সর্বশেষ সংবাদ-

কালিগঞ্জের জামায়াত আমিরসহ আটক ৩

কালিগঞ্জ ব্যুরো: কালিগঞ্জ থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ইউনিয়ন জামায়াতে আমির মাওঃ আব্দুল মোমেন গাজী (৫১)-কে আটক করেছে। সে উপজেলার দক্ষিণশ্রীপুর ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামের মোসলেম আলী গাজীর ছেলে ও কুশুলিয়া দারুস সুন্নাত দাখিল মাদ্রাসার সুপার। কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সুবীর দত্ত জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ রোববার দুপুর ১টার দিকে কুশুলিয়া মাদ্রাসার সামনে থেকে তাকে আটক করে। ইউনিয়ন জামায়াতে আমির আব্দুল মোমেনের বিরুদ্ধে থানায় সহিংস ঘটনা, হত্যাসহ ১৪টি মামলা রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদের অর্থ যোগান দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। ইতিমধ্যে তার এ্যাকাউন্ট তল্লাশি করে কয়েক কোটি টাকার হিসাব মিলেছে। প্রতিদিন ব্যাংকের হিসাব নম্বরে নাশকতা সৃষ্টির জন্য তার কাছে টাকা পাঠানো হত। এদিকে থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে সিআর/জিআর মামলার ২ আসামিকে আটক করেছে। আটককৃতরা হলো উপজেলার উত্তর রঘুনাথপুর গ্রামের কামাল উদ্দিনের ছেলে মামুন বিল্লাহ ওরফে বাবু (২১) ও মহৎপুর গ্রামের সুর আহম্মেদের ছেলে আল মাসুদ (৩০)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটায় ৪৭তম জাতীয় শীতকালীন ¯ু‹ল ও মাদ্রাসা ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০১৭ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার বিকাল ৪টায় দেবহাটা উপজেলাধীন পারুলিয়া ইউনিয়নের পারুলিয়া এস.এস মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ফুটবল মাঠে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সমাপীন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ আল-আসাদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব আব্দুল গণি। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম খোকন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হাই, একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমানুুসহ বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষকগণ, মাদ্রাসার সুপার/অধ্যক্ষগণ, ক্রীড়া শিক্ষকগণ, সাংবাদিক, ছাত্র ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠিত

কলারোয়া ডেস্ক: কলারোয়ায় ৪৭তম জাতীয় স্কুল ও মাদরাসার শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী শেষে বিকেলে পাইলট হাইস্কুল ফুটবল মাঠে বিজয়ী প্রতিষ্ঠান ও খেলোয়ারদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।
২দিনব্যাপী উপজেলা পর্যায়ের খেলায় ৪টি জোন চ্যাম্পিয়ন দলগুলো ও এ্যাথলেটিক্সের শীর্ষস্থান অর্জনকারী খেলোয়াররা অংশগ্রহণ করেন।
প্রতিযোগিতায় ভলিবল ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ হয় যথাক্রমে বামনখালী হাইস্কুল ও কলারোয়া জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুল।
ব্যাডমিন্টন (বালক) একক ইভেন্টে ১ম ও ২য় হয় যথাক্রমে পাইলট হাইস্কুলের মুনজিরিন ও সরসকাটি হাইস্কুলের সাকিব হোসেন। একই খেলায় দ্বৈত ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ হয় যথাক্রমে সরসকাটির সাকিব ও সঙ্গী এবং সোনাবাড়িয়ার রনি ও নয়ন।
ব্যাডমিন্টন (বালিকা) এক ইভেন্টে ১ম ও ২য় হয় যথাক্রমে চন্দনপুর হাইস্কুলের সুরাইয়া খাতুন ও কয়লার সাদিকা খাতুন। একই খেলায় দ্বৈত ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ হয় যথাক্রমে কাজীরহাট গালর্সের শারমিন ও সুরাইয়া এবং কয়লার মিম ও সুমাইয়া।
ক্রিকেট ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ হয় যথাক্রমে কলারোয়া পাইলট ও দেয়াড়া হাইস্কুল।
প্রতিযোগিতায় পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আব্দুল গফুর, আব্দুল মান্নান, আমিরুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, সেলিম হোসেন, শফিকুল ইসলাম, মাহফুজা খাতুন, আবুল কালাম আজাদ, স্বপন কুমার ও মিয়া মোহাম্মদ ফারুক হোসেন স্বপন।
পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনিরা পারভীন।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবদুল হামিদ, একাডেমিক সুপারভাইজার তাপস কুমার দাশ, ইউপি চেয়ারম্যান প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক আব্দুর রব, রুহুল আমীন, আমানুল্লাহ আমান, শামছুল হক, বদরুজ্জামান বিপ্লব, ইবাদুল হক, হরিসাধণ ঘোষ, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান খাঁন চৌধুরী, বিশিষ্ট সমাজসেবক ডা. শামসুর রহমান, কলারোয়া প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আরিফ মাহমুদ প্রমুখ।
খেলাগুলোর ধারাবিবরণী দেন ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন প্রভাষক রফিকুল ইসলাম ও শেখ শাহাজাহান আলী শাহীন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ২০৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে ২০৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর থানা সূত্রে জানা গেছে, রোববার ভোর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মারুফ আহমেদের নেতৃত্বে সদর উপজেলার গাংনিয়া ব্রীজের পাশ থেকে ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। এসময় তার সঙ্গীয় ৪জন আসামী কৌশলে পালিয়ে যায়। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী সদর উপজেলার লহ্মীদাড়ী উত্তরপাড়া এলাকার মৃত নুর হোসেন গাজীর ছেলে আনারুল গাজী(৩৫)। এঘটনায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার নং- ৪৮।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাবেক ছাত্রনেতা তারেক উদ্দিনের সাথে ‘স্বানাপ’ এর মতবিনিময়

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক ও সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা আ.হ.ম তারেক উদ্দিনের সাথে স্বাধীনতা নার্সেস পরিষদ(স্বানাপ) সাতক্ষীরা জেলা শাখার মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে স্বানাপ সাতক্ষীরার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি সেলিনা আখতার, সহ-সভাপতি মীরা ব্যানার্জী, রেহেনা বিলকিস, মাজেদা খাতুন, কোষাধ্যক্ষ শিরিনা সুলতানা, পিদু বিশ্বাস, ফাতেমা নারগিস, নাসরিন খালেদ, মর্জিনা খাতুন, মেহেনাজ তাবাচ্ছুম প্রমুখ। এসময় ছাত্রনেতা আ.হ.ম তারেক উদ্দিন বলেন, আগামী বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়ন ও চলমান উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে আবারো বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকারের বিকল্প নেই। আগামীতে জননেত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে আবারো বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করার জন্য স্বানাপ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার অনুরোধ জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাবি সিনেটে রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচনে সাতক্ষীরায় গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদের মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনেটে রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচন ২০১৮ উপলক্ষ্যে বাঙালি জাতীয়তাবাদ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদের প্যানেল এর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার বিকাল ৩টায় সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন দৈনিক কালেরচিত্রের সম্পাদক ও প্রকাশক অধ্যক্ষ আবু আহমেদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষার্থী সমিতির সাবেক সভাপতি ও ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুমের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদ মনোনীত প্রার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সাবেক সদস্য ড. এমরান কবীর চৌধুরী, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের জিএম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জেন্ট জহরুল হক হল শাখার সাবেক জিএস ড. মো. লিয়াকত হোসেন মোড়ল, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অবসর বোর্ডের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ শরীফ আহমদ সাদী। এসময় বক্তব্য রাখেন, সাবেক এমপি ডা: মোখলেছুর রহমান, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদ, ঝিনাইদাহ লালন শাহ কলেজের অধ্যক্ষ আতিয়ার রহমান, সাতক্ষীরা ল’ কলেজের অধ্যক্ষ এড. হায়দার আলী, বাংলাদেশ আওয়মীলীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক আ. হ. ম তারেক উদ্দিন, সিনিয়র আইনজীবী ও সাংবাদিক এড. অরুণ ব্যানার্জী, সাতক্ষীরা জজকোর্টের অতিরিক্ত পিপি এড. ফাহিমুল হক কিসলু, সাতক্ষীরা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ আবু সাইদ, শিক্ষক ও সাহিত্যিক মন্ময় মনিরসহ বিভিন্ন সামাজিক এবং পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এসময় অতিথিবৃন্দ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটে গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদের পুরো প্যানেলকে বিজয়ী করার জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তোষিকে কাইফু/তরিকুল ইসলাম লাভলু : জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারাদেশে যে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করা হয়েছে তা জনগণের সামনে তুলে ধরে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আবারো সবাইকে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলহাজ্জ¦ অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক।

আ ’লীগের উন্নয়নের কথা তুলে ধরতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় ছুটে চলেছেন তিনি।
সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে নৌকার পক্ষে ভোট চাইতে রবিবার সকালে তাঁর নিজ বাড়িতে প্রতিদিনের ন্যায় গরিব-দুঃখী মানুষের মাঝে ফ্রি চিকিৎসা সেবা দিয়ে বাসা থেকে পায়ে হেঁটে বের হয়ে নিজ নির্বাচনী এলাকা কালিগঞ্জ উপজেলার নলতার হাট-বাজার, চৌমূহনী বাজারে ৪/৫ কিলোমিটার পথ গাড়িতে না উঠে পায়ে হেঁটে বিভিন্ন দোকানে গিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতা ও পথচারীসহ আপামর কুশল বিনিময় করেন তিনি। এসময় তিনি বলেন, দলকে গতিশীল করতে তরুণ ও নবীন নেতৃত্ব নির্বাচনের বিকল্প নেই।

এসময় দুপুর ১২ টায় রুহুল হক এমপি নলতায় সদ্য প্রকাশিত জেএসসি পরীক্ষায় এক বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় শনিবার সন্ধায় গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যাকারী কেবি আহ্ছানউল্লা জুনিয়র হাইস্কুলের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী শামিমা আক্তার শিউলির বাড়িতে যান এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন-যাতে করে পরবর্তীতে কোথাও যেন এমন অনাকাঙ্খিত ঘটনা না ঘটে সে বিষয়ের উপর প্রতিটা অভিভাবকের সজাগ থাকার আহ্বান জানান।

পরে বিকাল ৩ টায় তিনি কালিগঞ্জ উপজেলা তারালী ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে মা সমাবেশে যোগদান করেন এবং সেখানে তিনি সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে বলেন, এই নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে দেশে স্বাধীনতা এসেছে। নৌকায় ভোট দিয়েই মানুষ উন্নত জীবন পেয়েছে। বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দেশ আজ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে হলে আবার নৌকাকেই জয়ী করতে হবে। তিনি বলেন, বিএনপি লুটেরাদের দল ক্ষমতায় এলে সব চলমান উন্নয়নের কাজ থেমে যাবে। ওই লুটেরাদের মাধ্যমে কোন উন্নয়ন হবে না। বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে এলাকার উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে সকলকে উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে মায়েদের প্রতি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক: একাত্তরের স্বাধীনতাবিরোধী ও তাদের সন্তান-স্বজনরা সারাদেশে সংঘবদ্ধ হচ্ছে। পাক বাহিনীর সহযোগিতায় গঠিত শান্তি কমিটির প্রধান বা গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন, এমন ব্যক্তি ও তাদের সন্তান-স্বজনদের কেউ কেউ নানা কৌশলে ইতোমধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির দলগুলোতে ঢুকে পড়েছে। তবে বিএনপি তাদের আদি পিতা। বিএনপির জন্মলগ্ন থেকেই দলটিতে তারা আছে এবং থাকবে। এখন ক্ষমতাসীনদের পৃষ্ঠপোষকতায় নতুন করে সংঘবদ্ধ হচ্ছেন তারা। নানা কিছুর বিনিময়ে কোথাও কোথাও খোদ প্রশাসনও তাদের সহযোগিতা করছে। আবার স্বাধীনতাবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোরও পৃষ্ঠপোষকতা পাচ্ছে শান্তি কমিটির এক সময়ের দাপটের নেতাদের সন্তান-স্বজনরা। যদিও ক্ষমতাসীন দল-জোটের শীর্ষ নেতারা নিয়মিতই বলছেন, স্বাধীনতাবিরোধীদের সাথে কোনো আপস নয়, সেখানে খোদ তাদের প্রশ্রয়ে স্বাধীনতাবিরোধীদের সংঘবদ্ধ হওয়ার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করছেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী অনেকে।

আওয়ামী লীগে আশ্রয় নেওয়া শান্তি কমিটির নেতা ও তাদের সন্তান-স্বজনসহ জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে অনেকেই হত্যা-সন্ত্রাস-নাশকতা মামলার আসামি বলেও অভিযোগ রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের ফাঁসির রায় ঘোষণার পর দেশের বিভিন্ন স্থানে শান্তি কমিটির নেতা ও তাদের সন্তান-স্বজনরা তাণ্ডব ও নাশকতা চালায়, সরকারি গাছ কেটে ফেলে। স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ চালায়। পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করে। ওই ঘটনায় সারাদেশে স্থানীয় প্রশাসন একাধিক মামলা করেন। তবে দায়েককৃত মামলার আসামিরা প্রশাসন ও সরকারি দলের নেতাদের ম্যানেজ করে দিব্যি এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অনেক মামলার চার্জশিট পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। আগুন সন্ত্রাসে জড়িত শান্তি কমিটির নেতা ও তাদের সন্তান-স্বজনসহ জামায়াত শিবিরের অনেক নেতা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও প্রশাসন তাদের ধরতে পারছে না। এছাড়া রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষিত হওয়ায় দলটির নেতাকর্মীরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে ভেড়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন খোলস বদলে। ওই চেষ্টার অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে অনেক নেতাকর্মী ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে নাম লিখিয়েছেন। এমনকি আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন পাওয়ার জোর চেষ্টায় রয়েছেন।

শান্তি কমিটির নেতা ও তাদের সন্তান-স্বজনদের ক্ষমতাসীন দলে প্রবেশের ব্যাপারে আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডসহ কেন্দ্রীয় নেতারা কিছুই জানেন না। তবে বিষয়টি যে ভয়াবহ পরিণতির দিকে যাচ্ছে সেটি ক্ষমতাসীন দলের তৃণমূল নেতারা অনুধাবন করতে শুরু করেছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, সারাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ইতোমধ্যে ৫০ সহস্রাধিক শান্তি কমিটির সঙ্গে জড়িতসহ জামায়াত-শিবিরের তৃণমূল নেতাকর্মী ও সমর্থক আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগে যোগদান করেছেন। কেউ কেউ পেয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ পদ। আবার কেউ কেউ পদ না পেলেও আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাদের অর্থের বিনিময়ে পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে বহাল তবিয়তে আছেন। কেউ কেউ বাবা-ভাই কিংবা স্বজনদের রক্ষা করতে ক্ষমতাসীন দলে যোগ দিয়েছেন কিংবা দল করেন। আবার যেসব যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির রায় কার্যকর হয়েছে তাদের স্বজনরা আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য।

জানা গেছে, সংঘবদ্ধ হওয়ার লক্ষ্যেই স্বাধীনতাবিরোধী আদর্শের মানুষেরা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ছত্রছায়ায় আছেন। একই সঙ্গে অতীত অপকর্ম থেকে রেহাই পাওয়া, দলের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, আগামী নির্বাচনে জনগণ থেকে দলকে বিচ্ছিন্ন করার টার্গেট নিয়েও তারা ক্ষমতাসীন দলে যোগ দিয়েছেন। আর কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্থানীয় এমপিরা নিজেদের আলাদা বলয় সৃষ্টি করতে শান্তি কমিটির নেতা ও তাদের সন্তান-স্বজনদের থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের দলে গুরুত্ব পদ দিয়েছেন। এতে দলের ত্যাগী নেতারা বঞ্চিত হয়েছেন। অনেক ত্যাগী নেতা এখন এলাকা ছাড়া। এ কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের এত উন্নয়নের পরও তৃণমূলে আওয়ামী লীগের জনসমর্থন কিছুটা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

জানা গেছে, তৃণমূল আওয়ামী লীগের সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছেন শান্তি কমিটির নেতা ও তাদের সন্তান-স্বজনরাসহ জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। আর এসব নেতাদের পূর্বসূরিদের খোঁজ নিলেও দেখা যাবে, তাদের পরিবারের কেউ না কেউ শান্তি কমিটির নেতা ছিলেন। এদিকে তাদের ক্ষমতাসীন দলে প্রবেশের ক্ষেত্রে সহজ হয়েছে পদ বেচা-কেনার কারণে। আওয়ামী লীগের কমিটির গঠনের ক্ষেত্রে উপজেলা থেকে ওয়ার্ড পর্যায়ে পদ বেচা-কেনার ঘটনা ছিল অনেকটা ‘ওপেন সিক্রেট’। আর অর্থের বিনিময়ে এসব পদে এসেছে শান্তি কমিটির নেতা ও তাদের সন্তান-স্বজন এবং জামায়াত-শিবিরসহ স্বাধীনতাবিরোধী আদর্শের নেতাকর্মীরা। আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পুলিশে নিয়োগসহ স্থানীয় গুরুত্বপূর্ণ সরকারি চাকরিতে স্থানীয় এমপিদের ছত্রছায়ায় অনুপ্রবেশকারীরাই মূল কলকাঠি নাড়ছেন। ২০১৭ সালে ঘটে যাওয়া খুন-খারাবি থেকে শুরু করে সন্ত্রাস, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদক ব্যবসা, চোরাচালান, জমি দখল, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, দখলবাজি, নিয়োগ-বদলি বাণিজ্য, টিআর-কাবিখা প্রকল্পে লুটপাটসহ নানা কর্মকাণ্ডে মূল ভূমিকা পালন করছে এসব অনুপ্রবেশকারী। অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতারা নির্যাতনেরও শিকার হচ্ছেন। অধিকাংশ জেলা-উপজেলায় আওয়ামী লীগের দুইটি গ্রুপ হয়ে গেছে। একটি গ্রুপে ত্যাগী নেতারা রয়েছেন, অন্য গ্রুপে শান্তি কমিটির নেতা ও তাদের সন্তান-স্বজনরা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, শান্তি কমিটির নেতা ও তাদের সন্তান-স্বজন এবং জামায়াত-শিবির আওয়ামী লীগ কিংবা বিএনপি যে দলেই থাকুক না কেন তাদের চরিত্র কোনো দিন পরিবর্তন হবে না। তাদের উদ্দেশ্য যুদ্ধাপরাধীদের মৃত্যুদণ্ডের প্রতিশোধ ও স্বাধীনতাবিরোধী চেতনা বাস্তবায়ন করা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest