সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তিপ্রদান ও পুরস্কার বিতরণীসাতক্ষীরায় কলেজের অধ্যক্ষকে পিটিয়ে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের পর উল্টো বিভিন্ন অনলাইনে অপপ্রচারการเลือกเกมที่ตอบโจทย์สไตล์การเล่นของคุณใน playbet casinoLes jeux de casino incontournables à essayer absolument sur GTBetদেবহাটায় কমিউনিটি শিশুদের জন্মদিন উদযাপনআশাশুনিতে ৮শ লিটার পেট্রোল জব্দ: ১০হাজার টাকা জরিমানাLes critères qui font de Boomerang Casino un choix incontournableসাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতন

প্রশাসন ও পুলিশে রেকর্ড পরিমাণ সুযোগ-সুবিধা

দফায় দফায় পদোন্নতি, পছন্দের জায়গায় পদায়ন, দুই দফা বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, গাড়ি ও বাড়ির জন্য সুদ ছাড়া ব্যাংক ঋণ, রেশন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন রকম সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন সরকারের প্রশাসন ও পুলিশে কর্মরত কর্মকর্তারা। চাকরির বয়স বৃদ্ধি হয়েছে দুই দফায়। এমনকি একাধিক কর্মকর্তা একই পদে দফায় দফায় চুক্তিভিক্তিক নিয়োগ পেয়েছেন। সুযোগ-সুবিধার খাতায় যুক্ত হয়েছে বৈশাখী উত্সবভাতাও। অতীতে আর কোনো সরকারের সময় এমন সুযোগ-সুবিধা কখনই জোটেনি সরকারি কর্মকর্তা ও পুলিশের ভাগ্যে। সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে এগুলো রেকর্ড পরিমাণ।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর থেকেই সুযোগ-সুবিধা পেয়ে আসছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পুলিশ প্রশাসন। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের দুই মেয়াদ মিলিয়ে গত প্রায় নয় বছরে প্রশাসনে সবচেয়ে বেশি পদোন্নতি পেয়েছেন কর্মকর্তারা। নয় বছরে সিনিয়র সহকারী সচিব থেকে শুরু করে উপসচিব, যুগ্ম-সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন দুই হাজারেরও বেশি কর্মকর্তা। এ পদোন্নতি হচ্ছে এক ধরনের প্যাকেজ সুবিধা। কারণ, পদোন্নতির সঙ্গে সঙ্গে কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও বৃদ্ধি পায়। প্রশাসনে পদ না থাকলেও পদোন্নতির ক্ষেত্রে এ বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। বরং পদোন্নতি নিয়ে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সন্তুষ্টির সঙ্গে আগের জায়গায়ই নিজেদের বহাল রেখেছেন। পদোন্নতি ছাড়া পদায়নের ক্ষেত্রেও সরকারি কর্মকর্তারা সর্বোচ্চ সুবিধা ভোগ করছেন। বেশির ভাগ কর্মকর্তাই নিজেদের পছন্দের জায়গায় পোস্টিং নিয়েছেন। এ ক্ষেত্রেও তারা সুবিধা ভোগ করছেন। সরকার দুই দফায় পে-স্কেলের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি করেছে। প্রথম দফায় মহাজোট সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০০৯ সালে পে-স্কেল ঘোষণা করে। ওই বছরের ১ জুলাই থেকেই তা কার্যকর। তারপর বর্তমান সরকারের মেয়াদে ২০১৫ সালের ১ জুলাই সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা আরেক দফা বৃদ্ধি পায় পে-স্কেলের মাধ্যমে। এ ক্ষেত্রে শতভাগ বেতন বৃদ্ধি পায় কর্মকর্তাদের। আবার কারও কারও ক্ষেত্রে ১২০ ভাগ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। অতীতে কোনো সরকারের সময়ই এমন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেননি আমলারা। আওয়ামী লীগ সরকারের দুই মেয়াদেই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরির বয়স বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রথম দফায় মহাজোট সরকারের সময় চাকরির বয়স ৫৭ থেকে বাড়িয়ে করা হয় ৫৯ বছর। আর দ্বিতীয় দফায় সরকারের মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে চাকরির বয়স ৬০ বছর করা হয়।

এই সরকারের দুই মেয়াদে সরকারের আমলারা গাড়ি-বাড়ি করার জন্য সুদবিহীন ব্যাংক ঋণের সুযোগ পান। প্রথমে সরকারের অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম-সচিবরা গাড়ি কেনার জন্য ঋণসুবিধা পেলেও চলতি বছরই এ সুযোগ পেয়েছেন উপসচিবরা। একইভাবে তারা বাড়ি করার জন্য সুদবিহীন ব্যাংক ঋণ পাচ্ছেন।

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ এ সরকারের সময় কমে এলেও এখনো বেশকিছু কর্মকর্তা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাচ্ছেন। এটা আমলাদের সরকারের এক ধরনের উপহার।

শুধু প্রশাসনেই নয়, পুলিশের ক্ষেত্রেও এ সুযোগ-সুবিধার কমতি নেই। পদোন্নতি, আবাসন, যানবাহন, পোশাক, রেশনের সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন পুলিশের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা। রেশন পেয়েছেন শতভাগ। অতীতে কখনই পুলিশের এমন সুযোগ-সুবিধা ছিল না।

পুলিশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, বর্তমান সরকারের নয় বছরে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে পুলিশবাহিনীতে। নয় বছরে পদোন্নতি পেয়েছেন অসংখ্য পুলিশ কর্মকর্তা। বেতন-ভাতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ঝুঁকিভাতা পুলিশ সদস্যদের মনোবল চাঙ্গা করেছে। পুলিশের মহাপরিদর্শক ছাড়াও ইন্সপেক্টর ও সাব-ইন্সপেক্টর পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পদমর্যাদা বৃদ্ধি করায় এ বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে রয়েছে সন্তুষ্টি। গত সাত বছরে নতুন নতুন থানা ভবন নির্মাণসহ আবাসন সমস্যা সমাধানে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। এসেছে নতুন অস্ত্র ও সরঞ্জাম। বেড়েছে জনবল। নতুন যানবাহনসহ পুলিশবাহিনীকে আধুনিক করে গড়ে তুলতে নানামুখী পদক্ষেপও নিয়েছে বর্তমান সরকার।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, গত নয় বছরে পুলিশের বার্ষিক বাজেট বেড়েছে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৭-০৮ অর্থবছরে পুলিশবাহিনীর জন্য বার্ষিক বাজেট ছিল ২ হাজার ৪৯১ কোটি টাকা। চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে পুলিশবাহিনীর জন্য বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৯ হাজার ২৮৫ কোটি টাকা।

পুলিশ সদর দফতর বলেছে, বর্তমান সরকারের সময় পুলিশ বিভাগে সবচেয়ে বড় পাওয়া স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১১। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন পরে হলেও স্বাধীনতাযুদ্ধে পুলিশবাহিনীর অবদানের বিষয়টি সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেছে। এ ছাড়া বর্তমান সরকারের আমলেই পুলিশ মহাপরিদর্শকের পদকে সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় উন্নীত করা করা হয়েছে। ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে বঙ্গবন্ধু-প্রদত্ত র্যাংক-ব্যাজ (থ্রি-স্টার জেনারেল)।

পুলিশ সদর দফতর সূত্র জানায়, কর্তব্যরত অবস্থায় কোনো পুলিশ সদস্য নিহত হলে অনুদান ৩ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৫ লাখ এবং আহত হলে ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা হয়েছে বর্তমান সরকারের আমলে। দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত ইন্সপেক্টর পদকে দ্বিতীয় থেকে প্রথম শ্রেণির নন-ক্যাডার এবং এসআই ও সার্জেন্ট পদকে তৃতীয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়েছে। পুলিশে রেশনের বৈষম্য নিরসনসহ সর্বশেষ ৩০ ভাগ ঝুঁকিভাতা ঘোষণা করায় নতুনভাবে উজ্জীবিত পুরো পুলিশবাহিনী। পুলিশ সদর দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ভাষায়, গত সাত বছরে পুলিশবাহিনীতে যে পরিমাণ উন্নয়ন হয়েছে তা স্বাধীনতার ৪৫ বছরেও হয়নি।

প্রশাসন ও পুলিশে এমন সুযোগ-সুবিধাকে কীভাবে দেখছেন— জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদের সাবেক সচিব আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তাদের বয়স বৃদ্ধির বিষয়টি যৌক্তিক। এর প্রয়োজন ছিল। কিন্তু যেভাবে পদ ছাড়া পদোন্নতি হয়েছে তা কোনোভাবেই ঠিক নয়। এতে প্রশাসনের শৃঙ্খলা নষ্ট হয়।’ তিনি বলেন, ‘পদায়নের ক্ষেত্রে সরকারের কারা কীভাবে পদায়ন করে তা দেখা দরকার। পদায়নের যথাযথ নীতিমালা থাকা দরকার।’ আলী ইমাম মজুমদার মনে করেন, যুগ্ম-সচিব পর্যন্ত কর্মকর্তারা যদি সরকারের গাড়ি ব্যবহার না করেন তাহলে তাদের গাড়ি দেওয়ার বিষয়টা গ্রহণযোগ্য হতে পারে। কারণ, যুগ্ম-সচিবদের সরকারি গাড়ি ব্যবহার করতে হয়। এজন্য সরকারকে গাড়ি কিনতে হয়। আবার সেগুলো মেরামতও করতে হয়। এজন্য তাদের গাড়ি কেনার সুযোগ দিলে তা গ্রহণযোগ্য। কিন্তু উপসচিব পর্যায়ে এর প্রয়োজন নেই।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঘুমের সমস্যা দূর করতে খাদ্য তালিকায় রাখুন এই মাছ!

নানা পুষ্টি গুণে সমৃদ্ধ একটি খাদ্য মাছ। প্রতি ১০০ গ্রাম মাছে থাকে ২২ গ্রাম প্রোটিন। আর স্বাদে গন্ধে মাছের জুড়ি নেই। খুব কম সংখ্যক মানুষই আছেন যারা মাছ খেতে অপছন্দ করেন। আমাদের দেশে তো একটা প্রবাদই আছে ‘মাছে ভাতে বাঙালি। ‘সেই যাই হোক মাছ খেলে কিন্তু আপনার নানা ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পারেন।

আর ঘুমের সমস্যা হলে খাবারে মাছ অবশ্যই রাখতে হবে! কারণ সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, সপ্তাহে মাত্র একদিন মাছ খেলেই অনিদ্রার মতো সমস্যা দূর হতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে বুদ্ধিও বাড়তে শুরু করে।

পেনসিলভিনিয়া ইউনির্ভাসিটির গবেষকদের করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত মাছ খাওয়ার অভ্যাস করলে শরীরে ওমেগা ত্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্রেন পাওয়ার এতটা বেড়ে যায় যে “আই কিউ” লেভেলও বাড়তে শুরু করে।

মাছ একটি প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। মাছের শরীরের থাকা ওমেগা থ্রি ফ্য়াটি অ্যাসিড এবং প্রোটিন, মাথা থেকে পা পর্যন্ত শরীরের প্রতিটি কণাকে চাঙ্গা করে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে একাধিক মারণ রোগকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়।

ভিটামিন ডি এর ঘাটতি দূর করে:

হাড়ের গঠনে এই ভিটামিনটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো শরীরে যাতে কোনও ভাবেই ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখাটা একান্ত প্রয়োজন। আর এই কাজে আপনাকে সাহায্য করতে পারে সামদ্রিক মাছেরা। কারণ এদের শরীরে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে মজুত থাকে ভিটামিন ডি, যা হাড়কে শক্তপোক্ত করার পাশাপাশি নানাবিধ হাড়ের রোগকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পায়:

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে সপ্তাহে মাত্র ১-২ দিন মাছ খেলেই আমাদের মস্তিষ্কের ভেতরে থাকা নিউরনদের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। ফলে একদিকে যেমন বুদ্ধির বিকাশ ঘটে, তেমনি স্মৃতিশক্তিরও উন্নতি ঘটে। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে অনুষ্টিত রেডিওলজিকাল সোসাইটি অব নর্থ আমেরিকার বার্ষিক সভায় এই বিষয একটি রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। তাতে উল্লেখ রয়েছে যারা নিয়মিত মাছ খেতে থাকেন তাদের ব্রেণের একটি বিশেষ অংশের ক্ষমতা এতটাই বেড়ে যায় যে বুদ্ধি এবং স্মৃতিশক্তির দিক থেকে তারা অনেকটাই পিছনে ফেলে দেয় মাছ না খাওয়া মানুষদের।

হার্টকে চাঙ্গা রাখে:

আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশিত একটি রিপোর্টে এমনটা দাবি করা হয়েছে যে যারা নিয়মিত মাছ খেয়ে থাকেন, তাদের হার্ট ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৫০ শতাংশ কমে যায়। কেন এমনটা হয় জানেন? আসলে মাছের শরীরে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্য়াটি অ্যাসিড রক্তে উপস্থিত ফ্য়াটের মাত্রাকে কমাতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।

ত্বক এবং চুলের সৌন্দর্য বাড়ে:

মাছের শরীরে উপস্থিত ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড আমাদের দেহের অন্দরে যাওয়া মাত্র ত্বক এবং চুলের গোড়ায় পুষ্টির যোগান এতটাই বাড়িয়ে দেয় যে তার প্রভাবে স্কিন টোনের যেমন উন্নতি ঘটতে শুরু করে, সেই সঙ্গে চুলের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পায়। প্রসঙ্গত, বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে ওমাগ থ্রি ফ্য়াটি অ্যাসিড সোরিয়াসিসের মতো ত্বকের রোগের চিকিৎসাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা এমন রোগ ভুগছেন, তারা রোজের ডায়েট থেকে মাছকে বাদ দেওয়ার কতা কখনও ভাববেন না যেন!

স্পার্ম কাউন্ট অনেক বাড়িয়ে দেয়:

সম্প্রতি ১৮৮ জন পুরুষের উপর একটি গবেষণা চালানো হয়েছিল। তাতে দেখা গেছে যারা নিয়মিত মাছে খান, তাদের স্পার্ম কাউন্ট এতটাই ভাল হয়ে যায় যে বাচ্চা নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যাই হয় না।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে আমাদের উত্তাল জীবনযাত্রার কারণে অনেকেরই স্পার্ম কাউন্ট কমতে শুরু করে, যে কারণে বাবা হাওয়ার ক্ষেত্রে নানা সমস্যার সম্মুখিন হতে হয়। তাই আপনি যদি চান এমনটা আপনার সঙ্গে না হোক, তাহলে নিয়মিত মাছ খেতে ভুলবেন না যেন!

মানসিক অবসাদ কমায়:

বর্তমান সময়ে নানা কারণে মানসিক অবসাদে আক্রান্তের সংখ্যাটা যেন ক্রমাগত বাড়ছে, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই কম বয়সি। এমন পরিস্থিতিতে মাছ খাওয়া প্রয়োজন আরও বেড়েছে। কারণ স্ট্রেস এবং মানসিক অবসাদ কমাতে মাছের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এক্ষেত্রেও ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর উপজেলাকে ‘ভিক্ষুক’ বানিয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা!

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলাকে ‘ভিক্ষুক’ বানিয়ে দিয়েছে দৃর্বৃত্তরা।
স্বাগতম “ভিক্ষুক সাতক্ষীরা সদর উপজেলা” এমনি বিলবোর্ড প্রতিনিয়িত নজরে পড়ছে সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ সড়কের সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শেষ সীমান্ত দক্ষিণ আলিপুর ফুটবল মাঠের পাশেই।
‘ভিক্ষুকমুক্ত সাতক্ষীরা সদর উপজেলা’ লেখা বিলবোর্ডের ‘ভিক্ষুকমুক্ত’ শব্দটির ‘মুক্ত’ অংশটুকু মুছে দুর্বৃত্তরা বিলবোর্ডটিকে বিকৃত করে ফেলেছে। যার ফলে বিলবোর্ডে লেখা দেখা যাচ্ছে- ‘ভিক্ষুক সাতক্ষীরা সদর উপজেলা’!
এদিকে, অনেকদিন ধরে বিলবোর্ডে এমন বিকৃতি থাকলে এটাকে ঠিক করে দেয়ার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। এ ধরনের লেখা দেখে হতবাক হচ্ছেন সাধারণ পথচারীরা। কিন্তু বিষয়টি দায়িত্বশীল কারও নজরে পড়ছে না বলে মনে হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বড়দল প্রেসক্লাবে আশাশুনি আ ‘লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের মতবিনিময়
বড়দল প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সাথে নবগঠিত আশাশুনি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের মতবিনিময় ও আলোচনা সভা গত রবিবার সন্ধায় বড়দল প্রেস ক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ বাচ্চু,  আশাশুনি উপজেলার নবগঠিত রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি গোপাল কুমার মন্ডল, আশাশুনি প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক সমীর রায়, বড়দল প্রেস ক্লাবের আহবায়ক মোঃ সফিকুল ইসলাম, যুগ্ন আহবায়ক বি এম আলাউদ্দীন, আলামিন সরদার, বড়দল প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব মুকুল শিকারী, কার্যকারী সদস্য  শাহিনুর ইসলাম, চন্দ্রকান্ত মন্ডল, নিরুত্তম সরকার।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবের নায়িকার ‘নগ্ন ফটোশুট’, নেট দুনিয়ায় তোলপাড়!

টলিউডের বিগ বাজেটের সিনেমা ‘অ্যামাজন অভিজান’। ছবিতে দেবের নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেছেন রুশ মডেল সুয়েতলানা গুলাকোভা।

আর সেই নায়িকাই এবার ‘ভোগ’ ম্যাগাজিনের কভার ফটোশুটে নগ্ন হয়েছেন আরেক মডেলের সঙ্গে। এই ছবি নিয়েই তোলপাড় নেটদুনিয়ায়।

অ্যামাজন অভিযান ছবিতে রাশিয়ান মডেল সুয়েতলানা ছাড়াও রয়েছেন আফ্রিকার ৪৫ বছর বয়সী অভিনেতা ড্যাভিড জেমস। এই দুই বিদেশি অভিনেতার সঙ্গে শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মসের এই ছবিতে একই স্ক্রিনে দেখা যাবে ব্রাজিলের টেলিভিশন সিরিজের আর্টিস্ট এডুয়ার্ডো মুনিজকেও।

ব্রাজিলের এক ঘন অরণ্যে এক টানা ৩৮ দিন শুটিং করেছে টিম অ্যামাজন অভিজান। উল্লেখ্য, কমলেশ্বর মুখার্জি পরিচালিত এই ছবি এখনও পর্যন্ত কলকাতার সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে বেশি বাজেটের ছবি। হিন্দি, বাংলা সহ মোট ৬টি ভাষায় এই ছবি রিলিজ করতে চলেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেরুজালেমে আটক তুর্কিদের মুক্তি দিল ইসরায়েল

জেরুজালেমে আটক তিন তুর্কি নাগরিককে অবশেষে মুক্তি দিল ইসরায়েল। দেশটির আদালত তাদের মুক্তির আদেশ দিলে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।

গত শুক্রবার পূর্ব জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদ এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

আটককৃতদের দুজন আবদুল্লাহ কিজলিরমাক ও মেহমেট কারগিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তারা আল আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণের বাইরে পুলিশ কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করেছিলেন। অভিযুক্ত এই দুজন তুরস্কের পাশাপাশি বেলজিয়ামেরও নাগরিক।

আটককৃত তৃতীয় ব্যক্তি অ্যাডাম কোককে ‘জনশৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অবৈধ কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার’ অপরাধে অভিযুক্ত করা হয়েছিল।

ইসরায়েল পুলিশের মুখপাত্র মিকি রসেনফেল্ড সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, ওই তিনজন একটি প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।

তিন তুর্কি নাগরিককে গ্রেফতারের সময় কোনো বড় ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি। ঘটনাস্থলে থাকা এক ব্যক্তির করা ভিডিওতে দেখা গেছে, আল আকসা মসজিদ কম্পাউন্ডের কাছে একটি দরজায় কিছু লোক দাঁড়িয়ে ছিল, যাদের গায়ে দেওয়া গেঞ্জিতে তুরস্কের পতাকাখচিত ছিল।

ডেইলি সাবাহর প্রতিবেদনে জানানো হয়, সেই গেঞ্জিগুলো পরে থাকার কারণে ইসরায়েলি সৈন্যরা তাদের সেখানে ঢুকতে দিচ্ছিল না, যা থেকে পুলিশের সাথে তাদের বাক-বিতণ্ডা হয়। এরপর তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় এক স্কুল ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

জাহাঙ্গীর আলম (লিটন): সাতক্ষীরার কলারোয়ায় এক স্কুল ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। সোমবার সকালে উপজেলার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রাম থেকে ওই ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়। কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার নাথ জানান, সংবাদ পেয়ে থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউর রহমান ও এসআই জাহাঙ্গীর হোসেন ঘটনা স্থান পরিদর্শন করেন। এসময় বোয়ালিয়া গ্রামের খলিলুর রহমানের কন্যা জান্নাতুল ফেরদৌস(১৪)এর লাশ উদ্ধার করে। এঘটনায় কলারোয়া থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা নং-৫৫(১৭)দায়ের হয়েছে। অন্যদিকে নিহতের পিতা খলিলুর রহমান জানান তার মেয়ে মানসিক রোগী ছিলো। রোববার রাত ৮টার দিকে সে সকলের অজান্তে বাড়ীর পার্শ্বে গোয়াল ঘরের আড়ার সহিত গলায় রশি দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্নহত্যা করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তিনদিনেই ১০০ কোটির ক্লাবে ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’

বড়দিনে সালমান খানের ফ্যানেদের জন্য দারুণ খবর। এক কথায় বললে দাঁড়ায়, ‘ভাই ইজ ব্যাক’। ‘টিউবলাইট’ ভালো ভাবে না জ্বলার দুঃখ ভুলে এখন শুধুই ‘টাইগার’-এর দিন। মুক্তি পাওয়ার তিন দিনের মধ্যে ১০০ কোটির ক্লাবে ঢুকে পড়ল ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’। তিন দিনে ছবির সেঞ্চুরি করার কথা শেয়ার করেছেন ট্রেড অ্যানালিস্ট তরণ আদর্শ।

বলিউড হাঙ্গামার খবর অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই ১১৪ কোটি ৯৩ লাখ টাকা রোজগার করে ফেলেছে ছবিটি। সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফের ক্রিসমাস স্পেশাল রিলিজ শুধুমাত্র রবিবারই দেশে আয় করেছে ৪৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। আলি আব্বাস জাফরের এই ছবির আয় বড়দিনেই ১৪৫ কোটি পেরিয়ে যেতে পারে।

বক্স অফিস কালেকশনের দৌড়ে এ বছর যে ছবিগুলো এগিয়ে ছিল, তাদের মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে ‘বাহুবলী টু: দ্য কনক্লুশন’। যদিও এই ছবি মুক্তি পেয়েছিল প্রায় ৯ হাজার স্ক্রিনে। সেই তুলনায় ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’ মুক্তি পেয়েছে প্রায় অর্ধেক স্ক্রিনে।

এবার ‘টিউবলাইট’-এর ওপেনিং ডে কালেকশন ছিল প্রায় ২১ কোটি টাকা। বাহুবলী টু’-এর কালেকশন ছিল প্রায় ৪০ কোটি। ‘গোলমাল এগেইন’-এর কালেকশন ছিল ৩০ কোটি। সেই হিসেবেও ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’ বেশ এগিয়ে। কারণ প্রথম দিনই এই ছবি প্রায় ৩৬ কোটি টাকা আয় করেছিল।

এ সপ্তাহের মধ্যেই যে ‘টাইগার’ ২০০ কোটির মাইলস্টোনও ছুঁয়ে ফেলতে পারে। এ বছরের সবচেয়ে রোজগার করা ছবির তালিকাতেও ‘টাইগার’ ও ‘জোয়া’র গল্প রেকর্ড গড়ারই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest