সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা‌র গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে‌ পিআইবির দুই দিনের নির্বাচনকালীন প্রশিক্ষণসাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার

আজ দেবহাটা পাক হানাদারমুক্ত দিবস

কেএম রেজাউল করিম/আরাফাত হোসেন লিটন : আজ ৬ই ডিসেম্বর সাতক্ষীরার দেবহাটা হানাদারমুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে সম্পূর্র্ণরূপে পাক হানাদার মুক্ত হয় গোটা দেবহাটা। দীর্ঘ দিনের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে অবশেষে এই দিনেই দেবহাটা ছেড়ে পিছু হটে যায় পাক সেনারা।
বিশ্ব মানচিত্রে তখনও লালসবুজের পতাকা খচিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটেনি কিন্তু সাতক্ষীরার বীর জনতা, মুক্তিপাগল বীর মুক্তিযোদ্ধারা বর্বর পাক হানাদার বাহিনীর সদস্যদেরকে সাতক্ষীরার পবিত্র মাটি হতে বিতাড়িত করে বিজয় উল্লাসে মেতে ওঠে। সাতক্ষীরার বিভিন্ন মফস্বল এলাকাগুলো হতে একে একে পাক হানাদার বাহিনীর সদস্যরা বিতাড়িত হতে থাকে। মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বপূর্ণ লড়াইয়ের কারনে অত্যাচারী পাক বাহিনী শ্যামনগর, কালিগঞ্জ, আশাশুনী এবং দেবহাটা হতে বিতাড়িত হতে থাকে। ধীরে ধীরে পরাজিত হয়ে, জীবন হানী, অস্ত্র হারিয়ে জেলাশহরে পৌছাতে থাকে। বঙ্গবন্ধুর ডাকে পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে সেদিন সাতক্ষীরার শত সহ¯্র মুক্তিযোদ্ধা দেশ স্বাধীন করার দৃপ্ত সপথে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। পাক বাহিনী আস্তে আস্তে পালিয়ে যাওয়ায় মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও বিজয় উল্লাসে মেতে ওঠে।
স্বাধীনতা সংগ্রামের তৎকালীন ৯নং সেক্টরের সাব সেক্টর কমান্ডার প্রয়াত ক্যাপ্টেন শাহাজান মাষ্টারের নের্তৃত্বে সম্মূখ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো দেবহাটার মুক্তিকামী মানুষ। একের পর এক যুদ্ধে পরাস্থ হয়ে সেদিন দেবহাটা ছাড়তে বাধ্য হয় পাক বাহিনী ও তাদের দোষররা। সাতক্ষীরা কোর্ট চত্বরের ট্রেজারীর ৪শত রাইফেল লুট করে তৎকালীন সময়ে আব্দুল গফুর, এম এল এ আয়ুব হোসেন ও ক্যাপ্টেন শাহাজান মাষ্টার জীবন বাজি রেখে পরবর্তীতে ৯ নং সেক্টর গঠন করে। একাত্তরের নভেম্বর মাসের শেষ ও ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের প্রতিটি দিন অতিবাহিত হওয়ার সাথে সাথে ক্রমেই পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা পিছু হটতে থাকে। যাওয়ার সময় তারা মানুষের ঘরবাড়িতে আগুন ধরিয়ে এবং পারুলিয়া, কুলিয়া, বিনেরপোতা ব্রীজ গ্রেনেড দিয়ে উড়িয়ে দিয়ে যায়। পাক হানাদার বাহিনী দেবহাটার মাটি ছেড়ে যাওয়ার সময় মাটিতে পুতে রাখা এপি মাইন অপসারনকালে দেবহাটার কোঁড়া গ্রামের অব্দুল ওহাবের দেহটি মাইনের বিষ্ফরনে ছিন্ন বিছিন্ন হয়ে যায়। সেদিন এই বীর শহিদের ছিন্ন দেহটির প্রতি মাষ্টার শাহাজানের নেতৃত্বাধীন সকল মুক্তিযোদ্ধারা তাদের হাতিয়ার উচিয়ে শেষ সম্মান জানিয়েছিল। অবশেষে তার দেহটি ভারতের টাকী সাজারু বাগানে সমাহিত করা হয়। সর্বশেষে পাক সেনাদের সুরক্ষিত পুষ্পকাটি ইটের ভাটা ঘাঁটি পতনের জয়লাভের মধ্য দিয়ে ৬ই ডিসেম্বর সমগ্র দেবহাটা থানা এলাকা স্বাধীন হয়ে সম্পূর্ণ হানাদার মুক্ত হয়। তখন মুক্তিযোদ্ধা জনতা উল্লাসে ফেটে পড়ে। মূহুর্মুহু জয় বাংলা শ্লোগানে তাৎক্ষণিকভাবে বিজয়ের উল্লাস ছড়িয়ে পড়ে গোটা দেবহাটা জুড়ে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগর সোনামুগারি পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগ উদ্বোধন

শ্যামনগর প্রতিনিধি : মঙ্গলবার বিকালে শ্যামনগর উপজেলার সোনামুগারি গ্রামে পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগ উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য এস, এম জগলুল হায়দার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পল্লী বিদ্যুৎ কালিগঞ্জ সার্কেলের জিএম তুষার কন্তি মন্ডল। এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি জগলুল হায়দার বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা আগামী ২১ সালের ভিতরে বাংলাদেশের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ জালানোর প্রতি¯্রুতি আর আমার প্রচেষ্টায় আগামী ১৮ সালের ভিতরে শ্যামনগর উপজেলার প্রত্যেক ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেওয়া হবে। উপজেলা শহরের মাত্র ডেড় কিলোমিটার ব্যবধানে বিদ্যুৎ না থাকার ক্ষোভ আর বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ার আনান্দে গ্রামবাসী আনান্দ প্রকাশ ও জারি গানের আনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সত্তর দশকের প্রেমে পরীমণি

শিরোনাম দেখে অনেকের মনে হতে পারে পরীমণি হয়তো সত্তর দশকের কোনো রি-মেক ছবিতে অভিনয় করতে যাচ্ছেন। কিংবা সেই দশকের কোনো নায়কের প্রেমে পড়েছেন। আসলে তা কিন্তু নয়। তিনি প্রেমে পড়েছেন, তাও কিনা সত্তর দশকের একটি গাড়ির। তাই তো সেই গাড়িটিকে নিজের করে নিলেন হালের আলোচিত এই নায়িকা।

বাংলা সিনেমার সৌখিন একজন নায়িকার নাম পরীমণি। এমনকি সেটা বড় পর্দার বাইরেও। এবার তার সৌখিনতার পরিচয় পাওয়া গেল একটু ভিন্নভাবে। ‘প্রিমিও’ গাড়ি থাকার পরও নীল রঙের আরেকটি গাড়ি কিনলেন পরী। তবে এটি নতুন কোনো মডেলের নয়। গাড়িটি সত্তর দশকের মিতসুবিসি লাঞ্চার।
এ কারণেই অনেকে বলছেন হালের আলোচিত নায়িকা পরীমণি ফিরে গেছেন এবং প্রেমে পড়েছেন সত্তর দশকের।

সোমবার পরীমণি তার এই নতুন গাড়িটি বুঝে নেন। এরপরই ফেসবুকে আপলোড করেন নতুন গাড়ির ছবি।

এ প্রসঙ্গে পরীমণি বলেন, যাতায়াতের জন্য আমার আরেকটি গাড়ি রয়েছে। এই গাড়িটি আমি শো-পিস হিসেবে রেখে দেওয়ার জন্য কিনেছি। তবে গাড়িটির ইঞ্জিন সচল রাখতে মাঝেমধ্যে চালু করতে হবে। আমার মনে হয়, ঢাকায় খুব কম মানুষের কাছে এই মডেলের গাড়িটি রয়েছে।

এদিকে, আগামী ১৫ ডিসেম্বর মুক্তি পেতে যাচ্ছে পরীমণি অভিনীত ছবি ‘অন্তরজ্বালা’। মালেক আফসারি পরিচালিত এই সিনেমায় তার বিপরীতে দেখা যাবে জায়েদ খানকে। এতে আরো অভিনয় করেছেন- নবাগত জয় চৌধুরী, মৌমিতা মৌ, মিজু আহমেদ, সাঙ্কু পাঞ্জা, রেহেনা জলি ও বড়দা মিঠু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জায়েদ-পরীর ‘পোস্টার লাগাব’ (ভিডিও)

পরীমণি ও জায়েদ খান অভিনীত ‘অন্তরজ্বালা’ বড় পর্দায় উঠবে আগামী ১৫ ডিসেম্বর। মুক্তির আগেই নানা আলোচনা ও সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে ছবিটি। এছাড়া দিন দিন চলচ্চিত্রপ্রেমীদের প্রত্যাশাও বাড়ছে একে ঘিরে। এ বছর বেশ কয়েকটি ছবি সাফল্যের শীর্ষ বিন্দু ছুঁয়েছে। আর কথায় আছে, শেষ ভালো যার সব ভালো তার। তাই বছরের শেষে ফিল্মপাড়ার লোকজনও মুখিয়ে আছেন এ ছবিটির দিকে।

সম্প্রতি এই ছবির একটি গান ইউটিউবে মুক্তি পায়। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ‘পোস্টার লাগাব’ শিরোনামে আরও একটি গান মুক্তি পেয়েছে। গানটিতে বেশ চঞ্চল ও প্রাণোচ্ছ্বল লাগছে জায়েদ-পরীকে। অন্তরজ্বালা ছবিটি নিয়ে তাদের প্রত্যাশাও অনেক। তারাও অপেক্ষার প্রহর গুনছেন কখন মুক্তি পাবে এটি।
কারণ এতে জায়েদ এবং পরী- দু’জনই উজাড় করে অভিনয় করেছেন বলে জানিয়েছেন তারা।

এদিকে, মুক্তির আগেই রেকর্ডসংখ্যক হল বুকিংয়ের খবরে আলোচনায় উঠে এসেছে অন্তরজ্বালা। ছবিটি ১৭৫টি হলে মুক্তি দেওয়ার আশা ব্যক্ত করেছেন পরিচালক নিজেই। মালেক আফসারী জানান, এই হল সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

বেশ কয়েকটি ছবিতে ইতিমধ্যে জুটিবদ্ধ হয়েছেন জায়েদ-পরী। এই ছবিটি তাদের রসায়নের ‘এসিড টেস্ট’ বলে মনে করছেন কেউ কেউ। অপেক্ষা করছেন দর্শকরা এ জুটিকে কীভাবে গ্রহণ করেন। এখন দেখার পালা সত্যি সত্যি তারা অভিনয় দিয়ে দর্শকহৃদয়ে কতটা আগুন জ্বালাতে পারেন?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডিভোর্সের সিদ্ধান্তে অটল শাকিব, এ সিদ্ধান্ত মানহানিকর- অপু

অপু বিশ্বাস বলেছেন শাকিব তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে তাকে ডিভোর্স দিতে চাইছেন। প্রতিটি অভিযোগ তাকে প্রমাণ করতে হবে। একটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মেয়েকে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করার পর এখন তার জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন শাকিব। এটি তার জন্য মানহানির সমতুল্য। এ কারণে অপু এখন প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেছেন। অন্যদিকে হায়দরাবাদে ‘নোলক’ ছবির শুটিংয়ে থাকা শাকিবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তাকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্তে আমি অটল। আমি আমার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আর কোনো কথা বলতে চাই না। ডিভোর্স সংক্রান্ত বিষয়ে আমার আইনজীবী যা বলার বলবেন। ছেলে আবরাম খান জয় প্রসঙ্গে শাকিব খান বলেন, সে তো আমারই সন্তান। আমার সন্তানের ভালোর জন্য যা যা করার দরকার, আমি অবশ্যই তা করব।

এদিকে চলচ্চিত্রকারদের মধ্যে অনেকে নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেছেন, অপু শাকিবকে স্বামী হিসেবে দাবি করলেও স্বামীর প্রতি স্ত্রীর দায়িত্ব কখনো সে পালন করেনি।
কোনো বিষয়ে স্বামীর অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেনি। টিভি চ্যানেলসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়ে শাকিবের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছে। সে এখন পর্যন্ত তার নাম ‘অপু বিশ্বাস’ রেখেছে। বিয়ের সময় ধর্ম পাল্টে মুসলমান হিসেবে তার নাম রাখা হয়েছে ‘অপু ইসলাম খান’। এরপরেও এতদিন পর্যন্ত শাকিব চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত সম্প্রতি শিশু সন্তান জয়কে বাসায় কাজের লোকের কাছে রেখে শাকিবের অনুমতি না নিয়ে অপু কলকাতায় চলে গেলে শাকিব হার্ডলাইনে যেতে বাধ্য হন। শাকিবকে ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার অনুরোধ জানিয়ে অপু বলেন, না হলে আমার আর কোনো পথ থাকবে না। প্রয়োজনীয় যা করার সবই করতে হবে আমাকে। অপু বলেন, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চাইছি। কারণ ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করার পর আজ আমাকে শাকিব তালাক দিতে চাইছে। আমি এখন কোথায় গিয়ে দাঁড়াব। আমার সম্প্রদায় তো এখন আমাকে আর স্বাভাবিকভাবে মেনে নেবে না। অপু বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত সহনশীল ও সুবিবেচনাপ্রসূত মনের মানুষ। তার সহমর্মিতা অতুলনীয়। আমি দেশের একজন প্রথম শ্রেণির নাগরিক। শাকিবের একরোখা সিদ্ধান্তে আমার জীবন এখন বিপন্ন। প্রধানমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপই এই দুর্বিষহ অবস্থা থেকে আমাকে মুক্ত করতে পারে। মানবাধিকার ও নারী সংগঠনগুলোকেও পাশে চান অপু। তিনি বলেন, সেলিব্রেটি হলেও আমার সামাজিক মর্যাদা রয়েছে। ডিভোর্সের মতো একটি ন্যক্কারজনক সিদ্ধান্ত কখনো মেনে নেওয়া যায় না। অপুর কথায়, সংসারে ঝগড়া, ঝামেলা থাকা অস্বাভাবিক কিছু নয়। শাকিবের সিদ্ধান্ত মেনে নিতাম যদি একই ধর্মের হতাম। আমাকে ও জোর করে ধর্মান্তরিত করেছে, বিয়ে করেছে। তাই তার এই অমানবিক সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেব না। অপু বলেন, যদিও এখন পর্যন্ত ডিভোর্সের কোনো চিঠি পাইনি তারপরও বিষয়টি শুনে অবাক হয়েছি। কারণ গত মাসের ২৮ তারিখে সন্তান জয়কে নিয়ে শাকিবের বাসায় গিয়েছি। জয়কে শাকিবের কাছে রেখে দুদিনের জন্য গ্রামের বাড়ি বগুড়া গিয়েছি। শাকিবের মা, বাবাকে বলেছি আমি নামাজ, রোজা, হজ আদায় করব আর শাকিবের সঙ্গে সুখে সংসার করব। তারাও আমার কথায় সম্মত হয়েছিলেন। এরপর এমন কী ঘটনা ঘটল যে, সে আমাকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল। অপু বলেন, জয়ের জন্ম নিয়েই শাকিবের সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতি ঘটে। সন্তানের জন্ম হোক এটি শাকিব চায়নি। জয়ের জন্মের আগে শাকিবের আপত্তির মুখে তিনবার অ্যাবরশন করাতে হয়েছে তাকে। অপু বলেন, জয় যখন গর্ভে আসে তখন অ্যাবরশন করানোর জন্য আমাকে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে পাঠায় শাকিব। সেখানকার চিকিৎসক জানান, যেহেতু আগে তিনবার অ্যাবরশন হয়েছে আর নতুন করে কনসেপ্টের সময় ৪ মাস হয়েছে, সেহেতু অ্যাবরশন করানো ঝুঁকিপূর্ণ। এরপর শাকিব আমাকে কলকাতা পাঠায় অ্যাবরশন করানোর জন্য। সেখানে শাকিব তখন ‘শিকারি’ ছবির শুটিং করছিল। শাকিব তার চাচাতো ভাই মুনিরকে দিয়ে আমাকে কলকাতার একটি হাসপাতালে পাঠায়। সেখানকার চিকিৎসকরাও অ্যাবরশন ওই সময় ঝুঁকিপূর্ণ জানিয়ে তা করতে অস্বীকার করেন। তখন আমি সন্তান জন্মদানের সিদ্ধান্ত নেই। আর এতেই শাকিব আমার ওপর খেপে যায়। তার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। সে আমার সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দেয় এমন কি আমার মোবাইল নাম্বারও ব্লক করে দেয়। এতে মুনিরের মাধ্যমে শাকিবের সঙ্গে আমার যোগাযোগ চলতে থাকে। যে কোনো বিষয়ে শাকিবের অনুমতি নিতে মুনিরের মাধ্যমে তাকে জানিয়ে আসছি। অপু বলেন, শাকিবের কারণে আমি আমার নাম অপু ইসলাম খান বলে প্রকাশ করতে পারিনি। কারণ বিয়ের ব্যাপরটি ৮ বছর ও জয় গর্ভে আসার পর থেকে টিভি চ্যানেলে তা প্রকাশ করা পর্যন্ত দেড় বছর শাকিবের নির্দেশে বিয়ে ও সন্তানের বিষয়টি গোপন রাখতে হয়েছে। আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, পাসপোর্ট থেকে শুরু করে সব জায়গায় ‘অপু বিশ্বাস’ নাম রয়ে গেছে। এসব বদলাতে তো সময়ের দরকার। শাকিব আমার সঙ্গে কথা বলে সব ঠিক করলে এক্ষেত্রে আর কোনো সমস্যা হওয়ার কথা ছিল না। এখন সব ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে শাকিব ও জয়কে নিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে চাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরবন থেকে ড্রোন উদ্ধার, ১২ বিদেশি পর্যটকের পাসপোর্ট জব্দ

বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের আলোরকোলে বিদেশি পর্যটকদের কাছ থেকে একটি ড্রোন উদ্ধার করেছে সুন্দরবন বিভাগ। এ সময়ে সুন্দরবনে অবৈধভাবে ড্রোন নিয়ে প্রবেশ ও উড়ানোর অভিযোগে মাল্টার নাগরিক ১২ পর্যটকের পাসপোর্টও জব্দ করা হয়েছে। একই সাথে ‘বাংলার বন সুন্দরবন’ নামের যে লঞ্চ করে বিদেশি এসব নাগরিকরা ড্রোন নিয়ে সুন্দরবন ভ্রমণ করছিলো ওই ট্যুরিস্ট লঞ্চ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিচ্ছে সুন্দরবন বিভাগ। আলোরকোল থেকে দুপুরে আটকের পর ড্রোনটি বাগেরহাটে পূর্ব সুন্দরবন বিভাগে নিয়ে আসা হচ্ছে।

সুন্দরবনে ড্রোন দিয়ে বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্যে দেখা ও ছবি ধারণ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও বিদেশিএই ১২ পর্যটক কিভাবে ড্রোন নিয়ে সুন্দরবন প্রবেশ করলো ও ড্রোন উড়িয়ে কী কী দৃশ্য ধারণ করেছে তা খতিয়ে দেখছে সুন্দরবন বিভাগ।

বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএপও) মো. মাহমুদুল হাসান মাল্টার ১২ নাগরিকের কাছ থেকে ড্রোন আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এই ১২ বিদেশি নাগরিক বাংলাদেশে প্রবেশের সময় ড্রোন বহনের কোন ঘোষণা দিয়েছিলো কিনা? সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সে কারণে তাদের পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনে ড্রোন নিয়ে প্রবেশ ও উড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধের বিষয়টি পর্যটকরা না জেনেও থাকতে পারেন। তবে দেশি-বিদেশি কোনো পর্যটকই সুন্দরবনে ড্রোন নিয়ে প্রবেশ ও উড়াতে পারবে না এই মর্মে চিঠি দিয়ে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি ট্যুর অপারেটরদের নিশ্চিত করা হয়েছে। তাই সুন্দরবনে ড্রোন নিয়ে প্রবেশ ও উড়ানোর জন্য ১২ বিদেশি পর্যটকবাহী লঞ্চ ও ট্যুর অপারেটরের বিরুদ্ধ আইনগত ব্যবস্থা নেবে সুন্দরবন বিভাগ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার এসপি আলতাফ হোসেনের বিদায় ও সাজ্জাদুর রহমানের বরণ সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলার বিদায়ী পুলিশ সুপার মোঃ আলতাফ হোসেন পিপিএম এর বিদায় ও নবাগত পুলিশ সুপার মোঃ সাজ্জাদুর রহমান এর বরণ উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্সে জেলা পুলিশের আয়োজনে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
সাতক্ষীরা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কেএম আরিফুল হকের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতক্ষীরা সার্কেল) মেরিনা আক্তার এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা রেঞ্জের রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ দিদার আহম্মদ।
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি(অপরাধ) মোঃ হাবিবুর রহমান বিপিএম, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি ডাঃ আবুল কালাম বাবলা, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, জেলা বিশেষ শাখার ডিআইও-১ মোঃ মিজানুর রহমান, সকল থানার অফিসার ইনচার্জবৃন্দসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন স্তরের পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে বিদায়ী পুলিশ সুপার তার সাতক্ষীরা জেলায় কর্মরত থাকাকালীন সময়ে তাকে সহযোগিতা করার জন্য জেলা পুলিশের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ, সামাজিক সগঠনসহ সংশ্লিষ্ট সকল শান্তিপ্রিয় মানুষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
নবাগত পুলিশ সুপার তার বক্তব্যে সাতক্ষীরা জেলার আইন শৃংখলা সমুন্নত রাখতে যেকোন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং উপস্থিত সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
সবশেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিদায় ও বরণের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাঙামাটিতে আ. লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা

রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অরবিন্দ চাকমাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার রাত সোয়া আটটার দিকে উপজেলার সুবলং নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিঁড়ির পাশেই তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। জুরাছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) কর্মকর্তা আবদুল বাসেত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জুরাছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) জানান, ‘মঙ্গলবার রাত পৌনে ৮টার দিকে জুরাছড়ি উপজেলার সুভলং খাগড়াছড়ি নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিঁড়ির সামনে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।  খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। তারা ফিরে আসার আগপর্যন্ত বিস্তারিত কিছু বলা যাচ্ছে না।’ এই ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

এদিকে, বিলাইছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রাসেল মার্মকে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। এই প্রসঙ্গে বিলাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ ইকবাল জানান, ‘মঙ্গলবার সন্ধ্যার পরে বাসায় যাওয়ার পথে ৫/৬জনের একদল যুবক লাঠি-শোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় তার মাথায় ও কানে জখম হয়।  আহত রাশেদ মাহমুদকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।’

এদিকে, দুই ঘটনার জন্যই পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকে (জেএসএস) দায়ী করেছেন রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. মুছা মাতব্বর। তিনি জানান, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে তারাই অবৈধ অস্ত্রের মাধ্যমে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।’ দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।

এই অভিযোগ অস্বীকার করে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি  (জেএসএস)-এর সহ-তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা বলেন, ‘ঘটনাটি এই মাত্র শুনলাম। তবে এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে জেএসএস সম্পৃক্ত থাকতে পারে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest