সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গনভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশনসাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনজংধরা ও ভাঙা ফ্লোরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার : সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমেআশাশুনির খাজরা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাচ্চুকে অপসারন ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরায় কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তিপ্রদান ও পুরস্কার বিতরণীসাতক্ষীরায় কলেজের অধ্যক্ষকে পিটিয়ে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের পর উল্টো বিভিন্ন অনলাইনে অপপ্রচারInstant casino’s bieden meer dan alleen snelheid: een diepgaande analysePianificazione Strategica del Cool‑Off nel Gioco d’Azzardo Online – Come Trasformare le Pause in Strumenti di Benessereการเลือกเกมที่ตอบโจทย์สไตล์การเล่นของคุณใน playbet casino

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন; প্রার্থীদের সবুজ সংকেত দিচ্ছেন শেখ হাসিনা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের যেসব নেতা দলের মনোনয়ন পেতে পারেন তাঁদের অনেককে আগাম ‘সবুজ সংকেত’ দিচ্ছেন দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিএনপির অংশগ্রহণে জোর লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এমন উদ্যোগ নিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। কমপক্ষে ১০০ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে বলে আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায়ের সূত্রে জানা গেছে। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে নির্বাচনের আগে প্রয়োজনীয় দলীয় আনুষ্ঠানিকতার পর। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের বৈঠকে চূড়ান্ত করে চিঠি দেওয়া হবে প্রার্থীদের।

দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের সবুজ সংকেত দেওয়া হচ্ছে কি না জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, নিশ্চয়ই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি মনে করেন এঁদের দিয়ে ভালো ফল পাবেন তাই তাঁদের ইঙ্গিত বা গ্রিন সিগন্যাল দিচ্ছেন। যাঁর সম্ভাবনা বেশি আছে, অনেক ক্ষেত্রে তাঁকে ইঙ্গিত দিয়েছেন। সংখ্যাটা কত জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সংখ্যাটা বলতে পারব না। তবে ভালো পারসেন্টেজ।’ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ঢাকা, রাজশাহী ও সিলেটের সম্ভাব্য প্রার্থীরা যেভাবে ইঙ্গিত পেয়েছেন সেভাবেই সংসদ নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীদেরও ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ বলেন, ‘এটি আন-অফিশিয়ালি করা হচ্ছে। যাঁদের আসনে ভালো ফল ছিল, যাঁদের আসন নিয়ে আমরা আশাবাদী, তাঁদের একটা সিগন্যাল দেওয়া হয়েছে। এই সিগন্যাল নেত্রী দিচ্ছেন। বেশ কিছু আসনে নেতাদের নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত হওয়ার জন্য বলা হয়েছে।’ সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে এমন আসনের সংখ্যা কত জানতে চাইলে তিনি বলেন, আনুমানিক ১০০ হবে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উপনির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার ‘গ্রিন সিগন্যাল’ পেয়ে মাঠে নেমে পড়েছেন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলাম আতিক। আসন্ন রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্যও দলের সাবেক দুই মেয়রকে সবুজ সংকেত দিয়েছেন শেখ হাসিনা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখেও অনুরূপ কৌশল অনুসরণ করছে আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং পটুয়াখালী-১ (সদর) আসনে দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী আফজাল হোসেন গত বুধবার বলেন, ‘সভানেত্রী নৌকা মার্কার বিজয়ের জন্য আমাকে কাজ করতে বলেছেন। আমি নির্বাচন করার ব্যাপারে প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

চাঁদপুর-১ আসনে নৌকার জন্য কাজ করতে বলা হয়েছে এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম হোসেনকে। তিনি বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

জানা গেছে, দক্ষিণাঞ্চলের একটি জেলার বাসিন্দা একজন সাবেক ছাত্রনেতাকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে সবুজ সংকেত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই সাবেক ছাত্রনেতা নির্বাচনের সর্বাত্মক প্রস্তুতি শুরু করেছেন।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, আরো যাঁরা দলীয় সভাপতির সবুজ সংকেত পেয়েছেন তাঁদের মধ্যে আছেন এনামুল হক শামীম (শরীয়তপুর-২), অধ্যাপক আবু সাইয়িদ (পাবনা-১), ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১), মতিউর রহমান (রাজশাহী-১), আসাদুজ্জামান আসাদ (রাজশাহী-৩), অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ (নাটোর-১), জলি চৌধুরী (নাটোর-২), সালমান এফ রহমান (ঢাকা-১), ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন (ঢাকা-৭)। এ ছাড়া জোটগতভাবে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে আভাস পেয়েছেন ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা (ঢাকা-১৭)।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলের সর্বশেষ অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়নের লক্ষ্যে জরিপ কার্যক্রম অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের আগেও এ ধরনের জরিপ করা হয়েছিল। সরকারি সংস্থার বাইরে বেসরকারি একাধিক প্রতিষ্ঠান এ ধরনের জরিপকাজে অংশ নেয়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে অনেক আগে থেকেই জরিপ চালানো হচ্ছে। এটি নির্বাচনের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত চলবে বলে জানা গেছে।

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত করে থাকে দলের মনোনয়ন বোর্ড। পদাধিকার বলে ওই বোর্ডের প্রধান দলের সভাপতি শেখ হাসিনা। তবে মনোনয়নের ক্ষেত্রে তৃণমূল আওয়ামী লীগের সুপারিশের বিষয়টিও আমলে নেয় দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। প্রার্থিতা চূড়ান্ত হওয়ার আগে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের দলীয় ফরম কিনে মনোনয়ন বোর্ডের মুখোমুখি হতে হয়। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বোর্ডের সদস্যরা তাঁদের সাক্ষাৎকার নেন। এরপর মনোনয়ন বোর্ড প্রার্থী চূড়ান্ত করলে শেখ হাসিনার সই করা চিঠি চূড়ান্তভাবে মনোনীত প্রার্থীদের হাতে দেওয়া হয়।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছিলেন দলের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। সেখানে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল শেখ হাসিনার সই করা আওয়ামী লীগের মনোনয়নের চিঠি।
সূত্র: কালের কণ্ঠ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংবিধান অনুযায়ী হবে নির্বাচনকালীন সরকার- জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে। সেই সরকার সর্বোতভাবে নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচন পরিচালনায় সহায়তা দিয়ে যাবে। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত সব দল আগামী সাধারণ নির্বাচনে অংশ নেবে এবং দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে সমুন্নত রাখতে সহায়তা করবে। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের চার বছর পূর্তি উপলক্ষে গতকাল সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, কোনো কোনো মহল আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা করতে পারে। দেশবাসীকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। জনগণ অশান্তি চায় না। নির্বাচন বয়কট করে আন্দোলনের নামে জনগণের জানমালের ক্ষতি করবেন— এটা আর এদেশের জনগণ মেনে নেবে না। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার সরাসরি সম্প্রচার করে। এ ছাড়াও বেসরকারি টেলিভিশন ও রেডিও তা সম্প্রচার করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৬ মিনিটের ভাষণে তার সরকারের সাফল্য, আগামীর করণীয়, বিএনপি-জামায়াতের ধ্বংসাত্মক রাজনীতিসহ সব কিছু তুলে ধরেন। সরকারের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে দেশবাসীর কাছে সমর্থন চান তিনি।

ভাষণের শুরুতেই দেশবাসীর উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পেরেছি বলেই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পেরেছি। ৯ বছর একটানা জনসেবার সুযোগ পেয়েছি বলেই বাংলাদেশ উন্নত হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী মন্দা থাকা সত্ত্বেও আমাদের দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছি। জনগণ এর সুফল ভোগ করছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও রায় কার্যকর করা হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারীদের বিচারের রায় কার্যকর হয়েছে। বিডিআর হত্যার বিচার হয়েছে। আমরা সফলতার সঙ্গে জঙ্গিবাদ দমন করেছি। জনসচেতনতা সৃষ্টি করে এ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংবিধান অনুযায়ী ২০১৮ সালের শেষদিকে একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কীভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তা আমাদের সংবিধানে স্পষ্টভাবে বলা আছে। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের আগে নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে। মহামান্য রাষ্ট্রপতি অনুসন্ধান কমিটির মাধ্যমে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন। এ কমিশন ইতিমধ্যে দুটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনসহ স্থানীয় পর্যায়ের বেশ কিছু নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করেছে।

দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারাই সব ক্ষমতার মালিক। কাজেই লক্ষ্য আপনাদেরই ঠিক করতে হবে— আপনারা কী চান! আপনারা কি দেশকে সামনে এগিয়ে যাওয়া দেখতে চান, না বাংলাদেশ আবার পেছনের দিকে চলুক তা দেখতে চান। একবার ভাবুন তো মাত্র ১০ বছর আগে দেশের অবস্থানটা কোথায় ছিল? আপনারা কি চান না আপনার সন্তান সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে স্বাবলম্বী হোক? আপনারা কি চান না প্রতিটি ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌঁছে যাক! আপনারা কি চান না প্রতিটি গ্রামের রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হোক! মানুষ দুই বেলা পেটপুরে খেতে পাক! শান্তিতে জীবনযাপন করুক!

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেন, আমরা আর দরিদ্র হিসেবে পরিচিত হতে চাই না। আমরা বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে মর্যাদাশীল জাতি হিসেবে বাঁচতে চাই। এসব যদি আপনাদের চাওয়া হয়, তাহলে আমরা সব সময়ই আপনাদের পাশে আছি। কারণ, আমরাই লক্ষ্য স্থির করেছি যে, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে প্রতিষ্ঠিত করব। শুধু লক্ষ্য স্থির করেই কিন্তু আমরা বসে নেই। সেই লক্ষ্য পূরণের জন্য আমরা প্রয়োজনীয় কর্মসূচি প্রণয়ন করে সেগুলো বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। আমরা অতীতকে আঁকড়ে ধরে থাকতে চাই না; তবে অতীতকে ভুলেও যাব না। অতীতের সফলতা-ব্যর্থতার মূল্যায়ন করে, ভুল-ত্রুটি শুধরে নিয়ে আমরা সামনে এগিয়ে যাব। আমরা উন্নয়নের যে মহাসড়কে যাত্রা শুরু করে সামনে এগিয়ে যাচ্ছি, সেখান থেকে আর পেছনে ফিরে তাকানোর সুযোগ নেই। বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সমৃদ্ধি ও প্রগতির পথে সব বাধা দূর করার দায়িত্ব গ্রহণ করবে।

দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত, সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। আগামী প্রজন্ম পাবে সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা যেন ব্যাহত না হয়, এ বিষয়ে সচেতন হয়ে দেশবাসীকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বিশ্বসভায় মাথা উঁচু করে চলব। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলব।

দেশবাসীর উদ্দেশে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে যখন আপনাদের কাছে গিয়েছি, পেয়েছি অপার স্নেহ, ভালোবাসা, পেয়েছি আত্মবিশ্বাস। অনেক চড়াই-উত্রাই পেরিয়ে, বন্ধুর পথ অতিক্রম করে ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আমরা সরকার গঠন করে দেশবাসীর সেবা করার সুযোগ পাই। মানুষ সরকারি সেবা পেল। আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নসহ ব্যাপক উন্নতির পথে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। অপার সম্ভাবনা দৃশ্যমান হতে থাকল। বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান, সামাজিক নিরাপত্তা, প্রতিবন্ধীদের সেবাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন জনজীবনে আস্থা সৃষ্টি করেছিল।

বিএনপি-জামায়াত জোটের শাসনামলের চিত্র তুলে ধরে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনে গভীর চক্রান্ত করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসতে দিল না। এরপর দেশবাসী দেখেছেন রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন; অর্থ লুটপাট, হাওয়া ভবনের দৌরাত্ম্য। জঙ্গিবাদ সৃষ্টি, বাংলা ভাইয়ের উত্থান, আওয়ামী লীগের দুজন সংসদ সদস্যসহ হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে হত্যা, সংখ্যালঘুদের নির্যাতন ও হত্যা, জমি, ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল, চাঁদাবাজি, মানি লন্ডারিং, দুর্নীতি। ৬৩ জেলায় একসঙ্গে ৫০০ জায়গায় বোমা হামলা হয়। ২০০৪ সালে ২১শে আগস্ট আওয়ামী লীগের র‍্যালিতে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা করে ২২ নেতা-কর্মী হত্যা, ব্রিটিশ হাইকমিশনারের ওপর গ্রেনেড হামলা, দেশব্যাপী নারীদের ওপর পাশবিক অত্যাচার— সমগ্র দেশ যেন জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হয়েছিল। দেশবাসী প্রতিনিয়ত সে যন্ত্রণায় দাহ হচ্ছিল।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার উন্নত সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলতে চায়। এ জন্য আমরা বেশ কয়েকটি মেগা উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করে চলেছে। পদ্মা সেতুর কাজ অর্ধেকের বেশি সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকায় মেট্রোরেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে। সমগ্র বাংলাদেশকে রেল সংযোগের আওতায় আনা হচ্ছে। সারা বিশ্ব আজ বাংলাদেশকে সম্মানের চোখে দেখে। যে বাংলাদেশকে একসময় করুণার চোখে দেখত, সাহায্যের জন্য হাত বাড়ানোয় করুণার পাত্র মনে করত; আজ সে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বিশ্বসভায় সম্মানিত। তিনি বলেন, নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রশংসা অর্জন করেছে। নারীর ক্ষমতায়ন ও লিঙ্গ বৈষম্য নিরসনে আমাদের অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে। বাংলাদেশ জেন্ডার সংশ্লিষ্ট এমডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিশ্বে পঞ্চম স্থান অর্জন করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মচারীদের বেতনভাতা ১২৩ ভাগ বাড়ানো হয়েছে। শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে। সারা দেশে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে দেশে কেউ বেকার এবং দরিদ্র থাকবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড়

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হেইতি, এল সালভাডর এবং আফ্রিকার কিছু দেশকে খুবই স্থূল ভাষায় বর্ণনা করেছেন বলে অভিযোগের পর তার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশ।

হোয়াইট হাউসে কংগ্রেস সদস্যদের সাথে অভিবাসন নীতি নিয়ে এক বৈঠকের সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এসব দেশকে ‘শিটহোল’ বা ‘পায়খানার গর্তে’র সাথে তুলনা করেন বলে খবর প্রকাশ করে মার্কিন গণমাধ্যম।

এ নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক নিন্দা এবং প্রতিবাদ শুরু হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবশ্য এরকম শব্দ ব্যবহারের কথা অস্বীকার করছেন।

কিন্তু ওই বৈঠকে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রেট দলীয় একজন সেনেটর ডিক ডারবিন দাবি করছেন, তিনি প্রেসিডেন্টকে বর্ণবাদী শব্দ ব্যবহার করতে শুনেছেন। তিনি শুধু একবার নয়, কয়েকবার এই শব্দটি ব্যবহার করেছেন। তিনি কিছু আফ্রিকান দেশকে ‘শিটহোল’ বলে বর্ণনা করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের নামকরা সংবাদপত্র নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট এবং ওয়াল স্ট্রীট জার্নালসহ অনেক সংবাদপত্রেই বৃহস্পতিবার এই খবর প্রকাশিত হয়। এর কোন প্রতিবাদ হোয়াইট হাউজ থেকে করা হয়নি।

সেনেটর ডিক ডারবিন বলেন, আমি বিশ্বাস করতে পারছি না যে গতকাল প্রেসিডেন্ট যে শব্দগুলো সেখানে ব্যবহার করেছেন, হোয়াইট হাউসের ইতিহাসে, ওই ওভাল অফিসে বসে এর আগে কখনো কোন প্রেসিডেন্ট তা বলেছেন।

অভিবাসন নিয়ে গতকাল রিপাবলিকান এবং ডেমোক্রেট দলীয় সেনেটরদের একটি দল একটি প্রস্তাব নিয়ে প্রেসিডেন্টের কাছে গিয়েছিলেন।

তখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নাকি তাদের বলেছিলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যুদ্ধ বা এরকম বিপর্যয়ের শিকার দেশগুলোর মানুষদের আশ্রয় দেয়ার চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বরং উচিত নরওয়ের মত দেশ থেকে অভিবাসীদের আনা।

ওয়াশিংটন পোস্ট প্রেসিডেন্টকে সরাসরি উদ্ধৃত করে বলছে, এরপর তিনি বলেছেন, এই সব ‘শিটহোল’ দেশ থেকে কেন লোকজনকে আমাদের দেশে আনতে হবে।

সেনেটর ডারবিন বলেন, যখন প্রেসিডেন্টকে জানানো হয় যে ‘টেম্পোরারি প্রটেকটেড স্ট্যাটাস’ (টিপিএস) বা সাময়িক সুরক্ষা পাওয়া অভিবাসীদের বেশিরভাগই এল সালভাডর, হন্ডুরাস এবং হেইতির নাগরিক, তখন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, হেইশিয়ান? আমাদের কি আসলে আরও হেইশিয়ানের কোন দরকার আছে?

তবে শুক্রবার সকাল থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্প একের পর এক টুইট করে এরকম কথা বলার কথা অস্বীকার করতে থাকেন। তিনি বলেন, আমি হেইতির মানুষ সম্পর্কে বাজে কিছু বলিনি।

বতসোয়ানা সে দেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে ডেকে নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, এসব কথাবার্তা চরম দায়িত্বহীন, নিন্দনীয় এবং বর্ণবাদী।

আফ্রিকান ইউনিয়ন বলেছে, তারা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মন্তব্য শুনে শঙ্কিত।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক মুখপাত্র রুপার্ট কোলভিল বলেছেন, যদি প্রেসিডেন্ট এসব কথা সত্যিই বলে থাকেন সেটা স্তম্ভিত হওয়ার মতো এবং লজ্জাজনক। তিনি বলেন, এটাকে ‘বর্ণবাদী’ বলা ছাড়া আর কিছু বলার সুযোগ নেই।

আর যুক্তরাষ্ট্রে অশ্বেতাঙ্গ নাগরিকদের একটি সংগঠন ‘ন্যাশনাল এসোসিয়েশেন ফর দ্য এডভান্সমেন্ট অব কালারড পিপল’ বলেছে, প্রেসিডেন্ট দিনে দিনে আরও বেশি করে বর্ণবাদ আর বিদেশি বিদ্বেষের গর্তের গভীরে ঢুকে যাচ্ছেন।

কংগ্রেসের এক কৃষ্ণাঙ্গ সদস্য সেডরিক রিচমন্ড বলেছেন, প্রেসিডেন্ট যে আমেরিকাকে আবারও সেরা দেশে পরিণত করার নামে আসলে শ্বেতাঙ্গদের দেশে পরিণত করতে চাইছেন, এটা তার আরও একটা প্রমাণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কনস্টেবলের কাণ্ড; স্কলাস্টিকা ছাত্রকে মারধর, গাড়ি ভাঙচুর

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর স্কলাস্টিকা স্কুলের ছাত্রদের পিটিয়েছেন এক পুলিশ কনস্টেবল। শুধু পিটিয়েই ক্ষান্ত হননি, মোটরসাইকেলে ঘষা লাগার অপরাধে নির্বিচারে ভাঙচুর করেছেন একটি প্রাইভেটকার। গতকাল বেলা দেড়টার দিকে শ্যামলী স্কয়ার মার্কেটের সামনে (শ্যামলী সিনেমা হল) এ ঘটনাটি ঘটে। পরে ২৫ হাজার টাকায় রফাদফা হয়ে গেলেও পুলিশ কনস্টেবল আরিফুল ইসলামের অগ্নিমূর্তি ও ভয়ঙ্কর রূপ দেখে রীতিমতো হতবাক হয়েছেন সাধারণ মানুষ। তাকে নিবৃত্ত করতে আসা সাধারণ মানুষের দিকেও হুঙ্কার ছেড়েছেন তিনি। অভিযুক্ত কনস্টেবল আরিফ ঢাকা মহানগর পুলিশের চেন্সারি বিভাগে কর্মরত। তার গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনায়। বাবা সাইফুল ইসলামও পুলিশের একজন সহকারী উপপরিদর্শক।

এ বিষয়ে তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) হাফিজ আল ফারুক বলেন, আমরা উভয়পক্ষকে নিয়ে থানায় বসেছিলাম। কনস্টেবলের বাবা গাড়ির ক্ষতিপূরণের জন্য ২৫ হাজার টাকা দিয়েছেন। ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দিলেও পরে তা তুলে নিয়েছেন। ওই কনস্টেবলকে চেন্সারি বিভাগের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে।

গতকাল বেলা পৌনে দুইটার দিকে সরেজমিনে শ্যামলী স্কয়ারের সামনে গেলে দেখা যায় অসংখ্য উত্সুক মানুষের ভিড়। আদাবর থানার একটি পুলিশ পিকআপ ভ্যানকে ঘিরে সাধারণ মাুনষের জটলা। পুলিশের বিরুদ্ধে তারা নানা স্লোগান দিচ্ছেন। মানুষের ভিড় ঠেলে একটু এগিয়ে গেলে দেখা মেলে পিকআপ ভ্যানে একজন মানুষ হেলমেট পরিহিত অবস্থায়। ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষের হাত থেকে রক্ষার জন্য অন্য পুলিশ সদস্যরা তাকে ঘিরে রেখেছেন। পিকআপ ভ্যানটির পাশেই টয়োটা এক্সিও মডেলের একটি প্রাইভেট কার (ঢাকা মেট্রো-খ ৩৯-০৮২০)। গাড়িটি দেখে বোঝা যাচ্ছে হয়তো বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। সামনের কাচ, পেছনের কাচ, সাইড গ্লাস, লুকিং গ্লাস কোনো কিছুই আস্ত নেই।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছিলেন, এই কাজ পুলিশ কনস্টেবল আরিফের। তার মোটরসাইকেলে ঘষা লাগার অপরাধে তিনি প্রথমে হেলমেট পরে একটি লাঠি দিয়ে নির্বিচারে ভাঙচুর করেছেন গাড়িটি। এর প্রতিবাদ করায় গাড়ির আরোহী স্কলাস্টিকা স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র আহ্নাফ মাহদী, নাহিনকে বেধড়ক পিটিয়েছেন। বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন ভুক্তভোগী স্কুলছাত্র রাগীব মোহাম্মদের মা সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের রেজিস্ট্রার ডা. সাবরিনা।

ঘটনাস্থলে থাকা আহত স্কুলছাত্র মাহদী এ প্রতিবেদককে বলেন, আমরা চার বন্ধু মিলে শ্যামলী থেকে বনানী যাচ্ছিলাম। গাড়ি চালাচ্ছিল আমার বন্ধু রাগীব। বিডিআর শপ থেকে মূল রাস্তায় ওঠার সময় হয়তো একটি মোটরসাইকেলে একটু ঘষা লেগেছিল। শ্যামলী মোড়ে আসামাত্র ওই মোটরসাইকেল আরোহী আমাদের গাড়ি নির্বিচারে ভাঙচুর করতে থাকেন। আমরা এর প্রতিবাদ করলে অন্য পুলিশ সদস্যদের সামনেই তিনি আমাদেরও মারধর করেন। স্কুলছাত্র নাহিন বলে, আমরা ওই পুলিশ সদস্যকে বলছিলাম আমাদের গাড়ি কেন ভাঙছেন? আপনার মোটরসাইকেল এমনকি আপনারও তো কিছুই হয়নি। তিনি আমাদের কোনো কথায় কান দেননি। উল্টো আমাদের ওপর চড়াও হন। ডা. সাবরিনা বলেন, একজন স্বাভাবিক মানুষের পক্ষে এমন আচরণ সম্ভব নয়। এমন অস্বাভাবিক মানুষ কীভাবে পুলিশে চাকরি করে মানুষের সেবা করবে? আমরা তেজগাঁও বিভাগের এডিসি হাফিজ আল ফারুকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। ঘটনাস্থল সংলগ্ন শ্যামলী পুলিশ বক্সে দায়িত্বরত ট্রাফিক সার্জেন্ট আসাদুজ্জামান বলেন, শ্যামলী মোড়েই এই ঘটনাটি ঘটেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাবেক প্রেমিকের অণ্ডকোষ কামড়ে ছিঁড়ে নিলেন প্রেমিকা!

যৌন তাড়নায় সাবেক প্রেমিকের অণ্ডকোষ ছিঁড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল এক মধ্যবয়সী নারীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে ব্রিটেনের এডিনবরায়। ওই নারীকে গ্রেফতার করেছে স্থানীয় পুলিশ।

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখতে পায়, ৪৩ বছরের নুঞ্জিয়া ডেল ভিসিকো মাটিতে পরে রয়েছেন। তার মুখে রক্ত। প্রাক্তন প্রেমিক মার্সেলো পালমার অণ্ডকোষ কামড়ে ছিঁড়ে দিয়েছেন তিনি।

পুলিশের কাছে ওই নারী দাবি করেছে, মার্সেলো তাকে মারধর করেন। আত্মরক্ষার জন্য অণ্ডকোষ কামড়ে ছিঁড়ে দেন তিনি। তবে ওই নারীর অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন তার সাবেক প্রেমিক।

মার্সেলো পালমারের দাবি, রাতে বাইরে ঘোরাফেরার পর দলবল নিয়ে তার ঘরে আসেন নুঞ্জিয়া। পোশাক খুলে বিবস্ত্র হন তিনি। এরপর তার থ্রি সামের দাবি করেন। কিন্তু, মার্সেলো থ্রি সামে সম্মত হননি। এরপরই ওই নারী ঝাঁপিয়ে পড়েন মার্সেলোর উপরে। দু’জনের মধ্যে হাতাহাতির চলার মাঝেই মার্সেলোর অণ্ডকোষে কামড় দেন নুঞ্জিয়া। আপাতত হাসপাতালে ভর্তি মার্সেলো। তার অণ্ডকোষ স্থাপনের চেষ্টা করছেন চিকিৎসকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পার্টিগার্ল ববি

পার্টিগার্ল ববি

কর্তৃক Daily Satkhira

বড় পর্দার নায়িকা হিসেবে যে ধরনের এক্সপ্রেশন ও বডি ল্যাংগুয়েজের প্রয়োজন তার সবই আছে। রয়েছে দর্শক মাতানো ও ভুবন ভুলানো সেই চাহনি। ইতিমধ্যে নিজেকে তৈরি করেছেন ঢালিউডের অন্যতম চাহিদাসম্পন্ন অভিনেত্রী হিসেবে। বলছি ববির কথা। ডিসেম্বরের শেষ ভাগ থেকে অন্তর্জ্বাল দুনিয়া কাঁপাচ্ছেন এই লাস্যময়ী। তার হোম প্রোডাকশনের ছবি ‘বিজলী’র ‘পার্টি পার্টি পার্টি’ গান প্রকাশের পরপরই আবারও আলোচনায় উঠে আসেন ববি। এ পর্যন্ত প্রায় ৩০ লাখের বেশি ভিউ হয়েছে গানটির। তাই তো কেউ কেউ তাকে ডাকছেন ‘পার্টিগার্ল ববি’। ইফতেখার চৌধুরী পরিচালিত এ ছবিতে একজন সুপারওম্যান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ববি। বাংলাদেশসহ মোট চারটি দেশে ক্যামেরাবন্দী হয়েছে ছবিটির দৃশ্যায়ন। হলিউড-বলিউডে বিষয়টা পুরনো হলেও ঢালিউডের প্রেক্ষাপটে সুপারহিরো চরিত্রগুলো অনেকটাই নতুন। দর্শক গ্রহণ করবেন কি করবেন না, তা নিয়ে ভয় আছে কী না জানতে চাইলে ববি বলেন, দেখুন আর কত পিছিয়ে থাকব। এখনই সময় উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়ার। তবে ভয় নয়, বিশ্বাস আছে দর্শকরা সানন্দেই গ্রহণ করবেন ছবিটি। কারণ সুপারওম্যান চরিত্র হলেও এটি খুব সাবলীলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে সিনেমায়। হলিউডে ‘স্পাইডারম্যান’, ‘সুপারম্যান’, ‘ওয়ান্ডার ওমেন’ আছে। এছাড়া বলিউডে আছে ‘কৃশ’। অন্যদিকে আমাদের দেশে এমন ছবি একটিও নেই। বাংলাদেশের প্রথম সুপার হিরো সিনেমা ‘বিজলী’।

কেউ কেউ বলছেন ‘বিজলী’ সিনেমাটি ববির ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, টার্নিং পয়েন্ট যা হওয়ার ‘দেহরক্ষী’ ছবি দিয়েই হয়ে গেছে। এতটুকু বলতে পারি, ‘বিজলী’তে দর্শক ভিন্ন এক ববিকে খুঁজে পাবেন। ববি আরও জানান, ‘পার্টি পার্টি পার্টি’ গানটির লোকেশন ছিল ব্যাংককের ক্লাব সিক্সটি সিক্সে। এ ক্লাবে এর আগে টলিউড বা ঢালিউডের কোনো গান চিত্রায়িত হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় উন্নয়ন মেলার ২য় দিনে কুইজ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে ৩দিন ব্যাপী উন্নয়ন মেলা। দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এবছর জাকজমকপূর্নভাবে এই উন্নয়ন মেলা উদযাপন করা হচ্ছে। উদ্বোধনী দিনে আলোচনা সভায় ইউএনও হাফিজ-আল আসাদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে দেবহাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ¦ আব্দুল গনি। বিশেষ অতিথি ছিলেন দেবহাটা থানার ওসি কাজী কামাল হোসেন ও দেবহাটা উপজেলা প্রকৌশলী মমিনুল ইসলাম। মেলার দ্বিতীয় দিনে সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা মুক্ত মঞ্চে ছাত্র-ছাত্রী ও দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত কুইজ ও সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। শেষে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে দেবহাটা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মিসেস নাজমুন নাহারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ বদরুজ্জামান, উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হাই রকেট, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অধীর কুমার গাইন, উপজেলা পল্লী দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা অসীত বরন রায়, প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল প্রমুখ। পরে বিকালে ও সন্ধ্যায় স্থানীয় এবং বিভিন্ন বাইরের শিল্পীদের অংশগ্রহনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার মেলার শেষদিনে সকালে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা এবং বিকালে সমাপনী, পুরষ্কার বিতরণ ও সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাটকেলঘাটা থানা ও রিপোর্টার্স ক্লাবের মধ্যে প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি : পাটকেলঘাটায় রিপোর্টার্স ক্লাব পাটকেলঘাটা বনাম পাটকেলঘাটা থানা প্রশাসনের মধ্যে উর্ত্তেজনাপূর্ণ এক চ্যারিটি ক্রিকেট ম্যাচ শুক্রবার বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঐতিহ্যবাহী পাটকেলঘাটা ফুটবল মাঠে হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে নির্ধারিত ১৪ ওভারের মনমুগ্ধকর প্রীতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে রিপোর্টার্স ক্লাব পাটকেলঘাটার সভাপতি দলীয় অধিনায়ক সৈয়দ মাসুদ রানা টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেই। অপর দলের অধিনায়ক পাটকেলঘাটা থানা অফিসার ইনচার্জ মোল্লা জাকির হোসেন ফিল্ডিং এ আসেন। রিপোর্টার্স ক্লাব পাটকেলঘাটার সাংবাদিকরা ১২ ওভার ২ বল ব্যাট করে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৭৮ রান করতে সক্ষম হয়। দলের পক্ষে সর্বচ্চো ৪২ রান করেন ক্লাবের প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক ফরিদ হোসেন জুয়েল। ৭৯ রানের টার্গেটে পাটকেলঘাটা থানার কর্মকর্তারা সাবলীল ক্রিকেট খেলা উপহার দিয়ে ১০ ওভারে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌছে যান। দলের পক্ষে সর্বচ্চো ৩৩ রান করে নট আউট থাকেন খলিশখালী ক্যাম্পের এস আই মাসুদ রহমান। খেলায় ৪ উইকেট নিয়ে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন পাটকেলঘাটা থানা ওসি তদন্ত উজ্বল কুমার মৈত্র। খেলায় আম্পিয়ারের দায়িত্ব পালন করেন মীর আকাশ ও রিপন সরদার। ধারাভাষ্যকারে ছিলেন পাটকেলঘাটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক অলিউল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest