের জরীপে।

যেখানে রোগী দেখায় সময় দেয়ার ক্ষেত্রে পাকিস্তান ও ভারত বাংলাদেশের থেকে এগিয়ে।

অথচ বাংলাদেশে রোগী প্রতি গড়ে মোটে ৪৮ সেকেন্ড সময় দেয়া হয়। মিনিটের কাটায়ও তা পৌছায় না চিকিৎসকের সময়।

যেখানে এই জরীপে সুইডেনের মতো সাড়ে বাইশ মিনিট না হলেও আবুল কাশেমের মতে অন্তত দশ মিনিট তো দেয়া উচিত।

কিন্তু বহির্বিভাগে ডাক্তারদের কক্ষে গিয়ে দেখা গেলো সেই সুযোগ মেলা খুব কঠিন।

ডাক্তারের মনোযোগ পেতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে রোগীদের।

কিন্তু কেন এই পরিস্থিতি জানতে চেয়েছিলাম মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক শারমিন সুলতানা চৌধুরীর কাছে।

তিনি বলছেন, “যেমন ধরেন আমাদের রুমে আমরা এখন দুজন আছি।

যদি এই রুমে দুশ রোগী হয়, আর আমার কর্মঘণ্টা যদি আটটা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত ধরি তাহলে আপনি নিজেই হিসেব করুর এক একজনকে ক’জন করে রোগী দেখতে হয়। মুল সমস্যাই হল জনসংখ্যা।”

কিন্তু প্রাইভেট ক্লিনিক বা হাসপাতালে অনেক টাকা ভিজিট দিয়েও যথেষ্ট মনোযোগ পাওয়া যায়না বলে অভিযোগ রয়েছে।

ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালের জরীপ মতে ভারতে চিকিৎসকেরা রোগীকে প্রায় আড়াই মিনিট দেন। সেটিও খুব কম।

তবুও সেখানেও বাংলাদেশ থেকে বছরে হাজার হাজার রোগী যাচ্ছেন চিকিৎসার জন্য। বাংলাদেশে ডাক্তারদের উপরে রোগীদের যেন আস্থার সংকট রয়েছে।

জনসংখ্যার অনুপাতে চিকিৎসকের সংখ্যা কম হওয়াই মুল সমস্যা হিসেবে মনে করছেন চিকিৎসকেরা।

গত মাসেই জাতীয় সংসদে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন দেশে সরকারি নানা ধরনের স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে সাড়ে ছয় হাজার রোগী প্রতি একজন করে চিকিৎসক।

শিশুদের চিকিৎসক রাজেশ মজুমদার বলছেন রেজিস্টার্ড চিকিৎসক বাড়লে সেবার মানও বাড়বে।

তিনি বলছেন, “এত রোগী একজন ডাক্তার কিভাবে সামাল দেবে। সকালে এসে দেখি গিজগিজ করছে রোগী। আমাদের আন্তরিকতার সাথে সেবা দেয়া চেষ্টা করি। যদি রেজিস্টার্ড চিকিৎসক যদি বাড়ে তাহলে সেই সেবার মানটাও বাড়বে”

কিন্তু গড়ে রোগী প্রতি ডাক্তারের সংখ্যা যতদিন না পর্যন্ত সামঞ্জস্যপূর্ণ হচ্ছে ততদিন রোগীদের আক্ষেপ রয়েই যাবে।

সূত্র: ব‌িবিস‌ি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পিইসিতে থাকছে না নৈর্ব্যক্তিক

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও ইবতেদায়ি পরীক্ষায় নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন বাতিল হচ্ছে। প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নীতিগতভাবে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে পিইসি পরীক্ষায় নজরদারি বাড়াতে পরীক্ষা পদ্ধতিতেও একাধিক পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, সম্প্রতি এসএসসি পরীক্ষায় প্রায় প্রতিটি প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ রয়েছে। এতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ড নিয়ে দেশজুড়ে বির্তক শুরু হয়। এ কারণে পিইসিতে প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে এমসিকিউ (নৈর্ব্যক্তিক) তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, পঞ্চম শ্রেণির পাবলিক পরীক্ষায় এমসিকিউ প্রশ্ন তুলে দেয়ার চিন্তা-ভাবনা চলছে। নকলমুক্ত সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা আয়োজন করতে সব চেষ্টায় করা হচ্ছে। যাতে পরীক্ষায় নিয়ে বির্তক না হয়।

জানা গেছে, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির মাসিক সমন্বয় সভায় পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কারের কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এছাড়া শিক্ষানীতি অনুযায়ী শতভাগ সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা আয়োজন, প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে সফটওয়ারের মাধ্যমে আট দিনের মধ্যে প্রশ্ন বিতরণ (আগে ২৫ দিন সময় প্রয়োজন ছিল), ছয় সেট প্রশ্নপত্রের বদলে আট সেট তৈরি সিদ্ধান্ত হয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজারের সভাপতিত্বে আয়োজিত ওই সভায় মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরসহ প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, পিইসি থেকে নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন তুলে দিতে সকলে একমত হয়েছেন। নৈব্যত্তিকের পরিবর্তে সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন দেয়া হতে পারে। পাশাপাশি আগামী নভেম্বরে আয়োজিত এ পরীক্ষা পদ্ধতিতে আরও কয়েকটি পরিবর্তন আনা হবে। এ লক্ষ্যে ৭ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সভা ডাকা হয়েছে। সেখানে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তে ৩০ ভরি স্বর্ণের গহনাসহ দুই নারী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তে ভারতে পাচারকালে ৩০ ভরি সোনার গহনাসহ দুই নারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা। রোববার সকালে কলারোয়া উপজেলার কাকডাঙ্গা সীমান্তে সোনা চোরাকারবারি জহুরুলের বাড়ি থেকে গয়না গুলো জব্দ করা হয়।
আটক দুই নারী উপজেলার কাকডাঙ্গা গ্রামের স্বর্ণ চোরাকারবারি জহরুল ইসলামের স্ত্রী সাজেদা খাতুন (৪০) ও মেয়ে সুমি খাতুন (১৮)।
কাকডাঙ্গা বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার শামসুর রহমান জানান, রোববার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন,স্বর্ণ চোরাকাবারি জহুরুল ইসলাম ভারতে পাচার করার উদ্দেশ্যে কয়েক ভরি সোনার গহনা নিয়ে বাড়িতে অবস্থান করছে। তাৎক্ষনিকভাবে তার নেতৃত্বে সঙ্গীয় বিজিবি সদস্যরা ওই বাড়ি ঘেরাও করলে চোরাকারবারি জহুরুল স্ত্রী ও মেয়ের সহযোগিতায় পালিয়ে যায়। পরে বিজিবি সদস্যরা ওই বাড়িতে তল্লাশী চালিয়ে ৩০ ভরি এক আনা সোনার গহনাসহ ওই দুই নারীকে আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৮ বিজিবি অধিনায়ক লে.কর্ণেল মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার চিনেডাঙ্গা আহছানিয়া মিশনের আয়োজনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটা উপজেলার চিনেডাঙ্গা শাখা আহছানিয়া মিশনের আয়োজনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান গতকাল দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। চিনেডাঙ্গা শাখা আহছানিয়া মিশনের কার্য্যালয়ে বাদ যোহর অনুষ্ঠিত উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মিশনের সভাপতি শফিকুল ইসলাম সরদার। চিনেডাঙ্গা মিশনের সাধারন সম্পাদক হারুন-অর রশিদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান প্রবাসী মোবারক খাঁন বাহাদুর সাহেবের পোতা আহছানি একেএম অহিদুজ্জামান। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পীর সাহেব দাদার ২ জন আওলাদা ওলি আশরাফুল হক ও মুরশিদুল হক দুলদুল। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন চন্ডিপুর শাখা মিশনের সভাপতি নলতা কেন্দ্রীয় আহছানিয়া মিশনের কার্য্যনির্বাহী সদস্য সাবেক শিক্ষক মুজিবর রহমান, মাঘরী শাখা আহছানিয়া মিশনের সাধারন সম্পাদক নলতা কেন্দ্রীয় আহছানিয়া মিশনের কার্য্যনির্বাহী সদস্য মহসিন আলী হালদার, আলহাজ¦ আব্দুস সাত্তার, মহিদুল ইসলাম, আফজাল হোসেন, চিনেডাঙ্গা মিশনের রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফয়জুল জঙ্গিবাদে বিশ্বাসী: র‌্যাব

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষক ও বিশিষ্ট লেখক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলাকারী ফয়জুর হাসান ওরফে ফয়জুল ওরফে শফিকুর জঙ্গিবাদে বিশ্বাসী বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে র‌্যাব। সিলেট র‌্যাব-৯ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলী হায়দার আজাদ এ কথা জানিয়েছেন। রবিবার (৪ মার্চ) দুপুর ৩টায় র‌্যাব-৯ সদর দফতরে প্রেসব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

কর্নেল আলী হায়দার আজাদ বলেন, ‘ফয়জুরের কাছ থেকে র‌্যাব বিভিন্ন ধরনের তথ্য পেয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি দল কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে র‌্যাব তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এ ধরনের হামলা কেউ একা করতে পারে না। তার সঙ্গে আরও কেউ ছিল বলে আমরা ধারণা করছি। তবে জিজ্ঞাসাবাদে ফয়জুর র‌্যাবকে জানায়—সে একাই এ হামলা চালিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ফয়জুর একসময় মাদ্রাসায় দাখিল পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে। এরপর সে আর পড়েনি। বিভিন্ন সময়ে সে বিভিন্ন স্থানে কাজ করেছে। তার সঙ্গে আর কারা জড়িত—সেগুলো তদন্ত করে দেখছে র‌্যাব। তাকে সিলেট মহানগর পুলিশের জালালাবাদ থানায় হস্তান্তর করা হবে। হামলার ঘটনার মূল বিষয়টি দেখবে পুলিশ। আর পুলিশের পাশাপাশি আলোচিত এ ঘটনার ছায়াতদন্ত করবে র‌্যাব।’

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ‘ফয়জুরের পরিবারের কাউকে এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাদের সন্ধানের জন্য কাজ চলছে। জাফর ইকবালের প্রতি ফয়জুরের দীর্ঘদিনের আক্রোশ ছিল। তিনি নাকি ইসলামের শত্রু। সেই আক্রোশের জের ধরেই তার ওপর হামলা চালায় ফয়জুর। কুমারগাঁওয়ের শেখপাড়ার বাড়ি থেকে র‌্যাব বিভিন্ন ধরনের ইসলামি বই ও বেশ কিছু আলামত সংগ্রহ করেছে। সেগুলো র‌্যাবের অপর একটি দল খতিয়ে দেখছে।’

র‌্যাব জানায়, ফয়জুর সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই থানার কালিয়াকাপন গ্রামের বাসিন্দা সদর উপজেলার টুকেরবাজেরর মাদরাসা শিক্ষক হাফিজ আতিকুর রহমানের ছেলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রেসকোর্সে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণে রুল

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ যে মঞ্চে দিয়েছিলেন, সেই স্থান নির্ধারণ করে সেখানে ভাস্কর্য নির্মাণে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

আজ রোববার বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, তথ্য সচিব, সংস্কৃতি সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মহসিন রশিদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান।

এ বিষয়ে রিটকারীর আইনজীবী সাংবাদিকদের বলেন, ১৯৫টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্বঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সুপ্রিম কোর্ট দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে বিভিন্ন আদেশ দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চ যে স্থানটিতে ভাষণ দিয়েছিলেন, সেখানে মঞ্চ নির্মাণ করতে রুল জারি করা হয়েছে।

এর আগে চারজন প্রকৌশলীর পক্ষে অ্যাডভোকেট লুৎফুল কবির হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত রুল জারি করেন।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক ড. বশির আহমেদের করা রিটের শুনানি শেষে গত বছরের ২০ নভেম্বর হাইকোর্টের অপর একটি বেঞ্চ ৭ মার্চকে ঐতিহাসিক জাতীয় দিবস হিসেবে কেন ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন।

ওই রুলেও ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু যে স্থানে ভাষণ দিয়েছিলেন, পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ ও ইন্দিরা গান্ধীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে, সেই স্থানে মঞ্চ পুনর্নির্মাণ এবং বক্তব্যরত বঙ্গবন্ধুর আঙুল উঁচানো ভাস্কর্য কেন নির্মাণ করা হবে না, তা জানতে চেয়েছিলেন আদালত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest