চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী (৭৩) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি…রাজিউন)। তিনি অনেক দিন ধরে হৃদরোগ, কিডনি জটিলতাসহ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে চট্টগ্রামের মেহেদিবাগের বেসরকারি একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মহিউদ্দিন চৌধুরীকে গতকাল বেলা ১১টার দিকে ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সন্ধ্যার পর থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চিকিৎসক লিয়াকত আলী খান তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি আজ সকালে নিশ্চিত করেন।
চিকিৎসকেরা জানান, গত ১১ নভেম্বর মহিউদ্দিন চৌধুরীকে ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখান থেকে পরদিন তাঁকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে ১৬ নভেম্বর সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। ২৬ নভেম্বর কিছুটা সুস্থ হয়ে ঢাকায় ফেরেন। ১২ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যান।
বাদ আসর লালদীঘি মাঠে মহিউদ্দিন চৌধুরীর জানাজা হবে। মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের শোক জানিয়েছেন।

এসময় তিনি বলেন, “লাইব্রেরির কার্যক্রম দেখে আমার খুবই ভাল লাগলো। এভাবে বাংলাদেশের প্রতিটা লাইব্রেরিতে বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্বলিত বই থাকলে আমাদের আগামী প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে। এসময় তিনি সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক এমপি সম্পর্কে বলেন, “সাতক্ষীরা-৩ আসনে এমন একজন সাংসদকে পেয়েছেন যিনি শুধু আপনাদের নয় সামগ্র বাংলাদেশের গর্ব। তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রী থাকাকালীন সমগ্র বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবায় আমূল পরিবর্তন আনায় একাধিক আন্তার্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয় বাংলাদেশ। ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি বর্তমানে যদি মন্ত্রী থাকতেন তাহলে আপনাদের এলাকায় আরো উন্নয়ন করা সম্ভব হত। তার মত একজন বিজ্ঞ মানুষ, জ্ঞানী মানুষ, অভিজ্ঞ মানুষ, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মানুষ আপনারা পেয়েছেন এজন্য আপনারা আশাশুনির মানুষ ধন্য। সুতরাং আমি বলবো আবারও তাঁর পক্ষে আমরা আশা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদেও প্রিয় নেত্রী তাকে আবারও নৌকা প্রতীক দিয়ে আপনাদের এলাকার উন্নয়নের কাজে পাঠাবেন। আপনারা তাঁকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন এবং আপনাদের এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখবেন।” পুনরায় তাকে নির্বাচিত করে উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে উপস্থিত সকলের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।
জগলুল হায়দার এমপি’র আশাশুনিতে আগমনে সাধারণ মানুষ আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে। তারা বলেন, আমরা এতদিন এমন একটা এমপিকে শুধু টিভির পর্দায়, পত্রিকার পাতায় আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেছি কিন্তু আজ সরাসরি তাকে আমরা দেখে অনেক আনন্দিত হয়েছি। তাঁর এমন সীমানা পেরিয়ে নেতার খবর নিতে যাওয়ার সংবাদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সাঈদ মেহেদী সেকেন্দার এক মন্তব্যে লেখেন, একজন নেতার কোন সীমানা থাকেনা তার প্রমাণ দেখতে পেলাম আবারো। জনপ্রিয় জনদরদি নেতা এস.এম জগলুল হায়দার এমপি তাঁর মানব দরদি কাজে ইতোমধ্যে আলোচিত হয়েছেন। এভাবে তিনি মানুষের পাশে থাকবেন সেই প্রত্যাশা।
শালিখা ডিগ্রী কলেজের এই নবীন বরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ বিধান চন্দ্র সাধু। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা সরদার সুজাত আলি। কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যপক পলাশ কুমার দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে খেশরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রভাষক রাজিব হোসেন (রাজু) ও কলেজের উপাধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান গোলদারও বক্তব্য রাখেন।
