সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার ঝাউডাঙ্গায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুন মৃত্যুতুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুলিহরে এক যুবক পিটিয়ে জখম:থানায় মামলাসাতক্ষীরা প্রাণসায়রের ধারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকলারোয়ায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যুসুন্দরবনের নদীতে জেলের জালে ধরা পড়ল ১০ কেজির বিরল কচ্ছপসাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরনতালায় খামারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবকে রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের শুভেচ্ছাদেবহাটায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক শ্রমিককে পিটিয়ে চার জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা চুরির মামলা : প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা পর্যায়ে মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সম্মেলন

‘সুন্দরবনে বাঘ গণনায় ২৩৯ পয়েন্টে ক্যামেরা স্থাপন’

ক্যামেরায় ছবি তোলা, পায়ের ছাপ ও গতিবিধি দেখে সুন্দরবনে রয়েল বেঙ্গল টাইগার গণনার কাজ শুরু হয়েছে।
বুধবার সকাল থেকে বনের হিরণ পয়েন্টের নীলকমল বনফাঁড়ি থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়।
খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসেন চৌধুরী জানান, প্রথম দিনে বনের বিভিন্ন পয়েন্টে ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। বন বিভাগ ও ওয়াইল্ড টিমের মোট ৬০ জন কর্মী ক্যামেরায় ছবি তোলা ও খালে বাঘের পায়ের ছাপ গণনার কাজ করবেন। ৪৭৮টি ক্যামেরার সাহায্যে বাঘ গণনা করা হবে। সুন্দরবনের মধ্যে ২৩৯টি পয়েন্টে এসব ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।
জানা যায়, সর্বশেষ ২০১৫ সালে ক্যামেরা পদ্ধতিতে সুন্দরবনের বাঘ জরিপ করা হয়। সেসময় বাঘের সংখ্যা ছিল ১০৬টি। এর আগের জরিপে বাঘের সংখ্যা বলা হয়েছিল ৪০০ থেকে ৪৫০টি।

বন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সুন্দরবনকে খুলনা ও বাগেরহাট দুই ব্লকে ভাগ করে বাঘ গণনা করা হচ্ছে। ২০১৭ সালে সাতক্ষীরা ব্লকে একই পদ্ধতিতে বাঘ গণনা করা হয়। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে জরিপের প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।

খুলনায় সুন্দরবন দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, বাঘ গণনায় সর্বাধুনিক পদ্ধতি ক্যামেরা ট্রাপিং বা ক্যামেরা ফাঁদের মাধ্যমে সুন্দরবনের বাঘের সংখ্যা নির্ণয়ের কাজ শুরু হয়েছে। এদিকে কোন বাঘের ছবি বা পায়ের ছাপ একাধিকবার নেওয়া হলেও স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে প্রকৃত বাঘের সংখ্যা নিরূপন করা যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মথুরেশপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি গঠন

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ: বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি শেখ শাওন আহমেদ সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ০৯ নং মথুরেশপুর ইউনিয়ন শাখার ১৫ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি আগামী ০১ বছরের জন্য অনুমোদন দিয়েছেন ।

কমিটিতে সভাপতি মনোনিত হয়েছেন আব্দুল্লাহ আল হাসান,সাধারণ সম্পাদক শামীম এহছান কিরণ। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন সহ-সভাপতি নূর মোহাম্মদ, শেখ ফয়ছাল হোসেন মো: রাসেল শাহাজী, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোছা: শিল্পী সুলতানা, রেজাউল করিম সবুজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোকলেছুর রহমান পলাশ, জাহাঙ্গীর হোসেন, প্রচার সম্পাদক আবু রায়হান, দপ্তর সম্পাদক মহাসিন কবির, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শরিফ হোসেন, শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক জাহিদ হোসেন, সমাজ সেবা সম্পাদক মো: মফিজুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটানয় ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে স্বপ্ন ভেঙে বোঝা হল দুই পুত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক: একটি নয়, দুটি পুত্র সন্তান। আর বেশি দিন নয়, মাত্র কয়েক বছর গেলেই আমার পরিশ্রম লাঘব হবে। দুই পুত্র উপার্জন করবে। তখন আর আমাকে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করতে হবে না। এ আশা নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করে আসছিলেন দেবহাটার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের জেন্নাতুল ইসলাম। কিন্তু হায় নিয়তির কি নির্মম পরিহাস জেন্নাতুলেল সে স্বপ্ন ভেঙে চৌচির হয়ে যায় অল্প দিনের মধ্যেই। ভেঙ্গে গেলে ৬০বছরের বৃদ্ধা দিন মজুর জেন্নাতুল ইসলামের।

আশা ছিল বড় পুত্র ফয়সাল মাহমুদ (২১) এবং ছোট পুত্র গোলাম মোস্তাফ (১৭) বড় হচ্ছে, তারাই ধরবে সংসারের হাল। স্ত্রী, এক কন্যা এবং দুই পুত্র নিয়ে গড়বে সোনার সংসার। কিন্তুহঠাৎ মানষিক ভারসাম্য হারিয়ে উম্মাদ হওয়ায় বোঝা হয়ে মরার উপর খাড়ার ঘা হলো দুই পুত্র। সাতক্ষীরা ও খুলনায় চিকিৎসা করেও তেমন কোনো লাভ হয়নি। তার নিজ ও প্রতিবেশিদের বাড়ি-ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাংচুর করায় লোহার শিকল দিয়ে বেধে রাখতে হয় তাদের। চিকিৎসকেরা বলেছেন, ভারতে নিয়ে উন্নত চিকিৎসা করাতে পারলে তার দুইপুত্র আবার স্বাভাবিক হতে পারে। কিন্তু এই চিকিৎসার জন্য কয়েক লাক্ষ টাকা প্রয়োজন। অথচ পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী জেন্নাতুল ইসলামের ৫জন সদস্যের সংসার বর্তমানে কালিগঞ্জের একটি মাছের ঘরে ফাইফরমাশ খেটে অনাহারে-আধাহারে দিন পার হচ্ছে। সংসারের ব্যয়ভার বহন ও চিকিৎসার খরচ যোগাড় করতে না পারায় সমাজের স্বহৃদয়বান ব্যক্তিদের নিকট সাহায্যের আবেদন করেছেন। জেন্নাতুল ইসলাম সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে বাসিন্দা। জেন্নাতুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ এবং বিকাশ নম্বরঃ ০১৯৪৬৪১৯৯০৯।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্ত্রী চালক স্বামী কন্ডাক্টর!

মহিলা বাসচালক প্রতিমা পোদ্দারের নিমতা পাইকপাড়ার গরিবের বাড়িটি এখন ভিআইপিদের পদচারনায় মূখর। আনাগোনা চলছে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের। কারন দেখা করবেন প্রতিমার সাথে। কথা বলবেন তার সংগ্রামী জীবন সম্পর্কে।

তবে প্রতিমাকে বাড়িতে পাওয়া অত্যন্ত ভাগ্যের ব্যাপার। কারন সেই ভোর ৩টা বাজতেই মিনিবাস নিয়ে বেরিয়ে পড়েন তিনি। সাথে তাঁর স্বামী শিবেশ্বর পোদ্দার। প্রতিমা বাস ভানান আর বাসে কন্ডাক্টারের কাজ করেন তার স্বামী।

সারাদিন বাস চালিয়েও বাড়ি ফিরে একটুকু বিশ্রামের সময় নেই প্রতিমার। বাড়িতে কাজের লোক নেই। ঘর মোছা থেকে শুরু করে বাসন মাজা, কাপড় কাচা, রান্না করা সবই করেন তিনি হাসতে হাসতে, এতটুকু ক্লান্তি নেই তাঁর।

বাড়িতে দুই মেয়ে রাখি এবং সাথি। রাখি বড়। সে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি পড়ছে অঙ্কে নিয়ে। জিমন্যাস্টিকে ন্যাশনাল করেছে, হয়েছে বাংলায় চ্যম্পিয়ন। ছোট মেয়ে সাথি নবম শ্রেণির ছাত্রী। সে–ও জিমন্যাস্টিকে ভাল। দুই মেয়েকে মানুষ করাই স্বপ্ন প্রতিমার।

প্রতিমার বাবা নারায়ণচন্দ্র সাহা রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। মা হাসিরানি সাহা গৃহবধূ। দুই ভাই, দুই বোনকে নিয়ে খুব কষ্টে মানুষ হয়েছিলেন প্রতিমা। বিয়ের পর স্বামীর হাত ধরেই ছোট অটোরিক্সা এবং অ্যাম্বুল্যান্স চালানো শেখা। স্বামী প্রথমে অটোরিক্সা চালাতেন, পরে অ্যাম্বুল্যান্স। ৫ বছর পর বড় গাড়ি চালানোর লাইসেন্স পান প্রতিমা।

২০১০ সালে মিনিবাস কেনা হয়। পরে তা বাতিল হয়ে যায়। ১৫ বছরের পুরনো গাড়ি বাতিল হওয়ার নিয়মে। ফের চেষ্টা করেন কিভাবে নতুন মিনিবাস কেনা যায়। অবশেষে ব্যাংক লোন নিয়ে নতুন মিনিবাস কেনা হয়।

প্রতিমার বড় মেয়ে রাখি জানান , বাস কেনার ধার শোধ করতে এবং সংসার চালাতে মাকে অনেক কষ্ট করতে হচ্ছে, বাড়ি ফিরে একটুও সময় পায় না। কাজের লোক রাখতে পারে না।

অন্য কন্ডাক্টর রাখা হয় না, যাতে তাদের টাকা দিতে হয়। তাদের মানুষ করতে মায়ের কষ্টের শেষ নেই। আমাদের অনেক সময় মা খাইয়েও দেয়, যাতে আমাদের কোনও কষ্ট না হয়। রাখি বলেন, আমার একটা চাকরি হলে মায়ের কিছুটা কষ্ট লাঘব হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অদ্ভুত এক ভাসমান বাজার!

কলকাতায় লেকের পানির উপর একটি ভাসমান বাজার চালু হয়েছে রাজ্য সরকারের সহায়তায়। নৌকার উপর নানান ধরিনের পন্য নিয়ে এখানে বসেন বিক্রেতারা। ক্রেতাদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এটি।

কলকাতায় একটি বিশাল লেকের উপর এটি দেশের প্রথম ভাসমান বাজার। এর বিশেষত্ব হল এক একটি নৌকায় দু’টি করে দোকান আছে এবং নৌকাগুলো স্থান পরিবর্তন করে না।

পশ্চিমবঙ্গ সরকার ব্যাংককের ভাসমান বাজার থেকে এই বাজার তৈরির চিন্তা করেছিলেন। এর ফলে ২০০’রও বেশি হকার যাঁদের উচ্ছেদ করা হয়েছিল, তাঁদের পুনর্বাসন করা হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে ৯ কোটি ভারতীয় মুদ্রা।

এই ভাসমান বাজারে সব ধরনের জিনিস খুব সহজেই পাওয়া যায়৷ ফল-সবজি হোক বা মাছ-ডিম। দামও অন্যান্য বাজারের তুলনায় বেশ কম। কেএমডিএ এই বাজার বানানোর জন্য হুগলী জেলার বালাগড় থেকে দেড়শ’ নৌকা কিনেছে।

কলকাতা মহানগর বিকাশ কর্তৃপক্ষ, অর্থাৎ কেএমডিএ তত্ত্বাবধানে তৈরি বাজারটিতে ভিড় লেগেই থাকে। অনেকে আবার কেনাকাটার পাশাপাশি ঘুরে দেখতে আসেন বাজারটি। বাজারে একটি নৌকায় চায়ের দোকান আছে, তাই বেচা-কেনা করতে করতে মন চাইলে চা খেতে পারেন এই দোকানে।

এই বাজারে অন্য সব কিছুর পাশাপাশি বালিশ এবং তোশকও পাওয়া যায়। অর্থাৎ আপনার দরকারি সব জিনিসই এখানে পাবেন আপনি। কলকাতার এই বাজার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত খোলা থাকে৷ এরপর বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

ভাসমান বাজারে একটি নৌকার উপর সেলুন রয়েছে, অর্থাৎ আপনি এখানে চুল দাড়ি কাটতে পারবেন। প্রতিটি নৌকায় নম্বর লেখা আছে। এই নম্বর দেখেই দোকানগুলি মনে রাখতে পারবেন আপনি। রাজ্য সরকার এ ধরনের আরও বাজার বানানোর পরিকল্পনা করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গরম চায়ের সাথে সিগারেট খাচ্ছেন, তাহলেই বিপদ!

এক গবেষণার জন্য ৩০ বছর থেকে ৭৯ বছর বয়সী সাড়ে চার লাখ ব্যক্তির ধূমপান, মদ্যপান এবং চা পান অভ্যাসের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গবেষণার শুরুতে তাদের কারোই ক্যান্সার ছিল না। পরবর্তী নয় বছর যাবত এই সাড়ে চার লাখ মানুষের তথ্য নেওয়া হয়। এ সময়ের মাঝে ১,৭৩১ জনের খাদ্যনালীর ক্যান্সার দেখা দেয়।

গবেষণালব্ধ তথ্য বলছে, যারা দিনে অন্তত এক গ্লাস অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় পান করেন, পাশাপাশি দিনে অতিরিক্ত গরম চা পান করেন তাদের খাদ্যনালীর ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি। ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রেও দেখা যায়, প্রতিদিন অতিরিক্ত গরম চা পান করলে তাদেরও এই ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

পিকিং ইউনিভার্সিটি হেলথ সায়েন্স সেন্টারের ড. জুন এলভি জানান, তামাক ও অ্যালকোহল দুটো থেকেই দূরে থাকাই হচ্ছে এই ক্যান্সার প্রতিরোধের সবচেয়ে ভালো উপায়। কিন্তু ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাস না থাকলে শুধু চা পান করা নিয়ে চিন্তিত হবার কিছু নেই। তথ্যসূত্র: দ্য নিউইয়র্ক পোষ্ট

সমীক্ষা বলা হয়েছে, যে ব্যক্তিরা নিয়মিত ধূমপান ও মদ্যপান করেন, তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গরম চা পান করাটা খাদ্যনালীর (ইসোফ্যাজিয়াল)ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

ফলাফলে দেখা যায়, যারা অতিরিক্ত উত্তপ্ত চা পান করেন, মদ্যপান করেন এবং ধূমপান করেন, এই তিনটি অভ্যাস যাদের নেই তাদের তুলনায় এসব মানুষের খাদ্যনালীর ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে পাঁচগুণ বেশি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঝাড়ু হাতে এফডিসিতে রিয়াজ, পপি, জায়েদ ও কেয়া

চলছে ঋতুরাজ বসন্ত। ফাগুন হাওয়ায় উন্মাতাল শহরের যান্ত্রিক মানুষেরাও। সবার মনেই যেন ভালোবাসার ছোঁয়া। অথচ সকাল থেকেই এফিডিসিতে ঝাড়ু হাতে দেখা গেল তারকাদের। এরমধ্যে আছেন চিত্রনায়ক রিয়াজ, চিত্রনায়িকা পপি, জায়েদ খান ও কেয়ার মতো তারকা অভিনেতারাও। কিন্তু কেন?

মূলত ভালোবাসা দিবসে পরিচ্ছন্নতার অঙ্গীকার নিয়ে এফডিসির ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার অভিযানে নেমেছেন তারা। তারা সবাই ঝাড়ু হাতে চলচ্চিত্রের এই আঁতুড়ঘরের রাস্তা ও অলিগলিতে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করছেন।

এ সময় রিয়াজ বলেন, আজকের এই পরিচ্ছন্ন অভিযানের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘মন সুন্দর যার, সে রাখে দেশ পরিষ্কার’। আমরা সবাই আমাদের প্রাণের প্রিয় এই দেশকে একটু সচেতন হলেই সুন্দর করে পরিচ্ছন্ন রাখতে পারি।

জায়েদ খান বলেন, শিল্পীরা হচ্ছে একটি পরিবার আর এফডিসি হচ্ছে শিল্পীদের ঘর। তাই আমরা আমাদের ঘরকে পরিছন্ন করছি। আমরা বলতে চাই, সচেতন নাগরিক হিসেবে আপনারা চারপাশ পরিষ্কার রাখুন, তাহলেই দেশটা পরিচ্ছন্ন থাকবে।

এই চার চিত্রতারকাদদের সাথে আরো ছিলেন চিত্রনায়ক রুবেল, খল অভিনেতা মিশা সওদাগর, ডিপজল, শাহনূর, রোজিনা, নূতন। নতুন চিত্রশিল্পীদের মধ্যে ছিলেন বিপাশা কবির, জয় চৌধুরী, অধরা খান, নাদিম, শান প্রমুখ। অন্যদিকে পরিচালকদের মধ্যে এই কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক মুশফিকুর রহমান গুলজার, শাহ আলম কিরণ এবং গাজী মাহবুব প্রমুখ।

পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে গেল বছর শুরু হয়েছিল ‘ডেটল-চ্যানেল আই পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ পাওয়ার্ড বাই হারিপক’ ক্যাম্পেইন ধারাবাহিক ভাবে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিচ্ছন্ন অভিযান করছে।

এরই অংশ হিসেবে ১৪ ফেব্রুয়ারি এফডিসিতে পরিচ্ছন্ন অভিযানের আয়োজন করা হয়। তারকা শিল্পী ছাড়াও আরো এই পরিচ্ছন্ন অভিযানে অংশ নিয়েছেন ঢাকা উ. মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম, সিটি কর্পোরেশনের সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট এর ডিজি কমোডোর আব্দুর রাজ্জাকসহ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় সরকারি শিশু পরিবারে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগে নির্যাতিত শিশুদের সংবাদ সম্মেলন, কাল মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরায় যৌন নিপীড়নের প্রতিবাদ করায় সরকারি শিশু পরিবার থেকে মিথ্যা অভিযোগ এনে ৪ শিশুকে বহিষ্কার করার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটিতে এতিম বাচ্চাদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে ওই ৪ বালক। আজ বুধবার সকালে সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তারা এসব অভিযোগ সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরে। এঘটনায় নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ, সাতক্ষীরার পক্ষ থেকে আগামিকাল সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা নিউ মার্কেটস্থ শহিদ স ম আলাউদ্দীন চত্বরে এক মানববন্ধনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

পাঠকের সুবিধার্থে সংবাদ সম্মেলনে পঠিত এসব এতিম শিশুদের লিখিত বক্তব্য নি¤েœ হুবহু উপস্থান করা হলোÑ
“আমাদের শুভেচ্ছা নিন। আমাদের আহবানে আপনাদের মূল্যবান সময় নষ্ট করে আজকের এ সংবাদ সম্মেলনে হাজির হবার জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সাতক্ষীরা শিশু পরিবার(বালক)-এ বছরের পর বছর ধরে চলা নির্মম নির্যাতনের প্রতিবাদকারী ৪ জন শিক্ষার্থীকে বহিস্কারের প্রতিবাদে আজকের এই সংবাদ সম্মেলন।
সাংবাদিক ভাইয়েরা : আমরা নিম্নস্বাক্ষরকারী সাতক্ষীরা সরকারি শিশু পরিবার(বালক) এর শিক্ষার্থীবৃন্দ হইতেছি। আপনারা সকলেই অবগত আছেন গত ২০১৭ সালের জুলাই মাসের ৩০ তারিখে ঠিকমত খাদ্য, চিকিৎসা, পোশাক ও শিক্ষা উপকরণ না দেওয়া এবং ভয়ংকর যৌন নিপীড়নসহ বিভিন্ন অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে শিশু পরিবারের সকল শিশু মিলে ৪ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে একযোগে প্রতিবাদ করি। বিষয়টি আপনাদের লেখনীর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের গোচরে আসে এবং কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয় একটি তদন্ত কমিটি করতে।
পুরাতন সাতক্ষীরা এলাকায় ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত সরকারি শিশু পরিবারে (এতিম খানা, বালক) ১০০ জন শিশুর আবাসন ব্যস্থা থাকলেও নির্যাতন বহিস্কারের কারণে এখন নিয়মিত বাস করে ৫০ জনেরও কম এতিম শিশু। আমাদের দেখভাল করার জন্য শিক্ষক কর্মচারীসহ ১৭টি পদের মধ্যে রয়েছেন ৯ জন।
যৌন নির্যাতন, মারপিট, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা না রাখা, বিনোদন, আতœীয়ের দেখা সাক্ষাৎ করতে না দেওয়া, ঠিকমত খাদ্য ও চিকিৎসা না দেওয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাদের উপর নির্যাতন করা হয়। এসব বিষয় নিয়ে অভিযোগ করাই ইতোমধ্যে করিম, মুরশিদ, এখলাছুর ও সবুজের মেয়াদ থাকার পরও নির্যাতন করে বের করে দেয় এবং এ বিষয়ে কাউকে কিছু না বলার জন্য শাসানো হয়। এছাড়া আমাদের ওপর নেমে আসে আরও বেশি নির্যাতন।
এঘটনায় তৎকালীন সদর সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত ইউএনও দেবাশিষ চৌধুরী সকলকে শান্ত থাকতে বলেন এবং পরবর্তীতে বিষয়টি শুনে বুঝে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন। পরবর্তীতে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পরও অপরাধের বিপরীতে দোষীদের বিরুদ্ধে কোন আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। আামাদের উপর নির্যাতনকারী তৎকালীন ওই কর্মকর্তারা হলেন, অফিস সহকারী সাতক্ষীরার দেবনগর এলাকার খলিলুর রহমানের ছেলে তানভীর হোসেন, গোপালগঞ্জ জেলার বিমল বৈরাগী, বড় ভাই (পদের নাম) নওগা জেলার মোজাফফার হোসেনের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বিন হোসেন ও কৌশিক।
আপনারা জানলে অবাক হবেন, সরকারি শিশু পরিবারে শিক্ষার্থী পিছু সরকারি বরাদ্দ খাওয়া ও অন্যান্য উপকরণসহ মাসিক দুই হাজার ছয়শত টাকার উপরে। কিন্তু সরকার কর্তৃক দেওয়া সুযোগ সুবিধা থেকে এতিম শিশুদেরকে বছরের পর বছর ধরে বঞ্চিত করা হচ্ছে। আমরা অসুস্থ হলেও ঠিকমত চিকিৎসা করানো হয় না। সবচেয়ে বড় অভিযোগ হলো ওই কর্মকর্তারা আমাদের (এতিম শিশুদের) দিয়ে বিকৃত যৌনাচার করতেন। কথা না শুনলে ছোট ছোট বাচ্চাদের বেদম মারপিট করেন তারা। আমাদের টিভি রুম দখল করে সপরিবারে সেখানে বসবাস করতেন কর্মচারীরা। অথচ তাদের পরিবার নিয়ে থাকার কোন সুযোগ নেই। এবিষয়ে কারো কাছে নালিশ করলে আমাদের জন্য আরও কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়। তারপরও আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বার বার বিচার দিলেও কোন ফল পায়নি। আপনারা সাংবাদিকরা সকলেই সে সময় এসব অভিযোগের সত্যতা সরেজমিনে দেখছেন ও জেনেছেন।
এদিকে, কোন উপায় না পেয়ে সিনিয়র শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে আমরা সংঘবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ করতে বাধ্য হই। এঘটনায় বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া ও প্রিন্ট মিডিয়ায় সংবাদ পরিবেশন হলে অপরাধীদের বাঁচাতে অন্যত্র বদলি করা হয় এবং সভাপতি ও জেলা প্রশাসক সরেজমিনে আসলে আমাদের সাথে কোন কথা না বলে শুধু কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে চলে যাচ্ছিলেন। আমরা কিছু বলতে চাইলে তিনি বরং আমাদেরকে ভর্ৎসনা করে বলেন, সাংবাদিকদের কাছে কেন আমরা অনিয়মের ব্যাপারে কথা বলেছি।
সাময়িকভাবে সপ্তাহ খানেক সমাজের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মানুষ ও সাংবাদিকদের যাতায়াতের কারণে সরকারি শিশু পরিবারে খাবারের মান বাড়ে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা শোভন আচরণ করতে শুরু করেন। কিন্তু কিছুদিন পরই পূর্বের মত আমাদের উপর নির্যাতন চলতে থাকে। যাদেরকে সরকার বেতন দিচ্ছেন আমাদের সেবা করার জন্য শিশু পরিবারের সেই কর্মচারীরা আমাদেরকে দিয়ে ব্যক্তিগত ফাই ফরমায়েশ খটিয়ে নেন। আমাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা শুধু কাগজে-কলমে আর হিসাবের খাতায়। বাস্তবতা হচ্ছে অসুখ-বিসুখ হলে মানসম্পন্ন কোন চিকিৎসার ব্যবস্থা না করে আমাদেরকে অনেক সময় দরিদ্র মায়ের কাছে বা পরিবারের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়। খাবারের যে তালিকা করা আছে তা মানা হয় না। শিক্ষা উপকরণ খুবই অপ্রতুল। অথচ এসব কিছুর জন্য সরকারি বরাদ্দ আছে যা প্রতিমাসে লুটপাট হচ্ছে।
এক পর্যায়ে আবারো আগের মত নির্যাতন নিপীড়ন চালাতে থাকলে আমাদের কেউ কেউ প্রতিবাদ করার সাথে সাথেই উপ-তত্ত্বাবোধায়ক জামাল উদ্দিন পুলিশ ডেকে এনে আমাদেরকে গ্রেফতার করানোর ভয় দেখিয়ে চুপ করিয়ে রাখেন।
সাংবাদিক বন্ধুগণ, বর্তমান সরকার অত্যন্ত শিশুবান্ধব। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিশুদের মায়ের মত ভালোবাসেন। অথচ সাতক্ষীরা সরকারি শিশু পরিবারের শিশুদের উপর নির্মম নির্যাতনের প্রতিবাদ করায় আমাদেরকে বহিস্কার করা হয়েছে। গত রোববার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবোধায়ক জামাল উদ্দিন স্বাক্ষরিত বহিস্কারাদেশ পত্র আমাদের বাড়িতে পাঠানো হয়। এরপরও শিশু পরিবারের শিশুদেরকে দিয়ে কর্মচারীরা মটরবাইক পরিস্কার, কাপড় চোপড় পরিস্কার করানোসহ ভারী কাজ কর্ম করাচ্ছেন কিন্তু তাদের কোন শাস্তি হচ্ছে না। উক্ত নির্যাতন ও যৌন নিপীড়নের ঘটনার ৮ মাস অতিবাহিত হওয়ার পর ওই দোষী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোন আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে আমাদেরকে শাসানো হচেছ, তোমরা এঘটনায় বাইরে প্রকাশ করলে তোমাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এরপরপরই আমাদের বহিষ্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কি কারণে আমাদেরকে বহিস্কার করা হলো সে ব্যাপারে সমাজসেবা কর্মকর্তাসহ গভনিং বর্ডির কেউ আমাদের সাথে কথা বলেননি। এরপরপরই বর্তমানে যে সকল শিশুরা আছে তাদের উপরে ব্যাপকভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। আমাদের বহিস্কারের ব্যাপারে বাহিরের কারো কাছে কোন প্রকার তথ্য প্রকাশ না করতে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখানো হয়।
আমরা উক্ত ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও আইনগত ব্যবস্থাসহ আমাদের বিরুদ্ধে অবৈধ বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার, আমরা যাতে নির্বিঘেœ থাকতে পারি তার ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় সমাজকল্যাণমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। সর্বপরি আশা করি সাংবাদিক ভাইয়েরা আপনাদের বস্তুনিষ্ঠ লেখনির মাধ্যমে স্ব স্ব গণমাধ্যমে উক্ত সংবাদটি প্রকাশ করে যাহাতে আইনগত ও আদালতের সহযোগিতা পেতে পারি তার বিহীত ব্যবস্থা করবেন। একই সাথে আমাদের ছোট ভাইয়েরা যারা এই শিশু পরিবারে আছে তারা আপনাদের সন্তান তুল্য। যে অবর্ণনীয় নির্যাতনের শিকার তারা হচ্ছে এবং যে অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে মানসিক যন্ত্রণা নিয়ে আপনাদের সন্তানদের বেড়ে উঠতে হচ্ছে, আপনাদের শক্তিশালী লেখনীই পারে তার পরিবশে উন্নত করতে। পরিশেষে আপনাদের সু-স্বাস্থ্য ও চিরকল্যাণ কামনা করছি।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থি ৪ শিশু হলো- আব্দুল করিম, পিতা- মৃত নুর আলী সরদার, সাং- ধুলিহর, থানা ও জেলা-সাতক্ষীরা, এখলাছুর রহমান পিং- মৃত. শওকত আলী
সাং- যুগিপোতা, থানা ও জেলা সাতক্ষীরা, মুরশিদ গাজী পিং- মৃত. নেছার আলী গাজী
সাং গোবিন্দপুর(কাদাকাটি), থানা-আশাশুনি, জেলা-সাতক্ষীরা এবং শেখ সবুজ হোসেন পিং- মৃত. আলী আহমেদ, সাং- বড় কাশিপুর (পাটকেলঘাটা), থানা- পাটকেল ঘাটা, জেলা-সাতক্ষীরা।
এদিকে, আজকের সংবাদ সম্মেলনে এতিম শিশুদের সাথে একত্মাতা ঘোষণা করে নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ, সাতক্ষীরার নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের আহবায়ক এড. ফাহিমুল হক কিসলু, সদস্য সচিব আলীনুর খান বাবুল, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জে এস ডি’র সাধারণ সম্পাদক সুধাংশু শেখর সরকার, সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জী, সাংবাদি এম. কামরুজ্জামান, ইঞ্জিনিয়ার আবিদুর রহমান, আ . লীগ নেদতা হাসান হাদী, আমির হোসেন খান চৌধুরী প্রমুখ।
নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ, সাতক্ষীরা এতিম খানার দুর্নীতি অনিয়ম নির্যাতন ও যৌন নিপীড়নের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং ৪জনকে বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে আগামিকাল বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা নিউমার্কেটস্থ শহীদ স ম আলাউদ্দিন চত্বরে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত মানববন্ধনে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest