অ্যাটর্নি জেনারেলকে হত্যার হুমকি

রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমকে মেরে ফেলার হুমকিতে উড়োচিঠি পাঠিয়েছে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা।

বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে সুপ্রিম কোর্টের অ্যাটর্নি জেনারেলের নিজ কাযার্লয়ে এই চিঠি পাঠানো হয়।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম নিজে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘হত্যার হুমকি পেয়ে শাহবাগ থানায় জানানো হয়েছে।’ এর আগেও একাধিকবার এ ধরনের হুমকি পেয়েছিলেন বলে জানান তিনি।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘ডাকে চিঠিটি এসেছে। একটি বিশাল প্রতিবেদন (লেখা) পাঠিয়েছে। এই প্রতিবেদনটি প্রধানমন্ত্রীকে দেখাতে বলা হয়েছে। এরপর শেষের দিকে আমাকে বলা হয়েছে- জাহান্নামে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হও। তোমার সময় ঘনিয়ে এসেছে। আমি বিষয়টি শাহবাগ থানায় জানিয়েছি।’

শাহবাগ থানার ডিউটি অফিসার (এসআই) দেবরাজ চক্রবর্তী জানান, এখনো জিডি এন্ট্রি করা হয়নি। তবে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের লোকজন থানায় রয়েছেন। এ বিষয়ে শাহবাগ থানায় আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা জন্য ব্যক্তিগত সহকারী কবির হোসেনকে পাঠানো হয়েছে বলেও জানা গেছে।

উল্লেখ্য, অ্যাটর্নি জেনারেলকে এ নিয়ে চারবার হত্যার হুমকি দেয়া হলো। এর আগে ২০১৩ সালের ২২ অক্টোবর তাকে এবং মেয়ে শিশির কণাকে হুমকি দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিল অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। এরপর ২০১৫ সালের ৯ আগস্ট এবং ২০১৬ সালেল ৩০ মে তাকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়। তবে কোনোবারই পুলিশ হুমকিদাতাদের চিহ্নিত করতে পারেনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দীপিকাকে টপকে গেলেন প্রিয়াঙ্কা

প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে এশিয়ার ‘সবচেয়ে আবেদনময় নারী’-র আসন থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন তারই স্বদেশি ও সহকর্মী দীপিকা পাড়ুকোন। এটা গেল বছরের হিসেব। কিন্তু বছর ঘুরতে না ঘুরতেই সেই আসনে আবারও আসীন হলেন সাবেক বিশ্ব সুন্দরী প্রিয়াঙ্কা।

এশিয়ার ৫০ জন সেরা আবেদনময় নারীর তালিকা প্রকাশ করেছে লন্ডন-ভিত্তিক সাপ্তাহিক পত্রিকা ইস্টার্ন আই। সেই তালিকায় প্রথমেই রয়েছে প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার নাম। দ্বিতীয় হয়েছেন ভারতীয় টেলিভিশন তারকা নিয়া শর্মা। আর তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন গতবারের প্রথম দীপিকা পাড়ুকোন।

এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো সেরা আবেদনময়ী হয়ে রেকর্ড গড়লেন ‘বেওয়াচ’ খ্যাত প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। এমন বিজয়ের খবরে প্রিয়াঙ্কার প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, ‘আসলে বিজয়ের এ কৃতিত্ব আমি নিতে চাই না। এর সমস্ত কৃতিত্ব আমার শারীরিক গঠন এবং আপনাদের দৃষ্টিভঙ্গির। আমি কৃতজ্ঞ, সম্মানিত। কেননা, ধারাবাহিক সাফল্য থেকে প্রেরণা পাওয়া যায়।’

প্রিয়াঙ্কার বিজয় সম্পর্কে ইস্টার্ন আইয়ের সম্পাদক আসজাদ নাজির বলেন, ‘প্রিয়াংকা চোপড়া একজন ভারতীয় হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অবিশ্বাস্য রকমের সফলতা দেখাচ্ছেন। তিনি বিভিন্ন সামাজিক কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়ে তাকে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা যায়।’

ইউনিসেফের এই শুভেচ্ছাদূতকে সৌন্দর্য, বুদ্ধি, সাহসিকতা এবং কোমল হৃদয়ের প্রকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে নাজির বলেন, ‘তরুণ প্রজন্মের আকাশছোঁয়া স্বপ্ন রয়েছে আর প্রিয়াংকা চোপড়া সেই তরুণদের প্রতীক।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে রোকেয়া দিবস পালিত

কালিগঞ্জ ডেস্ক : কালিগঞ্জে বেগম রোকেয়া দিবস ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে ৭ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৯ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালি শেষে উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে শ্রেষ্ঠ জয়িতাদের সন্মাননা প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারমিন আক্তারের সভাপতিত্বে ও উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু’র সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান। সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, উপজেলা খাদ্য উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহফুজ আলম প্রমুখ। ২০১৭ সালের শ্রেষ্ঠ জয়িতারা হলেন অর্থনৈতিক ভাবে সাফল্য অর্জন কারী নারী জয়িতা মথুরেশপুর ইউনিয়নের নিজদেবপুর গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী আছমা খাতুন।শিক্ষা ও চাকুরির ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন কারী নারী কুশুলিয়া ইউনিয়নের বাজারগ্রামের নিত্যানন্দ সরকারের স্ত্রী কণিকা সরকার।সফল জননী নারী হলেন মৌতলা ইউনিয়নের পূর্ব মৌতলা গ্রামের শেখ কহিনুরের স্ত্রী রৌউফা বেগম। নির্যাতনের বিভাষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্দ্যেমে জীবন আরম্ভ করলেন যে নারী মথুরেশপুর ইউনিয়নের দুদলী গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী জেবুন্নেছা খাতুন। সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছে যে নারী ধলবাড়ি ইউনিয়নের দাড়িয়ালা গ্রামের শুভাষ চন্দ্র মন্ডলের স্ত্রী শিখা রানী মন্ডল। এসময় পাঁচজন শ্রেষ্ট জয়িতার মাঝে সন্মাননা সনদ ও ক্রেষ্ট প্রদান করেন আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

 

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নাকে খত দিয়ে নির্বাচনে আসবে বিএনপি-সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

বিএনপিকে নির্বাচনে আনতে খালেদা জিয়ার সঙ্গে কোনো ধরনের সংলাপের সম্ভাবনা খারিজ করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘কোন পার্টি ইলেকশনে অংশ নেবে, আর কোন পার্টি নেবে না, সেটা তাদের সিদ্ধান্ত। এত সাধাসাধির কি বিষয় হলো আমি তো বুঝলাম না।
তবে গতবার তারা (বিএনপি) যে ভুল করেছিল এবার হয়তো তা করবে না। এবার নাকে খত দিয়ে নির্বাচনে আসবে, সেটাই মনে হচ্ছে। ’ আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনাও নাকচ করে দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, ‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যেকোনো সময় নির্বাচন হতে পারে। তবে আমরা এমন কোনো দৈন্যদশায় পড়িনি যে এখনই নির্বাচন দিতে হবে। ’

প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক কম্বোডিয়া সফর সম্পর্কে তথ্য জানাতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে গণভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে প্রশ্নোত্তর পর্বে ওই মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রশ্নোত্তর পর্বের আগে কম্বোডিয়া সফর সম্পর্কে জানাতে একটি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।
এ সময় কম্বোডিয়া সফরের বাইরেও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা বিষয়ে প্রশ্ন উঠে আসে। আগাম নির্বাচন, জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, বিএনপিকে নির্বাচনে নিয়ে আসতে সরকারের তরফে উদ্যোগের সম্ভাবনা, রোহিঙ্গা সমস্যা, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রক্রিয়া, জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে ট্রাম্পের স্বীকৃতিসহ নানা বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী।

জেরুজালেম প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প যে ঘোষণা দিয়েছেন, আমার কাছে মনে হয় এটা ইসলামিক ওয়ার্ল্ডে কারো কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ এখানে জাতিসংঘের রেজল্যুশন রয়েছে। রেজল্যুশন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। আমরা মনে করি, ফিলিস্তিনের একটা অধিকার রয়েছে। তাদের একটা নিজস্ব রাষ্ট্রের স্বীকৃতি অবশ্যই দিতে হবে। ’

বিএনপিকে নিয়ে অংশগ্রহণমূলক জাতীয় সংসদ নির্বাচনের লক্ষ্যে সরকার কোনো উদ্যোগ নেবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘এখানে মাল্টিপার্টি সিস্টেম। কোন পার্টি ইলেকশনে অংশ নেবে আর কোন পার্টি নেবে না, সেটা তাদের সিদ্ধান্ত। তারা যদি নির্বাচনে আসতে চায় তো আসবে। যদি না করতে চায় তবে সেটা তাদের সিদ্ধান্ত। এখানে তো আমাদের কিছু বলার দরকার নাই। ’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচনে আসা প্রত্যেকটা দলেরই কর্তব্য। যে দল গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, যারা নিজেদের দলেও গণতন্ত্রের চর্চা করে না, তারা নির্বাচন করবে কি করবে না, এটা তাদের দলের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। এখানে আমাদের করণীয় কিছু নেই। ’

সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বরণ ডালা পাঠাতে হবে? একবার তাঁর (খালেদা জিয়া) সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে আমন্ত্রণ জানিয়ে ঝারি খেয়েছি, অপমানিত হয়েছি; আর ঝারি খাওয়ার-অপমানিত হওয়ার ইচ্ছে নেই। যাদের মধ্যে ভদ্রতা জ্ঞান নেই, তাদের সঙ্গে আলোচনার ইচ্ছে নেই। বিএনপিকে নির্বাচনে আনা নিয়ে যদি আপনাদের এতই আগ্রহ থাকে তাহলে তেলের টিন, ঘিয়ের টিন নিয়ে সেখানে যান। আমি অপাত্রে ঘি ঢালি না। তবে গতবার তারা (বিএনপি) যে ভুল করেছিল এবার হয়তো তা করবে না। এবার নাকে খত দিয়ে নির্বাচনে আসবে, সেটাই মনে হচ্ছে। ’

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এতিমের টাকা মেরে খাওয়া, মানি লন্ডারিং, সৌদিতে আরো সম্পদ পাওয়া এসবের বিচার হবে। তবে বিচারের হাত থেকে বাঁচার জন্য যদি জ্বালাও-পোড়াও, ভাঙচুর শুরু করে, এবার কিন্তু জনগণ ছাড়বে না। জনগণ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। জনগণকে পুড়িয়ে মারা কেউই বরদাস্ত করবে না। ’

আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যেকোনো সময়ে কিন্তু নির্বাচন হতে পারে। তবে আমরা এমন কোনো দৈন্যদশায় পড়িনি যে এখনই আগাম নির্বাচন দিতে হবে। আমরা উন্নয়নের কাজগুলো দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। আমরা চাই এগুলো দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে। কারণ আমরা না থাকলে উন্নয়নের কাজগুলোর যে কী দশা হয় তা আমরা অতীতে দেখেছি। ’

ক্ষমা করে দিয়েছেন, না ক্ষমা চাচ্ছেন : সম্প্রতি আদালতে একটি মামলার শুনানি চলাকালে খালেদা জিয়া তাঁর বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ক্ষমা করে দিয়েছেন? উনি কিসের ক্ষমা করে দিয়েছেন? ২১ আগস্ট আমাকে যে হত্যার চেষ্টা করেছিল, গ্রেনেড মেরেছিল, বেঁচে গিয়েছি, সেই কথা বলছেন? ক্ষমা করে দিয়েছেন না ক্ষমা চাচ্ছেন সেটা স্পষ্ট না। আমি কোনো অপরাধ করেছি নাকি যে আমাকে ক্ষমা চাইতে হবে? বরং তার উচিত দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া। তাদের সময়ে দুজন নির্বাচিত সংসদ সদস্য শাহ এম এস কিবরিয়া ও আহসানউল্লাহ মাস্টারকে হত্যা করা হলো, কিন্তু সংসদে আমাদের আলোচনা পর্যন্ত করতে দিল না। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার পর এতগুলো মানুষ হত্যা করা হলো, কিন্তু সংসদে আমাদের একটা কথা বলতে দেয়নি। ’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তাঁর (খালেদা) বিরুদ্ধে যে মামলা তার একটাও কিন্তু আমাদের সরকার দেয়নি। বরং তাঁদের আমলে আমার বিরুদ্ধে প্রায় এক ডজনের মতো মামলা দেওয়া হয়েছিল। ’

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সব মামলা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দেওয়া জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার কারা? সবাই ওনার (খালেদা) লোক। ৯ জন ডিঙ্গিয়ে মঈন উকে সেনাপ্রধান করেছিল, বিশ্বব্যাংকে চাকরি করছিল ফখরুদ্দীন সাহেব, তাঁকে সেখান থেকে এনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর করা হয়। আর ইয়াজউদ্দিন তো উনারই ইয়েসউদ্দিন। সব ওই আমলের মামলা। ’

সম্পত্তি পাচারের বিচার হবে : সৌদি আরবে সম্পত্তি পাচারের দায়ে দেশের প্রচলিত আইনে খালেদা জিয়ার বিচার হবে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘জনগণের টাকা যারা এভাবে বাইরে নিয়ে গিয়ে বিলাসব্যাসনে ব্যয় করছে, আমার দেশের মানুষকে বঞ্চিত করছে, দেশের মানুষ তাদের বিচার করবে। ’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশের আইন অনুযায়ী নিশ্চয়ই তাঁর (খালেদা) বিচার হবে। কারণ এটা হওয়া উচিতও। দেশের মানুষকে কষ্ট দিয়ে বাইরে সম্পত্তি বানানোর কী অধিকার আছে, সেটা আমারও প্রশ্ন। এই ব্যাপারে আমি মনে করি, আপনাদেরও আরো সোচ্চার হওয়া উচিত, জনমত সৃষ্টি করা উচিত। অবশ্যই এর বিচার হবে, এতে কোনো সন্দেহ নাই। ’

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে লন্ডন থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ চলমান রয়েছে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আজ হোক কাল হোক একদিন না একদিন তাকে আসতেই হবে এবং কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। ’

মধ্যপ্রাচ্যে খালেদা জিয়ার সম্পত্তির খবর বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলোতে তেমন জায়গা না পাওয়ায় সংবাদকর্মীদের কড়া সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘সৌদিতে বিশাল শপিং মল, সম্পদ পাওয়া গেছে—এটা তো আমরা কিছু করিনি। বিদেশ থেকেই সংবাদটাই এসেছে। বরং বাংলাদেশে সাংবাদিকদের নিউজটা করার ব্যাপারে আগ্রহ দেখলাম না, রহস্যটা কী? আপনারা কি বিনা পয়সায় শপিং করার কোনো কার্ড পেয়েছেন? এ ধরনের নিউজ আমার ব্যাপারে হলে আপনারা তো হুমড়ি খেয়ে পড়তেন। আমাদের অপরাধ কী? আমরা মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি বলে! আর খালেদা জিয়া সব কিছুতে মাফ পায় কেন? যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানিয়েছে, জাতির জনকের খুনিদের মদদ দিয়েছে, সে জন্য কি তাদের সাতখুন মাফ? আমি কোনো পত্রিকাতে এটা নিয়ে কোনো উচ্চবাচ্য করতে দেখলাম না। ’

এমপিরা রেড জোনে কেউ নাই : আগামী নির্বাচন সামনে রেখে দলের পক্ষ থেকে যেসব জরিপ চালানো হচ্ছে সেখানে বর্তমান সংসদ সদস্যদের মধ্যে হারের শঙ্কা আছে কতজনের—এমন প্রশ্নের উত্তরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘অন্তত রেড জোনে কেউ নাই। আমাদের এমপিরা কে কেমন কাজ করছে, কার পজিশন কেমন, কার গ্রহণযোগ্যতা কেমন, সেটা তো আমাকে দেখতে হবে। তবে সেটা এখানে বলার মতো নয়। আমি যদি কারো কোনো দুর্বলতা দেখি নিশ্চয়ই সঙ্গে সঙ্গে তাকে সতর্ক করি। এই যে আমরা সার্বিকভাবে উন্নয়নটা করে যাচ্ছি এটা কিন্তু সুষম উন্নয়ন। সকলেই এর সুফলটা ভোগ করছে। এখন মানুষ যদি দেশের উন্নয়নটা চায় নিশ্চয়ই আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে তারা বেছে নেবে। বরং আমরা আরো নতুন নতুন সিট পাব এটা আশা করি। এখনো তো আরো এক বছর। এক বছর পরে হয়তো নির্বাচন। এর তিন মাস আগে প্রক্রিয়া শুরু। কাজেই যেখানে যেখানে পরিবর্তন দরকার মনে করব, সেখানে পরিবর্তন হবে। এটা তো স্বাভাবিক ব্যাপার। ’

শত ফুল ফুটতে দাও : আগামী নির্বাচনে বিভিন্ন আসনে আওয়ামী লীগের অসংখ্য মনোনয়নপ্রত্যাশীর বিষয়ে জানতে চাইলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘শত ফুল ফুটতে দাও। অনেক প্রার্থী হোক ভালো কথা, কারণ এটা তো সবার রাজনৈতিক অধিকার। কেন সবাই প্রার্থী হতে পারবে না? হোক না! যেসব ফুল ফুটবে সেগুলোর মধ্যে কোনটা সবচেয়ে ভালো, সুন্দর, সেটা বেছে নেব। ’

আগামী দিনে যেমন সরকার দেখতে চান প্রধানমন্ত্রী : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর যে সরকার ক্ষমতায় আসবে তাদের সময়েই বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদ্‌যাপন হবে। সে সময়ে কেমন বাংলাদেশ, কেমন সরকার দেখতে চান—জানতে চাইলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘নিশ্চয় আমি চাইব এ দেশে যারা স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি, যারা ধারক-বাহক, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় যারা দেশকে গড়ে তুলতে চায়, তারাই ক্ষমতায় আসুক, তারাই সংসদে থাকুক। এ দেশে যেন কোনো যুদ্ধাপরাধী, কোনো খুনি, তাদের যেন স্থান না হয়। হলে দেশ আবার ধ্বংসের দিকে চলে যাবে। ’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাইব যে উন্নয়নের গতিধারা সৃষ্টি হয়েছে সেটা অব্যাহত থাকুক। খুব স্বাভাবিকভাবে যারা এই উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত রাখতে পারবে, যারা দেশকে উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, দেশকে পেছনের দিকে টানবে না, সত্যিকারে জনগণের কল্যাণ চায়, তারাই নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করুক, ক্ষমতায় আসুক। সংসদে যেন নোংরা কথা, খিস্তিখেউড় না শুনতে হয়। একটা ভদ্র পরিবেশ, একটা গণতান্ত্রিক পরিবেশ আমরা চাই। ’

জেরুজালেমকে রাজধানীর স্বীকৃতি গ্রহণযোগ্য নয় : জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে স্বীকৃতি দিয়েছেন, সে প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমেরিকার রাষ্ট্রপতি সুয়োমোটো যে ঘোষণা দিয়েছেন, আমার কাছে মনে হয় এটা ইসলামিক ওয়ার্ল্ডে কারো কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। জাতিসংঘের রেজুলেশনকে এভাবে অগ্রাহ্য করা কেউ বোধ হয় মেনে নেবে না। ’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা মনে করি, ফিলিস্তিনের একটা অধিকার রয়েছে। তাদের একটা নিজস্ব রাষ্ট্রের স্বীকৃতি অবশ্যই দিতে হবে। ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের (আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ) পরে তাদের যে ভূখণ্ডটা এবং যে সীমানাটা তাদের ছিল, যেটা তাদের রাজধানী হওয়ার কথা, সেটাই থাকা উচিত। ’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এখানে এভাবে একতরফাভাবে করা মানে অশান্তি সৃষ্টি করা। যে শান্তিপ্রক্রিয়া আমেরিকাই শুরু করেছিল, যার জন্য নোবেল প্রাইজও দেওয়া হলো; এখন এই ঘোষণায় তা অশান্তির পথে ঠেলে দেওয়াটা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ’ ফিলিস্তিনের জনগণ যাতে তাদের ন্যায্য অধিকার পায়, সে ব্যাপারে মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ : খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে কেন্দ্রীয় সংসদের নির্দেশ মোতাবেক কালিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন কলেজে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলার নলতা কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে মিছিল বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ শাওন আহমেদ সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ হোসেন, ছাত্রনেতা তারিকুল ইসলাম তারিক, নলতা কলেজ ছাত্রলীগের নেতা মামুন হোসেন, আজিজুর রহমান নয়ন, রূপমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এছাড়া তারালী কাজী আলাউদ্দিন কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত। মিছিল শেষে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন তারালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সরদার আশরাফুল ইসলাম। এছাড়া উপজেলার কালিগঞ্জ কলেজ, রাজবাড়ী কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ ছাত্রলীগের আয়োজনে ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সংগঠনকে আরো গতিশীল করতে আব্দুল্যাহ আল মামুনকে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি রাশেদুজ্জামান রাশি ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সখিপুর আহ্ছানিয়া মিশন ভবনের ২য় তলা উদ্বোধন

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটার সখিপুর আহ্ছানীয়া শাখা মিশনের ২য় তলা ভবন উদ্বোধন হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় সখিপুর মোড়স্থ শাখা আহ্ছানীয়া মিশনের আয়োজনে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সখিপুর আহ্ছানীয়া শাখা মিশনের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সালামতুল্যাহ গাজীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন নলতা পাক রওজা শরিফের খাদেম আলহাজ্ব মৌলভী আনছার উদ্দীন আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় আহ্ছানীয়া মিশনের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আলহাজ্ব সাঈদুর রহমান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক যুগ্ন-সচিব খলিলউল্যাহ্। অন্যান্যদের মধ্যে কেন্দ্রীয় মিশনের কর্মকর্তা ডাঃ আকবর হোসেন, আলহাজ্ব আবুল ফজল, খায়রুল হাসান, মহাসিন হালদার, শিক্ষক আলহাজ্ব মুজিবর রহমান, নলতা শরিফ শাহী জামে মসজিদের খতিব আলহাজ্ব মাওলানা আবু সাঈদ রংপুরী ও পেশ ইমাম আলহাজ্ব হাফেজ শামছুল হুদা, কেন্দ্রীয় মিশনের আজীবন সদস্য ও নলতা শরীফ প্রেসক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মহসিন, সখিপুর আহ্ছানীয়া মিশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোখলেছুর রহমান মোখলেছ, সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আনছার আলী, সহ-সভাপতি নুর মোহাম্মাদ, কার্যনির্বাহী সদস্য ও আইডিয়ালের পরিচালক ডাঃ নজরুল ইসলাম, সরদার আমজাদ হোসেন, মহিলা কলেজের অধ্যাক্ষ আবুল কালাম, কেবিএ কলেজের উপাধ্যক্ষ আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ, মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ আব্দুর রহমান, দেবহাটা কলেজের অধ্যাপক হাফিজুর রহমান, আবুল হোসেন বকুল, আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ, সাবেক মেম্বার এবাদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, কামরুল ইসলাম, রিয়াজুল মোল্যা, আব্দুল গফুর, সখিপুর মিশনের জমিদাতা সিরাজুজ্জামান ও রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন মিশনের কর্মকর্তা, সদস্য ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। শুরুতে ফিতাকেটে ভবনের উদ্বোধন করেন নলতা পাক রওজা শরিফের খাদেম আলহাজ্ব মৌলভী আনছার উদ্দীন আহমেদ। উদ্বোধন শেষে মিলাদ শরীফ পরিচালনা করেন নলতা শরিফ শাহী জামে মসজিদের পেশ ইমাম আলহাজ্ব হাফেজ শামছুল হুদা এবং দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন খতিব আলহাজ্ব মাওলানা আবু সাঈদ রংপুরী। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন সখিপুর শাখা মিশনের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আবু তালেব। এদিকে, রাতে সখিপুর শাখা মিশনের পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নাবী(সঃ) উদ্যাপন উপলক্ষে ওয়াজ মাফিলের আয়োজন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা প্রতিনিধি : বিদেশে জিয়া পরিরাবের সদস্যরা অর্থ পাচার করে কালো টাকার সম্পত্তি গড়ে তোলার প্রতিবাদে মিছিল ও সমাবেশ করেছে ছাত্রলীগ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দেবহাটার ঈদগাহ বাজার হতে বিশাল র‌্যালী বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহীদ মিনার চত্বরে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সাবুর আলী খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক জিল্লুর রহমান জীবন, দপ্তর হোসেন, দপ্তর সম্পাদক এনামুল ইসলাম সবুজ, কেবিএ কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাগর হোসেন, কুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আফজাল হোসেন, সখিপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি তৌহিদ হাসান, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম দেবহাটা কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আহছানউল্লা কল্লোল, সহ-সম্পাদক নুর মোহাম্মাদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য কবির হোসেন, ফরহাদ হোসেন, হাইস্কুল বিষয়ক সম্পাদক সোহাগ হোসেন, সুজন, পলাশ, হাবিব, ইব্রাহিম, ফয়সাল, আকরাম প্রমূখ। এসময় বক্তরা বলেন, জিয়া পরিবারের সদস্যরা বাংলাদেশের টাকা মধ্যপ্রাচ্যের ৪টি দেশে পাচার করেছে। খালেদা জিয়া, তারেক জিয়া বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচার করে বিভিন্ন ব্যংকে টাকা জমা রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন অ্যাপার্টমেন্ট, বিপণিবিতান, সুপারমার্কেট এবং বানিজ্যিক প্লটে বিনিয়োগ করেছে। যা এদেশ থেকে অর্থ চুরি করে বিদেশে টাকার পাহাড় গড়ে তুলেছে। তাই অতিদ্রুত বাংলাদেশের টাকা ফেরত এনে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে সরকারের কাছে দাবি জানানো হয় সমাবেশে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest