সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা-২ আসনের অলিগলিতে ঘুরে ভোট চাচ্ছেন সাবেক এমপি আশুনির্বাচনীয় জনসভায় বক্তব্য চলাকালিন সময় হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন সাবেক এমপি হাবিবসাতক্ষীরায় বিশ্বখাদ্য কর্মসূচি প্রকল্প পরিদর্শণে জেলা প্রশাসকসাতক্ষীরায় বাস শ্রমিক ইউনিয়নের মৃত সদস্যদের পরিবারে নগদ অর্থ সহায়তাসাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাকালিন সদস্য সুনীল ব্যানার্জীর স্ত্রীর মৃত্যুতে প্রেসক্লাবের শোকসাতক্ষীরায় চার ইয়াবা পাচারকারী গ্রেফতারকালিগঞ্জে গোয়াল ঘেসিয়া নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার২৭ জানুয়ারি সাতক্ষীরায় আসছেন জামায়াতের আমীরHogyan kezdhetsz el játszani a betmatch kaszinó platformján még maসেতু-রাস্তাঘাট-শিক্ষা উন্নয়নের ঘোষণা ধানের শীষে ভোট চাইলেন – হাবিবুল ইসলাম

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে নিহত ২, আহত অন্তত ২৫০

বিক্ষোভ-সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা ও অধিকৃত পশ্চিম তীর। জেরুজালেমকে ইসরায়েলি রাজধানী হিসেবে মার্কিন স্বীকৃতির প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ ফিলিস্তিনিরা বিক্ষোভে ইসরায়েলি বাহিনী বলপ্রয়োগ করলে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। শুধু গাজা উপত্যকাতেই ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন অন্তত দুইজন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৫০ জন।

জুমা’র নামাজের পর জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদের বাইরে এবং গাজা উপত্যকায় বিক্ষোভে অংশ নেন হাজার হাজার মুসল্লি। পশ্চিম তীরের হেবরন, বেথেলহেম, রামাল্লাসহ পুরো ফিলিস্তিনজুড়েই এমন বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এসব বিক্ষোভে ইসরায়েলি বাহিনী বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। ইসরায়েলি বাহিনীর কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেটের জবাবে পাল্টা পাথর নিক্ষেপ করে বিক্ষোভকারীরা। ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধ-বিক্ষোভ ঠেকাতে পশ্চিম তীরে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে ইসরায়েল।

রাস্তায় টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেয় বিপুল সংখ্যক মানুষ। এ সময় তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কুশপুতুল দাহ করেন।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, গাজা উপত্যকা থেকে নিক্ষেপ করা একটি রকেট ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে বিস্ফোরিত হয়েছে। জবাবে ইসরায়েলি ট্যাংক ও বিমান থেকে গাজায় হামলা চালানো হয়েছে।

তুরস্কের ইস্তানবুল শহরে একটি মসজিদের বাইরে সমবেত হন তিন হাজারেরও বেশি বিক্ষোভকারী। এ সময় তারা ফিলিস্তিনের পতাকা উড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী নানা স্লোগান দেন। রাজধানী আঙ্কারাসহ তুরস্কের অন্যান্য শহরেও ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হাজার হাজার মানুষ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেন। ফিলিস্তিনিদের একটি শরণার্থী শিবিরের কাছের রাস্তায় পাঁচ হাজারেরও বেশি বিক্ষোভকারী জড়ো হন।

ইরান, জর্ডান, মিসর, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, সোমালিয়া, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরেও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় মার্কিন দূতাবাস এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

জেরুজালেমকে রক্ষার নতুন ইন্তিফাদার ডাক দিয়েছে ফিলিস্তিনিদের মুক্তি আন্দোলনের সংগঠন হামাস।

এদিকে জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে মার্কিন স্বীকৃতির খবর বেশি সময় ধরে প্রচার না করতে সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতি নির্দেশ দিয়েছে সৌদি রয়েল কোর্ট। দেশটির রেডিও, টেলিভিশন ও সংবাদপত্রের সম্পাদকদের কাছে এ সংক্রান্ত নোটিস পাঠানো হয়েছে। জর্ডানে অবস্থিত সৌদি আরব ও ইসরায়েলের দূতাবাস থেকে দেশ দুইটির নাগরিকদের ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জর্ডানে আয়োজিত কোনও বিক্ষোভে অংশ না নিতে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। সূত্র: ডয়চে ভেলে, মিডল ইস্ট মনিটর, ইন্ডিপেনডেন্ট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পটলের পুষ্টিগুণ

পটল ভাজা হোক কিংবা পটলের ঝোল। অথবা দই পটল। এসব খেতে তো দারুণ লাগে। কিন্তু জানেন কি? পটল খাওয়া শরীরের পক্ষে কতটা ভালো?

১. পটলে ফাইবার থাকে যা খাদ্য হজমে সাহায্য করে। এছাড়াও এটি গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা সমাধানে এবং লিভারের সাথে সম্পর্কিত সমস্যা সমাধানেও সাহায্য করে।

২. পটলের বীজ এমন একটি স্বাস্থ্যকর বীজ যা কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়ে এবং মল নির্গমনে সাহায্য করে।

৩. পটলে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে। তাই ওজন কমানোর জন্য নিশ্চিন্তে পটলের তরকারি খেতে পারেন। এটি পেট ভরা রাখতে ও খিদে কমাতে সাহায্য করে।

৪. পটলের আরেকটি স্বাস্থ্য উপকারিতা হচ্ছে এটি রক্তকে পরিশোধিত করে। এর ফলে ত্বকের যত্নেও এই সবুজ সবজিটি ভালো কাজ করে।

৫. পটলের ছোট গোলাকার বীচিগুলো কোলেস্টেরল ও ব্লাড সুগারের মাত্রা প্রাকৃতিকভাবে কমাতে সাহায্য করে।

৬. আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় ঠাণ্ডা, জ্বর ও গলা ব্যথা কমতে ওষুধ হিসেবে ব্যবহার হয় পটল।

৭. পটলে ভিটামিন এ ও সি থাকে এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে বলে ত্বকের জন্য উপকারী। ফ্রি র‍্যাডিকেলের বিস্তার রোধ করে বয়সের ছাপ প্রতিরোধে সাহায্য করে পটল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনাই আওয়ামীলীগের ট্রাম্প কার্ড

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেই ‘ট্রাম্প কার্ড’ হিসেবে দেখছেন দলটির সর্বস্তরের নেতা-কর্মী। গত নয় বছরে উন্নয়ন সাফল্য ও ব্যক্তিগত ইমেজে শেখ হাসিনা এখনো সর্বস্তরের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতার শীর্ষে। দল ও সরকার সবকিছুই এককভাবে সামাল দিয়ে চলেছেন তিনি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুগোপযোগী নির্বাচনী ইশতেহার তৈরি, প্রার্থী মনোনয়নে চমক সৃষ্টি করে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে টানা তৃতীয় মেয়াদে দলকে ক্ষমতায় আনতে সক্ষম হবেন বলে মনে করেন দলটির নেতারা। সূত্রমতে, বিশ্বের শীর্ষ নেতৃত্বের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান আরও আগে থেকেই। তবে কেবল নেতৃত্বেই নয়, ৭০০ কোটি মানুষের এই বিশ্বের উন্নয়ন কোন পথে, সেই ভাবনা ও দর্শনের দিক থেকেও তিনি এখন বিশ্বনেতাদের কাতারে। সম্প্রতি রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনার সরকারের প্রতি সমর্থন বাড়ছে বিশ্বনেতাদের। তাই আগামী নির্বাচনে জয়ী হতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তি ইমেজ সামনে রাখবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

দলটির নেতারা জানিয়েছেন, দুই শতাধিক সংসদীয় আসনে গ্রুপিং, নেতাদের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব-লড়াই এখন প্রকাশ্যে রূপ নিয়েছে। নেতার সঙ্গে কর্মীর, উপজেলা চেয়ারম্যান থেকে এমপি-মন্ত্রীদের দূরত্ব বেড়েই চলেছে। আপাতদৃষ্টিতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগই আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ।

কিছু কিছু এমপি নিজ এলাকায় এতটাই জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন যে, তারা মনোনয়ন পেলে প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের বিজয়ী হওয়ার পথ সুগম হবে। আবার এমপিদের ‘বিশেষ লীগ’ বাহিনীর অত্যাচারে দলের পরীক্ষিত নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষও অতিষ্ঠ। সে কারণে তারা পরিবর্তন চায়। মনোনয়নযুদ্ধ নিয়ে শুরু হওয়া দ্বন্দ্ব আগামী সংসদ নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করেন তৃণমূল  আওয়ামী লীগের নেতারা। সে কারণে মনোনয়ন প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আসার মতো প্রার্থী নির্বাচনে একমাত্র শেখ হাসিনাই শেষ ভরসা বলে মনে করছেন তারা। কারণ, সারা দেশে প্রতিটি আসনের বর্তমান এমপি ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যাপারে সর্বশেষ রিপোর্টটিও প্রধানমন্ত্রীর হাতে। তিনি নিজে নজর রাখছেন এমপিদের কার্যকলাপের দিকে। ইতিমধ্যে যারা বিতর্কিত হয়েছেন, আগামী সংসদ নির্বাচনে যারা মনোনয়ন পাবেন না তাদের ডেকে সতর্ক করার পাশাপাশি কড়া বার্তা দেওয়া হচ্ছে।দল ও সরকারের নীতিনির্ধারকরা জানিয়েছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলকে ক্ষমতায় আনতে নির্বাচনী ইশতেহার থেকে শুরু করে মনোনয়নেও চমক দেখাবেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এজন্য বিতর্কিত ও জনবিচ্ছিন্ন এমপিদের এবার মনোনয়ন দেবেন না দলীয়-প্রধান। নির্বাচনী এলাকায় সর্বজনগ্রাহ্য ও দলীয় রাজনীতিতে অতীতের ভালো রেকর্ডধারীকে বেছে নেওয়া হবে। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় থাকছে নতুনত্ব। আবার দলীয় মনোনয়ন পেয়েও যারা পরপর দুবার হেরেছেন এবার সেসব প্রার্থীর কপাল পুড়বে। ওইসব পরাজিত প্রার্থীকে বাদ দিয়ে নতুন মুখ খোঁজা হচ্ছে। দলটির নেতারা বলছেন, একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে— এটা নিশ্চিত। সে কারণে বিএনপির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হয়ে আসার মতো প্রার্থীই দেওয়া হবে। অন্যদিকে নির্বাচনী ইশতেহারে থাকছে নতুনত্ব। ভিশন ২০৪১ স্বাপ্নিক মহাপরিকল্পনার কথা জাতির সামনে উপস্থাপন করা হবে। এর মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির খাতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সড়ক ও সেতু, যানজট নিরসনে নতুন নতুন ফ্লাইওভার নির্মাণের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হবে। অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির বিষয়ে থাকবে নতুন ঘোষণা। ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম-দুর্নীতি রোধ করতে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকছে নির্বাচনী ইশতেহারে। শিক্ষা খাত নিয়ে থাকবে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা। রোহিঙ্গা ও পার্বত্যাঞ্চলের জন্য থাকছে আলাদা ঘোষণা। নারীদের উন্নয়নে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলো তুলে ধরার পাশাপাশি আগামীতে কী করণীয় তা থাকছে নির্বাচনী ইশতেহারে। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দেশ গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মের জন্যও থাকছে নতুন ভিশন। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মেঘনা-গোমতী ও কাঁচপুর ব্রিজ করার কথাও রাখা হবে সেখানে। নির্বাচনের এক বছর বাকি থাকলেও এই সময়ের মধ্যে মেট্রোরেলের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে দৃশ্যমান করা হবে। এই এক বছরের মধ্যে পদ্মা সেতুর কাজ দৃশ্যমান করা হবে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক নিয়ে আমলাতান্ত্রিক যেসব জটিলতা রয়েছে, সেগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিরসন করে কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ছাড়া যেসব বড় প্রকল্পের কাজের গতি কমে গেছে সেগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেষ করার কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্টদের। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে যে উন্নয়নের হাওয়া বইছে, তা অব্যাহত রাখতে হবে। তাহলেই ২০৪১ সালের আগেই উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। অতীতের মতো আগামীতেও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে বলে গত বৃহস্পতিবার বিকালে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা স্বাধীনতার সপক্ষের রাজনীতি করে, জনগণের কল্যাণে কাজ করে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়, আমরা চাই তারাই ক্ষমতায় আসুক। কোনো যুদ্ধাপরাধী, স্বাধীনতাবিরোধী, দুর্নীতিবাজ, বিদেশে অর্থ পাচারকারী, জঙ্গিবাদ সৃষ্টিকারী খুনিদের দল ক্ষমতায় এলে দেশ আবারও ধ্বংস হয়ে যাবে। যারা বর্তমান উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত রাখতে পারবে, দেশকে আর পেছনের দিকে টানবে না, আমরা চাই তারাই নির্বাচিত হবে। দেশের জনগণও এটাই চায়। তাই আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, বর্তমান উন্নয়ন ও সফলতার গতিধারা অব্যাহত রাখতে দেশের জনগণ আগামী নির্বাচনেও আওয়ামী লীগকেই ভোট দেবে। আগামীতে আমরা আরও নতুন নতুন আসনে বিজয়ী হব বলেই দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে নতুন করে প্রাণের সঞ্চার সৃষ্টি করেছে। জানা গেছে, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রচারে প্রাধান্য পাবে সরকারের দুই মেয়াদের উন্নয়ন সাফল্য। বিদ্যুৎ খাতে ২০০৯ সালে কী অবস্থান ছিল, আর এখন কোন অবস্থান তা জানানো হবে। দেশের মহাসড়কগুলোর উন্নয়ন বিপ্লব, ঢাকা-চট্টগ্রামের ফ্লাইওভার, কৃষি খাতে বিশাল অর্জন, খাদ্য উৎপাদন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী ও উন্নয়ন, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, শিক্ষা খাতে উন্নয়ন, অবহেলিত জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের ব্যাপক পদক্ষেপ নিয়ে ধারাবাহিকভাবে সাধারণ মানুষের কাছে প্রচারণায় নামবে ক্ষমতাসীন দল। জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় সমাবেশের পাশাপাশি ডিজিটাল প্রচার-প্রচারণার ওপর জোর দেওয়া হবে। জানা যায়, দল ও সরকারে শেখ হাসিনার ইমেজই আওয়ামী লীগের মূল ভরসা। কারণ, বর্তমানে সারা দেশে ২০০ আসনে আওয়ামী লীগ লড়ছে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে। দলের নবাগতরা নিজেদের স্বার্থে দলের গ্রুপিং বাড়িয়েছেন। সবকিছুকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করেই নির্বাচনী পরিকল্পনা নিচ্ছেন শেখ হাসিনা। টানা ৩৬ বছরে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর দায়িত্ব পালনকালে শেখ হাসিনা নেতা-কর্মীদের ব্যাপারে যেমন দরদি, তেমন কঠোর। অন্যায় করলে কাউকে চুল পরিমাণ ছাড় দেন না। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে এমপি-মন্ত্রীদের দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বারান্দায় দৌড়াতে হয়েছে। আবার জেলে যেতে হয়েছে কয়েকজন এমপিকেও। এমন নজির অতীতে কমই রয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, করিৎকর্মা ও ডায়নামিক লিডারশিপ শেখ হাসিনার একক গুণাবলির কারণেই দীর্ঘ ২১ বছর পর ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে টেনে তোলেন শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বিএনপিবিহীন নির্বাচন অনুষ্ঠান করে শেখ হাসিনা এখনো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়। শুধু ক্ষমতায়ই নয়, দিন দিন তিনি তার নেতৃত্ব দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে করে তুলছেন বিশ্বময়। উল্টো দিকে ঘরোয়া রাজনীতিতে কোণঠাসা হচ্ছে বিএনপি। গত নয় বছরে শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশে যে উন্নয়ন করেছে, ’৭৫-এর পর গত ২৮ বছরে অন্য কোনো সরকার তা করতে পারেনি। কারণ, ক্ষমতা গ্রহণের পর আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা প্রতিটি ঘণ্টা দেশের মানুষের জন্য কাজ করে চলেছেন। কিন্তু ২০১৩ সালে তথাকথিত গণতন্ত্রের নামে বিএনপি-জামায়াত দেশে নৈরাজ্য শুরু করলে শেখ হাসিনার কৌশলে ধরাশায়ী হয় সরকারবিরোধীরা। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের এক বছর পর আবার বিএনপি-জামায়াত দেশে নাশকতা শুরু করে। শেখ হাসিনার দৃঢ়তার কারণে আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে শূন্য হাতে ঘরে ফেরে বিএনপি। বিরোধী দলকে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা, সাংগঠনিক ও দেশের উন্নয়নের খোঁজখবর প্রধানমন্ত্রী যেমন রাখেন, সে তুলনায় দলের নেতারা শিশু।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুরগি কিনবেন নাকি পেঁয়াজ? দাম একই!

বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম আর পেঁয়াজের দাম একই। সপ্তাহ ধরে প্রতিকেজি ১১০ টাকা বিক্রি হওয়া ব্রয়লার মুরগি এখন ১২০ থেকে ১২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে ৯০-৯৫ টাকা দরের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২০-১২৫ টাকা কেজি দরে।

মাসখানেক ধরেই পেঁয়াজের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে থাকায় অনেকে পেঁয়াজ কেনাও কমিয়ে দিয়েছে। এরই মধ্যে আবার নতুন করে শুরু হয়েছে বাজারে অস্থিরতা।

আজ শুক্রবার পেঁয়াজের দাম বেড়েছে দফায় দফায়। পাইকারি বাজারে এক দিনের মধ্যেই তিনবার বেড়েছে দেশি পেঁয়াজের দাম। এর প্রভাবে খুচরা বাজারে ৯০-৯৫ টাকা দরের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১২০-১২৫ টাকা কেজি দরে।

জানা গেছে, পেঁয়াজের ঊর্ধ্বমুখী দামে এবার শুধু ভোক্তা নয়, খুচরা বিক্রেতারাও শঙ্কিত। রাজধানীর শুক্রাবাদের মুদি দোকানি আমিনুল ইসলাম গতকাল সকালে দোকান খোলার আগে কারওয়ান বাজার থেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনে আনেন। তিনি জানান, দেশি পেঁয়াজের দাম হঠাৎ বাড়তি।
ভোরে ১০০ টাকা কেজি দরে তিনি পাইকারি বাজার থেকে পেঁয়াজ কিনে এনেছেন। এখন ১১০ টাকা দরে বিক্রি করছেন।

আমিনুলের কথা শুনে পাশের দোকানি শাওন মিয়া বলেন, ‘আমি ৭টার সময় পেঁয়াজ কিনছি ১০৫ টাকা করে। ওরা বলছে, দাম নাকি আরো বাড়বে। ’ তিনি ১১৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন বলে জানান।

ব্রয়লার মুরগির দাম বাড়লেও দীর্ঘদিন ধরে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম কমার প্রবণতায় রয়েছে। গত সপ্তাহে প্রতি ডজন ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় থাকলেও এদিন ৭৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেল ফার্মের মুরগির ডিম। সেই সঙ্গে দেশি মুরগি ও হাঁসের ডিমের দাম ডজন প্রতি ৩০ টাকার মতো কমে ১২০ টাকা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আটক

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূইয়া জুয়েলসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার রাত ৯টার দিকে রাজধানীর রাজাবাজারের বাসা থেকে তাঁদের আটক করে পুলিশ।

এর প্রতিবাদে কাল সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে স্বেচ্ছাসেবক দল।

শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূইয়া জুয়েলসহ বেশ কয়েকজনকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে থানার কোনো কর্মকর্তা এ ব্যাপারে নাম প্রকাশ করে কথা বলতে রাজি হননি।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ের গণমাধ্যম শাখার কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান এনটিভি অনলাইনকে জানিয়েছেন, শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ আজ রাতে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূইয়া জুয়েলসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে।

স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ কাল : স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূইয়া জুয়েলকে তাঁর বাসা থেকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংগঠনের সভাপতি শফিউল বারী বাবু। তিনি এ ধরনের ঘটনাকে বিরোধী দল দমনে সরকারের নিষ্ঠুর নির্যাতন-নিপীড়নের অপকৌশল উল্লেখ করে বলেন, এ ধরনের অপকর্ম সাধন করে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী তাদের রাষ্ট্রক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করতে সক্ষম হবে না, বরং সরকার আরো বেশি মাত্রায় জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। শফিউল বারী বাবু অবিলম্বে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূইয়া জুয়েলের বিরুদ্ধে দায়ের করা বানোয়াট, ষড়যন্ত্রমূলক ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থের মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি জানান।

স্বেচ্ছাসেবক দলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা মো. রফিকুল ইসলামের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, আবদুল কাদের ভূইয়া জুয়েলকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে আগামীকাল শনিবার স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশে জেলা ও মহানগরগুলোতে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। মিছিল সফল করার জন্য সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের অনুরোধ জানিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফাইনালে ঢাকা, অপেক্ষায় কুমিল্লা

ঢাকার ব্যাটিংয়ের পরই এবারের আসরের প্রথম ফাইনালিস্ট অনেকটাই নির্ধারণ হয়ে যায়। তবে কুমিল্লা সমর্থকরা অপেক্ষা করছিলেন তামিম-বাটলার-শোয়েব মালিকদের মধ্যে কেউ ক্রিস গেইল হয়ে উঠতে পারেন কি না। দিনের আগের ম্যাচে ৫১ বলে ১২৬ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস খেলে রংপুর রাইডার্সকে একক প্রচেষ্টায় কোয়ালিফায়ার পর্বে উঠিয়ে আনেন গেইল। তবে কুমিল্লার ব্যাটসম্যানদের মধ্যে কেউই গেইল হয়ে উঠতে পারলেন না। ফলাফল, কুমিল্লাকে হারিয়ে বিপিএলের এবারের আসরে প্রথম দল হিসেবে ফাইনাল উঠল ঢাকা ডায়নামাইটস।

কুমিল্লার ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা এখনো শেষ হয়ে যায়নি। আগামী রোববার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে রংপুর রাইডার্সকে হারাতে পারলে ফাইনালে উঠতে পারবে তামিম ইকবালের দল।

আজ শুক্রবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করে ৭ উইকেটে ১৯১ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় ঢাকা ডায়নামাইটস। জবাবে মাত্র ৯৬ রানে অলআউট হয় কুমিল্লা। ৯৫ রানে ম্যাচটা জিতে ফাইনালে উঠে গেল সাকিব বাহিনী। আগামী রোববার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচের জয়ী দলের বিপক্ষে ফাইনালে মাঠে নামবে ঢাকা। ১২ ডিসেম্বর হবে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচটি।

১৯২ রানের পাহাড়সম রান তাড়া করতে গিয়ে প্রথম ১০ ওভারের মধ্যেই ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। একে একে ফিরে আসেন লিটন দাস, জস বাটলার, ইমরুল কায়েস, মারলন স্যামুয়েলস, তামিম ইকবাল ও ডোয়াইন ব্রাভো। ৬০ রানে প্রথম সাতজন ব্যাটসম্যান আউট হয়ে যাওয়ায় ইনিংসের দ্বিতীয়ার্ধে কেবল হারের ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করেন নিচের সারির ব্যাটসম্যানরা।

খুলনাকে ধসিয়ে দেওয়ার কাজটি করেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, সাকিব আল হাসান ও শহীদ আফ্রিদি। লিটন ও ইমরুলকে ফেরান সৈকত। জস বাটলার ও শোয়েব মালিককে ফেরান সাকিব। কুমিল্লার ব্যাটিং স্তম্ভখ্যাত তামিম ইকবাল ও ডোয়াইন ব্রাভোকে সাজঘরমুখী করেন শহীদ আফ্রিদি। শেষ পর্যন্ত কুমিল্লাকে মাত্র ৯৬ রানে অলআউট করে দিয়ে ফাইনালে উঠে গেল ঢাকা ডায়নামাইটস।

এর আগে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ নিশ্চিত করতে তামিম ইকবালের কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ১৯২ রানের লক্ষ্য দেয় সাকিবের দল। দ্বিতীয় ওভারেই মেহেদী মারুফ বিদায় নিলেও ঢাকার সমর্থকদের সেটা মনেই করতে দেননি এভিন লুইস ও জো ডেনলি। মাত্র ৬ ওভারের জুটিতে ৬৯ রান তুলে নেন এই দুই ব্যাটসম্যান। দলীয় ৮০ রানে লুইস ফিরলেও চার-ছয়ের ছন্দটা ধরে রাখেন কাইরন পোলার্ড। ১৮ বলে ৩১ রান করেন পোলার্ড। এর আগে ৩২ বলে ৪৭ রান করেন লুইস।

পোলার্ড, জো ডেনলি ও সাকিব দ্রুত বিদায় নিলেও ঢাকার চাকাটা সচলই রাখেন শহীদ আফিদি। ১৯ বলে চার ছক্কায় ৩০ রান করেন পাক সুপারস্টার। শেষ দুই ওভারে রান তোলার ছন্দ্টা ধরে রাখতে পারেননি জহুরুল-নারাইনরা। ফলে ৭ উইকেটে ১৯১ রানেই থামে ঢাকার ইনিংস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পদ্মশাঁখরায় মাদকবিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণী

আরাফাত হোসেন লিটন : পদ্ম শাখরায় আশিক ইন্টারপ্রাইজের আয়োজনে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ হোসেনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ৪ দলীয় লক্ষ টাকার ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকাল ৪টায় পদ্মশাখরা কোহিনুর ক্লাব মাঠে ফাইনাল খেলা গাংনিয়া স্পোর্টিং ক্লাব একাদশ ও পারুলিয়া বন্ধু মহল একাদশের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের সদস্য আল-ফেরদাউস আলফার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতক্ষীরা সদর সার্কেল) মেরিনা আক্তার।

এসময় তিনি বলেন, সাতক্ষীরায় মাদক ব্যবসায়ী, সেবনকারী কেউই ছাড় পাবেন না। মাদকের ছোবল থেকে সাতক্ষীরাকে রক্ষা করতে মাদকের বিষয়ে আপোষ করা হবে না। তিনি আরো বলেন, মাদকের কারণে দেশর উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাই মাদক নির্মূল করা গেলে দ্রুত উন্নত দেশে পৌছানো সম্ভব হবে। আসুন সকলে মাদকের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলি, মাদকমুক্ত দেশ গড়ি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ হোসেন, পদ্মশাঁখরা কোহিনুর ক্লাবের সভাপতি বাবুর আলী গাজী, ভোমরা ইউপি চেয়ারম্যান ইসরাইল গাজী। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) শেখ সেকেন্দার, ইন্সপেক্টর (ইন্টিলিজেন্স ও কমিউনিটি পুলিশং) মহিদুল ইসলাম, পারুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য ফরহাদ হোসেন হিরা, জান্নাত ইন্টারপ্রাইজের পরিচালক আজহারুল ইসলামসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। খেলায় গাংনিয়া স্পোর্টিং ক্লাব একাদশ পারুলিয়া বন্ধু মহল একাদশকে ২-০ গোলে পরাজিত করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে হবে -নজরুল ইসলাম

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : রোটারী ক্লাব অব সাতক্ষীরার উদ্যোগে অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে গরু প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে শহরের কাটিয়াস্থ শাহী মসজিদের সামনে রোটাঃ এনছান বাহার বুলবুল এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে গরু তুলে দেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম। এসময় তিনি বলেন, ‘দারিদ্রতা সমাজের অভিশাপ। আমাদের চার পাশে যে সব হতদরিদ্র মানুষ আছে তাদের পাশে দাড়ানো প্রত্যেক বিত্তবানদের নৈতিক দায়িত্ব। দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিইত করতে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে হবে। রোটারী ক্লাব অব সাতক্ষীরা তার জন্মলগ্ন থেকে আত্ম মানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছে।’ এসময় রোটারী ক্লাব অব সাতক্ষীরার উদ্যোগে দুঃস্থ ও অসহায় ৮টি পরিবারকে আয় বৃদ্ধিমূলক প্রকল্পে সুদমুক্ত অর্থ ঋণ সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে মাল্টি ডিস্ট্রিক কমব্যাট হাঙ্গার প্রজেক্টের আওতায় গৃহীত এক বছরে পরিশোধ যোগ্য ঋণ বিতরণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন রোটাঃ সেক্রেটারি এড. শাহনওয়াজ পারভীন মিলি, রোটাঃ পিপি সৈয়দ হাসান মাহমুদ, রোটাঃ পিপি বিশ^নাথ ঘোষ এমডি,রোটাঃ পিপি প্রফেসর ভূধর সরকার, রোটাঃ আক্তারুজ্জামান কাজল, রোটাঃ কামরুজ্জামান রাসেল, রোটাঃ শফিউল ইসলাম শফি, রোটাঃ মাহবুবার রহমান, রোটাঃ এমদাদ হোসেন, রোটাঃ হাছিবুর রহমান, রোটাঃ মনিরুজ্জামান টিটু ও রোটাঃ আশরাফুল করিম ধনি, রোটাঃ নুর ইসলাম ঢালীসহ রোটারী ক্লাব অব সাতক্ষীরার রোটাঃ সদস্যরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest