পাবলিক লাইব্রেরির মত প্রতিষ্ঠানে ‘খাও-দাও ফূর্তি করো’ মার্কা ‌’পেটুকের আড্ডা’ খানা!

নিজস্ব প্রতিবেদক: শুরুতেই সুশীল সমাজে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে পেটুকের আড্ডা নামক ক্যাফেটেরিয়া। নাম ও শ্লোগান দুটিতে আপত্তি জানিয়েছেন সাতক্ষীরার সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ। এছাড়া তারা প্রচারের জন্য যে পোস্টার সেটেছেন সেটি আবার বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির প্রতিষ্ঠাতা, আজীবন সংগ্রামী, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক কমরেড অমল সেনের স্মরণসভার পোস্টারে থাকা তার ছবির উপর। যা নিয়ে দিন ভর শহরের তুমুল বির্তকের সৃষ্টি হয়।
অন্যদিকে, সাতক্ষীরার সচেতন নাগরিকরা বলছেন, “খাও দাও ফূর্ত্তি করো, দুনিয়াটা মস্ত বড়” শ্লোগান, আর নাম দিয়েছে ‘পেটুকের আড্ডা’! এটা ভদ্রস্থ কোন নাম হতে পারে? এছাড়া পাবলিক লাইব্রেরির মত প্রতিষ্ঠানের ভবনের সাথে এধরনের আপত্তিকর স্থূর রূচির নাম ব্যবহার করে কোন প্রতিষ্ঠান চালানোর ব্যবস্থা করায় জ্ঞান চর্চার পরিবেশ সৃষ্টি কি ভূমিকা রাখবে তা কেউ বুঝতে পারছেন না! মাসিক কিছু ভাড়ার টাকার জন্য কি যা খুশি তাই করা যেতে পারে?
উল্লেখ্য গত ১৮ জানুয়ারি’১৮ তারিখে এই ক্যাফেটরিয়াটির উদ্বোধন করা হয়।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি এড. ফাহিমুল হক কিসলু পাবলিক লাইব্রেরির সাথে এধরনের প্রতিষ্ঠান যুক্ত হওয়ায় এবং কমরেড অমল সেনের স্মরণসভার পোস্টারে থাকা তার ছবির উপরে এ ধরনের আপত্তিকর বক্তব্য সম্বলিত পোস্টার মারার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানান।
এবিষয়ে তালা-কলারোয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি বলেন, “কমরেড অমল সেন মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠন। তাকে সকলেই শ্রদ্ধা করেন। তার মত একজন মহান ব্যক্তির স্মরণসভার পোস্টারের উপর যারা এধরনের পোস্টার মারে তাদের রূচিবোধ, রাজনৈতিক চিন্তাধারা নিঃসন্দেহে স্বাধীনতা বিরোধী। আমি এর তীব নিন্দা জানাচ্ছি।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

রাজধানীর ওয়ারীতে বাসার ছাদে উচ্চস্বরে গান বাজানোর প্রতিবাদ করায় হামলার শিকার হয়ে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহত ব্যক্তির নাম নাজমুল হক (৬৫)। তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ এ ঘটনায় চার জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলো— আলতাফ হোসেন, সাজ্জাদ হোসেন, মির্জা জাহিদ হাসান ও রাইয়ান হাসনিন।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্র জানায়, ওয়ারী থানার আর কে মিশন রোডের ৪৪ নম্বর ভবনের নবম তলায় পরিবার নিয়ে থাকতেন নাজমুল হক।তিনি বাইপাস সার্জারির রোগী ছিলেন। ওই বাসার ছাদে ফ্ল্যাট মালিকদের কমিউনিটি হলে বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে গায়ে হলুদের এক অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে গান বাজানো হয়।এতে নাজমুল হকের সমস্যা হচ্ছিল। তিনি নিচে গিয়ে কেয়ারটেকারকে জানালে ফ্ল্যাট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেনের সঙ্গে তার বাক-বিতণ্ডা হয়। আলতাফ হোসেনের ভাতিজা হৃদয়ের গায়ে হলুদ উপলেক্ষে গান বাজানো হচ্ছিল।

নাজমুল হকের মেয়ে নাফিসা বলেন, ‘রাতে ১১ তলায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল। তারা উচ্চশব্দে গান বাজাচ্ছিল। এতে আমাদের খুব সমস্যা হয়। বিশেষ করে বাবার। আমরা রাতেই তাদের অনুরোধ করি। কিন্তু তারা শুনেনি। আমার ভাইয়ের সঙ্গেও এ নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। পরে তারা আজকে (শুক্রবার) সকালে আমার ভাইকে বাসার নিচে ডেকে পাঠায়। তখনও তারা খারাপ ব্যবহার করে। এক পর্যায়ে আমার ভাইকে মারধর করে। এতে আমিও ব্যথা পাই। এসব দেখে আমার বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েন। বাবা বাইপাস সার্জারি করা রোগী। তাকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় মারা যান। ওরা আমার বাবাকে মেরে ফেলেছে। আমরা বারবার বাবার অসুস্থতার কথা জানিয়েছি। আমরা এর বিচার চাই।’

নাজমুল হকের ছেলে নাসিমুল অভিযোগ করেন, ‘তাকে যখন মারধর করা হচ্ছিল, তখন তার বাবা ছাড়াতে এগিয়ে আসেন। এসময় তাকেও মারধর করা হয়। এতে তিনি পড়ে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে বাবা মারা যান।’

ওয়ারী থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় নিহত নাজমুল হকের ছেলে নাসিমুল হক বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ চার আসামিকে গ্রেফতার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের লাশ মিডফোর্ড হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুরুষধরা ফাঁদে দুই নারীসহ এক পুরুষ আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক: হালকা পরিচয় বা মোবাইলে কথা। পুরুষকে দুর্বল করার মত এমন প্রেম অথবা ভালবাসার অভিনয়। এরপর আহবান করা হয় মেহমান হিসেবে বাসায়। আর বাসায় গেলেই কথা হচ্ছে বা মেহমানদারি হচ্ছে এমন সময় বাসায় হাজির পুলিশ। শুরু হয় এ দু’নারির নতুন নাটক। নারির টোপে পড়ে ব্লাক মেইলিং এর শিকার এমন পুরুষ ও দু নারিকে আটক করেছে সদর থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে শহরের মধুমল্যার ডাঙ্গী (খুলনার রোডের নীচে) ভাড়াবাসিন্দা সুমন বিশ^াস, রুমা খাতুন ইতি ও সুমি খাতুনকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, শহরের মধুমল্যার ডাঙ্গী (খুলনার রোডের নীচে) একটি ভাড়াবাসায় বসবাস করেন ওষুধ কোম্পানির রিপ্রেজেনটিভ সুমন বিশ^াস। সে ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারি থানার চতুল গ্রামের বাবুল বিশ^াসের ছেলে। পূর্ব পরিচয় সূত্রে বৃহস্পতিবার রাতে সুমন বিশ^াসের বাসায় যায় ইতি ও সুমি। এরপর সেখানে কিছু সময় অবস্থানের পরপরই পৌঁছায় সদর থানার এসআই মিরাজ হোসেন। এক পর্যায়ে ইতি, সুমি ও সুমনকে রাতে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। শুক্রবার তাদেরকে ২৯০ ধারায় মামলা দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, সুমি খাতুন সাতক্ষীরা আদালতের পেছনে সবুজবাগের মনিরুজ্জামানের মেয়ে। অপর দিকে রুমা খাতুন ওরফে ইতি সে সদরের ধুলিহর গ্রামের তমেজ উদ্দীন সরদারের মেয়ে। সে একাই ভাড়া থাকে শহরের কামালনগর গোরস্থান এলাকায়। তারা উভয় মিলে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরুষদের নানা কৌশলে বাড়িতে ডেকে অথবা তাদের বাড়িতে যেয়ে ব্লাক মেইলিং করে হাজার টাকা কামিয়ে চলেছে।
জানা গেছে, সদর থানার পিছনের এক দোকানদার ইতির কাছে আড়াই হাজার টাকা পায়। তার পাওনা টাকা চাইলে ইতি তার বাড়িতে যেতে বলে। পাওনাদার ইতির বাড়িতে টাকা চাইতে গেলে ঘরের মধ্যে বসিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। এক পর্যায়ে সেখানে পৌছায় সদর থানার পুলিশ। এরপর শুরু হয় দরদাম। পাকাপোল মোড়ের একজন ফল ব্যবসায়ী বন্ধুত্বের খাতিরে ৫০ হাজার টাকার জামিন হয়ে পাওনাদারকে ছাড়িয়ে নেয়। আছে আরও অনেক ঘটনা।
এভাবে ইতি আর সুমির পুরুষধরা ফাঁদে পড়ে সর্বশান্ত হয়েছেন অনেকেই। তবে মুখ খোলেনা কেউ। সার্বিক বিষয়ে ক্ষতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি শহরবাসীর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হরিণখোলা-গোয়ালপোতায় ৭১-এর গণহত্যার শহিদ স্মৃতিস্তম্ভ ‘মৃত্যুঞ্জয়ী’ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার হরিণখোলা-গোয়ালপোতা’৭১ এ গণহত্যার শহিদ স্মৃতিস্তম্ভ ‘মৃত্যুঞ্জয়ী’ উদ্বোধন ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকাল ৩টায় গোয়ালপোতায় স্মৃতিস্তম্ভ ‘মৃত্যুঞ্জয়ী’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, নগরঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান লিপু।
জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইদ্রিস আলীর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে স্মৃতিস্তম্ভ ‘মৃত্যুঞ্জয়ী’ এর উদ্বোধন করেন তালা-কলারোয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সুভাষ সরকার। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, তালা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মফিজউদ্দীন, ডেপুটি কমান্ডার আলাউদ্দিন জোয়ার্দ্দার, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা অমল কান্তি ঘোষ, শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা মতিয়ার রহমান প্রমুখ। এসময় প্রধান অতিথি বলেন, ৭১’এ যারা গণহত্যার শিকার হয়েছিলেন। তারা জীবন দিয়ে হলেও আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ উপহার দিয়ে গেছেন। জীবনের বিনিময়ে আজ আমরা স্বাধীন বাংলাদেশে মাথা উচু করে বেঁচে আছি। তাদের কাছে আমরা চিনি ঋণী হয়ে আছি। আজ এ স্মৃতি স্তম্ভ তৈরি করে অন্তত আমরা তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারবো। এর আগে অত্র এলাকায় ৭১’র গণহত্যার শিকার হওয়া পরিবারকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় সুমনা ফাউন্ডেশনের কম্বল বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : তীব্র শীতে কাঁপছে দেশ। শীতের তীব্রতায় কাবু হয়ে পড়েছে সারা দেশের মানুষ। সাতক্ষীরাতেও শীতের তীব্রতা কম নয়। টানা কয়েক দিনের তীব্র শীত ও ঠান্ডা বাতাসে কাতর হয়ে পড়েছে সাতক্ষীরার মানুষ। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকে বাড়তে শুরু করে শীতের তীব্রতা। এতে করে নিম্ন আয়ের মানুষগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। যাদের কাজ না করলে সংসার চলে না। সারা দিন পরিশ্রম করে তারা গরম কাপড় কিনবেন নাকি সংসার চালাবেন। তারপর আবার তীব্র শীতে কাজ করতে না পেরে অনেকেই রয়েছেন কষ্টে। ইতোমধ্যে এসব অসহায় মানুষগুলোকে গরম কাপড় দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য সরকারি, বেসরকারি সংস্থাসহ একাধিক ব্যক্তি নিজ উদ্যোগে এগিয়ে এসেছেন। ঠিক তেমনি সাতক্ষীরার বেসরকারি সংস্থা সুমনা ফাউন্ডেশন ও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।
শুক্রবার বিকাল ৩টায় সুমনা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অসহায় শীতার্থদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে নিজস্ব কার্যালয়ে শীতার্থদের মাঝে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুমনা ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক এ এস এম মাকছুদ খান। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট সমাজসেবক শেখ আজহার হোসেন, বীরমুক্তিযোদ্ধা ইমাম বারি, আবুল কালাম আজাদ, সমাজসেবক সিমুন শামস্, মানোয়ারা খান, সাতক্ষীরা টিটিসি’র অধ্যক্ষ মুছাব্বেরুজ্জামান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিউজিল্যান্ডে গিয়ে ধরাশায়ী পাকিস্তান। ওয়ানডে সিরিজে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ (৫-০) করল কিউয়িরা। শুক্রবার বেসিন রিজার্ভে সিরিজের শেষ ম্যাচেও পাকিস্তানকে ১৫ রানে হারালো নিউজিল্যান্ড।

প্রথমে ব্যাট হাতে কামাল দেখান মার্টিন গাপটিল। তার সেঞ্চুরিতে সাত উইকেটে ২৭১ রান তোলে ‘ব্ল্যাক ক্যাপস’। পরে বল হাতে দাপট ম্যাট হেনরির। পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের টপ-অর্ডারকে একাই নাড়িয়ে দেন ডানহাতি কিউয়ি পেসার। শেষ পর্যন্ত ৫৩ রান দিয়ে তুলে নেন চারটি উইকেট। হেনরির দাপটে এক ওভার বাকি থাকতেই ২৫৬ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তানের ইনিংস।

এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হল পাকিস্তান। ১৯৮৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর ২০১০ অস্ট্রেলিয়ার কাছে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল পাকিস্তান। আর নিউজিল্যান্ড এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ৫-০ ওয়ান ডে সিরিজ জিতল। এর আগে ২০০০ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করেছিল কিউয়িবাহিনী।

পাকিস্তানকে ৫-০ হারিয়ে তিন ফর্ম্যাট মিলিয়ে টানা এক ডজন ম্যাচে জয় পেল নিউজিল্যান্ড। শুধু তাই নয়, গত বছর মার্চের পর থেকে ঘরের মাঠে অপরাজিত ‘ব্ল্যাক ক্যাপস’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

হলো না। ঘুরে দাঁড়ানো তো দূরে থাক, সামান্যতম প্রতিদ্বন্দ্বিতাও গড়তে পারলো না শ্রীলঙ্কা। দাপুটে ক্রিকেটে অসহায় আত্মসমর্পণ করিয়ে চন্ডিকা হাথুরুসিংহের লঙ্কা অধ্যায় আরও কঠিন করে তুললো বাংলাদেশ। টাইগারদের সামনে মাত্র ১৫৭ রানে অলআউট হয়ে লঙ্কানরা ম্যাচটি হেরেছে ১৬৩ রানে। যাতে বাংলাদেশ পেয়েছে ওয়ানডে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয়।

ব্যাট হাতে জ্বলে উঠেছিলেন বাংলাদেশের তিন ব্যাটসম্যান- তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। তাদের হাফসেঞ্চুরির ওপর ভর দিয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ স্কোরে জমা করে ৩২০ রান। কঠিন সেই লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকা হাথুরুসিংহের দল ৩২.২ ওভারে গুটিয়ে যায় ১৫৭ রানে।

অসাধারণ থ্রোতে দিনেশ চান্ডিমালকে আউটের পর এলেন বোলিংয়ে, সেখানে সাকিব আল হাসান আরও দুর্দান্ত। জোড়া আঘাতে এই স্পিনার ফেরালেন অসেলা গুনারত্নে ও ভনিন্দু হাসারঙ্গাকে। হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন সাকিব। ২৬তম ওভারের চতুর্থ ও পঞ্চম বলে দুই উইকেট তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে আরও চেপে ধরেন বাংলাদেশি অলরাউন্ডার। গুনারত্নেকে আউট করে সাকিব পান ম্যাচের প্রথম উইকেট। ১৬ রান করা গুনারত্নেকে ক্যাচ বানান তিনি মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের হাতে। এখানেই থামলেন না তিনি, পরের বলেই আবার উইকেট। সাকিবের ঘূর্ণি বলটা বুঝতে পারেননি নতুন ব্যাটসম্যান হাসারঙ্গা। বল তার ব্যাটের উপরের দিতে লেগে ভাসতে থাকে বাতাসে, সহজ ক্যাচটা গ্ল্যাভসবন্দী করতে কোনও অসুবিধাই হয়নি মুশফিকুর রহিমের।

বোলিংয়ে আসার ঠিক আগেই দুর্দান্ত এক থ্রোতে সাকিব রান আউট করেন চান্ডিমালকে। টপ অর্ডারের ব্যর্থতার দিনে বেশ ভালোই খেলছিলেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের অনুপস্থিতিতে অধিনায়কের দায়িত্ব পাওয়া এই ব্যাটসম্যান। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক রান আউটে ফিরতে হয় তাকে ২৮ রান করে।

চাপে পড়া দলকে আরও চাপে ফেলে গেলেন নিরোশান ডিকবেলা। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ছিলেন না এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের চোটে একাদশে সুযোগ হয়ে যায় তার। যদিও সুযোগটা মোটেও কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। ১৬ রান করে বোল্ড হয়ে ফিরে গেছেন মোস্তাফিজের বলে।

তার আগে জ্বলে উঠেছিলেন মাশরাফি। বোলিংয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে নিজের দ্বিতীয় উইকেট পেয়ে যান কুশল মেন্ডিসকে আউট করে। শুরু থেকেই ভুগতে থাকা লঙ্কান ব্যাটসম্যান আউট হয়েছেন ১৯ রান করে। তার ৩৪ বলের ইনিংসটি থামে মাশরাফির বলে রুবেল হোসেনের তালুবন্দী হয়ে।

তিন হাফসেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে স্কোরে জমা করেছে ৩২০ রান। সেই লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই শ্রীলঙ্কা হারায় ‍কুশল পেরেরার উইকেটটি। স্পিন আক্রমণ দিয়ে বোলিং ইনিংস শুরু করা টাইগাররা তৃতীয় ওভারেই পায় সাফল্য। নাসির হোসেন নিজের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান লঙ্কান ওপেনারকে। আউট হওয়ার আগে কুশল পেরেরা করেছেন মাত্র ১ রান।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে অসাধারণ এক ইনিংস খেলেছিলেন কুশল পেরেরা। আফ্রিকার দেশটির বিপক্ষে ১২ রানে হারার ম্যাচে তার ব্যাট থেকে এসেছিল দলীয় সর্বোচ্চ ৮০ রানের ইনিংস। বাংলাদেশের বিপক্ষেও তার কাছ থেকে ভালো একটি ইনিংসের প্রত্যাশা ছিল লঙ্কানদের। কিন্তু হলো না, শুরুতেই আউট হয়ে চাপ বাড়িয়ে যান দলের।

শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছিল শ্রীলঙ্কা। অন্তত উপুল থারাঙ্গা বেশ ভালোভাবেই গুছিয়ে নিয়েছিলেন নিজেকে। যদিও উইকেটে বেশি সময় তাকে থাকতে দিলেন না মাশরাফি। বাংলাদেশ অধিনায়কের শিকার হয়ে ফিরে গেছেন লঙ্কান ওপেনার। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আগের ম্যাচে ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি থারাঙ্গা। ১১ রানে আউট হওয়া এই ওপেনারের বাংলাদেশের বিপক্ষে দায়িত্ব ছিল আরও বেশি। শুরুতে উইকেট হারানোর পর প্রাথমিক চাপটা ভালোভাবেই সামলে উঠেছিলেন তিনি। যদিও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। মাশরাফির বলে মাহমুদউল্লাহর হাতে ধরা পড়ার আগে করেন ২৫ রান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বি এম আলাউদ্দীন: আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা দূর্গা মন্দির কমিটির আয়োজনে দূর্গা মন্দির উন্নয়ন কল্পে ০৮ দলীয় নক-আউট ব্যাট মিন্টন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত্র ৯টায় গোয়ালডাঙ্গা দূর্গা মন্দির মাঠে উক্ত খেলা অনুষ্ঠিত হয়। স্বপন কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে চ্যাম্পিয়ান দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহিদুল ইসলাম শাহীন, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন এস,আই আঃ রাজ্জাক, এ,এস,আই অাসলাম হোসেন, মিতালী যুব সংঘের সভাপতি মোঃ আছাদুল ইসলাম ফকির, মানিকখালি ব্রীজ কন্টাকটর মিলন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রভাষক শিবপদ সরকার, সাংবাদিক বি এম আলাউদ্দীন, আল আমিন যুব সংঘের সভাপতি মোঃ শরিফুল ইসলাম, জা,গো তরুন ফ্রেন্ডস ক্লাবের সভাপতি ও সাংবাদিক শাহিনুর ইসলাম, বড়দল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রতিনিধি মফিজুল ইসলাম, বড়দল ইউনিয়ন দফাদার মোক্তাজুল ইসলাম, আজারুল ইসলাম (আজগার), ডাঃ সাইফুল ইসলাম, শিক্ষক মোঃ আবুল খায়ের, শংকর মজুমদার, এস এম শরিফুল ইসলাম (ফুল) প্রমুখ। খেলায় ফাইনালে সাতক্ষীরা পৌরসভা-১ ও দরগাপুর দল একে অপারের প্রতিদন্দিতা করে। ২-০ তে  ম্যাচ জিতে চ্যাম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করেন দরগাপুর দল। চাম্পিয়ান দলকে ২১ ইঞ্চি টিভি ও রানার্স আপ দলকে ১৪ ইঞ্চি টিভি পুরস্কার দেওয়া হয়।সেরা খেলোয়ার নির্বাচিত হন তুষার। রিফারির দায়িত্ব পালন করেন মনিরুজ্জামান টিটু ও হরিদাশ ব্যাণার্জী। ধারাভাষ্যয় ছিলেন শিক্ষক শিবভোলা সরকার।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest