সর্বশেষ সংবাদ-
বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের দোয়াসাংবাদিক সুমন ফেসিয়াল ভাইরাসে আক্রান্ত : সুস্থতা কামনায় বিবৃতিদৈনিক প্রবাহ অফিসে হামলা: সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নিন্দাবল্লীতে জমিজমা বিরোধের জেরে নারীসহ পরিবারের ওপর হামলা: থানায় অভিযোগদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ ১ জন আটক : থানায় মামলাআন্তর্জাতিক নাট্য প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার পেলেন  আসাদুল ইসলামশ্যামনগরে রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় ধান রোপন করে প্রতিবাদদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী আটকদেশের উন্নতির মূল প্রতিবন্ধকতাই হলো দুর্নীতিসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির বৃক্ষরোপন

পৌর ৭নং ওয়ার্ডে ২২ লাখ ৬৬ হাজার টাকার সংষ্কার কাজের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা পৌর সভার ৭নং ওয়ার্ডে দৗর্ঘ ২৭ বছর পরে উন্নয়নের ছোয়া লেগেছে। গত কাল বুধবার সকালে সাতক্ষীরা পৌর মেয়র আলহাজ্ব তাজকিন আহম্মেদ চিশতি ও ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আ’লীগ নেতা শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন কালু ২২ লাখ ৬৬ হাজার টাকার ব্যায়ে কয়েকটি প্রকল্পের সংষ্কার কাজের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধন কালে পৌর মেয়র বলেন,আগামী মাসে ইটাগাছা টু বাগানবাড়ি সড়ক’র কাজের টেন্ডার হবে এবং দ্রুত কাজ শুরু করা হবে। এই ওয়ার্ডে এ বছরের মধ্যে সব ধরনের সড়ক ও ড্রেন নির্মানের কাজ করা হবে বলে তিনি জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন,পৌর সভার নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল করিম, সহকারী প্রকৌশলী কামরুল আকতার, শহর পরিকল্পনাবিদ শুভ্র চন্দ্র মহল, উপসহকারী প্রকৌশলী সাগর দেবনাথ,ইটাগাছা ভিআইপি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক শাহাঙ্গীর হোসেন শাহীন। স্থানীয় আ’লীগ নেতা বাবু, যুবলীগ নেতা ফজলু।
৭নং ওয়ার্ডের হাসানের বাড়ি থেকে মুজামের বাড়ি পর্যন্ত ড্রেন, বিলের ভেতরে কামরুলের বাড়ি থেকে ওয়াহেদের বাড়ি পর্যন্ত ইটের সেলিং, ইটাগাছা প্রাইমারি স্কুলের পিছনে হান্নান গাজীর বাড়ি হতে সোনা গাজীর বাড়ি পর্যন্ত ২৫০ ফুট ড্রেন, রইচপুরে মোশারফের বাড়ি হতে আলিমের বাড়ি পর্যন্ত ইটের সলিং’র কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন পৌর মেয়র। কাজের ঠিকাদার গোলাম রসুল বলেন,স্বচ্ছতার সাথে সকল কাজ সম্পন্ন করা হবে। তিনি দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য এলাকাবাসীর সহযোগীতা কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ার কাজিরহাট‌ে বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে মাতৃভাষা দিবস পালিত

জাহাঙ্গীর আলম লিটন: মহান ২১  ফেব্রয়ার‌ি উপলক্ষে কলারোয়া উপজেলার কাজিহাট‌ে বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান‌ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ বেদিতে পুস্পমালা  অর্পণ‌ের মাধ্যমে দিবস পালিত হয়েছে।

বাংলা ভাষার জন্য ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি এই দিন শহীদ হন রফিক,শফিক, জব্বার সহ নাম না জানা অনেকে।বিশ্বে ভাষার জন্য আর কোন জাতী জীবন দেয়নি এই জন্য বাংলাদেশ ভাষার জন্য জীবন দেণ যে কারনে  ১৮৮ টাদেশ আন্তর জাতিক বাংলা মাতৃভাষা দিবসটি পালন করে। সেই সাথে বাংলাদেশে সকল শদ প্রতিষ্ঠানে দিবসটি পালন করে, কলারোয়া উপজেলার কাজিহাট বালিকা বিদ্যালয়, কাজিহাট ইউনাটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কাজিরহাট ডিগ্রী কলেজ, কাজিরহাট বেগম রোকেয়া প্রি- ক্যাডেট স্কুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, এনজিও, বাজার ব্যবসায়ী সমিতি সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী জানিয়ে ও সস প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধ নমিত রেখা দিবস টি পালন করেন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো রেয়ালির আয়োজন করে দিবসটি পালন করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্সে মঙ্গলবার ১০.৩০ ঘটিকায় জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সহকারী পুলিশ সুপার(সদর) মোঃ হুমায়ুন কবির এর সঞ্চালনায় কল্যাণ সভায় সভাপতিত্ব সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ সাজ্জাদুর রহমান।

এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সাতক্ষীরা কেএম আরিফুল হক, সাতক্ষীরা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেরিনা আক্তার, তালা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আতিকুল হক, জেলা বিশেষ শাখার ডিআইও-১ মোঃ আজম খান, জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জ আলী আহমেদ হাশমী, সংরক্ষিত পুলিশ পরিদর্শক, জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জসহ জেলা পুলিশের সকল ইউনিট ইনচার্জ ও বিভিন্ন স্তরের পুলিশ সদস্য এবং মিনিস্ট্রিয়াল স্টাফগণ উপস্থিত ছিলেন।

সভার শুরুতেই সাতক্ষীরা জেলার আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় পুলিশ সুপার জেলায় কর্মরত সকল পুলিশ সদস্যক‌ে ধন্যবাদ জানান। অতঃপর তিনি উপস্থিত সকলের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা শোনেন এবং সেগুলো সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি জঙ্গীবাদ ও মাদকমুক্ত সাতক্ষীরা গড়ার প্রত্যয় নিয়ে জেলা পুলিশের সকল সদস্যদের আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও সর্তকতার সাথে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।

পরিশেষে পুলিশ সুপার সকলের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করে কল্যাণ সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সমীর দাশ: যথাযোগ্য মর্যাদায় বিভিন্ন সংগঠনের অংশগ্রহণে ২১শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়েছে। পাটকেলঘাটা কেন্দ্রীয় শহীদমিনার সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টান ও ইউনিয়নের শহীদমিনার গুলোকে কেন্দ্র করে এ দিবসটি পালণ করা হচ্ছে। ২১শের প্রথম প্রহরে ২১বার তপধ্বনির মধ্যদিয়ে নিরাবতা পালন ও পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও এর সহযোগী সংগঠণ সমূহ, এ ছাড়া জাতীয়পাটি, ওয়ার্কপাটি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জানত),রবিন্দ্র সংগীত একাডেমী, বিভিন্ন স্কুল কলেজ, বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্টান, পাটকেলঘাটা প্রেসক্লাব, রিপোটার্স ক্লাব, নিউজ ক্লাব ও বিভিন্ন ব্যক্তি বৃন্দ। সকাল ৭ টায় প্রভাত ফেরী করে সংগঠন গুলি। সপ্তাহ ব্যপী প্রগ্রামে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্টানের আয়েজন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জাহাঙ্গীর আলম লিটন কলারোয়া,প্রতিনিধি ঃ- কলারোয়ায় উপজেলার উদ্দগে ৫২’র ভাষা আন্দোলনের সকল শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও উপজেলা প্রশাসনের বর্নাঢ্য আয়োজনে শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য নিবেদনের মধ্য দিয়ে উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

২১’র প্রথম প্রহরে ১২টা ১মিনিটে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ স্বাধীনতার পাদদেশে খালি পায়ে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাংগঠনিক কমান্ডার সৈয়দ আলী গাজী, যোদ্ধকালিন কমান্ডার আব্দুল গফ্ফার উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা জনাবা মনিরা পারভীন, ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব আরাফাত হোসেন, থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার নাথ কলারোয়া উপজেলা আ,লীগের   সাংগঠনিক সম্পাদক সম মোরশেদ আলী, চেয়ারম্যান হাবিল হোসেন, নুরুল ইসলাম সাবেক চেয়ারম্যান ভুট্রো লাল গাইন, অধ্যাপক আবুল কালাম  সহ একে একে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শহীদ বেদিতে পুস্পমালা অর্পন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যখন তখন শিরায় টান! হাঁটতে কষ্ট হয়?

যখন তখন শিরায় টান লেগে হাঁটতে কষ্ট হয় আপনার? রক্ত জমে শিরা ফুলে বীভৎস হচ্ছে পা? টেনশনের কারণ নেই। হার্টের অসুখের চিকিৎসা পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে এই সমস্যা সারিয়ে তোলা যায়। যেটা করছেন পশ্চিমবঙ্গের ঢাকুরিয়া আমরি হাসপাতালের বিশিষ্ট কার্ডিওলজিস্ট ডা. প্রকাশ হাজরা। কলকাতার গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন থেকে সেই নতুন চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো-

কাকে বলে?
রক্তবাহ শিরা যখন স্বাভাবিকের চেয়ে মোটা, বড় হয় ও মাকড়সার জালের মতো ছড়িয়ে যায় তখন তাকে বলা হয় ভেরিকোজ ভেন। পা ও থাইয়ের শিরাতেই এই সমস্যা বেশি হয়। পায়ের ডিপ ভেন দিয়ে অশুদ্ধ রক্ত নিচ থেকে উপরে উঠে হার্টে পৌঁছায়। কিন্তু ভেরিকোজ ভেন হলে তা ঠিকমতো উপরের দিকে উঠতে পারে না। পুনরায় নিচে চলে আসে। তখনই শিরা ফুলে ওঠে বা জালিকার মতো অন্যত্র ছড়িয়ে পড়ে।

কীভাবে চিনবেন?
হাঁটতে কষ্ট
পায়ে শিরায় টান ধরে ব্যথা
গোড়ালি থেকে পায়ের উপরের অংশ ফুলে যাওয়া
শিরা ফোলা ও মোটা হয়ে যাওয়া
নীলচে শিরা মাকড়সার জালের মতো ছড়িয়ে প্রকট হলে
শিরা ফেটে রক্তক্ষরণ
পায়ের নিচের অংশ রক্ত জমে কালো দেখতে লাগলে ও পায়ে ঘা হলে সাবধান। লক্ষণ না চিনতে পারার জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অসুখের প্রথম ধাপে চিকিৎসা শুরু করেন না অনেকে। বেশ কয়েক বছর বিনা চিকিৎসায় থাকলে পায়ে ঘা হয়ে রক্তপাত হতে পারে।

কাদের হয়?
দীর্ঘসময় দাঁড়িয়ে কাজের সঙ্গে যুক্তরা (পুলিশ, নিরাপত্তারক্ষী, শিক্ষক-শিক্ষিকা) বেশি আক্রান্ত হন। অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের শিরায় চাপ বেশি পড়ায় ভেরিকোজ ভেন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। পায়ের ডিপ ভেনে রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা থাকলেও হতে পারে। এছাড়া লম্বা ও মোটা ব্যক্তিদেরও সম্ভাবনা বেশি। ছেলেদের তুলনায় মহিলাদের বেশি হয়। এর কারণ ইস্ট্রোজেন হরমোন। যে সব মহিলার ইস্ট্রোজেন হরমোন ভারসাম্যহীনতার প্রবণতা থাকে তাঁদের ৩০-৩৫ বছর বয়স থেকেই এই অসুখ হতে পারে। আবার কোনও কারণ ছাড়াও ভেরিকোজ ভেন হতে পারে।

বেশিরভাগেরই ২০ বছরের পর থেকে ভেরিকোজ ভেনের সমস্যা শুরু হয়। বয়স যত বাড়ে তত লক্ষণগুলি প্রকট হতে থাকে। এছাড়া পরিবারে কারও এই সমস্যা থাকলে পরবর্তী প্রজন্মেরও হতে পারে।

ডপলার টেস্ট
এই পদ্ধতিতে আলট্রাসাউন্ড করে শিরার ভিতরে রক্তের প্রবাহ, শিরা সরু না মোটা তা দেখা হয়।

আধুনিক সার্জারি
রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি অ্যাবলেশন- এই মুহূর্তে সবচেয়ে আধুনিক পদ্ধতি। এক্ষেত্রে অপারেশন করে শিরা ঠিক করার মতো কোনও কাটাছেঁড়া, রক্তপাত হয় না। লেজার রে দিয়ে এই ট্রিটমেন্ট করা হয়। রক্ত জমাট বেঁধে ফুলে যাওয়া শিরায় সরু সুচের মতো রেডিওফ্রিকোয়েন্সি ক্যাথিটার ঢোকানো হয়। তারপর রেডিও এনার্জি রে দিয়ে জালিকার মতো ছড়িয়ে পড়া অংশগুলি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এর ফলে ফুলে ওঠা, মোটা শিরা আগের অবস্থানে চলে আসে।

যে সব রোগীর পায়ের শিরা খুব বড়, হাঁটার সময় ব্যথা হয় বা ঘা হয়ে যাচ্ছে তাঁদের এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা করাই ভাল। ট্রিটমেন্টের পর নিয়মিত ব্যায়াম, ম্যাসাজ করলে এই রোগ আর ফিরে আসে না। শিরা ফুলে বীভৎস্য দেখতে লাগার জন্য যাঁরা সামাজিক ও মানসিক কষ্ট হয় তাঁদেরও উচিত রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি অ্যাবলেশন করিয়ে নেওয়া। আগে শুধু লেজার রে করা হত। কিন্তু তাতে লাল বা কালো দাগ থেকে যেত। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি অ্যাবলেশনে এই সমস্যা নেই।

স্কেলেরোথেরাপি
এই পদ্ধতি অবলম্বন না করাই ভালো। ভেরিকোজ ভেন মাকড়সার জালের মতো দেখতে হলে লোকাল অ্যানাস্থেশিয়া করে ইনজেকশনের মাধ্যমে শিরায় কিছু কেমিক্যাল প্রবেশ করানো হয়। এই কেমিক্যাল রক্ত জমাট অংশকে পুড়িয়ে ভেনকে পুনরায় সচল করে দেয়। কিন্তু হার্টে কোনও ফুটো থাকলে ওই কেমিক্যাল ব্রেনেও পৌঁছে যেতে পারে। এছাড়া থেরাপির পাঁচ-ছ’বছর পর পুনরায় সমস্যা ফিরে আসতে পারে।

বাড়িতে সুস্থ থাকতে
গরমের জন্য বা আটসাঁট হওয়ার জন্য অস্বস্তি হলেও দিনের বেশির ভাগ সময় এই মোজা পরে থাকা উচিত।
এক জায়গায় এক টানা দাঁড়িয়ে থাকা চলবে না।
রোজ হাঁটাহাঁটি, জগিং, হালকা ব্যায়াম করতে হবে।
কোনও কারণে পা ফেটে রক্ত বেরলে তৎক্ষণাৎ শুয়ে পড়ে পা উঁচু করতে হবে। তারপর ব্যান্ডেজের মতো কোনও কম্প্রেশন বেঁধে দিতে হবে।
নিয়মিত পায়ে ম্যাসাজ করে রক্ত চলাচল ঠিক রাখতে হবে।
বিশ্রাম নিলেই ভেরিকোজ ভেনের সমস্যা ঠিক হয়ে যায়। তবে বিছানায় শুয়ে থাকার সময় পায়ের রক্ত যাতে শরীরের নিচ থেকে উপরের অংশে যায় তাই পা উঁচুতে তুলে রাখা জরুরি। তাই পায়ের নিচে বালিশ রেখে শুতে হবে।
সিগারেট, মদ একেবারেই নয়।

জরুরি মোজা ও ম্যাসাজ
ভেরিকোজ ভেনের রোগীদের থাই পর্যন্ত বিশেষ লম্বা মোজা পরতে হবে। এই অসুখে সুপারফিসিয়াল ভেনেও রক্ত জমাট হয়। এই শিরা পেশির কাছেই থাকে। তাই আঁটসাঁট মোজার চাপে শিরা না ফুলে সাধারণ আকারে থাকতে পারে। তাই সার্জারি না করালে সমস্যার শুরু থেকে মোজা পরে থাকতে হবে।

সার্জারি বা অত্যাধুনিক থেরাপি করাতে না চাইলে ওষুধ, বিশেষ মোজা ও ম্যাসাজের মাধ্যমে সুস্থ থাকা যায়। ম্যাসাজের জন্য প্রথমে দু’হাত দিয়ে পায়ের একদম নিচের অংশ ধরতে হবে। তারপর চেপে ধরে নিচ থেকে উপরের দিকে ম্যাসাজ করতে হবে। যাতে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। রোগী যত বেশি এই পদ্ধতি অভ্যাস করবে সমস্যা তত কম হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তরিকুল ইসলাম লাভলু : একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের মানুষের গৌরবোজ্জল একটি দিন। এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবেও সুপরিচিত। বাঙালি জনগনের ভাষা আন্দোলনের মর্মান্তুদ ও গৌরবোজ্জল স্মৃতিবিজড়িত একটি দিন হিসেবে বাঙালী জাতীর কাছে স্বরণীয় হয়ে আছে। ১৯৫২ সালের এই দিনে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের উপর পুলিশের নির্মম গুলিবর্ষনে কয়েকজন তরুণ শহীদ হন। আর সেই সকল ভাষা শহীদদের স্বরণে সারাদেশের ন্যায় সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও মহান শহীদ দিবস পালন করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক শহীদ দিবস উপলক্ষে ২১ ফেব্রুয়ারি বুধবার প্রথম প্রহর থেকে নলতায় নানা কর্মসূচী পালিত হয়েছে। সকালে সকল ধরণের প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত, কালো পতাকা উত্তোলন, বেলা বাড়ার সাথে সাথে নলতার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-কর্মচারী, ম্যানেজিং কমিটির কর্মকর্তাবৃন্দ ও হাসপাতাল বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও স্টাফবৃন্দের উপস্থিতিতে নলতার প্রধান প্রধান সড়কে র‌্যালী শেষে নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ সংলগ্ন শহীদ মিনার চত্বরে দাঁড়িয়ে শহীদদের স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন, শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তাবক অর্পণ, স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে দিবসের সংক্ষিপ্ত আলোচনা, ক্ষেত্রবিশেষ শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ শরীফ ও দোয়া অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও দর্শনার্থীদের প্রায় একই সময়ে স্বত:স্ফূর্ত উপস্থিতিতে নলতা হাইস্কুল মাঠ মানুষের মিলন মেলায় পরিণত হয়।
নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ সংলগ্ন শহীদ মিনারে পুস্পস্তাবক অর্পণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল- স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্জ অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হকের পক্ষে নলতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ, নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কালিগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব, নলতা আহ্ছানিয়া মিশন রেসিডেন্সিয়াল ডিগ্রী কলেজ, নলতা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, নলতা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, নলতার কে বি আহ্ছানউল্লা জুনিয়র হাইস্কুল, আহ্ছানিয়া দরবেশ আলী মেমো: ক্যাডেট স্কুল, কে বি মোবারক আলী প্রি-ক্যাডেট এন্ড হাইস্কুল, নলতা হাসপাতাল এন্ড কমিউনিটি হেলথ ফাউন্ডেশন, নলতা ইউনিয় যুবলীগ, নলতা ইউনিয় ছাত্রলীগ এবং নলতা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগ সহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি সংগঠন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকস্থলির আলসার ভালো হয় ১৬টি খাবারে

যে কোনো বয়সী মানুষই আলসার বা পেটের ঘা-তে আক্রান্ত হতে পারেন। পাকস্থলির আবরণে এই খোলা লোমকুপের মতো ঘা হয়। হেলিকোব্যাকটার পাইলোরি নামের এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলে এই আলসার হয়।

কেউ যদি টানা দীর্ঘদিন ধরে অ্যাসপিরিন এবং ইবুপ্রোফেন বা অ্যাস্টেরয়েড ভিন্ন কোনো প্রদাহজনিত ওষুধ ব্যবহার করেন তাহলেও পাকস্থলিতে আলসার হয়।

আলসার হলে ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি কিছু খাবার এড়িয়ে চলতে হয় এবং বিশেষ কিছু খাবার নিয়মিতভাবে খেতে হয়।

কিছু খাবার আছে আলসার সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া হেলিকোব্যাকটার পাইলোরির বিরুদ্ধে লড়াই করে। আসুন জেনে নেওয়া যাক এমন ১৬টি খাবারের কথা।

১. ফুলকপি 
এতে আছে সালফোরাফেন নামের একটি উপাদান যা হেলিকোব্যাকটার পাইলোরি নামের ওই ব্যাকটিরয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কেউ যদি প্রতিদিন দুবার করে ৭দিন ফুলকপি খান তাহলে তার পাকস্থলিতে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ঝুঁকি ৭৮% কমে আসে।

২. বাধাকপি
এতে আছে ভিটামিন ইউ নামের পরিচিত এস-মিথাইল মিথিওনাইন নামের একটি উপাদান যা আলসারের ক্ষতা সারিয়ে তুলতে পারে। পাকস্থলিতে পিএইচ এর মাত্রায় হেরফের হলে আলসার হয়। আর এই ভিটামিন দেহে ক্ষারক বাড়ায়। এছাড়া এতে আরো আছে অ্যামাইনো এসিড গ্লুটামিন যা আলসার সারতে সহায়ক।

৩. মুলা
এতে আছে আঁশ যা হজমে সহায়ক। এছাড়া জিঙ্ক এবং অন্যান্য খনিজ উপাদান শুষে নেয় মুলা। মুলা পাকস্থলির প্রদাহরোধ করে এবং গ্যাস্ট্রিক সমস্যাও দূর করে।

৪. আপেল
প্রতিদিন একটি করে আপেল খেলে আলসার দূর হয়ে যাবে। এতে আছে এমন সব ফ্ল্যাভোনয়েড যা আলসার সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার জন্ম প্রতিরোধ করে।

৫. ব্লুবেরি
সকালে ব্লুবের খেলে পাকস্থলির আলসার দূর হয়। এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং পুষ্টি উপাদান যা আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবে এবং আলসারের ঘা দ্রুত সারিয়ে তুলবে।

৬.  র‌্যাস্পবেরি
এতে আছে উচ্চ মাত্রার ফেনোলিক উপাদান। এছাড়া খাদ্য আঁশেরও বড় উৎস এটি। যা খাবার হজম এবং পাকস্থলির প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ করে।

৭. স্ট্রবেরি
সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, পাকস্থলির আলসারের বিরুদ্ধে ঢাল হিসেবে কাজ করতে পারে স্ট্রবেরি। এতে আছে উচ্চ মাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা দেহকে আলসার থেকে প্রতিরক্ষা দেয়। প্রতিদিন এক কাপ করে স্ট্রবেরি খেলে আলসারের ঘা সেরে যায় দ্রুত।

৮. বেল পিপার বা ক্যাপসিকাম
মিষ্টি ক্যাপসিকাম পেপটিক আলসার দূর করতে কার্যকর।

৯. গাজর
পাকস্থলির আবরণ শক্তিশালী করতে বেশ কার্যকর গাজর। এতে আছে ভিটামিন এ যা আলসার, প্রদাহ বা বদহজম দূর করে।

১০. ব্রোকোলি
এতে সালফোরাফেন নামের এমন এক ধরনের রাসায়নিক আছে যা আলসার সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে।

১১. দই
এতে আছে প্রোবায়োটিকস, ল্যাকটোবেসিলাস এবং এসিডোফিলাস যা আলসার সারায়। এছাড়া এটি হজম প্রক্রিয়ায় ভালো এবং খারাপ ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে।

১২. অলিভ অয়েল এবং অন্যান্য উদ্ভিদভিত্তিক তেল
অলিভ অয়েলে আছে ফেনল যা ব্যাকটেরিয়ারোধী উপাদান হিসেবে কাজ করে। যা হেলিকোব্যাকটার পাইলোরি নামের ব্যাকটেরিয়াকে আরো ছড়িয়ে পড়তে বাধা দেয়।

১৩. মধু
ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ানো এবং ক্ষত সারানোর পাশাপাশি মধু পাকস্থলির আলসারও সারায়। আলসার সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া হেলিকোব্যাকটার পাইলোরির উৎপাদন প্রতিরোধ করে মধু। প্রতিদিনি সকালে এক টেবিল চামচ মধু খান।

১৪. রসুন
এক কোষ রসুনই হেলিকোব্যাকটার পাইলোরি নামের ব্যাকটেরিয়াকে প্রতিরোধে যথেষ্ট। এতে আছে জীবাণু নাশক উপাদান যা আলসার সারিয়ে তুলতে সহায়ক। ভলো ফল পাওয়ার জন্য প্রতিদিন ২-৩ কোষ রসুন খান।

১৫. ক্যাফেইনমুক্ত গ্রিন টি
এতে আছে ইসিজিসি নামে ক্যাটেচিন এর উচ্চ মাত্রা যা আলসার সারায়। এর প্রদাহরোধী এবং পঁচনরোধী উপাদান আলসারের সারাতে সবচেয়ে বেশি কার্যকর। প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় এক কাপ করে গ্রিন টি পান করুন।

১৬. যষ্টিমধু
প্রাচীনকাল থেকেই ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে এটি। আলসার এবং গ্যাস্ট্রিটিস এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে যষ্টিমধু। এর প্রদাহরোধী উপাদান পাকস্থলিতে প্রদাহ কমায়।

এছাড়া নিয়মিত শাক-সবজি খেলেও আলসার দ্রুত ভালো হয়। আপনি যদি আলসারের জন্যা অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খান তাহলে পাশাপাশি প্রোবায়োটিক জাতীয় খাবারও থেকে হবে নিয়মিত। এতে অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা বাড়বে এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমবে।

বিফিডোব্যাকটেরিয়াম, স্যাক্কারোমাইসেস এবং ল্যাকটোবেসিলাস নামের প্রোবায়োটিক ওষুধগুলো এ ক্ষেত্রে বেশ সহায়ক হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest