সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনFaire une pause stratégique : comment la fonction « cool‑off » transforme les tournois de casino en ligne en moments de jeu responsableইতিহাসের বিচার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা: ফুল কি ক্ষমা করতে পারে?Guide complet du casino en ligne – Tout ce que vous devez savoirWas Sie über das Online Casino SG wissen müssen, bevor Sie anfangen

হেলিকপ্টারে উড়ে হাতিতে চেপে এলেন বর

সকাল ১১টা। সোনাতলা মডেল উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ মাঠে এসে নামল একটি হেলিকপ্টার।
কপ্টার থেকে বেরিয়ে এলেন পাগড়ি, শেরোয়ানি, চোস্ত পায়জামা আর নাগরা পরা এক ব্যক্তি। এরপর হাতিতে চড়ে দেড় শতাধিক সঙ্গীকে নিয়ে বাদ্য-বাজনার মধ্যে চললেন। আর রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে এই দৃশ্য উপভোগ করল হাজারো মানুষ।

বগুড়ায় সোনাতলায় এভাবেই এসে বিয়ে করলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার সফটওয়্যার প্রকৌশলী শামসুল আরেফীন খান। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার কাবিলপুর গ্রামে এ ‘রাজকীয়’ বিয়ে হয়।

বর আরেফীন মতলব উত্তরের খানবাড়ি পূর্বনাউরী এলাকার প্রবাসী শায়েস্তা খানের একমাত্র ছেলে। কনে ফারজানা আকতার স্নিগ্ধা সোনাতলার সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কাবিলপুরের মৃত শামসউদ্দিন আকন্দের ছেলে জাকির হোসেন বেলালের বড় মেয়ে। স্নিগ্ধাও সফটওয়্যার প্রকৌশলী।

শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে আরেফীন হেলিকপ্টারে করে সোনাতলা মডেল উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ মাঠে অবতরণ করেন।
তাঁর সঙ্গে ছিলেন মা জেসমিন খান, বোন ও বোনজামাই। সেখান থেকে বরকে হাতিতে চড়িয়ে বাদ্য-বাজনার মধ্যে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে শ্বশুরবাড়ি কাবিলপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। হাজারো উত্সুক মানুষ রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে বরের যাওয়ার দৃশ্য উপভোগ করে।

দেড় শতাধিক বরযাত্রী বিয়ের আগের দিন বৃহস্পতিবার বগুড়ায় এসে শহরের একটি আবাসিক হোটেলে রাত্রি যাপন করে। শুক্রবার সকালে ১৫টি মাইক্রোযোগে বিয়েবাড়িতে আসে তারা। বর হাতি থেকে নেমে স্থানীয় মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়েন। পরে বিয়ের আসরে বসেন। স্থানীয় কাজি হাবিবুর রহমান হাবিব বিয়ে রেজিস্ট্রি করেন। সোনাতলা ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসার অবসরপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক বিয়ে পড়ান। বিয়েতে কাবিন ধার্য করা হয় ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আমন্ত্রিত অতিথি ছিল প্রায় চার হাজার। অতিথিদের মধ্যে ছিল সোনাতলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সহসভাপতি এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিয়াউল করিম শ্যাম্পো, সোনাতলা পৌরসভার মেয়র জাহাঙ্গীর আলম নান্নু, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। বিয়েতে ব্যয় হয় প্রায় ৪০ লাখ টাকা।

বিয়ে অনুষ্ঠানের বাবুর্চি মঞ্জুর রহমান জানান, ২০ মণ চাল, চারটি গরু, আটটি খাসি জবাই করে রান্না করা হয়। রোস্ট করা হয় সাড়ে তিন হাজার মুরগি। আরো ছিল বিরিয়ানি, কাচ্চি বিরিয়ানি, সালাদ, দই, বোরহানি, মিষ্টি, কোমল পানীয়।

কনের বাবা জাকির হোসেন জানান, তাঁর চার মেয়ের মধ্যে স্নিগ্ধা সবার বড়। শখ ছিল, মেয়ের জামাইকে হাতিতে করে বাড়ি নিয়ে আসবেন। এ জন্য তিনি হাতির আয়োজন করেন। স্নিগ্ধা জানান, তাঁর বাবা একজন শৌখিন মানুষ। তিনি মা-বাবার বড় মেয়ে বলে বিয়েতে ব্যাপক আয়োজন ও ধুমধাম করা হয়।

বর শামসুল আরেফীন জানান, তিনি ঢাকার একটি প্রাইভেট কম্পানিতে চাকরি করেন। তাঁর বাবা জাপানপ্রবাসী। মাসে তাঁদের আয় ৮-১০ লাখ টাকা। হেলিকপ্টারে আসতে তাঁর ব্যয় হয়েছে আড়াই লাখ টাকা।

বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকেল ৪টায় বর-কনে, বরের মা ও বোন হেলিকপ্টারে চেপে সোনাতলা মডেল উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ থেকে রওনা দেন। কয়েক হাজার উত্সুক মানুষ সেখানে উপস্থিত ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে কারণে রংপুরেআ ‘লীগের ভয়াবহ বিপর্যয়

হিসাব-নিকাশ চলছে কী কারণে ভয়াবহ ফল বিপর্যয় হয়েছে রংপুর সিটিতে আওয়ামী লীগের। সব প্রার্থীর চেয়ে মোট ভোটে চমক দেখিয়েছেন জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। বিএনপি আগে থেকেই রংপুরে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী ছিল না। কিন্তু আওয়ামী লীগের সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু টানা পাঁচ বছর মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। কুমিল্লার পর রংপুরের এ হার নিয়ে দলের একটি গ্রুপ নিজেদের অন্যভাবে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করলেও বাস্তবতা ছিল সম্পূর্ণ আলাদা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারের গোছানো নির্বাচনী পরিকল্পনার অভাব, জাতীয় পর্যায়ে টানা ক্ষমতায় থাকার কারণে সার্বিক সরকারবিরোধী সেন্টিমেন্ট, রংপুরে ঝন্টুর পরিকল্পিত উন্নয়ন না করা, সাধারণ মানুষের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব ফল বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ। কয়েক বছর ধরে সংগঠনের দিকে নজর দেওয়ার চেয়ে স্থানীয় নেতারা অভ্যন্তরীণ বিরোধে বেশি সময় কাটিয়েছেন। মেয়র পদে নিত্যনতুন ভোগবিলাসী প্রার্থীদের আনাগোনা, হেলিকপ্টার নিয়ে ওড়াউড়ি, নায়ক-নায়িকাদের নাচানাচি দলের ভিতরে সংকট তৈরি করেছিল। যার বিরূপ প্রভাব মেয়র নির্বাচনে পড়ে।

রংপুর আওয়ামী লীগের একজন নেতা বলেন, ঝন্টুর বিরুদ্ধে দলের কারা কাজ করেছেন তাও বের করতে হবে। যারা পরিকল্পিতভাবেই আওয়ামী লীগকে ডুবিয়েছেন তাদের কথা দলের নীতিনির্ধারক মহল জানে। এর বিপরীতে জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা খুবই জনপ্রিয় প্রার্থী। গত মেয়র নির্বাচনে তিনি দলের মনোনয়ন পাননি। তার পরও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন। এ কারণে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এবার তার ভাতিজাকে বাদ দিয়ে তাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় একটি টিম দলের গ্রুপিং বন্ধে সক্ষম হলেও আওয়ামী লীগ তা পারেনি। বরং আওয়ামী লীগের গ্রুপিং সর্বনাশ ডেকে আনে। কুমিল্লার পর রংপুরের বিপর্যয় আগামী সিটি নির্বাচনগুলোয় পড়বে না আওয়ামী লীগ নেতারা এমনটি মনে করলেও পর্যবেক্ষকদের মধ্যে উৎকণ্ঠা রয়েছে। অনেকে মনে করেন, রংপুর আর কুমিল্লা থেকে শিক্ষা না নিলে এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব সরকারি দলে পড়তে পারে।

এদিকে আমাদের রংপুর প্রতিনিধি শাহজাদা মিয়া আজাদ জানান, পাঁচ বছর মেয়রের দায়িত্ব পালনকালে রংপুর সিটি এলাকায় চোখে পড়ার মতো উন্নয়ন করেছিলেন সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু। সিটি এলাকায় আওয়ামী লীগেরও ৫০-৬০ হাজার ভোট রয়েছে। ৬০ হাজার ভোট রয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের। নিজেরও ৪০ হাজারের বেশি পকেট ভোট রয়েছে বলে দাবি করেছিলেন ঝন্টু। এত ভোট, এত উন্নয়ন কোনোটাই নৌকার জয়ের পালে হাওয়া লাগাতে সহায়তা করেনি। বরং নৌকার ভরাডুবি হয়েছে। ৯৮ হাজার ৯৮ ভোটের ব্যবধানে ঝন্টুকে পরাজিত করে নগর পিতা হলেন জাতীয় পার্টির মোস্তফা। সিটির প্রথম নির্বাচনে নাগরিক কমিটির প্রার্থী হয়ে ঝন্টু ২৮ হাজারের বেশি ভোটে মোস্তফাকে পরাজিত করে মেয়র হয়েছিলেন। তখন ঝন্টু পেয়েছিলেন ১ লাখ ৬ হাজার ২৫৫ ভোট। আর মোস্তফা ৭৭ হাজার ৮০৫ ভোট। আর এবার ঝন্টু পেয়েছেন ৬২ হাজার ৪০০ এবং মোস্তফা ১ লাখ ৬০ হাজার ৪৮৯ ভোট। কেন এমন হলো— নৌকাডুবির কারণ খুঁজতে গিয়ে দুটি কারণ উঠে এসেছে। বেশির ভাগ নগরবাসী মনে করেন, মানুষের সঙ্গে ঝন্টুর খারাপ আচরণই নৌকার জন্য কাল হয়েছে। আবার কেউ বলছেন ঝন্টুকে নৌকা প্রতীক দেওয়ায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ সক্রিয়ভাবে তার পক্ষে কাজ করেনি। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের যে ১৩ নেতা মনোনয়ন চেয়ে ব্যর্থ হয়েছেন তারা ঝন্টুর পক্ষে গণসংযোগে অংশ নিলেও তা ছিল ‘লোক দেখানো’। ওই নেতারা ঝন্টুকে মনেপ্রাণে মেনে নিতে পারছিলেন না। ঝন্টুকে হারানোর পেছনে তারাও অনুঘটকের কাজ করেছেন। সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) রংপুর জেলা শাখার সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মলয় কিশোর ভট্টাচার্য বলেন, ‘জনগণই সকল ক্ষমতার মালিক। তারা জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে অর্থ-সম্পদ চায় না। তারা চায় জনপ্রতিনিধি হবেন জনবান্ধব। তাদের কাছ থেকে ভালো আচরণ, সম্মান আশা করে সবাই। ঝন্টু সাহেব তা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে ঝন্টুর পাশাপাশি নৌকার পরাজয় হয়েছে বলে আমি মনে করি।’

বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (বাকবিশিস) রংপুর জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ আবদুল ওয়াহেদ মিঞা বলেন, ‘হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সাহেব দীর্ঘদিন রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিলেন। ২৬ বছর ধরে রংপুর সদর আসনের এমপি। তিনি কোনো উন্নয়ন করেননি। সিটিতে যত উন্নয়ন হয়েছে তা গত ১০ বছরে হয়েছে। পাঁচ বছরে ২০৩ বর্গকিলোমিটার আয়তনের সিটি করপোরেশনে সব সমস্যা সমাধান করা কারও পক্ষে সম্ভব নয়। মেয়র ঝন্টু অনেক উন্নয়ন করেছেন। এর পরও মানুষ নৌকার ওপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিল কেন? আমি মনে করি, এর পেছনে দুটি কারণ— একটি হলো ঝন্টু সাহেবের খারাপ আচরণ। মানুষ তার কাছ থেকে ভালো আচরণ পায় না। মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি মানুষকে মানুষ মনে করতেন না। যে কারণে এবারের ভোট তার জন্য কাল হয়েছে। আর দ্বিতীয় কারণ হলো আওয়ামী লীগ ঝন্টু সাহেবকে মনোনয়ন দিয়েছে ঠিকই কিন্তু ভোটের মাঠে স্থানীয় আওয়ামী লীগকে তার পক্ষে কোমর বেঁধে কাজ করতে দেখা যায়নি। দলীয় প্রার্থীকে জয়ী করে আনার জন্য ভোটের যত রকম কৌশল রয়েছে তা প্রয়োগ করা হয়নি। স্থানীয় নেতারা দায়সারাভাবে কাজ করেছেন। ফলে ভোটাররা লাঙ্গলের ওপর আস্থা রেখেছেন।’

জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোতাহার হোসেন মণ্ডল মওলা বলেন, ‘আমাদের প্রার্থী ঝন্টু ভাইয়ের পক্ষে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেছি। আমি দেখেছি মানুষ নৌকাকে ভোট দিতে চায়, ঝন্টু সাহেবের আচরণে তারা তার প্রতি ভীষণ ক্ষুব্ধ। কিছুতেই ভোটারদের সমর্থন আদায় করা যাচ্ছিল না। এ ছাড়া আমাদেরও যে গাফিলতি ছিল না তা নয়, আমরা অনেকেই একনিষ্ঠ হয়ে কাজ করতে পারিনি।’ ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চব্বিশ হাজারী এলাকার ভোটার রায়হানুল কবীর, আশরাফুল আলমসহ বেশ কয়েকজন বলেন, ‘গত নির্বাচনে আমরা এলাকার মানুষ ঝন্টুর পক্ষে কাজ করেছিলাম। চব্বিশ হাজারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২ হাজার ৯০০ ভোটের মধ্যে ঝন্টু পেয়েছিলেন ১ হাজার ৭০০। এবার পেয়েছেন মাত্র ৩৪৪ ভোট। গতবার মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর আমরা তার অফিসে এলাকার একটা উন্নয়নকাজের জন্য গিয়েছিলাম। তিনি আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে বের করে দিয়েছিলেন। ভোটে তার ফলও পেয়েছেন। এলাকার মানুষ লাঙ্গলে ভোট দিয়েছে।’

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাঞ্চনের সাথে ঋতুপর্ণার বিয়ে!

হেডলাইনটা ঠিকই পড়ছেন। আর নিশ্চয়ই আন্দাজ করতে পারছেন এ ঘটনা রিয়েল নয়, রিল লাইফের।ঠিকই গেস করছেন আপনি। এ ঘটনা ফিল্মি পর্দার। সৌজন্যে হরনাথ চত্রবর্তীর ছবি ‘ধারাস্নান’। সেখানেই কাঞ্চন মল্লিকের সাথে বিয়ে হয়েছে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের।

হরনাথ জানালেন, উল্লাস মল্লিকের গল্প অবলম্বনে এই ছবির শুটিং শেষ হয়েছে ২০১৪ সালে। প্রযোজকের কিছু আর্থিক সমস্যা থাকায় ছবিটা এতদিন মুক্তি পায়নি। তবে এগিয়ে এসেছিলেন স্বয়ং ঋতুপর্ণা। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী জানুয়ারিতেই মুক্তি পেতে পারে ছবিটি।

গল্পটা ঠিক কেমন? পরিচালকের কথায়, ঋতুপর্ণার চরিত্রের নাম তমসা। সে ধর্ষিতা হওয়ার পর তার প্রেমিক ছেড়ে চলে যায়। পরিবারও মুখ ফিরিয়ে নেয়। কিন্তু নিজের দোষে তো সে ধর্ষিতা হয়নি। এরপর কাঞ্চনের দাদাকে দেখিয়ে বরপক্ষ বিয়ে দেয় কাঞ্চনের সঙ্গে। কাঞ্চনের চরিত্রের নাম শান্তশীল বারুই। এই প্রতারণার পর তমসার মনে হয় সে যেন জীবনে দ্বিতীয়বার ধর্ষিতা হল। দুই নারীর সংঘাতে শেষ হয় ছবি।

ঋতুপর্ণা ও কাঞ্চন ছাড়াও এ ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেছেম বিশ্বজিত চক্রবর্তী, শ্রীলা মজুমদার প্রমুখ। প্রয়াত দিশা গঙ্গোপাধ্যায়কেও দেখা যাবে একটি বিশেষ চরিত্রে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অসম্ভব এক যুদ্ধকে জয় করে বাড়ি ফিরেছে মুক্তামনি

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: এ যেনো এক যুদ্ধজয়ের ইতিহাস। গ্রামের লোকজন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন কখন ফিরবে তাদের মেয়ে। উদ্বেগ আর উৎকন্ঠায় দিন কাটিয়েছে বাড়ির সদস্যরাও। অবশেষে এক মাসের ছুটিতে মুক্তামনি বাড়ি আসছে। তাই আনন্দে আত্মহারা সবাই। গতকাল শুক্রবার রাতে একটি এ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি কামারবায়সায় ফিরে এসেছে মুক্তামনি।
ছয় মাস আগের মুক্তামনি আর আজকের মুক্তামনি এক নয়। এখন তার দেহে ভার একটু হলেও কমেছে। বিরল রোগটি কিছুটিা হলেও বিদায় নিয়েছে। মার্বেলের মতো একটি ছোট গোটা থেকে বৃক্ষমানবের মতো গজিয়ে ওঠা তার ডান হাতটি পচে উঠেছিল।
মুক্তামনি জানায়, ডাক্তাররা সব চেষ্টা করেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ আমার চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহনের জন্য। এখনও পুরাপুরি ভালো হইনি। যন্ত্রনা আছে। হাত আবার ভারি হয়েছে। তবে পচন নেই , পোকাও নেই।
এর আগে হাতের ক্ষতস্থানে পোকা জমেছিল। সেদিন মুক্তার ধারে ভিড়তো না কেউ। আত্মীয় স্বজনও মুক্তাদের বাড়িতে আসতো না , মুক্তার রোগকে ঘৃণা করতো। কিন্তু সে দিনের অবসান ঘটেছে। এখন এক অন্যরকম মুক্তামনি ফিরে এসেছে গ্রামে। মুক্তা এখন খেলবে। সে পড়বে । আর গান গাইবে প্রাণ খুলে। তবে আর কিছুদিন পর। কারণ মুক্তা এখনও পুরোপুরি সুস্থ নয়।
মুক্তামনির বাবা মো. ইব্রাহিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নিয়েছিলেন বলেই মেয়ের চিকিৎসা সম্ভব হলো। এজন্য ধন্যবাদ জানাই।
পচে ওঠা ভারি হাত নিয়ে গত ১০ জুলাই মুক্তামনিকে ভর্তি করা হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে। দেহের ক্ষতস্থানে বায়োপসি করে তার রক্তনালীতে টিউমার ধরা পড়ে । পরে তাকে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার জন্য একটি হাসপাতালের সাথে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেখার পর সিঙ্গাপুর হাসপাতাল মুক্তার চিকিৎসায় তাদের অস্বীকৃতির কথা জানিয়ে দেয়।
চোখের জল মুছতে মুছতে মুক্তামনির মা আসমা খাতুন বলেন, সিঙ্গাপুরের ডাক্তাররা রাজী না হলেও সাহসের সাথে বাংলাদেশের ডাক্তাররা মুক্তামনিকে চিকিৎসা করেছেন। আমি দোয়া করি প্রধানমন্ত্রীর জন্য। তিনি যেনো সুস্থ থাকেন।
পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তামনির চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। অবশেষে বাংলাদেশের ডাক্তাররাই মুক্তামনির বিরল রোগ নিরাময়ে সাহসী সিদ্ধান্ত নেন। দফায় দফায় সার্জারি শেষে তার ডান হাতে নতুন চামড়া লাগানো হয়। এর পর সে অনেকাংশে সুস্থ হয়ে যায়। মুক্তামনিকে ডাক্তাররা এক মাসের ছুটি দিয়েছেন।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কামারবায়সা গ্রামের মুদি দোকানী মো. ইব্রাহিমের দুই যমজ মেয়ে মুক্তামনি ও হীরামনি। ১২ বছর বয়সের হীরা ও মুক্তা একই সাথে পড়তো। কিন্তু অসুস্থতার কারণে মুক্তার লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায়। বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা করিয়েও কোনো লাভ হয়নি। অবশেষে গত জুলাইয়ে বিভিন্ন গনমাধ্যমে মুক্তামনির রোগ নিয়ে রিপোর্ট হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয় তাকে। সেই থেকে এতোদিন চিকিৎসা নিয়ে মুক্তা বাড়ি ফিরলো শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটায়। মুক্তা ঢাকা মেডিকেলের ডা. আবুল কালাম ও ডা. সামন্ত লাল সেনের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তার চিকিৎসার সব খরচ বহন করেছেন। তিনি প্রতিনিয়ত তার চিকিৎসার খবর নিয়েছেন।
ছুটিতে মুক্তার বাড়ির আসার খবরে আনন্দিত হয়ে অপেক্ষায় ছিল গ্রামের নারী পুরুষ ছেলে বুড়ো সবাই। মুক্তার জন্য ওর নানা নানী বিশেষ খাবার রান্না করে এনেছেন বাড়ি থেকে। মুক্তা বললো অনেকদির নানীর হাতের রান্না খাইনি। আজ সত্যিই মজা করে খাবো। নানা শওকত আলি, নানী আনজুয়ারা, দাদী সালেহা খাতুন, চাচা আহসান আলি আর চাচী খাদিজা বেগম অপেক্ষায় ছিলেন কখন আসবে মুক্তামনি। অপেক্ষায় ছিলেন গ্রামের আনারুল, নাহিদ, রহিম, ফেরদৌস, ইসমাইল, সিয়াম, বেল্লাল, মুন্নাসহ সমবয়সী সব বন্ধু বান্ধবরা। কিন্তু অপেক্ষায় ছিলেন না মুক্তার দাদা। তিনি তো মারা গেছেন মুক্তার চিকিৎসা করাতে গিয়ে ঢাকায়। সে খবর মুক্তাকে এখনও জানানো হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাদাকাটিতে চলছে রাস্তা কেটে জমি বাড়ানোর মহোৎসব

মোস্তাফিজুর রহমান : আশাশুনির কাদাকাটিতে সরকারি রাস্তা কেটে ব্যক্তিগত জমি বাড়ানোর মহোৎসবের অভিযোগ পাওয়াগেছে। আর এ রাস্তা কাটার মহোৎসব চলছে কাদাকাটির গ্রামের বিলের মধ্যের কয়েকটি রাস্তা কেটে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, কাদাকাটি বিলের মধ্যে ছমির সরদারের বাড়ি থেকে হান্নান মেম্বরের বাড়ি পর্যন্ত দেড় কিঃ মিঃ রাস্তা, ব্যাগের চক হতে হলদেপোতা পর্যন্ত সাড়ে তিন কিঃ মিঃ রাস্তা, গিয়াস উদ্দীনের বাড়ি হতে পুটি মারি পর্যন্ত ২ কিঃ মিঃ রাস্তা, দলীল সরদারের বাড়ির সামনের ব্রিজ হতে বাকি বিল্লাহর মৎস্য ঘের পর্যন্ত আড়াই কিঃ মিঃ রাস্তার অধিকাংশ স্থানে কেটে পাশের জমির মালিকরা তাদের জমির পরিমান বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় মেতেছে। আর এ প্রতিযোগিতায় এগিয়ে আছে কাদাকাটি গ্রামের মৃত কুদ্দুস সরদারের পুত্র মোঃ আজিবার রহমান। বিগত দুই বছর থেকে এ রাস্তা কেটে জমি বাড়ানোর প্রতিযোগিতার অংশ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন একই গ্রামের মৃত নফিল উদ্দীন সরদারের পুত্র বদর উদ্দীন সরদারসহ একাধিক প্রতিযোগি। উল্যেখিত রাস্তা গুলোর কোথাও ১৩ কোথাও ১১ ফিট থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে কোথাও কোথাও রাস্তা অবশিষ্ট আছে মাত্র ৩ থেকে ৬ ফিট। সরকারি রাস্তা কাটার এ মহোৎসব দেখেও না দেখার ভান করে আছেন স্থানীয় জন প্রতিনিধিসহ দেখভালের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা। এলাকার বেশিরভাগ মানুষের বক্তব্য এভাবে রাস্তা কাটতে থাকলে বিলের সহ্রাধীক বিঘা জমির ফসল বহনের জন্য যানবাহন চলাচলের জন্য কোন উপায় থাকবে না। বিষয়টি নিয়ে কথা বললে স্থানীয় ইউপি সদস্য আবু হাসান বাবু জানান, এলাকার একাধিক ব্যক্তি সরকারি রাস্তা কেটে ব্যক্তিগত সম্পদ বাড়ানোর বিষয়টি আমাকে জানিয়েছে এমনকি আমার চোখেও পড়েছে। এলাকার জনসাধারণের স্বার্থে রাস্তাগুলো উদ্ধারে সরকার যে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে আমার সার্বিক সহযোগিতা সেখানে থাকবে। বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য বেলা ১টার সময় কাদাকাটি ইউনিয়ন ভূমি(সাব) অফিসের সহকারী কর্মকর্তা সিদ্দিক উল্লাহর অফিসে গেলে তার অফিসে তালা ঝুলতে দেখা যায়। তার মোবাইল নাম্বারে কয়েকবার ফোন দিয়েও ফোন রিসিভ হয়নি।
কাদাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান দিপংকর কুমার সরদার প্রতিবেদককে জানান, আমাকে এর আগে রাস্তা কাটার বিষয়টি কেহ বলেনি। আপনার থেকে প্রথম শুনলাম। আমি যেখানে ইউনিয়নের রাস্তাগুলো বড় করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছি সেখানে কেহ যদি রাস্তা কেটে ছোট করতে চায় সে যেই হোক তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। কালই আমি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। প্রয়োজনে প্রশাসনকেও কাজেু লাগাবো। এলাকার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলো ধ্বংশের হাত থেকে রক্ষা করতে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার জনসাধারণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আ’লীগ নেতা এড. ওয়াকিলের বাড়িতে এমপি রবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক ২০১০ সালে দু’চোখে আঘাতজনিত কারণে দৃষ্টি শক্তি হারানো অন্ধ একাকিত্বে গৃহযাপনকারী সুলতানপুর এলাকার মৃত এরশাদ আলীর ছেলে এড. ওয়াকিল আলীকে দেখতে ও তার শারিরীক অবস্থার খোজ-খবর নিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় এমপি রবিকে পেয়ে তিনি আবেগে আপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেলেন এবং তিনি বলেন, কেউ মনে রাখেনি। আমি দীর্ঘ ৭ বছর জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দলকে সুসংগঠিত করতে দলের স্বার্থে নিরলসভাবে কাজ করেছি। আমি অন্ধ হয়ে কিছু দেখতে পাইনা। আমি আজ মহা-খুশি বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার হয়েছে এবং বঙ্গবন্ধুর ভাষণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ায় আমি চোখে দেখতে না পারলেও আমি আজ গর্বিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য আমিরুল আটক

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য আমিরুল সরদার (৩৫)-কে আটক করে পুলিশে দিয়েছে জনতা। আমিরুল শ্যামনগর উপজেলার পার্শ্বেমারী গ্রামের মৃত আব্দুল ওহাব সরদার এর পুত্র।
শ্যামনগর চকবারা বাজার এলাকায় স্থানীয় জনগণ দেখতে পেয়ে তাকে আটক করে পুলিশকে সংবাদ দেয়। সংবাদ পেয়ে শ্যামনগর থানার এসআই আবুল কালাম আজাদ ও এসআই দীপ্তেশ রায় আমিরুল সরদারকে জনগণের নিকট থেকে গ্রেফতার করে। তাৎক্ষণিক জিজ্ঞাসাবাদে তার স্বীকারোক্তি ও দেখানো মোতাবেক পার্শ্বেমারী গ্রামস্থ তার বাড়ি থেকে অদ্য শুক্রবার বেলা ১.৩০ টার দিকে একটি দেশে তৈরি সক্রিয় পিস্তল ও এক রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করে। এ ঘটনায় শ্যামনগর থানার মামলা নং-১১, তারিখ ২২/১২/২০১৭ খ্রিঃ ধারা ১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইনের ১৯-এ রুজু করা হয়েছে বলে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শীতার্তদের কম্বল বিতরণ করলেন এমপি রবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের ইটাগাছা গড়েরকান্দা পূর্বপাড়া এলাকায় অসহায় শীতার্থ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করলেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। শুক্রবার পৌষের কনকনে তীব্র শীতের রাতে অসহায় মানুষের শীতের কষ্ট লাঘব করতে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় প্রদত্ত কম্বল নিয়ে পাশে দাঁড়ালেন। এসময় প্রতিবন্ধী ও অসহায় ৬০টি পরিবারের মাঝে এ শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, ওয়ার্ড আ ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আনোয়ার হোসেন মিলনসহ স্থানীয় নেতা-কর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest