সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা কম্পিউটার সমিতির নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কালিগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্যদেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠন

নারীলিপ্সু নাসিরের বিরুদ্ধে অন্তঃসত্ত্বা মাছুরার যত অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: আমার আগে আরও চার নারীর সর্বনাশ করেছে নাসির। বিয়ের নামে তাদের সাথেও প্রতারনা করেছে। তাদেরকে নিয়ে বাসা ভাড়া করে থেকেছে। সে সব মেয়েরা এখন নাসিরকে ছেড়ে নিজেদের অবস্থানে ফিরে গেছে। সেই নাসির এখন আরও একটি মেয়ের পিছনে লেগেছে। তাকে বিয়ে করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তাকে নিয়ে এখানে ওখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তার সাথে বসে একই সাথে ইয়াবাও খায় নাসির।
রোববার সাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের সাথে এসব কথা বলেন শ্যামনগর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের মাটি শ্রমিক আবুবকর সিদ্দিকের মেয়ে মাছুরা খাতুন। মাছুরা নাসিরউদ্দিনের সাড়ে তিন বছরের বিবাহিত স্ত্রী। তিনি এখন অন্তঃসত্ত্বা। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে নাসির তাকে ছেড়ে কোনো কিছু না বলেই চলে গেছেন। এর পর আমাকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। বলছে ওকে আর নেবো না। সেই নাসির এখন আরও এক বিয়ের নামে পাঁয়তারা করছে জেনে মাছুরা ছুটে আসেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে। তিনি জানান আমি আমার স্বামীর ঘর চাই।
মাছুরা জানান, বছর চারেক আগে তাদের পরিচয়। নাসির কালিগঞ্জ উপজেলার দুদলি গ্রামের মো. বাসারতুল্লাহর ছেলে। কালিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক ছিলেন তিনি। নানা কারণে নাসিরউদ্দিন ছাত্রলীগ থেকে বহিস্কৃত হন। এরপর থেকে নানা অনৈতিক কাজে নামেন তিনি।
মাছুরা বলেন দুই পক্ষের অভিভাবকের অমতেই নাসিরের সাথে বিয়ে হয় তার। এরপর নাসির তাকে সাতক্ষীরায় এনে ভাড়া করা বাসায় থাকতেন। মাছুরা বলেন, নাসিরের সাথে কয়েকজন পুলিশ সদস্যের সুসম্পর্ক ছিল। সে নিজেই একজন ইয়াবাসেবী। ইয়াবা ও ফেনসিডিল কেনাবেচাও করে। প্রায়ই রাতে তাদের বাসায় আসতো ফিরোজ ও আমিনুর নামের পুলিশের দুই সদস্য। সাথে থাকতো ইটাগাছার সাইফুল নামের আরও এক যুবক। তারা এক সাথে আমার ঘরে বসে ইয়াবা খেতো। পুলিশের সাথে চুক্তি করে সাধারন মানুষকে ধরিয়ে আনতো। আমি আপত্তি জানাতাম। প্রতিবাদ করায় আমাকে মারধর করতো নাসির। জানাজানি করলে বলতো, তোর বাবার নামে মামলা দিয়ে জেল খাটাবো। মাছুরা তার দেহের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ণ দেখান। মাছুরা জানান, তার পেটের প্রথম সন্তান সাড়ে চারমাস পর গর্ভপাতের মাধ্যমে নষ্ট করায় নাসির। দ্বিতীয় সন্তান পেটে আসার পর থেকে নাসির আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। এরই মধ্যে সে অপর একটি মেয়ের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলে। তাকে ঘরে নিয়ে আসতো। বোন পরিচয়ে ঘরে রাখতো। তার সাথে বসে ইয়াবা খেতো। আর আমি প্রতিবাদ করলে আমাকে মারপিট করতো। মাছুরা জানান পেটের সন্তান নষ্ট করে দেওয়ার জন্য আমাকে চলা কাঠ দিয়ে কোমরে আঘাত করেছে নাসির। তিনি জানান তার গলায় ওড়না পেচিয়ে তাকে খুন করারও চেষ্টা করেছিল নাসির। কিন্তু প্রতিবেশিরা এসে তাকে রক্ষা করেন। মাছুরা জানান এভাবে আরও চার নারীর সর্বনাশ করেছে নাসির।
মাছুরা জানান, আমাদের প্রথম বিয়ের স্ট্যাম্পে স্বাক্ষরযুক্ত কাগজপত্র চাইতাম আমি। কিন্তু নাসির দিতে চাইতো না। তিনি বলেন শহরের কাটিয়ায় বাসা পাল্টালে বাড়িওয়ালা আমাদের দুইজনকে পুলিশে সোপর্দ করেন। সাতক্ষীরার কাটিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক মো. বাহারুল ইসলামের সহায়তায় গত ১ নভেম্বর শরীয়ত মোতাবেক মাছুরার সাথে নাসিরের বিয়ে পড়ান ম্যারেজ রেজিস্ট্রার মওলানা আবদুর রাজ্জাক। বিয়ের সেই নিকাহনামা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন মাছুরা। তিনি জানান এখন আমাকে রাস্তাঘাটে মারধর করার পরিকল্পনা করেছে নাসির। এরই মধ্যে তিন যুবককে পাঠিয়েছিল তার কাছে। কিন্তু মাছুরা পালিয়ে থেকে রক্ষা পান।
মাছুরা জানান, এতো সবের পরও আমি তার ঘর ছাড়তে চাইনা। আমি আইনগত সহায়তা চাই। মাছুরা জানান নাসির মাঝে মাঝে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেন। নিজে সাংবাদিক জানিয়ে ভয় দেখান নাসির।
এ সম্পর্কে জানতে চাইলে ঢাকাস্থ মানবাধিকার প্রতিদিনের সম্পাদক শহিদুল ইসলাম জানান, নাসিরকে তার অনৈতিক কাজের অভিযোগে পত্রিকা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে কালিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ শাওন আহমেদ সোহাগ জানান, সংগঠন বিরোধী নানা অভিযোগে নাসিরউদ্দিন এক বছর আগে বহিস্কৃত হন।
এ সব বিষয়ে জানতে মো. নাসিরউদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমার সাথে মাছুরার বিয়ের একটা ঝামেলা আছে সত্য। তবে সে বিষয়ে পরে বলবো। এক সপ্তাহ পর বাড়ি এসে বলবো। এখন ঢাকায় আছি। সাংবাদিকদের তিনি আরও বলেন, আমি মাছুরাকে তো পরিত্যাগ করিনি। তিনি বলেন, আমি বিশটা বিয়ে করেছি। আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখুন। তার বিরুদ্ধে আরও চার নারীর সর্বনাশ করা এবং ইয়াবা ব্যবসাসহ নানা বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি মুখ খোলেন নি। পরে তিনি তার ফোন বন্ধ করে দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

দেবহাটা প্রতিনিধি দেবহাটায় স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ(স্বাশিপ)এর পক্ষ থেকে শিক্ষাব্যবস্থাকে জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারক লিপি প্রদান করেছে নের্তৃবৃন্দরা। রবিবার বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত উপজেলা চত্বরে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ(স্বাশিপ)এর আয়োজনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন ও নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধান মন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করা হয়। মানববন্ধনে উপজেলা স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ(স্বাশিপ) এর সভাপতি আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা (স্বাশিপ) এর সাংগঠনিক সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক আকবর আলী। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন দেবহাটা কলেজের অধ্যাক্ষ একেএম আনিসউজ্জামান, হাজী কেয়ামউদ্দীন মেমোরিয়াল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম, জেলা (স্বাশিপ) এর সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ আল-মামুন, দেবহাটা উপজেলা(স্বাশিপ) এর সহ-সভাপতি মোহাম্মাদালী, পরিমল কৃষ্ণসাহা, প্রশান্ত তরফদার, সাধারণ সম্পাদক শেখ তহিরুজ্জামান, সহ-সম্পাদক আলমগীর কবির, আলহাজ্ব শেখ মোয়াজ্জিন হোসেন, শিক্ষক হাফিজুল ইসলাম, দ্বিনবন্ধু, মুজিবুদ্দৌলা, সুপ্রসাদ দাস, সূর্যকান্ত রায়, শহীদুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যয়ের নের্তৃবৃন্দরা। পরে নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারক লিপিতে ২০২১ সালে বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ ঘোষণা আগেই ৯৮% বেসরকারি শিক্ষকদের জাতীয়করণ করে সরকারের উন্নয়নের সহকর্মী হিসাবে কাজ করতে চাই স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ(স্বাশিপ)। একই সাথে ২০৪১ সালের জ্ঞান বিজ্ঞানের সমৃদ্ধ তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক উন্নত বাংলাদেশের গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ণ করতে এবং সোনার বাংলা বিনির্মানে কাজ করতে শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধি ও শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করতে দাবি জানানো হয়। বক্তরা বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল। শুধু স্বাধীনতা সংগ্রাম নয় জাতীকে শিক্ষিত করতে শিক্ষকরা কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে। আর এই শিক্ষকদের মধ্যে ৯৮% শিক্ষকদের জাতীয়করণ না হওয়ায় শিক্ষা ব্যবস্থা অনেকটা সমস্যার সৃষ্টি দেখা দিচ্ছে। এই সমস্যা সমাধান করে শিক্ষকদের মান বৃদ্ধি করতে দেশের প্রতিটা উপজেলা ও জেলা পর্যয়ে একযোগে এই মানববন্ধন ও স্মারক রিপি কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। দাবি না মানা হলে আগামী ৩ মার্চ জাতীয় পর্যয়ে প্রতিনিধি সভার মাধ্যমে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

 

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সদর উপজেলা যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ জেলা শাখার আহবায়ক মো. আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও কটুক্তি করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকালে সদর উপজেলা যুবলীগের আয়োজনে সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সমাবেশে মিলিত হয়।
সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- পৌর যুবলীগের সভাপতি মনোয়ার হোসেন অনু, সাধারণ সম্পাদক তুহিনুর রহমান তুহিন, সদর উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি প্যানেল চেয়ারম্যান মো. গোলাম কিবরিয়া বাবু, জাহিদ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, পৌর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ইউছুফ সুলতান মিলন, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি এনজামামুল হক ইনজা ও শামসুর রহমান প্রমুখ। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘জেলা যুবলীগের আহবায়ক মো. আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে কোন রকম ষড়যন্ত্র সহ্য করা হবেনা। এধরনের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাবো। পরবর্তীতে আরো কঠোর আন্দোলনে যাব।’ সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মঈনুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাফিজ

আশাশুনি ব্যুরো: ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা পত্রিকার আশাশুনি ব্যুরো প্রধান মোস্তাফিজুর রহমান সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে। উপজেলা বিআরডিবি মিলনায়াতনে রবিবার সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ১৮ জন ভোটারের মধ্যে ১৭জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচনে সভাপতি পদে মোস্তাফিজুর রহমান ১৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। অপর প্রার্থী সোহরাব হোসেন পেয়েছেন ২ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে আকাশ হোসেন ১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। অপর প্রার্থী শেখ বাদশা পেয়েছেন ৪ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে এম এম নূর আলম ১৫ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। অপর প্রার্থী মইনুল ও আলমিন হোসেন ছট্টু ১ ভোট করে পেয়েছেন। অর্থ-সম্পাদক পদে মইনুল ইসলাম ১৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। অপর প্রার্থীর মধ্যে সোহরাব হোসেন ১ ভোট, বাহবুল হাসনাইন ১ভোট এবং এম এম নূর আলম ১ভোট পেয়েছেন। নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন আশাশুনি সরকারী কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক তৃপ্তি রঞ্জন সাহা। সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন আশাশুনি পাইলট হাইস্কুলের অবঃ শিক্ষক প্রবিন সাংবাদিক একেএম ইমদাদুল হক ও সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হান্নান। নির্বাচন চলাকালে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিদর্শন করেন আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিদুল ইসলাম শাহীন, ওসি তদন্ত মোঃ আক্তারুজ্জামান, দৈনিক নওয়াপাড়ার জেলা প্রতিনিধি মোঃ হাফিজুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ বাচ্চু, আশাশুনি প্রেসক্লাবসহ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় জেলা পরিষদ’র উদ্যোগে এতিমদের মাঝে কম্বল বিতরণ

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ’র উদ্যোগে তালার ২টি এতিমখানার এতিমদের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরন করা হয়েছে। জেলা পরিষদ সদস্য সাংবাদিক মীর জাকির হোসেন এর তত্বাবধানে শনিবার সকালে তালা কাছেমুল উলুম মাদ্রাসা ও তালা আল ফারুক শিশু সদন এতিমখানা’র এতিমদের মাঝে উক্ত কম্বল বিতরন করা হয়। কম্বল বিতরনকালে জেলা পরিষদ সদস্য সাংবাদিক মীর জাকির হোসেন, তালা উপজেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জাপা নেতা শেখ মহাসিন উল্লাহ, মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা আবু সাইদ, মুয়াজ্জিন আব্দুল আজিজ, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের সাধারন সম্পাদক মোড়ল রফিকুল ইসলাম, ইউপি সদস্য মীর কল্লোল, মো. মোকবুল হোসেন, সাংবাদিক কে.এম. শাহিনুর রহমান, সৈয়দ ইলিয়াস ও মীর বিকুল সহ ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অনিক’র দাফন সম্পন্ন; সাতক্ষীরায় শোকের ছায়া

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার-১ আসনের (তালা-কলারোয়া) সংসদ সদস্য এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহর ছেলে অনীক আজিজের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি সিলিং ফ্যানে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
রাজধানী ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউয়ে সংসদ সদস্যদের হোস্টেল ৫ নম্বর ন্যাম ভবনের ৬০৪ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে রোববার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় । তার বয়স হয়েছিল ২৬ বছর।
তার অকাল মৃত্যুর খবরে সাতক্ষীরার সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাকে শেষবারের মতো দেখতে তার বাড়িতে ভিড় করেন শত শত শুভাকাংখী।
এদিকে ঢাকায় ময়না তদন্ত শেষে অনীকের মরদেহ বিকাল সাড়ে চারটায় হেলিকপ্টারে নিয়ে আসা হয় সাতক্ষীরায়। বাদ মাগরিব সাতক্ষীরা সরকারি স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয় তার নামাজে জানাযা। জানাযায় অংশ নেন তার বাবা এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি, জেলা প্রশাসক আবুল কাসেম মো. মহিউদ্দিন, পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ছাড়াও অগণিত শুভাকাংখী। রাতে তাকে রসুলপুরে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।
এর আগে তার দেহ তাদের পলাশপোলের বাড়িতে পৌঁছালে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা ঘটে। সেখানে হাজার হাজার নারী পুরুষের সমাগম ঘটে। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তার মা সাতক্ষীরা এ করিম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসরিন খান লিপিসহ পরিবারের সদস্যগণ। তার বাবা সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় পলিট ব্যুরোর সদস্য ও সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সভাপতি। মা নাসরিন খান লিপি শিক্ষক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সাতক্ষীরা জেলা নারীমুক্তি সংসদের সভানেত্রী।
আত্মহননকারী অনীক আজিজ ২০০৮ সালে সাতক্ষীরা পল্লীমঙ্গল স্কুল এন্ড কলেজের ভোকেশনাল বিভাগ থেকে ইলেকট্রিক্যাল ট্রেডে এসএসসি পাশ করেন। পরে তিনি খুলনা সিটি পলিটেকনিক থেকে কমপিউটার বিষয়ে ডিপ্লোমা শেষ করেন। অনীক আজিজ ‘পাঠশালা একাডেমি’-তে টেলিভিশন জার্নালিজম ও ফিল্ম বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। একই সাথে তিনি ওঊখঞঝ করার জন্য প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছিলেন। গীটার বাদক ও সংস্কৃতিমনা হাসি খুশী সুদর্শন যুবক অনীক আজিজ বেশির ভাগ সময় ঢাকায় তার সংসদ সদস্য বাবার এমপি হোস্টেলের বাসায় থাকতেন। এক সপ্তাহ আগেও তিনি সাতক্ষীরায় এসেছিলেন বাড়িতে। তার একমাত্র বোন অদিতি আদৃতা সৃষ্টি ঢাকায় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে লেখাপড়া অধ্যয়নরত। অনীক ছিলেন সাতক্ষীরা গণজাগরণ মঞ্চের একজন নিবেদিত কর্মী। অনীক ঠিক কি কারণে আত্মহননের পথ বেছে নিলেন তা জানা যায় নি।

জেলা আওয়ামীলীগের শোক প্রকাশ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: তালা-কলারোয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এর পুত্র অনিক আজিজের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা: আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি, মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি, সাবেক এমপি একে ফজলুল হক, আবুল খায়ের, সাবেক এমপি ডা: মোখলেছুর রহমান, এড. এস এম হায়দার, জেলা সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র, শেখ সাহিদ উদ্দিন, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. ওসমান গণি, কৃষি সম্পাদক সরদার মুজিব, তথ্যগবেষনা সম্পাদক সৈয়দ হায়দার আলী তোতা, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক এড. আজহারুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, প্রচার সম্পাদক শেখ নুরুল হক, বন ও পরিবেশ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক এড. গোলাম মোস্তফা, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক এনামুল হক বিশ্বাস, শিক্ষা সম্পাদক শফিউল আযম লেলিন, যুব ক্রীড়া সম্পাদক শেখ আব্দুল কাদের, শিল্প বাণিজ্য সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুল গণি, সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ, আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু, অধ্যক্ষ জাফরুল আলম বাবু, উপ- দপ্তর সম্পাদক জে এম ফাত্তাহ, উপ-প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক প্রণব ঘোষ বাবলু, কোষাধ্যক্ষ আসাদুল হক, সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমান প্রমুখ। অনুরূপ শোক জানিয়েছেন, শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি স ম জগলুল হায়দার এমপি, সাধারণ সম্পাদক আতাউল হক দোলন, কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব শেখ অহেদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মেহেদী, আশাশুনি উপজেলার সভাপতি এ বিএম মোস্তাকিম, সাধারণ সম্পাদক এড. শহীদুল ইসলাম পিন্টু, দেবহাটা উপজেলার সভাপতি মুজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, কলারোয়া উপজেলার সভাপতি ফিরোজ আহমেদ স্বপন, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু, তালা উপজেলার সভাপতি শেখ নূরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ঘোষ সনৎ কুমার, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু সায়ীদ, সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেন, সদস্য এড. শাহানাজ পারভীন মিলি, মমতাজুন নাহার ঝর্না, কোহিনুর ইসলাম, মীর মোশাররফ হোসেন মন্টু, ডা. মিজানুর রহমান, ডা.মুনসুর আলী প্রমুখ।
অনুরুপ বিবৃতি দিয়েছেন জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বেগম রিফাত আমিন এমপি ও সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর জ্যোৎস্না আরা, পৌর মহিলালীগের সভাপতি বেগম নাদিরা আলী ও সাধারণ সম্পাদক রেবেকা পারভীন রিক্তা প্রমুখ।

এমপি রবি’র শোক
নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা তালা-কলারোয়া-০১ আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ’র একমাত্র পুত্র অনিক আজিজ স্বাক্ষর এর অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
তার মৃত্যুতে এমপি রবি বলেন, অনিক আজিজ স্বাক্ষর একজন পরীক্ষিত, ছাত্রমৈত্রী ও গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম নেতা ছিলেন ছিলেন। সবার প্রিয় এই মানুষটি সারাটা জীবন সাতক্ষীরার বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন। মিছিল, মিটিং, প্রতিবাদ সমাবেশ করতে কখনই পিছপা হননি। ছাত্রমৈত্রী একজন দক্ষ কর্মীকে হারাল। রাজনৈতিক অঙ্গণে তার এ ক্ষতি কখনও পূরণ হওয়ার নয়।

জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির শোক
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরোর অন্যতম সদস্য এবং সাতক্ষীরা জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সংগ্রামী সভাপতি ও তালা-কলারোয়া আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ ও নারী মুক্তি সংসদের সভানেত্রী নাসরিন খান লিপির পুত্র অনিক আজিজ (২৬) রবিবারল মৃত্যুবরণ করেন। তার এই অকাল মৃত্যুতে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাতক্ষীরা জেলা কমিটি গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মহিবুল্লাহ মোড়ল, সম্পাদক ম-লীর সদস্য অধ্যাপক সাবির হোসেন, এড. ফাহিমুল হক কিসলু, ময়নুল হাসান, জেলা কমিটির সদস্য স্বপন কুমার শীল, আব্দুর রউফ, সরদার রফিকুল ইসলাম, আব্দুল জলিল, পাল সুভাশিষ, নির্মল সরকার। অনুরূপভাবে শোক প্রকাশ ও সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি প্রণয় সরকার, যুবমৈত্রীর সভাপতি অধ্যক্ষ শিবপদ গাইন, সাধারণ সম্পাদক মফিজুল হক জাহাঙ্গীর, শ্রমিক ফেডারেশনের রবিউল ইসলাম ও মকবুল হোসেন। ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের সভাপতি অজিত ম-ল ও কালিপদ ম-লসহ জেলা জাতীয় কৃষক সমিতির নেতৃবৃন্দ।

পৌর আওয়ামীলীগের শোক
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সাংসদ পুত্র অনিক আজিজের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মাদ আবু সায়ীদ, সাধারণ সম্পাদক সাহাদাৎ হোসেনসহ পৌর আওয়ামীলীগের সকল নেতাকর্মী ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।

জেলা জাতীয় পার্টির শোক
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সাতক্ষীরা-১ তালা-কলারোয়া আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. মুস্তফালুৎফুল্লাহ্’র একমাত্র ছেলে অনিক আজিজ স্বাক্ষরের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি দিয়েছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা সাবেক মন্ত্রী সৈয়দ দিদার বখ্ত, সাতক্ষীরা জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আলহাজ্ব শেখ আজহার হোসেন, সিনিয়র সহ সভাপতি নুরুল ইসলাম, সহ সভাপতি সাংবাদিক নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান আশুসহ জেলা জাতীয় পার্টি সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠণের নেতৃবৃন্দ। সকলে তার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।

তালা রিপোর্টার্স ক্লাবের শোক
তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) সংসদ সদস্য অ্যাড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ’র একমাত্র পুত্র অনিক আজিজ’র অকাল ও অনাকাঙখিত মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং মরহুম’র বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে বিবৃতি প্রদান করেছে তালা রিপোটার্স ক্লাবের নেতৃবৃন্দ। রোববার রিপোটার্স ক্লাবের পক্ষে থেকে বিবৃতি প্রদানকারীরা হচ্ছেন, ক্লাবের সম্মানিত উপদেষ্টা উত্তরণ পরিচালক শহিদুল ইসলাম, তালা মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রহমান, এটিএন বাংলার বিশেষ প্রতিবেদক, সাংবাদিক সৈয়দ রিয়াজ (ঢাকা), সাংবাদিক আব্দুল আলীম (স্থানীয়), ক্লাবের সভাপতি মীর জাকির হোসেন, সহ সভাপতি পি.এম. গোলাম মোস্তফা, সাধারন সম্পাদক বি.এম. জুলফিকার রায়হান, যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অমল সেন, দপ্তর সম্পাদক এম.এ জাফর, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. ফারুক হোসেন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক শেখ সিদ্দিক, কার্যকরী সদস্য জয়দেব চক্রবর্ত্তী, প্রভাষক এস.আর, আওয়াল, মো. আপতাফ হোসেন, কে.এম শাহীনুর রহমান, সদস্য মোমরেজ আলম, শাহীনুর রহমান, আব্দুর রহমান ও সাংবাদিক দানিয়েল বি. সরকার প্রমুখ।

চারুকলা এসোসিয়েশনের শোক
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: তালা-কলারোয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এর পুত্র অনিক আজিজের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন সাতক্ষীরা চারুকলা এসোসিয়েশনের সভাপতি এম, এ জলিল, সহ-সভাপতি মোঃ আবু সাইদ, কামরুজ্জামান খোকন, মোঃ শরিফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাসানুজ্জামান, যুগ্ন-সম্পাদক মোঃ আমীর হামজা, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ কামরুল ইসলাম, সহ-সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ মোঃ আরিফুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মহিবুল্লাহ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শেখ নিজাম উদ্দীনসহ সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

শ্রমিক ফেডারেশনের শোক
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: তালা-কলারোয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এর পুত্র অনিক আজিজের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন জাতীয় শ্রমিক ফেডাকেè সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি এড. ফাহিমুল হক কিসলু, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রবিউল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মকবুল হোসেন, প্রচার সম্পাদক মোঃ শামীম হোসেন, অধ্যাপক আবুল খায়ের, আফাজ উদ্দীন, মিজানুর রহমান, হাকিম, মুন্না, লুকমান সহ সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

খলিষখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের শোক
পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-১(তালা-কলারোয়া)আসনের সংসদ সদস্য পুত্র অনিকের আজিজের অকাল মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন খলিষখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।
জানুয়ারী ২১ রবিবার সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ পুত্র অনিকের মৃত্যুতে খলিষখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত)অজেত ম-ল, সাধারণ সম্পদক সাংবাদিক সমীর দাশ, সহ-সভাপতি সুলিল দে, কামরুল ইসলাম, যুগ্ম-সম্পদক শরিফুল সরদারসহ কমিটির অনন্য নেতৃবৃন্দ সদস্যবৃন্দ ৯টা ওয়ার্ডের সভাপতি সম্পদক যথাক্রমে দুলাল দাশ, নীলকমল দাস, মোকাম গাজী, তোতা সরদার, এমদাদুল হক টুটুল, শফি মোল্ল্যা, সত্যেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, কার্ত্তিক ম-ল, ভৈরব সরকার, দীলিপ সরকার, খাঁয়ের খান, পরিতোষ ঘোষ, অনন্ত ম-ল, শফিকুল সরদার, গণেশ বর্মণ, সুলতান সরদার, শেখর কু-ু, কৃষকলীগের আহব্বাঢক বিধান দাশ, সদস্য সচিব সিদ্দিকুর রহমান,খলিলুর রহমান, বিপ্লব মুখার্জী (চাঁদু), বাবলা সরদার, আলম সরদার, ফজলু গাজী , আবুসাইয়দ গোলদার, উত্তম দে, ছাত্রলীগের সভাপতি দ্বীপ সরদার, নাজমুল হোসেন, রফিকুল ইসলাম।

টাইলস ও মোজাইক শ্রমিক ইউনিয়নের শোক
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: তালা-কলারোয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এর পুত্র অনিক আজিজের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন সাতক্ষীরা টাইর্লস ও মোজাইক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শামীম হোসেন বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজির উদ্দীন, কোষাধ্যক্ষ লোকমান গাজী, মিলন, সুজন, আব্দুল হাকিম, শেখ বাবু, ইশান, মুন্না, কালাম, অজিহার সহ সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরিবারকে রেঁধে খাওয়ালেন প্রধানমন্ত্রী

সুযোগ পেলেই জীবনের গল্প মেলে ধরেন। কখনও সমুদ্র সৈকতে পা ভিজিয়ে, আবার কখনও দুঃখী মানুষের কান্নায় বুক ভাসিয়ে। কমল শিশু মনে মন মিলিয়ে খুনসুটি খেলেন। আবার শিল্পীর সুরেও সুর মেলান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সরকার প্রধান তিনি। দলেরও প্রধান। শত ব্যস্ততা নিয়ে ঘুম থেকে ওঠা। আর অমন ব্যস্ততা সেরেই ঘুমাতে যাওয়া। তবুও সখের সিঁড়িতে পা রাখতে ভোলেন না। সুযোগ পেলে বিরাজ করেন জীবনের খেলাঘরে।

এমন সুযোগ এসেছিল গতকাল শনিবার ছুটির দিনে। সে সুযোগ হাত ছাড়া করেননি। এদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পছন্দের রান্না করে খাওয়ান পরিবারকে।

আজ রোববার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন তার ফেসবুকে দুটি ছবি পোস্ট করেন। ছবির ক্যাপশন তিনি লিখেছেন, ‘সাধারণে অসাধারণ আমাদের ঠিকানা…।’

সেখানে দেখা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনের রান্নাঘরে শেখ হাসিনা রান্না করছেন। ছবি দুটি তিনি ফেসবুকে পোস্ট করার পর দ্রুত তা ভাইরাল হয়ে যায়।

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সময় পেলেই পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান। নিজের হাতে পরিবারের সদস্যদের জন্য রান্না করতে পছন্দ করেন। গতকাল শনিবার ছিল সাপ্তাহিক ছুটির দিন। নানা কাজের মধ্যে কিছুটা সময় পেয়ে তিনি ঢুকে পড়েন রান্নাঘরে। পরিবারের সদস্যদের জন্য পছন্দের পদ রান্না করেন।

এর আগেও গণভবনে ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রীর রান্না করার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েটদের ২৫ জন প্রতিনিধি নির্বাচনে গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদের ২৪ জন ও জাতীয়তাবাদী পরিষদ থেকে একজন নির্বাচিত হয়েছেন।

রোববার বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাসরিন আহমেদ।

নাসরিন আহমেদ বলেন, সঠিকভাবে ভোট গণনা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত কারো অভিযোগ পাইনি। সিনেট নির্বাচনে ৪৬ হাজার ৯৯৭ জন ভোটার ছিল। তার মধ্যে ২২ হাজার ৬৪২ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদের বিজয় প্রার্থীরা হলেন :

জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক অসীম সরকার, সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা এ আর এম মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, এনার্জি প্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এইচ এম এনামুল হক চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি সভাপতি অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল, জনতা ব্যাংক লিমিটেডের ফার্স্ট সহকারী ব্যবস্থাপক এ বি এম বদরুদ্দোজা, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান, মুক্তিযোদ্ধা এম ফরিদউদ্দিন, ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক তাজিন আজিজ চৌধুরী, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিজাম চৌধুরী, ডাকসুর সাবেক ভিপি অধ্যাপক মাহফুজা খানম, সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ, অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল বারী, রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আতাউর রহমান খান, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আজিজ, মো. আলাউদ্দিন, মো. নাসির উদ্দিন, কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. লিয়াকত হোসেন মোড়ল, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি রঞ্জিত কুমার সাহা, নাট্য ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন সাদেকা হালিম এবং ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ হুমায়ুন আখতার।

জাতীয়তাবাদী পরিষদের একমাত্র বিজয়ী প্রার্থী অধ্যাপক ড. আ ফ ম ইউসুফ হায়দার।

ঢাকার কেন্দ্রগুলোতে ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। শনিবার সকাল ৯টা থেকে ক্যাম্পাসের তিনটি কেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশে এ ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩ এর ৪৬ (১৪) ধারা অনুযায়ী ভোটার আইডি কার্ড দেখিয়ে ভোটাররা ভোট প্রদান করেন। এবারের নির্বাচনে তিনটি প্যানেল থেকে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। প্যানেল তিনটি হলো- গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদ, জাতীয়তাবাদী পরিষদ এবং প্রগতি পরিষদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest