ভোটারদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন মোদি

ভারতের গুজরাট বিধানসভার দ্বিতীয় ও শেষ দফার নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের মতো লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার কিছু পরে আমেদাবাদের সবরমতী বিধানসভা কেন্দ্রের রানিপ এলাকায় অবস্থিত নিশান হাইস্কুলে ১১৫ নম্বর বুথে ভোট দেন তিনি। এই সবরমতী বিধানসভা কেন্দ্রের বর্তমান এমএলএ বিজেপির অরবিন্দ প্যাটেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কংগ্রেস প্রার্থী জিতুভাই প্যাটেলের সঙ্গে।

এদিন দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে মোদির শোভাযাত্রা এসে থামে নির্বাচনী কেন্দ্রের বাইরে। এরপর সেখান থেকে হেঁটে ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে যান এবং আর পাঁচজন সাধারণ ভোটারের সঙ্গেই লাইনে দাঁড়ান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। কয়েক মিনিট অপেক্ষা করার পর ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের ভিতর প্রবেশ করেন তিনি। এরপর প্রধানমন্ত্রীর আঙুলে ভোটের কালি লাগিয়ে দেন ভোট কর্মীরা। এরপর সমস্ত আনুষ্ঠাকিতা শেষ করে নিজের ভোটটি প্রদান করেন এবং কালি লাগানো আঙুলের ছবিটি গণমাধ্যমের কর্মীদের সামনে তুলে ধরেন।

এদিন নির্বাচন কেন্দ্রে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই মোদিকে ঘিরে উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ ছড়িয়ে পড়ে। মোদিকে দেখতে ভোট কেন্দ্রের বাইরে অনেক সাধারণ মানুষও জড়ো হন এবং তারা প্রত্যেকেই ‘মোদি-মোদি’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। মোদিকে সামনে পেয়ে ছবি তোলার হিড়িক পড়ে যায় উপস্থিত ভোটারদের মধ্যে।

এদিন, ভোটদানের পরও কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে অনেকটা পথ পায়ে হেঁটে সেখানে উপস্থিত সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। কয়েকশত মিটার পায়ে হেঁটে সাধারণ মানুষের সাথে মিশে যান, এ সময় মোদিকে ঘিরে সাধারণ জনতার মধ্যে প্রবল উৎসাহ ছড়িয়ে পড়ে, মোদিকে দেখতে হুড়াহুড়ি শুরু তাদের মধ্যে। সে সময় ভিড় সামলাতে রীতিমতো হিমসিম খেতে হয় মোদির ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মীদের।

শেষ দফায় সকাল ৮টা থেকে উত্তর ও মধ্য গুজরাটের ১৪টি জেলার ৯৩টি কেন্দ্রে ভোট নেওয়া শুরু হয়েছে। প্রায় ২ কোটি ২২ লাখ ভোটার মোট ৮৫১ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন।

এদিন সকালে গান্ধীনগরে আর্যভট্ট হাইস্কুলে ভোট দেন নরেন্দ্র মোদির মা হিরাবেন (৯০)। মা’এর সঙ্গে ছিলেন তাঁর ছোট ছেলে পঙ্কজ মোদি ও পরিবারের লোকেরা। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে ভোট দিয়ে যান বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ, গুজরাটের সাবেক নারী মুখ্যমন্ত্রী আনন্দীবেন প্যাটেল, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুন জেটলি, রাজ্যটির উপমুখ্যমন্ত্রী বিজেপির নীতিন প্যাটেল, কংগ্রেস প্রার্থী শক্তিশিং গোহিল, পতিদার নেতা ও প্যাটেল আন্দোলনের নেতা হার্দিক প্যাটেল, সাবেক ক্রিকেটার নয়ন মোঙ্গিয়া প্রমুখ।

গত ৯ ডিসেম্বর প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হয় গুজরাটে। গণনা আগামী ১৮ ডিসেম্বর। ওই একই দিনে হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার ভোটেরও ফলাফল ঘোষিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জয়ার ছবি দিয়ে শুরু হচ্ছে ঢাকাই সিনেমার নতুন বছর

বিনোদন ডেস্ক : ঢাকা ও কলকাতা দুই শহরেই জয়া আহসানের কদর। তবে সম্প্রতি কলকাতাতেই তার ব্যস্ততা চোখে পড়ার মতো। সেখানে নামী দামি নির্মাতারা প্রায় সবাই জয়াকে চাইছেন তাদের ছবিতে। সেই সুবাদে বেশ কিছু ছবিতে তিনি কাজ করছেন।
এরইমধ্যে পাওয়া গেল নতুন খবর, জয়া আহসানের ছবি দিয়েই শুরু হতে যাচ্ছে ঢাকাই সিনেমার ইন্ডাস্ট্রির নতুন বছর। অর্থাৎ, নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহেই মুক্তি পেতে যাচ্ছে এই অভিনেত্রীর সিনেমা। ছবির নাম ‘পুত্র’। ছবিটি পরিচালনা করেছেন সাইফুল ইসলাম মান্নু।
তথ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের প্রযোজনা এবং ইমপ্রেস টেলিফিল্মের তত্ত্বাবধায়নে নির্মিত হয়েছে ‘পুত্র’। অটিস্টিক শিশুদের বেড়ে ওঠা, পরিবারের চ্যালেঞ্জ আর পারিপার্শ্বিক সামাজিক অবস্থায় একটি অটিস্টিক শিশু জীবন-যাপন কেমন হয়, শিশুটি কীভাবে বেড়ে ওঠে, সেসব দৃশ্যপট তুলে ধরা হয়েছে ‘পুত্র’ ছবিতে।
চলচ্চিত্রটির ডিস্ট্রিবিউটিংয়ের দায়িত্বে পেয়েছে জাজ মাল্টিমিডিয়া। ৫ জানুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে ‘পুত্র’ চলচ্চিত্রটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে জানিয়ে জাজের সিইও আলিমুল্লা খোকন বলেন, ‘জাজ মাল্টিমিডিয়া ‘পুত্র’ ছবিটির পরিবেশকের দায়িত্ব পেয়েছে। এই ছবিগুলোতো গ্রামের দিকে খুব একটা চলে না, তাই আমরা সিনেপ্লেক্সগুলোতেই বেশি মনযোগ দিচ্ছি।’
অনুমান করা যাচ্ছে ত্রিশটি প্রেক্ষাগৃহে ‘পুত্র’ চলচ্চিত্রটি মুক্তি পেতে পারে। এ বিষয়ে জাজ কর্মকর্তা খোকন বলেন, ‘আপাতত আমাদের টার্গেট বিশটির মতো হলে ছবিটি মুক্তি দেওয়া। পরবর্তীতে দর্শক চাহিদার উপর নির্ভর করবে পরের সপ্তাহে হল আরও বাড়বে কী না।’
জয়া আহসান ছাড়াও ‘পুত্র’ ছবির অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন আহসান হাবিব, রিচি সোলায়মান, সাবেরী আলমসহ অনেকে। হারুন রশীদের কাহিনিতে চিত্রনাট্য ও সংলাপ করেছেন স্বয়ং নির্মাতাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমার চরিত্রের নাম মুটি : মৌমিতা

বিনোদন ডেস্ক : চলচ্চিত্রে চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে কত কিছুই না করতে হয় অভিনয়শিল্পীদের। কখনো ওজন কমাতে হয়, কখনো আবার বাড়াতেও হয়। মৌমিতা মৌকে ওজন বাড়াতে হয়েছে। মালেক আফসারি পরিচালিত ‘অন্তর জ্বালা’ ছবির জন্যই ওজন বাড়ান মৌমিতা। তিনি জানান চরিত্রের প্রয়োজনে ৭ কেজি ওজন বাড়িয়েছেন তিনি। আর ওজন বাড়িয়েছেন কিভাকে সেটাই জানিয়েছেন তিনি।
মৌমীতা বলেন, ‘আমাকে যখন এই ছবিতে সিলেক্ট করা হয়, তখন পরিচালক মালেক আফসারি স্যার আমাকে ফোন করে বললেন আমাকে আরো মোটা হতে হবে। আমি তো অবাক, আমি এমনিতেই অনেক হেলদি, আরো মোটা হবো মানে কী? পরে স্যারের সাথে আমি দেখা করি, তিনি আমাকে ছবির গল্প ও চরিত্র বুঝিয়ে দেন, তখন দেখি আমার চরিত্রের নাম মুটি। আমাকে তাই আরো মোটা হতে হবে।’
মৌমিতা বলেন, ‘আমি দুই মাস নিয়মিত ফাস্ট ফুড খেয়েছি তিন বেলাতেই, এমনিতেই খাবার খেতে আমার ভালো লাগে, ছবির জন্য আমি আরো খাবার বাড়িয়ে দেই। দুই মাসে আমি আরো সাত কেজি ওজন বাড়িয়েছি।’
নিজের চরিত্র নিয়ে মৌমিতা আরো বলেন, ‘গল্পে আমি একজন ভয়েস আর্টিস্ট, আমি মফঃস্বল শহরে একটি ডিস চ্যানেলের প্রচারের জন্য যে বিজ্ঞাপন তৈরি হয়, আমি সেখানে ভয়েস দেই। সেখানেই পরিচয় হয় ছবির হিরোর সাথে। এর বেশি বলতে চাই না। আশা করি দর্শক হলে গিয়ে ছবিটি দেখবেন।’
এ ছবির চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন পরিচালক মালেক আফসারি নিজেই। সংগীত পরিচালনা করেছেন এস আই টুটুল। ছবিটি প্রযোজনা করেছে জায়েদ খানের সংস্থা জেড কে মুভিজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নেকড়ের সঙ্গে সালমান খানের লড়াই!

বিনোদন ডেস্ক : সিনেমার পর্দায় দর্শকদের আনন্দ দিতে কত কসরতই তো করেন তারকারা। কিন্তু তাই বলে সত্যিকারের নেকড়ের সাথে লড়াইয়ের মতো দুঃসাহস কেউ করেন? কেউ না করলেও এমন দুঃসাহস করেছেন বলিউড ভাইজান খ্যাত তারকা সালমান খান।
তার নতুন ছবি ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’- এর একটি দৃশ্য ছিলো নেকড়ের সঙ্গে লড়াইয়ের। সেই দৃশ্যের একটি ছবি টুইটারে পোস্ট করেছেন পরিচালক আলি আব্বাস জাফর। তিনি বলেন, ভেবেছিলেন প্রযুক্তির মাধ্যমেই সেই দৃশ্যটি করবেন। কিন্তু দর্শকদের কাছে যেনো খুঁত না থাকে তার জন্যে প্রযুক্তির নেকড়ে নয়, দৃশ্যায়নের জন্যে বন্দোবস্ত করা হয়েছিলো একেবারে জীবন্ত রক্ত পিপাসু নেকড়ে।
অস্ট্রিয়ার তুষার ঢাকা সে জঙ্গলে কয়েকটি নেকড়ের ব্যবস্থা করেছিলেন অ্যাকশন দৃশ্যের পরিচালক টম স্ট্রাথার। এই দৃশ্যধারণ সম্পর্কে ছবির পরিচালক আলী আব্বাস জাফর বলেন, ‘বলিউডের রুপালি পর্দায় এ ধরনের অ্যাকশন দৃশ্য প্রথমবারের মতো দেখবেন দর্শক। জীবন্ত নেকড়ের সঙ্গে অ্যাকশন দৃশ্য করে অ্যাকশন হিরো হিসেবে নিজেকে অন্যস্থানে নিয়ে গেলেন সালমান।’
আগামী ২২ ডিসেম্বরে রুপালি পর্দায় মুক্তি দেয়া হবে সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ অভিনীত ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’ ছবিটি। ছবিটিতে একজন ভারতীয় গোয়েন্দা এজেন্টের ভূমিকায় দেখা যাবে সালমান খানকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অভিনয়ে ফিরলেন শারমিন শীলা

বিনোদন ডেস্ক : পাঁচ বছর পর অভিনয়ে ফিরলেন শারমিন শিলা। মীর সাব্বিরের পরিচালনায় ধারাবাহিক নাটক ‘নোয়াশাল’-এ দেখা যাবে তাঁকে।
এর মধ্যে শুরু করেছেন শুটিং। সাব্বির বলেন, “বন্ধু শিলাকে আমার নাটকে পেয়ে ভালো লাগছে। একদিন সে-ই বলেছিল, ভালো কোনো চরিত্র হলে আবার অভিনয়ে ফিরবে। ‘নোয়াশাল’ নাটকটি অঞ্চলভিত্তিক ভাষায় নির্মিত হচ্ছে। শিলার বাড়ি নোয়াখালী। সে নোয়াখালীর ভাষা ভালো বলতে পারে। তাই ওকেই নাটকটিতে কাস্ট করেছি। এর মধ্যে নাটকটির ৬০০তম পর্ব প্রচারিত হয়েছে। ৬১০ পর্ব থেকে দেখা যাবে শিলাকে। সে আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর খালার চরিত্রে অভিনয় করছে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাসের ‘কন্ডাক্টর’ থেকে সুপারস্টার রজনীকান্ত

বিনোদন ডেস্ক : শিবাজি রাও গাওকায়াদ। বলিউডে যিনি রজনীকান্ত নামেই পরিচিত। ১৯৫০ সালে ভারতের বেঙ্গালুরু রাজ্যে তার জন্ম। নিজ অভিনয় গুণ ও দক্ষতা দিয়ে পুরো ভারত বটেই বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হয়েছেন তিনি। হয়েছেন ভারতের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক প্রাপ্ত অভিনেতা।
কিন্ত এই রজনীকান্তের নায়ক হিসেবে উত্থান ঠিক যেন সিনেমার গল্পের মতোই। এই কিংবদন্তীর জীবনটা এতটা মসৃণ ছিল না। আজকের এই রজনীকান্ত জীবনের এক সময় কাজ করেছেন বেঙ্গালুরুর বাসের কনডাক্টর হিসেবে। সেখান থেকে চলে যান মাদ্রাজ ফিল্ম ইনস্টিটিউটে। কিন্তু তার এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি তার বাবা। তার এই দুর্দিনে এগিয়ে এলেন তার বন্ধু রাজ বাহাদুর।
রজনীর সিনেমা জীবনটা শুরু হয় মঞ্চ নাটক দিয়ে। তারপর ডাক পান তামিল পরিচালক কে বালাচরনদারের ছবিতে। শুরু হল নতুন পথ চলা। এরপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি রজনীকে।
ভারতের সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিকের অভিনেতা রজনীকান্ত। শিবাজি ছবির জন্য তিনি পারিশ্রমিক নিয়েছেন ২৬ কোটি রুপি-যা এশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এশিয়ার প্রথম সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকের অভিনেতা জ্যাকি চ্যান।
রজনীকান্তই প্রথম ভারতীয় অভিনেতা যিনি বিভিন্ন প্রযুক্তির ক্যামেরায় কাজ করেছেন। রজনীকান্ত প্রতিটি ছবির শ্যুটিং শেষে চেন্নাই থেকে হিমালয়ে হাওয়া খেতে যান। একবার চেন্নাইতে তার জন্ম দিনের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে তার এক ভক্ত সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়। এরপর থেকে চেন্নাইতে নিজের জন্ম দিন আর কোনদিনই পালন করেননি তিনি। রজনীকান্ত অভিনীত সায়েন্স ফিকশন ধর্মী তামিল ছবি এনথিরান ২০১০ সালে বিশ্বে টপ ৫০ এর মধ্যে স্থান করে নিয়েছিল।
শুধু তাই নয়, তার এই ছবিটি একটি স্নাতকোত্তর কোর্সের কেস স্টাডিতে জায়গা পেয়েছিল। এই কিংবদন্তী অভিনেতা তামিল, তেলেগু, কান্নাদা, মালায়াম, হিন্দী এমনকি বাংলা ছবিতেও অভিনয় করেছেন। কিন্তু কোনটিতেই তিনি মাতৃভাষা ব্যবহার করেননি।
রজনীর জনপ্রিয়তা এতই তুঙ্গে যে, ২০১৪ সালের ৫ মে যখন প্রথম তিনি টুইটারে আসেন, প্রথম দিনেই তার ফলোয়ার সংখ্যা আড়াই লাখ ছাড়িয়ে যায়। উত্তরের ভক্তরা তাকে দেবতার সাথে তুলনা করেন।
বুধবার রজনীকান্তের ৬৭ তম জন্মদিন ছিল। ভক্ত ও অনুরাগীদের থেকে পেয়েছেন শুভেচ্ছা। বয়স বাড়লেও, সিনেমার পর্দায় তা বুঝতে দেননি। আগামী বছরই তাঁর ২.০ ছবিটি মুক্তি পাবে। সেখানেও তাঁকে দেখা যাবে এক অন্য অবতারে। রোবট ছবির সিকুয়ালে রজনীর পাশাপাশি দেখা যাবে অক্ষয় কুমারকেও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পানির সঙ্গে লেবু ও মধু, ওজন কমায়?

লেবু, মধু আর পানি—এই তরল পানীয়টি অনেকের কাছে অতি পরিচিত। ওজন কমাতে অনেকেই প্রতিদিন সকালে খালি পেটে পান করে থাকে এই পানীয়।

আসলেই কি এই পানীয় ওজন কমায়? লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। আর মধুতে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রভাব। এটি শরীরের জন্য উপকার। বলা হয়, লেবু-মধু একসঙ্গে হালকা গরম পানি দিয়ে খেলে বিপাক (মেটাবলিজম) সক্রিয় হয়। এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে।

এই মিশ্রণ ওজন কমাতে পারে—এটি গবেষণায় সেভাবে প্রমাণ না হলেও এই মিশ্রণ ত্বককে ভালো রাখতে ও ঠান্ডা-কাশি প্রতিরোধে খুবই উপকারী। এই মিশ্রণটি কোনো মহৌষধ নয় যে পান করলেই ওজন কমে যাবে। সঠিক জীবনযাত্রা, হাঁটা ও ক্যালরি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুষম খাবার গ্রহণ করা ছাড়া শুধু লেবু-মধু-পানি খেয়ে ওজন কমানো সম্ভব নয়। বরং অতিরিক্ত লেবু খেলে তা কিডনির জন্য ঝুঁকি। আবার বেশি লেবু খেলে বুক জ্বালাপোড়া, এসিডিটি, এমনকি পেটে ব্যথাও হতে পারে।

আবার বেশি মধু খেলে ক্যালরি বেশি হলে তাও ঠিক নয়। ওজন কমাতে সকালে খালি পেটে মধু-লেবু-পানির ওপর নির্ভর না করে সঠিক ডায়েটের মাধ্যমে ওজন কমাতে হবে। তবে হ্যাঁ, লেবু-মধু-পানি তাতে সহায়ক হয়ে কাজ করবে।

এক গ্লাস গরম পানি (যতটুকু গরম মুখে সইবে), তার সঙ্গে একটি মাঝারি লেবুর অর্ধেক, আর ক্যালরিভেদে আধা বা এক চা চামচ মধু মিশিয়ে সকালে ডায়টিশিয়ান বা এক্সপার্ট পরামর্শমতে পান করলে ভালো। মধু কতটুকু খাঁটি, তা জানাও অনেক জরুরি।

তবে এটা ঠিক, আমি তাদের এই মিশ্রণ খেতে বলি, যারা অনেক ক্লান্ত বোধ করে। এ ছাড়া যাদের মাইগ্রেন রয়েছে, তারা বাইরের রোদে বের হওয়ার সময় এবং রোদ থেকে ফিরে এই মিশ্রণটি খেলে অনেক উপকার পাবে।

আবার যারা ব্রেনের কাজ বেশি করে ক্লান্ত হয়ে পড়ে, তারা এই মিশ্রণ খেলে অনেক উপকার পাবে। খুব কাশি-ঠান্ডা লাগলেও এটি উপকারী।

তাই না জেনে অতি স্বাস্থ্যকর একটি তরলকে অস্বাস্থ্যকর না করে তোলাই ভালো।

লেখক : প্রধান পুষ্টিবিদ, অ্যাপোলো হাসপাতাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিয়ানমারে রয়টার্সের দুই সাংবাদিক গ্রেপ্তার

মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা সেখানে কর্মরত লন্ডনভিত্তিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের দুই সাংবাদিক ওয়া লন ও কিঁয় সোয়ে ও-কে গ্রেপ্তার করেছে।

এ দুই সাংবাদিক সম্প্রতি সেনাবাহিনীর হত্যা-ধর্ষণ-নির্যাতনের মুখে রাখাইন রাজ্য থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর প্রতিবেদন তৈরির কাজ করছিলেন।

মিয়ানমারের তথ্য মন্ত্রণালয় তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে গতকাল বুধবার জানিয়েছে, এ দুই সাংবাদিক ছাড়াও কর্তৃপক্ষ আরো দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের ১৯২৩ সালের ব্রিটিশ উপনিবেশিক যে আইনের আওতায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, তাতে দোষী প্রমাণিত হলে তাদের সর্বোচ্চ ১৪ বছরের সাজা হতে পারে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা ‘বেআইনিভাবে পাওয়া তথ্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিদেশি গণমাধ্যমের কাছে শেয়ার’ করেছেন। তার সঙ্গে দুই সাংবাদিকের হাতকড়া অবস্থায় তোলা ছবিও যুক্ত করা হয়েছে।

মিয়ানমারের অন্যতম প্রধান শহর ইয়াঙ্গুনের বাইরে একটি পুলিশ স্টেশনে তাদের আটক রাখার তথ্য দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই বিবৃতিতে।

সাংবাদিক ওয়া লন ও কিঁয় সোয়েও গত মঙ্গলবার রাতে পুলিশের আমন্ত্রণে একটি ডিনারে অংশ নিতে গিয়ে নিখোঁজ হন। রয়টার্সের গাড়িচালক মাঁয়োথান্ট তুন ওই রাতে ৮টার দিকে দুই সাংবাদিককে নিয়ে পুলিশের আট ব্যাটালিয়নের কম্পাউন্ডে নামিয়ে দেন। তারপর দুই সাংবাদিক ও দুই পুলিশ কর্মকর্তা কাছাকাছি একটি রেস্তোরাঁয় যান। কিন্তু দুই সাংবাদিক সে রাতে আর গাড়িতে ফিরে আসেননি। তার পর থেকেই তাঁরা নিখোঁজ ছিলেন।

নতুন করে সহিংসতা শুরুর পর বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে গত ২৫ আগস্টের পর থেকে সাড়ে ছয় লক্ষাধিক রোহিঙ্গা মুসলিম বাস্তুচ্যুত হয়ে প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। রোহিঙ্গারা ভয়াবহতার বিবরণ দিতে গিয়ে বলেছেন, দেশটির সেনাবাহিনীর সদস্যরা পুরুষ সদস্যদের ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করছে, নারীরা প্রতিনিয়ত সেখানে ধর্ষণের শিকার হচ্ছে আর তাদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিচ্ছে।

রোহিঙ্গাদের ওপর সহিংসতার এ ঘটনাকে জাতিসংঘ ‘জাতিগত নিধনের ধ্রুপদি উদাহরণ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। যদিও মিয়ানমারের সামরিক কর্তৃপক্ষ এবং দেশটির নেত্রী নোবেলজয়ী অং সান সু চির পক্ষ থেকে তা বরাবরই অস্বীকার করা হয়েছে।

‘রয়টার্সের দুই সাংবাদিক ওয়া লন ও কিঁয় সোয়ে ও মিয়ানমারের বৈশ্বিক গুরুত্ব নিয়ে লিখেন এবং আজকের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের শিক্ষা হচ্ছে, তাঁরা তাদের কাজে যুক্ত থাকার কারণেই গ্রেপ্তার হয়েছেন’, এক বিবৃতিতে বলেন রয়টার্সের প্রেসিডেন্ট ও এডিটর-ইন-চিফ স্টিফেন জে অ্যাডলার।

রয়টার্সপ্রধান আরো বলেন, ‘সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর এই ধরনের নির্লজ্জ আক্রমণে আমরা ক্ষুব্ধ। দুই সাংবাদিককে অবিলম্বে মুক্তির জন্য আমরা কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

দুই সাংবাদিককে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির মুখপাত্র জ তাই। তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু আপনাদের দুই সাংবাদিককেই গ্রেপ্তার করিনি, এ মামলার সঙ্গে যুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা পুলিশ ও সাংবাদিক উভয়ের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেব।’

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হেদার নাওয়েট দুই সাংবাদিককে আটকের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, তাঁর দেশ বিষয়টি ‘নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ’ করছে। তিনি দুই সাংবাদিকের নিরাপত্তার বিষয়টি কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘তারা সেখানে শুধু তাঁদের নির্ধারিত পেশাগত দায়িত্বই পালন করছিলেন।’

এ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং নিউইয়র্কভিত্তিক কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্ট এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest