শ্যামনগরে আইন অমান্য করে সওজের জায়গায় ভবন নির্মাণ
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সড়ক ও জনপদের জায়গায় অবৈধভাবে ভবন নির্মানের অভিযোগ উঠেছে।  সড়ক ও জনপদের সূত্রে জানাযায় শ্যামনগর উপজেলার কাচড়াহাটি নন্দি গ্রামের নেদু মাঝির ছেলে ঔষধ ব্যাবসায়ী মোঃ সামছুর রহমান শ্যামনগর উপজেলার সদরের সন্নিকটে কাচড়াহাটি গ্রামে অর্থাৎ কালিগঞ্জ শ্যামনগর মহাসড়কের একেবারে পাশে আরসিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে ভবন নির্মানের কাজ চলমান রাখিয়াছে।  সড়ক ও জনপদের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর কার্যালয় সাতক্ষীরা থেকে বিগত ১০/১২/১৭ খ্রি ১২১৭/১(৫) স্মারকে সাত দিনের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা অপসারনের অনুরোধ জানানো হলেও সামছুর রহমান তা করেননি। সড়ক ও জনপদ থেকে প্রেরিত চিঠিতে সামছুর রহমানকে বলা হয়,সওজ সরকারি জমিতে আপনি অবৈধভাবে পাকা ঘর গড়িয়া তুলিতেছেন এবং অবৈধভাবে সরকারি সম্পত্তি গ্রাস করার পায়তারা করছেন যা বাংলাদেশ সরকার এবং স্থানীয় কতৃপক্ষের ভূমি ও বিল্ডিং অধ্যাদেশ ১৯৭০ এর ধারার পরিপন্থী। এমতাবস্থায় পত্র প্রাপ্তির ০৭ দিনের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা অপসারনের জন্য অনুরোধ জানানো হইল।অন্যথায় নির্ধারিত সময়ের পর আইননুসারে উক্ত অবৈধ স্থাপনা ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের জন্য উদ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর সুপারিশ করা হইবে এবং যেকোন সময় অবৈধ দখল উচ্ছেদ সহ আইনানুগ ব্যবস্থা করা হইবে। উপরোক্ত নোটিশ পাওয়া সত্ত্বেও সামছুর রহমান তার কাজ অব্যাহত রেখেছে।সওজের নোটিশ অমান্য করে সরকারি জায়গায় ভবন নির্মানের কাজ চলমান রাখায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট উদ্ধতন কতৃপক্ষের হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় সুশীল সমাজ।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সদর উপজেলা চেয়ারম্যান বাবুর শ্বশুর যশোরের আ’লীগ নেতা রাকিব আর নেই

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আসাদুজ্জামান বাবুর শ্বশুর ও যশোর জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি শরীফ আব্দুর রাকিব আর নেই (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)। গত বৃহস্পতিবার রাত ১০ টায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন। তিনি দীর্ঘদিন কিডনিজনিত রোগে ভূগছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রসিক নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে : মির্জা ফখরুল

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ নির্বাচনে নিয়ম ভঙ্গ করেছেন অভিযোগ করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সব মিলিয়ে রংপুর সিটি কর্পোরেশন (রসিক) নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। কিন্তু এই নির্বাচন কমিশনের ওপর এখনো আস্থা আনার মত তেমন কিছু হয়েছে বলে বিএনপি মনে করে না।

শুক্রবার দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের কালিবাড়ির নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

 মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশনের গঠন প্রণালীই ভুল। যাদের প্রতি সকলের আস্থা আছে তাদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রস্তাব করেছিলাম। নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক সংগঠন। কাউকে তুষ্ট করার প্রয়োজন তাদের নেই। তারা যখন যে দলের সঙ্গে কথা বলেছেন তখন তাকেই সন্তুষ্ট করেছেন। দেশের রাজনৈতিক সংকট মোকাবেলায় নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের বিকল্প নেই।

জোট সম্পের্কে বিএনপি মহাসচিব বলেন, জোটের উদ্যোগ আমরা সবসময় নিচ্ছি। আমরা সকলকে জোট করার আহ্বান জানাচ্ছি এবং নতুন একটি জোট তৈরি হয়েছে। জামায়াতের সঙ্গে আমাদের জোট ভেঙে যায়নি। নির্বাচনের জন্য নয় আন্দোলনের জন্য জামায়াতের সঙ্গে আমাদের জোট ভাঙেনি।

নির্বাচন সম্পর্কে তিনি বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেইং ফিল্ড না হলে আবারও সেই ২০১৪ এর মত জোর করে নির্বাচন হবে। জোর করে নির্বাচন চাপিয়ে দিলে জনগণ সে নির্বাচন মেনে নেবে না। রাজনৈতিক সংকট নিরসনও হবে না।

এ সময় রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, আবুল কালাম আজাদসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার বর্তমান ও সাবেক ডিসিসহ ১৯৩ কর্মকর্তা যুগ্ম-সচিব হলেন

ডেস্ক রিপোর্ট : অতিরিক্ত সচিবের পর এবার জনপ্রশাসনে ১৯৩ কর্মকর্তাকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। উপসচিব থেকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতির আদেশটি বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। পদোন্নতি প্রাপ্তদের মধ্যে আছেন সাতক্ষীরার বর্তমান জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দীন ও সাবেক জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসান।
পদোন্নতি প্রাপ্তদের মধ্যে ৪ জন বিদেশে কর্মরত রয়েছেন। এই চারজনের জন্য আলাদা পদোন্নতির আদেশ জারি করা হয়েছে। ১৮৯ জনের পদোন্নতির জন্য আরেকটি আদেশ জারি করা হয়েছে।
নিয়ম অনুযায়ী পদোন্নতি দিয়ে কর্মকর্তাদের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। পদোন্নতিপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিবদের পদায়ন করা হয়নি।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পদোন্নতির পর যুগ্ম সচিবের মোট সংখ্যা হল ৮৪২ জন। যুগ্ম সচিবের নিয়মিত পদের সংখ্যা ৪৫০ এর মতো।
স্থায়ী পদ না থাকায় এমনিতেই অনেক যুগ্ম সচিবকে নিচের পদে কাজ করতে হচ্ছে। পদোন্নতিপ্রাপ্ত বেশির ভাগ যুগ্ম সচিবকে বর্তমান কর্মস্থলে ইনসিটু (উপসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা স্থান) থাকতে হবে।
গত কয়েক মাস ধরে জনপ্রশাসনে তিনস্তরে পদোন্নতির গুঞ্জন শোনা গেলেও সর্বশেষ গত ১১ ডিসেম্বর প্রশাসনে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি পান ১৩৩ জন যুগ্ম সচিব।
‘সরকারের উপসচিব, যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি বিধিমালা, ২০০২’ বলা হয়েছে, যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ও ৩০ শতাংশ অন্যান্য ক্যাডারের উপসচিব পদে কর্মরতদের বিবেচনায় নিতে হবে।
বিধিমালা অনুযায়ী, উপসচিব পদে কমপক্ষে ৫ বছর চাকরিসহ সংশ্লিষ্ট ক্যাডারের সদস্য হিসেবে কমপক্ষে ১৫ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা বা উপসচিব পদে কমপক্ষে ৩ বছর চাকরিসহ ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে কোন কর্মকর্তা যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হন।
পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তালিকা।

 

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেরুজালেম ইস্যুতে মালয়েশিয়ায় সমাবেশে খ্রিস্টানদের একাত্মতা

ফিলিস্তিনি জনগণের সাথে সংহতি প্রকাশের জন্য আজ শুক্রবার মালয়েশিয়ায় ‘জেরুজালেমকে রক্ষা করার জন্য একক সংহতি’ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে যোগ দেয় মালয়েশিয়ার নেক্সটজেন খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন (এএনসিওএম)।

সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা এখানে আছি, কারণ আমরা মনে করি যে ট্রাম্প দ্বারা জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসাবে ঘোষণার সিদ্ধান্ত কেবল নিছক একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত।

মালয়েশিয়া পুত্রা মসজিদে সমাবেশের আয়োজন করা হয়। মালয়েশিয়া নেক্সটজেন খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রাষ্ট্রপতি জোশুয়া হং বলেন, ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত ফিলিস্তিনের খ্রিস্টান ও আরবি চার্চকে আঘাত করেছে। এটি শুধু মুসলমানদের জন্য কষ্টের নয়, খ্রিস্টান হিসাবে আমরাও এতে ব্যথিত। জেরুজালেম একটি শান্তির শহর। কিন্তু এই ঘোষণার পরে আমরাও আর শান্তিতে নেই।

জাতিসংঘের মালয়েশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি দাতুক সেরী মোহাম্মদ শাহরুল ইকরম ইয়াকক বলেন, মালয়েশিয়া স্বীকৃতি দেয়ার এ সিদ্ধান্তকে প্রত্যাখ্যান করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীসহ আটক ৩৯

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে জামায়াত-শিবিরের ১০ নেতাকর্মীসহ ৩৯ জনকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সন্ত্রাস, নাশকতা ও মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ৬ জন, কলারোয়া থানা ১১ জন, তালা থানা ৭ জন, কালিগঞ্জ থানা ৪ জন, শ্যামনগর থানা ৩ জন, আশাশুনি থানা ৪ জন, দেবহাটা থানা ৩ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ৩ জনকে আটক করা হয় ।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় উৎসবমুখর পরিবেশে ত্রয়োদশ কবিতা উৎসব অনুষ্ঠিত

আসাদুজ্জামান : ‘মানবতার পক্ষে কবিতা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় ত্রয়োদশ কবিতা উৎসব ২০১৭ এর উদ্বোধন করা হয়েছে। কবিতা পরিষদ সাতক্ষীরার আয়োজনে শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এ উৎসবের উদ্বোধন করেন কবি দুখু বাঙাল।

কবিতা পরিষদ সাতক্ষীরা’র সভাপতি মন্ময় মনিরের সভাপতিত্বে উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জাতীয় কবিতা পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া পিনু।

এতে ‘অন্তরঙ্গ অনুভবে সাতক্ষীরার সাহিত্য একটি সমীক্ষা’ শীর্ষক প্রবন্ধ পাঠ করেন সুহৃদ সরকার।
আলোচনা করেন প্রফেসর আব্দুল মান্নান, সুসাহিত্যিক গাজী আজিজুর রহমান, মধুসূদর একাডেমীর পরিচালক কবি খসরু পারভেজ, কথা সাহিত্যিক আশতোষ সরকার, তৃপ্তি মোহন মল্লিক, শুভ্র আহমেদ, সালেহা আক্তার, কবিতা পরিষদ সাতক্ষীরা’র মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, সরদার গিয়াসউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

উৎসবে সাহিত্যে শাহিদা খাতুন ও জহরুল আলম সিদ্দিকী, কবিতায় সিরাজুল ইসলাম, প্রবন্ধে কবির রায়হান, আবৃত্তিতে মনিরুজ্জামান ছট্টু ও সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রাখায় লুৎফর রহমানকে কবিতা পরিষদ সম্মাননা ২০১৭ প্রদান করা হয়। পরে সাতক্ষীরা, যশোর ও খুলনার কবিরা সরচিত কবিতা আবৃত্তি করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডিজেল-পেট্রলচালিত গাড়ি চলবে না ফ্রান্সে!

ফ্রান্সের পার্লামেন্টে একটি নতুন আইন জারি করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, ফ্রান্স এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোতে আগামী ২০৪০ সালের মধ্যে তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎপাদন এবং যোগান বন্ধ করতে হবে।

এই আইনে আরও একটি বিষয় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ড্রিলিংয়ের পারমিট যাদের কাছে রয়েছে সেগুলো নতুন করে আর পুনর্নবীকরণ করা হবেনা। পাশাপাশি নতুন কাউকে লাইসেন্স দেওয়াও হবেনা।

উল্লেখ্য ফ্রান্স প্রতি বছর প্রায় ৮ লক্ষ ১৫ হাজার টন তেল আমদানি করে। সেক্ষেত্রে একটি প্রশ্ন উঠছে কিভাবে দেশে তেলের যোগান হবে? এই বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ইমান্যুয়েল ম্যাক্রন জানিয়েছেন, ফসিল ফুয়েল থেকেই এবার তেল তৈরি হবে।

২০৪০ সালের মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হবে ডিজেল এবং পেট্রলচালিত গাড়ি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest