পূর্ব জেরুজালেম ফিলিস্তিনের, দেশটির অধিকার ফিরিয়ে দিন বলে উল্লেখ করেছেন সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ।
পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) ঘোষণার পর এবার সৌদি বাদশাহও তাতে সমর্থন জানালেন।
তিনি বলেন, ধর্মীয় সমস্যা হলেও একে রাজনৈতিকভাবে সমাধান করতে হবে। স্বাধীন দেশ হিসেবে তাদের বৈধ অধিকার রয়েছে পূর্ব জেরুজালেমে। এ সময় তিনি জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের কথাও বলেন।
তুরস্কের রাজধানী ইস্তাম্বুলে বিশ্বের ইসলামী দেশগুলোর জোটের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের বিশেষ সম্মেলনে বাদশাহ উপস্থিত ছিলেন না। তবে সেখানে যৌথ ঘোষণায় বুধবার রাজধানীর স্বীকৃতি আসে। যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিপরীতে নেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প এর আগে জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন। এরপর দেশে দেশে শুরু হয় বিক্ষোভ, ট্রাম্পের নিন্দা জানান অনেক বিশ্বনেতা।
পৃথিবীর অন্যতম পবিত্র নগরীর মর্যাদা রয়েছে জেরুজালেমের।
ছোট্ট একটি শহরকে ঘিরে তিন ধর্মের মানুষের আবেগ, স্মৃতি এবং ঐতিহ্য। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর শহরও জেরুজালেম। ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় থাকা, ‘ওল্ড সিটি’ খ্যাত শহরটি বিভক্ত মুসলিম, ইহুদি, খ্রিস্টান ও আর্মেনীয় বসতিতে। এখানে রয়েছে এসব ধর্মের অনেক পবিত্র স্থাপনা। তাই এই নগরীর পবিত্রতা নিয়ে মতভেদ না থাকলেও নিয়ন্ত্রণের অধিকার নিয়ে আছে নানা বিতর্ক। আছে দফায় দফায় দখল, পুনর্দখল, ধ্বংস আর পুনর্নির্মাণের রক্তক্ষয়ী ইতিহাস। সবচেয়ে বেশি টানাপোড়েন পবিত্র ভূমিকে ঘিরে। চলমান ইসরাইল-ফিলিস্তিন দ্বন্দ্বের কেন্দ্র এ এলাকায় অবস্থিত ইসলামের তৃতীয় পবিত্র মসজিদ আল আকসা বা বায়তুল মোকাদ্দাসসহ মুসলিমদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।
একই জায়গায় অবস্থিত ইহুদিদের পবিত্র ভূমিখ্যাত ‘টেম্পল মাউন্ট’ বা ‘ঈশ্বরের ঘর’। যা ‘কুব্বাত আস সাখরা’ নামে হিসেবে পরিচিত। টেম্পল মাউন্টকে ঘিরে থাকা ‘ওয়েস্টার্ন ওয়াল’ ইহুদিদের কাছে ‘পৃথিবীর ভিত্তিপ্রস্তর’ হিসেবে স্বীকৃত। এখানে নিয়মিত প্রার্থনায় অংশ নেন লাখো ইহুদি।
যিশু খ্রিস্টের স্মৃতিবিজড়িত গির্জার কারণে খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের কাছেও পবিত্রতার দিক থেকে সমান গুরুত্বপূর্ণ জেরুজালেম। খ্রিস্টানদের বিশ্বাস, এখানেই ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল যিশুকে।

এসময় তিনি বলেন, “লাইব্রেরির কার্যক্রম দেখে আমার খুবই ভাল লাগলো। এভাবে বাংলাদেশের প্রতিটা লাইব্রেরিতে বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্বলিত বই থাকলে আমাদের আগামী প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে। এসময় তিনি সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক এমপি সম্পর্কে বলেন, “সাতক্ষীরা-৩ আসনে এমন একজন সাংসদকে পেয়েছেন যিনি শুধু আপনাদের নয় সামগ্র বাংলাদেশের গর্ব। তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রী থাকাকালীন সমগ্র বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবায় আমূল পরিবর্তন আনায় একাধিক আন্তার্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয় বাংলাদেশ। ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি বর্তমানে যদি মন্ত্রী থাকতেন তাহলে আপনাদের এলাকায় আরো উন্নয়ন করা সম্ভব হত। তার মত একজন বিজ্ঞ মানুষ, জ্ঞানী মানুষ, অভিজ্ঞ মানুষ, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মানুষ আপনারা পেয়েছেন এজন্য আপনারা আশাশুনির মানুষ ধন্য। সুতরাং আমি বলবো আবারও তাঁর পক্ষে আমরা আশা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদেও প্রিয় নেত্রী তাকে আবারও নৌকা প্রতীক দিয়ে আপনাদের এলাকার উন্নয়নের কাজে পাঠাবেন। আপনারা তাঁকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন এবং আপনাদের এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখবেন।” পুনরায় তাকে নির্বাচিত করে উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে উপস্থিত সকলের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।
জগলুল হায়দার এমপি’র আশাশুনিতে আগমনে সাধারণ মানুষ আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে। তারা বলেন, আমরা এতদিন এমন একটা এমপিকে শুধু টিভির পর্দায়, পত্রিকার পাতায় আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেছি কিন্তু আজ সরাসরি তাকে আমরা দেখে অনেক আনন্দিত হয়েছি। তাঁর এমন সীমানা পেরিয়ে নেতার খবর নিতে যাওয়ার সংবাদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সাঈদ মেহেদী সেকেন্দার এক মন্তব্যে লেখেন, একজন নেতার কোন সীমানা থাকেনা তার প্রমাণ দেখতে পেলাম আবারো। জনপ্রিয় জনদরদি নেতা এস.এম জগলুল হায়দার এমপি তাঁর মানব দরদি কাজে ইতোমধ্যে আলোচিত হয়েছেন। এভাবে তিনি মানুষের পাশে থাকবেন সেই প্রত্যাশা।