সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় আটক ভারতীয় রেনু পোনা ইছামতি নদীতে অবমুক্তসাতক্ষীরার শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক ময়লার স্তুপদেবহাটায় ঘনঘন লোডশেডিংয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ শ্যামনগরে ছেলের গাড়ীর পেট্রোল নিতে জন্য দীর্ঘ লাইনে মাসাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ কর্মশালাকালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগ

ছেলেকে স্কুলে পাঠাতে পাহাড় কেটে রাস্তা বানালেন বাবা!

বাবা এমনই একজন মানুষ, যে শুধু নিঃস্বার্থ ভাবে দিয়েই যান। বিনিময়ে কিছু পাওয়ার আশা না করে সন্তানের জন্য সর্বদা মঙ্গল কামনা করেন। এমনি একজন বাবা জলন্ধর নায়েক। বাড়ি ভারতের ওড়িশায়।

জলন্ধর পেশায় সবজি বিক্রেতা। অক্ষর তার কাছে কালো কয়েকটি রেখা মাত্র। পড়াশোনা করার কোন সুযোগ তার জীবনে হয়ে উঠেনি। তাই প্রথম থেকেই ইচ্ছে ছিল ছেলেকে পড়াশোনা করাবেন। যতদূর সে পড়তে চায় ততদূর পড়াবেন। কিন্তু গ্রামে তো স্কুল নেই। একটা কাঁচা রাস্তাও পর্যন্ত নেই। শিক্ষার আলো পৌঁছানো তো দূরের কথা দুবেলা অন্ন জুটাতেই হিমশিম খায় সেখানকার বাসিন্দারা।

চিন্তায় কপালে ভাঁজ পড়ে যায় বাবা জলন্ধরের। ছেলে পড়বে কোথায়? অনেক ভেবে উপায় বের করেন জলন্ধর। গ্রামের পাথুরে পাহাড় কেটে রাস্তা তৈরির পণ নেন তিনি।

যেই ভাবা অমনি কাজ। গত ২ বছর ধরে প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা ধরে পাথর কেটে ১৫ কিলোমিটার রাস্তা তৈরির কাজ করেছেন তিনি। প্রতিদিন সকাল হলেই ছেনি হাতুড়ি নিয়ে চলে যেতেন পাথুরে পাহাড়ের কাছে। রোদ, বৃষ্টি, শীত কোনও কিছুর পরোয়া করেননি। অদম্য জেদে তার গ্রাম থেকে নিকটবর্তী শহর ফুলবনি পর্যন্ত রাস্তা তৈরি করে ফেলেছেন তিনি।

জলন্ধরের এই কৃতিত্বের কথা স্থানীয় একটি সংবাদপত্রে পড়েন জেলার কালেক্টর। তার পড়েই টনক নড়ে স্থানীয় প্রশাসনের। তড়িঘড়ি করে জলন্ধরকে নিজের দফতরে ডেকে নিয়ে সম্মান জানান। সেই সাথে নির্দেশ দেন সেখানকার রাস্তাটি যাতে ভালো করে নির্মাণ করা হয় তার ব্যবস্থা করতে। সেই সাথে ঘোষণা করা হয় কন্ধমাল উৎসবে বিশেষ সম্মান দেওয়া হবে জলন্ধরকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শাকিব-মিমের গান ইউটিউব চ্যানেলে

শাকিব খান ও বিদ্যা সিনহা মিম অভিনীত ‘আমি নেতা হবো’ ছবির একটি গান গতকাল বৃহস্পতিবার ইউটিউবে প্রকাশ হয়েছে। ‘লাল লিপস্টিক’ শিরোনামের গানটি এরই মধ্যে প্রায় দুই লাখের বেশিবার দেখা হয়েছে। উত্তম আকাশ পরিচালিত ছবিটি বাংলাদেশের প্রযোজনা সংস্থা শাপলা মিডিয়ার হলেও ছবির গানটি প্রকাশ করা হয় কলকাতার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এস কে মুভিজের ইউটিউব চ্যানেল থেকে।

শাপলা মিডিয়ার কর্ণধার সেলিম খান বলেন, ‘অনেকেই মনে করতে পারে, এই ছবিটি কি তাহলে যৌথ প্রযোজনার ছবি? আমি একজন দেশপ্রেমিক হিসেবে বলতে চাই, এই ছবিটি একেবারেই বাংলাদেশের ছবি। আমি বা আমার প্রতিষ্ঠান কখনই যৌথ প্রযোজনার ছবি করবে না। যে কারণে এই ছবিও বাংলাদেশের ছবি, যৌথ প্রযোজনা নয়। তবে আমার এই গানটির ইউটিউব স্বত্ব বিক্রি করা হয়েছে ভারতের এস কে মুভিজের কাছে। তাদের একটা অফিস আছে কাকরাইলে, সেখান থেকে তারা বাংলাদেশের ছবির গান কেনে। যে কারণে এই গান তাদের ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রকাশ করা হয়েছে।’

‘আমি নেতা হবো’ ছবিটি কলকাতায়ও মুক্তি পাবে জানিয়ে সেলিম বলেন, ‘আমাদের দেশে ছবিটি অবশ্যই ভালো চলবে বলে আমরা মনে করি। পাশাপাশি আমরা ছবিটি কলকাতাসহ সারা বিশ্বে মুক্তি দিতে চাই। এস কে মুভিজের ইউটিউব চ্যানেলের যারা দর্শক, তাদের বেশির ভাগ কলকাতার দর্শক। এই গানের মধ্য দিয়ে আমাদের দেশের পাশাপাশি কলকাতায়ও গানটি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। এতে করে শাকিব খান ছাড়াও আমাদের যে শিল্পী আছেন, সেটা তাঁরা জানবেন। আমাদের শিল্পীদেরও পরিচিতি বাড়ছে। এতে করে ছবির ব্যবসাও ভালো হবে আশা করি।’

শাপলা মিডিয়া প্রযোজিত ‘আমি নেতা হবো’ ছবিটিতে শাকিব ও মিম ছাড়াও অভিনয় করেছেন ওমর সানী, মৌসুমী, কমল প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘পাকিস্তান ওই জানাজার নিচে চাপা পড়েছে’-কোলে কন্যা নিয়ে পাঠিকার কান্না

‘জানাজা যত ছোট হয়, ততটাই ভারি হয়। এরকমই ছোট্ট একটি জানাজা হয়েছে কসুরের রাস্তায়। পুরো পাকিস্তান ওই জানাজার নিচে চাপা পড়েছে।’

পাকিস্তানের একটি টিভি চ্যানেলে প্রচারিত সংবাদে এভাবেই বলেন সংবাদ পাঠিকা। তাঁর কোলে ছিল ছোট্ট একটি শিশু। পাকিস্তানের কসুর নামে এক শহরে গত সপ্তাহে জয়নাব আনসারি নামে ৮ বছরের একটি শিশুর লাশ পাওয়া যায় আবর্জনার স্তুপে। জানা যায়, ওই শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করে ফেলে রাখে দুর্বৃত্তরা।

কিরান নাজ নামে ওই পাঠিকা জানান, ওই শিশুর খবর জানাতেই নিজের কন্যাশিশুকে নিয়ে হাজির হয়েছেন তিনি। খবরের সময় বারবারই কান্নায় ভারি হয়ে আসে নাজের কন্ঠস্বর।

এনডিটিভি জানায়, সামা টিভি নামে পাকিস্তানের ওই চ্যানেলে গত বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাতটায় সংবাদ পাঠ করেন কিরান নাজ। তখনই নিজের কন্যা শিশুকে কোলে রেখে নিহত জয়নাবের প্রসঙ্গে কথা বলেন তিনি।

নাজ বলেন, ‘আজ আমি কিরান নাজ না। আজ আমি একজন মা। এই জন্যেই আমার শিশুর সঙ্গেই বসে আছি। এই দেশে অনেক বড় বড় লোক আছে। চোখের পলকে এত লোকের মৃত্যুর ঘটনা কোনো সাধারণ কথা না। কে হত্যা করছে, কেনো হত্যা করছে, এই প্রশ্নগুলোর জবাবও কখনো পাওয়া যায় না। কেউ ঠিক কথাই বলেছিলেন যে, জানাজা যত ছোট হয়, ততটাই ভারি হয়। আর এরকমই ছোট্ট একটি জানাজা হয়েছে কসুরের রাস্তায়। পুরো পাকিস্তান ওই জানাজার নিচে চাপা পড়েছে। অদ্ভুত ঘটনা, একদিকে বাবা ও মা শিশুর দীর্ঘায়ুর জন্যে দোয়া করছিলেন, এইদিকে কোনো হত্যাকারী ঐ জীবন শেষ করে দিচ্ছিল। একদিকে বাবা ও মা তাদের সন্তানদের জন্য খেলনা কিনছে, আর এইদিকে কেউ সেই শিশুর লাশ আবর্জনা স্তুপে ছুঁড়ে ফেলছিল।’

গত ৪ জানুয়ারি অপহরণ করা হয় শিশু জয়নাবকে। পাঁচদিন পর একটি আবর্জনার স্তুপে পাওয়া যায় জয়নাবের লাশ। ওই শিশুর বাবা ও মা সৌদি আরব ছিলেন। ঘটনার পর তাঁরা পাকিস্তানে ফিরে আসেন। জয়নাবের বাবা ও মা জানিয়েছে, হত্যাকারী আটক না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা শিশু জয়নাবের দাফন করবেন না।

ওই ঘটনার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে পাকিস্তান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সর্বস্তরে বিষয়টি নিয়ে সরব হয়ে উঠেছে দেশটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে ৪ বিচারপতির অনাস্থা

ভারতের সুপ্রিম কোর্টের চারজন জ্যেষ্ঠ বিচারপতি দেশটির প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের ব্যাপারে অনাস্থা প্রকাশ করে এক নজিরবিহীন সংবাদ সম্মেলন করেছেন। শুক্রবার দিল্লিতে বিচারপতি জে চেলামেশ্বরের বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেন তারা। ওই বৈঠকে চেলামেশ্বর ছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ বিচারপতি কুরিয়েন জোসেফ, বিচারপতি রঞ্জন গগৈ ও বিচারপতি মদন লোকুর। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া’র।

খবরে বলা হয়, প্রধান বিচারপতি যেই উপায়ে মামলা বণ্টন করছেন তা নিয়ে অসন্তুষ্ট এই চার বিচারপতি। সরাসরি প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ দাবি না করলেও তারা বলেছেন, প্রধান বিচারপতিকে অভিশংসন করা বা না করার সিদ্ধান্ত জাতিই নেবে।

দুই মাস আগে প্রধান বিচারপতির কাছে নিজেদের আপত্তির কথা ব্যক্ত করে চিঠি লিখেছেন তারা। গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলো প্রধান বিচারপতি কনিষ্ঠ বিচারপতিদেরকে দেওয়ায় আপত্তি জানান তারা। পাশাপাশি, বিচারপতি বিএইচ লয়ার রহস্যজনক মৃত্যু সম্পর্কিত মামলার বিচারিক দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে আপত্তি থাকার কথাও জানান তারা। বিচারপতি লয়া আলোচিত সোহরাবউদ্দিন ‘ফেক এনকাউন্টার’ (ভুয়া বন্দুকযুদ্ধ) মামলার দায়িত্বে ছিলেন।

তারা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘প্রধান বিচারপতির একটি ঐতিহ্যগতভাবে স্বীকৃতি হলো তিনি হলেন ‘রোস্টারে’র প্রধান। তিনি কোন বিচারপতি বা বেঞ্চকে কোন মামলার দায়িত্ব দেবেন তা নির্ধারণ করে দেন। এটি আসলে তার উচ্চপদস্থ কর্তৃত্বের স্বীকৃতি নয়। তিনি হলেন সমপদমর্যাদার বিচারকদের মধ্যে প্রথম জন। এর চেয়ে বেশি কিছু নন, কমও নন।’

তারা আরও বলেন, সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে বিচার বিভাগের কিছু অনির্দিষ্ট অনিয়মকে তারা সামনে আনতে চেয়েছেন। তাদের অভিযোগ, তাদের চিঠি পাওয়া সত্ত্বেও, প্রধান বিচারপতি মিশ্র পরিস্থিতি সঠিক পথে আনতে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। তারা বলেন, তাদের চিঠির প্রত্যুত্তরও দেননি প্রধান বিচারপতি। তাই তারা তার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েও সাক্ষাৎ পাননি।

এদিকে জ্যেষ্ঠ বিচারকদের ওই সংবাদ সম্মেলনের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশটির আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ কেন্দ্রের বনভোজন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরায় ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ কেন্দ্রের ২য় শিফ্ট এর বন ভোজন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের লেক এলাকায় ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির ৮ম পর্বের ৫ম ব্যাচের ২ শিফ্ট এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত বন ভোজনে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বিশ্বাস সুদেব কুমার, সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সঞ্জীব কুমার দাশ, সহকারি যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান শাহিন, অফিস কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ। বনভোজনের সহযোগিতায় ছিলেন, রওশন জাহান রুপা, সুইটি রানি দত্ত, রফিখা লায়লা পাপড়ি, শাহ আলম, মির্জা রাশেদুজ্জামান রনি, আলম, মিজানুর রহমান, জাকির হোসেন, হাসানুজ্জামান প্রমুখ। বন ভোজন শেষে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুর্ঘটনায় নকুল কুমারের দুই সহশিল্পী নিহত

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে শিল্পী নকুল কুমার বিশ্বাসের দুই সহশিল্পী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও তিনজন।

শুক্রবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ভাঙ্গা উপজেলার আজীমনগর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

ফরিদপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. এজাজুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

নিহতরা হলেন নকুল কুমার বিশ্বাসের সংগীত দলের সহশিল্পী অহিদউদ্দিন সুজাত (৩৮) এবং মোশাররফ হোসেন (৩৭)। তাদের লাশ হাইওয়ে থানায় রাখা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলেই তারা মারা যায়।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, শিল্পীদের বহনকারি মাইক্রোবাসটি বেনাপোল থেকে মাওয়া হয়ে ঢাকায় যাচ্ছিল। ঘন কুশায়ার কারণে গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক অর্জুন কুমার জানান, হাসপাতালে ভর্তি দুইজনের মধ্যে দীপকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এছাড়া আহত নিমাই অনেকটা শঙ্কামুক্ত। আমার তাদের সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নাখালপাড়ার আস্তানায় তিন ‘জঙ্গি’র লাশ

ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীর পশ্চিম নাখালপাড়ায় জঙ্গি আস্তানায় তিন জঙ্গির মরদেহ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ। এছাড়া আস্তানাটি থেকে দুটি ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি), বিস্ফোরক জেল ও একটি পিস্তল পাওয়ার কথা জানিয়েছেন বেনজীর।

শুক্রবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা জানান।

বেনজীর জানান, এ পর্যন্ত তিনজনের মরদেহ পাওয়া গেছে। সেখানে আর কেউ হতাহত হয়েছে কি না সে ব্যাপারে কিছু জানাননি তিনি।

বৃহস্পতিবার দিনগত মধ্যরাতের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও এমপি হোস্টেলের ঠিক পেছনে ১৩/১ রুবী ভিলা নামে ছয় তলা বাড়িটিতে ‘জঙ্গি আস্তানা’র সন্ধান পেয়ে অভিযানে চালাতে যায় র‌্যাব সদস্যরা।

র‌্যাবকে দেখে জঙ্গিরা গ্রেনেড ছুঁড়ে মারলে র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। টানা ৪০ মিনিটের মতো গোলাগুলিতে বেশ কয়েকজন জঙ্গি নিহত হয় বলে জানিয়েছিলেন র‌্যাবের মুখপাত্র মুফতি মাহমুদ খান। এতে র‌্যাবের দুই সদস্যেও আহত হন।

শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে র‍্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল (বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট) ঘটনাস্থলে কাজ শুরু করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রক্তে কখনো খারাপ কোলেস্টেরল বাড়বে না যে ১১টি খাবার খেলে

স্বাস্থ্য ও জীবন: চিকিৎসকেদের মতে অনিয়ন্ত্রিত জীবন, জাঙ্ক ফুডের প্রতি দুর্বলতা এবং ধূমপান-মদ্যপানের মতো নেশা করার কারণে রক্তে বাড়তে শুরু করে খারাপ কোলেস্টেরল ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা, যা এক সময়ে গিয়ে হার্টে রক্ত সরবরাহের পথ আটকে দেয়। ফলে বাড়ে হাঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা। আজকের দিনে যুবসমাজের একটা বড় অংশই কর্পোরেট সেক্টরে কর্মরত। আর যেমনটা সবারই জানা আছে যে বেসরসারি সংস্থায় কাজের চাপ সময়ের সঙ্গে বাড়তে থাকে, কমে তো নাইই।
আর এত কাজের চাপে না আছে ঠিক মতো ঘুমানোর সময়, না আছে সময় খাওয়ার। তাই তো উচ্চরক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা এই বয়সীদের মধ্যে এতটা বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বেশ কিছু খাবার নিয়মিত খাওয়া শুরু করতে হবে। কারণ এই খাবারগুলি নিয়মিত খাওয়া শুরু করলে রক্তে এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যাবে। ফলে বাড়বে আয়ু, কমে রোগভোগের আশঙ্কা। প্রসঙ্গত, যে যে খাবারগুলি নিয়মিত খেলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা একেবারে নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে সেগুলি হল…
১. সয়াবিন
ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কীভাবে কমাবেন তাই নিয়ে কি চিন্তায় রয়েছেন? তাহলে আজ থেকেই সয়াবিন বা সয়ামিল্ক খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন দারুন উপকার পাবেন। প্রসঙ্গত, বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন ২৫ গ্রাম করে সয়া প্রোটিন শরীরে প্রবেশ করলে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা প্রায় ৫-৬ শতাংশ হারে কমতে শুরু করে। আর যেমনটা আপনাদের সকলেরই জানা আছে যে এল ডি এল কোলেস্টেরলের মাত্রা যত কমে, তত হার্টের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।
২. ওটস
খারাপ কোলস্টেরলের মাত্রা কমাতে ওটসের কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই খাবারটির অন্দরে থাকা ফাইবার একদিকে যেমন খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, অন্যদিকে উপকারি কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে থাকে। ফলে শরীরের কোনো ক্ষতি হওয়ার পরিবর্তে দেহের নানা উপকার হতে থাকে।
৩. আপেল, আঙুর, জাম, সাইট্রাস ফল
এই ফলগুলিতে রয়েছে পেকটিন নামক একটি উপাদান, যা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে দারুনভাবে কাজে আসে। তাই তো পরিবারে যদি হাই কোলেস্টেরলের মতো নন-কমিউনিকেবল ডিজিজের ইতিহাস থাকে, তাহলে ভুলেও প্রতিদিনের খাদ্য তালিকা থেকে এই ফলগুলিকে বাদ দেবেন না যেন! প্রসঙ্গত, পাতি লেবু এবং কমলা লেবুর মতো সাইট্রাস ফল খেলেও কিন্তু সমান উপকার পাওয়া যায়।
৪. আপেল সিডার ভিনেগার
এক গ্লাস পানি এক চামচ আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে একটি মিশ্রণ বানিয়ে ফেলুন। দিনে দুবার এই পানীয়টি খেলে দেখবেন অল্প সময়ের মধ্যেই কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করবে।
৫. আমলকি
এক গ্লাস গরম পানিতে এক চামচ আমলকি পাউডার মিশিয়ে প্রতিদিন খালি পেটে পান করা শুরু করুন। কয়েক সপ্তাহ এই ঘরোয়া টোটকাকে কাজে লাগালেই দেখবেন কোলেস্টেরল একেবারে নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।
৬. বিনস
ফাইবার সমৃদ্ধ এই প্রাকৃতিক উপাদানটিকে যদি প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন, তাহলে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার কোনো আশঙ্কাই থাকবে না। কারণ ফাইবার হল খারাপ কোলেস্টেরলের যম। তাই তো এই উপাদানটির মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া মানে স্বাভাবিকভাবেই খারাপ বা ‘এল ডি এল’ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে থাকা।
৭. বাদাম
কোলেস্টেরল কমাতে আখরোট এবং কাজু বাদাম দারুন কাজে আসে। আসলে এই দুটি বাদামে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। আর একথা তো সকলেরই জানা হয়ে গেছে যে ফাইবার কোলেস্টেরল কমাতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে। তবে বেশি মাত্রায় বাদাম আবার খাবেন না যেন! তাতে শরীরের ক্ষতি হতে পারে। অল্প অল্প করে বাদাম খেলে দেখবেন নানা উপকার মিলবে।
৮. মধু ও পেঁয়াজের রস
এক চামচ পেঁয়াজের রসের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে দিনে একবার করে এই মিশ্রন খান। টানা কয়েক মাস খেলেই সুফল মিলতে শুরু করবে।
৯. ধনে বীজ
কোলেস্টেরল কমাতে এটির কোনো বিকল্প নেই বললেই চলে। এক্ষেত্রে এক গ্লাস পানিতে এক চামচ ধনিয়া বীজের গুঁড়ো মিশিয়ে জলটা একটু গরম করে নিতে হবে। তারপর পান করতে হবে। দিনে দুবার করে এই পানি খেলে দেখবেন কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করেছে।
১০. কমলা লেবুর রস
এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি এবং ফ্লেবোনয়েড, যা বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। তাই এই শীতে প্রতিদিন কম করে ২-৩ বার কমলা লেবুর রস খেতে ভুলবেন না যেন!
১১. মাছ
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত মাছ খাওয়া শুরু করলে শরীরে উপকারি ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর পাশাপাশি হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest