সর্বশেষ সংবাদ-
সুন্দরবনে মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে বাঘের আক্রমণে মৌয়াল আহততালায় খালে মাছ ধরতে এসে বৃদ্ধের মৃত্যুদেবহাটার সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের মৃত্যুসাতক্ষীরা কম্পিউটার সমিতির নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কালিগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্যদেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যু

শ্বাসকষ্ট ও ডায়বেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকারক কুল

কুল অত্যন্ত সস্তা এবং বাজারে বহু বিক্রিত একটা ফল, তাই ইচ্ছা করলেই আপনিও বাজার থেকে কুল কিনে এনে খেতে পারেন। কারণ শীতের ফসল কুল শীতের শেষের দিকে পাকতে শুরু করে। এইসময় পাকা কুলে গাছ প্রায় ছেয়ে যায়। তাই কুল খাওয়ার এটাই আদর্শ সময়।

তবে শুধু স্বাদের জন্য নয়, অনেকেই বোধহয় জানেন না, এই ছোট্ট কুলের মধ্যে রয়েছে কত ধরনের পুষ্টিগুণ। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে পাঠকদের জন্য রইলো কুলের গুণ সমর্কে বিস্তারিত-

কুলের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। যা একদিকে আপনার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।

যে কোনোরকম দাতের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। তাই দাঁতে ব্যথা বা পাইরিয়া জাতীয় সমস্যায় ভুগলে আপনি কুল কিনে খেতে পারেন।

তবে যাদের শ্বাসকষ্ট রয়েছে কুল তাদের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর, তাই তারা চেষ্টা করবেন কাঁচা বা পাকা যে কোন ধরনের কুলকে এড়িয়ে চলার।

ডায়বেটিস রোগীদের জন্য কুল খুবই ক্ষতিকারক। আবার অনেকে বলেন কাঁচা কুল খেলে নাকি পেটের সমস্যা হয়।

কিন্ত কুলের মধ্যে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি, যা এই ঋতু পরিবর্তনের সময় আমাদের সর্দি কাশির মতো রোগের হাত থেকে বাঁচায়।

এছাড়া কুলের মধ্যে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং লিউকোমিয়ার মতো রোগকে প্রতিরোধ করে।

কুল আবার ত্বকের রুক্ষতা দূর করে ত্বককে মসৃণ রাখতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা সারিয়ে তুলতে এটি অব্যর্থ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইজতেমা ফেরত বাসের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ৪

সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় ইজতেমা ফেরত একটি বাসের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও নয়জন। সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার রশিদপুর সাতমাইলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- সুনামগঞ্জের আবু বক্কর (৫০), আকবর আলী (৫০), আব্দুল গফুর (৪৫) ও জেলার কাঠইর ইউনিয়নের সদস্য আব্দুল খালেক (৪৫)। আহতদের সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল ফজল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা থেকে একটি বাসে সুনামগঞ্জে ফেরত আসছিল অন্তত ৩০ মুসল্লি। সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সাতমাইলে কুয়াশার মধ্যে বিপরীত দিক থেকে আসা ট্রাকের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের ওসমানী মেডিকেলে নিয়ে যায়। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সেখানে খালেকের মৃত্যু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিক্ষামন্ত্রীর পিওসহ তিনজনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিও) মোতালেব হোসেন, মন্ত্রণালয়ের গ্রহণ ও বিতরণ শাখার উচ্চমান সহকারী নাসির উদ্দিন এবং জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ততার অভিযোগে কিছু দিন বন্ধ থাকা লেকহেড গ্রামার স্কুলের পরিচালক খালেদ হাসান মতিনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গতকাল সন্ধ্যার পর মোতালেবকে বছিলা এবং নাসির ও মতিনকে গুলশান এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান।

এর আগে নিখোঁজ দাবি করে হাজারীবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি-নম্বর ৯৪৬) করেন মোতালেবের ছোট ভাই শাহাবুদ্দীন আহমেদ। গত বৃহস্পতিবার বনানী থানায় জিডি করেছিল নাসির উদ্দীনের পরিবার। পরপর এসব নিখোঁজের ঘটনায় আতঙ্ক দেখা দেয়।

গতকাল দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছিলেন, অপহূতদের উদ্ধারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে দুপুরে মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু আলম তার বাসায় অপরিচিত ৭-৮ জন লোক গিয়ে তার খোঁজ করেছে বলে শিক্ষামন্ত্রীকে অবহিত করেছিলেন। মোতালেব হোসেন ঝালকাঠি জেলার নলছিটি থানার আমতলী গ্রামের মৃত দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষামন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গ্রহণ ও বিতরণ শাখার উচ্চমান সহকারী নাসির উদ্দীন বাংলাদেশ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের মহাসচিব।

লেকহেড গ্রামার স্কুলের পরিচালক গ্রেফতার : লেকহেড গ্রামার স্কুলের পরিচালক খালেদ হাসান মতিনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, গত শনিবার বিকালে তাকে গুলশান-১ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা জব্দ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নারীলিপ্সু নাসিরের বিরুদ্ধে অন্তঃসত্ত্বা মাছুরার যত অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: আমার আগে আরও চার নারীর সর্বনাশ করেছে নাসির। বিয়ের নামে তাদের সাথেও প্রতারনা করেছে। তাদেরকে নিয়ে বাসা ভাড়া করে থেকেছে। সে সব মেয়েরা এখন নাসিরকে ছেড়ে নিজেদের অবস্থানে ফিরে গেছে। সেই নাসির এখন আরও একটি মেয়ের পিছনে লেগেছে। তাকে বিয়ে করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তাকে নিয়ে এখানে ওখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তার সাথে বসে একই সাথে ইয়াবাও খায় নাসির।
রোববার সাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের সাথে এসব কথা বলেন শ্যামনগর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের মাটি শ্রমিক আবুবকর সিদ্দিকের মেয়ে মাছুরা খাতুন। মাছুরা নাসিরউদ্দিনের সাড়ে তিন বছরের বিবাহিত স্ত্রী। তিনি এখন অন্তঃসত্ত্বা। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে নাসির তাকে ছেড়ে কোনো কিছু না বলেই চলে গেছেন। এর পর আমাকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। বলছে ওকে আর নেবো না। সেই নাসির এখন আরও এক বিয়ের নামে পাঁয়তারা করছে জেনে মাছুরা ছুটে আসেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে। তিনি জানান আমি আমার স্বামীর ঘর চাই।
মাছুরা জানান, বছর চারেক আগে তাদের পরিচয়। নাসির কালিগঞ্জ উপজেলার দুদলি গ্রামের মো. বাসারতুল্লাহর ছেলে। কালিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক ছিলেন তিনি। নানা কারণে নাসিরউদ্দিন ছাত্রলীগ থেকে বহিস্কৃত হন। এরপর থেকে নানা অনৈতিক কাজে নামেন তিনি।
মাছুরা বলেন দুই পক্ষের অভিভাবকের অমতেই নাসিরের সাথে বিয়ে হয় তার। এরপর নাসির তাকে সাতক্ষীরায় এনে ভাড়া করা বাসায় থাকতেন। মাছুরা বলেন, নাসিরের সাথে কয়েকজন পুলিশ সদস্যের সুসম্পর্ক ছিল। সে নিজেই একজন ইয়াবাসেবী। ইয়াবা ও ফেনসিডিল কেনাবেচাও করে। প্রায়ই রাতে তাদের বাসায় আসতো ফিরোজ ও আমিনুর নামের পুলিশের দুই সদস্য। সাথে থাকতো ইটাগাছার সাইফুল নামের আরও এক যুবক। তারা এক সাথে আমার ঘরে বসে ইয়াবা খেতো। পুলিশের সাথে চুক্তি করে সাধারন মানুষকে ধরিয়ে আনতো। আমি আপত্তি জানাতাম। প্রতিবাদ করায় আমাকে মারধর করতো নাসির। জানাজানি করলে বলতো, তোর বাবার নামে মামলা দিয়ে জেল খাটাবো। মাছুরা তার দেহের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ণ দেখান। মাছুরা জানান, তার পেটের প্রথম সন্তান সাড়ে চারমাস পর গর্ভপাতের মাধ্যমে নষ্ট করায় নাসির। দ্বিতীয় সন্তান পেটে আসার পর থেকে নাসির আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। এরই মধ্যে সে অপর একটি মেয়ের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলে। তাকে ঘরে নিয়ে আসতো। বোন পরিচয়ে ঘরে রাখতো। তার সাথে বসে ইয়াবা খেতো। আর আমি প্রতিবাদ করলে আমাকে মারপিট করতো। মাছুরা জানান পেটের সন্তান নষ্ট করে দেওয়ার জন্য আমাকে চলা কাঠ দিয়ে কোমরে আঘাত করেছে নাসির। তিনি জানান তার গলায় ওড়না পেচিয়ে তাকে খুন করারও চেষ্টা করেছিল নাসির। কিন্তু প্রতিবেশিরা এসে তাকে রক্ষা করেন। মাছুরা জানান এভাবে আরও চার নারীর সর্বনাশ করেছে নাসির।
মাছুরা জানান, আমাদের প্রথম বিয়ের স্ট্যাম্পে স্বাক্ষরযুক্ত কাগজপত্র চাইতাম আমি। কিন্তু নাসির দিতে চাইতো না। তিনি বলেন শহরের কাটিয়ায় বাসা পাল্টালে বাড়িওয়ালা আমাদের দুইজনকে পুলিশে সোপর্দ করেন। সাতক্ষীরার কাটিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক মো. বাহারুল ইসলামের সহায়তায় গত ১ নভেম্বর শরীয়ত মোতাবেক মাছুরার সাথে নাসিরের বিয়ে পড়ান ম্যারেজ রেজিস্ট্রার মওলানা আবদুর রাজ্জাক। বিয়ের সেই নিকাহনামা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন মাছুরা। তিনি জানান এখন আমাকে রাস্তাঘাটে মারধর করার পরিকল্পনা করেছে নাসির। এরই মধ্যে তিন যুবককে পাঠিয়েছিল তার কাছে। কিন্তু মাছুরা পালিয়ে থেকে রক্ষা পান।
মাছুরা জানান, এতো সবের পরও আমি তার ঘর ছাড়তে চাইনা। আমি আইনগত সহায়তা চাই। মাছুরা জানান নাসির মাঝে মাঝে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেন। নিজে সাংবাদিক জানিয়ে ভয় দেখান নাসির।
এ সম্পর্কে জানতে চাইলে ঢাকাস্থ মানবাধিকার প্রতিদিনের সম্পাদক শহিদুল ইসলাম জানান, নাসিরকে তার অনৈতিক কাজের অভিযোগে পত্রিকা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে কালিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ শাওন আহমেদ সোহাগ জানান, সংগঠন বিরোধী নানা অভিযোগে নাসিরউদ্দিন এক বছর আগে বহিস্কৃত হন।
এ সব বিষয়ে জানতে মো. নাসিরউদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমার সাথে মাছুরার বিয়ের একটা ঝামেলা আছে সত্য। তবে সে বিষয়ে পরে বলবো। এক সপ্তাহ পর বাড়ি এসে বলবো। এখন ঢাকায় আছি। সাংবাদিকদের তিনি আরও বলেন, আমি মাছুরাকে তো পরিত্যাগ করিনি। তিনি বলেন, আমি বিশটা বিয়ে করেছি। আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখুন। তার বিরুদ্ধে আরও চার নারীর সর্বনাশ করা এবং ইয়াবা ব্যবসাসহ নানা বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি মুখ খোলেন নি। পরে তিনি তার ফোন বন্ধ করে দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

দেবহাটা প্রতিনিধি দেবহাটায় স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ(স্বাশিপ)এর পক্ষ থেকে শিক্ষাব্যবস্থাকে জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারক লিপি প্রদান করেছে নের্তৃবৃন্দরা। রবিবার বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত উপজেলা চত্বরে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ(স্বাশিপ)এর আয়োজনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন ও নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধান মন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করা হয়। মানববন্ধনে উপজেলা স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ(স্বাশিপ) এর সভাপতি আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা (স্বাশিপ) এর সাংগঠনিক সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক আকবর আলী। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন দেবহাটা কলেজের অধ্যাক্ষ একেএম আনিসউজ্জামান, হাজী কেয়ামউদ্দীন মেমোরিয়াল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম, জেলা (স্বাশিপ) এর সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ আল-মামুন, দেবহাটা উপজেলা(স্বাশিপ) এর সহ-সভাপতি মোহাম্মাদালী, পরিমল কৃষ্ণসাহা, প্রশান্ত তরফদার, সাধারণ সম্পাদক শেখ তহিরুজ্জামান, সহ-সম্পাদক আলমগীর কবির, আলহাজ্ব শেখ মোয়াজ্জিন হোসেন, শিক্ষক হাফিজুল ইসলাম, দ্বিনবন্ধু, মুজিবুদ্দৌলা, সুপ্রসাদ দাস, সূর্যকান্ত রায়, শহীদুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যয়ের নের্তৃবৃন্দরা। পরে নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারক লিপিতে ২০২১ সালে বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ ঘোষণা আগেই ৯৮% বেসরকারি শিক্ষকদের জাতীয়করণ করে সরকারের উন্নয়নের সহকর্মী হিসাবে কাজ করতে চাই স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ(স্বাশিপ)। একই সাথে ২০৪১ সালের জ্ঞান বিজ্ঞানের সমৃদ্ধ তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক উন্নত বাংলাদেশের গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ণ করতে এবং সোনার বাংলা বিনির্মানে কাজ করতে শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধি ও শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করতে দাবি জানানো হয়। বক্তরা বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল। শুধু স্বাধীনতা সংগ্রাম নয় জাতীকে শিক্ষিত করতে শিক্ষকরা কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে। আর এই শিক্ষকদের মধ্যে ৯৮% শিক্ষকদের জাতীয়করণ না হওয়ায় শিক্ষা ব্যবস্থা অনেকটা সমস্যার সৃষ্টি দেখা দিচ্ছে। এই সমস্যা সমাধান করে শিক্ষকদের মান বৃদ্ধি করতে দেশের প্রতিটা উপজেলা ও জেলা পর্যয়ে একযোগে এই মানববন্ধন ও স্মারক রিপি কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। দাবি না মানা হলে আগামী ৩ মার্চ জাতীয় পর্যয়ে প্রতিনিধি সভার মাধ্যমে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

 

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সদর উপজেলা যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ জেলা শাখার আহবায়ক মো. আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও কটুক্তি করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকালে সদর উপজেলা যুবলীগের আয়োজনে সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সমাবেশে মিলিত হয়।
সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- পৌর যুবলীগের সভাপতি মনোয়ার হোসেন অনু, সাধারণ সম্পাদক তুহিনুর রহমান তুহিন, সদর উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি প্যানেল চেয়ারম্যান মো. গোলাম কিবরিয়া বাবু, জাহিদ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, পৌর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ইউছুফ সুলতান মিলন, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি এনজামামুল হক ইনজা ও শামসুর রহমান প্রমুখ। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘জেলা যুবলীগের আহবায়ক মো. আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে কোন রকম ষড়যন্ত্র সহ্য করা হবেনা। এধরনের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাবো। পরবর্তীতে আরো কঠোর আন্দোলনে যাব।’ সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মঈনুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাফিজ

আশাশুনি ব্যুরো: ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা পত্রিকার আশাশুনি ব্যুরো প্রধান মোস্তাফিজুর রহমান সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে। উপজেলা বিআরডিবি মিলনায়াতনে রবিবার সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ১৮ জন ভোটারের মধ্যে ১৭জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচনে সভাপতি পদে মোস্তাফিজুর রহমান ১৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। অপর প্রার্থী সোহরাব হোসেন পেয়েছেন ২ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে আকাশ হোসেন ১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। অপর প্রার্থী শেখ বাদশা পেয়েছেন ৪ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে এম এম নূর আলম ১৫ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। অপর প্রার্থী মইনুল ও আলমিন হোসেন ছট্টু ১ ভোট করে পেয়েছেন। অর্থ-সম্পাদক পদে মইনুল ইসলাম ১৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। অপর প্রার্থীর মধ্যে সোহরাব হোসেন ১ ভোট, বাহবুল হাসনাইন ১ভোট এবং এম এম নূর আলম ১ভোট পেয়েছেন। নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন আশাশুনি সরকারী কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক তৃপ্তি রঞ্জন সাহা। সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন আশাশুনি পাইলট হাইস্কুলের অবঃ শিক্ষক প্রবিন সাংবাদিক একেএম ইমদাদুল হক ও সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হান্নান। নির্বাচন চলাকালে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিদর্শন করেন আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিদুল ইসলাম শাহীন, ওসি তদন্ত মোঃ আক্তারুজ্জামান, দৈনিক নওয়াপাড়ার জেলা প্রতিনিধি মোঃ হাফিজুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ বাচ্চু, আশাশুনি প্রেসক্লাবসহ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় জেলা পরিষদ’র উদ্যোগে এতিমদের মাঝে কম্বল বিতরণ

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ’র উদ্যোগে তালার ২টি এতিমখানার এতিমদের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরন করা হয়েছে। জেলা পরিষদ সদস্য সাংবাদিক মীর জাকির হোসেন এর তত্বাবধানে শনিবার সকালে তালা কাছেমুল উলুম মাদ্রাসা ও তালা আল ফারুক শিশু সদন এতিমখানা’র এতিমদের মাঝে উক্ত কম্বল বিতরন করা হয়। কম্বল বিতরনকালে জেলা পরিষদ সদস্য সাংবাদিক মীর জাকির হোসেন, তালা উপজেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জাপা নেতা শেখ মহাসিন উল্লাহ, মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা আবু সাইদ, মুয়াজ্জিন আব্দুল আজিজ, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের সাধারন সম্পাদক মোড়ল রফিকুল ইসলাম, ইউপি সদস্য মীর কল্লোল, মো. মোকবুল হোসেন, সাংবাদিক কে.এম. শাহিনুর রহমান, সৈয়দ ইলিয়াস ও মীর বিকুল সহ ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest